Mayapur Sri Chaitanya Math,Nadia

Mayapur Sri Chaitanya Math,Nadia Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mayapur Sri Chaitanya Math,Nadia, Religious organisation, Mayapur.

Established by Om Visnupada 108 Provupada Srila Bhakti-Siddhanta Saraswati Thakur in 1918 .The Math follower of "Acintavedaved"concept of Vaishnavism directed by Sri Chaitanya Mahaprovu.

কৃষ্ণজন্মস্তুতিঃ শ্রীমদ্ভাগবতম্রূপং যত্তৎপ্রাহুরব্যক্তমাদ্যং ব্রহ্মজ্যোতির্নির্গুণং নির্বিকারম্ ।সত্তামাত্রং নির্বিশেষং ...
10/08/2020

কৃষ্ণজন্মস্তুতিঃ শ্রীমদ্ভাগবতম্

রূপং যত্তৎপ্রাহুরব্যক্তমাদ্যং ব্রহ্মজ্যোতির্নির্গুণং নির্বিকারম্ ।
সত্তামাত্রং নির্বিশেষং নিরীহং স ৎবং সাক্ষাদ্বিষ্ণুরধ্যাত্মদীপঃ ॥ ১॥

নষ্টে লোকে দ্বিপরার্ধাবসানে মহাভূতেষ্বাদিভূতং গতেষু ।
ব্যক্তেঽব্যক্তং কালবেগেন যাতে ভবানেকঃ শিষ্যতে শেষসংজ্ঞঃ ॥ ২॥

যোঽয়ং কালস্তস্য তেঽব্যক্তবন্ধোশ্চেষ্টামাহুশ্চেষ্টতে যেন বিশ্বম্ ।
নিমেষাদির্বৎসরান্তো মহীয়াংস্তং ৎবীশানং ক্ষেমধাম প্রপদ্যে ॥ ৩॥

মর্ত্যো মৃত্যুব্যালভীতঃ পলায়ন্সর্বাংল্লোকান্নির্বৃতিং নাধ্যগচ্ছৎ ।
ৎবৎপাদাব্জং পাপ্য যদৃচ্ছয়াদ্য স্বস্থঃ শেতে মৃত্যুরস্মাদপৈতি ॥ ৪॥

ইতি শ্রীমদ্ভাগবতে দশমস্কন্ধে তৃতীয়াধ্যায়ান্তর্গতা
দেবকীকৃতা স্তুতিঃ সমাপ্তা ।

বহষি বপসি বিসদে বসনম্ জলদাভ্যম্হলহতিভীতি মিলিত যমুনাভ্যম্কেশব ধৃত হলধর রূপ জয় জগদীশ হরে।বলরাম হলেন কৃষ্ণের জ্যেষ্ঠভ্রাতা...
02/08/2020

বহষি বপসি বিসদে বসনম্ জলদাভ্যম্
হলহতিভীতি মিলিত যমুনাভ্যম্
কেশব ধৃত হলধর রূপ জয় জগদীশ হরে।
বলরাম হলেন কৃষ্ণের জ্যেষ্ঠভ্রাতা। তিনি বলদেব, বলভদ্র ও হলায়ুধ নামেও পরিচিত। বৈষ্ণবরা বলরামকে বিষ্ণুর অবতার জ্ঞানে পূজা করেন। ভাগবত পুরাণের তালিকাতেও তার নাম আছে। বৈষ্ণব ও অন্যান্য হিন্দুরা সবাই তাকে বিষ্ণুর শয্যারূপী শেষনাগের একটি রূপ বলে মনে করেন। দ্বাপর যুগের শেষে বলরামের জন্ম হয় রোহিণীর গর্ভে। রোহিণী হলেন শ্রীকৃষ্ণের পিতা বসুদেবের আর এক পত্নী ও নন্দের ভগিনী। শ্রীহরি বিষ্ণুর আদিশেষ নাগের অবতার হলেন বলরাম। অত্যাচারী কংসের কারাগারে বন্দী বসুদেব ও দেবকীর সপ্তম গর্ভে বলরাম আসেন, কিন্তু কংসের হাত থেকে সেই শিশুকে বাঁচানোর জন্য শ্রীহরির আদেশে দেবী যোগমায়া দেবকীর সপ্তম গর্ভের ভ্রূণ সেখান থেকে নন্দগৃহে রোহিণীর গর্ভে স্থাপিত করেন । ফলে দেবকীর সপ্তম গর্ভ মৃত সন্তান জন্ম দেয় এবং রোহিণীর গর্ভে বলরামের জন্ম হয় । বল মানে শক্তি । শক্তি ও আধ্যাত্মিকতার মিলন হয়েছে বলে তার নাম বলরাম রাখা হয় । তিনি ভ্রাতা শ্রীকৃষ্ণের সহিত অনেক অসুর বধ করেন ও ভাইয়ের সাথে এক মধুর সম্পর্কের আদর্শ স্থাপন করেন।

শ্রী রূপগোস্বামী ও গৌরিদাস পন্ডিতের তিরোভাব।
31/07/2020

শ্রী রূপগোস্বামী ও গৌরিদাস পন্ডিতের তিরোভাব।

Happy Jhulan-Yatra Utsavaঝুলন পূর্ণিমা হল শ্রীকৃষ্ণের অনুগামীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। অমাবস্যায় পরের একাদশী থেকে আরম...
30/07/2020

Happy Jhulan-Yatra Utsava
ঝুলন পূর্ণিমা হল শ্রীকৃষ্ণের অনুগামীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। অমাবস্যায় পরের একাদশী থেকে আরম্ভ করে শ্রাবনী পূর্ণিমা পর্যন্ত চলে উৎসবের সমারোহ। এটি দোল পূর্ণিমার পরবর্তী বৈষ্ণবদের বড় উৎসব। দোলনা সাজানো, ভক্তিমূলক গান, নাচ, সব মিলিয়ে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার এটি একটি বিশেষ উৎসব। ভারতের এই উৎসবে দেশ-বিদেশ থেকে বহু দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। নবদ্বীপে ঝুলন উৎসব একটি বিশেষ আকর্ষণ। বৃন্দাবন, মথুরা আর মন্দিরে মহা সমারোহে পালিত হয় এই ঝুলন। এই উৎসব সাধারণত শ্রাবণ মাসেই হয়ে থাকে।ঝুলন প্রধানত বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের একটি উৎসব। এটি প্রায় দোলযাত্রা বা হোলির অনুরূপ এবং রাধাকৃষ্ণের ঝুলন উৎসব নামেও পরিচিত। দোল এবং ঝুলনের উদ্দেশ্যও প্রায় অভিন্ন।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দ্বাপর যুগে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তাঁর বয়ঃ বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃন্দাবনে তিনি নানা বিধ লীলাবিলাস করেছিলেন। কিশোর শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীমতি রাধা রানী যে মাধূর্য্যপূর্ণ প্রেমের পরিপূর্ণ প্রকাশ বৃন্দাবনে স্থাপিত হয়েছিল তাঁরই লীলা স্বরূপা এই ঝুলনযাত্রা ।রাধাকৃষ্ণ বৃন্দাবনের কুজ্ঞবনে বিশুদ্ধ প্রেমের আদান প্রদানের মাধ্যমে এই জীব জগতে প্রথম প্রেমের প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।সেই লীলার নানারূপই এই ঝুলন যাত্রায় ভক্তদের মাঝে পরিবেশিত হয়।

30/07/2020 Happy Ekadashi
29/07/2020

30/07/2020 Happy Ekadashi

20/07/2020 Monday disappearance tithi of B.R Sridhardev Goswami Maharajসুজনার্বুদরাধিতপাদ যুগম্যুগধর্ম ধুরন্ধর পাত্র বরম...
19/07/2020

20/07/2020 Monday disappearance tithi of B.R Sridhardev Goswami Maharaj
সুজনার্বুদরাধিতপাদ যুগম্
যুগধর্ম ধুরন্ধর পাত্র বরম্
বরদাভয়দায়ক পূজ্যপদম্
প্রণমামি সদা প্রভুপাদ পদম্
প্রভুপাদ পুষ্পস্তক রচয়ক পূজ্যপাদ ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী ১৮৯৫ সালের ১০ অক্টোবর ব্রিটিশ ভারত এর বাংলার বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।পিতা উপেন্দ্র চন্দ্র দেব শর্মা ভট্টচার্য বিদ্যারত্ন ও মাতা গৌরী দেবী বালা। পিতা ছিলেন ব্রাহ্মণ পরিবারে রাজর্ষি গোত্রের। মায়ের পরিবারও কঠোর ব্রাহ্মণ ছিল।শ্রীধর গোস্বামী ছাড়াও, তার পরিবারে আরও দুটি ছেলে ছিল, তাদের নাম শ্রী মনি বাবু এবং শ্রী অমর বাবু।পূর্বপুরুষদের প্রতিনিধি হিসাবে প্রাথমিকভাবে ধর্মীয় পূজা ও উৎসর্গের এবং অন্যান্য বিষয়ে তাঁরা জড়িত ছিলেন।তাঁদের সংস্কৃত চর্চা ছিল।তিনি সংষ্কৃত ভাষায় পন্ডিত ছিলেন|শৈশব থেকেই তার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর উপর আধ্যাত্মিক আস্থা ছিল। তিনি স্বাভাবিক ভাবে নাম-সংকীর্তনের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন।প্রভুপাদ ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী তাঁর গুরু ও শ্রীল ভক্তি বিলাস তীর্থ গোস্বামী মহারাজ তাঁর বড় আধ্যাত্মিক ভ্রাতা।তিনি শ্রী চৈতন্য সারস্বত মঠ এর প্রতিষ্ঠাতা।।তিনি গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম ধর্মীয় গুরু ,ধর্মতত্ত্ববিদ এবং লেখক ছিলেন।
রমেন্দ্র ভট্টাচার্য ব্রিটিশ রাজ্যের ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে অধ্যয়ন করেন। ১৫ বছর বয়সে তিনি সংস্কৃত ভাষায় শ্লোক লিখতে শিখেছিলেন। হাপানিয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে স্নাতক করার পর,তিনি অকার্সের হাই স্কুলে তাঁর শিক্ষা অব্যাহত রাখেন।
তাঁর বাবার মৃত্যুর পরে তিনি বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেন (যদিও পরে তিনি বলেছিলেন যে অভ্যন্তরীণভাবে তিনি তা করতে আগ্রহী ছিলেন না)।চরম দারিদ্র্যের মাঝে বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি ক্ষেতে কাজ এবং গরু দেখাশোনা সহ পরিবারের বাকিদের খেয়াল রেখেছিলেন।১৯২০ সালে (২৪ বছর বয়সে) তিনি বিয়ে করেন।তিনি তাuর গ্রাম ও পরিবারকে ছেড়ে যান ও কলকাতায় বসবাস করেন |সেখানে তিনি সরকারি অফিসে চাকরি পান। ছয় বছর ধরে তিনি কৃষ্ণনাথ কলেজ, বহরমপুর (মুর্শিদাবাদ জেলা)(বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমতুল্য)তে আইন অধ্যয়ন করেন। সেখানে তিনি ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন।স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি খুব আগ্রহী ছিলেন। তিনি দর্শনে স্নাতক ডিগ্রী সহ আইন ডিগ্রী পান। সমস্ত জীবন ব্যাপী তিনি ভারতের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ, ভগবত পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারত, উপনিষদ, ইত্যাদির গভীর অধ্যয়ন করেন ।গৌড়ীয় মঠের সাথে তাuর প্রথম যোগাযোগ হয়েছিল ১৯২৩ সালে। ১৯২৬ সালে, যখন কলকাতায় বাস করতেন তখন গুরু ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতীর সাথে তার দেখা হয়। সেই বছরেই তাঁর স্ত্রী হঠাৎ গঙ্গা প্রাপ্তি হন। শ্রী ১৯২৭ সালে তিনি শ্রীচৈতন্যমঠ ও গৌড়ীয় মঠের প্রতিষ্ঠাতা জগদ্ গুরু প্রভুপাদ শ্রীল ভক্তিসিন্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী ঠাকুরের নিকট হতে ভাগবতীয় দীক্ষা লাভ করেন এবং পূর্ণ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি ১৯২৬ সালে তাঁর গুরু, শ্রী ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদের কাছে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সমর্পণ করেছিলেন। প্রভুপাদ ১৯৩০ সালে তাঁকে সন্ন্যাস দেন ।তিনি তাঁকে ভক্তি রক্ষক (ভক্তের অভিভাবক) নাম ও ত্রিদণ্ডী-সন্ন্যাস নাম "শ্রীধর" দেন । তিনি সমগ্র ভারতে শ্রী গৌড়ীয় মঠের প্রতিষ্ঠা, সংগঠন ও প্রচারে বিশিষ্ট ভূমিকা রাখেন।তিনি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক সেমিনার এবং সংকীর্তন উৎসবগুলিতে বহু স্তরে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষাকে ছড়িয়ে দেন বাঙালি, হিন্দি, সংস্কৃত এবং ইংরেজিতে ।কলকাতায় প্রচার করার সময় তিনি এক গুরু ভাইয়ের ঘরের ছাদে থাকতেন, যেখানে তিনি ছোট প্রচার কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। সেই গুরু ভাই অভয়চরণ দে ছিলেন, যিনি ত্রিশ বছর পরে কৃষ্ণবাদের ইতিহাসে সর্বাধিক সফল প্রতিষ্ঠান ইসকন প্রতিষ্ঠা করেন।
শ্রীল শ্রীধর মহারাজ সংস্কৃত ও বাংলাতে বহু অনন্য আধ্যাত্মিক প্রার্থনা ও ভাষ্য রচনা করেছিলেন, যা বৃন্দাবনের বিখ্যাত গোস্বামীদের মত এক ভক্তিমূলক স্তর প্রকাশ করেছিল।শ্রী ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী প্রভুপাদ শ্রীল শ্রীধর মহারাজের সংস্কৃত রচনা, শ্রী ভক্তিবিনোদ বিরহ দশকমের উচ্চ প্রশংসা প্রকাশ করেছেন, এটি বিবেচনা করে যে এতে গৌড়ীয় সম্প্রদায়ের আদর্শ ও মর্যাদা পুরোপুরি সঠিক এবং সংবেদনশীল হিসাবে প্রচারিত হবে ।
এই সত্যের সাক্ষ্য হিসাবে, শ্রী ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর এই প্রাণবন্ত জগৎ থেকে প্রস্থান করার পূর্বে নিজে উপস্থিত থেকে শ্রীল শ্রীধর মহারাজ দিয়ে গান করাতেন । সমগ্র পবিত্র প্রার্থনা শ্রী রূপ মঞ্জরী পদ ,গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধা পেয়েছিল।আশ্চর্যজনক ছিল যে তিনি আন্তর্জাতিক ভাষাগুলিতে তাuর চিন্তাধারা উপস্থাপন করার বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। তাঁর পবিত্র শিক্ষা অনেক বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে।তাঁর কাজ বিশ্বব্যাপী পণ্ডিত, দার্শনিক, এবং ভক্তদের দ্বারা বিশুদ্ধ বৈষ্ণববাদের রত্ন হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি ঐশ্বরিক আত্মসমর্পণ বিষয়ক একটি সংস্কৃত ভক্তিমূলক গ্রন্থ শ্রী শ্রীপ্রপন্ন জীবনমানরম রচনা করেছিলেন। যা সর্বত্র ভক্তদের জন্য আদর্শ পাঠ্যপুস্তক হয়ে উঠেছে।
ঐশ্বরিক কর্তব্য ও ঐশ্বরিক অনুপ্রেরণার আহ্বান দ্বারা তিনি শ্রীনবদ্বীপ ধামে শ্রী চৈতন্য সারস্বত মঠ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একটি সংক্ষিপ্ত সংস্কৃত শ্লোকের মধ্যে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, মঠ - একটি পবিত্র স্থান। যেখানে তাঁর গুরুদেব, শ্রী রূপ ,শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র বার্তা প্রচারিত হয়েছিল ।যা আনুষ্ঠানিক সত্য,পবিত্র ও শ্রী চৈতন্য অনুসন্ধানকারীদের মধ্যে বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত হয়ে উঠবে।
তাঁর আশি বছর বয়সে কেবলমাত্র ভারতীয় নয়, আমেরিকা, ইউরোপ ও বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিরা শ্রীল শ্রীধর মহারাজের শিক্ষা ও ব্যক্তিত্বের দ্বারা আকৃষ্ট হন। তিনি সাধারণ এক বিশুদ্ধ সন্ত হিসাবে পরিচিত ছিল। তিনি সম্মানিত এবং তার সন্তষ্টতা, সরলতা, তাঁর স্নেহপূর্ণ প্রকৃতির জন্য তাকে পছন্দ করা হয়।তাঁর প্রথমের দিকে প্রকাশিত গ্রন্থগুলিতে সিদ্ধান্তের প্রতীক হয়ে ওঠেন।
শ্রীরাম নামে একজন ভক্ত শ্রীধর মহারাজের টেপ ভাষণের একটি বিশাল অংশ তাঁর শিষ্যদের দ্বারা সংকলিত করা হয়েছে।রেকর্ডিংগুলি থেকে ইংরেজি বই - শ্রী কৃষ্ণের অনুসন্ধান, শ্রী গুরু ও তার অনুগ্রহ,ঐশ্বরিক প্রেমের স্বর্ণ আগ্নেয়গিরি, হারিয়ে যাওয়া দাসের জন্য প্রেমের সন্ধান ও শ্রীল শ্রীধর মহারাজের "শ্রীমদ ভগবত গীতা:দি হিডেন ট্রেজার অব সুইট এবসলিউট" এর ব্যাখ্যা - এবং অন্যান্য অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে। আরো অনেক প্রকাশনা এছাড়াও প্রত্যাশিত হয়।
১৯৮৮ সালের ১২আগস্ট শ্রীল ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী মহারাজ নবদ্বীপেনিত্য লীলায় গমন করেন।পরে সেখানে শ্রী চৈতন্য সারস্বত মঠ সমাধি মন্দির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

15/07/2020

Address

Mayapur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mayapur Sri Chaitanya Math,Nadia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share