Be'sat e Khoon

Be'sat e Khoon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Be'sat e Khoon, Religious Center, masuma e Qom shrine, Qom.

"The movement of 'Be'sat e Khoon' aims to raise public awareness about the message of the Prophet's mission and the continuation of his path through shedding 72 and even more bloods."

শেষ যুগে সবাই ধ্বংস হবে, তবে যারা…হযরত ইমাম হাসান আসকারী আলাইহিস সালাম বলেছেন:«لا يَنْجُو أَحَدٌ فِي آخِرِ الزَّمَانِ مِ...
08/01/2026

শেষ যুগে সবাই ধ্বংস হবে, তবে যারা…

হযরত ইমাম হাসান আসকারী আলাইহিস সালাম বলেছেন:

«لا يَنْجُو أَحَدٌ فِي آخِرِ الزَّمَانِ مِنَ الْهَلَكَةِ إِلَّا مَنْ وَفَّقَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لِلدُّعَاءِ بِتَعْجِيلِ الْفَرَجِ.»
শেষ যুগে কেউই ধ্বংস ও সর্বনাশ থেকে রক্ষা পাবে না, যদি না আল্লাহ তাকে ইমাম মাহদীর (আ.) ফারাজ ও আবির্ভাব ত্বরান্বিত করার জন্য দোয়া করার তাওফিক দান করেন।

বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ১০২, পৃষ্ঠা ১১২

হযরত আয়াতুল্লাহ বাহজাত (রহ.) বলেছেন:
শেষ যুগে ধ্বংসের মধ্যে না পড়ার জন্য সর্বোত্তম কাজ হলো ইমাম যামানার (আ.) ফারাজের জন্য দোয়া করা। তবে সেই দোয়া, যা আমাদের সব আমলের ওপর প্রভাব ফেলে। নিশ্চিতভাবে, যারা দোয়ায় আন্তরিক ও সত্যবাদী হবে, তারা কিছু প্রত্যক্ষ নিদর্শনও দেখতে পাবে। দোয়াকে তার শর্তসহ পড়তে হবে, আর দোয়ার শর্তগুলোর একটি হলো "গুনাহ থেকে তওবা করা।"

আমরা নিজের সাথে অঙ্গীকার করি—নামাজের কুনুতের মধ্যে এবং নামাজের পর সিজদায়ে শোকরে এই দোয়াগুলো পড়ব:
« اللهم کن لولیک الحجة بن الحسن ...»

“আল্লাহুম্মা কুন লি-ওলিয়্যিকা আল-হুজ্জাত ইবনিল হাসান…”
এবং
" اللهم عَجِّلْ لِوَلِيِّكَ الْفَرَجَ وَ الْعَافِيَةَ وَ النَّصْر و اجْعَلْنِا مِنْ أَنْصَارِهِ وَ أَعْوَانِهِ "
“আল্লাহুম্মা ‘আজ্জিল লি-ওলিয়্যিকাল ফারাজা ওয়াল ‘আফিয়াতা ওয়ান-নাসর, ওয়াজ‘আলনা মিন আনসারিহি ওয়া আ‘ওয়ানিহি”
(হে আল্লাহ, আপনার ওলির ফারাজ দ্রুত করে দিন, তাঁকে নিরাপত্তা ও সাহায্য দান করুন, এবং আমাদেরকে তাঁর সাহায্যকারী ও সহচরদের অন্তর্ভুক্ত করুন)।

এই দোয়াগুলো অর্থ ও মর্ম উপলব্ধি করে, পূর্ণ মনোযোগ ও অন্তরের গভীরতা থেকে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি। 🤲

#ইমাম_যামানা #কুরআন #ইসলামিক #হাদীস #দোয়া #শিয়া

05/01/2026

জয়নাব কুবরা (সা.), বুদ্ধি ও সাহসের প্রতীক

জয়নাব কুবরা (সা.) ইতিহাসজুড়ে আমাদের নারীদের জন্য এক আদর্শ। তিনি বুদ্ধি ও সংযমের প্রতীক, শক্তি ও সাহসের মূর্ত রূপ; আবেগ ও অনুভূতির গভীরতা, ভাষার স্পষ্টতা, হৃদয়ের স্থিরতা এবং আত্মার দৃঢ়তা তাঁর বৈশিষ্ট্য। তিনি একই সঙ্গে ছিলেন একজন মমতাময়ী মা, স্নেহশীল বোন, । তিনি সকল মানুষের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতেন, ঘরের ভেতরে ভালোবাসার আলো জ্বালিয়ে রাখতেন, স্বামী ও সন্তানদের ভালোবাসা ও স্নেহের সুরক্ষিত পরিবেশে একত্র করতেন। এসবই একজন মুসলিম নারীর গুণাবলি।

বিপ্লবের নেতা, ২৫/০৩/২০০৫

তাছাড়া ও তিনি ছিলেন একজন মুফ্ফাসিরে কুরআন, রা'আওয়িয়ে হাদিস,এবং সকল হাশেমী নারীদের জন্য শক্তি

#কুরআন #রজব #ইসলামিক #জয়নাব #হাদীস

আমিরুল মু’মিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (আ.) বলেছেন:عَرَفْتُ اللهَ سُبْحَانَهٗ بِفَسْخِ الْعَزَائِمِ، وَ حَلِّ الْعُقُودِ، وَ...
04/01/2026

আমিরুল মু’মিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (আ.) বলেছেন:

عَرَفْتُ اللهَ سُبْحَانَهٗ بِفَسْخِ الْعَزَائِمِ، وَ حَلِّ الْعُقُودِ، وَ نَقْضِ الْهِمَمِ.

“আমি আল্লাহ সুবহানাহুকে চিনেছি তখন, যখন মানুষের দৃঢ় সংকল্প ভেঙে যায়, গাঁথা পরিকল্পনা খুলে যায়, আর শক্ত ইচ্ছাগুলো হঠাৎ দুর্বল হয়ে পড়ে।”

*মানুষ অনেক সময় দৃঢ়ভাবে কোনো কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। মনে করে, এবার সে করবেই। কিন্তু অদ্ভুতভাবে কাজ শুরু হওয়ার আগেই সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায়। কখনো আগ্রহ হারিয়ে যায়, কখনো অন্য চিন্তা এসে আগেরটাকে সরিয়ে দেয়, আবার কখনো হঠাৎ শক্ত মনোবল ভেঙে পড়ে।
এই পরিবর্তনগুলো আমাদের শেখায় যে মানুষের ইচ্ছা ও পরিকল্পনা পুরোপুরি তার নিজের নিয়ন্ত্রণে নয়। আমাদের সংকল্পের ওপর এমন এক শক্তির প্রভাব আছে, যিনি চাইলে ইচ্ছাকে জাগিয়ে দেন, আবার চাইলে নিভিয়ে দেন। এই শক্তি মানুষের চেয়ে অনেক বড়, অনেক ঊর্ধ্বে।
সেখান থেকেই বোঝা যায়, আমাদের ওপরে একজন সর্বশক্তিমান সত্তা আছেন, — তিনিই আল্লাহ। তিনিই মানুষের ইচ্ছা, সংকল্প ও সাহসকে বদলে দেন। আর এভাবেই মানুষ নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝে আল্লাহকে চিনতে শেখে।
📚 কালামাতে কিসার, হাদিস নং ২৫০

#শিয়া #ইমাম_আলী #ইসলামিক #রজব #কুরআন #হাদীস

01/01/2026

ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব আ. এর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:
*اَنَا یَعْسُوْبُ الْمُؤْمِنِیْنَ، وَ الْمَالُ یَعْسُوْبُ الْفُجَّارِ*

আমি মুমিনদের ‘ইয়াসুব’ (নেতা), আর দুষ্কৃতকারীদের ইয়াসুব হলো ধন-সম্পদ।
সৈয়দ রাযী রা.আ. বলেছেন এই প্রসঙ্গে:
وَ مَعْنٰى ذٰلِكَ: اَنَّ الْمُؤْمِنِیْنَ یَتَّبِعُوْنَنِیْ، وَ الْفُجَّارُ یَتَّبِعُوْنَ الْمَالَ، كَمَا تَتَّبِعُ النَّحْلُ یَعْسُوْبَهَا، وَ هُوَ رَئِیْسُهَا*
ইয়াসুব এর অর্থ হলো, মুমিনরা আমার অনুসরণ করে এবং দুষ্কৃতকারীরা ধন-সম্পদের অনুসরণ করে, ঠিক যেমন মৌমাছিরা তাদের ইয়াসুবের অনুসরণ করে। আর ‘ইয়াসুব’ বলা হয় সেই মৌমাছিকে, যে তাদের নেতা।
📚 কালামাতে কিসার নং ৩১৬

#ইসলামিক #শিয়া #ইমাম_আলী #রজব #কুরআন

খ্রিস্টান ব্যক্তির আশ্চর্য ঘটনা এবং ইমাম হাদী (আ.)-এর পক্ষ থেকে তার শিয়া পুত্রের সংবাদ দান।হিবাতুল্লাহ মাওসিলী বর্ণনা ক...
27/12/2025

খ্রিস্টান ব্যক্তির আশ্চর্য ঘটনা এবং ইমাম হাদী (আ.)-এর পক্ষ থেকে তার শিয়া পুত্রের সংবাদ দান।

হিবাতুল্লাহ মাওসিলী বর্ণনা করেন:
একজন নাসরানি (খ্রিস্টান) ব্যক্তি ছিলেন, যিনি পেশায় লেখক ছিলেন। তাঁর নাম ছিল ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব। তাঁর সঙ্গে আমার পিতার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। একদিন সেই নাসরানি লেখক আমার পিতার কাছে এলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম:
“আপনি কেন এখানে এসেছেন?”
তিনি বললেন:
“আমাকে মুতোয়াক্কিল আব্বাসি (তৎকালীন খলিফা) ডেকেছে, কিন্তু আমি জানি না কেন আমাকে ডাকা হয়েছে এবং সে আমার কাছ থেকে কী চায়।? আমি আমার প্রাণরক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে একশ দিনার দিয়ে নিজের নিরাপত্তা কিনে নিয়েছি, আর সেই একশ দিনার আমি ইমাম হাদী (আ.)-এর কাছে দেওয়ার জন্য সঙ্গে এনেছি।”
আমার পিতা বললেন:
“এই কাজে তুমি সফল হবে।”
এরপর সেই নাসরানি ব্যক্তি মুতোয়াক্কিলের কাছে গেল। অল্প সময় পর সে আমাদের কাছে ফিরে এল, তখন সে আনন্দিত ও খুশি ছিল। আমার পিতা তাকে বললেন:
“তোমার ঘটনা আমাকে বলো।”
সে বলল: “আমি সামাররায় গেলাম—এর আগে আমি কখনো ঐ শহরে যায়নি। একটি বাড়িতে প্রবেশ করলাম। মনে মনে ভাবছিলাম, ভালো হবে যদি, কেউ জানতে পারার আগেই যে আমি সামাররায় এসেছি, এই একশ দিনার ইমাম হাদী (আ.)-এর কাছে পৌঁছে দেই, তারপর মুতোয়াক্কিলের কাছে যাই।
আমি ইমাম হাদী আ.-এর বাড়িতে পৌঁছালাম। হঠাৎ একটি কৃষ্ণবর্ণ দাস সেই বাড়ি থেকে বের হয়ে এসে বলল:
‘তুমি কি ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব?’
আমি বললাম: ‘হ্যাঁ।’
সে বলল: ‘ঘরে প্রবেশ করো।’
আমি ভেতরে প্রবেশ করলাম। সে আমাকে ঘরের করিডোরে বসাল এবং নিজে ভেতরের দিকে চলে গেল।
আমি মনে মনে বললাম: এটাও উদ্দেশ্যের আরেকটি প্রমাণ—এই দাস কীভাবে জানল আমি ইউসুফ, অথচ আমি কখনো এই শহরে আসিনি এবং এখানে কেউ আমাকে চেনে না।
আবার সেই দাস এসে বলল:
‘তোমার সঙ্গে যে একশ দিনার আছে, যা কাগজে মোড়ানো—সেটা দাও।’
আমি তা তাকে দিলাম এবং মনে মনে বললাম: এটাও আরেকটি প্রমাণ।
এরপর সে এসে বলল:
‘ভেতরে প্রবেশ করো।’
আমি ইবনুর-রিদা (ইমাম হাদী আ.)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম। দেখলাম, তিনি একা নিজ ঘরে বসে আছেন। আমাকে দেখামাত্র তিনি বললেন:
‘হে ইউসুফ! এখনো কি তোমার মুক্তি লাভের সময় আসেনি?’
আমি বললাম:
‘হে আমার ইমাম! এমন সব নিদর্শন ও প্রমাণ আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে, যা আমার হেদায়েত ও মুক্তির জন্য যথেষ্ট।’
তিনি বললেন:
هیهات أما انک لا تسلم، و لکن سیسلم ولدک فلان و هو من شیعتنا. فقال: یا یوسف! ان أقواما یزعمون أنا ولایتنا لا تنفع أمثالک، کذبوا والله! انها لتنفع أمثالک، امض فیما وافیت له، فانک ستری ما تحب، و سیولد لک ولد مبارک.

“হায় হায়! তুমি ইসলাম গ্রহণ করবে না; তবে অচিরেই তোমার অমুক পুত্র ইসলাম গ্রহণ করবে এবং সে আমাদের শিয়াদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
হে ইউসুফ! কিছু লোক ধারণা করে যে আমাদের প্রতি ভালোবাসা তোমাদের মতো লোকদের (অন্য ধর্মাবলম্বীদের) কোনো উপকারে আসে না—আল্লাহর কসম, তারা মিথ্যা বলেছে। নিশ্চয়ই আমাদের প্রতি ভালোবাসা তোমাদের মতো লোকদের জন্যও উপকারী।
তুমি যে কাজের জন্য এসেছ, সেই কাজে এগিয়ে যাও; কারণ অচিরেই তুমি তা দেখতে পাবে যা তোমার ভালো লাগবে, এবং শিগগিরই তোমার জন্য এক বরকতময় পুত্র জন্ম নেবে।”
সেই নাসরানি ব্যক্তি বলে:
“আমি মুতোয়াক্কিলের কাছে গেলাম এবং আমার সব উদ্দেশ্য পূরণ হলো, তারপর ফিরে এলাম।”
হিবাতুল্লাহ বলেন:
এই নাসরানি ব্যক্তির মৃত্যুর পর আমি তার পুত্রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। দেখেছি সে মুসলমান এবং শিয়া মাজহাবে দৃঢ় ও অবিচল। সে আমাকে জানিয়েছে যে তার পিতা নাসরানি ধর্মেই মৃত্যুবরণ করেছে, কিন্তু সে নিজে পিতার মৃত্যুর পর ইসলাম গ্রহণ করেছে। সে সবসময় বলত:
‘আমি আমার প্রভুর (ইমাম হাদী আ.)-এর সুসংবাদ।’

উৎস:
বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৫০, পৃষ্ঠা ১৪৪

#ইমাম_হাদি #শিয়া #কুরআন #হাদীস #গ্ল্প #ইসলামিক

লাইলাতুল রাগায়েব কী? এই রাতে কীভাবে আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করা যায়? ১. লাইলাতুল রাগায়েব:লাইলাতুল রাগায়েব অর্থ “ আশা-আক...
24/12/2025

লাইলাতুল রাগায়েব কী? এই রাতে কীভাবে আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করা যায়?

১. লাইলাতুল রাগায়েব:
লাইলাতুল রাগায়েব অর্থ “ আশা-আকাঙ্ক্ষার রাত”। এটি রজব মাসের প্রথম শুক্রবারের রাত।
ইসলামী সংস্কৃতিতে এই রাতকে আল্লাহর রহমতের প্রতি বিশেষ মনোযোগ, ইস্তিগফার, দোয়া এবং আন্তরিক প্রত্যাবর্তনের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়।

২. লাইলাতুল রাগায়েবের উদ্দেশ্যে:
এই রাত মূলত কোনো অনুষ্ঠান নয়; বরং একটি নৈতিক ও আত্মগঠনের সুযোগ, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বাহানা খুঁজে নিজ বান্দাকে নিজের কাছে ডাকার জন্য। এটা মূলত শাবান ও পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি মূলক মাস।

আল্লাহর নৈকট্য পেতে হলে শুধু আমল নয়, নিয়ত ও আচরণেও পরিবর্তন করা জরুরি রয়েছে।

৩. এই রাতে কী করলে আল্লাহর নৈকট্য পাওয়া যায়?

১) নিয়ত শুদ্ধ করা যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যেকোনো আমলের আগে কয়েক মিনিট চিন্তা করুন:
* আমি কেন দোয়া করছি?
* আমি কি শুধু আমার চাওয়ার জন্য আল্লাহকে চাইছি, নাকি আল্লাহ জন্য আল্লাহকেই চাইছি?
* আমি কি কোনো গুনাহ বা খারাপ অভ্যাস ছাড়তে প্রস্তুত?

📌 নিয়ত পরিবর্তন ছাড়া কুরবত বা নৈকট্য হাসিল করা সম্ভব নয়।
২) বৃহস্পতিবার রোজা রাখা (সম্ভব হলে)
৩) নামাজ
ক) লাইলাতুল রাগায়েবের প্রসিদ্ধ নামাজ
মাগরিব ও ইশার মাঝখানে ১২ রাকাত (৬টি দু’ রাকাত):
প্রতি রাকাতে:
সূরা ফাতিহা ১ বার
সূরা কদর ৩ বার
সূরা ইখলাস ১২ বার
শেষে:
৭০ বার দরুদ
সিজদায় ৭০ বার:
سُبّوحٌ قُدّوسٌ رَبُّ المَلائِکَةِ وَ الرّوح
আবার ৭০ বার দরুদ ও দোয়া
৪) ইস্তিগফার (মুখে নয়, হৃদয়ে)

اَستَغفِرُاللهَ رَبّی وَ اَتوبُ اِلَیه
৫) সদকা—অতি সামান্য হলেও দেয়া উচিত।

#ইসলামিক #হাদীস #দুয়া #আমল #রজব

আপনি আল্লাহর কোন কোন নিয়ামতের শোকর আদায় করেছেন?বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমশেখ সাদূক (রহ.) আবু হাশিম জাফরী আলহাজ্ব থেকে...
24/12/2025

আপনি আল্লাহর কোন কোন নিয়ামতের শোকর আদায় করেছেন?

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

শেখ সাদূক (রহ.) আবু হাশিম জাফরী আলহাজ্ব থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন:
জীবিকা ও আর্থিক অবস্থার দিক থেকে আমি ভীষণ সংকটে পড়েছিলাম। আমি ইমাম হাদী (আলাইহিস সালাম)-এর খিদমতে হাজির হলাম। তিনি আমাকে প্রবেশের অনুমতি দিলেন। যখন আমি তাঁর সামনে বসলাম, তখন তিনি বললেন:
“হে আবু হাশিম! আল্লাহ তোমাকে যে নিয়ামতগুলো দান করেছেন, তার মধ্যে কোনটির শুকরিয়া তুমি আদায় করতে পারো?”
আমি নীরব হয়ে গেলাম এবং বুঝতে পারলাম না কী উত্তর দেব। তখন তিনি নিজেই কথা শুরু করলেন এবং বললেন:
“আল্লাহ তোমাকে ঈমান দান করেছেন—এর মাধ্যমে তিনি তোমার দেহকে জাহান্নামের আগুনের ওপর হারাম করেছেন।
তিনি তোমাকে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করেছেন।
তোমাকে তাঁর আনুগত্য করার তাওফিক দিয়েছেন।
তোমার অন্তরে সন্তুষ্টি দান করেছেন।
এবং তোমাকে অপমানিত হওয়া ও সম্মানহানির হাত থেকে রক্ষা করেছেন।
হে আবু হাশিম! আমি শুরুতেই এই নিয়ামতগুলোর কথা তোমাকে স্মরণ করিয়ে দিলাম, কারণ আমি ধারণা করেছিলাম—তুমি হয়তো সেই সত্তার পক্ষ থেকে অভিযোগ করতে চাও, যিনি এসব নিয়ামত তোমাকে দান করেছেন।”
এরপর তিনি নির্দেশ দিলেন:
“তাকে একশ দিনার প্রদান করো।”
তিনি বললেন: “এটি গ্রহণ কর।”
সূত্র:
নেগাহী বর যিন্দেগী-ই চাহারদাহ মাসূম (আ.), শেখ আব্বাস কুম্মী, পৃষ্ঠা ৪৩০,

اللهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ و عجل فرجهم

ইমাম আলী নকী (আ.)-এর শাহাদাত উপলক্ষে গভীর সমবেদনা।

#ইমাম_হাদি #শিয়া #ইসলামিক #হাদীস #গ্ল্প

ইমাম মুসা কাযেম আ. হতে বর্ণিত হাদিস" رَجَبٌ شَهْرٌ عَظِيمٌ يُضَاعِفُ اَللَّهُ فِيهِ اَلْحَسَنَاتِ وَ يَمْحُو فِيهِ اَلسّ...
23/12/2025

ইমাম মুসা কাযেম আ. হতে বর্ণিত হাদিস

" رَجَبٌ شَهْرٌ عَظِيمٌ يُضَاعِفُ اَللَّهُ فِيهِ اَلْحَسَنَاتِ وَ يَمْحُو فِيهِ اَلسَّيِّئَاتِ مَنْ صَامَ يَوْماً مِنْ رَجَبٍ تَبَاعَدَتْ عَنْهُ اَلنَّارُ مَسِيرَةَ مِائَةِ سَنَةٍ وَ مَنْ صَامَ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ وَجَبَتْ لَهُ اَلْجَنَّةُ "

রজব একটি মহান মাস। এই মাসে আল্লাহ তাআলা সওয়াবকে দ্বিগুণ করে দেন এবং গুনাহসমূহ মুছে দেন।
যে ব্যক্তি রজব মাসে এক দিন রোজা রাখে, জাহান্নাম তার থেকে একশ বছরের পথের দূরত্বে সরে যায়।
আর যে ব্যক্তি রজব মাসে তিন দিন রোজা রাখে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।

সূত্র: সাওয়াবুল আমাল, খন্ড:২, পৃ: ৫৩.

#হাদীস #ইসলামিক #রাজাব

«این الرجبیون»রজব মাস এমন একটি মাস, যা অনেক মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী। এটি পরিচিত মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং প্রার্থনার ...
21/12/2025

«این الرجبیون»

রজব মাস এমন একটি মাস, যা অনেক মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী। এটি পরিচিত মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং প্রার্থনার জন্য মূল্যবান সময়ের একটি। জাহিলিয়াতের যুগে, এই মাস এতটাই পরিচিত ছিল যে তারা তাদের প্রয়োজন পূরণের জন্য এই মাসের আগমনের অপেক্ষায় থাকত।
অন্যদিকে, রজব মাসকে “হযরত আলি আ.”-এর মাস বলে নামকরণ করা হয়েছে, কারণ এই মাসে তাঁর জন্ম হয়েছিল। রজব মাসের প্রথম রাত হলো চারটি বিশেষ রাতের মধ্যে একটি, যেখানে রাত্রি জাগরণ এবং ইবাদতের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

“این الرجبیون”

“রাজাবীয়ুন কোথায়?” বা রজব মাস পালনকারীরা কোথায়?”
এটি এমন একটি আহ্বান যা কিয়ামতের দিনে একটি ফেরেশতা আহ্বান জানাবেন। এই ধ্বনিটি তাদের জন্য, যারা রজব মাসকে সম্মান করেন, রোজা রেখেছেন এবং এই মাসের বিশেষ ইবাদত ও বিভিন্ন কার্যকলাপ যা আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করার জন্য (যেমন রোজা, দোয়া, তওবা) ও বিশেষ করে এইটি দোয়া:

يَا مَنْ أَرْجُوهُ لِكُلِّ خَيْرٍ وَآمَنُ سَخَطَهُ عِنْدَ كُلِّ شَرٍّ، يَا مَنْ يُعْطِي الكَثيرَ بِالقَلِيلِ، يَا مَنْ يُعْطِي مَنْ سَأَلَهُ، يَا مَنْ يُعْطِي مَنْ لَمْ يَسأَلْهُ وَمَنْ لَمْ يَعْرِفْهُ تَحَنُّنا مِنْهُ وَرَحْمَةً؛ أَعْطِنِي بِمَسأَلَتِي إِيّاكَ جَمِيعَ خَيْرِ الدُّنْيا وَجَمِيعَ خَيْرِ الآخرةِ، وَاصْرِفْ عَنِّي بِمَسْأَلَتِي إِيَّاكَ جَمِيعَ شَرِّ الدُّنْيا وَشَرِّ الآخرةِ فَإِنَّهُ غَيْرُ مَنْقُوصٍ مَا أَعْطَيْتَ وَزِدْنِي مِنْ فَضْلِكَ يَا كَرِيمُ.
يَا ذَا الجَلالِ وَالاِكْرامِ، يَا ذَا النَّعَماءِ وَالجُودِ، يَا ذَا المَنِّ وَالطَّوْلِ، حَرِّمْ شَيْبَتِي عَلَى النَّار.

ইয়া মান আরজুহু লিকুল্লি খাইর ওয়া আ’মানু সাখতাহু ইন্দা কুল্লি শার্র, ইয়া মান ইউ’তি আল-কাশীর বিল-কালীল, ইয়া মান ইউ’তি মান সা’লাহু, ইয়া মান ইউ’তি মান লাম ইয়াসআলুহু ওয়া মান লাম ইয়ারিফুহু তহন্নুনা মিনহু ওয়া রহমাহ; আ’তিনী বিয়া মাসআলাতি ইয়া কা জামিইয়্য খাইরুদ-দুনিয়া ওয়া জামিইয়্য খাইরুল-আখিরাহ, ওয়া সরিফ আন্নি বিয়া মাসআলাতি ইয়া কা জামিইয়্য শার্রুদ-দুনিয়া ওয়া শার্রুল-আখিরাহ, ফাইনাহু গায়রু মানকুস মা আ’তায়তা, ওয়া জিদনী মিন ফযলিক, ইয়া কারীম।
ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরাম, ইয়া যান-ন’আমাও ওয়াল-জুদ, ইয়া যাল-মান ওয়াত-তাওল, হার্রিম শায়বাতী ‘আলাল-নার।

অনুবাদ:
হে সেই আল্লাহ, যাকে আমি প্রতিটি কল্যাণের জন্য আশা করি, এবং যাঁর রোষ থেকে আমি প্রতিটি বিপদে নিরাপদ।
হে সেই মহান, যিনি কম দিয়ে অনেক দেন, হে সেই মহান, যিনি যাকে চায় তাকে দেন।
হে সেই মহান, যিনি যাকে প্রার্থনা করে না বা যাকে চেনে না, তবুও দয়া ও করুণার মাধ্যমে তাকে দেন।
আমার প্রার্থনার মাধ্যমে আমাকে দাও এই দুনিয়ার সব কল্যাণ এবং পরকালের সব কল্যাণ।
আমার প্রার্থনার মাধ্যমে আমাকে রক্ষা কর এই দুনিয়ার এবং পরকালের সব অপকার থেকে।
কারণ, তুমি যা দাও তা কখনো কম হয় না, এবং আমাকে তোমার দয়ালু ,কৃপাত্মক দান ও করুণার বৃদ্ধি দাও, হে মহান আল্লাহ।

রাওয়ী বললেন: তারপর হযরত সা. তার দাড়ি বাম হাতের মুঠোয় ধরলেন এবং ডান হাতের তর্জনী আঙুল নাড়িয়ে, এই দোয়াটি তওয়াক্কুল ও ভরসার সঙ্গে পড়লেন, ও বললেন:
হে জালাল ও ইকরামের অধিকারী, হে নয়া ও উদারতার অধিকারী, হে দান ও কৃপার অধিকারী, আমার ধূসর চুলকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।
এই ‌যিকির বেশি করে পড়া:
«لا حَولَ وَ لا قُوَّةَ إلاّ بِاللّه ِ العَلِی العَظیمِ».
রজব মাস সম্পর্কে হাদিসে কুদসী:

الشَّهرُ شَهری و العَبدُ عَبدی و الرَّحمَةُ رَحمَتی فَمَن دَعانی فی هذَا الشَّهرِ أجَبتُهُ و مَن سَألَنی أعطَیتُهُ.

“মাসটি আমার মাস, বান্দাটি আমার বান্দা, এবং রহমতটি আমার রহমত। সুতরাং, যে কেউ এই মাসে আমাকে ডাক দিবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব এবং যে কেউ আমার কাছে কিছু চাইবে, আমি তাকে তা দান করব।”
রজব মাস আমার মাস, বান্দা আমার বান্দ, এবং রহমত, আমার রহমত; এই মাসে যে কেউ আমার কাছে প্রার্থনা করবে এবং যে কেউ কিছু চাইবে আমি তা দেব।
ইমাম সাদেক আ. এর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
«اذا کان یوم القیامة نادی مناد من بطنان العرش أَیْنَ الرَّجَبیُّون؟ فیقوم اناس یُضی ء وجوههم لأهل الجمع علی رؤوسهم تیجان الملک و ذکر ثوابا جزیلاً الی أن قال:,هذا لمن صام مِن رجب شیئا ولو یوما من اوّله او وسطه او آخره»
“যখন কিয়ামতের দিন হবে, তখন এক নাদী (আহ্বানকারি) আরশ ভেতর থেকে ডাক দিবে: "রজব মাস পালনকারীরা কোথায়?”
তখন কিছু লোক উঠবে, যাদের মুখ আলোকিত হবে। তাদের মাথার ওপর থাকবে রাজাদের মুকুট, এবং তাদের জন্য অনেক বড় সওয়াবের কথা স্মরণ করা হবে।
এরপর বলা হবে: ‘এটি তাদের জন্য যারা রজব মাসে রোজা রেখেছে, হয় তার প্রথম, মধ্য বা শেষ দিনের যে কোনো এক দিনে।’”

#রাজাব #ইসলামিক #কুরআন #হাদীস #দোয়া

20/12/2025

২৯ জমাদিউস সানি — হযরত উম্মে কুলসুম (সা.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী

◾️ কারবালা থেকে মদিনায় প্রত্যাবর্তনের চার মাস পর, চাবুকের আঘাত ও অসীম দুঃখ-কষ্টের ভার বহন করতে করতে হযরত উম্মে কুলসুম (সা.) ইন্তেকাল বা শাহাদাত লাভ করেন।

◼️ হযরত উম্মে কুলসুম (সা.)-এর পিতা ছিলেন আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী (আ.) এবং মাতা ছিলেন সৈয়দা সিদ্দীকা তাহেরা হযরত ফাতিমা যাহরা (সা.)।

◼️ আমিরুল মুমিনীন (আ.) তাঁর কন্যাকে আউন ইবনে জাফর ত্বাইয়ার-এর সাথে বিবাহ দেন। আউন ইবনে জাফর ব্যতীত অন্য কারো সাথে হযরত উম্মে কুলসুমের বিবাহের যে বর্ণনাগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো বিরোধীদের বানানো কাহিনি।

◼️ হৃদয়বিদারক কারবালার ঘটনায় হযরত উম্মে কুলসুম (সা.) উপস্থিত ছিলেন। ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের পর তিনি তাঁর বোন হযরত জয়নাব (সা.)-এর পাশে থেকে সকল নারী ও এতিমদের রক্ষা করেছিলেন। কারবালায় ভাইয়ের বিচ্ছেদে তাঁর রচিত কবিতা ও খুতবা প্রসিদ্ধ ও অত্যন্ত বেদনাবিধুর।

◼️ উম্মে কুলসুম (সা.)-এর মৃত্যুর সময় নিয়ে ইতিহাসে রয়েছে। কিছু সূত্র তাঁর মৃত্যু প্রায় ৫০ হিজরিতে উল্লেখ করেছে।
অন্যদিকে সৈয়দ মহসিন আমিন মনে করেছেন যে, তিনি মদিনায় ৫৪ হিজরির আগে মৃত্যুবরণ করেছেন। এবং "আলামুন নিসা" লেখক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কারবালার শামের থেকে বন্দী নারীদের সাথে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করেন ও অবশেষে, মদিনায় প্রবেশের চার মাস পর, কারবালার মুসিবতে ভরা দুঃখী হৃদয় নিয়ে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

্মে_কুলসুম #শিয়া #ইসলামিক #কারবালা

হযরত ফাতেমা (স.), প্রতিরোধের সূচনা, অব্যাহত জাগরণহযরত ফাতেমা জাহরা (স.) শুধু একটি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন; বরং তিনি শিয়া...
11/12/2025

হযরত ফাতেমা (স.), প্রতিরোধের সূচনা, অব্যাহত জাগরণ

হযরত ফাতেমা জাহরা (স.) শুধু একটি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন; বরং তিনি শিয়া সংস্কৃতিতে প্রতিরোধের সূত্রপাতের প্রতীক। তাঁর প্রতিরোধ ছিল তরবারীর মাধ্যমে নয়, বরং ছিল সত্যের উপর দাঁড়ানো, মিথ্যা থেকে সীমা নির্ধারণ এবং ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। তাঁর ফাদাকিয়ার ভাষণ একটি দলিল যা প্রমাণ করে: যখন সত্য বলি দেওয়া হয়, তখন নীরবতা পাপ এবং প্রতিরোধ ফরজ।

যে দিনগুলিতে ক্ষমতার লোভ সমাজকে নবী (সা.)-এর পথ থেকে বিচ্যুত করছিল, ফাতেমা (সা.) তখন একাই দাঁড়িয়েছিলেন এবং দেখিয়েছিলেন যে প্রতিরোধ মানে দাঁড়িয়ে পড়া, এমনকি যখন হাত বাঁধা থাকে, এমনকি যখন সত্যের কণ্ঠস্বর শোনা যায় না।
তাঁর আচরণ, বক্তব্য এবং সচেতন নিপীড়নের মাধ্যমে তিনি একটি বার্তা দিয়েছেন:
সত্যের মূল্য আছে; কিন্তু তা মালিকবিহীনও থাকে না।

আজও সেই একই যুক্তি কার্যকর।
গাজা থেকে লেবানন, ইরাক থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত প্রতিরোধ অক্ষ—যা ফাতেমা (সা.)-এর সেই শিক্ষারই ধারাবাহিকতা:
অত্যাচার, চাপাদান, অপমান ও দখলদারিতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।

ফাতেমা (সা.) দাঁড়িয়েছিলেন অধিকার হরণের বিরুদ্ধে;
প্রতিরোধ অক্ষ দাঁড়িয়েছে ভূমি, পরিচয় ও স্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে।

ফাতেমা (সা.) ভাষা ও যুক্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পক্ষে ছিলেন;
আজ প্রতিরোধ বিশ্বাস, সচেতনতা ও সামষ্টিক ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে মানুষের মর্যাদার পক্ষে।

ফাতেমা (সা.) ছিলেন একা কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি;
আজ অবরোধ ও বোমাবর্ষণের নিচে নিপীড়িত জাতিগুলো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাস্তবে, আজকের প্রতিরোধ হলো ফাতেমী শিক্ষার একটি ব্যবহারিক পুনরাবৃত্তি:
একটি শিক্ষা যা বলে:
"যখন সত্যকে পদদলিত করা হয়, তখন তোমার দায়িত্ব হলো সংগ্রাম ও দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানো; সুবিধাবাদী হওয়া নয়।"

#ইসলামিক #কুরআন #গাজা #শিয়া #লেবানন

উম্মুল বানীন (সা.) — সেই নারী যাঁর ঘর ছিল, মদিনার প্রথম হুসাইনিয়া বা ইমামবাড়ি।ফাতিমা বিনতে হিযাম কিলাবিয়া, যিনি উম্মু...
03/12/2025

উম্মুল বানীন (সা.) — সেই নারী যাঁর ঘর ছিল, মদিনার প্রথম হুসাইনিয়া বা ইমামবাড়ি।

ফাতিমা বিনতে হিযাম কিলাবিয়া, যিনি উম্মুল বানীন (সা.) নামে প্রসিদ্ধ, তিনি কোনো সাধারণ নারী ছিলেন না; বরং নিজ সময়ের সবচেয়ে সাহসী, মর্যাদাশীল, স্থিরচরিত্র এবং ব্যক্তিত্বময়ী নারী ছিলেন।

মদিনার মানুষের কাছে তিনি তাঁর, সাহস, বংশগতভাবে বিশুদ্ধ, সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবার, শিষ্টাচার এবং দৃঢ় আত্মশক্তির জন্য পরিচিত ছিলেন।

কেন আমিরুল মুমিনীন (আ.) তাঁকে নির্বাচন করেছিলেন?

ইমাম আলী (আ.) এমন একজন নারীকে চেয়েছিলেন
যিনি ভবিষ্যৎ আহলুল বায়তের প্রজন্মে সাহসের চেতনা সঞ্চার করতে পারেন,
যাঁর মর্যাদা ও বিশ্বাস্ততা নবুয়তের পরিবারের জন্য উপযুক্ত হয়। এবং যিনি আব্বাস (আ.)—বিশ্বস্ততা ও বীরত্বের প্রতীক—এর মতো সন্তান গড়ে তুলতে পারেন।

এই কারণেই আলী (আ.) অসংখ্য নারীর মধ্যে উম্মুল বানীন-আ. কেই বেছে নিলেন। যাঁর সাহস, মর্যাদা ও পবিত্রতা ছিল অনন্য।
ঘরে প্রবেশের পর তিনি সম্মান ও বিনয়ের সাথে বলেছিলেন:

“আমাকে ফাতিমা বলে ডাকবেন না… যেন যাহরার (সা.) সন্তানের হৃদয়ে কোনো কষ্ট না লাগে।”
সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি নিজেকে হাসান (আ.) হুসাইন (আ.) এবং জয়নাব (সা.)-এর সেবিকা মনে করতেন।

তিনি তাঁর চার সন্তানকে এমনভাবে লালন করেছিলেন যে, কারবালায় সকলে নিজেদের ইমামের জন্য জীবন উৎসর্গ করেন।

যখন তাঁর ছেলে হযরত আব্বাস (আ.)-এর শাহাদাতের সংবাদ তাঁকে জানানো হলো, তিনি বললেন:
“হুসাইনের খবর বলুন… আমার হৃদয় হুসাইনের জন্যই ধুকধুক করে, আমার সন্তানদের জন্য নয়।”

উম্মুল বানীন প্রথম ব্যক্তি যিনি মদিনায় শোকের পতাকা উঁচু করেছিলেন।
তাঁর ঘরই হয়ে উঠেছিল, প্রথম হুসাইনিয়া, প্রথম মাতমখানা, প্রথম কারবালার প্রতিবাদের কেন্দ্র।

ইমাম সাজ্জাদ (আ.) বলেছেন:
“উম্মুল বানীন আমাদের হকের ব্যাপারে অবগত এবং সদগুণে পূর্ণ এক নারী ছিলেন; আল্লাহ তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।”

উম্মুল বানীন কেবল আব্বাসের মা নন;
তিনি সাহসের মা, মর্যাদার মা, ওলায়তের মা এবং মদিনার জাগরণের মা।
তিনি তাঁর চার পুত্রকে উৎসর্গ করে বলেছিলেন:
“সবাই হুসাইনের জন্য উৎসর্গ করলাম।”

#কুরআন #ইসলামিক #হাদিস #কারবালা #উম্মুল_বানীন

Address

Masuma E Qom Shrine
Qom

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Be'sat e Khoon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share