02/08/2017
📌Save Yourself By Fulfilling The Promises | ***i_Ismail_Menk | 📌Contact of M***i Menk ☞M***i Menk Official Website: https://goo.gl/fwJR75 ☞Face...
Japan Islamic Institute of Technology & Qur'an Research Center
📌Save Yourself By Fulfilling The Promises | ***i_Ismail_Menk | 📌Contact of M***i Menk ☞M***i Menk Official Website: https://goo.gl/fwJR75 ☞Face...
Taqabbal Allahu minna wa minkum!
Eid Mubarak.
Announcement for Japan
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
We are pleased to inform that Ru'yat Alhilal Committee of Japan has announced, as today moon was sighted in Malaysia, tomorrow Sunday 25th June 2017 is the first day of Shawwal and Eid Al Fitr .
Salat - Al Eid at Otsuka Masjid will start from 7:30am in shaa Allah. if Masjid is crowded earlier, then we will start the prayer early.
Salat Al-Eid at Ojima Musalla, Danchi Hall No: 6 will begin at 9:00 am in shaa Allah.
We take this opportunity to congratulate The Muslim Umma. May Allah accept all our good deeds Ameen. May Allah ease all the suffering of our brothers and sisters in Palestine, Syria, Iraq, Yemen, Burma and around the world. Please remember in your Duas those less fortunate brothers and sisters while enjoying the Eid.
May Allah accept from us and you of all good deeds and forgive from us all our shortcomings and mistakes ameen.
Wish you all Eid Mubarak
تقبل الله منا ومنكم صالح الاعمال وغفر اللهً لنا ولكم
وكل عام وانتم اقرب الى الله تعالى
আবূ উমামাহ (রাঃ) জান্নাতে প্রবেশ করাবে এমন আমল প্রসঙ্গে যখন আল্লাহর নবী (ﷺ)-এর নিকট নির্দেশ চাইলেন, তখন তিনি তাঁকে বললেন,
‘‘তুমি রোযা রাখ। কারণ, তার মত অন্য কোন আমল নেই।’’ [নাসাঈ]
মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) রোযাদারকে বেহেশ্তে ‘রাইয়ান’ নামক এক বিশেষ দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সুসংবাদ দিয়েছেন। [বুখারী, মুসলিম]
আর ‘রাইয়ান’ (তৃষ্ণাহীন) দ্বার আমল অনুযায়ী রোযাদারের জন্য বড় উপযুক্ত। কারণ, রোযা রাখার ফলে দুনিয়াতে সে পিপাসায় কাতর হয়। তাই তারই বিনিময়ে পরকালে ‘‘সেই দ্বারে যে প্রবেশ করবে সে (বেহেশ্তী পানীয়) পান করবে। আর যে ব্যক্তি একবার তা পান করবে, সে ব্যক্তি আর কোন কালেও পিপাসিত হবে না।’’ [আহমাদ, মুসনাদ, নাসাঈ]
‘লাইলাতুল কদর’ হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। [সূরা আল-কদর, আয়াত ৩]
শবে কদরের একটি রাতে ইবাদত আর আল্লাহ সরণের মাধ্যমে আপনি, আমি, আমরা ৮৩ বছর ৪ মাসের সমান সওয়াব অর্জন করতে পারি। ইবাদতের এই সুবর্ণ সুযোগ যেন আমাদের হাত ছাড়া না হয়। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন। আমীন!
লাইলাতুল কদরের মর্যাদা, বৈশিষ্ট্য ও ফযীলাত:
(১) এ রাতে আল্লাহ তা‘আলা পুরা কুরআন কারীমকে লাউহে মাহফুয থেকে প্রথম আসমানে নাযিল করেন। তাছাড়া অন্য আরেকটি মত আছে যে, এ রাতেই কুরআন নাযিল শুরু হয়। পরবর্তী ২৩ বছরে বিভিন্ন সূরা বা সূরার অংশবিশেষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘটনা ও অবস্থার প্রেক্ষিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র উপর অবতীর্ণ হয়।
(২) এ এক রজনীর ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।
(৩) এ রাতে পৃথিবীতে অসংখ্য ফেরেশতা নেমে আসে এবং তারা তখন দুনিয়ায় কল্যাণ, বরকত ও রহমত বর্ষণ করতে থাকে।
(৪) এটা শান্তি বর্ষণের রাত। এ রাতে ইবাদত গুজার বান্দাদেরকে ফেরেশতারা জাহান্নামের আযাব থেকে মুক্তির বাণী শুনায়।
(৫) এ রাতের ফাযীলত বর্ণনা করে এ রাতেই একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা নাযিল হয়। যার নাম সূরা কদর।
(৬) এ রাতে নফল সালাত আদায় করলে মুমিনদের অতীতের সগীরা গুনাহগুলো মাফ করে দেয়া হয়।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
" যে ব্যক্তি ঈমান ও সাওয়াব লাভের আশায় কদরের রাতে নফল সালাত আদায় ও রাত জেগে ইবাদত করবে আল্লাহ তার ইতোপূর্বের সকল সগীরা (ছোট) গুনাহ ক্ষমা করেদেন।" (বুখারী, মুসলিম)
লাইলাতুল কদর আর রামাদানের শেষ দিনগুলাতে যে আমল গুলো আমরা বেশি বেশি করতে পারিঃ
❤ ১। সিয়াম পালন
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
“যে ব্যক্তি রমজান মাসে ঈমান সহকারে ও সওয়াবের আশায় রোজা পালন করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।" (বুখারী, মুসলিম)
"যে কেউ আল্লাহর রাস্তায় (অর্থাৎ শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশী করার জন্য) একদিন সিয়াম পালন করবে, তাদ্বারা আল্লাহ তাকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে সত্তর বছরের রাস্তা পরিমাণ দূরবর্তীস্থানে রাখবেন"। [সহীহ মুসলিম]
❤ ২। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা
“যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।” [তিরমিজি]
“তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যিনি কুরআন মজিদ শিক্ষা করে ও অন্যকে শিক্ষা দেয়।”[বুখারি]
“আল কুরআনে দক্ষ ও পণ্ডিত ব্যক্তি সম্মানিত পুণ্যবান ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। যে ব্যক্তি কুরআন আটকে আটকে তিলাওয়াত করে এবং তা তার জন্য কষ্টকর হয়, তার জন্য দু’টি প্রতিদান রয়েছে। প্রথমটি, তিলাওয়াতের প্রতিদান, দ্বিতীয়টি কষ্টের প্রতিদান।” [বুখারি ও মুসলিম]
“যে মোমিন কুরআন তিলাওয়াত করে তার দৃষ্টান্ত কমলালেবুর মত, যা সুস্বাদু ও সুঘ্রাণযুক্ত। আর যে মোমিন কুরআন তিলাওয়াত করে না, তার দৃষ্টান্ত খেজুরের ন্যায় যার ঘ্রাণ নেই, কিন্তু মিষ্টি।" [মুসলিম]
“তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর, কারণ, কুরআন কেয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।” [মুসলিম]
“তোমাদের মধ্যে হতে যে ব্যক্তি সকালে মসজিদে দু’টি আয়াত পাঠ করে বা শিখে, তাকে দু’টি উট সদকা করার সওয়াব দেয়া হবে। এভাবে যত বেশি আয়াত তিলাওয়াত করবে, ততবেশি উট সদকা করার সওয়াব প্রদান করা হবে।” [মুসলিম]
“যে কোন সম্প্রদায় আল্লাহর কোন ঘরে একত্রিত হয়ে কুরআন তিলাওয়াত করে এবং নিজদের মাঝে তা পঠন ও পাঠন করে, তাদের উপর শান্তি অবতীর্ণ হয়, আল্লাহর রহমত তাদের ঢেকে রাখে, ফেরেশতারা তাদের বেষ্টন করে রাখে এবং আল্লাহ তাআলা নিকটস্থ ফেরেশতাদের সঙ্গে তাদের ব্যাপারে আলোচনা করেন।” [মুসলিম]
“তোমরা কুরআনের যথাযথ যত্ন নাও, তা মুখস্থ ও সংরক্ষণ কর। ঐ সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন, অবশ্যই উট তার রশি থেকে যেমন দ্রুত পালিয়ে যায়, তার চেয়েও আরো তীব্র বেগে পালানোর বস্তু এ কুরআন।” [বুখারি ও মুসলিম]
ফজিলতপূর্ণ কিছু সূরা ও আয়াতঃ
★ সূরা আল-ইখলাস আল-কুরআনের এক তৃতীয়াংশ। আবু সাইদ খুদরি রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন, সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।” [বুখারি] এই সূরা পড়লে এক তৃতীয়াংশের কুরআন পড়ার সমান নেকী অর্জিত হয়।
http://www.japaniit.com/translation.php?id=112
★ সুরা আল কাফিরূন তেলাওয়াতের ফযিলত:
এই সুরা আল-কোরানের এক চতুর্তাংশ। [তিরমিযি]
http://www.japaniit.com/translation.php?id=109
★ সূরা মূলক
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘কুরআনের তিরিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরা এমন আছে , যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষাবধি তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে, সেটা হচ্ছে ‘তাবা-রাকাল্লাযী বিয়্যাদিহিল মূলক’ (সূরা মূলক)
http://www.japaniit.com/translation.php?id=67
★ সূরা বাক্বারার শেষ আয়াত দু’টি পাঠ করা।
আবূ মাসাঊদ বদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাক্বারার শেষ আয়াত দু’টি পাঠ করবে, তার জন্য সেই দু’টি যথেষ্ট হবে’। [সহীহুল বুখারি ৪০০৮]
http://www.japaniit.com/translation.php?id=2
★ সূরা কাহফের প্রথম এবং শেষ দশ আয়াতঃ
সহীহ মুসলিমের এক হাদিসে আছে সূরা কাহফের প্রথম এবং শেষ দশ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে রাসূলুল্লাহ(সা) বলেছেন,
“যে ব্যক্তি সুরা কাহফের ঐ আয়াতগুলি মুখস্থ করবে এবং পড়বে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।”
http://www.japaniit.com/translation.php?id=18
★ সূরা কাহফঃ
যে ব্যক্তি শুক্রবার দিন সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তী জুমু’আ পর্যন্ত একটা বিশেষ জ্যোতি আলোকিত হয়ে থাকবে।
http://www.japaniit.com/translation.php?id=18
★ সূরা ফালাক্ক, সূরা নাসঃ
উকবাহ বিন আমের (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) একদা বললেন, ‘তুমি কি দেখনি, আজ রাতে আমার উপর কতকগুলি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে; যার আনুরূপ আর কিছু দেখা যায়নি? (আর তা হল,) ‘কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক্ক’ ও ‘কুল আউযু বিরাব্বিল নাস’। [মুসলিম ৮১৪]
আবূ সাঈদ খুদরী ( রাঃ) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সূরা ফালাক্ক ও নাস অবতীর্ণ হবার পূর্ব পর্যন্ত নিজ ভাষাতে) জিন ও বদ নজর থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। পরিশেষে যখন উক্ত সূরা দু’ টি অবতীর্ণ হল, তখন ঐ সূরা দু’টি দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করতে লাগলেন এবং অন্যান্য সব পরিহার করলেন’। (তিরমিজী)
সূরা ফালাক্কঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=113
সূরা নাসঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=114
★ সূরা বাকারা ও সূরা আলে-ইমরানের ফজিলত:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
“তোমরা দু’টি যাহরাবীন তথা পুষ্প পাঠ কর, যথা সূরা আল-বাকারা ও সূরা আলে ইমরান। কারণ এ দু’টি সূরা কেয়ামতের দিন মেঘমালার মত অথবা দু’দল পাখির ঝাঁকের ন্যায় সারিবদ্ধভাবে উড়বে। এরা উভয়ে পাঠকের পক্ষ গ্রহণ করবে। তোমরা সূরা বাকারা পাঠ কর। কারণ তার পাঠ করা বরকতের কারণ, তার পাঠ ত্যাগ করা হতাশা। অলসরা তা করতে পারবে না। মুআবিয়া বলেন, আমার শ্র“ত হয়েছে যে, বাতালার অর্থ জাদু।” [মুসলিম]
আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
“যে ঘরে সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, সে ঘরে শয়তান প্রবেশ করে না।” [মুসলিম]
শয়তান ঘরে প্রবেশ না করার কারণ হচ্ছে তাতে আয়াতুল কুরসী রয়েছে।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত:
জিব্রীল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থাকা অবস্থায় বলেন, দেখুন, এটা আকাশের একটি দরজা যা এই মাত্র খোলা হল। ইতিপূর্বে কখনো তা খোলা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর ঐ দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা রাসূলের নিকট এসে বললেন, আপনি দু’টি নূরের সুসংবাদ গ্রহণ করুন, যা আপনার পূর্বে কোন নবিকে দেয়া হয়নি। সেটা হল, সূরা ফাতেহা ও সূরা বাকারার শেষ আয়াতগুলোর সুসংবাদ। আপনি এ দু’টো তিলাওয়াত করে যে কোন হরফ দ্বারা যা চাইবেন, তা আপনাকে দেয়া হবে।” [মুসলিম]
★ সূরা ইয়াসিন, ওয়াকিয়া, আর-রাহমান অর্থ সহ পড়তে পারেন। এছাড়াও যে সূরাগুলা আমাদের মুখস্ত তা আমরা অর্থ বুঝে নামাজে বেশি বেশি পরতে পারি। নামাযের জিকির/ দু'আ আর সূরার অর্থ জেনে বুঝে নামায পরলে নামায এ মনোযোগ দেয়া অনেক সহজ হই।
সূরা ইয়াসিন তাফসিরঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=36
সূরা আর-রাহমান তাফসিরঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=55
সূরা ওয়াকিয়া তাফসিরঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=56
অন্যান্য তাফসির পড়ুনঃ www.japaniit.com/translation.php
কুরআন তেলাওয়াতের ভিডিও লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/…/UC4Qv_tat2F7MGnvkJbK-wQA/playlists
❤ 3. আল্লাহর যিকর করা
তাসবিহ [সুবহানাল্লাহ], তাহমিদ [আলহামদু লিল্লাহ], তাহলিল [লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ], তাকবির [আল্লাহু আকবার] বেশি বেশি পড়াঃ
আবূ যার্র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেই বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের মধ্যে প্রত্যেকের প্রত্যেক (হাড়ের) জোড়ের পক্ষ থেকে প্রাত্যহিক (প্রদেয়) সাদকাহ রয়েছে। সুতরাং প্রত্যেক তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ বলা) সাদকাহ, প্রত্যেক তাহমিদ (আলহামদু লিল্লাহ বলা) সাদকাহ, প্রত্যেক তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা) সাদকাহ, প্রত্যেক তাকবির (আল্লাহু আকবার বলা) সাদকাহ এবং ভাল কাজের আদেশ প্রদান ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা সাদকাহ। এ সব কাজের পরিবর্তে চাশ্তের দুই রাক্আত নামায যথেষ্ট হবে।’’
[মুসলিম, আবু দাউদ]
সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহাম্দিহী, সুব্হা-নাল্লা-হিল ‘আযীম। অথবা সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার করে ‘সুবহা-নাল্লা-হে ওয়া বেহামদিহী’ পড়বে।
অর্থ : ‘মহাপবিত্র আল্লাহ এবং সকল প্রশংসা তাঁর জন্য। মহাপবিত্র আল্লাহ, যিনি মহান’। এই দো‘আ পাঠের ফলে তার সকল গোনাহ ঝরে যাবে। যদিও তা সাগরের ফেনা সমতুল্য হয়’।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এই দো‘আ সম্পর্কে বলেন যে, দু’টি কালেমা রয়েছে, যা রহমানের নিকটে খুবই প্রিয়, যবানে বলতে খুবই হালকা এবং মীযানের পাল্লায় খুবই ভারী। তা হ’ল সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহাম্দিহী, সুব্হা-নাল্লা-হিল ‘আযীম[বুখারী]
যিকরঃ http://www.japaniit.com/zikr.php
❤ 4. সময়মত জামাতের সাথে ফরয সালাত আদায় করাঃ
হাদীসে বর্ণিত আছে, জামাতের সাথে সালাত আদায়ে ২৭ গুন বেশি সওয়াব।
সুন্নতে মোয়াক্কাদা নামাজের প্রতি বেশি সচেষ্ট হওয়াঃ
হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নাতে মোয়াক্কাদা নামাজ আদায় করবে জান্নাতে তার জন্য (ঐদিন গুলোতে) একটি মহল তৈরী হবে।
সুন্নাতে মোয়াক্কাদা নামাজগুলো হলো- ফজরের ফরজের আগের ২ রাকাত, জোহরের ফরজের আগে ৪ এবং পরে ২ রাকাত, মাগরিবের ফরজের পরে ২ রাকাত এবং ইশার ফরজের পরে ২ রাকাত।
❤ 5. ফজর আর ইশার সালাত জামাতের সাথে মসজিদে আদায় করা। [পূর্ণ রাত্রি নামায আদায়ের সওয়াব। ফজর অথবা ইশার সালাত জামাতের সাথে আদায়ে অর্ধেক রাত্রি ইবাদাতের সাওয়াব]
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যদি লোকেরা জানত আযান এবং প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কি আছে, আর লটারীর মাধ্যম ছাড়া তা অর্জন করার অন্য কোন পথ না থাকত, তাহলে তারা অবশ্যই লটারী করত। যদি তারা জানত গরমের সময় ভর দুপুরে মসজিদে যাওয়ার কি ফজিলত, তাহলে অবশ্যই তার জন্যে প্রতিযোগিতা করত। যদি তারা এশা ও ফজরের নামাজের মধ্যে কি মর্যাদা আছে জানতে পারত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দু’টি সময়ের নামাজে শামিল হত। [বুখারি ও মুসলিম: ৫৮০]
❤ 6. সালাতুত তারাবীহ পড়া [যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব হাসিলের আশায় রমাদানে কিয়ামু রমাদান (সালাতুত তারাবীহ) আদায় করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে]
❤ 7. মহান আল্লাহর বেশি বেশি শুকরিয়া আদায় করা [আলহামদুলিল্লাহ্ বলা। আল্লাহর নেয়ামতকে স্মরণ করতে থাকা আর শুকরিয়া আদায় করা। সূরা আর-রাহমানে আল্লাহ আমাদের উপর তাঁর নেয়ামতকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের বেশি বেশি আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা উচিৎ]
❤ 8. কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা [কুরান-হাদিসের প্রচার ও প্রসার করা। নিজে যতটুকু জানো আর আমল কর তা অন্যকেও জানানো।]
"ঐ ব্যক্তির চাইতে উত্তম কথা আর কার হতে পারে যে আল্লাহর দিকে ডাকলো, নেক আমল করলো এবং ঘোষণা করলো, আমি একজন মুসলিম"
[সূরা হা-মীম সাজদাহ : ৩৩]
হাদীসে এসেছে,
"ভাল কাজের পথ প্রদর্শনকারী এ কাজ সম্পাদনকারী অনুরূপ সাওয়াব পাবে"
[সুনান আত-তিরমীযি]
"উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে ?"
[আর-রাহমান:৬০]
"রামাদান মাসের প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে আহবান করতে থাকে যে, হে কল্যাণের অনুসন্ধানকারী তুমি আরো অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের পথিক, তোমরা অন্যায় পথে চলা বন্ধ কর। (তুমি কি জান?)
এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ তায়ালা কত লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন" [সুনান আত-তিরমিযী]
❤ 9. সালাতুত তাহাজ্জুদ পড়া
ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হল রাতের সালাত অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সালাত। খুশু খুজুর সাথে নামায পড়া। সেজদায় আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। ক্ষমা চাওয়া। নিজের যা প্রয়োজন তা আল্লাহর কাছে চাওয়া
❤ 10. বেশি বেশি দান-সদাকাহ করাঃ
"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল আর রমাদানে তাঁর এ দানশীলতা আরো বেড়ে যেত’’
নবী (সাঃ) বলেনঃ
“সাদাকা পাপকে মুছে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়”। [সহীহুত তারগিব]
❤ লাইলাতুল কদরের দু'আঃ
মা আয়েশা (রাযিঃ) নবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি লাইলাতুল কদর লাভ করি, তাহলে কি দুআ করবো? তিনি (সাঃ) বলেনঃ বলবে,
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعفُ عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউ-উন তুহিব্বুল্ আফওয়া ফা’ফু আন্নী।
অর্থ: হে আল্লাহ। তুমি ক্ষমাশীল। তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ কর, তুমি আমাকে ক্ষমা কর।
[আহমদ]
❤ 11. আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দো‘আ ও কান্নাকাটি করা
"ইফতারের মূহূর্তে আল্লাহ রাববুল আলামীন বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। মুক্তির এ প্রক্রিয়াটি রমাদানের প্রতি রাতেই চলতে থাকে" [আল জামিউস সাগীর]
অন্য হাদীসে রাসূল (সাঃ) বলেন,
"রমযানের প্রতি দিবসে ও রাতে আল্লাহ তা‘আলা অনেককে মুক্ত করে দেন। প্রতি রাতে ও দিবসে প্রতি মুসলিমের দো‘আ কবূল করা হয়" [সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব]
►رَبِّ ٱجْعَلْ هَٰذَا بَلَدًا ءَامِنًۭا وَٱرْزُقْ أَهْلَهُۥ مِنَ ٱلثَّمَرَٰتِ مَنْ ءَامَنَ مِنْهُم بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْءَاخِرِ
উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানা, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা, ওয়াকিনা আজাবান্নার
অনুবাদ: হে আমার প্রতিপালক! এ স্থানকে তুমি শান্তির স্থান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও ক্বিয়ামতের প্রতি বিশ্বাস করে তাদেরকে ফলমূল দ্বারা রিযিক দান কর
►اَللَّهُمَّ أَدْخِلْنِىْ الْجَنَّةَ وَ أَجِرْنِىْ مِنَ النَّارِ-
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা আদখিলনিল জান্নাতা ওয়া আজিরনী মিনান্ না-র (৩ বার)।
অর্থ: হে আল্লাহ তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ দাও!
http://www.japaniit.com/dua.php
❤ 12. তাওবাহ ও ইস্তেগফার করা
তাওবাহ শব্দের আভিধানিক অর্থ ফিরে আসা, গুনাহের কাজ আর না করার সিদ্ধান্ত নেয়া। এ মাস তাওবাহ করার উত্তম সময়। আর তাওবাহ করলে আল্লাহ খুশী হন। আল-কুরআনে এসেছে, ‘‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর, খাটি তাওবা; আশা করা যায়, তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদেরকে এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত’’ [সূরা আত-তাহরীম : ৮]।
অতীতের গুনাহর জন্য আলাহর কাছে অনুতপ্ত হওয়া আর তাওবা করা। আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা যাতে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেন। পর্দার উপর অটল থাকা। কারন আল্লাহ পর্দা ফরয করেছেন। কবিরা গুনাহর জন্য মহান আল্লাহর কাছে তাওবা করা আবশ্যক। তাওবাহ ও ইস্তেগফারের দু'আ গুলার অর্থ বুঝে আল্লাহর নিকটে ক্ষমা চাওয়া।
আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া। আমরা নিজেদের উপর জুলুম করি কিন্তু আল্লাহর মাগফিরাত থেকে আমাদের নিরাশ হওয়া উচিত না। আল্লাহ তাদের ভালবাসেন যারা তাঁর কাছে তাওবা করে-
আর আল্লাহ বলেন - "...হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা আল-যুমার। ৩৯:৫৩]
► ১।استغفر الله
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি
► ২। সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার ( ক্ষমা প্রার্থনার সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়া)
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’।সকালে ১ বার এবং সন্ধ্যায় ১ বার
للَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوْءُ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা আনতা রববী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ছানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পালনকর্তা। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমত তোমার নিকটে দেওয়া অঙ্গীকারে ও প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হ’তে তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আমার উপরে তোমার দেওয়া অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমি আমার গোনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ব্যতীত পাপসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই’।
►৩। أَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِىْ لآ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَ أَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহে’।
অর্থ : আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। আমি অনুতপ্ত হৃদয়ে তাঁর দিকে ফিরে যাচ্ছি বা তওবা করছি’। এই দো‘আ পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন, যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলাতক আসামী হয়’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দৈনিক ১০০ করে বার তওবা করতেন’
►৪। لآ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّيْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যোয়া-লিমীন’
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি মহা পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত।
►৫। رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণ: রবিবগফিরলী ওয়া তুব ‘আলাইয়া, ইন্নাকা আনতাত তাউওয়া-বুর রহীম’
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা কর ও আমার তওবা কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি তওবা কবুলকারী ও দয়াবান
►৬। اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفرلي مغفرة من عندك وارحمني إنّك أنت الغفور الرحيم"
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী যুলমান কাসীরান, ওয়ালা ইয়াগফিরুযযুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা, ওয়ার হামনী ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি, আর তুমি ব্যতীত গুনাহ খাতা কেউ ক্ষমাকারী নেই। অতএব তুমি নিজ গুণে আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি রহম কর কেননা তুমি অতিশয় ক্ষমাশীল ও দয়ালু।
►৭। «اللهم اغفرلي ما قدمت، وما أخّرت، وما أسررت، وما أعلنت، وما أسرفت، وما أنت أعلم به مني - أنت المقدم، وأنت المؤخر لا إله إلا أنت» (رواه مسلم)
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি মা ক্বাদ্দামতু ওয়ামা আখ্খারতা ওয়ামা আসরারতু ওয়ামা ‘আলানতু ওয়ামা আন্তাল মু’আখ্খিরু লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা। (মুসলিম)
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমার সকল গুনাহখাতা ক্ষমা করে দাও যা পূর্বে ও পরে, গোপনে ও প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমা লঙ্ঘনজনিত গুনাহ এবং যে সম্পর্কে তুমি আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত। তুমি যা চাও অগ্রগামী কর ও যা চাও পশ্চাতে নিয়ে যাও আর তুমি ব্যতীত প্রকৃত মা‘বূদ বা উপাস্য নেই।
►৮। اللَّهُمَّ اعْفِرْلِى ذَنْبِئ كُلَّهُ، و جِلَّهُ، وَ أوَّلَهُ وَ آخِرَهُ عَلا نِيَتَهُ وَ سِرَّهُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি যামবি কুল্লাহু ওয়া দিক্কাহু ওয়া আও-ওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু ওয়া 'আলা নিয়াতাহু ওয়া সিররাহু
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করুন, বড়, ছোট, প্রথম, শেষ, প্রকাশ্য (ইচ্ছাকৃত), অপ্রকাশ্য (অনিচ্ছাকৃত)
►৯। سبحانك اللهم ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي
উচ্চারণ: ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী।’’
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের রব্ব তোমার সকল প্রশংসা বর্ণনা করছি এবং সকল দোষ হতে পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমাকে তুমি ক্ষমা কর।
রাসুল (সাঃ) নামাযে রুকু ও সেজদায় বেশি বেশি এই দুয়া করতেন। (বুখারী-মুসলিম)
►১০। اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِيْ مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّيْ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لآ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ-
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু অমা আখখারতু, অমা আসরারতু অমা আ‘লানতু, অমা আসরাফতু, অমা আনতা আ‘লামু বিহী মিন্নী; আনতাল মুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু, লা ইলা-হা ইল্লা আনতা’ ।
অনুবাদ: ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পূর্বাপর গোপন ও প্রকাশ্য সকল গোনাহ মাফ কর (এবং মাফ কর ঐসব গোনাহ) যাতে আমি বাড়াবাড়ি করেছি এবং ঐসব গোনাহ যে বিষয়ে তুমি আমার চাইতে বেশী জানো। তুমি অগ্র-পশ্চাতের মালিক। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই’।
►১১। رَبَّنَآ ءَاتِنَا فِى ٱلدُّنْيَا حَسَنَةًۭ وَفِى ٱلْءَاخِرَةِ حَسَنَةًۭ وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّار
উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানা, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা, ওয়াকিনা আজাবান্নার
অনুবাদ: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা কর
►১২। رب اغفرلي، رب اغفرلي
উচ্চারণ: রব্বিগফিরলী, রব্বিগফিরলী।
অর্থ: হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, হে আল্লাহ্ তুমি আমাকে ক্ষমা কর। (আবু দাউদ)
►১৩। «اللهم اغفرلي، وارحمني، وعافني واهدني، وارزقني» (رواه أبو داود والترمذي)
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ার হামনী ওয়া ‘আফিনী ওয়াহদিনী ওয়ারযুকনী।
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি রহম কর, আমাকে সুস্থতা দান কর, সঠিক পথে পরিচালিত কর এবং রিযিক দান কর। (আবু দাউদ, তিরমিযী)
►১৪। رَبَّنَا ظَلَمْنَآ أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ ٱلْخَٰسِرِينَ
উচ্চারণ: রব্বানা য'লামনা আন ফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়া তারহামনা লানা-কু নান্না মিনাল খ'সিরিন।
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের প্রতি যুলুম করেছি। যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব
►১৫।اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ، لاَ إِلهَ إِلاَّ أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيْعُ السَّموَاتِ وَالأَرْضِ، يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ। إِنِّيْ أَسْاَلُكَ الْجَنَّةَ وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ।
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআ লু কা বিআন্না লাকালহাম্দ, লা ইলা-হা ইল্লা আন্তাল মান্না-নু বাদীউস সামা-ওয়া-তি অল আরয্ব, ইয়া যাল জালা-লি অল ইকরা-ম, ইয়্যাহাই য়্যু ইয়া কায়্যূম। ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা অআঊযু বিকা মিনান্না-র।
অর্থ, হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি এই অসীলায় যে, সমস্ত প্রশংসা তোমারই, তুমি ব্যতীত কোন সত্য উপাস্য নেই। তুমি পরম অনুগ্রহদাতা, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর আবিষ্কর্তা, হে মহিমাময় এবং মহানুভব, হে চিরঞ্জীব অবিনশ্বর! আমি তোমার নিকট বেহেশ্ত প্রার্থনা করছি এবং দোযখ থেকে পানাহ চাচ্ছি।
এক ব্যক্তি তাশাহ্হুদে এই দুআ পাঠ করছিল। তা শুনে নবী (সাঃ) সাহাবাগণকে বললেন,
“তোমরা কি জান, ও কি (বাক্য) দিয়ে দুআ করল?”
তাঁরা বললেন, ‘আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই জানেন।’
তিনি বললেন, “সেই সত্তার কসম! যাঁরহাতে আমার প্রাণ আছে। ও তো আল্লাহর নিকট তাঁর ইসমে আ’যম (বৃহত্তম নাম) দ্বারা প্রার্থনা করেছে; যা দ্বারা দুআ করলে তিনি কবুল করেন ও যা দ্বারা তাঁর কাছে চাইলে তিনি দিয়ে থাকেন।”
(আবূদাঊদ, নাসাঈ, আহমাদ, মুসনাদ)
►১৬।اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ يَا الله بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ ليِْ ذُنُوِبْي إِنَّكَ أَنْتَ الغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ।
উচ্চারণ:- আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া-ল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-হিদুল আহাদুস স্বামাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ অলাম ইউলাদ অলাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ, আন তাগ্ফিরা লী যুনূবী, ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রাহীম।
অর্থ, হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, হে এক, একক, ভরসাস্থল আল্লাহ! যিনি জনক নন জাতকও নন এবং যাঁর সমকক্ষ কেউ নেই, তুমি আমার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল দয়াবান।
এই দুআটি এক ব্যক্তি তাশাহ্হুদে পাঠ করেছিল। মহানবী (সাঃ) তা শুনে বললেন,
“ওকে ক্ষমা করা হল, ওকে ক্ষমা করা হল।”
(অর্থাৎ, আল্লাহ ওর দুআ কবুল করে নিয়েছেন।)
(আবূদাঊদ, সুনান, নাসাঈ, আহমাদ, মুসনাদ)
❤ 13. ইফতার করা, ইফতার করানো [রাসুল্লাহ(সা) বলেছেন, যে ব্যাক্তি রোযাদারকে ইফতার করায়, তার জন্য রয়েছে ইফতারকারীদের সমান সওয়াব এবং এইজন্য তাদের(রোজাদারের) সওয়াব থেকে কিছু কমানো হবেনা। (ইবনে মাজাহ)]
❤ 14. সাহরী খাওয়া [রাসুল্লাহ(সাঃ) বলেছেন, 'তোমরা সাহরী খাও, কারণ সাহরীতে বরকত রয়েছে।']
❤ 15. ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা [নিজের স্বামী, বাবা, ভাই, চাচা, ঘরের পুরুষদের একাজে উৎসাহিত করা।]
❤ 16. ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পড়া।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সঃ) বলেছেন, “প্রত্যেক ফরয ছালাত শেষে আয়াতুল কুরসী পাঠকারীর জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য আর কোন বাধা থাকে না মৃত্যু ব্যতীত’ (নাসাঈ)। শয়নকালে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত তার হেফাযতের জন্য একজন ফেরেশতা পাহারায় নিযু্ক্ত থাকে। যাতে শয়তান তার নিকটবর্তী হ’তে না পারে” (বুখারী)।
❤ 17. সামর্থ্য থাকলে উমরা পালন করা।
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"রমাদান মাসে উমরা করা আমার সাথে হাজ্জ আদায় করার সমতুল্য" [বুখারী]
সহীহ মুসলিমের রেওয়ায়েতে আছে: "....আমার সাথে হজ্জ করার সমতুল্য।"
❤ 18. ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান
ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা। এটি একটি বিরাট সাওয়াবের কাজ। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি ফজর জামাআত আদায় করার পর সূর্য উদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করবে, অতঃপর দুই রাকাআত সালাত আদায় করবে, সে পরিপূর্ণ হাজ্জ ও উমারাহ করার প্রতিদান পাবে।" [সুনান আত-তিরমিযী]
❤ 19. ইতিকাফ করা
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমজানে ইতিকাফ করেছেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীগণও
ইতিকাফ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)
❤ 20. সুন্নাতের উপর বেশি বেশি আমল করাঃ
ইবাদতের উদ্দেশ্যে বৈষয়িক কাজ-কর্মও ইবাদতে পরিণত হয়। যেমন রোযার উদ্দেশ্যে সাহরী খাওয়া, রাত জাগার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ-কর্ম সেরে নেওয়া। তাই লাইলাতুল কদরে ইবাদতের উদ্দেশ্যে বান্দা যেসব দুনিয়াবী কাজ করে সেগুলোও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।
★ বাজারে যাওয়ার দুয়ার উপর আমল করাঃ
لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيْتُ وَهُوَ حَيٌّ لاَ يَمُوْتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ-
উচ্চারণঃ লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহ্ই ওয়া ইউমিতু, ওয়া হুয়া হাইয়্যুন লা ইয়ামুতু, বিইয়াদিহিল খাইর, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির।
অর্থ- একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দান করেন। আর তিনি চিরঞ্জীব, কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না। সকল প্রকার কল্যাণ তাঁর হাতে নিহিত। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
যে কেহ বাজারে প্রবেশকালে এই দুয়াটি পাঠ করবে, তার জন্য
১) ১০ লক্ষ নেকী লেখা হবে
২) ১০ লক্ষ গোনাহ মাফ হবে
৩) ১০ লক্ষটি মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে
৪) জান্নাতে একটি ঘর নির্মিত হবে
[তিরমিযী]
★ খাওয়ার দু'আঃ
খাওয়ার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা।
বলতে ভুলে গেলে (শেষ হওয়ার আগেই) বলবে, بِسْمِ اللهِ اَوَّلَهُ وَآخِرَهُ ‘বিসমিল্লা-হি আউওয়ালাহূ ওয়া আ-খিরাহূ’ (আল্লাহর নামে এর শুরু ও শেষ)।
খাওয়া ও পানি পান শেষে বলবে,
(১) الْحَمْدُ ِللهِ
উচ্চারণঃ আলহামদুলিল্লাহ
অর্থ- সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
অথবা
★ (২) الْحَمْدُ ِللهِ الَّذِيْ أَطْعَمَنِيْ هَذَا وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّيْ وَلاَ قُوَّةٍ
উচ্চারণঃ আলহামদুলিল্লা-হিল্লাযী আত্ব‘আমানী হা-যা ওয়া রাঝাক্বানীহি মিন গায়রে হাওলিম মিন্নী ওয়ালা ক্বুউওয়াতিন’
অর্থ- সেই আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা, যিনি আমাকে আমার ক্ষমতা ও শক্তি ছাড়াই এই খাবার খাইয়েছেন এবং এই রূযী দান করেছেন।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি খাওয়ার পরে এটি পাঠ করবে, তার বিগত সকল গোনাহ মাফ করা হবে।
যিকর লিঙ্কঃ http://www.japaniit.com/zikr.php
❤ 21. নামায পরবর্তী যিকর আদায়ে সচেষ্ট হওয়া।
ফরজ সালাত সমাপান্তে ইমাম-মুক্তাদী সবার জন্য পঠিতব্য দুয়া ও জিকির সমূহ উপস্থাপন করা হল:
✍ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক ফরজ নামাযের শেষে কিছু দোয়া আছে, যে ব্যক্তি ঐগুলি পড়ে বা কাজে লাগায় সে কখনও ক্ষতিগ্রস্থ হয় না ।
[সহীহ মুসলিম]
✍ (১) اَللهُ أَكْبَرُ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ-
উচ্চারণ: আল্লা-হু আকবার (একবার সরবে)। আসতাগফিরুল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ (তিনবার)।
অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
✍ (২) اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَ الْإِكْرَامِ.
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা আন-তাস্ সালা-ম। ওয়া মিন্কাস্ সালা-ম। তাবা-রক্তা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরাম।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি, আপনার থেকেই আসে শান্তি। বরকতময় আপনি, হে মর্যাদা ও সম্মানের মালিক’।
✍ (৩) لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لا
‘লাইলাতুল কদর’ হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। [সূরা আল-কদর, আয়াত ৩]
শবে কদরের একটি রাতে ইবাদত আর আল্লাহ সরণের মাধ্যমে আপনি, আমি, আমরা ৮৩ বছর ৪ মাসের সমান সওয়াব অর্জন করতে পারি। ইবাদতের এই সুবর্ণ সুযোগ যেন আমাদের হাত ছাড়া না হয়। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন। আমীন!
লাইলাতুল কদরের মর্যাদা, বৈশিষ্ট্য ও ফযীলাত
(১) এ রাতে আল্লাহ তা‘আলা পুরা কুরআন কারীমকে লাউহে মাহফুয থেকে প্রথম আসমানে নাযিল করেন। তাছাড়া অন্য আরেকটি মত আছে যে, এ রাতেই কুরআন নাযিল শুরু হয়। পরবর্তী ২৩ বছরে বিভিন্ন সূরা বা সূরার অংশবিশেষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘটনা ও অবস্থার প্রেক্ষিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র উপর অবতীর্ণ হয়।
(২) এ এক রজনীর ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।
(৩) এ রাতে পৃথিবীতে অসংখ্য ফেরেশতা নেমে আসে এবং তারা তখন দুনিয়ার কল্যাণ, বরকত ওরহমাত বর্ষণ করতে থাকে।
(৪) এটা শান্তি বর্ষণের রাত। এ রাতে ইবাদত গুজার বান্দাদেরকে ফেরেশতারা জাহান্নামের আযাব থেকে মুক্তির বাণী শুনায়।
(৫) এ রাতের ফাযীলত বর্ণনা করে এ রাতেই একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা নাযিল হয়। যার নাম সূরা কদর।
(৬) এ রাতে নফল সালাত আদায় করলে মুমিনদের অতীতের সগীরা গুনাহগুলো মাফ করে দেয়া হয়।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন," যে ব্যক্তি ঈমান ও সাওয়াব লাভের আশায় কদরের রাতে নফল সালাত আদায় ও রাত জেগে ইবাদত করবে আল্লাহ তার ইতোপূর্বের সকল সগীরা (ছোট) গুনাহ ক্ষমা করেদেন।" (বুখারী, মুসলিম)
লাইলাতুল কদর আর রামাদানের শেষ দিনগুলাতে যে আমল গুলো আমরা বেশি বেশি করতে পারিঃ
❤ ১। সিয়াম পালন
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমজান মাসে ঈমান সহকারে ও সওয়াবের আশায় রোজা পালন করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।" (বুখারী, মুসলিম)
"যে কেউ আল্লাহর রাস্তায় (অর্থাৎ শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশী করার জন্য) একদিন সিয়াম পালন করবে, তাদ্বারা আল্লাহ তাকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে সত্তর বছরের রাস্তা পরিমাণ দূরবর্তীস্থানে রাখবেন"। [সহীহ মুসলিম]
❤ ২। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা
“যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।” [তিরমিজি]
“তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যিনি কুরআন মজিদ শিক্ষা করে ও অন্যকে শিক্ষা দেয়।”[বুখারি]
“আল কুরআনে দক্ষ ও পণ্ডিত ব্যক্তি সম্মানিত পুণ্যবান ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। যে ব্যক্তি কুরআন আটকে আটকে তিলাওয়াত করে এবং তা তার জন্য কষ্টকর হয়, তার জন্য দু’টি প্রতিদান রয়েছে। প্রথমটি, তিলাওয়াতের প্রতিদান, দ্বিতীয়টি কষ্টের প্রতিদান।”[বুখারি ও মুসলিম]
“যে মোমিন কুরআন তিলাওয়াত করে তার দৃষ্টান্ত কমলালেবুর মত, যা সুস্বাদু ও সুঘ্রাণযুক্ত। আর যে মোমিন কুরআন তিলাওয়াত করে না, তার দৃষ্টান্ত খেজুরের ন্যায় যার ঘ্রাণ নেই, কিন্তু মিষ্টি।" [মুসলিম]
“তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর, কারণ, কুরআন কেয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।” [মুসলিম]
“তোমাদের মধ্যে হতে যে ব্যক্তি সকালে মসজিদে দু’টি আয়াত পাঠ করে বা শিখে, তাকে দু’টি উট সদকা করার সওয়াব দেয়া হবে। এভাবে যত বেশি আয়াত তিলাওয়াত করবে, ততবেশি উট সদকা করার সওয়াব প্রদান করা হবে।” [মুসলিম]
“যে কোন সম্প্রদায় আল্লাহর কোন ঘরে একত্রিত হয়ে কুরআন তিলাওয়াত করে এবং নিজদের মাঝে তা পঠন ও পাঠন করে, তাদের উপর শান্তি অবতীর্ণ হয়, আল্লাহর রহমত তাদের ঢেকে রাখে, ফেরেশতারা তাদের বেষ্টন করে রাখে এবং আল্লাহ তাআলা নিকটস্থ ফেরেশতাদের সঙ্গে তাদের ব্যাপারে আলোচনা করেন।” [মুসলিম]
“তোমরা কুরআনের যথাযথ যত্ন নাও, তা মুখস্থ ও সংরক্ষণ কর। ঐ সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন, অবশ্যই উট তার রশি থেকে যেমন দ্রুত পালিয়ে যায়, তার চেয়েও আরো তীব্র বেগে পালানোর বস্তু এ কুরআন।” [বুখারি ও মুসলিম]
ফজিলতপূর্ণ কিছু সূরা ও আয়াতঃ
★ সূরা আল-ইখলাস আল-কুরআনের এক তৃতীয়াংশ। আবু সাইদ খুদরি রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন, সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।” [বুখারি] এই সূরা পড়লে এক তৃতীয়াংশের কুরআন পড়ার সমান নেকী অর্জিত হয়।
http://www.japaniit.com/translation.php?id=112
★ সুরা আল কাফিরূন তেলাওয়াতের ফযিলত:
এই সুরা আল-কোরানের এক চতুর্তাংশ। [তিরমিযি]
http://www.japaniit.com/translation.php?id=109
★ সূরা মূলক [আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘কুরআনের তিরিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরা এমন আছে , যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষাবধি তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে,সেটা হচ্ছে ‘তাবা-রাকাল্লাযী বিয়্যাদিহিল মূলক’ (সূরা মূলক)]
http://www.japaniit.com/translation.php?id=67
★ সূরা বাক্বারার শেষ আয়াত দু’টি পাঠ করা। [আবূ মাসাঊদ বদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাক্বারার শেষ আয়াত দু’টি পাঠ করবে, তার জন্য সেই দু’টি যথেষ্ট হবে’।(সহীহুল বুখারি ৪০০৮)]
http://www.japaniit.com/translation.php?id=2
★ সহীহ মুসলিমের এক হাদিসে আছে সূরা কাহফের প্রথম এবং শেষ দশ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে রাসূলুল্লাহ(সা) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সুরা কাহফের ঐ আয়াতগুলি মুখস্থ করবে এবং পড়বে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।”
http://www.japaniit.com/translation.php?id=18
★ যে ব্যক্তি শুক্রবার দিন সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তী জুমু’আ পর্যন্ত একটা বিশেষ জ্যোতি আলোকিত হয়ে থাকবে।
http://www.japaniit.com/translation.php?id=18
★ উকবাহ বিন আমের (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) একদা বললেন, ‘তুমি কি দেখনি, আজ রাতে আমার উপর কতকগুলি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে; যার আনুরূপ আর কিছু দেখা যায়নি? (আর তা হল,) ‘কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক্ক’ ও ‘কুল আউযু বিরাব্বিল নাস’। (মুসলিম ৮১৪)
আবূ সাঈদ খুদরী ( রাঃ) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সূরা ফালাক্ক ও নাস অবতীর্ণ হবার পূর্ব পর্যন্ত নিজ ভাষাতে) জিন ও বদ নজর থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। পরিশেষে যখন উক্ত সূরা দু’ টি অবতীর্ণ হল, তখন ঐ সূরা দু’টি দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করতে লাগলেন এবং অন্যান্য সব পরিহার করলেন’। (তিরমিজী)
http://www.japaniit.com/translation.php?id=113
http://www.japaniit.com/translation.php?id=114
★ সূরা বাকারা ও সূরা আলে-ইমরানের ফজিলত:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
“তোমরা দু’টি যাহরাবীন তথা পুষ্প পাঠ কর, যথা সূরা আল-বাকারা ও সূরা আলে ইমরান। কারণ এ দু’টি সূরা কেয়ামতের দিন মেঘমালার মত অথবা দু’দল পাখির ঝাঁকের ন্যায় সারিবদ্ধভাবে উড়বে। এরা উভয়ে পাঠকের পক্ষ গ্রহণ করবে। তোমরা সূরা বাকারা পাঠ কর। কারণ তার পাঠ করা বরকতের কারণ, তার পাঠ ত্যাগ করা হতাশা। অলসরা তা করতে পারবে না। মুআবিয়া বলেন, আমার শ্র“ত হয়েছে যে, বাতালার অর্থ জাদু।”[মুসলিম]
আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
“যে ঘরে সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, সে ঘরে শয়তান প্রবেশ করে না।”[মুসলিম]
শয়তান ঘরে প্রবেশ না করার কারণ হচ্ছে তাতে আয়াতুল কুরসী রয়েছে।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত :
জিব্রীল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থাকা অবস্থায় বলেন, দেখুন, এটা আকাশের একটি দরজা যা এই মাত্র খোলা হল। ইতিপূর্বে কখনো তা খোলা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর ঐ দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা রাসূলের নিকট এসে বললেন, আপনি দু’টি নূরের সুসংবাদ গ্রহণ করুন, যা আপনার পূর্বে কোন নবিকে দেয়া হয়নি। সেটা হল, সূরা ফাতেহা ও সূরা বাকারার শেষ আয়াতগুলোর সুসংবাদ। আপনি এ দু’টো তিলাওয়াত করে যে কোন হরফ দ্বারা যা চাইবেন, তা আপনাকে দেয়া হবে।”[মুসলিম]
★ সূরা ইয়াসিন, ওয়াকিয়া, আর-রাহমান অর্থসহ পরতে পারেন। এছাড়াও যে সূরাগুলা আমাদের মুখস্ত তা আমরা অর্থ বুঝে নামাজে বেশি বেশি পরতে পারি। নামাযের জিকির/ দু'আ আর সুরার অর্থ জেনে বুঝে নামায পরলে নামায এ মনোযোগ দেয়া অনেক সহজ হই।
সূরা ইয়াসিন তাফসিরঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=36
সূরা আর-রাহমান তাফসিরঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=55
সূরা ওয়াকিয়া তাফসিরঃ http://www.japaniit.com/translation.php?id=56
অন্যান্য তাফসির পড়ুনঃ www.japaniit.com/translation.php
কুরআন তেলাওয়াতের ভিডিও লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/channel/UC4Qv_tat2F7MGnvkJbK-wQA/playlists
❤ 3. আল্লাহর যিকর করা
তাসবিহ [সুবহানাল্লাহ], তাহমিদ [আলহামদু লিল্লাহ], তাহলিল [লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ], তাকবির [আল্লাহু আকবার]
আবূ যার্র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেই বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের মধ্যে প্রত্যেকের প্রত্যেক (হাড়ের) জোড়ের পক্ষ থেকে প্রাত্যহিক (প্রদেয়) সাদকাহ রয়েছে। সুতরাং প্রত্যেক তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ বলা) সাদকাহ, প্রত্যেক তাহমিদ (আলহামদু লিল্লাহ বলা) সাদকাহ, প্রত্যেক তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা) সাদকাহ, প্রত্যেক তাকবির (আল্লাহু আকবার বলা) সাদকাহ এবং ভাল কাজের আদেশ প্রদান ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা সাদকাহ। এ সব কাজের পরিবর্তে চাশ্তের দুই রাক্আত নামায যথেষ্ট হবে।’’
[মুসলিম, আবু দাউদ]
সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহাম্দিহী, সুব্হা-নাল্লা-হিল ‘আযীম। অথবা সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার করে ‘সুবহা-নাল্লা-হে ওয়া বেহামদিহী’ পড়বে।
অর্থ : ‘মহাপবিত্র আল্লাহ এবং সকল প্রশংসা তাঁর জন্য। মহাপবিত্র আল্লাহ, যিনি মহান’। এই দো‘আ পাঠের ফলে তার সকল গোনাহ ঝরে যাবে। যদিও তা সাগরের ফেনা সমতুল্য হয়’।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এই দো‘আ সম্পর্কে বলেন যে, দু’টি কালেমা রয়েছে, যা রহমানের নিকটে খুবই প্রিয়, যবানে বলতে খুবই হালকা এবং মীযানের পাল্লায় খুবই ভারী। তা হ’ল সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহাম্দিহী, সুব্হা-নাল্লা-হিল ‘আযীম[বুখারী]
❤ যিকরঃ http://www.japaniit.com/zikr.php
❤ 4. সময়মত জামাতের সাথে ফরয সালাত আদায় করা
হাদীসে বর্ণিত আছে, জামাতের সাথে সালাত আদায়ে ২৭ গুন বেশি সওয়াব।
সুন্নতে মোয়াক্কাদা নামাজের প্রতি বেশি সচেষ্ট হওয়াঃ
হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নাতে মোয়াক্কাদা নামাজ আদায় করবে জান্নাতে তার জন্য (ঐদিন গুলোতে) একটি মহল তৈরী হবে।
সুন্নাতে মোয়াক্কাদা নামাজগুলো হলো- ফজরের ফরজের আগের ২ রাকাত, জোহরের ফরজের আগে ৪ এবং পরে ২ রাকাত, মাগরিবের ফরজের পরে ২ রাকাত এবং ইশার ফরজের পরে ২ রাকাত।
❤ 5. ফজর আর ইশার সালাত জামাতের সাথে মসজিদে আদায় করা। [পূর্ণ রাত্রি নামায আদায়ের
সওয়াব। ফজর অথবা ইশার সালাত জামাতের সাথে আদায়ে অর্ধেক রাত্রি ইবাদাতের সাওয়াব]
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যদি লোকেরা জানত আজান এবং প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কি আছে, আর লটারীর মাধ্যম ছাড়া তা অর্জন করার অন্য কোন পথ না থাকত, তাহলে তারা অবশ্যই লটারী করত। যদি তারা জানত গরমের সময় ভর দুপুরে মসজিদে যাওয়ার কি ফজিলত, তাহলে অবশ্যই তার জন্যে প্রতিযোগিতা করত। যদি তারা এশা ও ফজরের নামাজের মধ্যে কি মর্যাদা আছে জানতে পারত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দু’টি সময়ের নামাজে শামিল হত। [বুখারি ও মুসলিম: ৫৮০]
❤ 6. সালাতুত তারাবীহ পড়া [যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব হাসিলের আশায় রমাদানে কিয়ামু রমাদান (সালাতুত তারাবীহ) আদায় করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে]
❤ 7. মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা [আলহামদুলিল্লাহ্ বলা। আল্লাহর নেয়ামতকে স্মরণ করতে থাকা আর শুকরিয়া আদায় করা। সূরা আর-রাহমানে আল্লাহ আমাদের উপর তাঁর নেয়ামতকে বর্ণনা করেছেন]
❤ 8. কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা [কুরান-হাদিসের প্রচার ও প্রসার করা। নিজে যতটুকু জানো আর আমল কর তা অন্যকেও জানানো।]
"ঐ ব্যক্তির চাইতে উত্তম কথা আর কার হতে পারে যে আল্লাহর দিকে ডাকলো, নেক আমল করলো এবং ঘোষণা করলো, আমি একজন মুসলিম"
[সূরা হা-মীম সাজদাহ : ৩৩]
হাদীসে এসেছে,
"ভাল কাজের পথ প্রদর্শনকারী এ কাজ সম্পাদনকারী অনুরূপ সাওয়াব পাবে"
[সুনান আত-তিরমীযি]
"উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে ?"
[আর-রাহমান:৬০]
"রামাদান মাসের প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে আহবান করতে থাকে যে, হে কল্যাণের অনুসন্ধানকারী তুমি আরো অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের পথিক, তোমরা অন্যায় পথে চলা বন্ধ কর। (তুমি কি জান?)
এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ তায়ালা কত লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন" [সুনান আত-তিরমিযী]
❤ 9. সালাতুত তাহাজ্জুদ পড়া
ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হল রাতের সালাত অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সালাত। খুশু খুজুর সাথে নামায পড়া। সেজদায় আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। ক্ষমা চাওয়া। নিজের যা প্রয়োজন তা আল্লাহর কাছে চাওয়া
❤ 10. বেশি বেশি দান-সদাকাহ করা
"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল আর রমাদানে তাঁর এ দানশীলতা আরো বেড়ে যেত’’
নবী (সাঃ) বলেনঃ
“সাদাকা পাপকে মুছে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়”। [সহীহুত তারগিব]
❤ লাইলাতুল কদরের দু'আঃ
মা আয়েশা (রাযিঃ) নবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি লাইলাতুল কদর লাভ করি, তাহলে কি দুআ করবো? তিনি (সাঃ) বলেনঃ বলবে,
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعفُ عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউ-উন তুহিব্বুল্ আফওয়া ফা’ফু আন্নী।
অর্থ: হে আল্লাহ। তুমি ক্ষমাশীল। তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ কর, তুমি আমাকে ক্ষমা কর।
[আহমদ]
❤ 11. আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দো‘আ ও কান্নাকাটি করা
"ইফতারের মূহূর্তে আল্লাহ রাববুল আলামীন বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। মুক্তির এ প্রক্রিয়াটি রমাদানের প্রতি রাতেই চলতে থাকে" [আল জামিউস সাগীর]
অন্য হাদীসে রাসূল (সাঃ) বলেন,
"রমযানের প্রতি দিবসে ও রাতে আল্লাহ তা‘আলা অনেককে মুক্ত করে দেন। প্রতি রাতে ও দিবসে প্রতি মুসলিমের দো‘আ কবূল করা হয়" [সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব]
►رَبِّ ٱجْعَلْ هَٰذَا بَلَدًا ءَامِنًۭا وَٱرْزُقْ أَهْلَهُۥ مِنَ ٱلثَّمَرَٰتِ مَنْ ءَامَنَ مِنْهُم بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْءَاخِرِ
উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানা, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা, ওয়াকিনা আজাবান্নার
অনুবাদ: হে আমার প্রতিপালক! এ স্থানকে তুমি শান্তির স্থান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও ক্বিয়ামতের প্রতি বিশ্বাস করে তাদেরকে ফলমূল দ্বারা রিযিক দান কর
►اَللَّهُمَّ أَدْخِلْنِىْ الْجَنَّةَ وَ أَجِرْنِىْ مِنَ النَّارِ-
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা আদখিলনিল জান্নাতা ওয়া আজিরনী মিনান্ না-র (৩ বার)।
অর্থ: হে আল্লাহ তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ দাও!
http://www.japaniit.com/dua.php
❤ 12. তাওবাহ ও ইস্তেগফার করা
তাওবাহ শব্দের আভিধানিক অর্থ ফিরে আসা, গুনাহের কাজ আর না করার সিদ্ধান্ত নেয়া। এ মাস তাওবাহ করার উত্তম সময়। আর তাওবাহ করলে আল্লাহ খুশী হন। আল-কুরআনে এসেছে, ‘‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর, খাটি তাওবা; আশা করা যায়, তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদেরকে এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত’’ [সূরা আত-তাহরীম : ৮]।
অতীতের গুনাহর জন্য আলাহর কাছে অনুতপ্ত হওয়া আর তাওবা করা। আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা যাতে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেন। পর্দার উপর অটল থাকা। কারন আল্লাহ পর্দা ফরয করেছেন। কবিরা গুনাহর জন্য মহান আল্লাহর কাছে তাওবা করা আবশ্যক। তাওবাহ ও ইস্তেগফারের দু'আ গুলার অর্থ বুঝে আল্লাহর নিকটে ক্ষমা চাওয়া।
আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া। আমরা নিজেদের উপর জুলুম করি কিন্তু আল্লাহর মাগফিরাত থেকে আমাদের নিরাশ হওয়া উচিত না। আল্লাহ তাদের ভালবাসেন যারা তাঁর কাছে তাওবা করে-
আর আল্লাহ বলেন - "...হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা আল-যুমার। ৩৯:৫৩]
► ১।استغفر الله
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি
► ২। সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার ( ক্ষমা প্রার্থনার সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়া)
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’।সকালে ১ বার এবং সন্ধ্যায় ১ বার
للَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوْءُ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা আনতা রববী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ছানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পালনকর্তা। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমত তোমার নিকটে দেওয়া অঙ্গীকারে ও প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হ’তে তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আমার উপরে তোমার দেওয়া অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমি আমার গোনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ব্যতীত পাপসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই’।
►৩। أَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِىْ لآ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَ أَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহে’।
অর্থ : আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। আমি অনুতপ্ত হৃদয়ে তাঁর দিকে ফিরে যাচ্ছি বা তওবা করছি’। এই দো‘আ পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন, যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলাতক আসামী হয়’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দৈনিক ১০০ করে বার তওবা করতেন’
►৪। لآ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّيْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যোয়া-লিমীন’
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি মহা পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত।
►৫। رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণ: রবিবগফিরলী ওয়া তুব ‘আলাইয়া, ইন্নাকা আনতাত তাউওয়া-বুর রহীম’
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা কর ও আমার তওবা কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি তওবা কবুলকারী ও দয়াবান
►৬। اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفرلي مغفرة من عندك وارحمني إنّك أنت الغفور الرحيم"
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী যুলমান কাসীরান, ওয়ালা ইয়াগফিরুযযুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা, ওয়ার হামনী ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি, আর তুমি ব্যতীত গুনাহ খাতা কেউ ক্ষমাকারী নেই। অতএব তুমি নিজ গুণে আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি রহম কর কেননা তুমি অতিশয় ক্ষমাশীল ও দয়ালু।
►৭। «اللهم اغفرلي ما قدمت، وما أخّرت، وما أسررت، وما أعلنت، وما أسرفت، وما أنت أعلم به مني - أنت المقدم، وأنت المؤخر لا إله إلا أنت» (رواه مسلم)
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি মা ক্বাদ্দামতু ওয়ামা আখ্খারতা ওয়ামা আসরারতু ওয়ামা ‘আলানতু ওয়ামা আন্তাল মু’আখ্খিরু লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা। (মুসলিম)
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমার সকল গুনাহখাতা ক্ষমা করে দাও যা পূর্বে ও পরে, গোপনে ও প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমা লঙ্ঘনজনিত গুনাহ এবং যে সম্পর্কে তুমি আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত। তুমি যা চাও অগ্রগামী কর ও যা চাও পশ্চাতে নিয়ে যাও আর তুমি ব্যতীত প্রকৃত মা‘বূদ বা উপাস্য নেই।
►৮। اللَّهُمَّ اعْفِرْلِى ذَنْبِئ كُلَّهُ، و جِلَّهُ، وَ أوَّلَهُ وَ آخِرَهُ عَلا نِيَتَهُ وَ سِرَّهُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি যামবি কুল্লাহু ওয়া দিক্কাহু ওয়া আও-ওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু ওয়া 'আলা নিয়াতাহু ওয়া সিররাহু
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করুন, বড়, ছোট, প্রথম, শেষ, প্রকাশ্য (ইচ্ছাকৃত), অপ্রকাশ্য (অনিচ্ছাকৃত)
►৯। سبحانك اللهم ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي
উচ্চারণ: ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী।’’
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের রব্ব তোমার সকল প্রশংসা বর্ণনা করছি এবং সকল দোষ হতে পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমাকে তুমি ক্ষমা কর।
রাসুল (সাঃ) নামাযে রুকু ও সেজদায় বেশি বেশি এই দুয়া করতেন। (বুখারী-মুসলিম)
►১০। اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِيْ مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّيْ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لآ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ-
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু অমা আখখারতু, অমা আসরারতু অমা আ‘লানতু, অমা আসরাফতু, অমা আনতা আ‘লামু বিহী মিন্নী; আনতাল মুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু, লা ইলা-হা ইল্লা আনতা’ ।
অনুবাদ: ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পূর্বাপর গোপন ও প্রকাশ্য সকল গোনাহ মাফ কর (এবং মাফ কর ঐসব গোনাহ) যাতে আমি বাড়াবাড়ি করেছি এবং ঐসব গোনাহ যে বিষয়ে তুমি আমার চাইতে বেশী জানো। তুমি অগ্র-পশ্চাতের মালিক। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই’।
►১১। رَبَّنَآ ءَاتِنَا فِى ٱلدُّنْيَا حَسَنَةًۭ وَفِى ٱلْءَاخِرَةِ حَسَنَةًۭ وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّار
উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানা, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা, ওয়াকিনা আজাবান্নার
অনুবাদ: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা কর
►১২। رب اغفرلي، رب اغفرلي
উচ্চারণ: রব্বিগফিরলী, রব্বিগফিরলী।
অর্থ: হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, হে আল্লাহ্ তুমি আমাকে ক্ষমা কর। (আবু দাউদ)
►১৩। «اللهم اغفرلي، وارحمني، وعافني واهدني، وارزقني» (رواه أبو داود والترمذي)
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ার হামনী ওয়া ‘আফিনী ওয়াহদিনী ওয়ারযুকনী।
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি রহম কর, আমাকে সুস্থতা দান কর, সঠিক পথে পরিচালিত কর এবং রিযিক দান কর। (আবু দাউদ, তিরমিযী)
►১৪। رَبَّنَا ظَلَمْنَآ أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ ٱلْخَٰسِرِينَ
উচ্চারণ: রব্বানা য'লামনা আন ফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়া তারহামনা লানা-কু নান্না মিনাল খ'সিরিন।
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের প্রতি যুলুম করেছি। যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব
►১৫।اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ، لاَ إِلهَ إِلاَّ أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيْعُ السَّموَاتِ وَالأَرْضِ، يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ। إِنِّيْ أَسْاَلُكَ الْجَنَّةَ وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ।
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআ লু কা বিআন্না লাকালহাম্দ, লা ইলা-হা ইল্লা আন্তাল মান্না-নু বাদীউস সামা-ওয়া-তি অল আরয্ব, ইয়া যাল জালা-লি অল ইকরা-ম, ইয়্যাহাই য়্যু ইয়া কায়্যূম। ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা অআঊযু বিকা মিনান্না-র।
অর্থ, হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি এই অসীলায় যে, সমস্ত প্রশংসা তোমারই, তুমি ব্যতীত কোন সত্য উপাস্য নেই। তুমি পরম অনুগ্রহদাতা, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর আবিষ্কর্তা, হে মহিমাময় এবং মহানুভব, হে চিরঞ্জীব অবিনশ্বর! আমি তোমার নিকট বেহেশ্ত প্রার্থনা করছি এবং দোযখ থেকে পানাহ চাচ্ছি।
এক ব্যক্তি তাশাহ্হুদে এই দুআ পাঠ করছিল। তা শুনে নবী (সাঃ) সাহাবাগণকে বললেন,
“তোমরা কি জান, ও কি (বাক্য) দিয়ে দুআ করল?”
তাঁরা বললেন, ‘আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই জানেন।’
তিনি বললেন, “সেই সত্তার কসম! যাঁরহাতে আমার প্রাণ আছে। ও তো আল্লাহর নিকট তাঁর ইসমে আ’যম (বৃহত্তম নাম) দ্বারা প্রার্থনা করেছে; যা দ্বারা দুআ করলে তিনি কবুল করেন ও যা দ্বারা তাঁর কাছে চাইলে তিনি দিয়ে থাকেন।”
(আবূদাঊদ, নাসাঈ, আহমাদ, মুসনাদ)
►১৬।اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ يَا الله بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ ليِْ ذُنُوِبْي إِنَّكَ أَنْتَ الغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ।
উচ্চারণ:- আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া-ল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-হিদুল আহাদুস স্বামাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ অলাম ইউলাদ অলাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ, আন তাগ্ফিরা লী যুনূবী, ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রাহীম।
অর্থ, হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, হে এক, একক, ভরসাস্থল আল্লাহ! যিনি জনক নন জাতকও নন এবং যাঁর সমকক্ষ কেউ নেই, তুমি আমার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল দয়াবান।
এই দুআটি এক ব্যক্তি তাশাহ্হুদে পাঠ করেছিল। মহানবী (সাঃ) তা শুনে বললেন,
“ওকে ক্ষমা করা হল, ওকে ক্ষমা করা হল।”
(অর্থাৎ, আল্লাহ ওর দুআ কবুল করে নিয়েছেন।)
(আবূদাঊদ, সুনান, নাসাঈ, আহমাদ, মুসনাদ)
❤ 13. ইফতার করা, ইফতার করানো [রাসুল্লাহ(সা) বলেছেন, যে ব্যাক্তি রোযাদারকে ইফতার করায়, তার জন্য রয়েছে ইফতারকারীদের সমান সওয়াব এবং এইজন্য তাদের(রোজাদারের) সওয়াব থেকে কিছু কমানো হবেনা। (ইবনে মাজাহ)]
❤ 14. সাহরী খাওয়া [রাসুল্লাহ(সাঃ) বলেছেন, 'তোমরা সাহরী খাও, কারণ সাহরীতে বরকত রয়েছে।']
❤ 15. ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা [নিজের স্বামী, বাবা, ভাই, চাচা, ঘরের পুরুষদের একাজে উৎসাহিত করা।]
❤ 16. ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পড়া।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সঃ) বলেছেন, “প্রত্যেক ফরয ছালাত শেষে আয়াতুল কুরসী পাঠকারীর জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য আর কোন বাধা থাকে না মৃত্যু ব্যতীত’ (নাসাঈ)। শয়নকালে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত তার হেফাযতের জন্য একজন ফেরেশতা পাহারায় নিযু্ক্ত থাকে। যাতে শয়তান তার নিকটবর্তী হ’তে না পারে” (বুখারী)।
❤ 17. সামর্থ্য থাকলে উমরা পালন করা।
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"রমাদান মাসে উমরা করা আমার সাথে হাজ্জ আদায় করার সমতুল্য" [বুখারী]
সহীহ মুসলিমের রেওয়ায়েতে আছে: "....আমার সাথে হজ্জ করার সমতুল্য।"
❤ 18. ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান
ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা। এটি একটি বিরাট সাওয়াবের কাজ। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি ফজর জামাআত আদায় করার পর সূর্য উদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করবে, অতঃপর দুই রাকাআত সালাত আদায় করবে, সে পরিপূর্ণ হাজ্জ ও উমারাহ করার প্রতিদান পাবে।" [সুনান আত-তিরমিযী]
❤ 19. ইতিকাফ করা
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমজানে ইতিকাফ করেছেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীগণও
ইতিকাফ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)
❤ 20. সুন্নাতের উপর বেশি বেশি আমল করাঃ
ইবাদতের উদ্দেশ্যে বৈষয়িক কাজ-কর্মও ইবাদতে পরিণত হয়। যেমন রোযার উদ্দেশ্যে সাহরী খাওয়া, রাত জাগার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ-কর্ম সেরে নেওয়া। তাই লাইলাতুল কদরে ইবাদতের উদ্দেশ্যে বান্দা যেসব দুনিয়াবী কাজ করে সেগুলোও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।
★ বাজারে যাওয়ার দুয়ার উপর আমল করাঃ
لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيْتُ وَهُوَ حَيٌّ لاَ يَمُوْتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ-
উচ্চারণঃ লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহ্ই ওয়া ইউমিতু, ওয়া হুয়া হাইয়্যুন লা ইয়ামুতু, বিইয়াদিহিল খাইর, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির।
অর্থ- একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দান করেন। আর তিনি চিরঞ্জীব, কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না। সকল প্রকার কল্যাণ তাঁর হাতে নিহিত। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
যে কেহ বাজারে প্রবেশকালে এই দুয়াটি পাঠ করবে, তার জন্য
১) ১০ লক্ষ নেকী লেখা হবে
২) ১০ লক্ষ গোনাহ মাফ হবে
৩) ১০ লক্ষটি মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে
৪) জান্নাতে একটি ঘর নির্মিত হবে
[তিরমিযী]
★ খাওয়ার দু'আঃ
খাওয়ার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা।
বলতে ভুলে গেলে (শেষ হওয়ার আগেই) বলবে, بِسْمِ اللهِ اَوَّلَهُ وَآخِرَهُ ‘বিসমিল্লা-হি আউওয়ালাহূ ওয়া আ-খিরাহূ’ (আল্লাহর নামে এর শুরু ও শেষ)।
খাওয়া ও পানি পান শেষে বলবে,
(১) الْحَمْدُ ِللهِ
উচ্চারণঃ আলহামদুলিল্লাহ
অর্থ- সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
অথবা
★ (২) الْحَمْدُ ِللهِ الَّذِيْ أَطْعَمَنِيْ هَذَا وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّيْ وَلاَ قُوَّةٍ
উচ্চারণঃ আলহামদুলিল্লা-হিল্লাযী আত্ব‘আমানী হা-যা ওয়া রাঝাক্বানীহি মিন গায়রে হাওলিম মিন্নী ওয়ালা ক্বুউওয়াতিন’
অর্থ- সেই আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা, যিনি আমাকে আমার ক্ষমতা ও শক্তি ছাড়াই এই খাবার খাইয়েছেন এবং এই রূযী দান করেছেন।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি খাওয়ার পরে এটি পাঠ করবে, তার বিগত সকল গোনাহ মাফ করা হবে।
যিকর লিঙ্কঃ http://www.japaniit.com/zikr.php
❤ 21. নামায পরবর্তী যিকর আদায়ে সচেষ্ট হওয়া।
ফরজ সালাত সমাপান্তে ইমাম-মুক্তাদী সবার জন্য পঠিতব্য দুয়া ও জিকির সমূহ উপস্থাপন করা হল:
►(1) اَللهُ أَكْبَرُ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ-
উচ্চারণ : ১. আল্লা-হু আকবার (একবার সরবে)। আসতাগফিরুল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ (তিনবার)।
অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
►(2) اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَ الْإِكْرَامِ.
২. আল্লা-হুম্মা আন্তাস্ সালা-মু ওয়া মিন্কাস্ সালা-মু, তাবা-রক্তা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরাম।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি, আপনার থেকেই আসে শান্তি। বরকতময় আপনি, হে মর্যাদা ও সম্মানের মালিক’।
►(3) لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، لاَحَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إلاَّ بِاللهِ- اَللَّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ وَ شُكْرِكَ وَ حُسْنِ عِبَادَتِكَ، اَللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ-
৩. লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা শারীকা লাহূ, লাহুল মুল্কু ওয়া লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর; লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ। আল্লা-হুম্মা আ‘ইন্নী ‘আলা যিকরিকা ওয়া শুক্রিকা ওয়া হুসনে ‘ইবা-দাতিকা। আল্লা-হুম্মা লা মা-নে‘আ লেমা আ‘ত্বায়তা অলা মু‘ত্বিয়া লেমা মানা‘তা অলা ইয়ান্ফা‘উ যাল জাদ্দে মিন্কাল জাদ্দু।
অর্থ : নেই কোন উপাস্য আল্লাহ ব্যতীত, যিনি একক ও শরীকবিহীন। তাঁরই জন্য সকল রাজত্ব ও তাঁরই জন্য যাবতীয় প্রশংসা। তিনি সকল কিছুর উপরে ক্ষমতাশালী। নেই কোন ক্ষমতা, নেই কোন শক্তি, আল্লাহ ব্যতীত’। ‘হে আল্লাহ! আপনাকে স্মরণ করার জন্য, আপনার শুকরিয়া আদায় করার জন্য এবং আপনার সুন্দর ইবাদত করার জন্য আমাকে সাহায্য করুন’। ‘হে আল্লাহ! আপনি যা দিতে চান, তা
Tokyo
Japan Islamic Institute of Technology & Qur'an Research Centerがニュースとプロモを投稿した時に最初に知って当社にメールを送信する最初の人になりましょう。あなたのメールアドレスはその他の目的には使用されず、いつでもサブスクリプションを解除することができます。
Japan Islamic Institute of Technology & Qur'an Research Centerにメッセージを送信: