19/05/2026
মুসলিমরা বেশি বেশি করে এগুলো হাইলাইট করছে। ধৰ্ম জ্ঞান না থাকা কিছু হিন্দু নিজের অর্থের জন্য গরু বেঁচে টাকা উপার্জন করবে তার দায় আমরা কেনো নেবো! ধর্ম নিজেদের অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে যাক, কিন্তু অর্থ চাই এদের। এদের টাকা উপার্জনের নেশা
গরু পাচার, অবৈধ কসাইখানা,এবং বকরিদের ওপর সরকার কিছু নিয়ম শর্ত লাগিয়েছে।এর ফলে বহু গরুর জীবন বাঁচবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ হিন্দুরা যারা গরু পালন করে বেশিরভাগ বিক্রি করে টাকার জন্য । তো তাদের সেই কমজোরিকে কাজে লাগাছে মুসলিমরা। তাদের ব্রেন ওয়াস করছে।। মনে রাখবেন গরু কোনদিন পণ্য নয় গরু ভারতের আত্মা মানবজাতির রক্ষাকর্তা। এই গোহত্যার পাপ সবার উপর পড়বে। অর্থ আগে নয় ধর্ম আগে গরু বিক্রি করা মানে অধর্মের কাজ। আর এই অভিশাপ জীবনকে ছারখার করে দেবে। তাই জন্য গোমাতা কে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। গরুর উপকারিতা
গো হত্যা বন্ধ হোক
গরু কে জাতীয় প্রাণী করা হোক
গরু বাঁচলে ভারত বাঁচবে
গরু আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি প্রাণী,
অসামান্য অবদান রাখে আমাদের জীবনে। এর প্রধান উপকারিতা হলো পুষ্টিকর দুধ, জৈব সার ও জ্বালানি হিসেবে গোবরের ব্যবহার, এবং হাল চাষ ও পণ্য পরিবহনে সহায়তা।
গরুর বিস্তারিত উপকারিতা নিচে দেওয়া হলো:-
১)পুষ্টিকর দুধের উৎস: গরু আমাদের অন্যতম প্রধান পুষ্টিকর খাবার—দুধের যোগান দেয়, যা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং ভিটামিনের ভাণ্ডার। দুগ্ধজাত পণ্য যেমন—দই, ঘি, মিষ্টি, ছেনা,মাখনও আমাদের খাদ্যতালিকায় গুরুত্বপূর্ণ।
কৃষিতে ব্যবহার:
গরু দিয়ে হাল চাষ করা হয় এবং পণ্য পরিবহনের জন্য গরুর গাড়ি ব্যবহৃত হয়।
২)জৈব সার ও জ্বালানি:
গরুর গোবর উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসেবে জমির উর্বরতা বাড়ায়। এছাড়া, গোবর থেকে বায়োগ্যাস (Biogas) তৈরি করা হয় যা রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩)গোবর :- গোবর গ্যাস থেকে বিদুৎ, রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।
গোবর থেকে রং, পুটটি,নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী, সাবনা, শ্যাম্পু,দেওয়াল লেপন করা হয়।
৪) চামড়া:- মৃত গরুর চামড়া দিয়ে বিভিন্ন রকমের চামড়াজাত পণ্য তৈরি করা হয়।
৫)চিকিৎসা:-গোমূত্র বা গব্যঘৃত (ঘি) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
৫)জৈব সার ও ভার্মিকম্পোস্ট:- গোবর পচিয়ে উৎকৃষ্ট মানের জৈব সার তৈরি হয়। কেঁচো ব্যবহার করে তৈরি ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার জমির উর্বরতা বাড়ায়।
৬)বায়োগ্যাস (Biogas):- গোবর থেকে আধুনিক প্রযুক্তিতে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা হয়, যা রান্না এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৭)ঘুঁটে :- গোবর শুকিয়ে ঘুঁটে তৈরি করা হয়, যা রান্নার জ্বালানি হিসেবে বহুল ব্যবহৃত।
৮)ঘর লেপার মাটি:- শুকনা গোবর গুঁড়ো করে মাটির সাথে মিশিয়ে ঘর বা উঠান লেপার কাজে ব্যবহার করা হয়, যা ঘরকে ঠান্ডা রাখে এবং জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।ধূপকাঠি ও মশা তাড়ানোর কয়েল: গোবর দিয়ে তৈরি ধূপকাঠি ও পরিবেশবান্ধব ধূপ ঘরে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে।
৯)হস্তশিল্প ও কাগজ:- গোবর থেকে হ্যান্ডমেড পেপার বা কাগজ, ফ্রেসকো এবং বিভিন্ন ঘর সাজানোর শিল্পসামগ্রী তৈরি হচ্ছে।
১০)ঘর পরিষ্কারের তরল:- গোবর ও গোমূত্র থেকে ঘর পরিষ্কার করার ফ্লোর ক্লিনারও তৈরি করা হচ্ছে
গরুর গোবর থেকে মূলত উন্নতমানের জৈব সার (কম্পোস্ট ও ভার্মিকম্পোস্ট), জ্বালানি (ঘুঁটে), এবং বায়োগ্যাস তৈরি করা হয়। এছাড়াও এটি দিয়ে ঘর লেপার মাটি, ধূপকাঠি, কাগজ, এবং ঘর পরিষ্কার করার লিকুইড তৈরি করা হচ্ছে।
#হাইলাইট
#ফলোয়ার
#ভাইরাল
#গো_হত্যা_বন্ধ_হোক
#গরুকে_রাষ্ট্রীয়_মর্যাদা_দেওয়া_হোক
#পশ্চিমবঙ্গ
#ভারতীয়
#গোমাতা #গোমাতা # #गोपाल #गोमाता #সনাতনধর্ম
#বৈদিক
যারা গোমাতা, গোবর নিয়ে ব্যঙ্গ করেন তাদের জন্য উপযুক্ত জবাব। লেখাটা অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়বেন 🙏 গোবর, গো মুত্র থেকে যদি আমরা তো উপার্জন করতে পারি তখনই গো রক্ষা হবে। কারণ একটা গোমাতা শেষ জীবন পর্যন্ত গোবর,গোমূত্র দেয় কিন্তু দুধ দেয় না।বেশিরভাগ মানুষ দুধের জন্য গোমাতাকে পালন করে যার জন্যই বয়স হয়ে গেলে গো মা তাকে বিক্রি করে দেয় তারা। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। যদি গোমাতার প্রতি আপনাদের ভক্তি থাকে।আশেপাশের বহু মুসলিম মানুষেরা গোবর নিয়ে ব্যাঙ্গ করেন। গোমাতা হলো সারা বিশ্বের মা কারন তিনি পালন করছেন। মা যেমন সেবা-শু্র সা করে গোমাতা গোবর, গোমূত্র, দুধ দেয় শারীরিক সমস্যা হলে গোমূত্র কিংবা না হলে আমরা ব্যবহার করতে পারি রোগ হলেও আমরা পঞ্চগব্ব ওষুধ ব্যবহার করে সুস্থ হতে পারি। দেশি গরুর দুধ অমৃত সমান কি নেই এতে আমাদের শারীরিক পুষ্টির জন্য যা যা প্রয়োজন সাত্ত্বিক আহার। আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য দুধ খুব প্রয়োজনীয় জিনিস এবং এটা দেশি গোমাতা দরকার। এবং এই দূর থেকে যদি আমরা বিলোনা ঘি বানাতে পারি সেটা বহু শারীরিক সমস্যা থেকেও মুক্তি দেবে। এবং যাদের শারীরিক সমস্যা প্রেসার আছে কিংবা কোলেস্টেরল আছে তারাও এই ঘি খেতে পারেন এবং তাদের অনেক উপকার হবেন।এমন কি কোন সন্তান শিশু অবস্থাতেই মাতৃহারা হয়ে যায় এই গোমাতা দুধ পান করে জীবিত থাকতে পারে। তাহলে এক মাতার অবর্তমানে আরেক মা জীবন রক্ষায় অবদান রাখছে তিনি কি মাতার সম্মানের প্রাপ্য নয়। মা যেমন তার সন্তানকে স্নেহ দেয় , ভালোবাসা দেয় আপনি গোমাতার কাছে যাবেন। বিশেষ করে দেশী গোমাতার তারাও দেখবেন আপনাকে স্নেহ দেবে ভালোবাসা দেবে। একটা ষাঁড় গরু মাতা হতে পারে মাতা শব্দের অর্থ এখানে শুধু জন্মদাতা বা কোন স্ত্রী নয়। ওখানে পালনকর্তা হিসাবেও তাকে মায়ের সম্মান দেয়া হয় এটাই ভারত মাতা এই মাটি ও আমাদের মা। কারণ যদি এই মাটি না থাকে ফসল পাবেন জল কোথা থেকে পাবেন । যোগেশ্বর ভগবান কৃষ্ণের জন্মদাত্রী মাতা ছিলেন এবং পালনকর্তা মাতা ছিলেন দুজনেই মাতা।ভারতবর্ষের আধ্যাত্মিক দর্শন,সমস্কৃত ভাষা এবং এর গভীরতা যাওয়ার মতন সবার মস্তিষ্ক নেই তো। সবাই বুঝতে পারে না এবং এই ধর্মকে ছোট করার জন্য তারা বিভিন্ন রকম খারাপ কথা বলে। একটা ষাঁড় গরু সেই লাঙ্গল দেয় ফসল ফলায় আমাদের পালন করছে সেও মাতা অনেকে বলে গোমাতা তোমাদের মা আর ষাঁড় গরু কি বাপ। এখানেও লিঙ্গের ব্যাপার চলে আসছে তাদের কাছে। মানুষ এই লিঙ্গর বিষয় নিয়ে মাথা খারাপ করে ফেলেছে এর উপরে উঠতে পারছে না। এই এ বিষয়টা সবচেয়ে নিম্ন স্তরের এটা কি আমরা উপরে তুলে দিয়েছি। মনে রাখবেন সাধু সন্ন্যাসীদের আমরা বাবা বলি ফকির থাকে মুসলিমদের পীর মাজারে তাদেরকে বাবা বলেন না আপনারা তাহলে কি আপনাদের বাবা হয়ে গেল সে?এখানেও তো সম্মান দেয়া হলো। জীবনে যখন দেখবেন জল তেষ্টা পেয়েছে কিংবা খিদে পায় তখন আপনি ঈশ্বরকে ডাকবেন না জলের জন্য বা খাদ্যের জন্য। জীবনের সাধনার জন্য আপনার শরীর ঠিক রাখতে হবে এবং ক্ষুধা তৃষ্ণা যদি বেশি পায় সাধনাতে মন বসবে না।
বিপ্লব সত্যর্থী
#গোবর