Sri Sri Seva Kunja,Kopa,Birbhum

Sri Sri Seva Kunja,Kopa,Birbhum Sri Sri Radha Madhav Jagadbandhu Nitai Gouranga Joyotu. "HaripurushJagadbandhu Mahauddharan
Charihasto Chandraputra HaKitpatan
PravuPravuHeAnantanantomoi"

19/08/2020
শ্রী শ্রী সেবা কুণ্জ্ঞের পক্ষ হ‌ইতে নববর্ষ ১৪২৭ এর প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানায় 🙏
14/04/2020

শ্রী শ্রী সেবা কুণ্জ্ঞের পক্ষ হ‌ইতে নববর্ষ ১৪২৭ এর প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানায় 🙏

 #শ্রীশ্রীমহানাম_মহাকীর্তনের_ব্যাখা-         ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারীহরিপুরুষ জগদ্বন্ধু মহাউদ্ধারণ।চারিহস্ত চন্দ্রপুত্র ...
13/06/2019

#শ্রীশ্রীমহানাম_মহাকীর্তনের_ব্যাখা-
ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারী

হরিপুরুষ জগদ্বন্ধু মহাউদ্ধারণ।
চারিহস্ত চন্দ্রপুত্র হা কীটপতন।।
(প্রভু প্রভু প্রভু হে) (অনন্তানন্তময়)

#হরি-হরণকারী
হরি শব্দের বহু অর্থ দুই মুখ্যতম।
সর্ব মঙ্গল হরে প্রেম দিয়া হরে মন।।
হরি নিত্য সত্য। এতকাল ছিলেন নাম রূপে। সেই নামের নামী জগদ্বন্ধু হরি রূপে প্রকট।
তিনি সর্ব অমঙ্গলহারী, প্রেম দিয়া মন-হরণকারী হরি শব্দ বাচ্য যে পুরুষ তিনি হরিপুরুষ।
হরি পুরুষের প্রকাশ নাম জগদ্বন্ধু। শ্রীকৃষ্ণও হরি। শ্রীগৌরসুন্দরও হরি।

#পুরুষ-যিনি পুরীতে শয়ান
সকল জীবের হৃদয় পুরীতে যিনি নিত্যকাল বিরাজিত হরিই একমাত্র পুরুষ, প্রাণদয়িত-জীব মাত্রই প্রকৃতি। গীতা জীবকে পরা-প্রকৃতি বলিয়াছেন।

#জগদ্বন্ধু
জগতের সকলের বন্ধু। যিনি নিখিল জগজ্জীবকে প্রীতির সূত্রে বন্ধন করেন তিনি জগদ্বন্ধু। “তোমরা আমার, আমি তোমাদের সকলের”।

#মহাউদ্ধারণ
পৃথিবীতে আছে যত নগরাদি গ্রাম,
সর্বত্র প্রচারিত হবে মোর নাম।।
মহাপ্রভুর এই বাণী যে দিন বাস্তবায়িত হইবে সেই দিন মহাউদ্ধারণ। এই উদ্দেশ্য বন্ধুসুন্দরের আবির্ভাব।

#চারিহস্ত
মানুষ সাড়ে তিন হাত। শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দর ছিলেন চারিহস্ত। “দৈর্ঘ্য বিস্তারে তিঁহু আপনার হাত। চারিহস্ত হয় মহাপুরুষ বিখ্যাত”। প্রভু জগদ্বন্ধুসুন্দরও ছিলেন চারিহস্ত পুরুষ। ইহা তাহার ভগবত্তার লক্ষণ, গৌরাভিন্নত্বের লক্ষণ।

#চন্দ্রপুত্র
শ্রীভগবানের জন্মকর্ম দিব্য। জীবের মত নহে। শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন অযোনিসম্ভব-ভাগবতে শ্রীধর-টীকায়- ‘জীবানামিব ন তস্য ধাতুসম্বন্ধ:’ শ্রীগৌরসুন্দরও ছিলেন অযোনিসম্ভব। জগদ্বন্ধুসুন্দরও তাই। ইহাদের আবির্ভাব চন্দ্রশক্তি বা আনন্দ শক্তি অবলম্বনে। তাই এই অবতারিগণ চন্দ্রপুত্র।

#হা_কীটপতন
কীট অর্থ হরিবিমুখ বিষয়বদ্ধ জীব। তাহাদের পাপিত্য অর্থাৎ হরি-বিমুখীনতা দেখিয়া জীবদুঃখ-কাতর শ্রীশ্রীপ্রভুর হাহাকার। শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দর জীবের জন্য কাঁদিয়াছেন-"উচ্চৈঃস্বরে কাঁদে প্রভু জীবের লাগিয়া।" শ্রীশ্রীবন্ধুসুন্দরের দিকে তাকাইলে সেই গৌরের কাঁদা বদনই দেখি। তাই তিনি হা কীটপতন। কীটের পতন হেতু হাহাকারকারী।

#প্রভু_প্রভু_প্রভু_হে
সকল প্রভুগণ যাকে প্রভু বলেন তিনি তাহাদেরও প্রভু-মহাপ্রভু গৌরাঙ্গসুন্দর। তিনি বন্ধুসুন্দর হইতে অভিন্ন।

#অনন্তানন্তময়
তাঁহার ঐশ্বর্য অনন্ত। মাধুর্যও অনন্ত। তাই অনন্ত রাখিল নাম অন্ত না পাইয়া। নিখিল ঐশ্বর্য-মাধুর্যের ঘনীভূত বিগ্রহ।।।।

 ীতানবমীর_বিশেষ_পোষ্ট_মহানাম_সৈনিকের .........❣️..প্রভুর বাণী ও সংক্ষিপ্ত জীবনী..❣️🍃----প্রভু জগদ্বন্ধুর ভবিষ‍্যৎবাণী---...
13/05/2019

ীতানবমীর_বিশেষ_পোষ্ট_মহানাম_সৈনিকের .........

❣️..প্রভুর বাণী ও সংক্ষিপ্ত জীবনী..❣️
🍃----প্রভু জগদ্বন্ধুর ভবিষ‍্যৎবাণী----🍃

ানবজীবনে_প্রভু_জগদ্বন্ধুর_প্রভাব-------
👉 সম্প্রতি এত ভূমিকম্প, সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, পাহাড়ে মেঘভাঙা বৃষ্টি, বন্যা , ও বিশ্ব-উষ্ণয়ন সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন আমরা‌। এর মধ্যে গত এক শতাব্দীতে ঘটে গেল দু'-দু'টি বিশ্বযুদ্ধ সহ মানবকৃত অজস্র যুদ্ধ-হিংসা।
👉____কিন্তু কেন এত সৃষ্টিনাশকারী প্রলয়ঙ্কর তাণ্ডব??
👉@@এর উত্তর উত্তর খুঁজতে আমরা এবার এমন একজনের দিকে দৃষ্টিপাত করব তিনি ছিলেন প্রায় নিরবে প্রচ্ছন্নে প্রচারের অন্তরালে,, তিনি হলেন শ্রীশ্রী মহাবতারী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দর, তাঁর শুভ আর্বিভাব কাল ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে ২৮ এপ্রিল (১৬ বৈশাখ ১২৭৮ বঙ্গাব্দ ) । অযোনীসম্ভব ভৃগুপদচিহ্ণধারী প্রভুর দিব্য আর্বিভাব মূর্শিদাবাদ জেলার ডাহাপাড়া গ্ৰামে, গঙ্গাতীরে পিতা দীননাথ ন্যায়রত্ন ও মাতা বামাদেবীর গৃহে। তাঁর প্রধান লীলাস্থলী ফরিদপুর-ব্রাহ্মণকান্দা-বাকচর-শ্রীধাম শ্রীঅঙ্গনে। এছাড়াও তিনি কলকাতা,ঢাকা, নবদ্বীপ, বৃন্দাবন,রাঁচি,পাবনা প্রভৃতি স্থানে গমনাগমন করেছেন। মহাপ্রভু তাঁর মাথা শচীদেবীকে ও ভক্তগণকে সন্ন্যাসের পূর্বে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন শীঘ্রই তিনি আবার দু'-বার আসবেন এবং তাঁদের সঙ্গে লীলা করবেন। তাঁকে চিনে নেবার লক্ষণ তিনি বলেন গিয়েছিলেন,---'কীর্তনানন্দ রূপ হইবে আমার।'
🌼হরিনামের মূর্ত-বিগ্ৰহ প্রভু সত্যিই ছিলেন কীর্তন-জীবন। তিনি ছিলেন ব্রহ্মচর্য, ত্যাগ ও তপস্যার পরাকাষ্ঠা। প্রভুর লীলাজীবন তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়।
্রথম ----
ারুণ্যমৃতলীলা-- প্রথম উনিশ বছর অর্থ্যাৎ তাঁর বহুল প্রচারিত অর্গলবদ্ধ বাহু শুভ্রবস্ত্রাবৃত পদ্মাসনস্থিত আলোকচিত্রটি প্রকাশ করা পর্যন্ত।।
্বিতীয়----
ারুণ্যমৃতলীলা---দ্বিতীয় পর্যায় ত্রিশ বছর বয়স পর্যন্ত অর্থাৎ গম্ভীরায় প্রবেশের আগে পর্যন্ত।।
ৃতীয়----
াধুর্য্যমৃতলীলা----এই সময় তিনি তাঁর মূখ্য পতিতপাবনী লীলা গুলি সংগঠন করেন এবং অবশিষ্ট বৎসর গুলি তিনি অসূর্যস্পর্শ্য ভাবে পর্ণকুটির গম্ভীরায় ষোলো বৎসর আট মাস ব্রজলীলা ও গৌরলীলার আস্বাদনে স্বানুভাবানন্দে নিমজ্জিত থাকেন। যখন তিনি বহিরাঙ্গনে পদাপর্ণ করেন তখন তিনি এনলার্জ করা একটি পাঁচ বছরের শিশুসুলভ মাধুর্যময় অবস্থায়।।
🌻শ্রীকৃষ্ণ বা শ্রীমন্মহাপ্রভু কোন লিখিত কিছু নিদর্শন রেখে যাননি। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্য, প্রেমাবতারী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দর বেশ কিছু রচনা আমাদের জন্য উপহার দিয়ে গেছেন, সেগুলি গ্ৰন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে, যথা--শ্রীশ্রী হরিকথা, সংকীর্তন পদাবলী, সংকীর্তন পদামৃত, চন্দ্রপাত ও উদ্ধারণ। এছাড়াও আছে সূত্রাকারে লিখিত "ত্রিকালগ্ৰন্থ" নামক একটি রহস্যাবৃত গদ্যগ্ৰন্থ। এছাড়াও তিনি তাঁর বহু চিঠিপত্র ও বাণী রেখে গেছেন। 'হরিকথা' গ্ৰন্থে তিনি বহু স্থানে ভাবীকে প্রলয়কালের কথা লিখে রেখে গেছেন, যেমন-- 'মহাপ্রলয় এল' , 'কলিসংখ্যা পূর্ণবটে' , 'কালাম্বু গর্জন' , 'আর্থকুইক' , 'ভাত ভয়, চৌর ভয়, অগ্নিময়, প্রহার ভয়, রাজভয়, দারিদ্রভয় ' ইত্যাদি। প্রভু জগদ্বন্ধুসুন্দরের পরম্পরার মহানাম সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য হলেন শ্রীপাদ মহেন্দ্রজি।।
🌿🌼তাঁরই কৃপাধন্য হাতে গড়া স্নেহের দুলাল ভাগবত-গঙ্গোত্তরী ড‍.মহানামব্রত ব্রহ্মচারী তিনি স্বামীজীর পর ১৯৩৩-এ চিকাগো ২৮তম বিশ্বধর্ম সভায় যোগদান করেছিলেন, তিনি এই প্রসঙ্গে-' শ্রী শ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের প্রেমের বাণী' পুস্তিকায় বলেছেন-----
শাস্ত্র নির্দেশিত মতে কলিযুগের আয়ু এখনও বহু সহস্র বর্ষ রইয়াছে,কিন্ত শ্রীশ্রীপ্রভু বলিতেছেন যে,শাস্ত্রাতীত অবতারী শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ সুন্দরের শুভ আবির্ভাবে, তাহার পাদস্পর্শে, তাঁহার পার্ষদবর্গের সংকীর্ত্তন ধ্বনিতে কলির আয়ু বাল্যই শেষ হইয়া গিয়াছে। অকালে অপ্রত্যাশিত ভাবেই যুগসন্ধিক্ষণ আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে। মহাপ্রলয় বা মহাধ্বংস যুগসন্ধিক্ষনেরই একটি দুলক্ষণ। প্রলয়কাল একেবারেই নিকটে আসিয়াছে দেখিয়া বলিয়াছেন----“ঐঐ প্রলয় হয়”।প্রলয়ের তান্ডব নৃত্য দেখিয়া ভীত হইয়াছেন,তাই যেন জিহ্বার আড়ষ্টতা আসিয়াছে। ভীত জড়িত কন্ঠে বলিতেছেন, তাই যেন জিহ্বার আড়ষ্টতা আসিয়াছে। ভীত-জড়িত কণ্ঠে বলিতেছেন---- “ভ-ভ-ভয় কয়।”
👉কলিযুগের কালের সমুদ্রে প্রলয়ঙ্কর তরঙ্গ দৃষ্ট হইতেছে, তাই বলিতেছেন-- 'কালতরঙ্গ রঙ্গ'।
👉 সংসার গ্রাস করিবার জন্য কাল জলে গর্জন উঠিয়াছে। এইসব ঘটনা সূক্ষরাজ্য ঘটিয়েছে। স্থুলেও তাহার নানাবিধ প্রকাশ দৃষ্ট হইতেছে। তন্মেধ্য ঘন ঘন earthquake(ভুমিকম্প),স্থানে স্থানে ভাতভয়,অন্নাভাব,অন্নকষ্ট,দুর্ভিক্ষ দেখা যাইতেছে।চৌরভয়,অগ্নিভয়,প্রহারভয়,দরিদ্রভয় এবং রাজভয় উপস্থিত হইয়াছে। দরিদ্যতায় রাজ্য উচ্ছন্নে যাইতেছে, অথচ রাজশক্তি যথেচ্ছাচারী হইয়া প্রজার উপর অত্যাচার চালাইতেছে। বহির্জগতে আন্তর্জগতে উভত্রয়ই প্রলয় লাগিয়াছে। মানুষের পুরাতন ভাবধারা জীবনাদর্শ চিন্তাপ্রণালী সবই প্রলায়ঘাতে চূর্ণ –বির্চূর্ণ হইয়া যাইতেছে। শাশ্বতসত্য উপেক্ষিত,অবহেলিত হইতেছে। ফলে মানব সভ্যতা চরম অকল্যানের দিকে যাইতেছে, ইহাই মহাপ্রলয় বার্তা।।
👉এই মহাধ্বংসের কবল হইতে জীব-জগতকে রক্ষা করিবার জন্য প্রভু বন্ধুর আবির্ভাব। মহাপ্রলয়ের আঘাত তিনি নিজ অঙ্গে গ্রহন করিয়া –“মহামৃত্যু”দশাগ্রহন করিয়াছেন।মূখ্য আঘাত তিনি লইয়াছেন।তবুও অপেক্ষাকৃত ছোট্ট আঘাত সহস্র প্রকারে আসিতেছে। তাহা হইতে রক্ষা পাইতে হইলে এবং মহাপ্রলয়াঘাতগ্রস্থ বন্ধুসুন্দরকে রক্ষা করিতে হইলে তাহার যে পন্থা তাহা নির্দেশ করিতেছেন-“রক্ষা হরিনাম” বানীতে।
👉 হরিনামে সৃষ্টি রক্ষা পাইবে। মানবের জাগতিক কল্যাণও হরিনামে হইবে। পূর্ব পুর্ব যুগে যজ্ঞাদির শুভকার্য্যের ফলে যথাকালে বৃষ্টি হইতও শস্যাদি জন্মিত।এইকালে একমাত্র হরিনামই মহামন্ত্র ;এই যজ্ঞ হইতেই শস্য বর্দ্ধন,ফল বর্দ্ধন,ধান্য বর্দ্ধন হইবে। কীর্ত্তনের ফলে অন্তঃরাজ্যের অন্ধকার দুর হইবে, বহির্জগতের অভাবও ঘুচিবে। তাই লিখিয়াছেন--- "সংকীর্ত্তন-তমঃ বিনাশ" "করতালে শস্য বর্দ্ধন" "চতুর্দ্দশ মর্দ্দলনে ফল বর্দ্ধন" "নগর কীর্ত্তনে ধান্য বর্দ্ধন" ইত্যাদি।।
👉প্রভু জগদ্বন্ধু যে সকল ভবিষ‍্যতবাণী করে গেছেন তার মধ‍্যে অনেকগুলি হত‍্য হয়েছে;-- বঙ্গের অঙ্গচ্ছেদ হবে, বঙ্গ ডবল গর্ভনর হবে, হাইকোর্ট বাঙালির হবে, দিল্লিতে রাজধানী উঠে যাবে, টুপিওয়ালারা টুপি খুলে সেলাম দিয়ে চলে যাবে, ভারত স্বাধীন হবে ইত‍্যাদি।।
🌿🌼.👉 প্রভু যে গেছেন 'কালাম্বু গর্জন' বা 'কালো জল নাশ বটে' এটিকে আমেরিকা-ইরাক যুদ্ধের সময় সমুদ্রের জলে তেল মিশে যাওযায় জল কালো হয়ে যাওয়া ও বহু সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত‍্যুর ঘটনা মনে করিয়ে দেয় নাকি??
----প্রভু বলেছেন, "দেখবি পৃথিবীর সমস্ত লোক এক সময়ে আমাকে দেখবে। দেখ, সময়ে এমন সব লোক আমার কাছে আসবে, তোরা দেখেও অবাক হয়ে যাবি। তাদের হরিনামে ভক্তি-বিশ্বাস অটুট থাকবে। তাদের হরিনামে বাধা দেয়, এমন লোক নাই। তারা ভুবন মঙ্গল হরিনামের জন্য জীবন উৎসর্গ করবে, দিনরাত পরিনামে মেতে থাকবে।.....লক্ষ লক্ষ লোক আমায় ঘিরে থাকবে, হরিনাম প্রেমে ধরা টলমল করবে।'
"এবার সকলকেই হরিনাম আস্বাদন করাইব তবে আমার নাম জগদ্বন্ধু।"
এবার মানুষ তো মানুষ,পশু-পক্ষী-বৃক্ষলতা -কীটপতঙ্গ- এমনকি অনুপরমানুদিগকে পর্যন্ত আমার স্বরূপ আস্বাদন করাইব, তবেই আমার নাম জগদ্বন্ধু।।"
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী যেভাবে সনাতন ধর্মের বিজয়রথ ধাবমান এবং সারা পৃথিবীর লোক যেভাবে আধ্যাত্মিক বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ভারত অভিমুখে তাতে প্রভুর উপরিলিখিত বাণীর ই সত্যতা পরিলক্ষিত হয়।।
ক্রান্তদর্শী কবি অতুলপ্রসাদ সেন এর উক্তি---" ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে"। এই কথার প্রতিধ্বনি পায় প্রভুর অন্যবাণীতে --- 'প্রকৃতির অনুকূলে আমার কাজ হয়ে যাবে। আমি এক এক গাঁয়ে একটি - (মহাদেশ) ঠিক করে দেবো। গোহত্যা নিবারণ হবে, মদ্যপান উঠে যাবে। চারটি মহাদেশে সমানভাবে ধর্মসংস্থাপন করব। আমার লীলা সহস্র বছর চলবে।'
ইউরোপবাসীরা চার্চ এ আমার কথা বলে। আমার অনন্ত শক্তি। আকাশে বাতাসে ইথারের উপরেও আমার প্রকাশ ও শক্তি। আমি অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডের Ambrosia (অমৃত) সুতরাং Universal (মহাবিশ্ব).আমি sweeper (ঝাড়ুদার)- এর মতো ঝাড়ু দিয়ে Purify (পবিত্র) করতে এসেছি।
'আমি শক্তির ও শক্তি। আমাকে তোরা কি প্রকাশ করবি? আমার সূর্যের ন‍্যায় স্বপ্রকাশ। যখন সময় হবে তখনি পকাশ হবো।'
বর্তমান বিশ্বকূটনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং সনাতন ভারতের শাশ্বত মূল্যবোধ ও শ্রদ্ধার মানবিন্দুগুলির প্রতি যে আস্থা ফিরে আশার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তার আশাব্যঞ্জক। প্রভু জগদ্বন্ধুর ভবিষ্যত বাণীগুলোর সারমর্ম , আগামী দিনগুলি যে সনাতন হিন্দুধর্মের সেই জয়জয়কারি ধ্বনিত করে। প্রভু ঢাকা ও কলকাতা নগরীর উদ্দেশ্য আশাব্যঞ্জক বাণী বলেছেন, যেমন---ঢাকা হরিনামের রাজধানী হবে । এবং কোলকাতা বিশ্বের এক মহৎ শহরে পরিণত হবে। বাঙালি জাতিকেও উচ্ছ্বাসিত প্রশংসা করে বলেছেন__ 'বাঙালি জাতিকে বিগ্ৰহ কহে।'
আজ সনাতন ধর্ম এক বিন্দু রক্তক্ষরণ না ঘটিয়ে বিশ্ববিজয়ী, পৃথিবীর সকল ধর্মের মানুষের কাছেই আজ ভারত পরম শান্তির আশ্রয়স্থল। শ্রী অরবিন্দের ভাষায় স্বয়ং জগদীশ্বর শ্রীকৃষ্ণ এই ভারত ভূমিকে রক্ষা করেছেন। আর আমরা প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের শেষ আশার বাণীতে বুকে বল বেঁধে আছি---- 'তোরা আর কিছু পারিস আর না পারিস টুকটাক করে ব্রহ্মচর্য আর হরিনাম করে যা'। "তোরা আমায় স্মরণ করিস আর না-ই করিস, আমি তোদিগকে নিত্য চিরকাল স্মরণ করবো। স্মরণ ক'রে রক্ষা করবো । "মনে রাখিস, অামি তোদের হস্ত, পদ,মন,প্রাণ সব। তোমরা আমার, আমি তোদের সকলের।"
মহাবতারী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দর
বাংলার ১৩২৮ সনে ১লা আশ্বিন পুর্ণিমা তিথিতে আজ মহাদশা গ্রহণ করেন।
👉মহাদশায় আশ্রয় করে প্রভু মহাকায় ধুলায় লুটাছে। মহানাম প্রভু একমাত্র সুধা। চন্দ্রপাত গ্ৰন্থে লিখেছেন-----
" হরি হরি হরি কও, মহানাম মহানাম"।
প্রভুকে ঘিরে নামের রোল উঠেছে। চন্দ্রপাত গ্ৰন্থে লিখা মহানাম মহাকীর্ত্তন প্রভু পতন ইতি গান সার্থক হয়েছে। প্রভু আসবে বলে আশা ছিল।তুমুল কীর্তন চলেছিল।
👉প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দর নিজবদনে নিজ পার্ষদ নবদ্বীপদাসজীকে বলছিলেন, "তোদের শ্রীমতীর দশমদশা, শ্রীমন মহাপ্রভুর দ্বাদশ দশা হয়েছিল। এবার ত্রয়োদশ দশা দেখতে পাবি। এবার তোরা ঐশ্বর্য্য গন্ধহীন শুদ্ধ মাধুর্য্য,বালকত্ব ও পূর্ণ তন্ময়ত্ব এই তিনটি লক্ষণ বেশী দেখবি।"
প্রভু জগদ্বন্ধুসুন্দরের একান্ত পার্ষদ মহানাম সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং #মহানামব্রতজীর শ্রীগুরুদেব #মহেন্দ্রজী ভাবনেত্রে এই বিষয়ে বলেছিলেন,--
"" ব্রজলীলাতে রাধারাণী দশমদশায় মৃত্যু পর্যন্ত অবস্থা প্রকট হয়েছিল।""
প্রভুও কত পদে লিখেছিলেন,---
""দশেন্দ্রিয় ছেড়ে গেল, নবদ্বার বন্ধ হল
শবপ্রায় পড়ে কলেবর।।""
এই অবস্থায় সখীগণ রাধার কানে হরিনাম দিয়ে রাইধনীকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতেন।
👉গম্ভীরা লীলাতে গৌররূপে দশম দশা থেকে দুইটা দশা বেশী ছিল দ্বাদশদশায় দীর্ঘাকৃতি ও কূর্ম্মাকৃতি দুই দশা বেশী।
শ্রীল কবিরাজ গোস্বামীজী লিখছেন,
"পেটের ভিতর হস্তপদ কুর্মের আকার।
মুখে ফেন পুলকাঙ্গ নেহে অশ্রুধার।।"

■আবার------
"পড়িয়াছে প্রভু দীর্ঘ হাত পাঁচ ছয়।
অচেতন দেহ নাসায় শ্বাস নাহি বয়।।"
এই দ্বাদশ দশা সময়ও শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরকে ঘিরে স্বরূপাদি ভক্তগণ কৃষ্ণনাম কীর্ত্তন করতেন।
"বহুক্ষণে কৃষ্ণনাম হৃদয়ে পশিল।
হরিবোল বলি প্রভু গজ্জিয়া উঠিল।৷"
কীর্তন শুনে মহাপ্রভু জাগরণ হত।

◆এই বার প্রভু জগদ্বন্ধুর ত্রয়োদশ দশা।
প্রভুর দশা হল----- বালকত্ব,শুদ্ধ মার্ধুয্য ও পূর্ণ তন্ময়ত্ব তিন দশা বেশী।
এই অবস্থায় মহানাম সংকীর্তন করাই কর্তব্য । কারণ হরিনাম প্রভু বন্ধুসুন্দরের প্রাণ। প্রভু নিজে বলেছেন -- "হরিনাম প্রভু জগদ্বন্ধু"।।
১৩ ই আশ্বিন হল মহাক্রুটি কীর্তন বন্ধ করে, তাও প্রভুর ইচ্ছায়। জীব উপলক্ষ্য মাত্র।
চন্দ্রপাতে শ্রীহস্তে লিখেছেন ........
" হরিনাম হে বিরাম"।
২রা কার্তিক কৃষ্ণাতিথিতে হরিনাম যজ্ঞের প্রদীপ আবার জ্বলে উঠল।
ভক্ত কি করে জানবে প্রভুর মহাদশার রহস্য। হরিনামের মধ্যে প্রভু বিরাজিত, নিত্য বর্তমান। প্রভু বানী --- "মানুষ তো মানুষ, রাস্তার ইটপাটকেলও হরিনামে নাচবে।"---- এই বাণী সার্থক হবেই। কারণ প্রভু আমাদের নিত্য বর্তমান সত‍্য। হরিনাম মহানাম মহাকীর্তন করে প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরকে আমাদের মধ্যে একাকার করে নিতে হবে। কারণ ----

🌼❣️ হরিনাম প্রভু জগদ্বন্ধু❣️🌼
🌼❣️ হরিনাম প্রভু জগদ্বন্ধু❣️
🌼❣ হরিনাম প্রভু জগদ্বন্ধু❣️🌼

◆◆◆◆◆জয় জগদ্বন্ধু হরি◆◆◆◆◆

🌼🌼🌼জয় সীতানবমী🌼🌼🌼

Joy Maa Kattyani........🙏
18/10/2018

Joy Maa Kattyani........🙏

জগতের মহাউদ্ধারণ কর্তা= হরিপুরুষ যাহার নাম=হরি শব্দ উচ্চারণে হরিপুরুষের উদয়=কলিহত জীবকে উদ্ধার করাই তাহার কাজ=তিনি জগতের...
06/09/2018

জগতের মহাউদ্ধারণ কর্তা= হরিপুরুষ যাহার নাম=হরি শব্দ উচ্চারণে হরিপুরুষের উদয়=কলিহত জীবকে উদ্ধার করাই তাহার কাজ=তিনি জগতের বন্ধু=তিনিই গোলক বিহারী=তিনিই দশরথ নন্দন=তিনিই যশোদার দুলাল=তিনিই কলির প্রথম সন্ধ‍্যার আগত গৌর হরি, শচীর দুলাল=ব্রজগোপাল=এবার তিনি এসেছেন নবগৌর রূপধরি নাম তাহার জগদ্বন্ধু হরি।।।

জয় জগদ্বন্ধু বোল হরিবোল হরিবোল

06/09/2018

Address

Basantitala Para
Para
731238

Telephone

+919153570230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sri Sri Seva Kunja,Kopa,Birbhum posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category