Path Samia’s Hidayah

Path
Samia’s Hidayah “হেদায়েত সেই পথ, যা আল্লাহ যাকে চান তাকেই দেন” 🌙
ইসলামিক রিমাইন্ডার ও দোয়ার সংগ্রহ 🤍
আসো একসাথে জান্নাতের পথে চলি 🕊️

22/06/2026

❤️‍🩹🩵🖤

🕋 পোশাকের ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর প্রিয় রঙের গুরুত্বউম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ এর নিকট স...
15/04/2026

🕋 পোশাকের ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর প্রিয় রঙের গুরুত্ব

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ এর নিকট সকল প্রকার পোশাকের মধ্যে কামিজ বা জামা পরিধান করা অধিক পছন্দনীয় ছিল। আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ এর নিকট পরিধানের জন্য সবচেয়ে প্রিয় ছিল হিবর বা ইয়ামেনী চাদর এবং সবুজাভ রঙের পোশাক। একবার রাসুলুল্লাহ ﷺ এর নিকট এক ব্যক্তি আসলেন, তখন তাঁর পরনে ছিল জাফরান রঙের কাপড়। রাসুলুল্লাহ ﷺ তখন তাকে বললেন, এই পোশাকটি খুলে ফেলো। পরে তিনি তা পুড়িয়ে ফেললেন। পোশাকের ক্ষেত্রে তিনি সবসময় পরিচ্ছন্নতা এবং শালীনতাকে গুরুত্ব দিতেন। তিনি বলতেন, আল্লাহ সুন্দর এবং তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন। অহংকারবশত কাপড় ঝুলিয়ে পরা বা টাখনুর নিচে কাপড় পরিধান করা থেকে তিনি কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলতেন, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে প্রদর্শনের জন্য পোশাক পরিধান করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে লাঞ্ছনার পোশাক পরাবেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ যখন নতুন কাপড় পরিধান করতেন, তখন তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতেন এবং বলতেন, হে আল্লাহ, তোমারই প্রশংসা, তুমি আমাকে এই পোশাকটি পরিধান করিয়েছ, আমি তোমার নিকট এর কল্যাণ এবং যে উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং আমি এর অকল্যাণ ও যে উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে তার অকল্যাণ থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। সাহাবায়ে কেরামদের তিনি সাদা রঙের পোশাক পরিধানের জন্য উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, তোমরা সাদা পোশাক পরিধান করো, কারণ এটি অধিক পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র।

: সুনানে তিরমিযী ১৭৮৭ এবং সুনানে আবু দাউদ ৪০৬২।

✧ রাসুলুল্লাহ ﷺ সব সময় পরিচ্ছন্ন, সুন্দর এবং শালীন পোশাক পরিধানের প্রতি উৎসাহ দিতেন। ✧ অহংকার বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে পোশাক পরা জায়েজ নয় এবং টাখনুর নিচে কাপড় পরিধান করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। ✧ নতুন কাপড় পরিধানের সময় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং সাদা রঙের পোশাক পরিধান করা সুন্নাহসম্মত।

Fabiya Sultana
نصرت جهان
Path
Samia’s Hidayah

12/04/2026

🤎💫🌸🌺💞

📖 তাওবাহ বা অনুতাপের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভের অশেষ সম্ভাবনাআনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল...
11/04/2026

📖 তাওবাহ বা অনুতাপের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভের অশেষ সম্ভাবনা

আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, হে আদম সন্তান! যতক্ষণ তোমরা আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে আশা রাখবে, আমি তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেব, তাতে গুনাহের পরিমাণ যতই হোক না কেন, আমি তার পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! যদি তোমাদের গুনাহসমূহ আকাশের মেঘমালা পর্যন্তও পৌঁছে যায় এবং তারপর তোমরা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, তবে আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব এবং আমি কোনো কিছুর পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! যদি তোমরা পৃথিবী ভর্তি গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং আমার সাথে কাউকে শরিক না করে আমার সাথে সাক্ষাৎ করো, তবে আমি তোমাদের জন্য পৃথিবী ভর্তি ক্ষমা নিয়ে উপস্থিত হব। রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেছেন, প্রতিটি আদম সন্তানই গুনাহগার, আর গুনাহগারদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো তারা, যারা অধিকহারে তাওবাহ করে। তাওবাহ কেবল মুখে স্বীকার করা নয়, বরং তাওবাহ হলো অন্তরের গভীর থেকে অনুশোচনা এবং পুনরায় সেই পাপে লিপ্ত না হওয়ার দৃঢ় সংকল্প। আল্লাহ তাআলা সেই বান্দাকে ভালোবাসেন যে নিজের ভুল স্বীকার করে তাঁর দিকে ফিরে আসে, কারণ আল্লাহ তাআলার রহমতের দরজা সবসময় খোলা থাকে এবং তিনি রাতের বেলা হাত প্রসারিত করেন দিনের গুনাহগারদের ক্ষমা করার জন্য এবং দিনের বেলা হাত প্রসারিত করেন রাতের গুনাহগারদের ক্ষমা করার জন্য। যে ব্যক্তি প্রকৃত তাওবাহ করে, আল্লাহ তার অতীত জীবনের সমস্ত গুনাহকে নেকিতে রূপান্তরিত করে দেন।

Reference: জামে আত-তিরমিযী ৩৫৪০ এবং সহীহ মুসলিম ২৭৪৭।

✧ তাওবাহ কবুল হওয়ার জন্য আল্লাহর রহমতের ওপর অটল বিশ্বাস রাখা এবং নিজের গুনাহের জন্য অন্তরে গভীর অনুশোচনা অনুভব করা একান্ত আবশ্যক। ✧ আল্লাহ তাআলার ক্ষমা অত্যন্ত বিশাল, যা মানুষের কল্পনার অতীত, তাই গুনাহের পরিমাণ যতই হোক না কেন আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না। ✧ তাওবাহ করার অর্থ হলো অতীতের জন্য লজ্জিত হওয়া এবং ভবিষ্যতে গুনাহ থেকে দূরে থাকার অটল অঙ্গীকার করা, যা একজন মুমিনকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে দেয়।

10/04/2026

🌸🐱

​বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা: ইসলামের শিক্ষা ❤️
​ইসলাম শুধু মানুষের প্রতি নয়, পশুপাখির প্রতিও দয়া দেখানোর শিক্ষা দেয়। বিড়াল সম্পর্কে বিখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে একটি চমৎকার হাদিস বর্ণিত হয়েছে:
​📜 হাদিস:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
​"এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আজাব দেওয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বন্দি করে রেখেছিল এবং শেষ পর্যন্ত সেটি মারা গিয়েছিল। এ কারণে নারীটি জাহান্নামে গেল। সে যখন বিড়ালটিকে বন্দি করে রেখেছিল, তখন তাকে খাবারও দেয়নি, পানীয়ও দেয়নি এবং তাকে ছেড়েও দেয়নি যাতে সে জমিনের পোকামাকড় খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে।"

— (সহিহ বুখারি: ৩৩১৮, সহিহ মুসলিম: ২২৪২

​বিখ্যাত সাহাবী আব্দুর রহমান ইবনে সাখর (রা.) বিড়ালকে এতই ভালোবাসতেন যে, নবীজি (সা.) তাকে ভালোবেসে 'আবু হুরায়রা' বা 'বিড়ালের পিতা' বলে ডাকতেন।
​আসুন, আমাদের চারপাশের অবলা প্রাণীদের প্রতি যত্নশীল হই। তাদের কষ্ট না দিয়ে সাধ্যমতো খাবার ও পানি দিয়ে সাহায্য করি। 🐾


Path
Samia’s Hidayah
​ #আবু_হুরায়রা #হাদিস #বিড়াল #ইসলামিক_পোস্ট

10/04/2026

*"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর উপর রহমত বর্ষণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর উপর দরূদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।"*
*(আল- আহযাব :৫৬)*

*اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَىٰ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ*

*~ হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রহমত ও শান্তি দান করুন।*🌻🤲

Address

Laxmipur
West Laksmipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Path Samia’s Hidayah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share