30/08/2026
ত্রিরত্নের পূজারী সদ্ধর্মানুরাগী প্রিয় উপাসক-উপাসিকাগণ,
শুভ শ্রাবণী পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে যারা বিহারে উপস্থিত হয়ে, অনন্ত ত্রিরত্ন গুণের বন্দনা-উপাসনা, শীলগ্রহণ, পিন্ডদান, বিবিধ দানীয় দান, পরিত্রাণ সূত্র-শ্রবণ সহ নানা পুণ্যকর্মে অংশগ্রহণ করেছেন।
এবারের পূর্ণিমা উদযানে বহু দূর থেকে প্রবল পুণ্যচেতনায় উপস্থিত হয়েছিলেন, বৌদ্ধ সমাজের আলোকিতজন, প্রবীণ-গুণীব্যক্তিত্ব ড. সুমন বড়ুয়া (বাবু) ও তৎসহধর্মিনী স্মৃতি বড়ুয়া, সদ্ধর্মপ্রাণ উপাসক প্রভাত কুসুম চাকমা ও পরিবারবর্গ, পিপুল চাকমা ও পরিবারবর্গ, বিবেকানন্দ চাকমা ও পরিবারবর্গ, উচিমং মার্মা ও পরিবারবর্গ, সৈকত বড়ুয়া ও পরিবারবর্গ, সোয়েব বড়ুয়া ও পরিবারবর্গ, সদ্ধর্মপ্রাণ উপাসক কিশান বড়ুয়া, ইপল বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া, তনময় বড়ুয়া, বিকাশ বড়ুয়া, মংচিং সহ অন্যান্য উপাসক-উপাসিকাবৃন্দ।
বর্তমানে পবিত্র ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রতকাল। পুণ্যসঞ্চয়, আত্মশুদ্ধি, দানময় উদার চেতনা, শীলময় জীবনাচার ও ধ্যান-অনুশীলনের সময়কাল। আমাদের জীবনকাল থেমে নেই; প্রতিনিয়ত তা ক্ষয়িষ্ণু। তাই এই সময়ে আমরা কতটা পুণ্যময় জীবন অতিবাহিত করছি, কতটা প্রজ্ঞাচর্চা ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের পরিপূর্ণতার পথে এগিয়ে নিতে পারছি, সেটিই সদ্ধর্মপরায়ণ সচেতন উপাসক-উপাসিকাদের জন্য এক অর্থপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ পুণ্যবার্তা। আপনাদের আগমন ও পুণ্যময় আচরণই আপনাদের ব্যস্তময় যাপিত জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্বকৃত পুণ্যকর্ম কখনো বিফলে যায় না।
তথাগত বুদ্ধ বিহার ও মহান সংঘের পক্ষ থেকে, আজ যারা উপস্থিত ছিলেন এবং যারা ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি, তারা সহ প্রবাসে অবস্থানরত সকল জ্ঞাতীগণের জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরোগ-নিরাময়ে পরিপূর্ণ হোক, এ আমাদের সতত প্রার্থনা।
পাশাপাশি, আজকে আমাদের অর্জিত পুণ্যরাশি, সম্প্রতি নেপালে নিহতদের প্রতিও উৎসর্গ করা হয়।
জগতের সকল সত্ত্বগণ সুখে ও নিরাময়ে-নিরুপদ্রবে অবস্থান করুক। সকল প্রাণী সুখী হোক।