Al Hidayah-الهداية

Al Hidayah-الهداية Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Hidayah-الهداية, Religious Center, KOLKATA.

‎কোরআনে স্পষ্ট ভাবে যে ১১ টি জায়গায় আল্লাহ বলেছেন তিনি কাদের ভালোবাসেন :-‎‎কুরআনে স্পষ্টভাবে ১১টি আয়াতে আল্লাহ ঘোষণা ক...
04/08/2025

‎কোরআনে স্পষ্ট ভাবে যে ১১ টি জায়গায় আল্লাহ বলেছেন তিনি কাদের ভালোবাসেন :-

‎কুরআনে স্পষ্টভাবে ১১টি আয়াতে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন যে, তিনি কাদের ভালোবাসেন (يُحِبُّ)। এইসব আয়াতে "إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ" (নিশ্চয়ই আল্লাহ ভালোবাসেন) বা এর সমতুল্য শব্দ ব্যবহার করে উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে আয়াত সংখ্যাসহ তালিকা দেওয়া হলো:

‎আল্লাহ যাদের ভালোবাসেন — আয়াত অনুযায়ী (১১টি আয়াত)

‎১. তাওবাকারী ও পবিত্রতাপূর্ণ - সূরা আল-বাকারা (2:222)
‎২. মুত্তাকী (পরহেযগার)- সূরা আলে ইমরান (3:76)
‎৩. সবরকারী (ধৈর্যশীল) -সূরা আলে ইমরান (3:146)
‎৪. তাওয়াক্কুলকারী -সূরা আলে ইমরান (3:159)
‎৫. মুহসিন (ইহসানকারী/উত্তম আমলকারী) - সূরা আলে ইমরান (3:134)
‎৬. মুহসিন (পুনরায়)- সূরা আল-মায়েদা (5:93)
‎৭. মুকসিত (ন্যায়পরায়ণ) -সূরা আল-মায়েদা (5:42)
‎৮. মুকসিত (পুনরায়)- সূরা হুজরাত (49:9)
‎৯. মুজাহিদ (আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রামী) - সূরা আস-সাফ (61:4)
‎১০. তাকওয়াবান - সূরা তাওবা (9:4)
‎১১. তাকওয়াবান (পুনরায়) -সূরা তাওবা (9:7)


‎এই ১১টি আয়াতে সরাসরি বলা হয়েছে “আল্লাহ ভালোবাসেন” (يُحِبُّ).

‎একাধিক আয়াতে একই গুণাবলী পুনরুক্ত হয়েছে যেমন: তাকওয়া, ইহসান, ন্যায়পরায়ণতা।

‎এই আয়াতগুলোতে মূলত যেসব গুণের প্রতি আল্লাহর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে:
‎➤ তাওবা
‎➤ তাকওয়া (আল্লাহভীতি)
‎➤ সবর
‎➤ তাওয়াক্কুল
‎➤ ইহসান
‎➤ ন্যায়পরায়ণতা
‎➤ জিহাদ/আল্লাহর পথে সংগ্রাম
‎➤ পবিত্রতা রক্ষা

‎এই ৮টি গুণ ইসলামী জীবনের মূল স্তম্ভগুলোর অন্যতম। এগুলোর প্রতিটি গুণ অর্জন করা হলে একজন মুমিনের ইমান, চরিত্র, এবং আমল পরিপূর্ণ হয়। নিচে প্রতিটি গুণ অর্জনের উপায় কুরআন, হাদীস ও বাস্তব অভ্যাসের আলোকে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করা হলো:

‎➤ ১. তাওবা (তওবা করা / ফিরে আসা)

‎অর্জনের উপায়:

‎গুনাহ বুঝে সঙ্গে সঙ্গে অনুতপ্ত হওয়া।

‎বারবার গুনাহ হলেও হাল না ছাড়া (সাহীহ মুসলিম, 2749)।

‎বেশি বেশি ইস্তেগফার ও দোয়া করা:

‎ “আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি মিন কুল্লি যাম্বিন”

‎রাতের নিঃশব্দ মুহূর্তে (তাহাজ্জুদে) আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে তাওবা করা।

‎➤ ২. তাকওয়া (আল্লাহভীতি)

‎অর্জনের উপায়:

‎আল্লাহর আদেশ-নিষেধ জানা এবং মানার চেষ্টা করা।

‎নিজেকে সবসময় হিসাবের দিনে দাঁড় করিয়ে চিন্তা করা।

‎একাকী অবস্থায় গোনাহ থেকে বিরত থাকা – এটাই আসল তাকওয়া।

‎কুরআন তিলাওয়াত ও হাদীস অধ্যয়নের মাধ্যমে অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগানো।

‎➤ ৩. সবর (ধৈর্য)

‎অর্জনের উপায়:

‎বিপদ, কষ্ট ও দুঃখে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে স্থির থাকা।

‎"ইন্নাল্লাহা মাআস্‌ সাবিরীন" – আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথেই আছেন (সূরা বাকারা: ১৫৩)।

‎পরীক্ষাগুলিকে আল্লাহর পরীক্ষা ভেবে দোয়া ও ইবাদতে অবিচল থাকা।

‎রাগের সময় নীরব থাকা, ওযু করা।

‎➤ ৪. তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর ভরসা)

‎অর্জনের উপায়:

‎নিজের চেষ্টা করে পরিণাম আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া।

‎কুরআনে বারবার এসেছে, “وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًۭا” – আল্লাহ যথেষ্ট কর্মবিধায়ক।

‎সাহাবাদের জীবনী পড়া যারা যুদ্ধেও আল্লাহর ওপর সম্পূর্ণ ভরসা রাখতেন।

‎➤ ৫. ইহসান (সর্বোত্তম আমল করা)

‎অর্জনের উপায়:

‎মনে রাখা: “তুমি যেন আল্লাহকে দেখছো, যদিও তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছো না, কিন্তু তিনি তোমাকে দেখছেন।” (সহীহ মুসলিম)

‎প্রতিটি কাজ নিখুঁতভাবে করা – নামায হোক বা মানুষের সাথে আচরণ।

‎লোক দেখানো থেকে বেঁচে খালি আল্লাহর জন্য কাজ করা।

‎➤ ৬. ন্যায়পরায়ণতা (আদল / ইনসাফ)

‎অর্জনের উপায়:

‎নিজের বিরুদ্ধে হলেও সত্য বলার সাহস রাখা।

‎পরিবার, বন্ধু, শত্রু – সকলের সঙ্গে ইনসাফ করা।

‎কুরআনের নির্দেশ:

‎ “হে ঈমানদারগণ! ন্যায়পরায়ণ সাক্ষ্যদাতা হয়ে আল্লাহর জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়াও।” (সূরা মায়েদা: ৮)

‎➤ ৭. জিহাদ (আল্লাহর পথে সংগ্রাম)

‎অর্জনের উপায়:

‎নিজের নফস, কুপ্রবৃত্তি ও গোনাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা – এটাই ‘আল জিহাদুল আকবার’।

‎কলম, কণ্ঠ, ধন, সময় ও দাওয়াহ দিয়ে ইসলামের জন্য কাজ করা।

‎সত্য ও ন্যায়ের পথে বাধা এলেও সাহসিকতা না হারানো।

‎➤ ৮. পবিত্রতা রক্ষা (তাহারাত)

‎অর্জনের উপায়:

‎অজু ও গোসল নিয়মিত এবং সুন্নাত মোতাবেক করা।

‎অন্তরের পবিত্রতার জন্য গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।

‎খাবার, পোশাক, হালাল-হারাম বিষয়ে সতর্ক থাকা।

🕋 হযরত মুহাম্মদ ﷺ সম্পর্কে অমুসলিম মনীষীদের ২০টি শ্রদ্ধাভাজন উক্তি (বাংলায়, রেফারেন্সসহ)---১. মাইকেল এইচ. হার্ট (Michael...
16/07/2025

🕋 হযরত মুহাম্মদ ﷺ সম্পর্কে অমুসলিম মনীষীদের ২০টি শ্রদ্ধাভাজন উক্তি (বাংলায়, রেফারেন্সসহ)

---

১. মাইকেল এইচ. হার্ট (Michael H. Hart)

📚 বই: The 100: A Ranking of the Most Influential Persons in History
📍 পৃষ্ঠা: ৩

> “আমি মুহাম্মদ (সা.)-কে ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে স্থান দিয়েছি, কারণ তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক—দুই দিকেই সর্বোচ্চ সফলতা লাভ করেছেন।”

---

২. জর্জ বার্নার্ড শ (George Bernard Shaw)

📚 বই: The Genuine Islam, Vol. 1, No. 8, 1936
📍 পৃষ্ঠা: ৮

> “আমি সর্বদা মুহাম্মদের ধর্মকে শ্রদ্ধা করেছি। আমার মতে, যদি ইউরোপ মুহাম্মদের মতো একজন মানুষ পায়, তবে সে এই মহাদেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে দেবে।”

---

৩. মহাত্মা গান্ধী (Mahatma Gandhi)

📚 উৎস: Young India, 1924
📍 পৃষ্ঠা: ১৫–১৮

> “আমি মুহাম্মদের জীবন অধ্যয়ন করেছি। আমার ধারণা, ইসলাম তরবারির মাধ্যমে ছড়ায়নি বরং নবীজির সরলতা, সত্যনিষ্ঠা ও ঈমানের শক্তির কারণে বিস্তার লাভ করেছে।”

---

৪. লিও টলস্টয় (Leo Tolstoy)

📚 উৎস: Collected Letters, 1908

> “মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন একজন মহান সংস্কারক। তাঁর ধর্ম মানুষের মধ্যে ন্যায়, দয়া ও শুদ্ধতা প্রচার করেছে।”

---

৫. থমাস কার্লাইল (Thomas Carlyle)

📚 বই: Heroes and Hero Worship, Lecture II: The Hero as Prophet
📍 পৃষ্ঠা: ৬১–৯৩

> “এই মানুষটি ছিলেন নীরব আত্মার অধিকারী। তাঁর মধ্যে ছিল অন্তরের আগুন। তিনি মিথ্যাবাদী হতে পারেন না।”

---

৬. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট (Napoleon Bonaparte)

📚 বই: Bonaparte et l’Islam – Christian Cherfils
📍 পৃষ্ঠা: ১০৫

> “আমি আশা করি এমন এক দিন আসবে, যখন আমি সমস্ত বিদ্বান ও জ্ঞানীদের একত্র করব মুহাম্মদের কুরআনের শিক্ষার অধীনে।”

---

৭. আলফ্রেড মার্টিন (Alfred Martin)

📚 বই: Great Men and Famous Women, Vol. 7
📍 পৃষ্ঠা: ৭২

> “তিনি ছিলেন নবী, রাজনীতিবিদ, শান্তিদূত এবং সংস্কারক—একটি জাতিকে নতুন রূপে গড়ে তোলার ক্ষমতা ছিল তাঁর।”

---

৮. ড. উইলিয়াম ড্রেপার (William Draper)

📚 বই: A History of the Intellectual Development of Europe, Vol. 1
📍 পৃষ্ঠা: ৩২৯–৩৩০

> “জাস্টিনিয়ানের মৃত্যুর চার বছর পরে এমন একজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেন, যিনি মানবজাতির উপর সর্বাধিক প্রভাব ফেলেছেন। তিনি হলেন মুহাম্মদ (সা.)।”

---

৯. ড. রামাকৃষ্ণ রাও (Dr. Ramakrishna Rao, ভারত)

📚 বই: Mohammad: The Prophet of Islam
📍 পৃষ্ঠা: ৮

> “মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর জীবনী এক পরিপূর্ণ জীবনের আদর্শ।”

---

১০. জওহরলাল নেহরু (Jawaharlal Nehru)

📚 বই: Glimpses of World History
📍 পৃষ্ঠা: ১১২

> “মুহাম্মদের (সা.) মূল শিক্ষা হলো শান্তি ও মানবতার বন্ধন। বর্তমান বিশ্বে তার শিক্ষা মানবজাতির মুক্তির পথ হতে পারে।”

---

১১. জেমস গ্যাভিন (General James Gavin, USA)

📘 বই: Great Commander Series (প্রসিদ্ধ সামরিক ইতিহাস সংকলন)

> “যে নেতারা শূন্য থেকে একটি জাতি গড়ে তুলেছেন, তাদের মধ্যে মুহাম্মদ (সা.) সর্বোচ্চ।”

---

১২. Bosworth Smith

📚 বই: Mohammed and Mohammedanism
📍 পৃষ্ঠা: ৯২

> “তিনি ছিলেন একাধারে সিজার ও পোপ—কিন্তু তার সিজারত্ব ছিল বাহিনী ছাড়া, এবং পোপত্ব ছিল অহংকারহীন।”

---

১৩. Annie Besant

📚 বই: The Life and Teachings of Muhammad
📍 পৃষ্ঠা: ৪

> “যদি কেউ মুহাম্মদের জীবন ও চরিত্র নিরপেক্ষভাবে অধ্যয়ন করে, তাহলে সে তাঁকে শ্রদ্ধা না করে থাকতে পারবে না।”

---

১৪. Sir George Eliot (Mary Anne Evans)

📘 উৎস: Collected Essays

> “মুহাম্মদ ছিলেন সত্যিকারের একজন মহানায়ক। তাঁর চরিত্র, সাহস ও নীতি যুগযুগ ধরে মানুষকে অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছে।”

---

১৫. Karen Armstrong (ইংল্যান্ড)

📚 বই: Muhammad: A Prophet for Our Time
📍 পৃষ্ঠা: ১০

> “মুহাম্মদ (সা.) শান্তির দূত ছিলেন। তিনি সবার জন্য সহমর্মিতার বার্তা এনেছেন।”

---

১৬. Lamartine (ফ্রান্স)

📚 বই: Histoire de la Turquie
📍 Vol. II, পৃষ্ঠা: ২৭৬

> “মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন দার্শনিক, বক্তা, রাসুল, যোদ্ধা, আইনপ্রণেতা, বিজয়ী, চিন্তাবিদ ও সংস্কারক। মানব ইতিহাসে এমন নিখুঁত সমন্বয় আর দেখা যায় না।”

---

১৭. Stanley Lane-Poole

📚 বই: Speeches and Table Talk of the Prophet Muhammad
📍 পৃষ্ঠা: ২৩

> “মুহাম্মদ (সা.) তাঁর শত্রুদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর মহানুভবতা ও উদারতা নজিরবিহীন।”

---

১৮. De Lacy O’Leary

📚 বই: Islam at the Crossroads
📍 পৃষ্ঠা: ৮

> “মুহাম্মদ সম্পর্কে ধারণা করা হয় যে, ইসলাম তরবারির দ্বারা ছড়িয়েছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, মুসলিম শাসনের নিচে বসবাসকারী অমুসলিমরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ধর্মীয় স্বাধীনতা পেয়েছে।”

---

১৯. Montgomery Watt (ইংল্যান্ড)

📚 বই: Muhammad at Mecca
📍 পৃষ্ঠা: ৫২

> “তিনি (মুহাম্মদ ﷺ) ছিলেন সত্যবাদী, বিশ্বস্ত এবং দূরদর্শী এক নেতা। তাঁর উপর অবিচার করা মানে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্যকে অস্বীকার করা।”

---

২০. Philip K. Hitti

📚 বই: History of the Arabs
📍 পৃষ্ঠা: ১২৩

> “মুহাম্মদ ছিলেন ইতিহাসের একজন অন্যতম অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, যিনি আরব জাতিকে নতুন জীবনের পথ দেখিয়েছেন।”

---

✅ উপসংহার:

এই উক্তিগুলোর মাধ্যমে বোঝা যায়, হযরত মুহাম্মদ ﷺ ছিলেন এমন একজন মহামানব যাঁকে শুধু মুসলমানরা নয়, বিশ্ব ইতিহাসের জ্ঞানী অমুসলিমরাও অকপটে শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি দিয়েছেন।

ইসলামে সফর (ভ্রমণ) থেকে বাড়ি ফিরে আসার কিছু সুন্নাত ও রীতিনীতি রয়েছে, যা রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে অনুসরণ করেছেন এবং সাহাবাদের ...
09/07/2025

ইসলামে সফর (ভ্রমণ) থেকে বাড়ি ফিরে আসার কিছু সুন্নাত ও রীতিনীতি রয়েছে, যা রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে অনুসরণ করেছেন এবং সাহাবাদের শিক্ষা দিয়েছেন। এগুলো পালন করলে ফিরে আসার মুহূর্তও ইবাদতের অংশ হয়ে যায়।

---

🏠 সফর থেকে বাড়ি ফেরার রীতি-নীতি ও আদব

---

🕌 ১. প্রথমে মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়া

রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন সফর থেকে ফিরতেন, সবার আগে মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।

> 📖 হাদীস:
“নবী ﷺ যখন সফর থেকে ফিরতেন, তখন মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।”
— (বুখারী, হাদীস: ৪৪১)

🔹 এটি আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপনের অন্যতম সুন্দর উপায়।

---

🗓️ ২. ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দেওয়া ও ছোট দোয়া পড়া

> سَلَامٌ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدَّارِ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ
“এই ঘরের বাসিন্দাদের উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।”

🔸 ঘরে ঢোকার সময় সালাম দেওয়া এবং “বিসমিল্লাহ” বলা হাদীসসম্মত।

---

🤲 ৩. সফরের শেষে শুকরিয়া আদায় করা

হজ বা ওমরাহ থেকে ফিরে আসা হোক, কিংবা ব্যবসায়িক সফর—আল্লাহ নিরাপদে ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে শুকরিয়া আদায় করা গুরুত্বপূর্ণ।

> الحمد لله الذي ردنا سالمين
“সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছেন।”

---

🧕 ৪. পরিবারের জন্য উপহার (তহফা) আনা সুন্নাত

> 📖 হাদীস:
“তোমরা একে অপরকে উপহার দাও, এতে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।”
— (আহমদ, বাইহাকি)

🔸 সফর শেষে ছোট্ট কিছু হলেও পরিবারের জন্য কিছু আনা সুন্নাত ও ভালোবাসার নিদর্শন।

---

📅 ৫. সফরের ক্লান্তি দূর করতে বিশ্রাম নেওয়া, কিন্তু নামাজ কাযা না করা

দীর্ঘ সফরের পর বিশ্রাম নেওয়া উচিত, তবে ফজর, যোহর, আসর ইত্যাদি সালাত সময়মতো আদায় করতে ভুল করা যাবে না।

---

🧑‍🤝‍🧑 ৬. আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের দেখা করা (যদি সম্ভব হয়)

সফরের কথা ভাগ করে নেওয়া, ভালো উদ্দেশ্যে সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা—এটি সম্পর্ক দৃঢ় করে।

---

📚 ৭. যদি সফরে কোনো মানত বা নিয়ত করা হয়ে থাকে, তা পূরণ করা

অনেকে বলে, “নিরাপদে ফিরে আসলে এত রাকাত নফল পড়বো”, বা দান করবো—সেটি পূরণ করা ওয়াজিব।

---

📝 সংক্ষেপে:

রীতি ব্যাখ্যা

দুই রাকাত নামাজ মসজিদে গিয়ে শুকরিয়ার সালাত
সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ ঘরের লোকদের প্রতি দোয়া
উপহার আনা সুন্নাত ও ভালোবাসার নিদর্শন
শুকরিয়া আদায় নিরাপদে ফিরে আসার জন্য
আত্মীয় দেখা সম্পর্ক উন্নয়ন
মানত পূরণ সফরে করা নিয়ত বাস্তবায়ন

---

🌺 উপসংহার:

সফর থেকে ফিরে আসাও ইসলামি আদব ও সুন্নাত দিয়ে ঘেরা। একটু মনোযোগ দিয়ে এগুলো পালন করলে শুধু সফর নয়, ফেরার প্রতিটি পদক্ষেপও ইবাদতের সওয়াব অর্জন করবে।

📘 কোরআন নিয়ে ২০ জন বৈজ্ঞানিকের মন্তব্য (বাংলায় ও রেফারেন্সসহ)---১. ড. মরিস বুকাইলি (Dr. Maurice Bucaille) – ফ্রান্স🗣️ ...
09/07/2025

📘 কোরআন নিয়ে ২০ জন বৈজ্ঞানিকের মন্তব্য (বাংলায় ও রেফারেন্সসহ)

---

১. ড. মরিস বুকাইলি (Dr. Maurice Bucaille) – ফ্রান্স

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনে এমন অনেক বৈজ্ঞানিক তথ্য রয়েছে যা আধুনিক বিজ্ঞানের সঙ্গে পুরোপুরি মিল রয়েছে।”
📚 সূত্র: The Bible, The Qur'an and Science, ১৯৭৬

---

২. ড. কিথ এল. মুর (Dr. Keith L. Moore) – কানাডা (ভ্রূণতত্ত্ববিদ)

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনে ভ্রূণের বিকাশ যেভাবে বর্ণিত হয়েছে তা আধুনিক ভ্রূণবিজ্ঞানের সঙ্গে একদম মিলে যায়।”
📚 সূত্র: ৭ম সৌদি মেডিকেল সম্মেলন, দাম্মাম, ১৯৮১

---

৩. ড. জো লেইঘ সিম্পসন (Dr. Joe Leigh Simpson) – যুক্তরাষ্ট্র

🗣️ মন্তব্য: “এই তথ্যগুলো এমন একজনের পক্ষে বলা সম্ভব, যিনি আল্লাহর কাছ থেকে জ্ঞান পেয়েছেন।”
📚 সূত্র: সৌদি মেডিকেল কনফারেন্স, ১৯৮১

---

৪. ড. উইলিয়াম হে (Dr. William W. Hay) – যুক্তরাষ্ট্র (সমুদ্রবিজ্ঞানী)

🗣️ মন্তব্য: “সমুদ্রের গভীরতা ও স্তর সম্পর্কে কোরআনের জ্ঞান এক কথায় অবিশ্বাস্য!”
📚 সূত্র: আন্তর্জাতিক সম্মেলন “Scientific Signs in the Qur’an and Sunnah”, ১৯৮২

---

৫. ড. আলফ্রেড ক্রোনার (Dr. Alfred Kroner) – জার্মানি (ভূতত্ত্ববিদ)

🗣️ মন্তব্য: “মুহাম্মদ (স.) যদি সত্যিই একজন নিরক্ষর হন, তাহলে এই তথ্য জানার কোনও উপায় ছিল না।”
📚 সূত্র: This is the Truth ডকুমেন্টারি, শাইখ যিন্দানি

---

৬. ড. জেরাল্ড সি. গ্যুরিংগার (Dr. Gerald C. Goeringer) – যুক্তরাষ্ট্র

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনের আয়াতগুলো মানবদেহের বিকাশের খুব সূক্ষ্ম এবং নির্ভুল বর্ণনা দিয়েছে।”
📚 সূত্র: Embryology in the Qur’an, Islamic Research Foundation

---

৭. ড. টি ভি এন পার্থসারথি (Dr. T.V.N. Persaud) – ভারত/কানাডা

🗣️ মন্তব্য: “৭ম শতাব্দীতে এসব তথ্য জানার কোনও উপায় ছিল না, এগুলো নিশ্চয়ই ঐশী উৎস থেকে এসেছে।”
📚 সূত্র: This is the Truth, Saudi Scientific Conference

---

৮. ড. ইয়োশিহিদে কোজাই (Dr. Yoshihide Kozai) – জাপান (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনের জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্যগুলো এতটাই সঠিক, যা আজকের বিজ্ঞানও মেনে নিতে বাধ্য।”
📚 সূত্র: This is the Truth ভিডিও সাক্ষাৎকার

---

৯. ড. ই. মার্শাল জনসন (Dr. E. Marshall Johnson) – যুক্তরাষ্ট্র

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনের আয়াতগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত বলেই এত নির্ভুলভাবে সত্য বলেছে।”
📚 সূত্র: Scientific Miracles in the Quran and Sunnah, সেমিনার

---

১০. ড. ফ্র্যাঙ্ক মরিসন (Frank Morrison) – যুক্তরাজ্য

🗣️ মন্তব্য: “আমি কোরআন খণ্ডন করতে গিয়ে নিজেই মুসলিম হয়ে যাই।”
📚 সূত্র: Who Moved the Stone? বই (মূলত বাইবেল বিষয়ক হলেও পরবর্তীতে ইসলাম বিষয়ে সমর্থন করেন)

---

১১. ড. বার্থেলেমি (Dr. Bartholomew) – ফ্রান্স

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনের নির্দেশিত চিকিৎসা ও প্রাকৃতিক জ্ঞান অনেকটাই আধুনিক বিজ্ঞানের মতো।”
📚 সূত্র: Scientific Miracles in the Quran – হারুন ইয়াহইয়া

---

১২. ড. টেজাটাত টেজাসেন (Dr. Tejatat Tejasen) – থাইল্যান্ড

🗣️ মন্তব্য: “আমি বিশ্বাস করি কোরআনের প্রতিটি বর্ণ সত্য — এ কারণেই আমি ইসলাম গ্রহণ করি।”
📚 সূত্র: ৮ম সৌদি মেডিকেল সম্মেলন, রিয়াদ, ১৯৮১

---

১৩. ড. হ্যারি আরমস্ট্রং (Dr. Harry Armstrong) – যুক্তরাষ্ট্র (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)

🗣️ মন্তব্য: “কোরআন সঠিকভাবে বলেছে—চাঁদ নিজের আলো দেয় না, সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে।”
📚 সূত্র: Scientific Facts in the Qur’an, iERA publication

---

১৪. ড. উইলিয়াম ক্যাম্পবেল (Dr. William Campbell) – যুক্তরাষ্ট্র

🗣️ মন্তব্য: “যদিও আমি সমালোচক, কিন্তু কোরআনের অনেক বিজ্ঞানসঙ্গত বক্তব্য অস্বীকার করার উপায় নেই।”
📚 সূত্র: তার বিতর্ক – “The Quran and the Bible in the Light of Science”, জাকির নায়েকের সাথে

---

১৫. ড. গ্যারি মিলার (Dr. Gary Miller) – কানাডা (গণিতবিদ ও ধর্মতত্ত্ববিদ)

🗣️ মন্তব্য: “একজন অজ্ঞ বা মিথ্যাবাদীর পক্ষেও কোরআনের মতো গ্রন্থ লেখা সম্ভব নয়।”
📚 সূত্র: The Amazing Quran, Gary Miller

---

১৬. ড. রবার্ট ব্রাউন (Dr. Robert Brown) – যুক্তরাজ্য

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনের ভাষা ও তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর উৎস মানব নয়।”
📚 সূত্র: IRF আলোচনাসভা, লন্ডন

---

১৭. ড. লরেন্স ব্রাউন (Dr. Laurence Brown) – যুক্তরাষ্ট্র

🗣️ মন্তব্য: “আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে বিশ্বাস করি কোরআন কোনো মানুষের সৃষ্টি হতে পারে না।”
📚 সূত্র: The First and Final Commandment, Dr. Brown

---

১৮. ড. আর্থার এলিসন (Dr. Arthur Ellison) – যুক্তরাজ্য

🗣️ মন্তব্য: “আমি ইসলামকে যুক্তিপূর্ণ এবং প্রমাণনির্ভর ধর্ম হিসেবে পেয়েছি। কোরআনের তথ্য বিজ্ঞাননির্ভর।”
📚 সূত্র: Interview – Islamic Bulletin

---

১৯. ড. রজার গারোডি (Dr. Roger Garaudy) – ফ্রান্স (দার্শনিক ও প্রাক্তন মার্কসবাদী)

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনের মতো যুক্তিনির্ভর ধর্মগ্রন্থ আর দ্বিতীয়টি পৃথিবীতে নেই।”
📚 সূত্র: Islam and the West, Roger Garaudy

---

২০. ড. লেইন জনসন (Dr. Lane Johnson) – USA (ভূতত্ত্ববিদ)

🗣️ মন্তব্য: “কোরআনে পাহাড়ের ভূমিকা এবং স্থিরতার বিষয়গুলো আধুনিক ভূতত্ত্বের সাথে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ।”
📚 সূত্র: Geological Symposium on Scientific Signs in the Qur’an, Riyadh

২৬এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025
27/03/2025

২৬এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025

২৫এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025
26/03/2025

২৫এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025

২৪এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025
25/03/2025

২৪এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025

২৩এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025
24/03/2025

২৩এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025

২২এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025
23/03/2025

২২এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025

২১এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025
22/03/2025

২১এ রমজান ১৪৪৬ হিজরী || Ramadan Kareem 2025

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Hidayah-الهداية posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share