Only Krishna vokti 1632

Only Krishna vokti 1632 আমার পেজটাকে একটু সকলেই ফলো করবেন আমিও উপকৃত হব আপনারা উপকৃত হবেন। হরেকৃষ্ণ 🙏

ইন্দিরা একাদশীর মাহাত্ম্য মহারাজ যুধিষ্ঠির কৃষ্ণের কাছ থেকে আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী সম্পর্কে জানতে চাইলেন। কৃষ্...
05/10/2026

ইন্দিরা একাদশীর মাহাত্ম্য

মহারাজ যুধিষ্ঠির কৃষ্ণের কাছ থেকে আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী সম্পর্কে জানতে চাইলেন। কৃষ্ণ তাঁকে বললেন, মাহিস্মতি নগরে ইন্দ্রসেন নামে একজন রাজা ছিলেন। তিনি নিরন্তর শ্রীগোবিন্দ নামগানে মগ্ন থাকতেন। একদিন তাঁর রাজসভায় নারদ মুনি আসলেন। নারদ মুনি তাঁকে বললেন যে, তিনি যমালয়ে গিয়েছিলেন এবং সেখানে রাজার পিতাকে দেখতে পেলেন। যদিও রাজার পিতা বহু পুণ্যকারী ছিলেন, তবুও ব্রতভঙ্গ পাপে তাঁকে সেখানে যেতে হয়েছে। রাজার পিতা নারদ মুনির কাছে নিজের পরিচয় দিলেন এবং বললেন, তিনি যেন রাজাকে সর্ব পাপনাশক ইন্দিরা একাদশী পালন করতে বলেন। নারদ মুনি রাজাকে একাদশী পালনের বিধি বললেন। রাজা সপরিবারে সেই একাদশী ব্রত নিষ্ঠার সাথে পালন করলেন। তখন দেবলোক থেকে পুষ্পবৃষ্টি হতে লাগল। তাঁর পিতা বিষ্ণুলোকে গমন করলেন। রাজাও বিষ্ণুলোকে ফিরে গেলেন।

এই ইন্দিরা একাদশীর মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণেও একজন ব্যক্তি সকল পাপমুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন। এই ব্রত পালনে মহাপাপ বিনষ্ট হয়। এমনকি কর্মবিপাকে যারা নিম্নযোনি লাভ করেছেন, সেই পূর্ব পুরুষদেরও উত্তম গতি লাভ হয়। আর মাহাত্ম্য শোনা মাত্রই সমবেদীয় যজ্ঞ ফল লাভ করা যায়।

30/09/2026
“চাল ছিল না, তিল ছিল না, ছিল না পিণ্ডদানের কোনো উপকরণ… তবুও সীতা কীভাবে দশরথকে পিণ্ড দিয়েছিলেন? গয়ার ফাল্গু নদীর তীরে ...
26/09/2026

“চাল ছিল না, তিল ছিল না, ছিল না পিণ্ডদানের কোনো উপকরণ… তবুও সীতা কীভাবে দশরথকে পিণ্ড দিয়েছিলেন? গয়ার ফাল্গু নদীর তীরে লুকিয়ে আছে সেই রহস্য…”

🌼কথিত আছে, শ্রীরাম, লক্ষ্মণ ও সীতা যখন গয়ায় পিতা দশরথের উদ্দেশ্যে পিণ্ডদান করতে এসেছিলেন, তখন রাম ও লক্ষ্মণ পিণ্ডদানের উপকরণ সংগ্রহের জন্য কিছু সময়ের জন্য দূরে যান।
🌸সীতা তখন একা ফল্গু নদীর তীরে অপেক্ষা করছিলেন।
হঠাৎ তিনি অনুভব করলেন—দশরথের আত্মা তাঁর সামনে উপস্থিত। 🌸🥀 দশরথ সীতাকে বললেন—
“হে সীতা, আমার জন্য পিণ্ডদান করো। আমার পুত্র রাম আসার অপেক্ষা করো না।”
🌺কিন্তু তখন সীতার কাছে ছিল না চাল, তিল, ঘি কিংবা প্রস্তুত পিণ্ড। তখন তিনি নদীর তীরের বালি দিয়ে পিণ্ড তৈরি করলেন এবং গভীর ভক্তি ও শ্রদ্ধায় শ্বশুর দশরথের উদ্দেশ্যে তা নিবেদন করলেন।
🌻কাহিনি অনুসারে, সেই পিণ্ড গ্রহণ করে দশরথের আত্মা তৃপ্ত হন এবং সীতাকে আশীর্বাদ করেন।

🌼🌿 রাম ও লক্ষ্মণ ফিরে এসে যখন জানতে পারলেন যে সীতা ইতিমধ্যেই পিতৃকর্ম সম্পন্ন করেছেন, তখন রাম বিস্মিত হলেন।🌸🥀 সীতা বললেন—
“আপনার পিতা নিজেই এসে পিণ্ড গ্রহণ করেছেন।”
রাম তখন সাক্ষী চাইলেন।

🌳🌳 চার সাক্ষীর কাহিনি 🌳🌳

🌊 ফল্গু নদী🌊
💧সীতা প্রথমে ফল্গু নদীকে সাক্ষী করেছিলেন।
কিন্তু লোককথার একটি প্রচলিত সংস্করণে বলা হয়, রামের সামনে ফল্গু নদী সীতার পিণ্ডদানের কথা স্বীকার করেনি।❄️
🌹সীতা তখন ক্রুদ্ধ হয়ে ফল্গু নদীকে অভিশাপ দেন—
“তুমি বাহ্যত নদী হয়েও অনেক সময় অন্তঃসলিলা হয়ে থাকবে; তোমার জল মাটির নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে।”
গয়ার ফল্গু নদীর অনেক অংশে বালির বিস্তৃত চর এবং উপরিভাগে জল অল্প বা অনুপস্থিত থাকার সঙ্গে এই কাহিনিকে লোকবিশ্বাসে যুক্ত করা হয়।

🐄 গাভী 🐄
🐮এরপর আসে গাভীর সাক্ষ্য।
প্রচলিত কাহিনি অনুসারে, সীতার পিণ্ডদানের ঘটনা দেখেও গাভী রামের সামনে সত্য কথা বলেনি।🐮🐮
🪻সীতা তখন বলেন—তুমি মানুষের কাছে পবিত্র হলেও তোমার শরীরের পেছনের অংশ বিশেষভাবে অপবিত্র বলে গণ্য হবে।
এই কারণে লোককথায় গাভীর পশ্চাৎদেশ ও মুখের পবিত্রতা নিয়ে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
তবে এটি ধর্মশাস্ত্রের সর্বজনস্বীকৃত বিধান নয়—এটি ওই তীর্থকথার অংশ।

🌼 কেতকী ফুল🌼
🌼🌿তৃতীয় সাক্ষী ছিল কেতকী ফুল।
কেতকী নাকি সীতার পিণ্ডদানের ঘটনা দেখেছিল। কিন্তু রামের সামনে সত্য সাক্ষ্য না দিয়ে সীতার বক্তব্যকে সমর্থন করেনি—এমনটাই জনপ্রিয় সংস্করণ।🌿🌿🌿
🌺সীতা তখন কেতকীকে অভিশাপ দেন যে—
“পিতৃকর্মে তোমাকে গ্রহণ করা হবে না।”
এখান থেকেই একটি লোকবিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে শ্রাদ্ধ বা পিতৃকর্মে কেতকী ফুল ব্যবহার করা উচিত নয়।

🌳 অক্ষয়বট — একমাত্র সত্য সাক্ষী🌳

🪾সবশেষে ছিল বটগাছ, অর্থাৎ গয়ার বিখ্যাত অক্ষয়বট।🪾
☘️লোককথা অনুসারে, অক্ষয়বট সীতার পক্ষ নিয়ে সত্য কথা বলেছিল— সীতা সত্যিই দশরথের উদ্দেশ্যে পিণ্ডদান করেছিলেন। 🌸🥀সীতা তখন অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়ে বটগাছকে আশীর্বাদ করেন—
🌹“তুমি অক্ষয় হও; যুগের পর যুগ তোমার মাহাত্ম্য থাকবে।”
এই জন্যই গয়ার অক্ষয়বট পিতৃকর্মের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত বলে তীর্থপরম্পরায় বিশ্বাস করা হয়।🌿🌿🌿🌿🌿

🌼🌿 সীতার বালির পিণ্ডের কাহিনি একটি গভীর বার্তা দেয়:
“পিতৃকর্মের বাহ্যিক উপকরণের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল শ্রদ্ধা, সংকল্প ও আন্তরিকতা।”

26 শে সেপ্টেম্বর, ভাদ্র পূর্ণিমাভাদ্র পূর্ণিমা আমাদের শ্রীমদ্ভাগবত বিতরণের এক মহান সুযোগ দেয় এবং মানুষ ভাগবত দান করে এবং...
25/09/2026

26 শে সেপ্টেম্বর, ভাদ্র পূর্ণিমা

ভাদ্র পূর্ণিমা আমাদের শ্রীমদ্ভাগবত বিতরণের এক মহান সুযোগ দেয় এবং মানুষ ভাগবত দান করে এবং এইভাবে আশীর্বাদপ্রাপ্ত হয়। তারা সর্বোচ্চ গতি লাভ করতে পারে পরমগতি, চিন্ময় জগৎ

সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের আবির্ভাব তিথি! (অর্ধবেলা উপবাস)২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬নমো ভক্তিবিনোদায় সচ্চিদানন্দ-ন...
23/09/2026

সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের আবির্ভাব তিথি!
(অর্ধবেলা উপবাস)

২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নমো ভক্তিবিনোদায় সচ্চিদানন্দ-নামিনে।গৌরশক্তি-স্বরূপায় রূপানুগ-বরায় তে॥

🌿🌸 আসছে পার্শ্ব একাদশী 🌸🌿আগামী ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং (মঙ্গলবার)বাংলা ৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ🐚🌿 ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষীয়...
21/09/2026

🌿🌸 আসছে পার্শ্ব একাদশী 🌸🌿
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং (মঙ্গলবার)
বাংলা ৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

🐚🌿 ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষীয় একাদশী তিথিতে ভগবান শ্রীবিষ্ণু ক্ষীরসাগরে শয়নরত অবস্থায় এক পাশ থেকে অন্য পাশে পার্শ্ব পরিবর্তন করেন। সেই কারণেই এই একাদশীর নাম হয়েছে পার্শ্ব একাদশী। চাতুর্মাস্যের মধ্যে এই একাদশী তিথি অত্যন্ত মাহাত্ম্যপূর্ণ।

🌿 এছাড়া, এই দিনেই ভগবান বিষ্ণু তাঁহার পঞ্চম অবতার বামন রূপ ধারণ করে দৈত্যরাজ বলির অহংকার চূর্ণ করেছিলেন এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ড উদ্ধার করেছিলেন।

সকলে এই পবিত্র পার্শ্ব একাদশী পালন করুন এবং ভগবান শ্রীবিষ্ণুর পরম আশীর্বাদ লাভ করুন।
ওঁ নমঃ নারায়ণায় 🙏🏻🌸🌿

Adhivas Ceremony of Radhastami 2026 | Sri Dham Mayapur
18/09/2026

Adhivas Ceremony of Radhastami 2026 | Sri Dham Mayapur

শ্রী রাধাষ্টমী মহোৎসব ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬(অর্ধবেলা উপবাস)আজ আমরা অধিবাস পালন করছি। আগামীকালের রাধাষ্টমী মহোৎসবের জন্য ...
18/09/2026

শ্রী রাধাষ্টমী মহোৎসব
১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬
(অর্ধবেলা উপবাস)

আজ আমরা অধিবাস পালন করছি। আগামীকালের রাধাষ্টমী মহোৎসবের জন্য সঠিক চেতনা লাভের উদ্দেশ্যে এর আয়োজন করা হয়।

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬
শ্রীধাম মায়াপুর

24 ই সেপ্টেম্বর, আধুনিক বৈষ্ণব ধর্মপ্রচারের পরম ভগীরথ! সপ্তম গোস্বামী সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সুপবিত্র আবির...
16/09/2026

24 ই সেপ্টেম্বর, আধুনিক বৈষ্ণব ধর্মপ্রচারের পরম ভগীরথ! সপ্তম গোস্বামী সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সুপবিত্র আবির্ভাব তিথি! 🌸📿🚩✨

> "যিনি কলিযুগের অন্ধকারে নিমজ্জিত বৈষ্ণব সমাজকে পুনরায় জাগ্রত করেছেন এবং বিশ্বব্যাপী গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম ও হরিনাম প্রচারের দ্বারে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেছেন—সেই পরম আচার্য সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের চরণে শত কোটি প্রণাম!" ✨
>
হরে কৃষ্ণ! আজ পরম পবিত্রময় তিথিতে আমরা মহা পরমহংস বৈষ্ণবাচার্য সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের আবির্ভাব তিথি পালন করছি।

শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর ছিলেন বিংশ শতাব্দীর ভক্তি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ। তিনি অসংখ্য ভক্তিশাস্ত্র, গীত ও ভজন রচনা করে বৈষ্ণব সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। শ্রীধাম মায়াপুরে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আসল জন্মস্থান 'শ্রীযোগপীঠ' আবিষ্কার করা এবং বিশ্বব্যাপী কৃষ্ণভাবনামৃত ছড়িয়ে দেওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করা ছিল তাঁর পরম চিম্ময় অবদান।

তাঁর রচিত গান ও উপদেশ আমাদের ভক্তিজীবনের পথপ্রদর্শক। আসুন, এই মহা আবির্ভাব তিথিতে আমরা তাঁর চরণকমলে আকুল প্রার্থনা জানাই, যেন আমরা তাঁর পথ অনুসরণ করে শুদ্ধভক্তি লাভ করতে পারি।

* আপনার শ্রদ্ধা নিবেদন করুন: শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের কোন গান বা উপদেশটি আপনার সবচেয়ে প্রিয়? কমেন্টে শেয়ার করুন! 👇💜

* একত্রে জয়ধ্বনি দিন: কমেন্ট বক্সে সবাই পরম শ্রদ্ধায় লিখুন—'জয় সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর! হরে কৃষ্ণ!' 📿✍️

* এই পরম পবিত্রময় বার্তাটি ছড়িয়ে দিন: মহতী আবির্ভাব তিথির খবর ও ঠাকুরের কৃপাবাণী সকল ভক্তের কাছে পৌঁছে দিতে পোস্টটি এখনই আপনার ওয়ালে Share করুন। 🔄❤️

শ্রীমতী সীতা ঠাকুরাণীর শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বিশেষ পোস্ট---​শ্রীল অদ্বৈত আচার্য প্রভুর ধর্মপত্নী, শ্রীগৌরসুন্দরের বা...
15/09/2026

শ্রীমতী সীতা ঠাকুরাণীর শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বিশেষ পোস্ট---

​শ্রীল অদ্বৈত আচার্য প্রভুর ধর্মপত্নী, শ্রীগৌরসুন্দরের বাৎসল্য রসে সিক্ত পরম পূজনীয়া শ্রীমতী সীতা ঠাকুরাণীর শুভ আবির্ভাব তিথিতে তাঁর রাতুল চরণে জানাই শতকোটি প্রণাম।

​এক নজরে শ্রীমতী সীতা ঠাকুরাণীর পরিচয় ও মাহাত্ম্য:

​স্বরূপ ও পরিচয়:
তিনি শ্রীশ্রীনৃসিংহ ভাদূড়ী মহাশয়ের কন্যা। গৌড়-গণোদ্দেশ-দীপিকা অনুসারে তিনি স্বয়ং 'যোগমায়া' ও 'কাত্যায়নী' দেবীর অভিন্ন প্রকাশ। কৃষ্ণলীলায় তিনি পূর্ণমাসী (পৌর্ণমাসী) বা নন্দ মহারাজের গৃহে উপস্থিত গোপী হিসেবে বাৎসল্য প্রেম বর্ষণ করেছিলেন।

​শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর নামকরণ:
নবদ্বীপে শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর শুভ আবির্ভাবের পর তিনি শান্তিপুর থেকে মায়াপুরে আসেন। বালকের অপূর্ব রূপ দেখে তিনি বাৎসল্য স্নেহে আপ্লুত হন এবং অপদেবতার নজর থেকে রক্ষা করতে শিশু গৌরসুন্দরের নাম রাখেন 'নিমাই'।

​বাৎসল্য প্রেম ও শিক্ষা:
শচীমাতাকে তিনি নিজ ছোট বোনের মতো স্নেহ করতেন এবং মহাপ্রভুকে লালন-পালনের যাবতীয় নির্দেশনা দিতেন। মহাপ্রভুর জন্মতিথি ও বিভিন্ন উৎসবে তিনিই প্রথম বস্ত্র ও অলঙ্কার উপহার দিতেন।

​ মহাপ্রভু যখনই শান্তিপুরে অদ্বৈত ভবনে পদার্পণ করতেন, তিনি সীতা ঠাকুরাণীর নিজ হাতে রন্ধন করা প্রসাদ পরম আনন্দে গ্রহণ করতেন। সীতা ঠাকুরাণী মহাপ্রভুকে নিজ সন্তানের মতো ভালোবাসতেন এবং মহাপ্রভূও তাঁকে শচীমাতার মতোই পরম শ্রদ্ধা করতেন।
​শ্রীঅদ্বৈত-সহধর্মিণী পরমেশ্বরী সীতা ঠাকুরাণী আমাদের সকলের ভক্তিপথে অগ্রসর হওয়ার আশীর্বাদ প্রদান করুন🙏এই প্রার্থনা করি 🙏

​জয় শ্রীসীতা-অদ্বৈত প্রভূ!
জয় শ্রীশ্রীগৌর-নিত্যানন্দ!
হরে কৃষ্ণ! 🙏

​

Address

Ghatal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Only Krishna vokti 1632 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share