Bodhi

Bodhi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bodhi, Buddhist Temple, Delhi.

বিবাহিত নারীদের কিছু নিয়ম                              -----------আশিন ধর্মপালAshin Dhamma Pala 🙏কথায় আছে না, সংসার সুখে...
10/12/2025

বিবাহিত নারীদের কিছু নিয়ম
-----------আশিন ধর্মপাল
Ashin Dhamma Pala 🙏
কথায় আছে না, সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে।ঘরে সুখ শান্তির জন্যে নারীদের আচার-আচরণ,
বুদ্ধিমত্তা, অনেকাংশে প্রভাব ফেলে। সন্তানের
প্রথম গুরুও মায়েরাই হয়ে থাকেন। তাই
নারীদের সাংসারিক জীবনে সুখ শান্তির জন্য
কিছু করণীয়।

(১) ঘরের আগুনকে বাইরে নেয়া যাবে না।
মানে, ঘরের শশুড়-শাশুড়ীর, স্বামীর বদনাম বাইরে না বলা। ঘরের সমস্যা ঘরেই নিবারণ করা।

(২) বাইরের আগুণকে ঘরের ভেতরে না আনা।
বাইরের লোকেরা কে কি বলল সেটা নিয়ে ঘরের মানুষদের না বলা বা জ্বালা যন্ত্রনা না করা।

(৩) যে দেয় তাকেই দেয়া উচিত।
মানে ধার নিয়ে যে যথাসময়ে বিনা যাঞ্চায় পুনরায় এসে দিয়ে যায় তাকেই দেয়া উচিত।

(৪) যে দেয় না, তাকে পুনরায় না দেয়া।
কিছু মানুষ আছে, নেয়ার সময় ঠিকই নিয়ে যায়, কিন্তু দেবার বেলায় লাপাত্তা।

(৫) দিক বা না দিক, তারপরেও তাকে দেয়া উচিত। তো তারা কারা? আত্মীয় স্বজন, আপনার হিতৈষী বন্ধুগণ যারা আর্থিক সমস্যায় ভোগছে। তারা যদি না দেয়, তবুও দেয়া উচিত।

(৬) "সুখং নিসীদিতব্বং" অর্থাৎ,
সুখে অবস্থান করুন।
ঘরের বড়রা যেখানে বসে, তাদের সমান জায়গায় না বসে বা একেবারে ঘেঁষে না বসে একটু নিচে বা কয়েকহাত দূরে গিয়ে বসুন।

(৭) "সুখং ভুঞ্জিতব্বং"
সুখে ভোজন করুন।
ঘরের জেষ্ঠদের সুন্দরভাবে পরিবেশন করুন,
তাদের পরে আপনি ভোজন করুন।

(৮) " সুখং নিপজ্জিতব্বং "
সুখে বিশ্রাম নিন, বা ঘুমান।
রাত্রে ঘুমানোর আগে(বা যেকোন সময়) মা বাবার সেবা করে, স্বামীর সেবা করে, তারপরেই ঘুমাতে যাওয়া বা বিশ্রাম নেয়া উচিত।

(৯) "অগ্গি পরিচরিতব্বো"
অগ্নিকে পূজা করা। মানে,
শশুড় শাশুড়ীকে আপন মা বাবার মতো মনে করে দেবতার আসনে বসিয়ে পূজা করা।

(১০) "অন্তো দেবতা নমস্সিতব্বা"
ঘরের দেবতাকে পূজা করা।
অর্থাৎ রাত্রে শোবার আগে নিজের দেবতূল্য স্বামীকে পূজা করুন।
স্বামীকে দেবতার আসনে বসিয়ে পূজা করার দৃশ্য সনাতন ধর্মে অনেক দেখা মিলে। সতীসাবিত্রী, দেবী সীতা, এমন অনেক নারী।

এগুলি ছিল বিশাখাকে তার বাবার দেয়া দশটি উপদেশ।
এগুলি যে শুধু স্ত্রীর পালন করতে হবে এমনটা না। স্বামীরও পালন করা উচিত। কিছু করার আগে স্ত্রীর সাথে আলোচনা করা উচিত(অত্যন্ত গোপনীয় হলে আলোচনা না করাই ভাল। স্ত্রীদের মুখে লাগাম থাকে না)।

তাছাড়া আরো কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলি করলে স্ত্রীকে তার স্বামীর আরো প্রিয় করে তোলে।

স্বামী যখন বাইরে থেকে আসে,
----তাকে আগু বারিয়ে নেয়া,
----বাইরে থেকে আসা মাত্রই শীতল জল দেয়া,
----হুট করে কোনকিছু না বলা।
----সকাল বেলায় স্বামী উঠার আগেই ঘুম থেকে উঠে যাওয়া।
----তার ভাবসাব দেখে প্রয়োজন মতো কথা বলা,
----খাবারের সময় বিশেষ যত্ন নেয়া,
----ভাবসাব দেখে তার মতিগতিকে বুঝতে হবে।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সর্বদা কুশলে কর্মে নিজেকে নিয়োজিত রাখা, নিজের চারপাশের দেবগণকে সেই কুশল বিলিয়ে দেয়া। এতে তারাও সবসময় রক্ষা করে। কিছু হওয়ার আগেই সংকেতে বুঝিয়ে দেয়।

একজন বিচক্ষণ নারী এগুলি সুচারুভাবে সম্পন্ন করে থাকে। তাইতো তাদের সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয়।

এই নিয়মগুলি ঘরের বধূকে ঘরের জেষ্ঠদের কাছে আরো স্নেহময়ী ও আদরনীয় করে তোলে।

সকলের সংসার সুখের ও দীর্ঘস্থায়ী হোক।

(No copy)

 #ভিক্ষু শ্রামণরা কি মাংস খেতে পারবে?না পারবে না?অনেক সময় দায়কেরা ভিক্ষু, শ্রামণদের মাংস খাওয়া না খাওয়া নিয়ে মত দ্বিমত প...
20/07/2025

#ভিক্ষু শ্রামণরা কি মাংস খেতে পারবে?
না পারবে না?

অনেক সময় দায়কেরা ভিক্ষু, শ্রামণদের মাংস খাওয়া না খাওয়া নিয়ে মত দ্বিমত প্রশ্ন তোলেন। আবার কেউ কেউ আন্দাজে বলে যে, খেতে পারে না। আবার কেউ কেউ বলে খেতে পারে। যা শুধু মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। যাহোক বিভ্রান্তি দূর করতে আজকে এ সম্বন্ধে কিছুটা লিখতে বাধ্য হলাম।

ভগবান বুদ্ধের বিনয় প্রজ্ঞাপ্ত নিয়মে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা মাংস খেতেও পারে, আবার নাও খেতে পারে-

(ক) কি কারনে খেতে পারে না?
১| হত্যা করতে দেখলে।
২| হত্যার সমর্থন করলে।
৩| সংশয় উৎপন্ন হলে।

(খ) কি কারণে খেতে পারে?
১| হত্যা না করতে দেখলে।
২| হত্যার সমর্থন না করলে।
৩| সংশয় উৎপন্ন না হলে।

দেবদত্ত যখন ভগবান বুদ্ধ হতে ভিক্ষুদের আজীবন মাছ মাংস না খাওযায় জন্য প্রার্থনা করেছিন কিন্তুু ভগবান বুদ্ধ দেবদত্তের কথা প্রত্যাখান করে বলেছিলেন যারা মাংসভোজী তারা মাংস খাবে আর যারা নিরামিষ ভোজী তারাই খাবেনা যার যে রুচিশীল তারা তাই খাবে। দেবদত্ত তখন রাগে ক্ষোভে ভগবান বুদ্ধোকে ত্যাগ করে পাঁচশত ভিক্ষু নিয়ে চলে যায়।

সারাজীবন মাংস না খেয়ে থাকলেও তাকে কোন সাধু বলা যায় না, বুদ্ধর মতে যদি পাপ কর্ম করে করে থাকেন তিনি প্রকৃত অসাধু। আর যিনি সারা জীবন মাংস খায় তিনিও কোন অসাধু নন। যদি তিনি কুশল বা ধর্মের কাজ করেন তিনিই প্রকৃত সাধু।

(গ) আবার যে দশ প্রকার মাংস ভগবান বুদ্ধ ভিক্ষু শ্রামনদের খাওয়ার (ভক্ষণ) জন্য নিষেধ করেছেন:-

(১) মানুষ্য মাংস।
(২) হস্তী মাংস।
(৩) অশ্ব মাংস।
(৪) কুকুর মাংস।
(৫) অহি(নাগ বা সাপ) মাংস।
(৬) সিংহ মাংস।
(৭) ব্যাঘ্র মাংস।
(৮) দ্বীপি (চিতাবাঘ) মাংস।
(৯) ভাল্লুক মাংস এবং
(১০) তরক্ষু (নেকেড়ে বাঘ) মাংস।

সত্যকে জানুন, মিথ্যাকে দূর করুন। পড়তে উৎসাহিত হোন, বেশী বেশী লাইক,কমেন্ট, শেয়ার করে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন। এতে আপনার এবং সবার পুণ্য ও মঙ্গল হবে।

জগতে সকল প্রাণী সুখী হোক। 🌷🌹🌺

13/07/2025

Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

.                 ☸  নমো বুদ্ধায়   ☸"নমো তসস ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধসস ""নমো তসস ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধসস ""নমো তসস...
14/06/2025

. ☸ নমো বুদ্ধায় ☸
"নমো তসস ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধসস "
"নমো তসস ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধসস "
"নমো তসস ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধসস "

বুদ্ধং সরণং গচ্ছামি
ধম্মং সরণং গচ্ছামি
সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি
Buddham saranam gacchāmi
Dhammam saranam gacchāmi
Sangham saranam gacchāmi

দুতিযম্পি বুদ্ধং সরণং গচ্ছামি।
দুতিযম্পি ধম্মং সরণং গচ্ছামি।
দুতিযম্পি সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি॥
ততিযম্পি বুদ্ধং সরণং গচ্ছামি।
ততিযম্পি ধম্মং সরণং গচ্ছামি।
ততিযম্পি সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি॥

#গৃহী_পঞ্চশীল_প্রার্থনা,,(পালি)

১)পাণাতিপাতা বেরমণী সিকখাপদং সমাদিযামি।
২)আদিন্নাদানা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিযামি।
৩)কামেসু মিস্সাচারা বেরমণী শিক্ষাপদং সমাদিযামি।
৪)মুসাবাদা বেরমণী সিকখাপদং সমাদিযামি।
৫)সুরা-মেরেয-মজ্জ-পমাদটঠানা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিযামি।

ইমানী পঞ্চ সিকখাপদং সমাদিয়ামি
ইমানী পঞ্চ সিকখাপদং সমাদিয়ামি
ইমানী পঞ্চ সিকখাপদং সমাদিয়ামি
সাধু সাধু সাধু ইমং তিসরণেন সহ পঞ্চসীলং ধম্মং সাধুকং সুরকখিতং কত্বা অপ্পমাদেন সীলং সম্পাদেথ।

#বুদ্ধের নয় গুণ বন্দনা

ইতি’পি সো ভগবা অরহং, সম্মাসম্বুদ্ধো, বিজ্জাচরণং সম্পন্নো, সুগতো, লোকবিদু, অনুত্তরো, পরিসদম্ম সারথি, সত্থা দেব মনুস্সানং, বুদ্ধো ভগবা’তি।
বুদ্ধং যাব মহাপরিযন্তং সরণং গচ্ছামি,
যে চ বুদ্ধা অতীতা চ, যে চ বুদ্ধা অনাগতা।
পচ্চুপন্না চ যে বুদ্ধা, অহং বন্দামি সব্বদা।
নত্থে মে সরণং অঞ্ঞং, বুদ্ধো মে সরণং বরং,
এতে সচ্চবজ্জেন হোতু মে জয় মঙ্গলং।
উত্তমঙ্গেন বন্দে’হং, পাদপংসু বরুত্তমং,
বুদ্ধো যো খলিতো দোসো, বুদ্ধো খমতু তং মমং।

#ধম্মের ছয় গুণ বন্দনা

স্বাক্খাতো ভগবতো, সন্দিট্এিকা, অকালিকো, এহিপসসিকো, ওপনায়িকো পচ্চতং, বেদিতব্বো বিঞ্ঞূহী”তি।
ধম্মং যাব মহাপরিযন্তং সরণং গচ্ছামি,
যে চ ধম্মা অতীতা চ, যে চ ধম্মা অনাগতা।
পচ্চুপন্না চ যে ধম্মা, অহং বন্দামি সব্বদা।
নত্থে মে সরণং অঞ্ঞং, ধম্মো মে সরণং বরং,
এতে সচ্চবজ্জেন হোতু মে জয় মঙ্গলং।
উত্তমঙ্গেন বন্দে’হং, ধম্মঞ্চ তিবিধং বরং,
বুদ্ধো যো খলিতো দোসো, ধম্মো খমতু তং মমং।

#সঙ্ঘে নয় গুণ বন্দনা

সুপটিপন্নো ভগবতো সাবকসঙ্ঘো, উজুপটিপন্নো ভগবতো সাবকসঙ্ঘো, ঞায়পটিপন্নো ভগবতো সাবকসঙ্ঘো, সমীচিপটিপন্নো ভগবতো সাবকসঙ্ঘো, যদিদং চত্তারি পুরিসয়ুগানি, অট্ঠ পুরিসপু¹লা, এস ভগবতো সাবকসঙ্ঘো, আহুণেয্যো, পাহুণেয্যো, আহুণেয্যো, দক্িখণেয্যো, অঞ্জলি করণীয্যো, অনুত্তরং পুঞ্ঞক্খেত্তং লোকস্সা’তি।
সঙ্ঘং যাব মহাপরিযন্তং সরণং গচ্ছামি,
যে চ সঙ্ঘা অতীতা চ, যে চ সঙ্ঘা অনাগতা।
পচ্চুপন্না চ যে সঙ্ঘা, অহং বন্দামি সব্বদা।
নত্থে মে সরণং অঞ্ঞং, সঙ্ঘো মে সরণং বরং,
এতে সচ্চবজ্জেন হোতু মে জয় মঙ্গলং।
উত্তমঙ্গেন বন্দে’হং, সঙ্ঘঞ্চ দ্বিবিধূত্তমং,
বুদ্ধো যো খলিতো দোসো, সঙ্ঘো খমতু তং মমং।

#ত্রিচৈত্য বন্দনা
বন্দামি চেতিযং সব্বং সব্বট্ঠানেসু পতিট্ ঠিতং
সারীরিক ধাতু মহাবোধিং বুদ্ধরূপং সকলং সদা।

বুদ্ধ, পচ্চেক বুদ্ধ, ধম্ম, সঙ্ঘ, আচায্য উপাধ্যায় ও চৈত্য বন্দনা।
বুদ্ধাধম্মা চ পচ্চেক বুদ্ধ, সঙ্ঘ চ সামিকা
দাসো’ বা হস্মি মে তেসং,গুণং ঠাতু সিরে সদা।
তিসরণং তিলক্খানূপেক্খং নিব্বানমন্তিমং সুখং,
সুবন্দে সিরসা নিচ্চং, লবামি তিবিধংমহং।
তিসরণঞ্চ সিরে ঠাতু, সিরে ঠাতু তিলক্খণং,
উপেক্কা চ সিরে ঠাতু, নিব্বানং ঠাতু মে সিরে।
বুদ্ধে সকরুণে বন্দে, ধম্মে পচ্চেক সম্বুদ্ধে।
সঙ্ঘে চ সরসা য়েব, তিধা নিচ্চং নমাম্যহং।
নমামি সত্থুনোবাদপ্পমাদ, বচন্তি মং।
সবেব পি চেতিয়ে বন্দে, উপজ্ঝাচরিয়ে মমং।
ময়ং পণাম তেজেন, চিত্তং পাপেহি মুঞ্চতংতি।

#পুষ্প পূজা
বন্নগন্ধ-গুণোপেতং এতং কুসুমসন্ততিং,
পূজযামি মুনিন্দসস সিরিপাদ -সরোরুহে।
পূজেমি বুদ্ধং কুসুমেন তেন
পুঞঞেন মে তেন চ হোতু মোকখং।
পুপ্ ফং মিলাযতি যথা ইদং মে,
কাযো তথা যাতি বিনাসভাবং।
দুতিযম্পি,,,,,,,, ততিযম্পি,,,,,,

#প্রদীপ পূজা গাথা
ঘনসারপ্পদিত্তেন দীপেন তমধংসিনা,
তিলোকদীপং সম্বুদ্ধং পূজয়ামি তমোনুদং।

#ধুপ পূজা গাথা
গন্ধ সম্ভারয়ুত্তেন ধুপেনাহং সুগন্ধি না,
পূজয়ে পূজানেয়্যন্তং পূজাভাজন মুত্তমং।

#আহার পূজা গাথা
অধিবাসেতু নো ভন্তে ভোজনং পরিকপ্পিতং,
অনুকম্পং উপাদায় পতিগণহাতু মুত্তমং।

#পানীয় পূজা গাথা
অধিবাসেতু নো ভন্তে পানীয়ং পরিকপ্পিতং,
অনুকম্পং উপাদায় পতিগণহাতু মুত্তমং।

#গিলান প্রত্যয় পূজা গাথা
অধিবাসেতু নো ভন্তে গিলান পচ্চয় ভেসজ্জং পরিকপ্পিতং,
অনুকম্পং উপাদায় পতিগণহাতু মুত্তমং।

#তাম্বুল পূজা গাথা
নাগবল্লিদলপেতুং চুন্নপুগ সমায়ুতং,
তাম্বুলং পতিগণহাতু সতং পূজেমি তং জিনং।

#বুদ্ধ পূজোপলক্ষে দীপ, ধুপ, পুষ্প, জল ও আহার ইত্যাদি উৎসর্গ
ইতি পি নিরোধ সমাপত্তিতো ইট্ঠহিত্বা বিয় নিসিন্নস্স ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধস্স ইমিনা পুপ্ফেন, উদকেন-দীপেন-ধুপেন-আহারেন পূজেমি পূজেমি পূজেমি। ইদং পুপ্ফং পূজং- উদক পূজং -দীপ পূজং -ধুপ পূজং -আহার পূজং বুদ্ধ-পচ্চেক বুদ্ধ-অ¹সাবকÑমহাসাবক-অরহন্তানং সভাবসীলং অহম্পি তেসং অনুবত্তকো হোমি। ইদং পুপ্ফং-উদকং-দীপং-ধুপং-আহারং দানি বন্নেনপি সুবণœং গন্ধেনপি সুগন্ধং সন্ঠানেনপি সুসন্ঠানং খিপ্পমেব দুব্বণœং দু¹ন্ধং দুসসন্ঠানং অনিচ্চতং পাপুনিস্সতি। এব মেব সব্বে সঙ্খারা অনিচ্চা সব্বে সঙ্কারা দুক্কা সব্বে ধম্মা অনত্তাতি। ইমিনা বন্ধনা-মানন-পূজাপটিপত্তি অনুভাবেন আসবক্খয় বহং হোতু, সব্বা দুক্খা পমুঞ্চতু।

#সীবলী পূজা উৎসর্গ
ইতি পি সো অরহং লাভীনং অগ্গো সেটঠো সীবলী নাম মহাথেরং ইমেহি নানাবিদেহি খজ্জ-খোজ্জ-দীপ-ধুপ-পুপফ-উদকাদীহি পূজোপচারেহি পূজেমি পূজেমি পূজেমি। ইমিনা পূজা-সক্কারানুভাবেন য়াব নিব্বানস্স পত্তি তাব জাতি জাতিয়ং সুখং সম্পত্তি সমঙ্গি ভূতেন সংসারত্বা নিব্বানং পাপুনিতু পত্থনং করোমি।

#পঞ্চশীল গ্রহনের নিয়ম

#প্রথমে বুদ্ধ বন্দনা
বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি।
দুতিয়ম্পি- বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি।
ততিয়ম্পি- বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি।

#ভিক্ষু বন্দনা
ওকাস বন্দামি ভন্তে দ্বারত্তযেন কতং সব্বং অপরাধং খমতু মে ভন্তে।
দুতিয়ম্পি- ওকাস বন্দামি ভন্তে দ্বারত্তযেন কতং সব্বং অপরাধং খমতু মে ভন্তে।
ততিয়ম্পি – ওকাস বন্দামি ভন্তে দ্বারত্তযেন কতং সব্বং অপরাধং খমতু মে ভন্তে।

#পঞ্চশীল প্রার্থনা
ওকাস অহং ভন্তে ত্রিসরণেন সহ পঞ্চসীলং ধম্মং যাচামি অনু¹হং কত্বা সীলং দেথ মে ভন্তে।
দুতিয়ম্পি- ওকাস অহং ভন্তে ত্রিসরণেন সহ পঞ্চসীলং ধম্মং যাচামি অনু¹হং কত্বা সীলং দেথ মে ভন্তে।
ততিয়ম্পি- ওকাস অহং ভন্তে ত্রিসরণেন সহ পঞ্চসীলং ধম্মং যাচামি অনু¹হং কত্বা সীলং দেথ মে ভন্তে।

#এরপর ভিক্ষু বলবেন
ভিক্ষু- যমহং বদামি তং বদেথা ( একজন হলে বদেহি)
গৃহী- আম ভন্তে।
ভিক্ষু- নমোতস্স ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধস্স।
গৃহী- নমোতস্স ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধস্স। (তিনবার)

#এরপর ত্রিশরণ ভিক্ষুর সাথে সাথে বলতে হবে
বুদ্ধ সরণং গচ্ছামি,
ধম্মং সরণ গচ্ছামি,
সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি ।
দুতিযম্পি- বুদ্ধ সরণং গচ্ছামি,
দুতিযম্পি- ধম্মং সরণ গচ্ছামি,
দুতিযম্পি- সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি ।
ততিয়ম্পি- বুদ্ধ সরণং গচ্ছামি,
ততিয়ম্পি- ধম্মং সরণ গচ্ছামি,
ততিয়ম্পি- সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি ।

#ভিক্ষু- তিসরণ গমনং সম্পন্নং।
গৃহী- আম ভন্তে।

১. পানাতি পাতা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
২. আদিন্নদানা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৩. কামেসু মিচ্ছাচারা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৪. মুসাবদাবেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৫. সুরা মেরেয় মজ্জ পমাদট্ঠানা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
ভিক্ষু- সাধু, সাধু, সাধু, ইমং তিসরণেন সহ পঞ্চসীলং ধম্মং সাধুকং সুরক্খিতং কত্বা অপ্পমাদেন সীলং সম্পাদেথ।
গৃহী-আম ভন্তে।

👉👉👉👉( জয়মঙ্গল অষ্টগাথা )👈👈👈👈
___________________________________________
জয়মঙ্গল অষ্ট গাথায় তথাগত মহাকরুণিক সম্যক সম্বুদ্ধের জীবনের আটটি ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে।
যতা:

(১) বাহুং সহস্সমভিনিম্মিত সাযুধন্তং
গিরিমেখলং উদিত ঘোর-সসেন-মারং,
দানাদি ধম্ম বিধিনা জিতবা মুনিন্দো
তন্তেজসা ভবতু তে জযমঙ্গলানি।

অনুবাদ- যেই মুনীন্দ্র বুদ্ধ গিরি মেখলা নামক হাতির উপর সুদৃঢ় অস্ত্র শস্ত্র হস্তে আরোহনকারী সহস্র বাহু সম্পন্ন অতীব ভয়ানক সসৈন্য মারকে দানাদি ধর্ম (পারমিতা) দ্বারা জয় করেছিলেন, ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যের) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(২) মারাতিরেকমভিযুজ্ঝিত সব্বরক্তিং|
ঘোরম্পনালবকমক্খমথদ্ধযক্খং,
খন্তী-সুদন্ত বিধিনা জিতবা মুনিন্দো
তন্তেজসা ভবতু তে জয়মঙ্গলানি।

অনুবাদ : সারা রাত যুদ্ধে রত ঘোর, দুর্ধর্ষ ও পাষাণ হৃদয় সম্পন্ন মার হতেও অধিকতর ঈর্ষা-পরায়ণ ও অভিমানী আলবক যক্ষকে মুনীন্দ্র বুদ্ধ যে ক্ষান্তি পারমিতার গুণে জয় করেছিলেন, ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যক্রিয়া) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(৩) নালাগিরিং গজবরং অতিমত্ত ভূতং
দাবগ্গি চক্কমসনীব সুদারুণন্তং,
মেওম্বুসেক বিধিনা জিতবা মুনিন্দো।
তন্তেজসা ভবতু তে জয়মঙ্গলানি।

অনুবাদ : দাবানলচক্র বা বিদ্যুৎ গর্জনের মত মদমত্ত নালাগিরি হাতিকে মুনীন্দ্র বুদ্ধ যে মৈত্রী (পারমিতা) বারি সিঞ্চন পূর্বক জয় করেছিলেন, ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যক্রিয়া) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(৪) উক্খিত্তখগমতিহত্থ সুদারুণন্তং
ধাবন্তিযোজনপথ’ঙ্গুলিমালবন্তং,
ইদ্ধিভিসংখতমনো জিতবা মুনিন্দো
তন্তেজসা ভবতু তে জযমঙ্গলানি।

অনুবাদ : উৎক্ষিপ্ত খড়গ হাতে ভয়ানক ও ত্রিযোজন পথ নিমেষে অতিক্রম করতে সমর্থ অঙ্গুলিমালকে মুনীন্দ্র বুদ্ধ যে নিজ অলৌকিক ঋদ্ধিশক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে জয় করেছিলেন, ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যক্রিয়া) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(৫) কত্বান কট্ঠমুদরং ইব গবভিনী
চিঞ্চায় দুট্ঠবচনং জনকাযমজ্ঝে,
সন্তেন সোমবিধিনা জিতবা মুনিন্দো
তন্তেজসা ভবতু তে জয়মঙ্গলানি।

অনুবাদ :কাঠের পুটলী বেঁধে গর্ভিনী হবার ভান করে বিশাল জন সমাগমে মিথ্যা অপবাদকারী দুষ্ঠমতি চিঞ্চাকে মুনীন্দ্র বুদ্ধ যে শান্ত ও সৌম্য পারমিতা গুণে জয় করেছিলেন। ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যক্রিয়া) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(৬) সচ্চং বিহামতিসচ্চকবাদকেতুং
বাদাভিরোপিতমনং অতি অন্ধভূতং,
পঞ্ঞাপদীপজলিতো জিতবা মুনিন্দো।
তন্তেজসা ভবতু তে জয়মঙ্গলানি।

অনুবাদ : অসত্যভাষী মিথ্যাদৃষ্টিসম্পন্ন বাদ-বিবাদ পরায়ণ, অভিমানীঅ ও অন্ধতুল্য সত্যত নামক নির্গ্রন্থকে মুনীন্দ্র বুদ্ধ যে প্রজ্ঞপ্রদীপ জ্বালিয়ে জয় করেছিলেন, ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যক্রিয়া) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(৭) নন্দোপনন্দভুজগং বিবুধং মহিদ্ধিং
পুত্তেন থেরভুজগেন দমাপযন্তো,
ইদ্ধুপদেস বিধিনা জিতবা মুনিন্দো
তন্তেজসা ভবতু তে জয়মঙ্গলানি।

অনুবাদ : মহা ঋদ্ধিসম্পন্ন বিবুধ নন্দোপন্দ নামক নাগরাজকে মুনীন্দ্র নিজ পুত্র ( অগ্রশ্রাবক মহামৌদ্গল্যায়ন) এর মাধ্যামে যে মহা ঋদ্ধিবল প্রদর্শন ও উপদেশ প্রদান করে জয় করেছিলেন। ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যক্রিয়া) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(৮) দুগগহদিট্ঠি ভুজগেন সুদট্ঠহত্থং
ব্রহ্মং বিসুদ্ধি জুতিমিদ্ধি বকাভিধানং,
ঞানাগদেন বিধিনা জিতবা মুনিন্দো
তন্তেজসা ভবতু তে জয়মঙ্গলানি।

অনুবাদ: দুর্গ্রাহ্য মিথ্যাদৃষ্টিরূপী ভুজঙ্গ কর্তৃক দংশিত জ্যোতি ও দিব্য বল সম্পন্ন বক নামক ব্রহ্মকে মুনীন্দ্র বুদ্ধ জ্ঞানরূপী ঐষধির প্রয়োগের মাধ্যমে জয় করেছিলেন। ভগবান বুদ্ধের সেই ধর্মের (সত্যক্রিয়া) তেজ-প্রভাবে আপনার জয়মঙ্গল হোক।

(৯) এতাপি বুদ্ধ-জযমঙ্গল-অট্ঠগাথা
যো বাচকো দিনে দিনে সরতে অতন্দি
হিত্বান’নেক বিবিধানি চুপদ্দবানি
মোক্খং সুখং অধিগময্য নরো সপোঞ্ঞা।

অনুবাদ: সেই প্রজ্ঞাবান জ্ঞানী যিনি নিত্য জয়মঙ্গল গাথা পাঠ ও স্মরণ রাখেন, তিনি অন্তরায় মুক্ত হন এবং পরিশেষে নির্বাণ দর্শন করেন।

সাধু সাধু সাধু
🙏🌹🙏 🙏🌹🙏 🙏🌹🙏

করনীয় মেত্ত সুত্তং
(করনীয় মৈত্রী সূত্র)

উৎপত্তি/-

ভগবান তখন শ্রাবস্তীতে অবস্থান করিতে ছিলেন। সেই সময় বর্ষা ব্রতারম্ভের কিছু দিন পূর্বে নানা দেশ হইতে ভিক্ষুগণ আসিয়া ভগবানের নিকট কর্মস্থান গ্রহণ পূর্বক স্থানান্তরে গিয়া বর্ষাব্রত পালন করিতেন।
সে কালে ভগবান, কামরূপ চরিত্র দিগকে অশুভ, দ্বেষ চরিত দিগকে মৈত্রী, মোহ চরিত দিগকে মরণানুস্মৃতি আদি, বিতর্ক চরিত দিগকে আনাপানস্মৃতি ও পৃথিবী কৃৎ্লাদি, শ্রদ্ধা চরিত দিগকে বুদ্ধানুস্মৃতি এবং বুদ্ধি চরিত দিগকে চর্তুধাতু ব্যবস্থনাদি কর্মস্থান প্রদান করিতেন।
অতঃপর, পাঁচশ ভিক্ষু ভগবানের নিকট কর্মস্থান গ্রহণ করিয়া ক্রমান্বয়ে উপযুক্ত স্থানের সন্ধান করিতে করিতে হিমালয়ের কাছে নীল কাচমনিতুল্য সুবিস্তৃত পাষাণ ওঘন শীতল গ্রহণ ছায়া সম্পন্ন বিস্তৃত মুক্তা কণাতুল্য বালুকাকীর্ণ ভূমিভাগ সমম্বিত পর্বতমালা দেখিতে পাইলেন। ভিক্ষুগণ সেই মনোরম স্থানে একরাত্রি অবস্থান করিলেন। রাত্রি প্রভাত হইলে হাতমুখাদি ধুইয়া অদুরে এক গ্রামে ভিক্ষা করিতে গেলেন। গ্রামটি খুব সমৃদ্ধশালী, গ্রামবাসীরা বেশ শ্রদ্ধাশীল। তাহারা প্রত্যন্ত দেশবাসী মানুষ, ভিক্ষু দর্শন তাহাদের পক্ষে একান্ত দুর্ল্লভ কাজেই প্রব্রজিত ভিক্ষু দর্শন মাত্রেই অতিশয় পুলকিত হইয়া ভিক্ষুদিগকে ভোজন প্রদান করিল এবং অনুনয় করিতে লাগিল যে- “ভন্তে, আপনারা এখানে এ তিনমাস অবস্থান করুন।” তাহারা ভিক্ষুদের সম্মতি পাইয়া তাঁহাদের ধ্যানের কুটির এবং যাবতীয় ব্যবহার্য্য বস্তু যোগাড় করিয়া দিলেন।
ভিক্ষুরা পরদিন অন্য গ্রামে ভিক্ষা করিতে গেলেন। তথাকার দায়ক-দায়িকারও তাঁহাদের যথোচিত সেবা-পূজা করিয়া তথায় বর্ষা যাপনের অনুরোধ জানাইলেন। “কোন প্রকার বাধা না হইলে বর্ষা যাপন করিব” ভিক্ষুরা এই প্রতিশ্রুতি দিয়া সেই বনের একেকটা গাছের গোড়ায় গিয়া ধ্যান করিতে আরম্ভ করিলেন। শীলবান ভিক্ষুদের শীলতেজে ক্ষীনপুণ্য বৃক্ষদেবতারা আপন আপন বিমান হইতে বাহির হইয়া ভ্রমন করিতে লাগিলেন।
রাজা বা রাজ-অমাত্য কোন কারণে গ্রামবাসী দরিদ্র ব্যক্তির ঘরে গিয়া অবস্থান করিলে সেই গৃহবাসীরা যেমন বাসগৃহ হইতে চ্যুত হয়, তেমন দেবতারাও আপন আপন বিমান হইতে বাহির হইয়া দূরে স্থিত হওত দেখিতেছিলেন যে- “ভিক্ষুরা কখন চলিয়া যাইবেন। তখন তাঁহারা চিন্তা করিতে লাগিলেন, ভিক্ষুরা যখন বর্ষাবাস গ্রহণ করিয়াছেন, এখানে অবশ্য তিন মাস থাকিবেন। কাজেই আমরা এত দীর্ঘকাল ছেলে-পিলে নিয়া বাহিরে থাকিতে পারিব না।
দেবতারা নিরুপায় হইয়া স্থির করিলেন- “আমরা ভিক্ষুদিগকে ভয়ানক বীভৎস রূপ দেখাইব।” তাঁহারা এ সিদ্ধান্ত করিয়া, ভিক্ষুরা রাত্রিতে ধ্যানের কার্য্য আরম্ভ করিলে বিকট এবং ভয়ানক চীৎকার করিতেন। সেই বীভৎস রূপ দেখিয়া এবং বিকট শব্দ শুনিয়া ভিক্ষুদের হৃদকম্প হইত। সুতরাং অতি অল্প দিনের মধ্যে তাঁহাদের চেহারা বিকৃত হইয়া গেল, তাঁহাদের চিত্তও সাম্য করিতে পারিলেন না। বিক্ষিপ্ত চিত্তে বিশেষতঃ পুনপুনঃ ভয়োৎপত্তির দরুণ তাঁহারা স্মৃতিবিহ্বল হইতেছিলেন। দেবতরা ভিক্ষুগণের স্মৃতিবিহ্বলতা জানিয়া অসহ্য দুর্গন্ধ বায়ু প্রবাহিত করিতেছিলেন। সেই দুর্গন্ধের দ্বারা ভিক্ষুদের মস্তিষ্ক চঞ্চল হইয়া উঠিল। ইহা দ্বারা তাঁহাদের শিরঃপীড়া উৎপন্ন হইল। কিন্তু তাঁহাদের মধ্যে যে এরূপ উপদ্রব আরম্ভ হইয়াছে, তাহা পরস্পরের মধ্যে বলাবলি হইল না।
অতঃপর একদিন প্রধান আচার্য্যের সেবার জন্য সকলে সমবেত হইলে আচার্য্য মহোদয় জিজ্ঞাসা করিলেন- “বন্ধুগণ, তোমরা প্রথম যখন বনে প্রবেশ করিয়া ধ্যান করিতেছিলে, তখন তোমাদের মুখের চেহারা বেশ স্বাভাবিক দেখা গিয়াছিল, কিন্তু এখন তোমাদিগকে ভগ্নস্বাস্থ্য দেখিতেছি কেন? এ স্থান কি তোমাদের স্বাস্থ্যের অনুকুল নহে?” তদুত্তরে একজন ভিক্ষু বলিয়া উঠিলেন- “ভন্তে, আমি রাত্রিতে এরূপ ভয়ানক আকৃতি দেখি, ভীষণ শব্দ শুনি এবং অসহ্য দুর্গন্ধ পাইতে থাকি। কাজেই আমার চিত্ত সমাধিস্থ হয় না।” এরূপে একে একে সকলে একই কথা বলিতে লাগিলেন।
তখন প্রধান আচার্য্য বলিলেন- “বন্ধুগণ, ভগবান দুইবার বর্ষাযাপনের বিধান করিয়াছেন, বিশেষত এ স্থান যখন আমাদের সাধনার অনুকূলে নহে, কাজেই আমরা ভগবানের নিকট গিয়া আরেক খানা যোগ্য স্থানের পরামর্শ লইব।” তাঁহারা সকলে প্রধান আচার্য্য মহোদয়ের প্রস্তাব সঙ্গত মনে করিয়া সাধুবাদের সহিত সম্মতি দিলেন এবং শয্যাসন গুছাইয়া শ্রাবস্তীতে ভগবানের নিকট গেলেন।
বনবাসী ভিক্ষুদিগকে আসিতে দেখিয়া ভগবান কহিলেন- “ভিক্ষুগণ, বর্ষাব্রতের মধ্যে দেশ-দেশান্তরে ভ্রমণ নিষেধ করিয়া আমি শিক্ষাপদ নির্দেশ করিয়াছি, তোমরা দেশ ভ্রমণ করিতেছ কেন? অতঃপর তাঁহারা আদ্যেপান্ত সকল বিষয় ভগবানের গোচরীভূত করিলেন। ভগবান চিন্তা করিয়া দেখিলেন- সেই স্থান ছাড়া সমগ্র জম্বুদ্বীপে তাঁহাদের সাধনার পক্ষে উপযুক্ত অপর সামান্য স্থানও নাই। তখন তাঁহাদিগকে বলিলেন- “ভিক্ষুগণ, তোমাদের উপযুক্ত স্থান আমি আর দেখিতেছিনা। তোমরা সেখানে থাকিয়া তৃষ্ণার অবসান করিতে পারিবে। তোমরা সে স্থানেই গিয়া বাস কর। যদি দেবতাদের কাছে সদয় ব্যবহার পাইতে চাও, তবে এই পরিত্রাণ শিক্ষা কর। ইহার দ্বারা তোমাদের ‘পরিত্রাণ’ এবং ‘কর্মস্থান’ উভয়বিধ কার্য্য সাধিত হইবে।” অতঃপর ভগবান সেই অরণ্যবাসী উদ্বিগ্নমনা ভিক্ষুদিগকে যেই পরিত্রাণের প্রভাবে বৃক্ষদেবতাগণ ভয় প্রদর্শন করিতে পারে না, যেই পরিত্রাণ সর্বদা উৎসাহ সহকারে ভাবনা ও আবৃত্তি করিলে সুখে নিদ্রা যাইতে পারে এবং দুঃস্বপ্ন দেখে না, সেই করণীয় মৈত্রীসূত্র শিক্ষা দিয়াছিলেন। এই সূত্রে নির্বাণ লাভ বা নির্বাণ লাভের জন্য ইচ্ছুক ব্যক্তিগণের করণীয় এবং বিবিধ যক্ষ ভয়াদি-মুক্তি ও কর্মস্থানের জন্য মৈত্রী ভাবনা কথিত হইয়াছে। এই জন্য ইহার নাম ‘করণীয় মৈত্রী সূত্র’।

করণীয় মৈত্রী সূত্রের ভূমিকা

যস্‌সানুভাবতো যক্‌খা নেব দস্‌সেন্তি ভিংসনং,

যম্‌হি চেবানুযুঞ্জন্তো রত্তিং দিবমতন্দিতো।

সুখং সুপতি সুত্তো চ পাপং কিঞ্চি ন পস্‌সতি,

এবমাদিগুণোপেতং পরিত্তং তং ভণামহে।

অনুবাদঃ- যেই পরিত্রাণ সূত্রের গুণপ্রভাবে যক্ষগণ (বৃক্ষদেবতাগণ) ভয় দর্শাইতে পারিবে না, দিবা-রাত্র অপ্রমত্ত হইয়া যেই ভাবনা করিলে সুখে নিদ্রা যাইতে পারে এবং নিদ্রিত ব্যক্তি কোন দুঃস্বপ্ন (পাপস্বপ্ন) দেখে না, এইরূপ গুণযুক্ত সেই পরিত্রাণ সূত্র পাঠ করিতেছি।

সূত্রারম্ভ

(১) করণীমত্থকুসলেন যন্তং সন্তং পদং অভিসমেচ্চ,

সক্কো উজু চ সুজু চ সুবচো চস্‌স মুদু অনতিমানী।

অনুবাদঃ- শান্ত নির্বাণপদ লাভের অভিলাষী, করণীয় বিষয়ে সুদক্ষ ব্যক্তির পক্ষে- সমর্থবান, ঋজু (সরল, শারীরিক কুটীলতাদি হীন) সুঋজু (অতি সরল), সুবাধ্য, মৃদুস্বভাব ও অনতিমানী (অভিমানহীন) হইতে হইবে।

(২) সন্তুস্‌সকো চ সুভরো চ অপ্পকিচ্চো চ সল্লহুকবুত্তি,

সন্তিন্দ্রিয়ো চ নিপকো চ অপ্পগব্‌ভো কুলেসু অননুগিদ্ধো।

অনুবাদঃ- যথালব্ধ চর্তুপ্রত্যয়ে সন্তুষ্ট, সুভরণীয়, অল্পকৃত্য (নানা কাজে সর্বদা লিপ্ত না থাকিয়া কেবল বিনয় ব্রতাদি আ্তকর্তব্য সম্পন্ন হওয়া), সংলঘুবৃত্তিসম্পন্ন (বহুভাণ্ডত্যাগ করিয়া কেবল শ্রমণারূপ অষ্ট পরিষ্কারধারী হওয়া), শান্তেন্দ্রিয়, প্রজ্ঞাবান, অপ্রগল্‌ভ (সেচ্ছাচারী না হইয়া বিনয়ানুরূপ আচারসম্পন্ন হওয়া) এবং গৃহীকুলের প্রতি অনাসক্ত হইতে হইবে।

উপরে দুই গাথায় যাঁহারা নির্বাণ লাভের জন্য চেষ্টা করিতেছেন, তাঁহাদের করণীয় বিষয় নির্দেশ করিয়া এখন তাঁহাদের অকরণীয় বিষয়ও নির্দেশ করিবার জন্য ভগবান বলিলেনঃ-

(৩) ন চ খুদ্ধং সমাচরে কিঞ্চি যেন বিঞ্‌ঞূপরে উপবদেয্যুং,

সুখিনো বা খেমিনো হোন্তু সব্বে সত্তা ভবন্তু সুখিতত্তা।

অনুবাদঃ- এমন ক্ষুদ্র পাপাচরণও করিবেনা, যাহাদ্বারা অপর বিজ্ঞগণ নিন্দা করিতে পারে। “সকল প্রাণী সুখী হউক, উপদ্রব বিহীন হউক, শান্তি সুখ উপভোগ করুক” বলিয়া প্রাণীদের হিতচিন্তা করিতে হইবে।

উপরোক্ত সাড়ে তিন গাথায় অর্থাৎ “বিঞ্‌ঞূপরে উপবদেয্যুং” পর্যন্ত বলিয়া করণীয় ও অকরণীয় নির্দেশ করা হইয়াছে। তৎপর দেবতাদির ভয় নিবারণের জন্য পরিত্রাণ এবং কর্মস্থান নির্দেশ করিবার জন্য “সুখিনো বা খেমিনো হোন্তু” ইত্যাদি হইতে আরম্ভ করিয়া নিুলিখিত গাথাগুলি বলা হইয়াছে।

(৪) যে কেচি পানভূতত্থি তসা বা থাবরা বা অনবসেসা,

দীঘা বা যে মহন্তা বা মজ্ঝিমা রস্‌স কানুকথুলা।

অনুবাদঃ- ভীত, নির্ভীক, দীর্ঘ, বড়, মধ্যম, হ্রস্ব, ক্ষুদ্র অথবা স্থূল যেই সমস্ত প্রাণী আছে, তাহারা সকলেই সুখী হউক।

(৫) দিট্‌ঠা বা যেব অদিট্‌ঠা যে চ দুরে বসন্তি অবিদুরে,

ভুতা বা সম্ভবেসী বা সব্বে সত্তা ভবন্তু সুখিতত্তা।

অনুবাদঃ- অথবা যে সকল প্রাণী দৃশ্য (চক্ষে দেখা যায়) বা অদৃশ্য (চক্ষে দেখা যায় না), যাহারা দূরে বাস করে বা কাছে বাস করে এবং যাহারা জন্মিয়াছে বা পরে জন্মিবে অর্থাৎ যাহারা মাতৃগর্ভে অথবা ডিম্বের ভিতরে আছে, তথা হইতে পরে বর্হিগত হইবে, তাহারা সকলেই সুখী হউক।

(৬) ন পরো পরং নিকুব্বেথ, নাতিমঞ্‌ঞেথ কত্থচি নং কিঞ্চি,

ব্যারোসনা পটিঘসঞ্‌ঞা নাঞ্‌ঞমঞ্‌ঞস্‌স দুক্‌খমিচ্ছেয্য।

অনুবাদঃ- পরস্পরকে বঞ্চনা করিওনা, কোথাও কাহাকেও অবজ্ঞা করিও না। হিংসা বা আক্রোশের বশবর্তী হইয়া পরস্পরের মধ্যে দুঃখোৎপাদনের কামনা করিওনা।

(৭) মাতা যথা নিযং পুত্তং আযুসা একপুত্তমনুরক্‌খে,

এবম্পি সব্বভুতেসু মানসং ভাবযে অপরিমাণং।

অনুবাদঃ- মাতা যেমন নিজের জীবন দিয়াও তাঁহার এক মাত্র পুত্রকে রক্ষা করিয়া থাকেন, তেমন সকল প্রাণীর প্রতি অপ্রমেয় মৈত্রীভাব পোষণ করিবে।

(৮) মেত্তঞ্চ সব্বলোকস্মিং মানসং ভাবযে অপরিমাণং,

উদ্ধং অধো চ তিরিযঞ্চ অসম্বাধং অবেরমসপত্তং।

অনুবাদঃ- উর্দ্ধদিকে, অধোদিকে ও পূর্বাদি চারিদিকে যে সকল প্রাণী আছে তাহাদের প্রতি অপরিমেয় মৈত্রী ভাবনা করিবে এবং এইরূপে মৈত্রী ভাবনা করিতে করিতে বৈরী ও শত্রুতাশূন্য হইয়া ভেদজ্ঞান-রহিত হইবে।

(৯) তিট্‌ঠঞ্চরং নিসিন্নো বা সযনো বা যাবতস্‌স বিগতমিদ্ধো।

এতং সতিং অধিট্‌ঠেয্য ব্রহ্মমেত্তং বিহারমিধমাহু।

অনুবাদঃ- দাঁড়ান, গমন, শয়ন, উপবেশন ও শয়নের সময় এই চতুর্বিধ ঈর্য্যাপথে যতক্ষণ নিদ্রা না যাইবে ততক্ষণ এই স্মৃতি অধিষ্ঠান করিবে অর্থাৎ এই মৈত্রী ভাবনা করিতে থাকিবে। এই প্রকার মৈত্রী ভাবনাকে ব্রহ্ম-বিহার? বলে।

(১০) দিট্‌ঠঞ্চ অনুপগম্ম সীলবা দস্‌সনেন সম্পন্নো,

কামেসু বিনেয্য গেধং নহি জাতু গব্‌ভসেয্যং পুনরেতী’তি।

অনুবাদঃ- শীলবান ও সম্যকদৃষ্টিসম্পন্ন আর্য্যশ্রাবক মিথ্যাদৃষ্টি পরিত্যাগ পূর্বক কামের প্রতি লিস্পা বা ভোগ-বাসনা দমন করিয়া পুনরায় গর্ভাশয়ে জন্মগ্রহণ করিতে আসেন না অর্থাৎ তিনি “শুদ্ধাবাস” ব্রহ্মলোকেই জন্মগ্রহণ করিয়া তথায় অর্হত্ব-ফল লাভ করেন এবং আয়ুশেষে সেইখানেই পরিনির্বাণ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন।

করণীয় মৈত্রী সূত্র সমাপ্ত
🌺জগতের সকল প্রানী সূখী হওক 🌺
খুদ্দকপাঠো নিট্‌ঠিতং।

🙏🙏🙏সাধু সাধু সাধু 🙏🙏🙏

🔯♒♒🔯♒♒🔯♒♒🔯♒♒🔯

#সবার মঙ্গল কামনা করছি। জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক। দুঃখ হতে মুক্তি লাভ করুক। সাধু সাধু সাধু 🙏🙏🙏

This is   help us 🙏       ゚         ❤
30/03/2025

This is help us 🙏


15/03/2025

বনভিক্ষুদের প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা ছিল,
কিন্তু দিনদিন তা কমে যাচ্ছে।

ব্যক্তি বিশেষ অন্ধ শ্রদ্ধার উপর যুক্তি না দেখিয়ে বুদ্ধের বিনয় মেনে সমাধানের চেষ্টা করলে
সুন্দরভাবেই সমাধান হয়ে যেত এবং সকলের কাছেই প্রশংসনীয় হতো। অথচ এটাকে এলাহি কান্ড বানিয়ে ফেলেছে...।

14/03/2025

✊✊

နောင်တမျက်ရည်မြွေက ကြက်မကို ကိုက်လိုက်တော့ အဆိပ်က ကိုယ်ခန္ဓာထဲမှာ တောက်လောင်နေတဲ့ ကြက်မလေးဟာ သူ့ကြက်အိမ်ထဲ ခိုလှုံဖို့ ပ...
11/03/2025

နောင်တမျက်ရည်

မြွေက ကြက်မကို ကိုက်လိုက်တော့ အဆိပ်က ကိုယ်ခန္ဓာထဲမှာ တောက်လောင်နေတဲ့ ကြက်မလေးဟာ သူ့ကြက်အိမ်ထဲ ခိုလှုံဖို့ ပြေးလာခဲ့တယ်။

ဒါပေမယ့် တခြားကြက်မတွေက အဆိပ်ပျံ့နှံ့မှာစိုးလို့ သူ့ကို နှင်ထုတ်လိုက်ကြတယ်။

ကြက်မလေးဟာ ထွက်သွားရင်း နာကျင်စွာငိုယိုနေခဲ့တယ်။ မြွေကိုက်လို့ နာလို့မဟုတ်ဘူး။ အခက်အခဲအကြပ်အတည်းကြုံတဲ့အချိန်မှာ သူ့မိသားစုက စွန့်ပစ်ပြီး မထီမဲ့မြင်ပြုလို့ပါ။

အဲဒီလိုနဲ့ သူထွက်သွားခဲ့ရတယ်... အဖျားတက်ပြီး၊ ခြေတစ်ဖက်ကို တရွတ်ဆွဲရင်း၊ အအေးဒဏ်ကို ကာကွယ်စရာမရှိဘဲ။

ခြေလှမ်းတိုင်းမှာ မျက်ရည်တစ်ပေါက်စီ ကျနေခဲ့တယ်။

ကြက်အိမ်ထဲက ကြက်မတွေက သူထွက်သွားတာကို ကြည့်နေကြတယ်။ မြင်ကွင်းကနေ ပျောက်ကွယ်သွားသည်အထိပေါ့။ တချို့က အချင်းချင်းပြောကြတယ်။
"ထွက်သွားပါစေ... ငါတို့နဲ့ဝေးရာမှာ သူသေသွားလိမ့်မယ်"

ကြက်မလေး မြင်ကွင်းအဝေးကြီးထဲ ပျောက်ကွယ်သွားတော့ သူသေပြီလို့ အားလုံးသေချာသွားကြတယ်။
တချို့ဆို လင်းတတွေပျံလာမလားဆိုပြီး ကောင်းကင်ကို မော့ကြည့်နေကြသေးတယ်။

အချိန်တွေကြာလာခဲ့တယ်။

နောက်တော့ ငှက်ပိတုန်းတစ်ကောင် ကြက်အိမ်ကို ရောက်လာပြီး ပြောတယ်။
"နင်တို့အစ်မ အသက်ရှင်နေသေးတယ်။ ဒီကနေ ဝေးတဲ့ဂူတစ်ခုမှာ နေနေတာ။
မြွေကိုက်လို့ ခြေထောက်တစ်ဖက် ဆုံးရှုံးသွားတယ်။
အစာရှာဖို့ ခက်ခဲနေလို့ နင်တို့ အကူအညီလိုနေတယ်"

ငြိမ်သက်သွားတယ်။ ပြီးမှ ဆင်ခြေပေးသံတွေ စကြားရတယ်။
"ငါမသွားနိုင်ဘူး၊ ဥဥနေလို့..."
"ငါမသွားနိုင်ဘူး၊ ပြောင်းဖူးစေ့ရှာနေလို့..."
"ငါမသွားနိုင်ဘူး၊ ကြက်ကလေးတွေကို စောင့်ရှောက်နေရလို့..."

အဲဒီလို တစ်ယောက်ပြီးတစ်ယောက် ငြင်းဆန်ကြတယ်။ ငှက်ပိတုန်းလေး အကူအညီမရဘဲ ဂူဆီ ပြန်သွားရတယ်။

အချိန်တွေ ထပ်ကြာပြန်တယ်။

နောက်တော့ ငှက်ပိတုန်း ပြန်ရောက်လာတယ်၊ ဒါပေမယ့် ဒီတစ်ခါတော့ နာကျင်ဖွယ် သတင်းတစ်ခုနဲ့ပါ။
"နင်တို့အစ်မ ကွယ်လွန်သွားပြီ... ဂူထဲမှာ တစ်ယောက်တည်း သေဆုံးသွားတယ်... မြေဖို့ဖို့ရော၊ ငိုကြွေးဖို့ရော ဘယ်သူမှ မရှိဘူး"

အဲဒီအချိန်မှာ အားလုံးရင်ထဲ လေးလံသွားကြတယ်။ နက်ရှိုင်းတဲ့ ဝမ်းနည်းမှုက ကြက်အိမ်တစ်ခုလုံး လွှမ်းခြုံသွားတယ်။

ဥဥနေတဲ့သူတွေ ရပ်တန့်သွားတယ်။
ပြောင်းဖူးစေ့ရှာနေတဲ့သူတွေ အစေ့တွေကို ပစ်ထားခဲ့တယ်။
ကြက်ကလေးတွေ စောင့်ရှောက်နေတဲ့သူတွေ သူတို့ကြက်ကလေးတွေကို ခဏမေ့လျော့သွားတယ်။

နောင်တရခြင်းက အဆိပ်ထက်တောင် ပို၍နာကျင်စေတယ်။ "ဘာကြောင့် အရင်တုန်းက မသွားခဲ့တာလဲ" လို့ သူတို့ကိုယ်သူတို့ မေးမိကြတယ်။

အကွာအဝေးရော၊ ခက်ခဲမှုရော မတွက်ချက်တော့ဘဲ အားလုံး ဂူဆီ ထွက်လာကြတယ်၊ ငိုကြွေးမြည်တမ်းရင်း။ အခုမှ သူ့ဆီသွားဖို့ အကြောင်းပြချက် ရှိလာပေမယ့် နောက်ကျသွားခဲ့ပြီ။

ဂူထဲရောက်တော့ ကြက်မကို မတွေ့ရတော့ဘူး... စာတစ်စောင်ပဲ တွေ့ခဲ့ရတယ်။ အဲဒီစာထဲမှာ ဒီလို ရေးသားထားတယ်။

"လူ့ဘဝမှာ၊ သင့်ကို အသက်ရှင်နေစဉ် ကူညီဖို့ လမ်းတစ်ဖက်တောင် မကူးချင်သူတွေဟာ၊ သေဆုံးသွားမှ သင်္ဂြိုဟ်ဖို့အတွက် ကမ္ဘာတစ်ခုလုံး ဖြတ်ကူးလာတတ်ကြတယ်။
အသုဘပွဲတွေမှာ ကျတဲ့မျက်ရည် အများစုဟာ နာကျင်မှုကြောင့် မဟုတ်ဘူး၊ နောင်တရကြလို့သာ ဖြစ်တယ်"

The snake bit the hen, and with the poison burning in her body, the hen sought refuge in her henhouse.

But the other hens preferred to expel her so that the poison would not spread.

The hen limped away, crying in pain. Not because of the bite, but because of the abandonment and contempt of her own family at the time when she needed them most.

So she left... burning with fever, dragging one of her legs, vulnerable to the cold nights.

With each step, a tear fell.

The hens in the henhouse watched her go away, watching her disappear on the horizon. Some said to each other:

— Let her go... She will die far from us.

And when the hen finally vanished into the immensity of the horizon, they were all sure that she had died.

Some even looked at the sky, hoping to see vultures flying.
Time passed.

Much later, a hummingbird came to the henhouse and announced:

— Your sister is alive! She lives in a cave far away from here.

She recovered, but lost a leg from the snake bite.
She has trouble finding food and needs your help.

There was silence. Then the excuses began:

— I can't go, I'm laying eggs...

— I can't go, I'm looking for corn...

— I can't go, I have to take care of my chicks...

So, one by one, they all refused the request. The hummingbird returned to the cave without help.

Time passed again.

Much later, the hummingbird returned, but this time with painful news:

— Your sister has passed away... She died alone in the cave... There is no one to bury her or mourn her.

At that moment, a weight fell on everyone. A deep lament filled the henhouse.

Those who were laying eggs stopped.

Those who were looking for corn left the seeds.

Those who were caring for the chicks forgot about them for a moment.

Regret hurt more than any poison. Why didn't we go before?, they asked themselves.

And without measuring the distance or the effort, they all set off for the cave, crying and lamenting. Now they had a reason to see her, but it was too late.

When they got to the cave, they didn't find the hen... They only found a letter that said:

"In life, many times people don't cross the street to help you when you're alive, but they cross the world to bury you when you die.

And most of the tears at funerals are not from pain, but from remorse and regret."

#မေတ္တာဖြင့်
#ဒေါက်တာစိုးသန်း Bodhi

ভারতের তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা,মগ,বড়ুয়া,সিংহ পদবীধারী ও অন্যান্য বৌদ্ধরা ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হতে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায় এই বাই...
23/02/2025

ভারতের তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা,মগ,বড়ুয়া,সিংহ পদবীধারী ও অন্যান্য বৌদ্ধরা ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হতে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায় এই বাইশ প্রতিজ্ঞা মেনে চলা।পন্ডিত ড. বাবা সাহেব আম্বেদকর সব কিছু বিবেচনা করেই এই ২২ প্রতিজ্ঞা প্রবর্তন করেছেন।

ভারতে আম্বেদকর অনুসারীদের সর্ব প্রথমে এই ২২ প্রতিজ্ঞা শপথের মাধ্যমে বুদ্ধের ধর্মের অনুসারী করা হয়।

১। ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশকে আমি দেবতা বলে গণ্য করি না এবং তাঁদের কোনও দিন আমি পূজা করবো না।

২। রাম এবং কৃষ্ণকে আমি কখনও পূজা করবোনা।

৩। আমি গৌরী-গণেশকে বিশ্বাস করিনা। কোনও দিন তাঁদের পুজা করবো না।

৪। আমি বুদ্ধকে ভগবানের অবতারে বিশ্বাস করিনা।

৫। ভগবান বুদ্ধ বিষ্ণুর অবতার বলে মিথ্যা প্রচার করা হয়। এমন কুৎসা প্রচার আমি বিশ্বাস করিনা।

৬। আমি ব্রাহ্মণ্য শ্রাদ্ধ করবো না। এবং ব্রাহ্মণ্যদের পিণ্ডদানও করবো না।

৭। বৌদ্ধধর্মের প্রতিকুল বা বৌদ্ধধর্ম ভিন্ন আমি কোন আচার-আচারণ করবো না। পালনও করবো না।

৮। ব্রাহ্মণদের কাছ থেকে আমি কোনও দীক্ষা নেব না।

৯। আমি বিশ্বাস করি সমস্ত মানুষ সমান।কোন বর্ন বা ভেদাভেদ নাই।

১০। সকল মানুষের মধ্যে আমি সাম্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব।

১১. আমি তথাগত বুদ্ধের অষ্টমার্গ অনুসরণ করব।

১২. আমি তথাগতের দশ পারমিতা অনুসরণ করব।

১৩। আমি সমস্ত জীবন্ত প্রাণী প্রতি করুণা পোষণ করব এবং তাদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা করব।

১৪। কখনো আমি চুরি করব না।

১৫। কখনও আমি মিথ্যা বলবো না।

১৬। কখনও আমি যৌন ব্যাভিচারে লিপ্ত হবো না।

১৭। আমি মদ বা মাদকদ্রব্য সেবন করবো না।

18. বুদ্ধ প্রদর্শিত জ্ঞান, উপদেশ এবং করুণা আমার জীবনের পাথেয় হবে।

১৯. হিন্দু ধর্ম পরিত্যাগ করছি কারণ হিন্দুধর্ম মানুষে-মানুষে ব্যবধান ও বৈষম্যপূর্ণ ব্যবহার করে মানবের সমৃদ্ধি রাস্তা বন্ধ করেছে, তাই আমি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করছি।

২০। আমার নিশ্চিত বিশ্বাস তথাগত বুদ্ধের ধর্মই শ্রেষ্ঠ ও মহান ধর্ম।

২১। ধর্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে আমি বিশ্বাস আমি নবজন্ম লাভ করেছি।

২২। আমি শপথ নিচ্ছি যে, এখন থেকে বুদ্ধের শিক্ষা ও প্রদর্শিত পথে জীবন যাপন করবো।

भारत के तनचांग्या, चकमा, मोग, बरुआ, सिंह और अन्य बौद्धों के लिए इन बाईस प्रतिज्ञाओं का पालन करना ही भविष्य में विलुप्त होने से बचने का एकमात्र रास्ता है। बाबा साहब अंबेडकर ने सभी बातों पर विचार करके ये 22 प्रतिज्ञाएं पेश कीं।

भारत में अम्बेडकर के अनुयायियों को सबसे पहले ये 22 प्रतिज्ञाएँ दिलाकर बुद्ध धर्म का पालन कराया गया।

1. मैं ब्रह्मा, विष्णु और महेश को भगवान नहीं मानता और कभी उनकी पूजा नहीं करूंगा.

2. मैं कभी भी राम और कृष्ण की पूजा नहीं करूंगा.

3. मैं गौरी-गणेश में विश्वास नहीं करता. मैं कभी उनकी पूजा नहीं करूंगा.

4. मैं नहीं मानता कि बुद्ध भगवान के अवतार हैं।

5. भगवान बुद्ध को विष्णु का अवतार कहकर मिथ्या प्रचारित किया जाता है। मैं ऐसे दुर्भावनापूर्ण प्रचार पर विश्वास नहीं करता.

6. मैं ब्राह्मण श्राद्ध नहीं करूँगा। और मैं ब्राह्मणों को रोटी नहीं दूँगा।

7. मैं कोई भी अनुष्ठान नहीं करूँगा जो बौद्ध धर्म के विपरीत हो या बौद्ध धर्म से भिन्न हो। मैं निरीक्षण नहीं करूंगा.

8. मैं ब्राह्मणों से दीक्षा नहीं लूँगा।

9. मेरा मानना ​​है कि सभी लोग समान हैं, कोई जाति या भेदभाव नहीं है।

10. मैं सभी लोगों के बीच समानता स्थापित करने का प्रयास करूंगा.

11। मैं तथागत बुद्ध के अष्टमार्ग का पालन करूंगा।

12. मैं तथागत के दस पारमिताओं का पालन करूंगा।

13. मैं सभी प्राणियों पर दया करूँगा और उनके संरक्षण की व्यवस्था करूँगा।

14. मैं कभी चोरी नहीं करूंगा.

15. मैं कभी झूठ नहीं बोलूंगा.

16. मैं कभी भी यौन व्यभिचार नहीं करूँगा।

17. मैं शराब या नशीली दवाओं का सेवन नहीं करूंगा.

18. बुद्ध द्वारा दिखाया गया ज्ञान, सलाह और करुणा मेरे जीवन का मार्ग होगी।

19. मैं हिंदू धर्म को त्याग रहा हूं क्योंकि हिंदू धर्म ने मानव-मानव के बीच मतभेद और भेदभाव का उपयोग करके मानव समृद्धि का मार्ग अवरुद्ध कर दिया है, मैं बौद्ध धर्म अपना रहा हूं।

20. मेरा दृढ़ विश्वास है कि तथागत बुद्ध का धर्म सर्वोत्तम और महानतम धर्म है।

21. मेरा मानना ​​है कि धर्म परिवर्तन के माध्यम से मेरा पुनर्जन्म हुआ है।

22. मैं प्रतिज्ञा करता हूं कि अब से मैं बुद्ध की शिक्षाओं और दिखाए गए मार्ग के अनुसार जीवन व्यतीत करूंगा।

Address

Delhi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bodhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Bodhi:

Share