Thakurer Gaan

Thakurer Gaan "ভক্তির সুরে গাওয়া বাংলা ঠাকুরের গান – রাধা-কৃষ্ণ, শিব, মা কালী ও আরও অনেক দেবতার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।"

নতুন নতুন ভক্তিগান শুনতে Like করুন Thakurer Gaan পেজটি

21/09/2025

এলো যে মা দুর্গা | মহালয়া স্পেশাল ভক্তিমূলক গান | Durga Puja Song 2025 | Thakurer Gaan


#এলোযেমাদুর্গা

শৈশবের বন্ধুত্বশ্রীকৃষ্ণ আর সুদামা ছোটবেলায় একই গুরু সন্দীপন মুনির আশ্রমে একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিলেন। তখন তাঁরা দুজনেই খ...
03/09/2025

শৈশবের বন্ধুত্ব
শ্রীকৃষ্ণ আর সুদামা ছোটবেলায় একই গুরু সন্দীপন মুনির আশ্রমে একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিলেন। তখন তাঁরা দুজনেই খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। কৃষ্ণ ছিলেন নীলবর্ণ, চঞ্চল কিন্তু প্রেমময়, আর সুদামা ছিলেন শান্ত স্বভাবের ব্রাহ্মণপুত্র।

একবার গুরুপত্নী তাঁদের বন থেকে কাঠ আনতে পাঠালেন। হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি শুরু হলো, তাঁরা দুজনেই ভিজে গেলেন। কৃষ্ণ মজা করলেও সুদামা ছিলেন কৃপণ, নিজের ভেজা খাবার কৃষ্ণের সঙ্গে ভাগ করতে চাননি। পরে সেই স্মৃতি কৃষ্ণ মজা করে মনে করাতেন।

---

সুদামার দারিদ্র্য
গুরুগৃহে শিক্ষা শেষ করে সবাই আলাদা হয়ে গেলেন। কৃষ্ণ হয়ে উঠলেন দ্বারকারাজ, অসীম ঐশ্বর্যের অধিকারী। অন্যদিকে সুদামা ছিলেন ব্রাহ্মণ, কিন্তু অতি দরিদ্র। তাঁর ঘরে খাবার জোটত না, স্ত্রী সন্তানদের না খেয়ে থাকতে হত।

একদিন সুদামার স্ত্রী অনুরোধ করলেন—
“শোনো, কৃষ্ণ তোমার বন্ধু। তিনি তো এখন রাজা। তুমি তাঁর কাছে গেলে হয়তো আমাদের জন্য কিছু সাহায্য করবেন।”

সুদামা দ্বিধা করলেও স্ত্রীর কথায় সম্মত হলেন। যাওয়ার আগে স্ত্রীর কাছ থেকে কৃষ্ণকে দেওয়ার জন্য সামান্য উপহার চাইলেন। স্ত্রী ধার করে দিলেন—এক মুঠো চিঁড়ে (পোহা), একটি পুরনো কাপড়ে বেঁধে।

---

দ্বারকায় আগমন
সুদামা পৌঁছলেন দ্বারকার রাজপ্রাসাদে। রাজা কৃষ্ণ তাঁকে দেখে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরলেন। অশ্রুসিক্ত চোখে বললেন—
“বন্ধু, কতদিন পর তোমাকে দেখছি! আমার গৃহ আজ সত্যিই পবিত্র হলো।”

কৃষ্ণ নিজে তাঁর চরণ ধুলা ধুয়ে দিলেন, রাজমহিষীগণ বিস্ময়ে দেখলেন—রাজা এক দরিদ্র ব্রাহ্মণকে কত ভালোবাসছেন।

---

চিঁড়ের দান
কৃষ্ণ হাসিমুখে বললেন—
“সুদামা, তুমি নিশ্চয় কিছু এনেছো আমার জন্য? তোমার উপহারই আমার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।”

লজ্জিত সুদামা তাঁর পুরনো কাপড়ের পোটলা খুলে দিলেন। তাতে ছিল সামান্য চিঁড়ে। কৃষ্ণ সেই চিঁড়ে হাতে নিয়ে আনন্দে খেতে লাগলেন। তিনি বললেন—
“এ যে অমূল্য উপহার! এর স্বাদ তো দেবলোকের অমৃত থেকেও বেশি।”

ভক্তিগ্রন্থে বলা হয়, কৃষ্ণ তিনবার খেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রুক্মিণী দেবী তাঁকে থামালেন—কারণ এক এক মুঠোতেই কৃষ্ণ সুদামার জীবনের এক এক দারিদ্র্য মোচন করে দিচ্ছিলেন।

---

ফিরে যাওয়ার পর
সুদামা রাজপ্রাসাদ থেকে ফেরার পথে ভাবলেন—
“আমি তো কৃষ্ণের কাছে কিছু চাইতে পারলাম না। তিনি শুধু ভালোবাসা দিয়েছেন।”

কিন্তু গৃহে ফিরে এসে বিস্মিত হলেন। তাঁর কুঁড়েঘর রূপান্তরিত হয়েছে প্রাসাদে, তাঁর স্ত্রী–সন্তানরা সোনার অলঙ্কারে সজ্জিত। দারিদ্র্য সম্পূর্ণ দূর হয়েছে।

যশোদা ছিলেন বৃন্দাবনের নন্দরাজের পত্নী। নন্দ–যশোদার জীবনে এক বড় বেদনা ছিল—তাঁদের নিজের সন্তান হচ্ছিল না। বহু প্রার্থনার...
03/09/2025

যশোদা ছিলেন বৃন্দাবনের নন্দরাজের পত্নী। নন্দ–যশোদার জীবনে এক বড় বেদনা ছিল—তাঁদের নিজের সন্তান হচ্ছিল না। বহু প্রার্থনার পর তাঁরা সন্তান লাভ করলেও সেটি টিকল না। তাই তাঁদের জীবনে এক শূন্যতা থেকে গেল।

অন্যদিকে মথুরায় অত্যাচারী রাজা কংসের কারাগারে দেবকী ও বাসুদেবের ঘরে জন্ম নিলেন শ্রীকৃষ্ণ। জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই আকাশবাণী হয়েছিল—এই শিশু একদিন কংসকে ধ্বংস করবে। ভয়ে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করেছিল। কিন্তু কৃষ্ণ জন্মানোর রাতে অলৌকিকভাবে সব শৃঙ্খল খুলে গেল, প্রহরীরা ঘুমিয়ে পড়ল।

বাসুদেব তখন কৃষ্ণকে নিয়ে যমুনা পার হয়ে গোকুলে এলেন। ঠিক সেই রাতে নন্দালয়ে যশোদা এক কন্যাসন্তান প্রসব করেছিলেন। বাসুদেব কৃষ্ণকে রেখে সেই কন্যাশিশুটিকে নিয়ে গেলেন মথুরায়। ফলে যশোদা–নন্দের ঘরেই কৃষ্ণ বড় হতে লাগলেন।

বৃন্দাবনের সবুজ গাছপালা আর যমুনার শান্ত জলের ধারে একদিন জন্ম নিলেন অনিন্দ্য সুন্দরী কন্যা—শ্রী রাধা। বৃশভানু মহারাজ ও কী...
03/09/2025

বৃন্দাবনের সবুজ গাছপালা আর যমুনার শান্ত জলের ধারে একদিন জন্ম নিলেন অনিন্দ্য সুন্দরী কন্যা—শ্রী রাধা। বৃশভানু মহারাজ ও কীর্তিদা দেবীর ঘরে জন্ম নেওয়া রাধা ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অসাধারণ সৌন্দর্যের অধিকারিণী। তাঁর চোখে ছিল গভীর শান্তি, মুখে ছিল কোমল হাসি, আর হৃদয়ে ছিল অপরিসীম ভক্তি।

অন্যদিকে গোকুলের নন্দালয়ে বড় হচ্ছিলেন কৃষ্ণ—নন্দরাজ ও যশোদার স্নেহের ছেলে। গোপালদের সঙ্গে গরু চরানো, বাঁশি বাজানো আর দুষ্টুমি করেই কাটতো তাঁর দিন। কিন্তু কৃষ্ণ ছিলেন স্বয়ং ভগবান বিষ্ণুর অবতার, তাই তাঁর প্রতিটি কাজেই ছিল এক অলৌকিক আকর্ষণ।

একদিন যমুনার তীরে রাধা প্রথম কৃষ্ণকে দেখলেন। কৃষ্ণের হাতে বাঁশি, মুখে দুষ্টু হাসি আর নীল বর্ণ শরীর দেখে রাধার মনে যেন অজানা আগুন জ্বলে উঠল। আর কৃষ্ণও রাধার রূপে, ভক্তিতে, সেই অমলিন প্রেমে মুগ্ধ হয়ে গেলেন। সেই মুহূর্ত থেকে শুরু হল এমন এক প্রেমকাহিনি, যা আজও ভক্তদের হৃদয়ে পূর্ণতার প্রতীক হয়ে আছে।

কৃষ্ণ যখন বাঁশি বাজাতেন, তখন শত শত গোপী ঘর ছেড়ে ছুটে আসতেন। কিন্তু কৃষ্ণের চোখ সবসময় খুঁজত শুধু রাধাকেই। গোপীদের মধ্যে তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠা, কৃষ্ণপ্রেমে সবচেয়ে নিবেদিতা।

এক পূর্ণিমার রাতে বৃন্দাবনের কুঞ্জবনে শুরু হল রাসলীলা। অসংখ্য গোপী সেখানে উপস্থিত। কৃষ্ণ তাঁদের প্রত্যেকের পাশে দাঁড়ালেন, সবাই ভেবেছিল কৃষ্ণ শুধু তাঁদের সঙ্গেই আছেন। কিন্তু সত্যিই যাঁর জন্য এই লীলা, তিনি ছিলেন রাধা। যখন রাধা একটু দূরে সরে গেলেন, কৃষ্ণের হৃদয় ব্যথিত হল। কৃষ্ণ তখন সব গোপীকে ছেড়ে শুধু রাধার খোঁজে বেরিয়ে পড়লেন। এই ঘটনাই প্রমাণ করল—
👉 রাধা ছাড়া কৃষ্ণ পূর্ণ নন, আর কৃষ্ণ ছাড়া রাধাও পূর্ণ নন।

তবে ভাগ্যের বিধান ছিল ভিন্ন। কৃষ্ণ পরে মথুরা, দ্বারকায় গিয়েছিলেন; রাজনীতি, যুদ্ধ, সমাজের দায়িত্বে আবদ্ধ হয়েছিলেন। রাধা থেকে গিয়েছিলেন বৃন্দাবনেই। তাঁদের দেহের মিলন হয়নি কখনও। তবু তাঁদের প্রেম কখনও ক্ষয় হয়নি।

রাধা প্রতিদিন কৃষ্ণের কথা ভেবে যমুনার ঘাটে বসতেন, আর কৃষ্ণ দূরে থেকেও রাধার প্রেমে ভরপুর থাকতেন। কৃষ্ণপ্রীতিতে ভরা সেই রাধা জীবনের শেষ অব্দি বৃন্দাবনকে রক্ষা করলেন। আর কৃষ্ণ, দ্বারকায় থেকেও সর্বদা রাধার নাম জপ করতেন।

এইভাবেই রাধা–কৃষ্ণের প্রেম দেহাতীত, সময়াতীত, চিরন্তন আধ্যাত্মিক প্রেমে পরিণত হয়। তাঁদের সম্পর্ক দেখিয়ে দেয়—
✨ সত্যিকারের প্রেম কখনও কেবল দেহে সীমাবদ্ধ থাকে না, আত্মায় থাকে, আর সেই আত্মার মিলনই সর্বোচ্চ পূর্ণতা।

তাই আজও ভক্তরা বলেন—
“রাধা ছাড়া কৃষ্ণ নেই, কৃষ্ণ ছাড়া রাধাও নেই।”

🪔বৃন্দাবনের সবুজ কুঞ্জবনে, যমুনার তীরে, কাশফুলে ঢাকা মাঠে জন্ম নিলেন এক অনিন্দ্য সুন্দরী কন্যা—শ্রী রাধা। বলা হয়, তিনি ...
03/09/2025

🪔বৃন্দাবনের সবুজ কুঞ্জবনে, যমুনার তীরে, কাশফুলে ঢাকা মাঠে জন্ম নিলেন এক অনিন্দ্য সুন্দরী কন্যা—শ্রী রাধা। বলা হয়, তিনি ছিলেন জন্ম থেকেই দেবী মহামায়ার রূপ, কৃষ্ণপ্রেমের মূর্ত প্রতীক। রাধা ছিলেন বর্ষাণা গ্রামের বৃশভানু মহারাজ ও কীর্তিদা দেবীর কন্যা। ছোটোবেলা থেকেই তাঁর সৌন্দর্য ও কোমল স্বভাব সকলকে মুগ্ধ করত।

কৃষ্ণ তখন নন্দালয়ে বড় হচ্ছেন। গোপালদের সঙ্গী হয়ে গরু চরানো, বাঁশি বাজানো আর দুষ্টুমি করেই কাটতো দিন। একদিন রাধা প্রথম কৃষ্ণকে দেখলেন। কৃষ্ণের নীল শরীর, মুখে দুষ্টু হাসি, হাতে বাঁশি— রাধার মন কেড়ে নিল মুহূর্তেই। আর কৃষ্ণও যেন জন্ম থেকে খুঁজছিলেন রাধাকেই।

রাধা–কৃষ্ণের প্রেম শুধু দুটি হৃদয়ের নয়, এটি ছিল অদ্বিতীয় আধ্যাত্মিক প্রেম। তাঁদের মিলনে দেহের সীমাবদ্ধতা ছিল না, ছিল আত্মার সংযোগ। বৃন্দাবনের প্রতিটি কুঞ্জ, প্রতিটি ফুল, প্রতিটি পাখি তাঁদের প্রেমের সঙ্গীত গাইত। গোপীগণ প্রায়ই বলত—
“যে প্রেম রাধার, সে প্রেম আর কারও নয়। কৃষ্ণকে তিনি শুধু ভালোবাসেন না, তাঁর ভেতরে কৃষ্ণকেই দেখেন।”

একদিন পূর্ণিমার রাত। যমুনার ঘাটে রাধা দাঁড়িয়ে আছেন। চাঁদের আলো নদীর জলে পড়ে ঝলমল করছে। কৃষ্ণ বাঁশি বাজিয়ে কাছে এলেন। সেই বাঁশির সুরে সব গোপীরা ছুটে এল, কিন্তু কৃষ্ণ চোখ খুঁজল শুধু রাধাকে।
কৃষ্ণ বললেন,
“রাধা, তুমি না এলে আমার বাঁশির সুরও অসম্পূর্ণ। তোমার উপস্থিতি ছাড়া বৃন্দাবন ফাঁকা।”
রাধা হেসে উত্তর দিলেন,
“কৃষ্ণ, তোমার সুর আমার হৃদয়ের নিশ্বাস। আমি না এলে তা কেমন করে পূর্ণ হয়?”

এইভাবেই রাধা–কৃষ্ণের প্রেম পূর্ণতা পেল— যেখানে দেহ নেই, আছে শুধু আত্মার মিলন।
ভক্তদের কাছে রাধা হলেন সেই শক্তি, যিনি কৃষ্ণকে সম্পূর্ণ করেন। তাই বলা হয়, “রাধা ছাড়া কৃষ্ণ নেই, কৃষ্ণ ছাড়া রাধা নেই।

একদিন কিছু ডাকাত বৃন্দাবনের গরু চুরি করতে আসে। ছোট্ট গোপাল তখন বাঁশি বাজাতে বাজাতে গরুগুলোকে জড়ো করে নেন। তাঁর বাঁশির স...
02/09/2025

একদিন কিছু ডাকাত বৃন্দাবনের গরু চুরি করতে আসে। ছোট্ট গোপাল তখন বাঁশি বাজাতে বাজাতে গরুগুলোকে জড়ো করে নেন। তাঁর বাঁশির সুরে গরুগুলো ডাকাতদের কাছ থেকে ছুটে এসে কৃষ্ণের চারপাশে জড়ো হয়। ডাকাতরা হতবাক হয়ে যায়। এরপর কৃষ্ণ তাঁর অলৌকিক শক্তি দিয়ে তাদের বশে এনে গরুগুলোকে রক্ষা করেন।

একদিন কৃষ্ণ সখাদের সঙ্গে গরু চরাচ্ছিলেন। তখন অসুর অঘাসুর বিশাল সাপের রূপ নিয়ে গরু ও গোপালদের গিলে ফেলতে এলো।সবাই ভয় পে...
02/09/2025

একদিন কৃষ্ণ সখাদের সঙ্গে গরু চরাচ্ছিলেন। তখন অসুর অঘাসুর বিশাল সাপের রূপ নিয়ে গরু ও গোপালদের গিলে ফেলতে এলো।
সবাই ভয় পেয়ে গেল। কৃষ্ণ নির্ভয়ে দানবের মুখে ঢুকে তার প্রাণ বের করে দিলেন।
গরুগুলো নিরাপদে বেঁচে গেল, আর বৃন্দাবনের সবাই বুঝল গোপাল কোনো সাধারণ ছেলে নন—তিনি সকলের রক্ষাকর্তা।

শিশুকালে কৃষ্ণ সকালে বাঁশি বাজিয়ে গোপাল বন্ধুদের নিয়ে বনে গরু চরাতে যেতেন।গরুগুলো তাঁর বাঁশির সুরে মুগ্ধ হয়ে শৃঙ্খলিত...
02/09/2025

শিশুকালে কৃষ্ণ সকালে বাঁশি বাজিয়ে গোপাল বন্ধুদের নিয়ে বনে গরু চরাতে যেতেন।
গরুগুলো তাঁর বাঁশির সুরে মুগ্ধ হয়ে শৃঙ্খলিতভাবে চলত।
গোপাল তাদের নাম ধরে ডাক দিতেন, আর গরুরা দৌড়ে এসে স্নেহভরে তাঁকে চেটে দিত।
এই দৃশ্য দেখে বৃন্দাবনের মানুষরা অবাক হয়ে ভাবতেন—
“এই শিশু কৃষ্ণ কি শুধুই সাধারণ রাখাল?

একদিন কৃষ্ণ মাখন চুরি করতে গিয়ে হাঁড়ি ভেঙে ফেললেন। যশোদা মা ধাওয়া করে তাঁকে ধরলেন।তিনি কৃষ্ণকে দড়ি দিয়ে উনুনে বাঁধতে...
02/09/2025

একদিন কৃষ্ণ মাখন চুরি করতে গিয়ে হাঁড়ি ভেঙে ফেললেন। যশোদা মা ধাওয়া করে তাঁকে ধরলেন।
তিনি কৃষ্ণকে দড়ি দিয়ে উনুনে বাঁধতে চাইলেন। কিন্তু আশ্চর্য—যত দড়ি জোড়া দিলেন, সবসময় দুই আঙুল কম হয়ে যায়।
শেষে ভগবানের করুণা পেয়ে দড়ি ঠিকমতো জুড়ে গেল।
তখন কৃষ্ণকে উনুনের সাথে বেঁধে রাখলেন—এই ঘটনাই “দামোদর লীলা” নামে পরিচিত।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Thakurer Gaan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share