On The Way To Quran & Kaaba

On The Way To Quran & Kaaba Quran & Kaaba for all. Our constitution is Quran and Parliament is Kaaba

10/09/2026

মুসল্লী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে পেট চালাতে পারে তাহলে একই সময়ে নামাজ পড়ানোর কারণে ইমামকে কেন বেতন দিতে হবে

ইমামের মর্যাদা নিয়ে কটূক্তি:
চরম দুঃসাহস ও মূর্খতার পরিচয়!
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
কোনো কোনো মানুষের দুঃসাহস দেখে অবাক হতে হয়! তারা ইমামের সম্মানী বা বেতন নিয়ে এমনভাবে প্রশ্ন তোলে, যেন তারা দ্বীনের কোনো খবরই রাখে না। এই চরম ধৃষ্টতা আর মূর্খতা কি তাদের চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে?
১. ইমাম: শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক
ইমাম হলেন সমাজের আধ্যাত্মিক নেতা, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম মানুষ—নবীগণের উত্তরাধিকারী। তাঁর পিছনে নামাজ পড়েই একজন মুমিন তার জান্নাত নিশ্চিত করার পথে এগিয়ে যায়। তাঁর বিশুদ্ধ কিরাত, নামাজের নিখুঁত আদায়—এগুলোর ওপরই মুসল্লিদের নামাজের শুদ্ধতা ও কবুলিয়ত অনেকাংশে নির্ভর করে। আপনার জাহান্নাম আর জান্নাতের ফয়সালা যাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে হয়, তাঁর মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি সামান্য দুঃসাহস? 😏
২. দায়িত্ব বনাম উপস্থিতি
রোগী আর ডাক্তার দুজনেই হাসপাতালে থাকে, কিন্তু ডাক্তার কি বেতন পান না? ড্রাইভার আর যাত্রী দুজনেই গাড়িতে থাকে, কিন্তু ড্রাইভার কি গাড়ি ফ্রি চালান? ছাত্র আর শিক্ষক দুজনেই স্কুলে যান, কিন্তু বেতন কে পান? দর্শক আর শিল্পী দুজনেই অনুষ্ঠানে থাকে, কিন্তু পারিশ্রমিক কাকে দেওয়া হয়?
আপনার তথাকথিত যুক্তির মূল সমস্যা হলো—আপনি ‘একই জায়গায় থাকা’ আর ‘একই দায়িত্ব পালন’—এই দুটোকে গুলিয়ে ফেলেছেন। মুসল্লি মসজিদে গিয়ে নিজের নামাজ পড়েন, আর ইমাম পুরো জামাতকে নেতৃত্ব দেন। ইমামতি, কিরাত, দ্বীনি পরামর্শ, জানাজা, নিকাহ—এগুলো কোনো সামান্য কাজ নয়। আপনি কি মনে করেন, একজন ইমামের দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো যোগ্যতা, শিক্ষা বা সময়ের প্রয়োজন নেই?😂
৩. চ্যালেঞ্জ: ক্ষমতা থাকলে দায়িত্ব নিন
যদি আপনার মনে হয় ইমামের এই দায়িত্বের কোনো মূল্য নেই, বা এই দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নেই, তাহলে আসুন। আগামী জুমার খুতবাটা আপনি দিন, পাঁচ ওয়াক্তের জামাত আপনি পরিচালনা করুন, জানাজা, নিকাহ, আর জটিল মাসআলার সমাধান আপনি করুন। ব্যস, তাহলেই আমরা বুঝব আপনি যোগ্য! না পারলে, এই ফাঁকা আওয়াজ বন্ধ করুন। মুখে বড় বড় কথা না বলে, কাজ করে দেখান। গ্রামের একটা কথা বলে,ফাউ প্যাঁচাল পাইরো না,হয় হাগো নাহয় পথ ছাড়ো😁
এই দুঃসাহস যেন আর কোনোদিন না হয়। ইমামের মর্যাদাকে যারা খাটো করে দেখে, তারা আসলে নিজেদের মূর্খতাকেই প্রকাশ করে। দ্বীনের প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করুন, আর সমাজের যারা যোগ্য, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে শিখুন।

10/09/2026

ধর্মের সকল উলামায়ে কুফফার যারা রয়েছে তারা নিজেদের মধ্যে শুধু হিংস্রতাকে বপন করে রেখেছে আর সেই গুলি তারা ওয়াজ মাহফিলে ডেলিভারি দেয়

নিজেদের মধ্যে ঘৃণা বিদ্বেষ এগুলি লালন করে আর এইগুলি নিজেদের অধিকারভুক্তদের কে মগজধোলাই করে মগজে ঢুকিয়ে দেয় সকল পীর সকল বক্তা জামানার ইমাম সহ যারা আমাদের দেশে ধর্মের ব্যাপারে রয়েছে এরা সবাই একই কাজ করে চলেছে

এদের চিন্তাধারা তে কোন ভালো চিন্তাধারা নেই এদের বাকশক্তি কোন ভালো ব্যবহার শিখায় না সব সময় অশ্লীল বাক্য বলে

10/09/2026

আরব মোঃ ইবনে আব্দুল্লাহর উম্মতের জীবনকে ধ্বংস করে দেয় এই পাঁচটি জিনিস কিন্তু তারপরেও তারা কেউ বিরত নেই থেমে নেই করেই চলেছে

আমাদের বেরেন আমাদেরকে বাঁচাতে চাই কিন্তু আমরা আমাদের ব্রেনের কথা শুনি না
আমাদের জীবনে রিক্স নিতে হবে রিক্স নিলে যদি আমাদের মৃত্যু ঘটে ঘটবে কারণ মৃত্যু তো আমাদের সকলের সাথে লেগেই আছে কেউ মৃত্যু থেকে বাঁচতে পারবে না সে যত বড় তুলনখা হোক না কেন

সমালোচনা করা থেকে আমাদেরকে বাঁচতে হবে অন্যদের সমালোচনা করতে আমরা খুব মজা পাই ক্ষনিকের জন্য খুব শান্তি লাগে মনে হয় যেন কলিজার ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে অথচ সূরা হুজুরাতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

অন্যের সাথে তুলনা করে মানুষ নিজের ব্যক্তিত্বকে ধ্বংস করে দিচ্ছে প্রবাসী স্বামীকে তার স্ত্রী বলে তুমি কি করেছো মুক্ত এই করেছে এইভাবে এই সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অন্যের সাথে তুলনা করতে যেয়ে যারা জীবন কাটায় দেয় অন্যের সাথে কম্পেয়ার করতে যে যারা জীবন কাটায় দেয় তারা কখনো হ্যাপি হতে পারে না যেমন আমার স্ত্রী

অন্যকে অভিশাপ দেওয়া এবং সব সময় সবাই এটাই মনে করে যে আমার বসের চাকরি গেলে তো আমি সেখানে বসতে পারি কেন তা চাকরিটা যায় না এই অভিশাপ দেওয়াটা নিজের জীবন ধ্বংস করে দেয়
অন্যের ক্ষতি কামনা করা আমার ভাই-বোনেরা আমার স্ত্রী সন্তানরা সবসময় আমার ক্ষতি চায় তাতে তাদের নিজের ক্ষতি হয় সেটা তারা বোঝেনা

সবাইকে কালেকশন করতে চাই সবাইকে সংশোধন করতে চাই নিজে সংশোধন হতে চাই না নিজেকে সবসময় সঠিক মনে করি

10/09/2026

"বহুবার মদখোরের সামনে পড়েছি, কোনো ক্ষতি হয় নি। কিন্তু যতোবার ধর্মখোরের সামনে পড়েছি, আঁতকে উঠেছি। মদের বিরুদ্ধে কতো ফতোয়া, স্লোগান, ছি ছি! মদ খেতে দরকার লাইসেন্স, কিন্তু ধর্ম খেতে লাইসেন্স লাগে না। যুবক, বৃদ্ধ, শিশু, সবাই ঢোক ঢোক করে গিলছে ধর্ম। যেদিকে তাকাই সেদিকেই চকচকে ধর্মদোকান। ভিড় লেগে আছে। মদখোর দোযখে যাবে, ধর্মখোর বেহেশতে— এমন বাণী সর্বত্র। মদ কেড়ে নেয় লিভার ও স্বাস্থ্য, কারও কারও। কিন্তু ধর্ম কেড়ে নেয় মগজ ও বুদ্ধি, সকলের, যদি খাওয়া হয় মদের মতো। হুইস্কিমাতাল থেকে কতো সাবধানতা কিন্তু ধর্মমাতালকে হেলিকপ্টারে আনা হয়, খাওয়ানো হয় পোলাও-কোর্মা, দেওয়া হয় টাকা। যারা ধর্মকে মদ বানিয়ে বিক্রি করছে, আল্লাহ ও নবীর নামে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। ট্রাকের মতো ধর্মদোকানীর পেছনেও লিখে রাখতে হবে: ২০০ গজ দূরে থাকুন।"

10/09/2026

আল কুরআনের নবী এবং রাসূল ভিন্ন
আর ইতিহাসের নবী এবং রাসূল দাবিদাররা ইবলিশ শয়তান এবং তাগুত হয়
এর মাঝে পার্থক্য করা শিখুন
যদি আপনি মুমিন এবং মুসলিম হতে চান তাহলে।
আল্লাহ শয়তানকে লানত করেন। সে বলেছে, আমি তোমার বান্দাদের অধিকাংশকে আমার অনুসরণের জন্য গ্রহণ করবই।
তাদেরকে আমি পথভ্রষ্ট করবই ; তাদের হৃদয়ে মিথ্যা বাসনা সৃষ্টি করবই, তারা পশুর কর্ণচ্ছেদ করবেই এবং তাদের নির্দেশ দেব, এতে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করবেই।
আর যে আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, সে প্রকাশ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সে তাদের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং মিথ্যা আশ্বাস দেয়। অথচ শয়তানের প্রতিশ্রুতি ধোঁকা ছাড়া কিছুই না।
এসকল লোকের বাসস্থান জাহান্নাম তারা তা থেকে পালানোর কোন জায়গা পাবে না।
সূরা নিসা- ৪ > ১১৮ > ১২১
আল্লাহ শয়তানকে লানত করেন। সে বলেছে, আমি তোমার বান্দাদের অধিকাংশকে আমার অনুসরণের জন্য গ্রহণ করবই। তাদেরকে আমি পথভ্রষ্ট করবই ; তাদের হৃদয়ে মিথ্যা বাসনা সৃষ্টি করবই, তারা পশুর কর্ণচ্ছেদ করবেই এবং তাদের নির্দেশ দেব, এতে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করবেই।

10/09/2026

মালখোর নমরূদ বড় হয়েছে আমেরিকায়।
পড়াশোনা করেছে আমেরিকায়।
বউ হলো আমেরিকার।
বাড়ি সহ সকল কিছু তার আমেরিকায়।
ভবিষ্যৎ ঠিকানাও আমেরিকা।
অথচ (BAL)-বাল ধর্মের লোক তাকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলতেছে।
যার সবকিছু আমেরিকায় সে কিভাবে বুঝবে কাদা মাটি লাগা একজন কৃষকের কষ্ট।
সে কিভাবে এদেশের মানুষের চিন্তাধারা মানসিকতা বুঝবে।
তারপর সে একটা মুরতাদ কাফের। তার স্ত্রী সহ প্রায় সব আত্মীয় স্বজনরা ইহুদি খ্রিস্টান মুশরিকদের বিয়ে করেছে।
আল্লাহ না করুক সে কখনো দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে মানুষের স্বাধীনতার শেষ দিন হবে সেদিন।
এই মালখোর বিশ্বের সকল পড়াশোনা শেষ করলেও আমি মনে করি সে এদেশের মানুষের সাথে মিশতে পারবে না।
আরেকটা কথা হলো এদেশের মানুষ এই নমরূদকে কখনেই মেনে নিতে পারবে না।
একমাত্র বাল ধর্মের গোলামী করা কুকুরগুলো ছাড়া।

06/09/2026

আরব ইতিহাসের একজন তাগুত প্রধান ইবলিশ শয়তান মোঃ ইবনে আব্দুল্লাহ কিভাবে এত বিভাজন করেছে মানুষের মাঝে

মানুষের শরীর এক,ক্ষুধা এক,আকাঙ্ক্ষা এক-তবু সৃষ্টিকর্তার পথে এত বিভাজন কেন?
একজন মানুষ যখন পৃথিবীতে জন্ম নেয়, সে কোনো ধর্মের নাম নিয়ে জন্মায় না।
তার প্রথম কান্নার কোনো ধর্ম নেই।
তার প্রথম ক্ষুধার কোনো ধর্ম নেই।
তার রক্তের কোনো ধর্ম নেই।
তার হৃদস্পন্দন কোনো ধর্মের ভাষা বোঝে না।
একটি শিশু জন্মের পর প্রথম যে জিনিসটি খোঁজে, তা হলো জীবন-মায়ের দুধ,উষ্ণতা,স্পর্শ,নিরাপত্তা।
সে জানে না সে মুসলমান,হিন্দু,খ্রিস্টান,বৌদ্ধ,ইহুদি কিংবা অন্য কিছু।
তারপর সমাজ তাকে একটি নাম দেয়,একটি ভাষা দেয়,একটি সংস্কৃতি দেয়,একটি জাতিসত্তা দেয় এবং অবশেষে একটি বিশ্বাসের কাঠামো দেয়।
অর্থাৎ-
মানুষ প্রথমে মানুষ হয়ে জন্মায়; পরে সে পরিচয়ের মানুষ হয়ে ওঠে।
এখানেই শুরু হয় এক বিস্ময়কর মানবিক বৈপরীত্য।

* একই পৃথিবী,একই শরীর-তবু এত আলাদা সত্য
ধর্ম ও রাজনীতির ক্ষেত্রে মানুষ প্রায়ই এমনভাবে কথা বলে যেন তার কাছে থাকা সত্যটি সম্পূর্ণ, চূড়ান্ত এবং প্রশ্নাতীত।
সে বলে-
“আমার বিশ্বাসই সত্য।”
অন্যজনও একই আত্মবিশ্বাসে বলে-
“না, আমার বিশ্বাসই সত্য।”
এই ভাবে ১৩৫ ফেরকার মুসলমানেরা বলে
৯০০ কোটির সবাই বলে
সবাই নিজের গল্পের নায়ক।

مِنَ الَّذِیۡنَ فَرَّقُوۡا دِیۡنَہُمۡ وَکَانُوۡا شِیَعًا ؕ کُلُّ حِزۡبٍۭ بِمَا لَدَیۡہِمۡ فَرِحُوۡنَ
[৩০:৩২] যারা নিজেদের জীবনব্যবস্থায় বিভেদ সৃষ্টি করেছে আর ধর্মীয় নানান দলে (মাজহাবে) ভাগ হয়ে গেছে, প্রত্যেক (মাজহাবের) ধর্মীয় দলই তো নিজেদের কাছে যা রয়েছে (ধর্মের বানোয়াট গ্রন্থ, ফলসফা, ফেকাহ ও হাদিস) তাই নিয়ে আনন্দ করছে।

وَاعۡتَصِمُوۡا بِحَبۡلِ اللّٰہِ جَمِیۡعًا وَّلَا تَفَرَّقُوۡا ۪ وَاذۡکُرُوۡا نِعۡمَتَ اللّٰہِ عَلَیۡکُمۡ اِذۡ کُنۡتُمۡ اَعۡدَآءً فَاَلَّفَ بَیۡنَ قُلُوۡبِکُمۡ فَاَصۡبَحۡتُمۡ بِنِعۡمَتِہٖۤ اِخۡوَانًا ۚ وَکُنۡتُمۡ عَلٰی شَفَا حُفۡرَۃٍ مِّنَ النَّارِ فَاَنۡقَذَکُمۡ مِّنۡہَا ؕ کَذٰلِکَ یُبَیِّنُ اللّٰہُ لَکُمۡ اٰیٰتِہٖ لَعَلَّکُمۡ تَہۡتَدُوۡنَ
[৩:১০৩] আর তোমরা সবাই আল্লহ্ তাআলার রজ্জু (কুরআনকে) একত্রে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরো, তোমরা ফেরকা‑ফেরকা হয়ে যেও না, তোমরা স্মরণ করো, আল্লহ্ যে নিয়ামত তোমাদেরকে দান করেছেন, যখন একে‑অন্যের দুশমন ছিলে, কিন্তু আল্লহ্ তোমাদের মনে আকর্ষণ সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আল্লহ্ তাআলার নিয়ামতের ফলে একে‑অন্যের ভাইরূপে গণ্য হয়েছ, অথচ তোমরা অগ্নিকুণ্ডের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলে। আল্লহ্ তোমাদেরকে তা থেকে বাঁচিয়েছেন। আল্লহ্ এমনি করে বিস্তারিতভাবে নিজের সব আয়াতগুলো তোমাদের জন্য বুঝিয়ে দিচ্ছেন। যেন তোমরা হিদায়াতের পথে এগিয়ে যেতে পার।

اِنَّ الَّذِیۡنَ فَرَّقُوۡا دِیۡنَہُمۡ وَکَانُوۡا شِیَعًا لَّسۡتَ مِنۡہُمۡ فِیۡ شَیۡءٍ ؕ اِنَّمَۤا اَمۡرُہُمۡ اِلَی اللّٰہِ ثُمَّ یُنَبِّئُہُمۡ بِمَا کَانُوۡا یَفۡعَلُوۡنَ
[৬:১৫৯] নিশ্চয় যারা নিজেদের জীবনব্যবস্থা হিসেবে নানান মাজহাব আবিষ্কার করেছে, আর নানান মাজহাবে ভাগ হয়ে গেছে, তাদের ব্যাপারে তোমার কোনো দায়িত্ব নেই। তাদের কাজকর্ম আল্লহ্ তাআলার উপরেই ন্যস্ত রয়েছে। তাইতো আল্লহ্ তাদেরকে খবর দিবেন, যেসব কাজকর্ম তারা করেছে।

কিন্তু সবাই রবের দেওয়া
অক্সিজেন নেয়।
কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়ে।
হৃদয় রক্ত পাম্প করে।
ক্ষুধার্ত হয়।
তৃষ্ণার্ত হয়।
ব্যথা পায়।
ভালোবাসা চায়।
প্রত্যাখ্যাত হলে কষ্ট পায়।
শরীরে বয়স বাড়ে।
কোষ মৃত্যুবরণ করে।
দুজনেরই একদিন পৃথিবীর মাটিতে ফিরে যেতে হয়।
মানুষের শরীর যেন প্রকৃতির এক বিশাল ঘোষণা-
“তোমরা যতই আলাদা পরিচয় বানাও,জৈবিকভাবে তোমরা একই জীবনের সন্তান।”

مِنۡہَا خَلَقۡنٰکُمۡ وَفِیۡہَا نُعِیۡدُکُمۡ وَمِنۡہَا نُخۡرِجُکُمۡ تَارَۃً اُخۡرٰی
[২০:৫৫] এই মাটি দিয়ে তোমাদেরকে আমি সৃষ্টি করেছি। আর এতেই তোমাদেরকে আমি ফিরিয়ে আনব। আর এখান থেকেই আমি আবার তোমাদেরকে তুলবো।

* খাবারের টেবিলে মানুষ এতটা এক কেন?
একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষকে বসিয়ে দিন।
একজন আরব,একজন বাঙালি,একজন জাপানি, একজন আফ্রিকান,একজন ইউরোপীয়,একজন ভারতীয়, একজন আমেরিকান।
তাদের খাবারের স্বাদ আলাদা হতে পারে।
কেউ ভাত খাবে,কেউ রুটি,কেউ পাস্তা,কেউ নুডলস, কেউ মাছ,কেউ মাংস,কেউ সবজি।

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا کُلُوۡا مِنۡ طَیِّبٰتِ مَا رَزَقۡنٰکُمۡ وَاشۡکُرُوۡا لِلّٰہِ اِنۡ کُنۡتُمۡ اِیَّاہُ تَعۡبُدُوۡنَ
[২:১৭২] শোনো হে মুমিনগণ! আমি তোমাদের যে রুজি দান করেছি, তা থেকে পবিত্র জিনিস খাও, আল্লহ্‌ তাআলার শুকরিয়া আদায় করো, যদি তোমরা শুধু আল্লহ্‌ তাআলারই দাসত্ব করার দাবি রাখো।

কিন্তু খাবারের মৌলিক উদ্দেশ্য একই-
শরীরকে শক্তি দেওয়া।
কার্বোহাইড্রেট ভেঙে গ্লুকোজ হয়।
প্রোটিন ভেঙে অ্যামিনো অ্যাসিড হয়।
চর্বি ভেঙে ফ্যাটি অ্যাসিডে যায়।
কোষের mitochondria-তে শক্তি উৎপাদনের মৌলিক প্রক্রিয়া মানুষের মধ্যে ধর্ম দেখে বদলে যায় না।
একজন মুসলমানের কোষ বলে না-
“আমি মুসলমান, তাই আমার ATP আলাদা হবে।”
একজন হিন্দুর mitochondria বলে না-
“আমার শক্তি উৎপাদনের নিয়ম অন্য।”
প্রকৃতি এখানে আশ্চর্যরকম নিরপেক্ষ।
* যৌনতার ক্ষেত্রে পৃথিবী আরও বেশি এক
মানুষের যৌন আকাঙ্ক্ষা কোনো ধর্মীয় বই থেকে শেখা জৈবিক প্রয়োজন নয়।
এর পেছনে রয়েছে-
হরমোন, স্নায়ুতন্ত্র, মস্তিষ্কের reward circuitry, dopamine, oxytocin, testosterone, estrogen এবং evolutionary biology।
মানুষ প্রেমে পড়ে।
স্পর্শ চায়।
ঘনিষ্ঠতা চায়।
সঙ্গ চায়।
সন্তান জন্ম দেয়।
এগুলো মানবপ্রজাতির বিবর্তনের গভীরতম জৈবিক স্তরের অংশ।
পৃথিবীর পোশাকের ধরন হাজার রকম।

কিন্তু নগ্নতা ঢাকার সামাজিক প্রবণতা প্রায় সর্বত্রই দেখা যায়।
কেন?
কারণ সংস্কৃতি আলাদা হলেও মানুষ একই ধরনের শরীর নিয়ে জন্মেছে।
এখানে একটি গভীর সত্য লুকিয়ে আছে-
সংস্কৃতি আমাদের বাহ্যিক আচরণকে বদলায়; প্রকৃতি আমাদের মৌলিক প্রয়োজনগুলোকে এক করে রাখে।
* Give and Take-বিশ্বাসের বাইরে মানুষ আশ্চর্য বাস্তববাদী
দোকানে গিয়ে আপনি বলেন-
“এই জিনিসটির দাম কত?”
দোকানি আপনার ধর্ম জিজ্ঞেস করে না।
আপনি টাকা দেন,সে পণ্য দেয়।
ব্যাংকে টাকা রাখেন-ব্যাংক আপনার বিশ্বাসের দর্শন যাচাই করে না।
বিমান কিনতে গেলে প্রকৌশলী বলেন না-
“আপনার ধর্ম অনুযায়ী aerodynamics একটু পরিবর্তন হবে।”
আপনি হাসপাতালে গেলে surgeon আপনার বিশ্বাস অনুযায়ী আপনার রক্তের group পরিবর্তন করেন না।
বিজ্ঞান,প্রযুক্তি,অর্থনীতি,চিকিৎসা,পরিবহন-
সব জায়গায় মানুষ প্রমাণ, হিসাব, কার্যকারিতা এবং পারস্পরিক বিনিময়ের বাস্তব নিয়ম মেনে চলে।
কিন্তু আশ্চর্যভাবে যখন বিষয়টি আসে-
“আমার ঈশ্বর সম্পর্কে ধারণা কী?”
তখন একই মানুষ কখনো কখনো যুক্তি, প্রশ্ন এবং আত্মসমালোচনার দরজা বন্ধ করে দেয়।
কেন?
* এখানেই শুরু হয় মানুষের মনস্তত্ত্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অধ্যায়
মানুষ শুধু সত্য খোঁজে না।
মানুষ এমন সত্যও খোঁজে-
যেটি তার পরিচয়কে নিরাপদ রাখে।
মনোবিজ্ঞানে আমরা দেখি, মানুষের beliefs প্রায়ই তার identity-এর সঙ্গে জড়িয়ে যায়।
তখন কোনো বিশ্বাসকে প্রশ্ন করা মানে শুধু একটি ধারণাকে প্রশ্ন করা থাকে না।
মানুষ মনে করতে পারে-
“তুমি আমার অস্তিত্বকে প্রশ্ন করছ।”
তখন যুক্তি আর যুক্তি থাকে না।
তা হয়ে যায় আত্মরক্ষার অস্ত্র।
* নিজের গল্পের নায়ক,অন্যের গল্পের ভিলেন-
এটি মানব মনস্তত্ত্বের এক গভীর সত্য।
একজন বিপ্লবীর কাছে সে মুক্তিদাতা।
একজন শাসকের কাছে সে রাষ্ট্রদ্রোহী।
একজন রাজনৈতিক দলের কাছে তাদের নেতা দেশপ্রেমিক।
অন্য দলের কাছে সেই একই ব্যক্তি স্বৈরাচারী।
একজনের কাছে ধর্মরক্ষা।
অন্যজনের কাছে ধর্মীয় উগ্রতা।
একজনের কাছে শহীদ।
অন্যজনের কাছে অপরাধী।
অর্থাৎ মানুষ প্রায়ই ঘটনাকে শুধু দেখে না-
নিজের গল্পের ভেতর থেকে দেখে।
George Herbert Mead-এর self এবং social identity সম্পর্কিত চিন্তাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়-মানুষের “আমি” আসলে সামাজিক সম্পর্কের মধ্যেই গড়ে ওঠে।
আর Nietzsche-এর বিখ্যাত ভাবনার একটি গভীর সারকথা হলো-
“There are no facts, only interpretations.”
অবশ্য এর অর্থ এই নয় যে বাস্তব সত্য বলে কিছু নেই; বরং মানুষ বাস্তবতাকে প্রায়ই নিজের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়ে ব্যাখ্যা করে।
* তাহলে ধর্মীয় বিশ্বাস এত সংবেদনশীল কেন?
কারণ ধর্ম শুধু একটি proposition নয়।
অনেক মানুষের কাছে ধর্ম হলো-
পরিচয় + পরিবার + শৈশব + ভয় + আশা + মৃত্যু সম্পর্কে ধারণা + নৈতিকতা + সম্প্রদায় + অর্থপূর্ণতার অনুভূতি।
তাই কোনো বিশ্বাসকে আঘাত করলে মানুষ মনে করতে পারে তার বাবা-মা, পূর্বপুরুষ, সংস্কৃতি, জীবনদর্শন-সবকিছুকে আঘাত করা হচ্ছে।
* এখানে ধর্মের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে একটি জিনিস-
মানুষের পরিচয় রক্ষার প্রবৃত্তি।
মানুষ সত্যের জন্য লড়াই করে-এটি মহৎ।
কিন্তু আরও বিপজ্জনক হলো-
মানুষ যখন নিজের বিশ্বাসকে সত্য প্রমাণ করার জন্য সত্যকেই বদলে ফেলতে শুরু করে।
* Socrates-এর সবচেয়ে বড় শিক্ষা: “আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না”
সক্রেটিসের দর্শনের শক্তি ছিল তার জ্ঞানের অহংকারে নয়, বরং নিজের অজ্ঞতাকে স্বীকার করার সাহসে।
এটি আসলে সভ্যতার সবচেয়ে বড় বুদ্ধিবৃত্তিক বিনয়।
কারণ যে মানুষ বলে-
“আমি ভুল হতে পারি”
সে সত্যের দরজা খোলা রাখে।
আর যে বলে-
“আমি নিশ্চিত; আমার ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই”
সে নিজের চারপাশে একটি অদৃশ্য কারাগার তৈরি করে।
* Einstein-এর বিস্ময় এবং মানবিক বিনয়
Albert Einstein-এর চিন্তায় বারবার ফিরে আসে মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি।
মহাবিশ্ব যত বড়, মানুষের জানা তত সামান্য।
আমরা যে মহাবিশ্বে বাস করি,তার অধিকাংশই এখনও আমাদের কাছে রহস্য-dark matter, dark energy, consciousness-এর প্রকৃতি, quantum reality-কত কিছুই আমরা পুরোপুরি বুঝি না।
তাহলে একজন মানুষ কীভাবে কয়েকটি গ্রন্থ, কয়েকটি ব্যাখ্যা কিংবা কয়েকজন মানুষের বক্তব্যের ভিত্তিতে মহাবিশ্বের সমস্ত রহস্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ নিশ্চয়তার দাবি করতে পারে?
এখানেই প্রয়োজন epistemic humility-জ্ঞানের প্রতি বিনয়।
* Rumi-এর দরজায় দাঁড়ালে বিভাজন ছোট হয়ে যায়
রুমির দর্শনের একটি গভীর সৌন্দর্য হলো-
মানুষ বাহ্যিক পরিচয়ের ওপরে উঠে অন্তরের ঐক্য খুঁজতে পারে।
তিনি লিখেছিলেন-
“The lamps are different, but the Light is the same.”
প্রদীপ আলাদা হতে পারে।
আলোকে ধারণ করার পাত্র আলাদা হতে পারে।
কিন্তু আলোকে যদি সত্যিই আলো হিসেবে দেখা যায়, তখন পাত্র নিয়ে যুদ্ধ করার অর্থ কমে যায়।
এই উপমাটি ধর্মীয় মতবাদ প্রমাণ করার জন্য নয়-
মানুষের বৈচিত্র্যের মধ্যে মৌলিক মানবিক ঐক্য বোঝার জন্য।
একটি হাসপাতালের ICU-তে ধর্মের অহংকার কোথায় যায়?
ভাবুন-
* একটি ICU-তে পাঁচজন মানুষ শুয়ে আছে।
তাদের পাঁচটি দেশের নাগরিকত্ব।
পাঁচটি সংস্কৃতি।
হয়তো পাঁচটি ধর্মীয় পরিচয়।
কিন্তু monitor-এ দেখা যাচ্ছে-
heart rate
oxygen saturation
blood pressure
respiratory rate
কোনোটিই ধর্মের ভাষায় লেখা নেই।
অক্সিজেন কমে গেলে শরীর দুর্বল হবে।
রক্তচাপ পড়ে গেলে মস্তিষ্ক বিপদে পড়বে।
হৃদপিণ্ড থেমে গেলে পরিচয়ের পতাকা কোনো কাজে আসবে না।
মৃত্যুর সামনে মানুষ হঠাৎ বুঝতে পারে-
* আমাদের সবচেয়ে গভীর পরিচয়গুলো হয়তো আমরা নিজেরাই বানিয়েছি; কিন্তু আমাদের সবচেয়ে মৌলিক পরিচয়টি হলো-আমরা জীবিত প্রাণী।
তাহলে কি ধর্ম অজ্ঞতা?
এখানে আমাদের খুব সতর্ক হতে হবে।
ধর্মবিশ্বাস নিজে অজ্ঞতার প্রমাণ নয়।
কারণ একজন মানুষ কোনো বিশ্বাসকে গভীর দর্শন, নৈতিকতা, অস্তিত্বের প্রশ্ন এবং ব্যক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারেন।
সমস্যা ধর্মে নয়।
সমস্যা শুরু হয় যখন-
বিশ্বাস প্রশ্নকে নিষিদ্ধ করে।
যখন-
বিশ্বাস প্রমাণের বিকল্প হয়ে যায়।
>যখন-
নিজের অজ্ঞতাকে ঈশ্বরের নিশ্চিত জ্ঞান বলে ঘোষণা করা হয়।
> যখন-
নিজের ব্যাখ্যাকে ঈশ্বরের বক্তব্যের সমান করে ফেলা হয়। এবং সবচেয়ে ভয়ংকর অবস্থাটি তখন-
* যখন মানুষ ঈশ্বরকে রক্ষা করার নামে মানুষকে আঘাত করতে শুরু করে।
যদি কোনো সর্বশক্তিমান সত্য সত্যিই সত্য হয়, তবে তাকে মানুষের ক্রোধ,অস্ত্র,গালি কিংবা হত্যার মাধ্যমে রক্ষা করার প্রয়োজন কেন হবে?
অজ্ঞতার সবচেয়ে বিপজ্জনক রূপ হলো নিজের অজ্ঞতা সম্পর্কে অজ্ঞ থাকা
এটাই হয়তো আপনার প্রশ্নের সবচেয়ে গভীর উত্তর।
অজ্ঞতা মানে শুধু কিছু না জানা নয়।
* অজ্ঞতার গভীরতম রূপ হলো-আমি জানি না,সেটিও না জানা।
একজন জ্ঞানী মানুষ বলতে পারে-
“আমি জানি।”
আরও জ্ঞানী মানুষ বলতে পারে-
“আমি জানি না।”
কিন্তু প্রজ্ঞাবান মানুষ বলতে পারে-
* “আমি যা জানি বলে মনে করছি, তার কোন অংশ সত্য এবং কোন অংশ আমার ব্যাখ্যা-আমি সেটিও পরীক্ষা করব।”
* মানুষের সবচেয়ে বড় বিপদ বিশ্বাস নয়-বিশ্বাসের সঙ্গে অহংকারের সংযোগ
বিশ্বাস মানুষকে শান্ত করতে পারে।
বিশ্বাস মানুষকে নৈতিক হতে শেখাতে পারে।
বিশ্বাস মানুষকে আশা দিতে পারে।
বিশ্বাস মানুষকে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ানোর সাহস দিতে পারে।
কিন্তু বিশ্বাস যখন অহংকারের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তা বলে-
“আমার সত্যই একমাত্র সত্য।”
আর তখন একই বিশ্বাস-
মানুষকে বিভক্ত করতে পারে,
ঘৃণা জন্মাতে পারে,
সহিংসতা বৈধ করতে পারে,
প্রশ্নকে অপরাধ বানাতে পারে।
তখন বিশ্বাস আর আত্মার আশ্রয় থাকে না-
পরিচয়ের দুর্গ হয়ে ওঠে।
শেষ প্রশ্নটি তাই ঈশ্বরকে নয়-নিজেকেই করা দরকার
আমি যে ধর্মে জন্মেছি, সেটি কি আমি সত্য অনুসন্ধান করে গ্রহণ করেছি?
নাকি জন্মের সঙ্গে পাওয়া পরিচয়কে সত্য বলে ধরে নিয়েছি?
আমি যে রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি, তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত কি সত্যিই ন্যায়সঙ্গত?
নাকি আমার দল করেছে বলেই আমি সেটিকে ন্যায্য মনে করি?
আমি কি সত্যকে ভালোবাসি?
নাকি আমার পছন্দের সত্যকে ভালোবাসি?
আমি কি ঈশ্বরকে খুঁজি?
নাকি ঈশ্বর সম্পর্কে আমার নিজের ধারণাকেই ঈশ্বর বানিয়ে ফেলেছি?
হয়তো সভ্যতার পরবর্তী ধাপ হবে-বিশ্বাস থেকে বিনয়ের দিকে যাত্রা
আমাদের হয়তো ধর্মহীন পৃথিবী দরকার নেই।
আমাদের দরকার
অহংকারহীন বিশ্বাস।
আমাদের রাজনীতিহীন পৃথিবী হয়তো সম্ভব নয়।
আমাদের দরকার-
অন্ধ আনুগত্যহীন রাজনীতি।
আমাদের বিশ্বাস থাকতে পারে।
কিন্তু প্রশ্নও থাকতে হবে।
আমাদের conviction থাকতে পারে।
কিন্তু humility-ও থাকতে হবে।
আমরা বলতে পারি-
“আমি সত্যকে অনুসরণ করি।”
কিন্তু আরও সুন্দর হবে যদি বলতে পারি-
“আমি সত্যকে এত ভালোবাসি যে, আমার বিশ্বাস ভুল প্রমাণিত হলেও আমি সত্যের পক্ষেই থাকব।”
কারণ সত্যের প্রতি সবচেয়ে বড় ভালোবাসা হলো-
নিজের ভুল হওয়ার সম্ভাবনাকে স্বীকার করার সাহস।
শেষ দৃশ্য
একদিন পৃথিবীর সব মানুষকে যদি কোনো বিশাল টেবিলে বসানো যায়-
সেখানে কেউ ভাত খাবে,কেউ রুটি,কেউ স্যুপ,কেউ নুডলস।
কারও পোশাক সাদা, কারও কালো, কারও লম্বা, কারও ছোট।
কারও প্রার্থনার ভাষা আলাদা, কারও দর্শন আলাদা।
কিন্তু সবার শরীর ক্ষুধা চিনবে।
সবার চোখে জল লবণাক্ত হবে।
সবার হৃদয় ভালোবাসায় নরম হবে।
সবার শরীর একদিন ক্লান্ত হবে।
সবার কোষ একদিন থেমে যাবে।
এবং শেষ পর্যন্ত-
পৃথিবী কাউকে জিজ্ঞেস করবে না, “তুমি কোন পরিচয়ের ছিলে?”
প্রকৃতি শুধু তার পুরোনো নিয়মে বলবে-
“তুমি ছিলে জীবনের একটি ক্ষণস্থায়ী প্রকাশ।”
তাই হয়তো মানুষের সবচেয়ে বড় জ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট পরিচয়কে বড় করা নয়।
বরং এতটুকু উপলব্ধি করা-
“আমি যে মানুষটিকে অন্য মনে করে ঘৃণা করছি, তার শরীরের ভেতরেও একই ক্ষুধা, একই রক্ত, একই ভয়, একই ভালোবাসা এবং একই মৃত্যুর অপেক্ষা।”
আর সম্ভবত সেই মুহূর্তেই-
ধর্মের দেয়াল ভাঙতে হয় না;
শুধু মানুষটির ভেতরের মানুষটিকে দেখতে হয়।
সেখানেই দর্শন বিজ্ঞানের সঙ্গে হাত মেলায়।
সেখানেই বিশ্বাস বিনয়ের কাছে মাথা নোয়ায়।
আর সেখানেই মানুষ প্রথমবার সত্যিকার অর্থে-
মানুষ হয়ে ওঠে।

06/09/2026

তাগুত প্রধান ইবলিশ শয়তান আরব্য মোঃ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় জেনে নিন

আমাদের দেশের মুসলমানেরা তারা সত্যিকার কুরআনের মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ওয়া খাতামান নাবিয়্যীনকে চেনে না এবং এই মোহাম্মদ দ্বারা কুরআনের যে পাঁচটি দাবি সত্যায়িত করা সেটিও তারা জানে না
মানে না
সেই মতে চলেনা
এক নম্বর দাবি হলো কোরআনকে শতভাগ বিশ্বাস করতে হবে সংবিধান হিসেবে দুই নম্বর দাবি হলো এই সংবিধানের নিজস্ব ভাষা রয়েছে সেই ভাষায় পড়া শিখতে হবে
তিন নম্বর দাবি হলো এই সংবিধান মাতৃভাষায় জানতে হবে
চার নম্বর দাবি হলো এই সংবিধান মতে চলতে হবে
আর পাঁচ নম্বর দাবি হলো এই সংবিধানের প্রচার করতে হবে
কিন্তু সেটি বাদ দিয়ে সবাই আরব্য মোহাম্মদের মতো
মোহাম্মদ হওয়ার দাবিদার সেজে আয়াত প্রচার না করে তারা সবাই মূলত আজাবের ভাগীদার হচ্ছে,

وَاِذۡ اَخَذَ اللّٰہُ مِیۡثَاقَ الَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡکِتٰبَ لَتُبَیِّنُنَّہٗ لِلنَّاسِ وَلَا تَکۡتُمُوۡنَہٗ ۫ فَنَبَذُوۡہُ وَرَآءَ ظُہُوۡرِہِمۡ وَاشۡتَرَوۡا بِہٖ ثَمَنًا قَلِیۡلًا ؕ فَبِئۡسَ مَا یَشۡتَرُوۡنَ
[৩:১৮৭] আল্লহ্ যখন আহলে কিতাব তথা আল‑কিতাবের ধারক দাবিদার (মুসলমান— শিয়া, সুন্নি, সালাফিদের) থেকে এই ওয়াদা নিলেন, তোমরা মানবসমাজের কাছে তা প্রচার করবে, মোটেই গোপন করবে না। কিন্তু তারা নিজেদের পিঠের পিছনে তা ফেলে রাখে, আর নগণ্য দামের বিনিময়ে তা বিক্রি করে। তাদের এই কারবার বড়ই জঘন্য।

لَا تَحۡسَبَنَّ الَّذِیۡنَ یَفۡرَحُوۡنَ بِمَۤا اَتَوۡا وَّیُحِبُّوۡنَ اَنۡ یُّحۡمَدُوۡا بِمَا لَمۡ یَفۡعَلُوۡا فَلَا تَحۡسَبَنَّہُمۡ بِمَفَازَۃٍ مِّنَ الۡعَذَابِ ۚ وَلَہُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ
[৩:১৮৮] এটা তাদের ভাবা উচিত নয়, যারা নিজেদের কাজকর্ম সম্পর্কে খুবই খুশি হয়, আর যে কাজ তারা করেনি, সেজন্যও (লোকের কাছে) প্রশংসা পেতে চায় মুহাম্মাদ হয়ে। এদের সম্পর্কে একথা বুঝা মোটেই উচিত হবে না যে, এরা আজাব থেকে রেহাই পেয়ে যাবে। এদের জন্য কষ্টদায়ক আজাব রয়েছে।

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا ادۡخُلُوۡا فِی السِّلۡمِ کَآفَّۃً وَلَا تَتَّبِعُوۡا خُطُوٰتِ الشَّیۡطٰنِ ؕ اِنَّہٗ لَکُمۡ عَدُوٌّ مُّبِیۡنٌ
[২:২০৮] তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোনো! তোমরা সবাই ইসলামের শান্তির ছায়াতলে পরিপূর্ণরূপে প্রবেশ করো। আর শায়ত্বনের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে না, নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন।

قُلۡ اٰمَنَّا بِاللّٰہِ وَمَۤا اُنۡزِلَ عَلَیۡنَا وَمَۤا اُنۡزِلَ عَلٰۤی اِبۡرٰہِیۡمَ وَاِسۡمٰعِیۡلَ وَاِسۡحٰقَ وَیَعۡقُوۡبَ وَالۡاَسۡبَاطِ وَمَۤا اُوۡتِیَ مُوۡسٰی وَعِیۡسٰی وَالنَّبِیُّوۡنَ مِنۡ رَّبِّہِمۡ ۪ لَا نُفَرِّقُ بَیۡنَ اَحَدٍ مِّنۡہُمۡ ۫ وَنَحۡنُ لَہٗ مُسۡلِمُوۡنَ
[৩:৮৪] তুমি বলে দাও! আমরা তো আল্লহ্ তাআলার উপরে ঈমান এনেছি, আর আমাদের কাছে যা নাজিল করা হয়; তাছাড়া ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব ও তাদের বংশধরদের কাছে যা নাজিল হয়েছে; মূসা, ঈসা, আর সকল (বিশেষ খবরদাতা) নবীদেরকে তাদের রবের পক্ষ থেকে যাকিছু দান করা হয়েছে। আর আমরা তাদের মধ্যে কারোর সাথে কোনোরকম পার্থক্য করি না। আমরা সবাই আল্লহ্ তাআলার জন্য মুসলিম হয়েছি।

وَمَنۡ یَّبۡتَغِ غَیۡرَ الۡاِسۡلَامِ دِیۡنًا فَلَنۡ یُّقۡبَلَ مِنۡہُ ۚ وَہُوَ فِی الۡاٰخِرَۃِ مِنَ الۡخٰسِرِیۡنَ
[৩:৮৫] যে কেউ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শান্তির ইসলাম ছাড়া আর কিছু মেনে চলবে, তার থেকে সে কাজ কবুল হবে না। আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের দলে শামিল হবে।

وَاَنَّ ہٰذَا صِرَاطِیۡ مُسۡتَقِیۡمًا فَاتَّبِعُوۡہُ ۚ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِکُمۡ عَنۡ سَبِیۡلِہٖ ؕ ذٰلِکُمۡ وَصّٰکُمۡ بِہٖ لَعَلَّکُمۡ تَتَّقُوۡنَ
[৬:১৫৩] আর এই কুরআনই তো হচ্ছে আমার পথ, যা সুপ্রতিষ্ঠিত। সুতরাং, তোমরা সেই কুরআনের পথেরই অনুসরণ করো। তোমরা নানান পথে যাবে না মোটেই। নইলে তোমরা আল্লহ্ তাআলার একটি পথ থেকেই তো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তোমাদেরকে এসব ব্যাপারে অছিয়ত করেছেন, যেন তোমরা মুত্তাকি হতে পার।

কোরআনকে আঁকড়ে ধরতে হবে আর কোরআন যখন আমাদেরকে আরোগ্য মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশেমের কথা বলে না তাহলে তাকে কেন ধরে রাখতে হবে একটু চিন্তা করে দেখুন আর এই আয়াত দুটি একটু জেনে নিন
فَاسۡتَمۡسِکۡ بِالَّذِیۡۤ اُوۡحِیَ اِلَیۡکَ ۚ اِنَّکَ عَلٰی صِرَاطٍ مُّسۡتَقِیۡمٍ
[৪৩:৪৩] সুতরাং, তুমি (কুরআনকেই) আঁকড়ে ধরো, যা তোমার কাছে ওহিযোগে নাজিল করা হয়েছে। নিশ্চয় তুমি সুপ্রতিষ্ঠিত পথের উপরেই রয়েছ।

وَاِنَّہٗ لَذِکۡرٌ لَّکَ وَلِقَوۡمِکَ ۚ وَسَوۡفَ تُسۡـئَلُوۡنَ
[৪৩:৪৪] এই বিশেষ স্মরণ (কুরআন) তোমার ও তোমার কওমের জন্য বড়ই মর্যাদাপূর্ণ। শীঘ্রই তোমাদের সবার সাথে এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

وَمَنۡ یَّعۡشُ عَنۡ ذِکۡرِ الرَّحۡمٰنِ نُقَیِّضۡ لَہٗ شَیۡطٰنًا فَہُوَ لَہٗ قَرِیۡنٌ
[৪৩:৩৬] আর যে ব্যক্তি রাহমানের বিশেষ স্মরণ (কুরআন) থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়, তার উপরে একটি শায়ত্বন চাপিয়ে দিয়ে থাকি। সুতরাং, সে তার সাথেই থাকে।

وَاِنَّہُمۡ لَیَصُدُّوۡنَہُمۡ عَنِ السَّبِیۡلِ وَیَحۡسَبُوۡنَ اَنَّہُمۡ مُّہۡتَدُوۡنَ
[৪৩:৩৭] রাহমানের (কুরআনের) বিশেষ পথ থেকে শায়ত্বন তাদেরকে ফিরিয়ে রাখে। আর ওরা ভাবতে থাকে, তারা সঠিক পথেই রয়েছে।
اِنَّ الدِّیۡنَ عِنۡدَ اللّٰہِ الۡاِسۡلَامُ ۟ وَمَا اخۡتَلَفَ الَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡکِتٰبَ اِلَّا مِنۡۢ بَعۡدِ مَا جَآءَہُمُ الۡعِلۡمُ بَغۡیًاۢ بَیۡنَہُمۡ ؕ وَمَنۡ یَّکۡفُرۡ بِاٰیٰتِ اللّٰہِ فَاِنَّ اللّٰہَ سَرِیۡعُ الۡحِسَابِ
[৩:১৯] আল্লহ্ তাআলার কাছে (গ্রহণযোগ্য) দ্বীন তথা জীবনব্যবস্থা হচ্ছে একমাত্র ইসলাম। যাদের কাছে লিখিত আল‑কিতাব রয়েছে, তারাই তো জেনেশুনে শুধু নিজেদের মধ্যে জিদ ও হিংসার কারণেই বিরোধিতা করে, তারা ছাড়া অন্য কেউ (বিরোধিতা) করে না। আল্লহ্ তাআলার আয়াতসমূহকে যারা গোপন করবে, আল্লহ্ অতি তাড়াতাড়ি হিসাব নিবেন, একথা নিশ্চিত।

وَمِنۡہُمۡ اُمِّیُّوۡنَ لَا یَعۡلَمُوۡنَ الۡکِتٰبَ اِلَّۤا اَمَانِیَّ وَاِنۡ ہُمۡ اِلَّا یَظُنُّوۡنَ ┱
[২:৭৮] আর মানুষের মধ্যে অনেকেই অশিক্ষিত রয়েছে, তারা আল‑কিতাবের খবর রাখে না, কিন্তু মিথ্যা আকাঙ্ক্ষা ছাড়া আর তাদের কাছে কল্পনা ছাড়া কিছুই নেই।

اَفَتَطۡمَعُوۡنَ اَنۡ یُّؤۡمِنُوۡا لَکُمۡ وَقَدۡ کَانَ فَرِیۡقٌ مِّنۡہُمۡ یَسۡمَعُوۡنَ کَلٰمَ اللّٰہِ ثُمَّ یُحَرِّفُوۡنَہٗ مِنۡۢ بَعۡدِ مَا عَقَلُوۡہُ وَہُمۡ یَعۡلَمُوۡنَ
[২:৭৫] তোমরা কি এ আশায় রয়েছ যে, তারা তোমাদের জন্য ঈমান আনবে! অথচ তাদের মধ্য থেকে একদল আল্লহ্‌ তাআলার কালামকে শুনে যাচ্ছে, আর তা বুঝা সত্ত্বেও তাকে রদবদল করে যাচ্ছে এবং তারা জানেও।

আরবি ইতিহাসের মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশেমের পক্ষ থেকে যে ধর্মগুলি দেওয়া হয়েছে যা ২০০ কোটি মুসলমানেরা পালন করে চলে তার ভিতরে 135 তাদের ফিরকা পার্টি মসলাক এবং মাযহাব রয়েছে বড় বড় এদের মধ্যে রয়েছে শিয়া সুন্নি সালাফি এরা সবাই মানসিক রোগী হিসেবে বসবাস করে

এবং এরা একে অপরকে সহ্য করতে পারে না যেমন আমাদের দেশে 18 কোটি মানুষকে বেকুব বানানোর জন্য বিএনপি মার্কা এবং আওয়ামী লীগ মার্কা নেতা-নেত্রী আর কর্মীরা প্রকাশ্যভাবে দেখায় তারা একে অপরের শত্রু

মূলত তাদের গোপনীয়তা যখন আমরা খোঁজ করি তখন জানতে পারি তারা একে অপরের আত্মীয়
তাদের আসল উদ্দেশ্য হল দেশকে লুটপাট করবে
এবং দেশের মানুষকে খনিজ সম্পদের অর্থ থেকে নিজ নিজ পায়ে দাঁড় করাবে না তবে কর্মীরা একে অপরকে ঘৃণা করে আর
এগুলি তারা শিক্ষা দেয়
এই ডিভাইড এন্ড রুল পলিসি মতে রাজনীতি করার জন্য

যে আরব্য মুহাম্মদ নিজের ব্যাপারে বলেছিল আমি শিক্ষিতদের সাথে নই
তার বানানো ধর্মকে মানসিক রোগ এবং সংক্রামক ব্যাধি মনে করে
আল্লাহ তায়ালা শান্তির পৃথিবীতে যারা মুমিন এবং মুসলিম রয়েছে তারা

এই মূর্খ তাগুত প্রধান ইবলিশ শয়তান মোহাম্মদকে জানতে হলে আপনাকে রকেট সাইন্টিস্ট হতে হবে না
পড়তে হবে না ভারি ভারী কিতাব এবং বুঝতেও হবে না নিউক্লিয়ার ফিজিক্স

শুধু আপনি একটু কোরআন অধ্যয়ন করলেই জানতে পারবেন এবং উপলব্ধি করতে পারবেন শয়তানের জালে আপনি কিভাবে ফেঁসে আছেন

যে শয়তান একজন কাল্পনিক
জন্মসূত্রে যে হিন্দু ছিল যার নুনু কাটা হয়নি কিন্তু সকলের নুনুর অগ্রভাগ কেটে দেওয়ার কথা বলেছে
এমনকি মেয়েদেরও খতনা করার কথা বলেছে

আবার বিয়ের সূত্রে ছিল খ্রিস্টান এবং মৃত্যুর পর তার কেউ জানাজার ইমামতিও করেনি
তার জন্ম এবং মৃত্যু তারিখ সঠিকভাবে 200 কোটি মুসলমানেরা জানেনা
এমনকি তার কাছে যে চল্লিশটি স্ত্রী ছিল তাদেরকে কোথায় রাখা হতো
তাদের জন্য কোন বাড়িঘর ছিল কিনা
এর কোন অস্তিত্ব সৌদি আরবে খুঁজে পাওয়া যায় না

১১ জন স্ত্রী
খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ
হযরত সাওদা বিনতে জামআ
৬ বছরের হযরত আয়েশা বিনতে আবু বকর
হযরত হাফসা বিনতে উমর
হযরত জয়নব বিনতে খুজাইমা
হযরত উম্মু সালামাহ হিন্দ বিনতে আবি উমাইয়া
হযরত জয়নব বিনতে জাহশ
হযরত জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিস
হযরত উম্মু হাবিবাহ রামলা বিনতে আবি সুফিয়ান
হযরত সাফিয়া বিনতে হুয়াই
হযরত মায়মুনা বিনতে আল-হারিস

ইন্তেকালের সময় এই ৯ জন স্ত্রী জীবিত ছিলেন।
এর বাইরে হযরত রায়হানা বিনতে যায়েদ বা হারিস
ও মারিয়া কিবতিয়ার সাথে বিবাহ ছাড়া
উপপত্নী দাসী বা অধিকারভুক্ত সম্পর্কের বিষয়টি সীরাতগ্রন্থে বর্ণিত আছে।

মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশেম কে যারা নবী এবং রাসূলের আসনে বসেছেন তারা তার বাবাকে জন্মের আগেই মেরে ফেলে দিচ্ছেন তার মাকেও তাই আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বলছেন তার বাবা-মা জাহান্নামী এইসব উদ্ভট কল্পকাহিনী মুসলমানদেরকে ঘিরে ধরেছে

৫ জন পুত্রসন্তান ছিল।
তাদেরকেও ইতিহাসে মেরে ফেলা হয়েছে
ছেলেদের নাম
কাসিম তিনি সবার বড় ছিলেন। তাঁর নামানুসারে মোঃ এর কুনিয়ত বা ডাকনাম ছিল 'আবুল কাসিম'।
আবদুল্লাহ
'তাহের'
'তৈয়ব'
ইব্রাহিম

মোঃ এর চারজন কন্যা বা মেয়ে ছিলেন। তাঁদের সবার মাতা ছিলেন তাঁর প্রথম স্ত্রী হজরত খাদিজা
মেয়েদের নামগুলো
জয়নব বড় মেয়ে
রুকাইয়া
উম্মে কুলসুম
ফাতিমা

হজরত হাসান ও হোসাইন তাঁদের মাতা ফাতিমা ও পিতা আলী ইবনে আবি তালিব এর ঔরসে মোট চারজন ভাই-বোন ছিলেন।
তাঁরা দুই ভাই ও দুই বোন ছিলেন:
হজরত হাসান ইবনে আলী
হজরত হোসাইন ইবনে আলী
হজরত জয়নব বিনতে আলী
হজরত উম্মে কুলসুম বিনতে আলী

مَا کَانَ مُحَمَّدٌ اَبَۤا اَحَدٍ مِّنۡ رِّجَالِکُمۡ وَلٰکِنۡ رَّسُوۡلَ اللّٰہِ وَخَاتَمَ النَّبِیّٖنَ ؕ وَکَانَ اللّٰہُ بِکُلِّ شَیۡءٍ عَلِیۡمًا ┈
[৩৩:৪০] (আয়াত প্রচারের কারণে প্রশংসিত) মুহাম্মাদ তো আর তোমাদের মধ্যকার কোনো পুরুষের আবা (বাবা, দাদা, নানা ও পরনানা) নয়। কিন্তু মুহাম্মাদ তো আল্লহ্ তাআলার প্রেরিত রাসূল ও সকল (বিশেষ খবরদাতা) নবীদের সিলমোহর। আর আল্লহ্ তো সবকিছুই বেশ জানেন।

06/09/2026

তাগুত প্রধান আরব্য শয়তান ইবলিস নিজ ধর্মের যে ১০ জনকে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন, তাঁদের একত্রে আশারায়ে মুবাশশারা বলা হয়

আয়াত প্রচারের কারণে প্রশংসিত উপাধি ধারক চলমান মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ ওয়া খাতামান নাবিয়্যীন আল্লাহ তায়ালার বার্তাবাহক এবং 19 জন নবীদের সীলমোহর থেকে সত্যায়িত আয়াতটি জেনে নিন
যে আয়াতটির বিপক্ষে ছিল আরব ইতিহাসের তাগুত প্রধান ইবলিশ এবং শয়তান মোহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ।

قُلۡ مَا کُنۡتُ بِدۡعًا مِّنَ الرُّسُلِ وَمَۤا اَدۡرِیۡ مَا یُفۡعَلُ بِیۡ وَلَا بِکُمۡ ؕ اِنۡ اَتَّبِــــعُ اِلَّا مَا یُوۡحٰۤی اِلَیَّ وَمَۤا اَنَا۠ اِلَّا نَذِیۡرٌ مُّبِیۡنٌ
[৪৬:৯] তুমি বলে দাও! আমি তো আর বার্তাবাহক রাসূল হিসেবে মোটেই নতুন নই। আর আমি জানি না আমার সাথে কী ব্যবহার করা হবে, আর তোমাদের সাথেই বা কেমন করা হবে। আমি তো শুধু তাই মেনে চলি, যা আমার কাছে (আল‑কিতাব থেকে) ওহিযোগে আসে। আর আমি সুস্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া অন্যকিছু নই।

১০ জন জান্নাতী সাহাবির নাম নিচে দেওয়া হলো:
হজরত আবু বকর সিদ্দিক
হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব
হজরত উসমান ইবনে আফফান
হজরত আলী ইবনে আবি তালিব
হজরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ
হজরত যুবাইর ইবনুল আওয়াম
হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ
হজরত সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস
হজরত সাঈদ ইবনে যায়েদ
হজরত আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَطِیۡعُوا اللّٰہَ وَاَطِیۡعُوا الرَّسُوۡلَ وَاُولِی الۡاَمۡرِ مِنۡکُمۡ ۚ فَاِنۡ تَنَازَعۡتُمۡ فِیۡ شَیۡءٍ فَرُدُّوۡہُ اِلَی اللّٰہِ وَالرَّسُوۡلِ اِنۡ کُنۡتُمۡ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰہِ وَالۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ ؕ ذٰلِکَ خَیۡرٌ وَّاَحۡسَنُ تَاۡوِیۡلًا ┈
[৪:৫৯] তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোনো! সবাই তোমরা আল্লহ্ তাআলার অনুগত হও, আর বিশেষ বার্তাবাহক রাসূলেরও অনুগত হও। আর তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর তথা ব্যবস্থাপক রয়েছে তাদেরও। যদি তোমরা কোনো বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হও, তাহলে সে বিষয়ে আল্লহ্ তাআলার এবং আল্লহ্ তাআলার বিশেষ বার্তাবাহক রাসূলের দিকে উপস্থাপিত করবে। যদি তোমরা সত্যই আল্লহ্ তাআলার উপরে, আর আখিরাতের দিন সম্পর্কে আস্থাবান হয়েই থাকো। এ কাজ তো খুবই ভালো, এর পরিণামও যে চমৎকার হবে।

اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ یَزۡعُمُوۡنَ اَنَّہُمۡ اٰمَنُوۡا بِمَۤا اُنۡزِلَ اِلَیۡکَ وَمَۤا اُنۡزِلَ مِنۡ قَبۡلِکَ یُرِیۡدُوۡنَ اَنۡ یَّتَحَاکَمُوۡۤا اِلَی الطَّاغُوۡتِ وَقَدۡ اُمِرُوۡۤا اَنۡ یَّکۡفُرُوۡا بِہٖ ؕ وَیُرِیۡدُ الشَّیۡطٰنُ اَنۡ یُّضِلَّہُمۡ ضَلٰلًاۢ بَعِیۡدًا
[৪:৬০] তুমি কি তাদেরকে দেখনি? যারা দাবি করছে, তোমার কাছে যা নাজিল হয়েছে আর তোমার আগে থেকে যা নাজিল হয়ে আসছে, এসবে তারা আস্থাবান। অথচ তারা নিজেদের সমস্যাদি নিয়ে যায় তাগুতের (কুরআন-বিরোধী আইনের) কাছে, সমাধানের জন্য। কিন্তু তা যে অমান্য করার জন্যই কুরআন দ্বারা হুকুম দেওয়া হয়েছে। আসলে শায়ত্বন নিজ চাহিদামতে ওদেরকে বিভ্রান্ত করে দূরেই সরিয়ে নিয়ে যাবে।

وَاِذَا قِیۡلَ لَہُمۡ تَعَالَوۡا اِلٰی مَۤا اَنۡزَلَ اللّٰہُ وَاِلَی الرَّسُوۡلِ رَاَیۡتَ الۡمُنٰفِقِیۡنَ یَصُدُّوۡنَ عَنۡکَ صُدُوۡدًا ┆
[৪:৬১] আর যখন মানুষকে বলা হয়, আল্লহ্ যা নাজিল করেছেন, তোমরা সবাই সেদিকেই এসো এবং আল্লহ্ তাআলার বিশেষ বার্তাবাহক রাসূলের দিকে এসো। তখন দুমুখো ব্যক্তিদের দেখবে, তোমার পাশ কাটিয়ে তারা চলে যাবে।

اِنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا مِنۡ اَہۡلِ الۡکِتٰبِ وَالۡمُشۡرِکِیۡنَ فِیۡ نَارِ جَہَنَّمَ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَا ؕ اُولٰٓئِکَ ہُمۡ شَرُّ الۡبَرِیَّۃِ ┇
[৯৮:৬] নিশ্চয় যারা আয়াত গোপন করে কাফির হয়, আহলে কিতাব তথা আল‑কিতাবের ধারক (মুসলমান— শিয়া, সুন্নি, সালাফিদের) মধ্য থেকে এবং অংশীবাদী মুশরিকদের মধ্য থেকে, এরাই জাহান্নামের আগুনের মধ্যে চিরকাল বাস করবে। এরাই হলো গোটা সৃষ্টিজগতের মধ্যে নিকৃষ্টতর।

اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ۙ اُولٰٓئِکَ ہُمۡ خَیۡرُ الۡبَرِیَّۃِ ┇
[৯৮:৭] নিশ্চয় যারা ঈমান এনে সংশোধনের কাজ করে, তারাই যে গোটা সৃষ্টিজগতের মধ্যে সেরা।

جَزَآؤُہُمۡ عِنۡدَ رَبِّہِمۡ جَنّٰتُ عَدۡنٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِہَا الۡاَنۡہٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَۤا اَبَدًا ؕ رَضِیَ اللّٰہُ عَنۡہُمۡ وَرَضُوۡا عَنۡہُ ؕ ذٰلِکَ لِمَنۡ خَشِیَ رَبَّہٗ ┈
[৯৮:৮] তাদের পারিশ্রমিক হিসেবে তাদের রবের নিকট চিরস্থায়ী বসবাসের জন্য জান্নাত রয়েছে, যার নিচের ভাগে নহরধারা বয়ে যাচ্ছে। সেখানে তারা চিরকাল বাস করবে। আল্লহ্ তাদের উপরে সন্তুষ্ট, আর তারাও যে আল্লহ্‌র উপরে খুশি। এ হচ্ছে তারই জন্য, যে নাকি নিজ রবের (শাস্তিকে) ভয় করে চলে।

আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর বিধান দেওয়ার অধিকার নেই তবেই তো আয়াত প্রচারের কারণে প্রশংসিত উপাধি ধারক চলমান মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ ওয়া খাতামান নাবিয়্যীন আল্লাহ তায়ালার বার্তাবাহক এবং 19 জন নবীদের সীলমোহর থেকে সত্যায়িত এই আয়াত আমাদের জেনে রাখতে হবে

مَا تَعۡبُدُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِہٖۤ اِلَّۤا اَسۡمَآءً سَمَّیۡتُمُوۡہَۤا اَنۡتُمۡ وَاٰبَآؤُکُمۡ مَّۤا اَنۡزَلَ اللّٰہُ بِہَا مِنۡ سُلۡطٰنٍ ؕ اِنِ الۡحُکۡمُ اِلَّا لِلّٰہِ ؕ اَمَرَ اَلَّا تَعۡبُدُوۡۤا اِلَّۤا اِیَّاہُ ؕ ذٰلِکَ الدِّیۡنُ الۡقَیِّمُ وَلٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ
[১২:৪০] আল্লহ্ তাআলাকে বাদ দিয়ে যেসবের পূজা‑অর্চনা করা হয়, তা যে শুধু কতক নাম। তাও তো তোমরা আর তোমাদের পূর্বপুরুষরাই রেখেছো। এসবের সমর্থনে আল্লহ্ তাআলা কোনো দলিল‑প্রমাণ নাজিল করেননি। আর হুকুম সে তো আল্লহ্ ছাড়া আর কারোর হতেই পারে না। আল্লহ্ হুকুম দিয়েছেন, যেন তোমরা একমাত্র আল্লহ্‌কে ছাড়া আর কারোর দাসত্ব না করো। এই তো হচ্ছে সেই চিরস্থায়ী জীবনব্যবস্থা। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই যে তা মোটেই জানে না।

قُلِ اللّٰہُ اَعۡلَمُ بِمَا لَبِثُوۡا ۚ لَہٗ غَیۡبُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ ؕ اَبۡصِرۡ بِہٖ وَاَسۡمِــــعۡ ؕ مَا لَہُمۡ مِّنۡ دُوۡنِہٖ مِنۡ وَّلِیٍّ ۫ وَّلَا یُشۡرِکُ فِیۡ حُکۡمِہٖۤ اَحَدًا
[১৮:২৬] তুমি বলো! আল্লহ্ তাআলাই সবচেয়ে বেশি জানেন, তারা সেখানে কত কাল ছিল। গগনমণ্ডল ও পৃথিবীর যাবতীয় অপ্রকাশ্য বিষয় শুধু আল্লহ্‌র জন্য। আল্লহ্‌ কত উত্তমরূপে সবকিছুই দেখেন ও শোনেন। আল্লহ্‌ ছাড়া তাদের জন্য আর কেউ কার্যোদ্ধারকারী নেই। আর (কুরআনে বর্ণিত) নিজের হুকুমে আর তো কাউকে শরিক করা হয় না।

اِنَّ رَبَّکُمُ اللّٰہُ الَّذِیۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ فِیۡ سِتَّۃِ اَیَّامٍ ثُمَّ اسۡتَوٰی عَلَی الۡعَرۡشِ ۟ یُغۡشِی الَّیۡلَ النَّہَارَ یَطۡلُبُہٗ حَثِیۡثًا ۙ وَّالشَّمۡسَ وَالۡقَمَرَ وَالنُّجُوۡمَ مُسَخَّرٰتٍۭ بِاَمۡرِہٖ ؕ اَلَا لَہُ الۡخَلۡقُ وَالۡاَمۡرُ ؕ تَبٰرَکَ اللّٰہُ رَبُّ الۡعٰلَمِیۡنَ
[৭:৫৪] নিশ্চয়ই আল্লহ্ তোমাদের রব। যে রব গগনমণ্ডল ও পৃথিবীকে মাত্র ছয়টি পর্যায়কালে তৈরি করেছেন। তারপরে সেই রব সেসবকে একটি আরশ তথা পরিচালনাকেন্দ্রের উপর প্রতিষ্ঠিত করে জুড়ে দিয়েছেন। সেই রব তো রাতকে দিনের মধ্যে পরিয়ে দেন, যেন সে দৌড়ে চলে আসে। আর সূর্য, চাঁদ ও গ্রহ‑তারকাগুলো রবের হুকুম মোতাবেক নিয়ন্ত্রিত হয়। তোমরা স্মরণে রাখবে, সৃষ্টিজগৎ ও সকল বিধান তো শুধু সেই রবের জন্য। সারা জাহানের রব আল্লহ্ বড়ই বরকতের মালিক।

Adresse

Hamburg

Benachrichtigungen

Lassen Sie sich von uns eine E-Mail senden und seien Sie der erste der Neuigkeiten und Aktionen von On The Way To Quran & Kaaba erfährt. Ihre E-Mail-Adresse wird nicht für andere Zwecke verwendet und Sie können sich jederzeit abmelden.

Die Kultstätte Kontaktieren

Nachricht an On The Way To Quran & Kaaba senden:

Verknüpfungen

Teilen