10/08/2022
https://www.facebook.com/103859414664853/posts/604355381281918/
🙏🌺পঞ্চম মহাবিদ্যা ভৈরবী🌺🙏
-: ত্রিপুরা ভৈরবী:-
দেবী ভৈরবী দশ মহাবিদ্যার পঞ্চম দেবী।ভৈরব কথার অর্থ হলো ভয়ংকর আর ভৈরবের স্ত্রী শক্তি হওয়াতে উনার নাম ভৈরবী। তন্ত্র শাস্ত্রে অ থেকে অ: পর্যন্ত অক্ষর কে ভৈরব ও ক থেকে ক্ষ পর্যন্ত অক্ষর কে যোনি বা ভৈরবী বলা হয়। উনি গুপ্ত তান্ত্রিক বিদ্যার দেবী। উনি ললিতা দেবীর রথ বাহিনী। ব্রহ্মাণ্ড পুরাণে উনাকে গুপ্ত যোগিনীদের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বলা হয়েছে।
🌺 স্বরূপ:- দেবী ভৈরবী অত্যন্ত উগ্র দেবী। উনি রক্ত বস্ত্র পরিধানা, উনার বক্ষ দেশ রক্ত চন্দন দিয়ে চর্চিত। উনি ত্রিনয়না, চতুর্ভুজা। বাম দিকের হতে অক্ষমালা ও বেদ পুস্তক এবং ডান দিকের হাতে অভয় ও বর মুদ্রা শোভা পাচ্ছে। উনি রক্ত পদ্মাসনা দেবী। বেদ জ্ঞানের প্রতীক এবম অক্ষমালা তপের প্রতীক। উনার থেকেই ব্রহ্মাণ্ড প্রকাশিত হচ্ছে আবার উনাতেই ব্রহ্মাণ্ড বিলীন হয়ে যাচ্ছে। উনি সূক্ষ্ম বাক ও মূল কারণের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। মুন্ডমালা তন্ত্রে বলা হয়েছে যে উনি নৃসিংহ দেবের অভিন্ন শক্তি।
🌺 প্রকারভেদ:- উনি প্রণব স্বরূপিনী।উনার অনেক রুপ বর্তমান যেমন বর্তমান সিদ্ধি, নিত্যা, কমলেশ্বরী, কামেশ্বরী, ষটকূটা, রুদ্র ভৈরবী, চৈতন্য ভৈরবী, কাল ভৈরবী প্রমুখ।
🌺 অবস্থান:- শ্মশানঘাট।
🌺 ভৈরব:- দক্ষিণামূর্তি কাল ভৈরব ও বটুক ভৈরব।
🌺 সহচরী:- ৬৪ যোগিনী।
🌺 আবির্ভাব:- শ্রী শ্রী চণ্ডী গ্রন্থে উনার উল্লেখ আছে যে মহিষাসুর এর সঙ্গে যুদ্ধের সময় উনি আবির্ভূতা হয়ে নিজের নখ দিয়ে মহিষ রুপী মহিষাসুরের বুক চিরে রুধির ধারা পরিবাহিত করেছিলেন। পঞ্চমুন্ডি আসনে প্রতিষ্ঠিত ভৈরবী দেবীকে আবার চণ্ডী রূপেও আখ্যায়িত করা হয়। উনার আবির্ভাবের রাত্রি কে কালরাত্রি বলা হয়।
🌺 আরাধনা:- সিদ্ধি ভৈরবী মূলত উত্তর আম্নার দেবী। নিত্যা ভৈরবী পশ্চিম আম্নার দেবী, শিব হচ্ছেন উনার উপাসক। রুদ্র ভৈরবী দক্ষিণ আম্নার দেবী, বিষ্ণু উনার উপাসক। মূলত তান্ত্রিক মার্গেই উনার পূজা হয়ে থাকে।
🌺 মহিমা:- উনি সর্ব সিদ্ধি ও বাকশক্তি প্রদায়িনী। উনি অভিষ্ট ফল দায়িনী।
🌺জয় মা ভৈরবী 🌺