Spiritual and Religious Matters of Life

Spiritual and Religious Matters of Life এই গ্রুপটি এমন সব বন্ধুদের জন্য যারা ভগবানের ওপর পরম আস্থা রাখে।

আমরা হিন্দুরা মুর্তি পূজা কেন করি?বহু কাল আগে এক রাজা স্বামী বিবেকানন্দ এর কাছে জিজ্ঞেস করলেন আপনারা কেন মূর্তি পূজা করে...
12/10/2023

আমরা হিন্দুরা মুর্তি পূজা কেন করি?

বহু কাল আগে এক রাজা স্বামী বিবেকানন্দ এর কাছে জিজ্ঞেস করলেন আপনারা কেন মূর্তি পূজা করেন ?
আমি বুঝি না পুতুলের মধ্যে আপনারা কি এমন দেখেন যে পূজা করতে হবে?

স্বামী বিবেকানন্দ তখন বুঝতে পারেন যে রাজা তাকে অপমান করার চেষ্টা করছে ।
তিনি বুঝলেন তর্কে গেলে চলবে না । তাই তিনি যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করলেন ।

স্বামী বিবেকানন্দ তখন রাজার ঘরের দেওয়াল থেকে তার স্বর্গীয় পিতার ছবি নিয়ে এসে রাজাকে বললেন এই ছবিতে থুথু নিক্ষেপ করতে।

তখন রাজা রেগে গিয়ে বললেন এটা আমার বাবার ছবি। আমি কিভাবে এই ছবির উপর থুথু নিক্ষেপ করবো?
তখন স্বামীজী বললেন কেন পারবেন না,এটা তো নিছকই একটা কাগজের তৈরি ছবি।

স্বামী বিবেকানন্দ তখন বললেন আপনি আপনার স্বর্গীয় পিতার ছবিতে থুথু নিক্ষেপ করতে পারেন নি। কারণ আপনি বিশ্বাস করেন এই ছবির মধ্যে আপনার পিতা অবস্থান করেন । আপনি তাকে ভালোবাসেন আর সম্মান প্রদর্শন করেন তাই তার ছবিতে থুথু নিক্ষেপ করতে পারেন নি।
ঠিক তেমনি আমরা হিন্দুরা বিশ্বাস করি ঈশ্বর মূর্তি বা ছবির মধ্যে অবস্থান করে এবং আমাদের সকল দুঃখ গ্লানি মুছে দেন। ঈশ্বর নিরাকার,আমরা মূর্তির মাধ্যমে সাকার রূপের উপাসনা করি। এই মূর্তিতে আমরা ঈশ্বরকে উপলব্ধি করতে পারি যেমন ভাবে আপনি আপনার স্বর্গীয় পিতার ছবিতে আপনার পিতাকে উপলব্ধি করেন ।

রাজা তার ভুল বুঝতে পারে এবং হাত জোড় করে স্বামী বিবেকানন্দ এর কাছে তার ভুল শিকার করে।

যঃ যঃ যাম্ যা্ তনুম্ ভক্তাঃ শ্রদ্ধয়া অর্চিতুম্ ইচ্ছতি ।
তস্য অচলম্ শ্রদ্ধাম্ তাম্ এব বিদধামি অহম্ ।।২১ ( শ্রীগীতা)

অর্থ-পরমাত্মারুপে আমি সকলের হৃদয় বিরাজ করি। যখন কেউ দেবতাদের পূজা করতে ইচ্ছা করে আমি তাদের শ্রদ্ধানুসারে সেই সেই দেবতাদের প্রতি ভক্তি বিধান করি ।

সঃ তয়া শ্রদ্ধয়া যুক্ত তস্য আরাধনম্ ঈহতে ।
লভতে চ ততঃ কামান ময়া এব বিহিতান হিতান ।।২২( শ্রীগীতা)

অর্থ-সেই ভক্ত শ্রদ্ধাযুক্ত হয়ে সেই দেবতার আরাধনা করেন এবং সেই দেবতার কাছ থেকে আমারই দ্বারা বিহিত কাম্য বস্তুলাভ করে।

30/09/2023

* কি কি হারিয়ে ফেলেছি আমরা ? কি কমেছে আমাদের?*
*১ | আত্মীয় স্বজন কমেছে ।
*২ | বন্ধু বান্ধব সম্বন্ধ কমেছে ।
*৩ | রাতের ঘুম কমেছে ।
*৪ | কমেছে মাথায় চুল ।
*৫ | মানুষে মানুষে ভালোবাসা কমেছে ।
*৬ | কমেছে বিশ্বাস ।
*৭ | অঙ্গের বস্ত্র কম হয়েছে ।
*৮ | কম হয়েছে লজ্জা ।
*৯ | মর্যাদা কমেছে ।
*১০ | শিশুদের সংখ্যা কমেছে ।
*১১ | ঘরের খাবার খাওয়া কমেছে।
*১২ | বই পড়ার অভ্যাস কমেছে ।
*১৩ | ভাই ভাইয়ের ভালোবাসা কমেছে ।
*১৪ | হাঁটাচলার অভ্যাস কমেছে
*১৫ | খাবারের পরিমাণ কমেছে ।
*১৬ | ঘি মাখন খাওয়া কমেছে ।
*১৭ | তামা --পেতলের বাসনপত্র কমেছে।
*১৮ | সুখ শান্তি কমেছে ।
*১৯ | অতিথি অভ্যাগত কমেছে ।
*২০ | সত্যের পরিমাপ কমেছে ।
*২১ | কমেছে ভদ্রতা সভ্যতা ।
*২২ | কমেছে মনের মিল ।
*২৩ | সমর্পণের ভাব কমেছে ।
*২৪ | কমেছে শ্রদ্ধা ।
*২৫ | সবচেয়ে বেশি কমেছে ধৈর্য্য ।
খুবই দুঃখজনক ও খারাপ লাগে ভাবতে যে এক সময় এগুলি আমাদের অত্যন্ত গর্বের বিষয় ছিল।

TAIL PIECE: Mantras For Cool Life.... # # # # # # #  10 Gurumantras for people to have a cool life1. Money is not everyt...
31/08/2023

TAIL PIECE:
Mantras For Cool Life....
# # # # # # #

10 Gurumantras for people to have a cool life

1. Money is not everything. There's also Mastercard Visa.

2. One should love animals. They are tasty too.

3. Save water. Drink on the rocks.

4. Fruits/Salads are healthy. So leave it for sick.

5. Books are holy. So don't touch them.

6. Don't shout in the office. It disturbs those who are sleeping.

7. Love thy neighbor. But don't get caught.

8. Hard work never killed anyone, but why take the chance.

9. Why do something today when it can be done tomorrow, by someone else.

10. Every one should marry because happiness is not the only thing in life.

😎😎

তিনি বিষ্ণুর সবচেয়ে বড় ভক্ত, নারদ সম্পর্কে অজানা তথ্য জেনে নিন____________________________দেবর্ষি নারদের ছবির সঙ্গে আমর...
17/08/2023

তিনি বিষ্ণুর সবচেয়ে বড় ভক্ত, নারদ সম্পর্কে অজানা তথ্য জেনে নিন
____________________________

দেবর্ষি নারদের ছবির সঙ্গে আমরা প্রায় সবাই পরিচিত। কিন্তু কে এই নারদ? কী ভাবে তিনি বিষ্ণুর সবচেয়ে বড় ভক্তের মান্যতা পেলেন তা জানেন কি? জেনে নিন দেবর্ষি নারদ সম্পর্কে কিছু অজানা কথা।

কোথাও ঝগড়া লাগলে প্রচলিত ভাবে বলা হয় নারদ নারদ! তিনি বিষ্ণুর পরম ভক্ত হিসেবেই পরিচিত। তাঁর একহাতে বীণা, অন্য হাতে করতাল। দেবর্ষি নারদ হিন্দু ধর্মের এক অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য চরিত্র। কিন্তু সত্যিই কে ছিলেন এই নারদ মুনি? তিনি কি স্বর্গের বাসিন্দা? কোথায় তাঁর জন্ম? কী ভাবে তিনি শ্রীবিষ্ণুর সবচেয়ে বড় ভক্ত হয়ে উঠলেন? জেনে নিন দেবর্ষি নারদ সম্পর্কে অনেক অজানা কথা।
মাথায় চুড়ো করে বাঁধা চুলে জড়ানো ফুলের মালা। গলায়, হাতে রুদ্রাক্ষ। মুখে সব সময় মধুর হাসি। নারদ বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে এই ছবি। কিন্তু জানেন কি, কে এই নারদ মুনি? পুরাণ অনুসারে আগের জন্মে নারদ ছিলেন ব্রাহ্মণদের এক দাসীর পুত্র। তখন তাঁর নাম ছিল নন্দ। ছোটবেলা থেকেই ব্রাহ্মণদের সেবা করতেন তিনি। খুব যত্ন করে সবার দেখাশোনা করতেন তিনি। এই ভাবে ব্রাহ্মণদের সেবা করে নন্দর আত্মা ক্রমশ শুদ্ধ হয়ে ওঠে। ব্রাহ্মণদের পুজো দেখে ও পুজোর মন্ত্র শুনে তিনিও মন্ত্রজপ শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন পর ওই সাধুরা সেখান থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সাধুরা তাঁকে ছেড়ে চলে যাবেন এই কথা জেনে অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়েন নন্দ। তাঁকে ছেড়ে না যেতে সবার কাছে অনুনয় বিনয় করতে থাকেন। সাধুরা তাঁকে বোঝান যে সব মানুষকেই একদিন যেতে হবে, কেউ এক জায়গায় বরাবর থাকতে পারেন না। বন্ধন থেকে মুক্তি পাওয়াই মানব জীবনের উদ্দেশ্য। নন্দর প্রতি তুষ্ট হয়ে সাধুরা তাঁকে সেই স্বর্গীয় জ্ঞান দান করেন, যা স্বয়ং কৃষ্ণ গীতায় বর্ণনা করেছেন।

এই জ্ঞানের সঙ্গে স্বর্গীয় আলো নন্দর অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। ব্রাহ্মণরা চলে গেলে তিনি মায়ের সঙ্গে সেখানেই থেকে যান এবং বিষ্ণুর আরাধনা করেন। একদিন সাপের কামড়ে নন্দের মায়ের মৃত্যু হয়। সেই শোকে জঙ্গলে গিয়ে বিষ্ণুর ধ্যান শুরু করেন নন্দ। তাঁর প্রচণ্ড তপস্যায় তুষ্ট হয়ে বিষ্ণু তাঁকে দর্শন দেন। শ্রীবিষ্ণু নন্দের পবিত্র মন ও ঈশ্বরকে পাওয়ার প্রবল ইচ্ছে দেখে খুশি হয়ে তাঁকে বর দেন যে পরের জন্মে তিনি বিষ্ণুর পরম ভক্ত হয়ে জন্ম নেবেন। তাঁর ভক্তির কারণে নারদ হয়ে জন্মে তিনি অমরত্ব লাভ করেন।

এরপর নন্দ বিষ্ণুর আরাধনা করতে করতে গোটা বিশ্ব ঘুরে বেড়ান। সব সময় তাঁর মুখে শুধু বিষ্ণুর নাম। মহাপ্রলয়ের সময় তিনিও ভেসে যান। এভাবে কয়েক হাজার বছরের প্রলয়ের পর বিষ্ণুর নাভিপদ্ম থেকে ব্রহ্মার উত্‍পত্তি হয়। বিষ্ণুর আশীর্বাদে ব্রহ্মার মানসপুত্র হিসেবে জন্ম নেন দেবর্ষি নারদ। শ্রীবিষ্ণুর সবচেয়ে বড় ভক্তি হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।

রাগ কীভাবে কমানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়?_____________________রাগ কীভাবে কমানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়?ধন্যবাদ, রাগ কমানোর কিছ...
17/08/2023

রাগ কীভাবে কমানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
_____________________

রাগ কীভাবে কমানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
ধন্যবাদ, রাগ কমানোর কিছু টেকনিক নিচে দিলাম—

রাগলে আমাদের শরীরের রক্তচাপ/ব্লাড প্রেসার বৃদ্ধি পায়, এজন্যে শরীর ঘামতে শুরু করে। অনেক সময় চোখের দৃষ্টি ঝাপ্সা হয়ে আসে, মাথা ঘুরতে থাকে। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রচুর পানি/ওরস্যালাইন পান করুন, খুব দ্রুত রেজাল্ট পাবেন।
দাঁড়ানো অবস্থায় রাগ হলে সুবিধা বুঝে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ রেখে বসে থাকুন, বসা অবস্থায় রাগ হলে চেস্টা করুন খানিকক্ষণ শুয়ে রেস্ট নিতে। যেভাবেই থাকুন, রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে লম্বা শ্বাস গ্রহণ করুন।
ক্ষুধা অবস্থায় রাগ বেশি হয়, এজন্যে পেটকে শান্তি দিন। ইচ্ছামত খেতে থাকুন রাগ আসামাত্র।
নিরিবিলি/খোলামেলা সবুজ প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকতে পারলে নিমিষেই রাগ উধাও হয়ে যাবে,
সর্বোপরি, রাগের উপযুক্ততা নিয়ে ভাবুন এবং দেখুন সেটিকে এতো সিরিয়াসলি নিচ্ছেন কিজন্যে। নিজের কাজকে ঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে পারলে রাগ জন্মই নিবে না।

‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন'- এটি শুধু কথার কথা নয়। দৈনন্দিন জীবনে এভাবেই আমরা হেরে যাই। কখনো কারো কথায় রেগে যাই আবার কখনো বা কারো আচরণে রেগে যাই। রাগ মুহূর্তেই বাড়িয়ে দিতে পারে দু’ বন্ধুর মধ্যকার দূরত্ব। হঠাৎ করেই আপনাকে একা করে দিয়ে হারিয়ে যেতে পারে আপনার কাছের মানুষগুলো। আর তাই এই রাগকে রাখতে হবে নিয়ন্ত্রণে। অযথা রাগ না করে ঠাণ্ডা মাথায় ভাবলে অনেক সমস্যারই সমাধান করা যায় খুব সহজেই। চলুন জেনে নেয়া যাক, কীভাবে এই রাগ নিয়ন্ত্রণের রাখা যায়-

১. যদি বুঝতে পারেন যে আপনার রাগ হচ্ছে, তাহলে গভীরভাবে শ্বাস নেয়ার চেষ্টা করুন। গভীর দম নিয়ে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন। এতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মন অন্যদিকে যাবে। আর গভীর শ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে আপনার মাথায় অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াবে, মাথায় রক্ত চলাচল হবে। ফলে আপনি একটু চাঙা বোধ করবেন। ঠাণ্ডা মাথায় বিষয়গুলো ভাবার সময় পাবেন।

২. হুট করে কোনো কথা বা কাজ করে বসবেন না। সময় নিন, প্রয়োজন হলে সেই মানুষটার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বন্ধ রাখুন অথবা রাগের কারণটি থেকে নিজের মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নিন।

৩. যখন আপনি শান্ত হয়ে গেলেন, এবার আপনার রাগের কারণগুলো তার সামনে তুলে ধরুন, ততক্ষণে অপরজনের মাথাও ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।

৪. ঘটনার শুরু যেভাবেই হোক না কেন, রাগারাগিতে কোনো পক্ষেরই লাভ হয় না। রাগ সামলাতে না পারলে অল্প সময়ের জন্য হলেও ঘটনাস্থল ত্যাগ করুন। একটু হেঁটে আসুন। এতে রাগারাগি আর না বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে আর আপনার মনও হয়তো একটু শান্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

৫. আপনি যখন রেগে আছেন, স্বাভাবিকভাবেই আপনার মধ্যে নমনীয়তা কাজ করবে না। আর তাই হঠাৎ করে এমন কিছু কথা বলে ফেলতে পারেন যা অন্যের কষ্টের কারণ হতে পারে, তাই কোনো কথা না বলাই ভালো।

৬. যে কোনো সমস্যার সমাধান অবশ্যই আছে, একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলেই সেটা বের করা যায়।

৭. নিজেকে নিয়ে বেশি হিসাব করতে গেলে রাগ আরও বাড়বে। তাই তাত্ক্ষণিক ব্যাপারটা মেনে নিলে সমস্যা অনেকটা কমে যায়।

৮. টেনশনে সিগারেট জাতীয় কিছু খাওয়া ঠিক না, তাতে মনটা আরও বিক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

৯. টেনশন কমানোর জন্য খানিকটা হাসি ঠাট্টা করা যেতে পারে, তাতে মনটা হালকা হয়ে যায়।

১০. সব থেকে ভালো উপায় হলো মেডিটেশন।

১১. রাগ উঠে গেলে বা কেউ খোঁচাতে থাকলে মুখ বন্ধ করে রাখাটা কঠিন বটে। কিন্তু এ সময় ঠোঁটে তালা মেরে রাখতে পারাটা দারুণ কার্যকর। অপরপক্ষকে মনের ঝাল মেটাতে দিন কিন্তু আপনি টুঁ শব্দটিও করবেন না। এর মধ্য দিয়ে অপরপক্ষের মনের কথাগুলো আপনি জেনে গেলেন। ধৈর্য ধরে রাখতে পারলে পরে বিষয়গুলো নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় ভাবুন। এই চর্চা আপনাকে শক্তিমান করবে।

১২. মানুষ যেমনি মরণশীল তেমনি ভুলশীল। যদিও এ রকম কোনো শব্দ ডিকশনারিতে নেই। তবুও মানুষ ভুল করতে ভোলে না। মানুষ সব সময়ই কিছু না কিছু ভুল করে। তাই বলে সব ভুলের জন্য রেগে যাওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ না। রেগে না গিয়ে তাকে ক্ষমা করে দিন। দেখবেন তখন না হলেও পরবর্তীতে আপনার ভালো লাগবে। আর রেগে গিয়ে কি আপনি তার ভুল শুধরে দিতে পারবেন? ধরুন একজন রিকশাচালক আপনার গাড়িতে স্ক্রাচ ফেলে দিয়েছে। এবার আপনি তার সঙ্গে রাগ করলেই কি তা ঠিক হবে? তা না করে আপনি যদি তাকে ক্ষমা করে দেন তাহলে পরবর্তীতে তিনি সতর্ক থাকবেন।

নিজেকে ভালো রাখতে কী করবেন?_________________1)নিজের ইচ্ছা,আগ্রহ এবং পছন্দকে প্রাধান্য দিন।2) নিজের শখগুলো পূরণ করুন।3) ন...
17/08/2023

নিজেকে ভালো রাখতে কী করবেন?
_________________

1)নিজের ইচ্ছা,আগ্রহ এবং পছন্দকে প্রাধান্য দিন।
2) নিজের শখগুলো পূরণ করুন।
3) নিজের রুচিবোধ অনুযায়ী পোশাক পরুন।
4) অন্যের কথা মত চলা পরিহার করুন।
5) মাঝে মাঝে নিজেকে নিজে উপহার দিন।
6) নিজের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না।
7) কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশা করবেন না।
8) জীবনকে উপভোগ করার চেষ্টা করুন।
9) সবখান থেকে মজা খুঁজে নিন।
10) মাঝে মাঝে ভ্রমণে বের হোন।
11) ভুলভাল মানুষের সাথে সময় ব্যয় করবেন না।
12) নিজেকে পর্যাপ্ত সময় দিন।
13) নেতিবাচক ভাবনা পরিহার করুন।
14) নিজেকে পরিপাটি এবং গোছালো রাখুন।
15) নিজের যত্ন নিন।
16) নিজেকে আরও বেশি করে জানুন।

গল্প__________বছর সত্তরের  ভদ্রলোকটি আমার মতোই কলকাতা থেকে ভুবনেশ্বর যাচ্ছেন , পরনে পায়জামা পাঞ্জাবি , তার উপর জহরকোট চা...
17/08/2023

গল্প
__________
বছর সত্তরের ভদ্রলোকটি আমার মতোই কলকাতা থেকে ভুবনেশ্বর যাচ্ছেন , পরনে পায়জামা পাঞ্জাবি , তার উপর জহরকোট চাপানো , কম্বল টাকে পায়ের উপর জড়িয়ে বাবু হয়ে বসে এক মনে মোবাইলে টাইপ করে চলেছেন ...মাঝে মাঝে ফিক ফিক করে হাসছেন । বেশ কয়েকবার আমার দিকে তাকিয়ে কি যেন দেখলেন আবার মোবাইলে মনোনিবেশ করলেন । কেন জানিনা সেদিন 2nd AC ওই কামরাটি বেশ ফাঁকাই ছিল , ঠান্ডা টা একটু বেশিই লাগছিলো ।
রাত তখন এগারোটা হবে বাকিরা সবাই মোটামুটি ঘুমের দেশে পাড়ি দিয়েছে বা দেবে দেবে করছে । রাত একটার আগে আমার ঘুম আসবে না তাই আমি চাদর টাকে সারা গায়ে জড়িয়ে মোবাইল টাকে নাড়াচাড়া করছিলাম । ভদ্রলোকটি চোখ থেকে হাই পাওয়ারের চশমাটা খুলে আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কি ঠান্ডা লাগছে my son ..? .ভদ্রলোকটিকে দেখে আমার শিক্ষক বা প্রফেসর মনে হচ্ছিল ....বেশ একটা পারসোনালিটি তার সারা শরীরের ভাষায় প্রকাশ পাচ্ছিল , তার উপর ওনার মুখে my son কথাটি শুনে আমি একটু নড়েচড়ে বসলাম , বললাম তা একটু লাগছে । ভদ্রলোকটি বললেন এক্ষুনি লাস্ট কফিওয়ালা উঠবে একটু কফি খেয়ে নাও দেখবে ভালো লাগবে । ঠিক তাই দুজনেই কফি নিয়ে বসলাম , একে একে ধেয়ে এলো অতি পরিচিত কিছু প্রশ্ন ---কোথায় থাকো ? কি করা হয় ? সন্তান কটি ? তারা কিসে পড়ে ? কথায় কথায় ভদ্রলোকটি বললেন উনি ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটির বাংলার প্রফেসর ছিলেন । কিছুক্ষন দুজনেই চুপ তারপর ভদ্রলোকটি শান্ত গলায় জিজ্ঞাসা করলেন কেমন লাগছে জীবনের স্বাদ ? বাড়িতে সময় দেওয়া হয় ? আমি কি বলবো তা ঠিক গুছিয়ে উঠতে পারছিলাম না । ভদ্রলোকটি আমাকে একটু আস্বস্ত করে বললেন আমি জানতে চাইছি জীবনটা কে মিষ্টি লাগছে না তেতো ? আমি হাসতে হাসতে বললাম টক ঝাল মিষ্টি ...সকালে নয়টায় অফিস তারপর ফিরতে ফিরতে সেই রাত আটটা। বাকি সময়টুকু হয় আমার সাথে বউয়ের ঝামেলা নয়তো মেয়ের সাথে মেয়ের মায়ের ...সকালে ঘুম থেকে দেরি করে কেন ওঠা থেকে শুরু , homework কেন হয়নি ? খাবার কেন থালায় পড়ে ? , স্কুলের ব্যাগ কেন গোছাও নি ? খাটের চাদর কেন লন্ড ভন্ড ? বই গুলো ঠিক জায়গায় নেই কেন ? পা না ধুয়ে কেন খাটে উঠেছ ? কত TV দেখবে ? একটা না একটা বিষয় নিয়ে লেগেই আছে , মাঝে মাঝে অতিষ্ট হয়ে মেজাজ যায় হারিয়ে ....
ভদ্রলোকটি ছোট্ট একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে কম্বলটি বুকের উপর তুলে বলল এটাই তো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় ...এটাকে অবহেলা কোরো না ....টক ঝাল মিষ্টির এই অতুলনীয় স্বাদটাকে কব্জি ডুবিয়ে চেটেপুটে খাও একেবারে হাতের নখ থেকে কুনুই পর্যন্ত । একটা সময় আসবে যখন ঘরে ঢুকে দেখবে চারিদিক নিঃশব্দ , বিছানার চাদরটা টান টান করে পাতা , মা-মেয়ের প্রতিদিনের খন্ডযুদ্ধ কোনো এক অলৌকিক ইশারায় চিরতরে অবসান ঘটেছে , মনে হবে চাদরটা দু হাত দিয়ে আবার লণ্ডভণ্ড করে অপূর্ণ যুদ্ধের দামামা বাজাই ...বইয়ের তাকটা পরিপাটি করে সাজানো হালকা সাদা ধুলোর আস্তরণ বইগুলোতে লেপ্টে আছে ...মনে হবে সব বইগুলো পরিষ্কার টেবিলটার উপর আছড়ে ফেলে অসমাপ্ত অঙ্ক গুলোকে ছোটো ছোটো হাত দুটো ধরে আর একবার কষাই ...সব কিছু ঠিকঠাক কিন্তু চারিদিক মরুভূমির নিঃসঙ্গতা , সন্তানের পরিচিত গন্ধকে একটিবার পাওয়ার আশায় এঘর ওঘর শুধু ঘুরপাক খাওয়া , বাড়িথেকে বেরোবার সময় পেছনে নড়বে না কোনো আদুল হাতের টাটা , TV টা আপন মনেই চলতে থাকে কেউ কেড়ে নেয়না অযথা বাহানায় , খাবার টেবিলেই শুকোতে থাকে এটো হাত কেউ ছোবল দেয়না আর ডিমের কুসুমে , মোবাইলের ওপারে আদুরে আওয়াজ প্রতিদিন থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রতি সপ্তাহে থেকে প্রতি মাসে গিয়ে ঠেকবে , দুদিনের জন্য আসবে যাবার সময় ব্যাগের ভিতর নিয়ে যাবে হাটি হাটি পা পা থেকে একটু একটু করে গড়ে তোলা সব স্বপ্ন ....দৃষ্টি শক্তি ধীরে ধীরে লোপ পাবে , বাড়বে শুধু ওষুধের সংখ্যা , অনিদ্রায় চোখ দুটো হয়ে উঠবে আরো নিশাচর ......
ভদ্রলোকটি প্রতিটি কথা ট্রেনের বিকট আওয়াজ পেরিয়ে বুকের ভিতর যেন তীরের মতো বিধ ছিল , আমি বললাম তাহলে বাঁচার উপায় ? ভদ্রলোকটি একটু ধরা গলায় বললেন শীতের ঝরা পাতার মতো যদি ঝরে পর তবে কেউ ফিরেও তাকাবে না ...উপরে সবুজ পাতার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে অচিরে বিলীন হবে মাটির বুকে ...সবুজ পাতার মতো ফুটে উঠতে হবে ওই জীর্ণ বট বৃক্ষে । পুরোনো বন্ধুদের সান্নিধ্যের আগুনে মনটাকে সেখতে হবে ঠিক যেমন কনকনে শীতের রাতে কাঁপতে কাঁপতে একটুকরো আগুনকে ঘিরেধরে একটু ভালোলাগার উষ্ণতা সারা শরীরে মাখতে ইচ্ছা করে.......একমাত্র বন্ধুই পারে তোমার ক্ষয়ে যাওয়া জীবনে অফুরন্ত হাসির ফোয়ারা প্রলেপ লাগাতে , তাইতো আমি সময় অসময় চোখ রাখি ওই মোবাইলের ছোটো জানালায় ...তাতে ভেসে ওঠা পুরোনো বন্ধুর এক একটা শব্দ সবুজ পাতার ফাঁক দিয়ে ঠিকরে বেরিয়ে আসা এক একটি সূর্যরশ্মি । সযত্নে আগলে রেখো পুরোনো বন্ধুত্বকে । আজকের প্রতিদিনের কর্মযুদ্ধে হারিয়ে ফেলনা তাদের বন্ধুত্বের হাতছানি । আমি আজ যাচ্ছি আমাদের বন্ধুদের মিলন সমারোহে ....তিন মাস অন্তর অন্তর আমরা মিট করি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে । গান , বাজনা , হাসির কোলাহলে ডুবে থাকি দুদিন ...খুঁজে পাই বেঁচে থাকার অক্সিজেন ....
পরদিন ভোর বেলায় যখন ভুবনেশ্বর স্টেশনে নামলাম দেখলাম গোটা পনেরো সত্তর বছরের যুবক ভদ্রলোকটিকে ঘিরে ধরেছে ....হাসতে হাসতে তারা এগিয়ে চলেছে নতুন ভুবন গড়তে ...আমাকে দেখে ভদ্রলোকটি হাত নেড়ে বললো look my son এরাই আমার এক একটি সবুজ পাতা .....
জানি না ২০ বছর পর আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে ? জানিনা মোবাইলে টাইপ করার শক্তি হাতে মজুত থাকবে কি না ? হয়তো ধীরে ধীরে চোখের দৃষ্টি আবছা হয়ে আসবে ...গ্রুপের গানের আসর হয়তো তখনো একই রকম ভাবে জমে উঠবে কিন্তু হঠাৎ করেই বেইমান হয়ে উঠবে আমার শ্রবণ শক্তি , আস্তে আস্তে শিথিল হবে আমার স্মৃতিশক্তির বাঁধন ....তবু থেমে যেন না যায় বন্ধু তোদের গান , কবিতা , বাজনার অপরূপ সৃষ্টি ... প্রতিটা হাসির কৌতুক ভরা রস হয়ে উঠুক এক একটি সদ্য প্রস্ফুটিত সবুজ পাতা ......The show must go on .......

(1) আপনাকে অপমান করছেন কেউ ?             এর অর্থ, তার অহং (ego) আহত হয়েছে । তিনি পাল্টা মার দিয়ে নিজের অহংকে কিছুটা তৃপ্...
17/08/2023

(1) আপনাকে অপমান করছেন কেউ ?
এর অর্থ, তার অহং (ego) আহত হয়েছে । তিনি পাল্টা মার দিয়ে নিজের অহংকে কিছুটা তৃপ্ত করতে চেষ্টা করছেন। নিজের হীনভাবনাকে দুর করতে চাইছেন। আপনাকে ভয় করছেন কিছুটা ।
(2) কেউ জোর গলায় তর্ক করছেন আপনার সঙ্গে? উঁচু স্বরে ?
তিনি নিজের মতামতকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন প্রাণপণে । তার ভয় যে আপনি তার মতকে কেটে দিতে পারেন। কেউ অকারণে জোরে কথা বললে এর অর্থ তার মনের মধ্যে ভয় আছে ।
(3) কেউ আপনাকে বোকা বানিয়ে আপনার কাছ থেকে সুযোগ নেবার চেষ্টা করছেন ?
এর অর্থ তিনি মূলত লোভী । নিজের কর্মদক্ষতার উপর ভরসা নেই বলে ঘুরপথে কাজ হাসিলের চেষ্টা করছেন ।
(4) আপনার সাথে অকারণে খারাপ ব্যবহার করছেন ?
তিনি কোনো কারণে উদ্বিগ্ন আছেন , নিরাপত্তার অভাব রয়েছে তার মনে । মানুষ নিজে বিরক্ত থাকলেই অন্য্দের বিরক্ত করে ।
(5) কেউ আপনার বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে ? অপপ্রচার চালাচ্ছে?
এর অর্থ তিনি আপনার প্রতি ঈর্ষান্বিত। কিন্তু আপনার সামনে বলার সাহস নেই বলে পেছন থেকে, লুকিয়ে, আপনার বদনাম করচেন । ভীতু লোক বলে নিজেকে বাঁচিয়ে ও লুকিয়ে আপনাকে
আঘাত হানার চেষ্টা করছেন ।
(6) আপনার কাছ উপকৃত হয়েও কেউ আপনার
শত্রুতা করছে?
এর অর্থ, সাহায্য নেওয়ার ফলে তার মনে
হীনমন্যতা জেগেছে । একে তিনি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। সাহায্যের কথাটা অস্বীকার করতে
চাইছেন ।
(7) হঠাত্ উত্তেজিত হয়ে কেউ অকারণে আপনাকে গালাগালি বা উল্টোপাল্টা সমালোচনা
করতে শূরু করেছেন ?
আসলে, কোনো কারণে তার মনে রাগ চাপা
ছিল। একটা অজুহাতে সেই রাগ বেরিয়ে অনেক আসছে । কিন্তু এই রাগের পেছনে কোনো যুক্তি নেই । ফলে তার কথা উল্টো পাল্টা । অপ্রাসঙ্গিক
বিষয় তুলে মনের ঝাল মেটাচ্ছেন ।
(😎 আপনাকে তিনি ছোট দেখাবার চেষ্টা করছেন ?
এর অর্থ তিনি ভয় পাচ্চেন এই ভেবে যে আপনি তাকে হারিয়ে উপরে উঠে যাবেন । এজন্য
আগে থেকেই অন্যদের চোখে আপনাকে নিচে
দেখাবার চেষ্টা করছেন।
-স্বামী লোকেশ্বরানন্দ

প্রশ্ন:- মৃত্যুশয্যায় শুয়ে পিতামহ ভীষ্ম পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন হে প্রভু, আমি তো পিছনের দশ জন্ম থেকে কোন পাপ...
11/08/2023

প্রশ্ন:- মৃত্যুশয্যায় শুয়ে পিতামহ ভীষ্ম পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন হে প্রভু, আমি তো পিছনের দশ জন্ম থেকে কোন পাপ করিনি তাহলে আমার শরীরে এত বানের আঘাত কেন ? যন্ত্রণাদগ্ধ শরীর আমি কাতর হয়ে যাচ্ছি এ কোন পাঁপের সাজা পাচ্ছি আমি?
𝐀𝐧𝐬𝐰𝐞𝐫𝐬 𓅆------ উত্তরে বললেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হে পিতামহ আপনি পেছনের দশজন্ম কোন পাঁপ করেনি পেছনের ১০ জন এর আগে আপনি এক রাজপুত্র হয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলে। তখন আপনি জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন সামনে একটা সর্প পড়ে যায় সেই সর্পটাকে আপনি বান দিয়ে আঘাত করেছিলেন। এভাবে আপনি আপনার রাস্তা পরিষ্কার করেছিলেন! কিন্তু সেই আহত সর্পটি চলতে পারছিল না সে যখন চলছিল তখন তার গায়ে রাস্তার অনেক কাটা তার গায়ে ফুটে গেছিল তখন সে আমায় স্মরণ করে বলল হে প্রভু আজ আমি যে যন্ত্রণায় ভুগছি ঠিক এমনই যন্ত্রনা যেন সে পায়।
তারপর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে পিতামহ আপনি দশজন্ম কোন অপরাধ করেনি! কিন্তু পিতামহ আপনার সেই দিনের কথা মনে পড়ে যেদিন মহারাজ ধৃতরাষ্ট্রের ভরা সভাই দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ হয়েছিল সেদিন তো আপনি চুপ ছিলেন। নিজের চোখের সামনে অন্যায় হওয়াটা দেখেও আপনি তার প্রতিবাদ করেননি। তাই হে পিতামহ আপনিও সমোদশে দোষী? অতা সেই পাপের শাস্তি অনুসরণ করে আজ আপনি একাধিক বানে সঞ্চারিত হয়েছেন |

প্রকৃতি পরিবর্তনশীল ,সেই রকম মানুষের রূপ শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ , চিন্তা ধারা  পরিবর্তন শীল ।যেমন একটা বৃক্ষ র পাতা র দিক...
23/07/2023

প্রকৃতি পরিবর্তনশীল ,
সেই রকম মানুষের রূপ শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ , চিন্তা ধারা পরিবর্তন শীল ।
যেমন একটা বৃক্ষ র পাতা র দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় কালান্তরে রূপান্তরিত হচ্ছে

শৈশব ,
যৌবন ,
বৃদ্ধ


খুব ভালো করে দেখলে বুঝতে পারবে হালকা সবুজ তারপর গাঢ় সবুজ তারপর সবুজ আর থাকে না হলুদ বা অন্য যে কোনো রং হয়ে ঝোরে পরে ।

মানুষ ও ব্যতিক্রম নয় হালকা সবুজ (শৈশব ) গাঢ় সবুজ (যৌবন ) তারপর বং বেরং বৃদ্ধ ।

শৈশব আর বৃদ্ধ মাঝখানে যে সময় থাকে
যৌবন এই সময় কিছু করার সময় যাকে কাজে লাগাতে হবে ।
প্রতিটা মানুষের কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে স্বপ্ন টাকে জীবনের স্বপ্ন করা উচিত ।

যৌবন কারো জীবনে স্থায়ী নয় তাই অহংকার করার কিছু নেই প্রকৃতির পাঁচ উপাদান দিয়ে তুমি আমি সবস্ত জীব জগৎ তৈরি সবই সুন্দর ।
এখানে যেই অজ্ঞান বেক্তি নিজেকে স্থায়ী ভাবে, তাকে মূর্খ ছাড়া কিছু বলা চলে না ।

এটা চিরন্তন সত্য ঝোরে পড়তেই হবে
যখন এই সাধারণ কথা বুঝতে পারবে তখন অহংকার বিলুপ্তি হবে হৃদয় দেশে চৈতন্য র উদয় হবে জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত সততার সঙ্গে বাঁচার ইচ্ছা হবে ।
চেতনা এরই নাম চেতনা না হলে পশু আর মানুষের মধ্যে কোনো তফাৎ থাকে না ।

ভগবান শিবের রাক্ষসপুত্র জলন্ধর এবং তাঁর কারণে জন্ম নেওয়া এক ভয়াবহ জন্তু কীর্তিমুখের আশ্চর্য কাহিনী।কীর্তিমুখ (Face of ...
23/07/2023

ভগবান শিবের রাক্ষসপুত্র জলন্ধর এবং তাঁর কারণে জন্ম নেওয়া এক ভয়াবহ জন্তু কীর্তিমুখের আশ্চর্য কাহিনী।

কীর্তিমুখ (Face of Glory) শব্দটির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত নই। কিন্তু আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, আপনিও কীর্তিমুখ জন্তুকে কোথাও না কোথাও দেখেছেন। আশ্চর্য হচ্ছেন? আসুন জেনে নিই কোথায় কীর্তিমুখ দেখা যায় এবং কি তাঁর রহস্য।

দেবাদিদেব মহাদেবের দুই পুত্র কার্তিক ও গণেশ, একথা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু যা আমরা অনেকেই জানিনা তা হল, মহাদেবের আরও এক পুত্র ছিল, যার নাম জলন্ধর। তার সম্পর্কে সেভাবে কিছু শোনা যায় না একারণে তিনি আমাদের অনেকের কাছেই অপরিচিত।

একবার ইন্দ্র এবং ব্রহ্মা ভগবান শিবের দর্শন করবার জন্য কৈলাশে যাচ্ছিলেন। পথে এক নগ্ন যোগী তাঁদের পথ আটকায়। আসলে মহাদেব স্বয়ং তাঁদের জ্ঞান পরীক্ষা করবার জন্য যোগীরূপ ধারন করেছিলেন। ইন্দ্র মহাদেবকে না চিনতে পেরে তাঁকে পথ ছেড়ে দিতে বলেন। যোগীরূপী মহাদেব তাঁর কথায় কর্ণপাত না করলে ইন্দ্র বজ্র দিয়ে তাঁকে প্রহার করেন। ইন্দ্রের এই কর্মে শিব প্রচন্ড ক্রুদ্ধ হন এবং রাগে তাঁর তৃতীয় নয়ন খুলে যায়। ব্রহ্মা তখন শিবকে চিনতে পারেন এবং ইন্দ্রের জন্য প্রাণভিক্ষা চান। ইন্দ্রের জীবন বাঁচাতে শিব তখন সমুদ্রের দিকে দৃষ্টিপাত করেন এবং ক্রোধাগ্নি সমুদ্রের জলে মিশে যায়। সেই ক্রোধাগ্নি থেকে জন্ম হয় একটি শিশুর। জন্মেই সে প্রচন্ড কাঁদতে থাকে। তাঁর কান্নার শব্দ শুনে ব্রহ্মা সেখানে এসে উপস্থিত হন এবং সাগর তাঁকে বলে শিশুটি কোথা থেকে এসেছে সে জানেনা। ব্রহ্মা শিশুটিকে কোলে তুলে নেন এবং তাঁর নামকরণ করেন "জলন্ধর"।

জলন্ধর একজন অসমসাহসী, সুদর্শন পুরুষ রূপে বড় হয়ে ওঠেন। দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য তাঁর রাজ্যাভিষেক করান। দিনে দিনে দৈত্যদের রাজা হয়ে ওঠেন জলন্ধর। বিয়ে করেন কালনেমী অসুরের কন্যা বৃন্দাকে। বৃন্দা ছিলেন ভীষন বিষ্ণুভক্ত। পতিব্রতা স্ত্রীর এই বিষ্ণুভক্তির কারণে জলন্ধর হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। তিনি দেবতাদের পরাজিত করে ত্রিলোকের (স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল) অধিপতি হন।

পরাজিত, অপমানিত দেবতারা পরিকল্পনা করে নারদকে জলন্ধরের কাছে পাঠান। নারদ জলন্ধরের কাছে গিয়ে গল্পচ্ছলে শিবের বাসস্থান কৈলাশের সম্পদ ও সৌন্দর্যের বর্ণনা করতে থাকেন। জলন্ধরও তাঁর সম্পদ নারদকে দেখিয়ে বলেন তিনিও কিছু কম সম্পদশালী নন। তখন নারদ পার্বতীর সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে থাকেন এবং জানান তাঁর চইতে সুন্দরী এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই। এইবারে জলন্ধর হোঁচট খান। তাঁর ধারণা ছিল, তাঁর স্ত্রী বৃন্দাই সবচেয়ে সুন্দরী।

অনেক ভেবেচিন্তে জলন্ধর রাহু (যার কারণে সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ হয়) নামে এক রাক্ষসকে দূত বানিয়ে শিবের কাছে পাঠান। তিনি বার্তা পাঠান, যে ভিখারী শ্মশানে থাকে, ভূত-প্রেত নিয়ে কারবার করে, নিজেকে যোগী বলে দাবী করে, তাঁর স্ত্রী রত্নের কি দরকার? শিব যেন পার্বতীকে জলন্ধরের হাতে তুলে দেন।

এই অপমানে শিব ভয়ানক ক্রুদ্ধ হন। ক্রোধে তাঁর তৃতীয় নয়ণে শক্তির বিস্ফোরণ ঘটে এবং জন্ম নেয় কিছুটা সিংহের মতো দেখতে এক করাল, বুভুক্ষু, ভয়ানক জন্তু। সেই জন্তু তৎক্ষণাৎ রাহুকে ছিঁড়ে খেতে উদ্যত হয়। ভয়ে রাহু ভগবান শিবের ক্ষমাপ্রার্থনা করতে থাকে। ভগবান রাহুকে ক্ষমা করে দেন, কিন্তু সেই ক্ষুধার্ত ভয়াবহ জন্তুকে তখন থামানোই মুশকিল। ভগবান শিব তখন সেই জন্তুকে নিজেকেই খেয়ে ফেলতে আদেশ দেন। ভগবানের আদেশে ভয়াবহ জন্তুটি নিজেই নিজের লেজ থেকে শুরু করে, হাত-পা সব খেয়ে ফেলে, শুধু মুখটি অবশিষ্ট থাকে। তাঁর আদেশ পালনার্থে জন্তুটির এই আত্ম-উৎসর্গ দেখে ভগবান শিব খুশি হন এবং জন্তুটির নামকরণ করেন "কীর্তিমুখ" (Face of Glory)। তিনি কীর্তিমুখকে আশীর্বাদ করে বলেন, এখন থেকে সমস্ত মন্দিরে তোমার মূর্তি থাকবে। "কীর্তিমুখ" হবে ভগবান শিবের প্রতীক।

** যখনই কোনও প্রাচীন মন্দির বা মূর্তি দেখবেন, ভালো করে খুঁটিয়ে দেখবেন, কীর্তিমুখ অবশ্যই খুঁজে পাবেন। বিশেষ করে, প্রাচীন পাথরের ভাস্কর্যের দেব-দেবীর মাথার ওপরের দিকে কীর্তিমুখ খোদিত থাকে।

শিবের সাতটি রহস্যঃ-১) সাপঃ সর্প হচ্ছে সদা জাগ্রত থাকার এবং কুলকুণ্ডলীনির জীবন্ত প্রতীক। যদি আপনার গলায় একটি সাপ প্যাঁচান...
20/07/2023

শিবের সাতটি রহস্যঃ-

১) সাপঃ সর্প হচ্ছে সদা জাগ্রত থাকার এবং কুলকুণ্ডলীনির জীবন্ত প্রতীক। যদি আপনার গলায় একটি সাপ প্যাঁচানো থাকে, তাহলে আপনি কিছুতেই ঘুমাতে পারবেন না।

২) ভষ্মঃ এটা জীবনের অনিত্যতাকে স্মরন করিয়ে দেয়। এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমাদেরও একদিন ভষ্মে পরিণত হতে হবে।

৩) চন্দ্রঃ চন্দ্র সর্বদাই মনের সাথে সম্পর্কিত। এটি জীবনের সকল পরিস্থিতিতে সুখী থাকা এবং মনের উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার প্রতীক।

৪) ডমরুঃ এটা দেখতে ইনফিনিটি চিহ্নের মত। যা শিবের অসীম তথা উন্মুক্ত চিন্তাচেতনার প্রতীক।

৫) ত্রিশুলঃ শিব প্রকৃতির তিনগুন নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন, এটি তারই প্রতীক। তিনি এটির মাধ্যমে সকলকে নিজ নিজ ধর্ম পালনে উৎসাহিত করে থাকেন।

৬) নীলাভ শরীরঃ আকাশ অন্তহীন, শিবও তেমনি অন্তহীন। নীলাভ শরীর অন্তহীন আকাশের মতই শিবের অন্তহীনতাতথা অসীমতার প্রতীক।

৭) গঙ্গাঃ গঙ্গা নিষ্কলুষ জ্ঞানের প্রতিনিধিত্ব করে। যখন শিবের মতই আমাদের হৃদয় স্থির হয়, তখনই তাতে নিষ্কলুষ জ্ঞান প্রবাহিত হয়।

হর! হর! মহাদেব 🌸🔱🌸🔱🌸🔱

Address

Coochbehar
Coochbehar
736159

Telephone

+918172014908

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Spiritual and Religious Matters of Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Spiritual and Religious Matters of Life:

Share