Siliguri Bharat Sevashram Sangha

Siliguri Bharat Sevashram Sangha In 1917, Acharya Swami Pranavanandaji Maharaj opened the first Bharat Sevashram Ashram in Bangladesh. He shaped the life and character of young boys after

The advent of His Holiness, Acharya Srimat Swami Pranavananda ji Maharaj was in 1896, in the village Bajitpur (Bangladesh) of undivided India. 'BINOD', as was called in his childhood days, was often found to be immersed in serious thoughts that culminated into deep meditation, aimed at 'Self Emancipation' and 'Upliftment of Human Beings', through spiritual development and selfless Services. As a b

rahmachari, he spent countless hours in meditation, spiritual trances and Seva (service to people). The Acharya, as believed by millions was an incarnation of Lord Shiva. His parents were undergoing untold miseries in a remote corner of rural Bengal. As an Ardent devotees of Lord Shiva, they undertook hard penance and rigorous austerities to propitiate the Lord who in a dream, conferred upon them a great boon by incarnatiing Himself as their son. He became the disciple of Baba Gambhiranathji and eventually attained the Divine Power, which illuminated His life. Those who wounded him were also endued with the same. Gradually, many people influenced by the ideologies of the Acharya, continued to extend and hold aloft His banner "BHARAT SEVASHRAM SANGHA", (the Ashram founded in 1917) as His disciples, (irrespective of caste, colour or religion). The Sangha is dedicated for the all round well being of people indulged in raising them to the Level of Divine Standard. His Supreme Realisation was: -
--This is an era of,
Universal Awakening,
Universal Realisation,
Universal Conciliation,
Universal Emancipation.

ওঁ নমঃ শ্রীভগবতে প্রণবায় 🙏🙏🙏. 🕉️  🙏🙏🙏 ইংরাজী  ১৯২৫ সাল।একদিন রমেশবাবু আশ্রম হইতে আসিয়া আমার দোকানে বসিলেন এবং বলিলেন__...
02/05/2026

ওঁ নমঃ শ্রীভগবতে প্রণবায়
🙏🙏🙏. 🕉️ 🙏🙏🙏

ইংরাজী ১৯২৫ সাল।
একদিন রমেশবাবু আশ্রম হইতে আসিয়া আমার দোকানে বসিলেন এবং বলিলেন___" স্বামীজী মহারাজ খুলনা আশ্রমে আসিয়াছেন।"শুনিয়াই প্রবল ইচ্ছা হইল আশ্রমে যাইয়া তাঁহার সহিত দেখা করবার। সাধুসন্ন্যাসীর বিষয় শুনিলেই আমার ইচ্ছা হইত,একবার দেখা করিয়া পরীক্ষা করিয়া দেখিব কেমন সাধু।
খেয়া পার হইয়া আশ্রমে গেলাম। তখন বেলা ১১টা। দূর হইতে দেখিলাম নিমতলায় একটি চেয়ারে সাধুজী বসিয়া। জনৈক ব্রহ্মচারী আসিয়া আমাকে কাঁঠালতলার বেদীতে বসিতে বলিলেন। আমি সেখানে বসিয়া সাধুজীর প্রতি দৃষ্টিপাত করিতে লাগিলাম। কিছুক্ষণ পরে উক্ত‌ ব্রহ্মচারী আসিয়া বলিলেন,___" স্বামীজী মহারাজ আপনাকে ডাকিতেছেন।"
দূরত্ব প্রায় ৫০ গজ। আমি উঠিয়া অগ্রসর হইলাম। মনে মনে ভাবিলাম__" আমি ব্রাহ্মন; সন্ধ্যাহ্নিক ও গীতা পাঠ করিয়া থাকি। আমি বহু লোকের গুরু-পুরোহিত। বহু লোকে আমাকে প্রণাম করে। আমি কেন একজন সাধুকে প্রণাম করিব ?আমিও ধ্যান-জপ করি।" মনে বেশ একটু অহঙ্কার ছিল।
অগ্রসর হইয়া নিকটস্হ হইলে সাধুর তেজঃপ্রভায় আমি যেন আত্মসম্বিৎ হারাইয়া ফেলিলাম। কোথায় রহিল আমার আভিজাত্যের অহঙ্কার। আমি শ্রীচরণে লুটাইয়া পড়িলাম। আমি মাথা না তুলিতেই তিনি বলিলেন___" ও জন্য চিন্তা কি ? অল্প দিনেই ঠিক হইয়া যাইবে। স্ত্রীলোকের মন।" তখন পর্য্যন্ত আমি কোন কথাই বলি নাই। আমার মনের বহু দিনের একটি সমস্যা তিনি সমাধান করিয়া দিলেন।
আমি বিস্ময়,শ্রদ্ধা ও ভক্তিতে অবাক্ হইয়া গেলাম। তিনি আমার নাম,ধাম ও কার্য্যাদি জিজ্ঞাসা করিলেন। আমি যথাযথ উত্তর দিলাম। তিনি মাঝে মাঝে আশ্রমে আসিতে বলিলেন। আমি পুনরায় প্রণাম করিয়া তাঁহার অনুমতিক্রমে চলিয়া গেলাম।
( অযাচিত কৃপালাভ )
[ শ্রীসুরেন্দ্র নাথ চট্টোপাধ্যায় )🌹🌷🌷💐💐🌷ওঁ নমঃ শ্রীভগবতে প্রণবায়
🙏🙏🙏. 🕉️ 🙏🙏🙏

রিপুসূদন- মঙ্গল- নায়ক-  হে,সুখ-শান্তি-বরাভয়-দায়ক হে।ত্রয়তাপ  হরে তব নাম গুণে,গুরুদেব দয়াকর দীন  জনে।।**************...
02/05/2026

রিপুসূদন- মঙ্গল- নায়ক- হে,
সুখ-শান্তি-বরাভয়-দায়ক হে।
ত্রয়তাপ হরে তব নাম গুণে,
গুরুদেব দয়াকর দীন জনে।।
*******************************************
মহাযোগী আচার্য প্রণবানন্দ।
(সম্পাদক )
ভারত সেবাশ্রম সংঘের মাসিক পত্রিকা "প্রণব" হইতে সংগৃহীত।
পূর্বাংশের পর---
চেষ্টা সত্ত্বেও যদি সাধকের জীবনে সাময়িক ত্রুটি বা বিচ্যুতি ঘটে ,তখন উপায় কি? উহার কি কোন প্রায়শ্চিত্ত নাই? আচার্যদেব অভয় দিয়া বলিলেন--- আছে, নাম জপই উহার উপযুক্ত মহৌষধি। তাঁহার ভাষায় কখনো কোন অচিন্তা কুচিন্তা বা সঙ্ঘের ভাব ও আদর্শ বিরোধী কার্য করিয়া ফেলিলে, বা চিন্তা ভাবনা আসিলে ধ্যান,জপ, প্রার্থনা, অনশন ও অনিদ্রা দ্বারা তাহার প্রায়শ্চিত করিবে।"🌷💐💐💐
সাধককে অনেক সময় নানা ঘাত -প্রতিঘাতের সম্মুখীন হইতে হয় এবং নানা অবস্থা বৈচিত্রের মধ্যে পড়িয়া হাবুডুবু খাইতে হয়। এই অবস্থায় কখনো কখনো সাধকের অধ্যাত্ম জীবন রক্ষা পর্যন্ত সংশয়াপন্ন হইয়া ওঠে। ইহা সাধকের পক্ষে বড় দুঃসময় ।এই অবস্থায় কর্তব্য কি? আচার্য্যদেব উপদেশ দিলেন--" যখনই চিত্ত বিশেষ উদ্বেগপূর্ণ হয়, তখনই অন্ততঃ তিন ঘন্টা গুরুপ্রদত্ত মন্ত্র জপ করিতে হয়। এই রূপ করিলে উদ্বেগ কমিয়া চিত্তের প্রফুল্লতা ও মনের প্রসন্নতা আসিবে এবং অশান্ত মন শান্ত হইবে। যখন চিত্ত একেবারেই অশান্ত হইয়া পড়ে, উদ্বেগে একেবারে অস্থির করিয়া তোলে, তখন অনবরত প্রতিনিয়ত নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে গুরুপ্রদত্ত নাম জপ করিতে হয়। এই রূপ দুঃসময়ে একটি পলকও নাম ছাড়িয়া চলিতে নাই। নাম জপ না করিয়া চলিলে, এই সময় জীবন বিপন্ন হইবার পড়িবার সম্ভাবনা ঘটে ।"জীবনের সর্বাপেক্ষা অশুভ মুহূর্তেও জপ-ধ্যানই পরম বান্ধব, ইহাই তিনি বুঝাইলেন।ক্রমশঃ
ভক্ত বৎসল করুণাবৎসল ভক্তাবীন ভগবান জগতগুরুর রাজীব শ্রীচরণ কমল পদ্মে জানাই অনন্ত কোটি ভক্তিপূর্ণ প্রণাম। 🦚🌹🌷💐

"ত্যাগের মন্ত্রে দীক্ষিত যারা মানুষ তারা তো নয় মানুষের বেসে দিয়ে যায় তারা দেবতার পরিচয়"খরা হোক, বন্যা হোক কিংবা মহাম...
02/05/2026

"ত্যাগের মন্ত্রে দীক্ষিত যারা মানুষ তারা তো নয় মানুষের বেসে দিয়ে যায় তারা দেবতার পরিচয়"

খরা হোক, বন্যা হোক কিংবা মহামারীর কঠিন সময়—অসহায়, নিপীড়িত ও দুস্থ মানুষের পাশে যারা নিরলসভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন, তারা হলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মহান সন্ন্যাসীরা। মানবসেবাকেই ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে তারা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন।
শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের সেই অমর বাণী— “আমার সঙ্ঘ হবে দ্বিতীয় বুদ্ধের সঙ্ঘ”—আজ বাস্তবের রূপ ধারণ করেছে। “সংঘে শরণং গচ্ছামি, আচার্য শরণং গচ্ছামি”—এই মহামন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে সন্ন্যাসীরা জীবকে শিব জ্ঞানে সেবা করে চলেছেন নিরন্তর।
পূজনীয় স্বামীজীর নেতৃত্বে, যেকোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা দুর্যোগে পূজনীয় স্বামীজি মহারাজরা সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়েন মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে। তাদের এই ত্যাগ, সেবা ও নিষ্ঠা আজকের সমাজের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সেবার মাধ্যমে পূজনীয় স্বামীজিরা গড়ে তুলতে চান এক উন্নত, নৈতিক ও সহমর্মিতাপূর্ণ সমাজ—যেখানে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে, গড়ে উঠবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।
এই পবিত্র মহা বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভ লগ্নে সকলকে আমি কি মহারাজ ও ভক্তবৃন্দকে জানাই আন্তরিক ভাবে জয়গুরু, প্রণাম ও ভালোবাসা। সবার জীবনে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের আশীর্বাদ বর্ষিতহোক। 🦚🦚🦚🍁🍁🌷🌷🌷

Om HARO GURU SHANKARO SHIVO SHAMBHU 🌹🌹🌹🌹
02/05/2026

Om HARO GURU SHANKARO SHIVO SHAMBHU 🌹🌹🌹🌹

30/04/2026
🙏গুরুবে নমঃ 🙏       ওঁ নমঃ শ্রী ভগবতে প্রনবায়।                    ‌🌸&🌷&🌸"সঙ্ঘের বাণীই আমার মহামন্ত্র ;সঙ্ঘের কর্মই আমার...
30/04/2026

🙏গুরুবে নমঃ 🙏
ওঁ নমঃ শ্রী ভগবতে প্রনবায়।
‌🌸&🌷&🌸
"সঙ্ঘের বাণীই আমার মহামন্ত্র ;সঙ্ঘের কর্মই আমার আরাধনা ;সঙ্ঘের চিন্তাই আমার ধ্যান, সঙ্ঘের হিতসাধনে তন্ময়তাই ---আমার মহাসমাধি |"
------- "শ্রী শ্রী প্রণবানন্দ উপদেশ "
🦚🍁🌾🌾🍁🍁

আগামীকাল শুক্রবার বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভ দিন উপলক্ষে  শিলিগুড়ি ভারত সেবাশ্রম সংঘের দীক্ষা প্রদান করা হবে। জয়গুরু 🙏🍁🍁🌹🌷
30/04/2026

আগামীকাল শুক্রবার বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভ দিন উপলক্ষে শিলিগুড়ি ভারত সেবাশ্রম সংঘের দীক্ষা প্রদান করা হবে। জয়গুরু 🙏🍁🍁🌹🌷

১৯৪০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রাণারাম ঠাকুর জলপাইগুড়িতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে উত্তরবঙ্গ সফর অসমাপ্ত রেখে কলকাতায় ফিরে যান। ডঃ ব...
30/04/2026

১৯৪০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রাণারাম ঠাকুর জলপাইগুড়িতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে উত্তরবঙ্গ সফর অসমাপ্ত রেখে কলকাতায় ফিরে যান। ডঃ বিধানচন্দ্র রায়, ডঃ নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত ওনার চিকিৎসা করছেন। কিন্তু অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাওয়ায় ডঃ বিধানচন্দ্র রায় বিশেষ মতামত নেওয়ার জন্য নিজ দায়িত্বে ডঃ ললিত ব্যানার্জীকে নিয়ে এসেছিলেন। বিধান রায় এত বড় মাপের ডাক্তার, কংগ্রেসের অত বড় নেতা তদুপরি ভবিষ্যত কালের পশ্চিমবঙ্গের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী! তাঁর ব্যক্তিত্বই ছিল অন্যরকম।

তিনি প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুকে পর্যন্ত 'তুমি'বলে কথা বলতেন। সেইসময় ললিত ব্যানার্জীও খুব দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডাক্তার ছিলেন। গুণের সম্মানে ও গাম্ভীর্যের জন্য ডঃ বিধানচন্দ্র রায় ললিতবাবুকে 'আপনি' বলে কথা বলতেন।

শ্রী শ্রী গুরুমহারাজের চিকিৎসার দ্বিতীয় মতামত নেওয়ার জন্য ডঃ বিধানচন্দ্র রায় ললিতবাবুর কথা চিন্তা করেন এবং বালিগঞ্জ আশ্রমে নিয়ে আসবার জন্য যোগাযোগ করেন। যেদিন তিনি ডঃ ললিত ব্যানার্জীকে নিয়ে আসবেন তার আগে তিনি শ্রীমৎ বড় স্বামীজী, শ্রীমৎ যোগানন্দ স্বামীজীকে বললেন-"উনি তো এই পরিমাণ টাকা পারিশ্রমিক নেন। আপনারা একটা খামে করে আমায় দেবেন আমি দিয়ে দেব।🌷🌷🌷

"ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় আগে এসে গিয়েছিলেন, এবার ডাঃ ললিত ব্যানার্জী এসে শ্রী শ্রী গুরুমহারাজকে দেখলেন, দেখা হয়ে গেলে যা মন্তব্য করার, যা ব্যবস্থা করার তা করে তিনি সিঁড়ি দিয়ে নামছেন। বিধান রায় এবং সে স্বামীজিরা তাঁকে এগিয়ে দেবার জন্য সাথে সাথে যাচ্ছেন। কথা হতে হতে বিধানবাবু টাকার খামটা তাঁর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন-স্যার স্বামীজিরা আপনাকে কিছু দিতে চান। ললিতবাবু বিধান রায়ের দিকে ঘাড়টা ঘুরিয়ে তাকিয়ে বললেন-আপনারা কিছু নিচ্ছেন নাকি?🌷🌷🌷💐💐

ডঃ বিধান চন্দ্র রায় বললেন-'আমরা নিই কেমন করে।'আমরা ওনার প্রতিবেশী।

তখন ললিতবাবু বললেন-"আমিও ওনাদের প্রতিবেশী। যখন ডাকবে, তখুনি আসব।"

এই বলে গাড়ীতে উঠে চলে গেলেন। ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন।🌷🌷💐💐🌹🌹🌹

 #পাথেয়"জীবনের শেষ মুহূর্ত্ত পর্য্যন্ত বিশ্রাম চাহিও না। এক একটি দায়িত্ব, কর্ত্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আর একটি গ্র...
30/04/2026

#পাথেয়
"জীবনের শেষ মুহূর্ত্ত পর্য্যন্ত বিশ্রাম চাহিও না। এক একটি দায়িত্ব, কর্ত্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আর একটি গ্রহণ করিবার জন্য প্রস্তুত হও।
শ্রীশ্রীসঙ্ঘনেতার মহাবাণী _ #কার্য্য_হইতে_কার্য্যান্তর_গ্রহণই_প্রকৃত_বিশ্রাম __
সর্ব্বদা হৃদয়পটে স্বর্ণাক্ষরে অঙ্কিত করিয়া রাখ।"
🌺স্বামী আত্মানন্দ
⚜️ওঁ নমঃ শ্রীভগবতে প্রণবায়।⚜️
প্রভাতী প্রণাম জানাইতোমায়।
🙏🏻🌹🙏🏻🌹🙏🏻🌹🙏🏻🌹🙏🏻🌹🙏🏻

Big shout out to my newest top fans! 💎 Gour Chakrabarty, Manika Chakraborty, Rajkumarie SinghDrop a comment to welcome t...
30/04/2026

Big shout out to my newest top fans! 💎 Gour Chakrabarty, Manika Chakraborty, Rajkumarie Singh

Drop a comment to welcome them to our community,

Address

Siliguri
734001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Siliguri Bharat Sevashram Sangha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Siliguri Bharat Sevashram Sangha:

Share