05/08/2024
রাগ করে যারা ফেসবুক ছেড়ে চলে যেতে চান তাদের উদ্দেশ্যে.......
ফেসবুক সম্পর্কে কিছু কথা এবং ডঃ আবু বাকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (হাফিজাহুল্লাহ্) -এর
সুচিন্তিত মতামত✍️
🌷বিস্ মিল্লাহির্ রহ্'মানির্ রহীম🌷
🎇 বিরক্তি প্রকাশঃ
শাইখঃ ফেসবুক চালাতে তেমন আর ভালো লাগে না…. এর মধ্যে নানারকম ফিৎনাহ…!
💥একজন আরেকজনকে শুধু গালি-গালাজ করে। এই জন্য এখানে থাকতে ইচ্ছে করে না…
🎇 পরামর্শঃ
সন্মানিত যুবক ভাই বন্ধুরা!
আস্ সালামু আলাইকুম ওয়া-রহ্'মাতুল্লাহি ওয়া-বারাকাতুহ্...
তোমরা যদি ফেসবুক ছেড়ে দাও তাহলে দা’ওয়াতী কাজ কে করবে!!
আজকে আছো এইজন্য অন্যান্যরা অশ্লীল ও বাজে কোনো পোষ্ট করতে অনেক সময় লজ্জা বোধ করেন।
একটা হালাল কিছু পোষ্ট করলে, সেটার পরিপেক্ষিতে অন্যজন হারাম কিছু পোষ্ট করতে একটু হলেও চিন্তা ভাবনা করবে।
🎆দেখো, ফেসবুকে থাকতে হলে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। দিনের নির্দিষ্ট কোনো সময়ে ফেসবুকে ঢুকবে বা সপ্তাহে এমন একটা সময় করে নিবে ঐ সময় ছাড়া অন্য কোনো সময় ফেসবুকে ঢুকবে না। পোষ্ট করে বের হয়ে যাবে।
উধাহরণ হিসেবে, শাইখ ডঃ মাঞ্জুরে এলাহী (হাফিযাহুল্লাহ) সাহেবের কথা বলা যেতে পারে।
🎆মনে রাখতে হবে, ফেসবুক কখনোই দ্বীন পালনের উৎস নয়, এটা সাময়িক সময়ের জন্য ভালো দিয়ে খারাপটাকে ঢেকে রাখার চেষ্টা মাত্র। আর এটা যদি না করা হয় তাহলে খারাপ খারাপই থেকে যাবে।
স্বহীহ্ আকীদাহ্'র ভাইয়েরা থাকার কারণে বিদয়াতীরা এখানে সুযোগ কম পাচ্ছে। মানুষ আজকে হক এবং বাতিলের পার্থক্য খুব সহজেই করতে পারছেন।
♻️ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফিৎনাহ্'র জায়গা এটা নিঃস্বন্দেহে সত্য। এখানে যেমন অনেক ভালো মানুষ রয়েছেন খারাপ মানুষও তেমন রয়েছে।
🔰🔰কেউ যদি মনে করে আমি ফেসবুক থেকে দ্বীন শিখবো বা দ্বীন শিখছি তাহলে তার কথার মধ্যে বক্রতা রয়েছে, কারণঃ এখান থেকে দ্বীনের ধারনা পাওয়া যায় কিন্তু এখান থেকে সঠিক দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন, নিছক বোকামী ছাড়া কিছুই নয়।
🔰🔰একজন তালিবে ঈলম কখনই এখান থেকে ঈলম অর্জন করবেন না। এটা ঈলম অর্জনের মূল উৎস নয়।। এর কারন হচ্ছে বই পড়ে যে মজা পাওয়া যায়, সেটা পিডিএফ পড়ে পাওয়া যায় না।
একজন তালিবে ঈলম সর্বাবস্থায় কুর'আন-হাদীস এবং আলিমদের থেকে ঈলম নিবেন।
পায়ে হেটে কষ্ট করে ঈলম অর্জনের মজা যেমন এখানে নেই, তেমন এখানে যারা এইভাবে পারবে না তাদের জন্যেও কিছু ব্যবস্থা করতে হবে।
মেয়েদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, তারা যদি পর্যাপ্ত ঈলম অর্জন না করতে পারে তাহলে তার ফেসবুক বা এই সমস্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে সময় কম দেওয়া।
কারণ এখানকার কিছু ফিৎনাহ্ তাদের মাধ্যমেও ঘটে থাকে। তাই তাদের উচিত, সে যদি কিছু জেনে থাকে, তাহলে জানাতে পারেন তার স্ব-জাতীয় বোনদেরকে বা আত্মীয়-স্বজনদের।
পুরুষদের যেন কোনোমতেই তাদের ফ্রেন্ড লিস্ট বা যোগাযোগের কোনো মাধ্যেমে রাখবেন না।
ঐ সমস্ত ব্যাক্তি যাদের দ্বারা ফিৎনাহ্'তে পতিত হওয়ার আশংকা নাই, যেমন আলিম বা একদম কাছের কিছু মানুষজন (আত্মীয়স্বজন) ।
ন্যাচারালি মেয়েদের এখানে না থাকাই ভালো।
❎❎ তাছাড়াও এখানে অত্যাধিক সময় থাকলে স্ক্রোল এডিক্টেড (মানে ফোনে আংগুল দিয়ে নারাচাড়া না করতে পারলে ভালো না লাগা) হওয়ার ভয় রয়েছে এবং নানা রকম ক্ষতি রয়েছে।
💠💠 এবার কিছু কথাঃ
সাময়িক সময়ে অনেকেই ফেসবুকে থাকতে ইচ্ছে করছেন না। অনেকের রিয়া আসার ভয় সহ নানা রকম বিষয় জড়িয়ে রয়েছে তাদের জন্য কিছু কথা।
♻️আজকে যদি ভালো মানুষ বা যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যাক্তিগণ ফেসবুকে না আসেন, তারা যদি নাসীহাহ্ বা গুরুত্বপূর্ন নিউজ/খবর না দেন, তাহলে পরবর্তীতে আমাদের সমাজ দেশের জন্য ধংস অনিবার্য।। কারণ তাদের হাতে অনেক কিছু আল্লাহ্ সুবহানা তায়ালা নেয়মাত স্বরুপ দিয়ে রেখেছেন।।
♻️তাই বলবো আলিম-ওলামাগণ এবং উপযুক্ত যোগ্যতা সম্পন্ন ঐ সমস্ত ব্যক্তিগণ যারা থাকলে জাতীর উপকার হবে তারা যেন এখানে থেকে ভালো কিছু অনবরত দিয়ে যেতে পারেন সেই কামনাই করি।
আল্লাহ্ সুবহানাহু তায়ালা যেন জাতীকে এমন কিছু ব্যক্তি উপহার দেন এবং এজাতীয় মন্দ থেকে আমাদের সকলকে হিফাযত করেন ভুলত্রুটি ক্ষমা করেন; আমীন।
(ওয়ামা তাওফীক্বী ইল্লা বিল্লাহ্)
প্রচার পক্ষে:
Md Fazlur Rahman Bukhari.
Malda. West Bengal. India.
ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, সংশোধন করে নিবো; ইন্ শা-আল্লাহ্ !!