সনাতন বৈদিক ধর্ম #sanatan vaidic dharma

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • সনাতন বৈদিক ধর্ম #sanatan vaidic dharma

সনাতন বৈদিক ধর্ম #sanatan vaidic dharma 🕉🕉সনাতন বৈদিক ধর্ম নিয়ে সঠিক তথ্য ও জ্ঞান অর্জন করুন 🙏🙏

মুসলিমরা বেশি বেশি করে এগুলো হাইলাইট করছে। ধৰ্ম জ্ঞান না থাকা কিছু হিন্দু নিজের অর্থের জন্য গরু বেঁচে টাকা উপার্জন করবে ...
19/05/2026

মুসলিমরা বেশি বেশি করে এগুলো হাইলাইট করছে। ধৰ্ম জ্ঞান না থাকা কিছু হিন্দু নিজের অর্থের জন্য গরু বেঁচে টাকা উপার্জন করবে তার দায় আমরা কেনো নেবো! ধর্ম নিজেদের অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে যাক, কিন্তু অর্থ চাই এদের। এদের টাকা উপার্জনের নেশা
গরু পাচার, অবৈধ কসাইখানা,এবং বকরিদের ওপর সরকার কিছু নিয়ম শর্ত লাগিয়েছে।এর ফলে বহু গরুর জীবন বাঁচবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ হিন্দুরা যারা গরু পালন করে বেশিরভাগ বিক্রি করে টাকার জন্য । তো তাদের সেই কমজোরিকে কাজে লাগাছে মুসলিমরা। তাদের ব্রেন ওয়াস করছে।। মনে রাখবেন গরু কোনদিন পণ্য নয় গরু ভারতের আত্মা মানবজাতির রক্ষাকর্তা। এই গোহত্যার পাপ সবার উপর পড়বে। অর্থ আগে নয় ধর্ম আগে গরু বিক্রি করা মানে অধর্মের কাজ। আর এই অভিশাপ জীবনকে ছারখার করে দেবে। তাই জন্য গোমাতা কে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। ‎গরুর উপকারিতা
গো হত্যা বন্ধ হোক
গরু কে জাতীয় প্রাণী করা হোক
গরু বাঁচলে ভারত বাঁচবে
গরু আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি প্রাণী,
‎ অসামান্য অবদান রাখে আমাদের জীবনে। এর প্রধান উপকারিতা হলো পুষ্টিকর দুধ, জৈব সার ও জ্বালানি হিসেবে গোবরের ব্যবহার, এবং হাল চাষ ও পণ্য পরিবহনে সহায়তা।
‎গরুর বিস্তারিত উপকারিতা নিচে দেওয়া হলো:-
‎১)পুষ্টিকর দুধের উৎস: গরু আমাদের অন্যতম প্রধান পুষ্টিকর খাবার—দুধের যোগান দেয়, যা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং ভিটামিনের ভাণ্ডার। দুগ্ধজাত পণ্য যেমন—দই, ঘি, মিষ্টি, ছেনা,মাখনও আমাদের খাদ্যতালিকায় গুরুত্বপূর্ণ।
‎কৃষিতে ব্যবহার:
‎গরু দিয়ে হাল চাষ করা হয় এবং পণ্য পরিবহনের জন্য গরুর গাড়ি ব্যবহৃত হয়।
‎২)জৈব সার ও জ্বালানি:
‎গরুর গোবর উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসেবে জমির উর্বরতা বাড়ায়। এছাড়া, গোবর থেকে বায়োগ্যাস (Biogas) তৈরি করা হয় যা রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
‎৩)গোবর :- গোবর গ্যাস থেকে বিদুৎ, রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।
‎ গোবর থেকে রং, পুটটি,নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী, সাবনা, শ্যাম্পু,দেওয়াল লেপন করা হয়।
‎৪) চামড়া:- মৃত গরুর চামড়া দিয়ে বিভিন্ন রকমের চামড়াজাত পণ্য তৈরি করা হয়।
‎৫)চিকিৎসা:-গোমূত্র বা গব্যঘৃত (ঘি) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
‎৫)জৈব সার ও ভার্মিকম্পোস্ট:- গোবর পচিয়ে উৎকৃষ্ট মানের জৈব সার তৈরি হয়। কেঁচো ব্যবহার করে তৈরি ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার জমির উর্বরতা বাড়ায়।
‎৬)বায়োগ্যাস (Biogas):- গোবর থেকে আধুনিক প্রযুক্তিতে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা হয়, যা রান্না এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
‎৭)ঘুঁটে :- গোবর শুকিয়ে ঘুঁটে তৈরি করা হয়, যা রান্নার জ্বালানি হিসেবে বহুল ব্যবহৃত।
‎৮)ঘর লেপার মাটি:- শুকনা গোবর গুঁড়ো করে মাটির সাথে মিশিয়ে ঘর বা উঠান লেপার কাজে ব্যবহার করা হয়, যা ঘরকে ঠান্ডা রাখে এবং জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।ধূপকাঠি ও মশা তাড়ানোর কয়েল: গোবর দিয়ে তৈরি ধূপকাঠি ও পরিবেশবান্ধব ধূপ ঘরে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে।
‎৯)হস্তশিল্প ও কাগজ:- গোবর থেকে হ্যান্ডমেড পেপার বা কাগজ, ফ্রেসকো এবং বিভিন্ন ঘর সাজানোর শিল্পসামগ্রী তৈরি হচ্ছে।
‎১০)ঘর পরিষ্কারের তরল:- গোবর ও গোমূত্র থেকে ঘর পরিষ্কার করার ফ্লোর ক্লিনারও তৈরি করা হচ্ছে

‎গরুর গোবর থেকে মূলত উন্নতমানের জৈব সার (কম্পোস্ট ও ভার্মিকম্পোস্ট), জ্বালানি (ঘুঁটে), এবং বায়োগ্যাস তৈরি করা হয়। এছাড়াও এটি দিয়ে ঘর লেপার মাটি, ধূপকাঠি, কাগজ, এবং ঘর পরিষ্কার করার লিকুইড তৈরি করা হচ্ছে।
‎ #হাইলাইট
#ফলোয়ার
#ভাইরাল
#গো_হত্যা_বন্ধ_হোক
#গরুকে_রাষ্ট্রীয়_মর্যাদা_দেওয়া_হোক
#পশ্চিমবঙ্গ
#ভারতীয়
#গোমাতা #গোমাতা # #गोपाल #गोमाता #সনাতনধর্ম
#বৈদিক



যারা গোমাতা, গোবর নিয়ে ব্যঙ্গ করেন তাদের জন্য উপযুক্ত জবাব। লেখাটা অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়বেন 🙏 গোবর, গো মুত্র থেকে যদি আমরা তো উপার্জন করতে পারি তখনই গো রক্ষা হবে। কারণ একটা গোমাতা শেষ জীবন পর্যন্ত গোবর,গোমূত্র দেয় কিন্তু দুধ দেয় না।বেশিরভাগ মানুষ দুধের জন্য গোমাতাকে পালন করে যার জন্যই বয়স হয়ে গেলে গো মা তাকে বিক্রি করে দেয় তারা। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। যদি গোমাতার প্রতি আপনাদের ভক্তি থাকে।আশেপাশের বহু মুসলিম মানুষেরা গোবর নিয়ে ব্যাঙ্গ করেন। গোমাতা হলো সারা বিশ্বের মা কারন তিনি পালন করছেন। মা যেমন সেবা-শু্র সা করে গোমাতা গোবর, গোমূত্র, দুধ দেয় শারীরিক সমস্যা হলে গোমূত্র কিংবা না হলে আমরা ব্যবহার করতে পারি রোগ হলেও আমরা পঞ্চগব্ব ওষুধ ব্যবহার করে সুস্থ হতে পারি। দেশি গরুর দুধ অমৃত সমান কি নেই এতে আমাদের শারীরিক পুষ্টির জন্য যা যা প্রয়োজন সাত্ত্বিক আহার। আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য দুধ খুব প্রয়োজনীয় জিনিস এবং এটা দেশি গোমাতা দরকার। এবং এই দূর থেকে যদি আমরা বিলোনা ঘি বানাতে পারি সেটা বহু শারীরিক সমস্যা থেকেও মুক্তি দেবে। এবং যাদের শারীরিক সমস্যা প্রেসার আছে কিংবা কোলেস্টেরল আছে তারাও এই ঘি খেতে পারেন এবং তাদের অনেক উপকার হবেন।এমন কি কোন সন্তান শিশু অবস্থাতেই মাতৃহারা হয়ে যায় এই গোমাতা দুধ পান করে জীবিত থাকতে পারে। তাহলে এক মাতার অবর্তমানে আরেক মা জীবন রক্ষায় অবদান রাখছে তিনি কি মাতার সম্মানের প্রাপ্য নয়। মা যেমন তার সন্তানকে স্নেহ দেয় , ভালোবাসা দেয় আপনি গোমাতার কাছে যাবেন। বিশেষ করে দেশী গোমাতার তারাও দেখবেন আপনাকে স্নেহ দেবে ভালোবাসা দেবে। একটা ষাঁড় গরু মাতা হতে পারে মাতা শব্দের অর্থ এখানে শুধু জন্মদাতা বা কোন স্ত্রী নয়। ওখানে পালনকর্তা হিসাবেও তাকে মায়ের সম্মান দেয়া হয় এটাই ভারত মাতা এই মাটি ও আমাদের মা। কারণ যদি এই মাটি না থাকে ফসল পাবেন জল কোথা থেকে পাবেন । যোগেশ্বর ভগবান কৃষ্ণের জন্মদাত্রী মাতা ছিলেন এবং পালনকর্তা মাতা ছিলেন দুজনেই মাতা।ভারতবর্ষের আধ্যাত্মিক দর্শন,সমস্কৃত ভাষা এবং এর গভীরতা যাওয়ার মতন সবার মস্তিষ্ক নেই তো। সবাই বুঝতে পারে না এবং এই ধর্মকে ছোট করার জন্য তারা বিভিন্ন রকম খারাপ কথা বলে। একটা ষাঁড় গরু সেই লাঙ্গল দেয় ফসল ফলায় আমাদের পালন করছে সেও মাতা অনেকে বলে গোমাতা তোমাদের মা আর ষাঁড় গরু কি বাপ। এখানেও লিঙ্গের ব্যাপার চলে আসছে তাদের কাছে। মানুষ এই লিঙ্গর বিষয় নিয়ে মাথা খারাপ করে ফেলেছে এর উপরে উঠতে পারছে না। এই এ বিষয়টা সবচেয়ে নিম্ন স্তরের এটা কি আমরা উপরে তুলে দিয়েছি। মনে রাখবেন সাধু সন্ন্যাসীদের আমরা বাবা বলি ফকির থাকে মুসলিমদের পীর মাজারে তাদেরকে বাবা বলেন না আপনারা তাহলে কি আপনাদের বাবা হয়ে গেল সে?এখানেও তো সম্মান দেয়া হলো। জীবনে যখন দেখবেন জল তেষ্টা পেয়েছে কিংবা খিদে পায় তখন আপনি ঈশ্বরকে ডাকবেন না জলের জন্য বা খাদ্যের জন্য। জীবনের সাধনার জন্য আপনার শরীর ঠিক রাখতে হবে এবং ক্ষুধা তৃষ্ণা যদি বেশি পায় সাধনাতে মন বসবে না।
বিপ্লব সত্যর্থী
#গোবর

09/05/2026

ভারতের পতাকা গেরুয়া ও ওম হওয়া উচিত। সেক্যুলার শব্দ ইন্দ্রিরা গান্ধী সংবিধানে ঢুকিয়ে ছে।

03/05/2026

সত্য কথা বলার সাহস থাকেনা 🙏

02/05/2026

একজন এক্স মুসলিম ইসলাম সম্পর্কে কি বলছেন শুনুন তিনবার হজ করেছেন।

শরীর নিয়ে গর্ব নয় যত্ন নিন, জীবন চৰ্চা ঠিক করুন বন্ধুরা শরীর অমূল্য সময় দিন যোগ, আসন, প্রাণায়াম করুন 🙏 সাত্ত্বিক আহার কর...
01/05/2026

শরীর নিয়ে গর্ব নয় যত্ন নিন, জীবন চৰ্চা ঠিক করুন বন্ধুরা শরীর অমূল্য সময় দিন যোগ, আসন, প্রাণায়াম করুন 🙏 সাত্ত্বিক আহার করুন ফল, শাকসবজি খান সকালে, আশেপাশের বিভিন্ন গাছের পাতা ১ টি করে পেয়ারা আম, বট, পুদিনা,পাথরকুচি পাতা, ডাইরেক্ট চিবিয়ে খেতে না পারলে এগুলোকে মিক্সচারে মিশিয়ে নিয়ে জলেগুলেও ছেকে খেয়ে নিতে পারেনএকটা করে। দুপুরে খাওয়ার আগে স্যালাড খান বিট,গাজর, শসা, টমেটো।ডাল খান প্রোটিন, শরীরের পুষ্টিকর।ডাল ভিজিয়ে সেই জল ফেলে দিয়ে রান্না করবেন প্রেসার কুকার রান্না করবেন না।রাত্রে শুতে যাওয়ার আধঘন্টা আগে অন্তত সপ্তাহে এক দুদিন ত্রিফলা জন্য এক চামচ রাত্রি শুতে যাওয়ার আগে গরম জলে মল ক্লিয়ার শরীরের বহু রোগ থেকে বেঁচে যাবেন। আমরাও ওষুধ খাই কিন্তু মলকে বের করি না। সেই পচা মল শরীরকে বেশি রোগ আনে মনে রাখবেন আশি আশি থেকে নব্বই % । মনে মনে বার্তা দিন আমি ভালো আছি সুস্থ আছি আনন্দে আছি ঘুমোতে যাওয়ার আগে ওই বার্তা দিয়ে যান মনকে দেখবেন সুস্থ থাকবেন। বেশি তেল মসলা জাতীয় খাবার বর্জন বাইরের খাবার বর্জন, প্যাকেটজাত বেশিরভাগ খাদ্যেই প্রিজারভেটিভ দেয়া আছে কেমিকাল। সকালে এক গাট কাঁচা হলুদ ছাল ছড়িয়ে গর্ববতী হলে ব্যবহার নয়। সপ্তাহে ৫ দিন সিজনের আমলকি একটি খালি পেটে সকালে খেয়ে নিন। সকালে উঠে একটু গরম জল। যদি আপনারা যোগ আসন এগুলো শিখতে চান কমেন্টও করতে পারেন আমি বিশদে পরবর্তীকালে ভিডিও বানাবো।সুস্থতা চাবিকাঠি আপনার হাতেই আছে যদি একটু সচেতন হন আর যেগুলো বলি একটু যদি পালন করেন।সুস্থ শরীর ও মনের জন্য ওষুধের থেকেও আহার শুদ্ধ সাত্ত্বিক, সুষম মানে সকালে ফল, ডাল শাকসবজি,সাথে সাত্ত্বিক দেশি দুধ, ঘি কোনরকম মাংস, ডিম নয়, প্যাকেজাত খাদ্য নয় । বেশি তেল মশলা জাতীয় খাবার। কারণ বর্তমানে তেল গুলো খুব ভেজাল। মসলাও ভেজাল। যদি পারেন বাড়িতে মসলাগুলোকে মিক্সচারে গুঁড়ো করে নিন কিংবা গোটা হলুদ গেলে ভাঙ্গিয়ে নিন। সর্ষে ভাঙান। অ্যালুমিনিয়াম রান্না করার বাসন ব্যবহার করবেন না।স্টিল, মাটির বাসন কিংবা রান্নার মাটির হাড়ি ব্যবহার করুন। চিনির পরিবর্তে গুড়। ময়দা ব্যবহার করবেন না গম বা মিলেট। ফসল দেশি বীজের, জৈব হয় তাহলে তো কথা হবেনা। রাতে খাওয়া চলবে না সর্বোচ্চ ৬ কিংবা ৭ টা।আরো ডিটেলস জানতে আমাকে ম্যাসেজ করতে পারেন।

01/05/2026

জয় গোমাতা

অবতার বাদ সমাজের অধ্পতন ও বিভেদ করছে।             📚পুরাণ বিমর্শ - ষষ্ঠ পর্ব📚         "ঈশ্বরের অবতার- দ্বিতীয় অংশ"যদি অবত...
25/04/2026

অবতার বাদ সমাজের অধ্পতন ও বিভেদ করছে। 📚পুরাণ বিমর্শ - ষষ্ঠ পর্ব📚
"ঈশ্বরের অবতার- দ্বিতীয় অংশ"

যদি অবতারের সংখ্যা গণনা করা শুরু করি তাহলে প্রথমেই দশ অবতারের তালিকা পাই। লিঙ্গপুরাণে বলা হয়েছে, সত্য আদি যুগে অভিশাপের কারণে লোককল্যাণের জন্য বহুবিধ অবতার হয়েছে। যেমন-

১.মৎস্য। ২.কূর্ম । ৩.বারাহ। ৪.নৃসিংহ। ৫.বামন। ৬.রাম। ৭.পরশুরাম। ৮.কৃষ্ণ। ৯.বুদ্ধ। ১০.কল্কি।

দশ অবতারের একই তালিকা বরাহপুরাণ, ভবিষ্যপুরাণ ও অন্যান্য পুরাণেও রয়েছে।

দেবীভাগবতে বিষ্ণুর বিভিন্ন অবতারের যে নাম বলা হয়েছে-

১.নর। ২.নারায়ণ। ৩.দত্তাত্রেয়াবতার। ৪.সোম(চন্দ্রমা) [ব্রহ্মার অবতার]। ৫.দুর্বাসা [শঙ্করজীর অবতার]। ৬.নৃসিংহ। ৭.বামন। ৮.পরশুরাম। ৯.রাম। ১০.অর্জুন। ১১.শ্রীকৃষ্ণ।

দেবীভাগবতের উদ্ধৃতি দিয়ে পূর্বে লিখেছিলাম যে প্রত্যেক যুগে বিষ্ণু অবতার হয়ে আসেন পুরাণ রচনা আদি করার জন্য । দেবীভাগবতে আরো বলা হয়েছে যে, ২৭তম ব্যাস কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসদেবের পূর্বে অবতীর্ণ হয়েছে, ভবিষ্যতে ২৯তম ব্যাস দ্রোণী নামক ব্যাস হবেন, অর্থাৎ বিষ্ণুর আটাশ (২৮) অবতার হয়ে গিয়েছে তার কথন করা হয়েছে। সেই ব্যাসদেব গণের তালিকা-

১.প্রথমে স্বয়ং ব্রহ্মা ব্যাসরূপে প্রকট হয়েছেন।
২.দ্বিতীয় দ্বাপরে 'প্রজাপতি'।
৩.শুক্রাচার্য। ৪.বৃহস্পতি। ৫.সূর্য। ৬.যমরাজ।
৭.ইন্দ্র। ৮.বশিষ্ঠমুনি। ৯.সারস্বত। ১০.ত্রিধামাজী।
১১.ত্রিবৃষ। ১২.ভরদ্বাজমুনি। ১৩.অন্তরিক্ষ।
১৪.ধর্মরাজ। ১৫.ত্রয়্যারুণি। ১৬.ধনঞ্জয়। ১৭.মেধাতিথি।
১৮.ব্রতীমুনি। ১৯.অত্রি। ২০.গৌতম। ২১.হর্যাত্মা 'উত্তম'।
২২.বাজশ্রবা বেন। ২৩.আমুষ্যায়ণ সোম। ২৪.তৃণবিন্দু।
২৫.ভার্গব। ২৬.শক্তি। ২৭.জাতুকর্ণ্য। ২৮.কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস।

➤চতুর্থ পর্বে পুরাণ থেকেই পুরাণের অনেক রচয়িতার নাম উদ্ধৃত করেছি, যা দেখে অনেকেই এটা ভেবে নিজেকে ও অন্যকে শান্তনা দিয়েছেন যে, ব্যাসদেব তো কেবল একজন নয়, এটা একটা পদবি মাত্র। অর্থাৎ চতুর্থ পর্বে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে তারাও ব্যাসদেব। এটা কেবল মিথ্যা শান্তনা এবং নিজের সাথেই প্রতারণা। কেননা উক্ত তালিকায় চতুর্থ পর্বে দেওয়া - পরাশর, শিব, ব্রাহ্ম, শুকদেব, মার্কণ্ডেয়, অঙ্গিরা, তন্ডী, মহাদেব.... তাঁদের কারোর নামই নাই। তাছাড়া উক্ত তালিকার প্রত্যেক ব্যাস একেক দ্বাপরযুগে অর্থাৎ আলাদা আলাদা দ্বাপরযুগে এসেছে। কিন্তু পরাশরজী ও তাঁহার পুত্র কৃষ্ণদ্বৈপায়নজী একই দ্বাপরে এসেছিলেন...।

শ্রীমদ্ভাগবতে দেওয়া অবতারের তালিকা-
১.সনক। ২.সনন্দন। ৩.সনাতন। ৪.সনৎকুমার।
৫.বরাহ। ৬.নারদ। ৭.নর। ৮.নারায়ণ।
৯.কপিল। ১০.দত্তাত্রেয়। ১১.যজ্ঞ। ১২.ঋষভদেব।
১৩.পৃথু ১৪.মৎস্য। ১৫.কূর্ম। ১৬.মোহিনী। ১৭.নৃসিংহ।
১৮.বামন। ১৯.পরশুরাম। ২০.ব্যাস। ২১.রাম। ২২.বলরাম। ২৩.শ্রীকৃষ্ণ। ২৪.বুদ্ধ (ভবিষ্যতে হবেন)।
২৫.কল্কি (ভবিষ্যতে হবেন)

➤শ্রীরামচন্দ্রজীর জন্ম হয়েছে কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসদেবজীর পুর্বে অথচ উক্ত তালিকায় বলা হচ্ছে 'ততঃ সপ্তদশে জাতঃ..... " অর্থাৎ সপ্তদশ অবতারে ব্যাসরূপে অবতীর্ণ হয়েছেন আর অষ্টাদশ অবতারে শ্রীরামচন্দ্ররূপে অবতীর্ণ হয়েছেন।

ভাগবতেরই অন্যত্রে দেওয়া তালিকা-
১.বরাহ, ২.যজ্ঞ, ৩.কপিল, ৪.দত্তাত্রেয়,
৫.চতুঃসন (কৌমারসর্গ) [সনক, সনন্দন,সনাতন, সনৎকুমার এই চারজনকে একত্রে হিসাব করা হয়েছে],
৬.নর-নারায়ণ [দুজনকে একত্রে হিসাব করা হয়েছে],
৭.পৃথু, ৮.ঋষভ, ৯.হয়শীর্ষ = (হয়গ্রীব), ১০.মৎস্য, ১১.কচ্ছপ, ১২.নৃসিংহ, ১৩.গজেন্দ্র মোক্ষদাতা, ১৪.বামন, ১৫.হংস, ১৬.ধন্বন্তরি, ১৭.পরশুরাম, ১৮.রাম, ১৯.কৃষ্ণ, ২০.ব্যাস, ২১.বুদ্ধ, ২২.কল্কি।

শ্রীমদ্ভাগবত-১০/৪০/১৭-২২ শ্লোকে দেওয়া তালিকা–
মৎস্য, হয়গ্রীব, কচ্ছপ, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, ভৃগুপতি (পরশুরাম), রঘুবর্য, বাসুদেব, সঙ্কর্ষণ, প্রদ্যুম্ন তথা অনিরুদ্ধ (=চতুর্ব্যহ), বুদ্ধ তথা কল্কি ।

শ্রীমদ্ভাগবত-১১/৪/৬-২২ শ্লোকে দেওয়া তালিকা–
নর-নারায়ণ, হংস, দত্তাত্রেয়, কুমার, ঋষভ, হয়াস্য, মৎস্য, বরাহ, কূর্ম, গজেন্দ্রমোক্ষকর্তা, বালখিল্যের রক্ষক, ইন্দ্রের শাপমোচক, দেব-স্ত্রী উদ্ধারক, নৃসিংহ, বামন, রাম, সৌতাপতি, কৃষ্ণ, বুদ্ধ তথা কল্কি ।

যত তালিকাই প্রস্তুত করিনা কেন এর মধ্যে পার্থক্য দৃষ্ট হবেই, আর অবতারের সংখ্যা ১০ কিংবা ২২, ২৫ এ সীমাবদ্ধ নয়। তাই পুরাণও স্বীকার করে বলেছে - বিশাল জলায় থেকে যেমন অসংখ্য নদী প্রবাহিত হয়, ঠিক তেমনই ভগবানের থেকে অসংখ্য অবতার প্রকাশিত হয়।

সকল ঋষিই অবতার, এমনকি আমি আপনি সকল মনুষ্য, পশু-পাখি সবই অবতার। তাই অবতারের তালিকা এইপর্যন্ত রেখে কয়েকজন অবতারের চরিত্র সম্পর্কে পুরাণে কি বলা হয়েছে তা তুলে ধরবো। তারপূর্বে অবতারের মূলে যে ত্রিদেব রয়েছে সেই ত্রিদেব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত করে জানিয়ে দিই।........

চলবে.....

25/04/2026

শাক সবজি বেশী উপকার আব্বাস সিদ্ধকি বললেন 🙏

বিবেকানন্দকে অনেক বড় সন্ন্যাসী ভাবেন তারা ভুল ভাবছেন।স্বামী বিবেকানন্দ ফ্রি ম্যাশন সদস্য ছিলেন  বিষয়ে একটি ইউটিউবে সার...
24/04/2026

বিবেকানন্দকে অনেক বড় সন্ন্যাসী ভাবেন তারা ভুল ভাবছেন।স্বামী বিবেকানন্দ ফ্রি ম্যাশন সদস্য ছিলেন বিষয়ে একটি ইউটিউবে সার্চ করে দেখে নিন এরা কি করে।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতন বৈদিক ধর্ম #sanatan vaidic dharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to সনাতন বৈদিক ধর্ম #sanatan vaidic dharma:

Share