The Army Of Prabhu Pada

The Army Of Prabhu Pada Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Army Of Prabhu Pada, Mayapur, Mayapur.

এই পেজটির মূল লক্ষ্য সনাতন ধর্মের প্রচারকৃষ্ণভাবনামৃত ছড়িয়ে দেওয়া এবং সকলকে শ্রীল প্রভুপাদের মাধ্যমে ইসকনের (ISKCON) বৈষ্ণব পরিবারে যুক্ত করা। এটি মূলত হরে কৃষ্ণ আন্দোলনের অংশ হিসেবে মানব সমাজের কল্যাণ এবং ভক্তি প্রচারের লক্ষ্যে কাজ করছে।

🤗হরেকৃষ্ণ 🤗আগামী ১৬ই মে থেকে  বিশেষ মাস পুরুষোত্তম মাস শুরু হতে যাচ্ছে। (১৬ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত )পুরুষোত্তম মাসে যে স...
04/05/2026

🤗হরেকৃষ্ণ 🤗
আগামী ১৬ই মে থেকে বিশেষ মাস পুরুষোত্তম মাস শুরু হতে যাচ্ছে। (১৬ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত )
পুরুষোত্তম মাসে যে সমস্ত ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পালন করা হবে তা অন্য সকল মাস থেকে ১০ হাজার গুণফল বেশি লাভ হবে।
চলুন এই মাসে কি কি পালন করা উচিত এবং তার কি মহিমা ও পালন না করলে কি ক্ষতি হতে পারে জেনে জেনে নেই।

#পুরুষোত্তম_ব্রতে_কি_কি_পালনীয় : -
১. প্রাতঃস্নান ও মঙ্গলারতি
২. তুলসীতে জল দান
৩. হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ
৪. কীর্তন
৫. শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও শ্রবণ
৬. সন্ধ্যায় ভগবানকে প্রদীপ নিবেদন
৭. স্তোত্র পাঠ ( চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম্)
৮. বৈষ্ণব সেবা ও বৈষ্ণবদের দান দক্ষিণা করা ।
৯. বিশেষ সংখ্যা ৩৩ ( রাধা কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে ৩৩ দণ্ডবৎ প্রণাম, ৩৩ সংখ্যা প্রদীপ নিবেদন, ৩৩ সংখ্যা ফল ও পুষ্প প্রদান, ৩৩ বার মন্দির পরিক্রমা এছাড়া ভগবানের অন্যান্য সেবায় ৩৩ সংখ্যা ব্যবহার)
১০. চারটি নিয়ম পালন ( কমপক্ষে নিরামিষ খাওয়া, নেশা না করা, জোয়া না খেলা, অবৈধ সঙ্গ না করা)
১১) শ্রীমদভগবদগীতা র ১৫ তম অধ্যায় পাঠ।
#পুরুষোত্তম_ব্রত_পালনের_মহিমা :-
১. স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম পবিত্র বৈশাখ, কার্তিক ও মাঘ মাস অপেক্ষায় এই অধিমাসকে অধিক মহিমা প্রদান করেছেন এবং একে নিজ নাম "পুরুষোত্তম" দ্বারা অলংকৃত করেছেন। (পৃ: - ৭)
২. শাস্ত্রে বিভিন্ন রকমের পাপ ও দোষের প্রতিকার রূপে এই পুরুষোত্তম ব্রতের বিধান রয়েছে। ( পৃ: ৮)
৩. ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন আমার যে সমস্ত গুণ আছে সে সমস্ত গুণ আমি এই মাসে অর্পণ করলাম। ( পৃ: ১৪)
৪. অন্য সকল মাসের অধিপতি বলা হয় এই মাসকে। ( পৃ: ১৪)
৫. যিনি সকল প্রকার কামনাশুন্য বা সকল কামনা যুক্ত হয়েও এ মাসের নিয়ম পালন করেন তিনি সকল কর্ম ভস্মাসাৎ করে আমাকে প্রাপ্ত হন। (পৃ: ১৪)
৬. এই মাসে ভক্তদের কখনোই অপরাধ হয় না ভগবানের সেবা করতে গিয়ে। (পৃ: ১৪)
৭. এই পুরুষোত্তম মাসের যিনি ভক্তিপূর্বক আমার নাম জপ ও আমার অর্চন করেন তিনি ধন-পুত্রাদি লাভে পরে অবশেষে গোলোকবাসী হন। (পৃ: ১৪)
৮. পুরুষোত্তম মাস পালনে জাগতিক সুখ প্রদানসহ ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার যোগ্যতাও লাভ করা যায়। (পৃ: ১৫)
৯. পুরুষোত্তম মাস সকল মাসের শ্রেষ্ঠ। এই মাসের মহিমার ১৬ ভাগের ১ ভাগেরও সমান নয় অন্য সকল মাসের মহিমা। ( পৃ : ১৭)
১০. পুরুষোত্তমাসে মাত্র একবারও যদি কেউ পূণ্যতীর্থে স্নান করেন ১২ হাজার বছর ধরে গঙ্গাস্নানের বা বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে প্রবেশ করলে গঙ্গা বা গোদাবরী স্নানে যে ফল লাভ হয় তা প্রাপ্ত হওয়া যায়। ( পৃ : ১৭)
১১. পুরুষোত্তম মাসের স্নান, দান ও কৃষ্ণ নাম করলে সমস্ত দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্ত হওয়া যায় এবং সর্বসিদ্ধিরাভ ও মনোবাসনা পূরণ হয়। ( পৃ: ১৭)
১২. পুরুষোত্তম ব্রত পালনের পঞ্চপান্ডবরা তাদের হারানো রাজ্য ফিরে পেল এবং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় অবশেষে ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হলেন। ( পৃ: ২৩)
১৩. ভক্তি ভরে পুরুষোত্তম ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবণে সৌভাগ্য লাভ ও ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হওয়া যায়। ( পৃ: ২৪)
১৪. পুরুষোত্তম ব্রত পালনের ভক্তদের সমস্ত বাসনা পূরণ হয় । ( পৃ: ২৪)
১৫. পুরুষোত্তম মাসের প্রাতঃস্নান করলে সমস্ত তীর্থ ড় স্নানের ফল লাভ হয়।
#পুরুষোত্তম_ব্রত_পালন_না_করলে_কি_হতে_পারে :-
১. পুরুষোত্তম মাসের যে সকল মহামূঢ় হরিনাম জপ-দানাদি করেন না ও সৎকর্ম, স্নান করেনা এবং দেব, তীর্থ ও ভক্তদের প্রতি বিদ্বেষ করে সেই সকল দুষ্ট দুর্ভাগা স্বপ্নেও কোন সুখ পায় না। (পৃ : ১৪)
২. যে সকল ব্যক্তি পুরুষোত্তম মাসের গুরুত্ব না দিয়ে নিন্দা করে সে কখনো সৌভাগ্য লাভ করতে পারেন না। ( পূর্বজন্মে দ্রৌপদী মেধা ঋষির কন্যার থাকা সত্ত্বেও সে পুরুষোত্তম মাসের নিন্দা করেছিল এবং তা পালন করে নাই তাই তার জন্য তাকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হতে হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি পুরুষোত্তম ব্রত পালনে রাজ্যসুখ ও ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হয় ) (পৃ: ১৭-২৩)
হরে কৃষ্ণ🙏🙏


#পবিত্র_পুরুষোত্তম_মাস
#পুরুষোত্তম_মাস







#মলমাস
#পুণ্যতিথি
#ভক্তি







27/04/2026

⛈️🌊ঝড় বৃষ্টিতে ইসকনের ভক্তরা কি করছে

🌸 মোহিনী একাদশী: মনের সব মোহ ও পাপ মুক্তির মহাব্রত 🌸​কেন পালন করবেন এই একাদশী?হিন্দু শাস্ত্র মতে, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষে...
27/04/2026

🌸 মোহিনী একাদশী: মনের সব মোহ ও পাপ মুক্তির মহাব্রত 🌸
​কেন পালন করবেন এই একাদশী?
হিন্দু শাস্ত্র মতে, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের এই একাদশীটি অত্যন্ত ফলদায়ক। আমাদের জীবনে আমরা অনেক সময় না বুঝে নানা ভুল বা পাপ করে ফেলি, আবার অনেক সময় মোহ বা মায়ার জালে জড়িয়ে সঠিক পথ হারিয়ে ফেলি। এই 'মোহিনী একাদশী'র উপবাস করলে মানুষের সমস্ত পাপ ক্ষয় হয় এবং মনের অশুভ মোহ দূর হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
​📜 একাদশীর মাহাত্ম্য ও কাহিনী:
ত্রেতা যুগে সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে এক সুন্দর শহর ছিল। সেখানে চন্দ্রবংশীয় রাজা ধৃতিমান রাজত্ব করতেন। সেই শহরে ধনপাল নামে এক অতি ধার্মিক বৈশ্য বাস করতেন। তাঁর পাঁচ ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল অত্যন্ত দুশ্চরিত্র এবং পাপকর্মে লিপ্ত। ছেলের কুকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে পিতা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
​অসহায় ধৃষ্টবুদ্ধি বনের মধ্যে ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ঘুরতে ঘুরতে মহর্ষি কৌণ্ডিত্যের আশ্রমে পৌঁছান। মহর্ষির চরণে পড়ে তিনি নিজের পাপ থেকে মুক্তির উপায় জানতে চান। তখন মহর্ষি তাকে বৈশাখ মাসের এই 'মোহিনী একাদশী' ব্রত পালনের পরামর্শ দেন।
​শ্রদ্ধার সাথে এই ব্রত পালন করার ফলে ধৃষ্টবুদ্ধির সমস্ত পাপ ধুয়ে মুছে যায়। তিনি দিব্য দেহ লাভ করেন এবং পরিশেষে গরুড়ে চড়ে বৈকুণ্ঠধামে গমন করেন।
​✨ এই ব্রত করলে কী ফল হয়?
১. পাপ মুক্তি: সহস্র বছরের অর্জিত পাপ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।
২. মোহ ও মায়া ত্যাগ: সংসারের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি বা ভুল মোহ থেকে মুক্তি মিলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়।
৩. পূণ্য লাভ: এই ব্রতের ফল হাজার গরু দান করার সমান পূণ্যের সমান।
৪. সুখ ও সমৃদ্ধি: পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকে এবং মৃত্যুর পর পরম গতি লাভ হয়।
​🙏 ব্রতের মূল শিক্ষা:
ভুল মানুষই করে, কিন্তু সেই ভুল স্বীকার করে নিজেকে শুধরে নেওয়ার সুযোগ ভগবান আমাদের দেন এই একাদশীর মাধ্যমে। শুদ্ধ চিত্তে ভগবানের নাম জপ করাই এই দিনের মূল লক্ষ্য।

রাধারানী ও কৃষ্ণের লীলা নিয়ে বৈষ্ণব সাহিত্যে অসংখ্য সুন্দর কাহিনী রয়েছে। তবে তার মধ্যে রাধারানীর **'নিস্বার্থ প্রেম'** এ...
26/04/2026

রাধারানী ও কৃষ্ণের লীলা নিয়ে বৈষ্ণব সাহিত্যে অসংখ্য সুন্দর কাহিনী রয়েছে। তবে তার মধ্যে রাধারানীর **'নিস্বার্থ প্রেম'** এবং **'অভিমান'** নিয়ে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হৃদয়স্পর্শী গল্প নিচে তুলে ধরলাম:
# # # শ্রীকৃষ্ণের শিরঃপীড়া ও রাধারানীর প্রেম
একবার দ্বারকায় শ্রীকৃষ্ণের খুব মাথা ব্যথা শুরু হলো। কোনো ওষুধেই সেই ব্যথা সারছে না। নারদ মুনি খুব চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তিনি শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞেস করলেন, "প্রভু, এই অসহ্য যাতনা থেকে মুক্তির উপায় কী?"
শ্রীকৃষ্ণ মৃদু হেসে বললেন, "নারদ, যদি আমার কোনো পরম ভক্তের **পাদধূলি (পায়ের ধুলো)** আমার কপালে দেওয়া হয়, তবেই এই ব্যথা সেরে যাবে।"
# # # ভক্তদের দ্বিধা
নারদ মুনি তৎক্ষণাৎ কৃষ্ণের মহিষীদের (রুক্মিণী, সত্যভামা প্রমুখ) কাছে গেলেন। কিন্তু তাঁরা ভয়ে পিছিয়ে গেলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল:
* স্বামী বা ভগবানকে নিজের পায়ের ধুলো দেওয়া ঘোরতর পাপ।
* এর ফলে তাঁদের চিরকাল নরকবাস করতে হবে।
নারদ মুনি এরপর অনেক সাধু-সন্ন্যাসীর কাছে গেলেন, কিন্তু 'নরকবাসের ভয়ে' কেউই নিজের পায়ের ধুলো দিতে রাজি হলেন না।
# # # রাধারানীর অনন্য ত্যাগ
অবশেষে নারদ বৃন্দাবনে পৌঁছে রাধারানীকে সব কথা জানালেন। শ্রীকৃষ্ণের অসুস্থতার কথা শুনে রাধারানী ব্যাকুল হয়ে পড়লেন। নারদ যখন 'পাদধূলি'র কথা বললেন, রাধারানী এক মুহূর্তও দ্বিধা না করে তাঁর পায়ের তলার ধুলো একটি কাপড়ে সংগ্রহ করে নারদের হাতে দিয়ে দিলেন।
নারদ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "রাধে, তুমি কি জানো এর পরিণাম কী? ভগবানকে নিজের পায়ের ধুলো দেওয়ার অপরাধে তোমাকে অনন্তকাল নরকে পচতে হতে পারে!"
রাধারানী অশ্রুভরা চোখে উত্তর দিলেন:
> **"প্রভুর যদি এক মুহূর্তের জন্য আরাম হয়, তবে সেই সুখের বিনিময়ে আমি কোটি জন্ম নরকে কাটাতে রাজি আছি। আমার কী হবে তাতে কিছু যায় আসে না, কৃষ্ণ যেন সুস্থ থাকেন।"**
>
# # # উপসংহার
নারদ বুঝতে পারলেন, কেন রাধারানী শ্রীকৃষ্ণের এতো প্রিয়। যেখানে অন্য সবাই নিজের 'পাপ-পুণ্য' বা 'পরকাল' নিয়ে চিন্তিত ছিলেন, সেখানে রাধারানীর কাছে নিজের মুক্তি বা স্বর্গের চেয়ে কৃষ্ণের সুখই ছিল বড়।
**শিক্ষা:** প্রকৃত প্রেম কখনো নিজের স্বার্থ বা পরিণাম নিয়ে ভাবে না; তা কেবল প্রিয়জনের মঙ্গল কামনা করে।













শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ অনুসারে দেবর্ষি নারদের পূর্বজন্মের কাহিনী। কাহিনীটি নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো: # # # ১. পূর্ব...
25/04/2026

শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ অনুসারে দেবর্ষি নারদের পূর্বজন্মের কাহিনী। কাহিনীটি নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

# # # ১. পূর্বজন্মের পরিচয়
নারদ মুনি তাঁর পূর্বজন্মে কোনো দেবর্ষি ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন **দাসীপুত্র**। তাঁর মা ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ এবং একদল বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। চাতুর্মাস্য ব্রত পালন করার সময় সেই সাধু-মহাত্মারা যখন এক স্থানে অবস্থান করছিলেন, তখন বালক নারদ (পূর্বজন্মের নাম উল্লিখিত নেই) তাঁদের সেবার সুযোগ পান।
# # # ২. সাধুসেবা ও ভক্তির উন্মেষ
নারদ ছিলেন জন্ম থেকেই শান্ত এবং অল্পভাষী। তিনি সেই সাধুদের উচ্ছিষ্ট প্রসাদ গ্রহণ করতেন। শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে, শুদ্ধ ভক্তদের সেই প্রসাদ গ্রহণের ফলে তাঁর হৃদয়ের সমস্ত কলুষতা ধুয়ে যায় এবং ভগবানের প্রতি এক স্বাভাবিক অনুরাগের সৃষ্টি হয়। তিনি অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাঁদের মুখনিঃসৃত হরিকথা শ্রবণ করতেন। চাতুর্মাস্য শেষে প্রস্থানের সময় সেই মহাত্মারা বালক নারদের ভক্তি দেখে তাঁকে পরম গুহ্য আধ্যাত্মিক জ্ঞান দান করেন।
# # # ৩. মায়ের মৃত্যু ও গৃহত্যাগ
সাধুরা চলে যাওয়ার পর বালক নারদ একা হয়ে পড়েন। তাঁর মা ছিলেন তাঁর একমাত্র আশ্রয়। একদিন রাতে তাঁর মা গরু দোহন করতে গিয়ে একটি বিষধর সর্পের দংশনে প্রাণ হারান। নারদ একে ভগবানের বিশেষ কৃপা হিসেবে গ্রহণ করলেন। তিনি মনে করলেন, ভগবান তাঁকে সমস্ত মায়াবন্ধন থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তিনি উত্তর দিকে যাত্রা শুরু করেন।
# # # ৪. গভীর অরণ্যে সাধনা
দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে নারদ এক গভীর ও নির্জন অরণ্যে প্রবেশ করেন। সেখানে একটি পিপল গাছের নিচে বসে তিনি ভগবান শ্রীহরির ধ্যান শুরু করেন। মহাত্মাদের উপদেশে তাঁর হৃদয়ে তখন তীব্র ব্যাকুলতা। ধ্যান করতে করতে হঠাৎ তাঁর হৃদয়ে পরমেশ্বর ভগবানের জ্যোতির্ময় রূপ ক্ষণিকের জন্য প্রকাশিত হয়। সেই দর্শনে তিনি প্রেমে আপ্লুত হয়ে পড়েন।
# # # ৫. ভগবানের দৈববাণী
কিন্তু সেই দর্শন ছিল ক্ষণস্থায়ী। ভগবান পরক্ষণেই অদৃশ্য হয়ে যান। নারদ ব্যাকুল হয়ে পুনরায় সেই রূপ দেখার চেষ্টা করলে আকাশ থেকে এক দৈববাণী শুনতে পান:
> "হে বালক, এই জন্মে তুমি আর আমায় দেখতে পাবে না। যাদের ভক্তি এখনো অপক্ক, তারা আমার এই রূপ সর্বদা দর্শন করতে পারে না। তোমার ভক্তি বাড়ানোর জন্যই আমি ক্ষণিকের দেখা দিয়েছি। পরবর্তী জন্মে তুমি আমার নিত্য পার্ষদ হিসেবে জন্মগ্রহণ করবে।"
>
# # # ৬. দেবর্ষি নারদের জন্ম
সেই দৈববাণী শুনে নারদ সারা জীবন ভগবানের নাম সংকীর্তন করে অতিবাহিত করেন। কালক্রমে তাঁর সেই নশ্বর দেহের পতন ঘটে। প্রলয় শেষে যখন সৃষ্টি পুনরায় শুরু হয়, তখন তিনি ব্রহ্মার মানসপুত্র হিসেবে **দেবর্ষি নারদ** রূপে আবির্ভূত হন।
# # # কাহিনীর মূল শিক্ষা:
* **সাধুসঙ্গের মহিমা:** সাধারণ এক দাসীপুত্র থেকে তিনি কেবল সাধুসেবা ও প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে দেবর্ষিতে পরিণত হন।
* **বিপদকে কৃপা হিসেবে দেখা:** মায়ের মৃত্যুকে শোক হিসেবে না দেখে তিনি আধ্যাত্মিক পথের স্বাধীনতা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
* **নিরন্তর নাম সংকীর্তন:** নারদ মুনি আমাদের শেখান যে, বীণা হাতে ভগবানের নাম গান করাই হলো পরম আনন্দ ও মুক্তির পথ।
নারদ মুনি এখন ব্রহ্মাণ্ডের সর্বত্র ভ্রমণ করেন এবং শ্রীহরির গুণগান প্রচার করে বেড়ান। তাঁর এই কাহিনী আমাদের দেখায় যে ভক্তি কোনো বংশ বা আভিজাত্যের ওপর নির্ভর করে না, এটি কেবল হৃদয়ের ব্যাকুলতার ওপর নির্ভরশীল।

জানেন কি কেন এই সময় ভগবানকে চন্দন লাগানো হয়? 🤔✨বৈশাখ মাসে (বিশেষ করে অক্ষয় তৃতীয়া থেকে শুরু করে পরবর্তী ২১ দিন) ভগবান শ্...
25/04/2026

জানেন কি কেন এই সময় ভগবানকে চন্দন লাগানো হয়? 🤔✨

বৈশাখ মাসে (বিশেষ করে অক্ষয় তৃতীয়া থেকে শুরু করে পরবর্তী ২১ দিন) ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে চন্দনের লেপন লাগানো হয় মূলত তীব্র গরম থেকে তাঁকে শীতলতা প্রদান করার জন্য। এই উৎসবটি 'চন্দন যাত্রা' নামে পরিচিত।
এর পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ও ব্যবহারিক কারণ রয়েছে:
১. তাপ উপশম ও শীতলতা (ব্যবহারিক কারণ)
বৈশাখ মাস ভারতে গ্রীষ্মের অন্যতম উত্তপ্ত সময়। চন্দন তার প্রাকৃতিক শীতল গুণাবলীর জন্য পরিচিত। ভক্তরা তাঁদের প্রিয় আরাধ্য দেবতাকে প্রচণ্ড গরমের কষ্ট থেকে আরাম দিতে সর্বাঙ্গে সুগন্ধি চন্দনের প্রলেপ লাগিয়ে দেন। এটি ভক্ত ও ভগবানের মধ্যে এক মধুর সেবার সম্পর্ক প্রকাশ করে।
২. অক্ষয় তৃতীয়া ও চন্দন যাত্রা (পৌরাণিক পটভূমি)
চন্দন যাত্রার সূচনা হয় অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে। গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মে এই উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং মাধবেন্দ্র পুরীকে স্বপ্নে দেখা দিয়ে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তাঁকে মলয় চন্দনের লেপন লাগানো হয়, কারণ তাঁর শরীর বিরহ এবং উত্তাপে জ্বলছিল। সেই থেকে এই প্রথা চলে আসছে।
৩. আধ্যাত্মিক তাৎপর্য
সেবা ভাব: চন্দন ঘষা একটি পরিশ্রমসাধ্য কাজ। ভক্তরা পরম যত্নে চন্দন ঘষে ভগবানের জন্য প্রস্তুত করেন, যা তাঁদের নিষ্ঠা ও ভক্তির প্রতীক।
মন শুদ্ধি: চন্দনের সুগন্ধ যেমন পরিবেশকে পবিত্র করে, তেমনি এই চন্দন লেপন উৎসব ভক্তের মনকে শান্ত ও ভক্তিপূর্ণ করতে সাহায্য করে।
উৎসবের বিশেষত্ব
২১ দিনের উৎসব: পুরীর জগন্নাথ মন্দির এবং মথুরা-বৃন্দাবনের বিভিন্ন মন্দিরে এই উৎসব ২১ দিন ধরে চলে।
জলক্রীড়া: অনেক মন্দিরে চন্দন লেপনের পাশাপাশি শ্রীকৃষ্ণকে নৌকায় করে জলবিহার বা জলক্রীড়া করানো হয় যাতে তিনি আরও শীতলতা অনুভব করেন।
সহজ কথায়, এটি ভগবানের প্রতি ভক্তের পরম মমতা ও ভালোবাসার একটি বহিঃপ্রকাশ।

হরে কৃষ্ণ! 🙏✨​শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার জ্ঞান সমুদ্রের মতোই গভীর এবং অনন্ত। এই ছবিতে আমরা দেখছি, যুদ্ধের ময়দানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ...
24/04/2026

হরে কৃষ্ণ! 🙏✨
​শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার জ্ঞান সমুদ্রের মতোই গভীর এবং অনন্ত। এই ছবিতে আমরা দেখছি, যুদ্ধের ময়দানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম করুণা করে অর্জুনকে সেই তত্ত্বজ্ঞান দিচ্ছেন। 📜🏹
​ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে, যা আমাদের জীবনের একটি বড় রহস্য উন্মোচন করে: "আত্মা এবং দেহের সম্পর্ক কেমন? অর্জুনকে ভগবান কী দৃষ্টান্ত দিয়েছেন?" 🤔☸️
​ভগবানের দেওয়া চারটি অপশন এখানে দেখা যাচ্ছে:
I. পুরোনো কাপড় ছেড়ে নতুন কাপড় পরার মতো 👗👕
II. নদী সাগরে মিশে যাওয়ার মতো 🌊
III. বীজ থেকে গাছ বড় হওয়ার মতো 🌱🌳
IV. সূর্য মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়ার মতো ☁️☀️
​আপনি কি সঠিক উত্তরটি জানেন? কমেন্টে লিখে জানান! (Hint: ছবিটির নিচে শ্লোকের সূত্র দেওয়া আছে - ভ.গী. ২/২২) 😊👇
​এই দিব্য জ্ঞান সবার সাথে শেয়ার করে পরমাত্মার কৃপা লাভ করুন। হরে কৃষ্ণ! 🌺🙏
#ভক্তি #হরেকৃষ্ণ #গীতাজ্ঞান #শ্রীকৃষ্ণ #সনাতনধর্ম #কুইজ #জ্ঞান #জীবনদর্শন

আজকের শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা কুইজ 🌸**হরে কৃষ্ণ! পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরণে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। গীতামৃতের এই দিব্য জ্ঞান...
24/04/2026

আজকের শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা কুইজ 🌸**
হরে কৃষ্ণ! পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরণে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। গীতামৃতের এই দিব্য জ্ঞানে আপনাদের সকলকে স্বাগত।
**আজকের প্রশ্ন:**
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দিব্য জন্ম ও কর্ম যারা তত্ত্বগতভাবে জানেন, তাদের কী লাভ হয়?
A.তারা অনেক ধনসম্পদ লাভ করেন
B.দেহত্যাগের পর তাদের আর পুনর্জন্ম হয় না
C.তারা অজেয় যোদ্ধা হন
D.তারা অমর হয়ে যান

**তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা:**
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ৪র্থ অধ্যায়ের (জ্ঞানযোগ) ৯ নম্বর শ্লোকে ভগবান স্বয়ং অর্জুনকে বলেছেন—
> *"জন্ম কর্ম চ মে দিব্যমেবং যো বেত্তি তত্ত্বতঃ। ত্যক্ত্বা দেহং পুনর্জন্ম নৈতি মামেতি সোঽর্জুন।।"*
>
**এর অর্থ হলো:** ভগবানের অপ্রাকৃত জন্ম ও কর্ম যারা হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করেন এবং বোঝেন, তারা মৃত্যুর পর এই দুঃখময় জড় জগতে আর ফিরে আসেন না; বরং ভগবানের নিত্য ধাম প্রাপ্ত হন।
আপনার উত্তরটি কমেন্ট বক্সে লিখে জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও গীতার জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করুন। 🚩
#ভগবদ্গীতা #হরে_কৃষ্ণ #ধর্মীয়_কুইজ

Address

Mayapur
Mayapur
741302

Telephone

+919679135465

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Army Of Prabhu Pada posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share