02/09/2022
কিছু কথা না বললেই নয়
(পার্ট নেয়)
ওরে কাফেরদের বংশধর! তোরা নিজেকে মুসলমান দাবি করে কোরআন মানছিস না, তাও তোরা মুসল্লি।
তোরা মুসল্লি হয়ে যা, আমাদের কোন অসুবিধা নেই কারণ আমার হলাম মুত্ত্বাকিন।
আর কোরআন হচ্ছে মুত্ত্বাকিনদের জন্য পথপ্রদর্শক।
আবার যেখানে ইমাম উল মুত্ত্বাকিন হলেন হযরত আলি (আঃসঃ) ❤ সেখানে তো আমরা আলি মুশকিল কোশা কে মোওলা মানবোই।
আর যারা মোওলা আলি মুশকিল কোশার ইমামতি কুবুল করে তেনাকে মোওলা মানবে না তারা জাহান্নামের অন্তর্ভুক্ত, সেটাও প্রচার করা বন্ধ করবো না।
তাই কিছু পথভ্রষ্ট মুসল্লিদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই___ সময় থাকলে কোরআনের পাতা উল্টে দেখো যেখানে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে_
🖤🖤🖤❤🖤🖤🖤
“হে রাসূল (সাঃ)! তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা পৌঁছে দাও। আর যদি আপনি তা না করেন, তাহলে আপনি তাঁর বাণী (নবুওয়াত) পৌঁছে দেননি এবং আল্লাহ আপনাকে মানুষের হাত থেকে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে হেদায়েত করবেন না।" (সূরা মায়েদাহ, ৫:৬৭)।
🖤❤🖤
আর এটাই ছিল সেই ঐতিহাসিক ঘটনা "গদীরে খুম "
হওয়ার কারন।
যেখানে রসূলে খাতেমা নবীন আহম্মদে মুজতবা মুহাম্মাদ মুস্তাফা সাঃ পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেন এক লক্ষ চব্বিশ হাজার সাহাবী বা তারও বেশি সাহাবীদের সামনে " আমি যার মাওলা আলী ও তার মাওলা " ।
আর তার পরেও যারা আলি (আঃসঃ)_কে মোওলা মানে না বা তেনার বেলায়েত নিয়ে সন্দেহ রাখে তারা অবশ্যই জাহিলদের অন্তর্ভুক্ত,
সেটা হোক মিজানুর রহমান আযহারি বা অন্য কেউ।
🖤🖤🖤🖤🖤❤🖤🖤🖤🖤🖤
মোওলা আলি মুশকিল কোশা হলেন কুল্লে ঈমান অর্থাৎ সমস্ত ঈমান, তাই যার ভেতরে মোওলা আলি মুশকিল কোশার নামের ভালোবাসা নেই সে আর যাই হোক ঈমানদার হতে পারবে না। আবার ঈমানদার না হলে নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রেমিক হওয়া যায় না, সে তুমি যতোই নারা বাজি করোনা কেন যে আমি নবীর প্রেমিক।
শুকরিয়া আদায় করছি আল্লাহর যিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত দিয়ে।
হাজারো কোটি সালাম ও দুরুদ নবীজির উপর যিনি ধরার বুকে এসেছেন রহমাতুল্লীল আলামীন রূপে।
হাজারো কোটি সালাম ও দুরুদ মোওলায়ে কায়নাত এর উপর যিনি সমস্ত বিশ্বাসীদের ইমাম।