Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

Website

Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ, Religious organisation, Uttarati.

"কুরআনের আলোয় আলোকিত হোক হৃদয়"

কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে ইসলামের শিক্ষা, তাফসির, দোয়া ও আখিরাতের স্মরণ।
নিজে জানুন • আমল করুন • অন্যের কাছে পৌঁছে দিন-
“নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।” — সূরা আর-রা‘দ ১৩:২৮

08/10/2026

I got over 37,000 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

“আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক নন?”— সূরা আত-তীন, ৯৫:৮আয়াতটির গভীর শিক্ষাএটি সূরা আত-তীনের শেষ আয়াত। এর আ...
08/10/2026

“আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক নন?”

— সূরা আত-তীন, ৯৫:৮

আয়াতটির গভীর শিক্ষা

এটি সূরা আত-তীনের শেষ আয়াত। এর আগে আল্লাহ মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, মানুষকে তিনি “সর্বোত্তম আকৃতিতে” সৃষ্টি করেছেন, আবার

অবাধ্যতার কারণে তাকে “সর্বনিম্ন অবস্থায়” নামিয়ে দিতে পারেন—তবে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অবিরত পুরস্কার। (৯৫:৪–৭)

তারপর প্রশ্ন:

أَلَيْسَ اللَّهُ بِأَحْكَمِ الْحَاكِمِينَ
“আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক নন?”

অর্থাৎ মানুষের চূড়ান্ত মূল্যায়ন, প্রতিদান ও বিচার আল্লাহর কাছেই। মানুষ বাহ্যিক অবস্থা দেখে বিচার করতে পারে, কিন্তু আল্লাহ জানেন মানুষের অন্তর, নিয়ত এবং গোপন কর্ম।

একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ

এই আয়াতের শিক্ষা হলো:

দুনিয়ায় কোনো অন্যায় বিচার এড়িয়ে গেলেও আল্লাহর বিচার থেকে কেউ বের হতে পারবে না।

তাই একজন মুমিনের জন্য প্রশ্ন হওয়া উচিত:

“মানুষ আমাকে কীভাবে বিচার করছে?” — এর চেয়ে
“আল্লাহ আমাকে কীভাবে বিচার করবেন?”

এটাই সূরা আত-তীনের শেষ আয়াতের গভীর সতর্কবার্তা।

আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক। তাঁর বিচার সম্পূর্ণ ন্যায়ভিত্তিক। আলহামদুলিল্লাহ।

আলহামদুলিল্লাহ



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

"‘হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।’”— সূরা আল-কাসাস, ২৮:২৪শিক্ষা:মূসা (আ.) তখন মিস...
08/10/2026

"‘হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।’”

— সূরা আল-কাসাস, ২৮:২৪

শিক্ষা:

মূসা (আ.) তখন মিসর থেকে বের হয়ে মাদইয়ানে পৌঁছেছেন। তিনি ছিলেন একেবারে একা, ক্লান্ত এবং আশ্রয়হীন। তাঁর কাছে ভবিষ্যতের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

তিনি প্রথমে দুই নারীর পশুকে পানি পান করিয়ে নিজের প্রয়োজনের কথা বলেননি। অন্যের উপকার করলেন, তারপর একটি গাছের ছায়ায় গিয়ে আল্লাহর কাছে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন:

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

অর্থাৎ:

“হে আমার রব, আপনি আমার দিকে যে কল্যাণই পাঠাবেন, আমি তার সম্পূর্ণ মুখাপেক্ষী।”

এখানে মূসা (আ.) নির্দিষ্ট করে বলেননি—
“আমাকে টাকা দিন”,
“আমাকে চাকরি দিন”,
“আমাকে বাড়ি দিন।”

তিনি বললেন “মিন খাইর” — যেকোনো কল্যাণ।

এরপর কী হলো?

আল্লাহ তাঁর জন্য আশ্রয়, খাবার, নিরাপত্তা এবং বিবাহের ব্যবস্থা করে দিলেন। পরবর্তী আয়াতগুলোতে এর বিস্তারিত এসেছে।

এই আয়াতের ধারাটি খুব গভীর:

অন্যের উপকার → নিজের অসহায়ত্ব স্বীকার → আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া → আল্লাহর পক্ষ থেকে অপ্রত্যাশিত দরজা খুলে যাওয়া।

তাই এটি শুধু রিজিকের দোয়া নয়। এটি তাওয়াক্কুল, বিনয় এবং আল্লাহর কাছে পূর্ণ মুখাপেক্ষিতার দোয়া।

আপনি চাইলে এই দোয়াটি এভাবে নিয়মিত পড়তে পারেন:

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

“হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।”

আমীন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

“আল্লাহকে ঋণ দেওয়া” বলতে আল্লাহকে কোনো বস্তু ধার দেওয়া বোঝানো হয়নি। বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের সম্পদ ব্যয় করাকে অ...
07/10/2026

“আল্লাহকে ঋণ দেওয়া” বলতে আল্লাহকে কোনো বস্তু ধার দেওয়া বোঝানো হয়নি। বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের সম্পদ ব্যয় করাকে অত্যন্ত সম্মানজনক ভাষায় “উত্তম ঋণ” (قَرْضًا حَسَنًا) বলা হয়েছে।

“কে আছে যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেবে? তাহলে তিনি তার জন্য তা বহুগুণে বৃদ্ধি করবেন এবং তার জন্য রয়েছে সম্মানজনক পুরস্কার।”
— সূরা আল-হাদীদ, ৫৭:১১

“উত্তম ঋণ” বলতে কী বোঝায়?

এখানে قَرْضًا حَسَنًا — ক্বারদান হাসানান অর্থ “উত্তম ঋণ”।

অর্থাৎ—

* আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দান করা
* গরিব-অসহায়কে সাহায্য করা
* আল্লাহর পথে সম্পদ ব্যয় করা
* দানের পর খোঁটা বা অপমান না করা
* লোকদেখানো বা প্রশংসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে না দেওয়া
* হালাল উপার্জন থেকে দেওয়া
* আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে প্রতিদান আশা করা

অর্থাৎ আল্লাহর জন্য দেওয়া কোনো কিছুই আল্লাহর কাছে হারিয়ে যায় না।

“তিনি বহু গুণে বৃদ্ধি করবেন”

এখানে সবচেয়ে গভীর শিক্ষা হলো—মানুষের দৃষ্টিতে দান করলে সম্পদ কমে, কিন্তু আল্লাহর কাছে তা হারিয়ে যায় না। আল্লাহ সেটিকে নিজের পক্ষ থেকে বহুগুণে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আর একই বিষয় আরও স্পষ্টভাবে এসেছে:

“যে ব্যক্তি আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেয়, তিনি তার জন্য তা বহুগুণে বৃদ্ধি করেন।”
— সূরা আল-বাকারা, ২:২৪৫

শিক্ষা:

এই আয়াতের ভাষাটা লক্ষ্য করুন-

আল্লাহ দান চাননি শুধু; বলেছেন—“কে আমাকে ঋণ দেবে?”

অথচ আল্লাহই আমাদের মালিক। আমাদের সম্পদও মূলত তাঁর দেওয়া। তারপরও বান্দাকে এমন সম্মান দিলেন যে, বান্দার দেওয়া জিনিসকে আল্লাহ নিজের কাছে ‘ঋণ’ হিসেবে গ্রহণ করার কথা বললেন।

তাই একজন মুমিন যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দেয়, তার প্রকৃত হিসাব এমন:

তোমার হাত থেকে বের হলো → আল্লাহর কাছে জমা হলো → আল্লাহ তা বৃদ্ধি করলেন → আখিরাতে সম্মানজনক প্রতিদান।

এ কারণেই কুরআনের দৃষ্টিতে আল্লাহর জন্য ব্যয় করা ক্ষতি নয়; এটি আখিরাতের জন্য বিনিয়োগ।

আর আয়াতের শেষ শব্দ দুটো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

وَلَهُ أَجْرٌ كَرِيمٌ
“এবং তার জন্য রয়েছে সম্মানজনক পুরস্কার।”

অর্থাৎ শুধু সম্পদ বৃদ্ধি নয়—এর সঙ্গে রয়েছে أَجْرٌ كَرِيمٌ — সম্মানজনক প্রতিদান।



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

দোয়া—শয়তানের কুমন্ত্রণা ও প্ররোচনা থেকে সরাসরি আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া।وَقُلْ رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِي...
07/10/2026

দোয়া—শয়তানের কুমন্ত্রণা ও প্ররোচনা থেকে সরাসরি আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া।

وَقُلْ رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ

“আর বলুন, ‘হে আমার রব! আমি শয়তানদের কুমন্ত্রণা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।’”

— সূরা আল-মু’মিনূন, ২৩:৯৭

গভীর শিক্ষা:

এখানে আল্লাহ আমাদের শেখাচ্ছেন, শয়তানের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ হলো নিজের শক্তির ওপর ভরসা না করে আল্লাহর আশ্রয় নেওয়া।

رَبِّ — রাব্বি
“আমার রব”— যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, লালন করেন, পরিচালনা করেন এবং রক্ষা করতে সক্ষম।

أَعُوذُ بِكَ — আ‘ঊযু বিকা
“আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি।”
অর্থাৎ বিপদ শুধু বাহ্যিক নয়; মানুষের চিন্তা, ইচ্ছা, রাগ, অহংকার, সন্দেহ ও প্রবৃত্তির মধ্যেও শয়তানের প্ররোচনা আসতে পারে।

مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ — মিন হামাযাতিশ শায়াতীন
এখানে হামাযাত বলতে শয়তানের প্ররোচনা, কুমন্ত্রণা ও উসকানিকে বোঝানো হয়েছে।

আর পরের আয়াতে দোয়াটি আরও পূর্ণ হয়:

وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ ۝

“এবং হে আমার রব! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি—যেন তারা আমার কাছে উপস্থিত না হয়।”

— সূরা আল-মু’মিনূন, ২৩:৯৮

অর্থাৎ একজন মুমিন শুধু বলে না, “আমি ভুল কাজ করব না”; বরং সে আল্লাহর কাছে সাহায্য চায়, যেন ভুল কাজের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্ররোচনাই তার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।

🤲 আমল

রাগ, খারাপ চিন্তা, সন্দেহ, গুনাহের প্ররোচনা বা শয়তানের কুমন্ত্রণা অনুভব হলে এই দোয়াটি পড়তে পারেন:

رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ ۝ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ

“হে আমার রব! আমি শয়তানদের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় চাই। এবং হে আমার রব! আমি আপনার আশ্রয় চাই, যেন তারা আমার কাছে উপস্থিত না হয়।” (আমীন)

সূরা আল-মু’মিনূন ২৩:৯৭–৯৮।



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

07/10/2026

“নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাতসমূহ ও প্রস্রবণসমূহের মধ্যে।”
“তাদের রব তাদেরকে যা দিয়েছেন, তারা তা গ্রহণ করবে। নিশ্চয়ই তারা এর আগে সৎকর্মশীল ছিল।”
— সূরা আয-যারিয়াত, ৫১:১৫- ১৬



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

নিশ্চয়ই শয়তানের কৌশল দুর্বল।”— সূরা আন-নিসা, ৪:৭৬এখানে كَيْد (কাইদ) অর্থ শুধু সরাসরি আক্রমণ নয়; এর মধ্যে আছে গোপন পরিকল্...
07/10/2026

নিশ্চয়ই শয়তানের কৌশল দুর্বল।”
— সূরা আন-নিসা, ৪:৭৬

এখানে كَيْد (কাইদ) অর্থ শুধু সরাসরি আক্রমণ নয়; এর মধ্যে আছে গোপন পরিকল্পনা, ধোঁকা, প্ররোচনা, ভয় দেখানো ও মানুষকে সত্য থেকে সরানোর চেষ্টা।

আল্লাহ বলেননি যে শয়তানের চেষ্টা নেই। বরং বলেছেন তার কৌশল দুর্বল।

কারণ শয়তান মানুষকে বাধ্য করতে পারে না। সে কেবল প্ররোচিত ও প্রলুব্ধ করে।

কুরআনে কিয়ামতের দিন শয়তানের বক্তব্য এসেছে:

وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُم مِّن سُلْطَانٍ إِلَّا أَن دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي

“তোমাদের ওপর আমার কোনো কর্তৃত্ব ছিল না; আমি শুধু তোমাদের আহ্বান করেছিলাম, আর তোমরা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলে।”
— সূরা ইবরাহীম, ১৪:২২

এটাই মূল বিষয়।

শয়তান প্রস্তাব দেয় → মানুষ গ্রহণ করে।
সে বাধ্য করার ক্ষমতা রাখে না।

আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করে, তাঁর ওপর ভরসা করে এবং তাঁর নির্দেশ মেনে চলে, তার বিরুদ্ধে শয়তানের প্রভাব দুর্বল হয়ে যায়।

কুরআন আরও বলে:

إِنَّ عِبَادِي لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَانٌ

“নিশ্চয়ই আমার বান্দাদের ওপর তোমার কোনো কর্তৃত্ব নেই।”
— সূরা আল-ইসরা, ১৭:৬৫

এক লাইনের শিক্ষা--

শয়তানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র তার শক্তি নয়—মানুষের নিজের দুর্বলতা। আর আল্লাহর ওপর ঈমান, তাকওয়া ও তাঁর স্মরণ সেই দরজা বন্ধ করে দেয়।

তাই ভয় শয়তানকে নয়; ভয় নিজের অন্তরকে—যদি সে শয়তানের কথায় সাড়া দেয়।



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

“যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে তূবা এবং উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।”— সূরা আর-রা‘দ, ১৩:২৯শিক্ষা:এই আয়াতে আল্ল...
07/10/2026

“যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে তূবা এবং উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।”

— সূরা আর-রা‘দ, ১৩:২৯

শিক্ষা:

এই আয়াতে আল্লাহ সফল মানুষের পরিচয় মাত্র দুইটি বিষয়ের মাধ্যমে দিয়েছেন:

১. اٰمَنُوا — তারা ঈমান এনেছে
শুধু মুখে ঈমানের দাবি নয়; আল্লাহ, তাঁর একত্ব, তাঁর আয়াত এবং আখিরাতের প্রতি সত্য বিশ্বাস।

২. وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ — তারা সৎকর্ম করেছে
ঈমানের বাস্তব প্রমাণ হলো আমল। নামাজ, ইবাদত, মানুষের হক আদায়, সত্যবাদিতা, অন্যায় থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালো কাজ করা—সবই এর অন্তর্ভুক্ত।

তারপর আল্লাহ বলেন:

طُوْبٰى لَهُمْ — “তাদের জন্য তূবা।”
“তূবা” শব্দের অর্থ কল্যাণ, সুখ, আনন্দ ও উত্তম পরিণাম। তাফসিরে এটিকে জান্নাতের সুসংবাদ হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

وَحُسْنُ مَآبٍ — “এবং উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।”
অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত তাদের ফিরে যেতে হবে আল্লাহর কাছে, আর সেই প্রত্যাবর্তন হবে উত্তম—জান্নাত।

এক লাইনের শিক্ষা:

সত্যিকারের ঈমান → সৎকর্ম → আল্লাহর সন্তুষ্টি → উত্তম পরিণাম।

আর ঠিক আগের আয়াত ১৩:২৮-এ আল্লাহ বলেছেন:

أَلَا بِذِكْرِ اللّٰهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

“জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।”

এর পরেই ১৩:২৯ জানিয়ে দেয়—যারা ঈমানের সঙ্গে সৎকর্ম করে, তাদের জন্য দুনিয়ায় প্রশান্তি এবং আখিরাতে উত্তম প্রত্যাবর্তন।

আল্লাহুম্মাগফিরলি ইয়া রব্বাল আলামীন। আমীন।
আমীন।



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

“‘আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। আমি তাঁরই ওপর নির্ভর করি এবং তিনি মহাআরশের অধিপতি।’”— সূরা আত-তাও...
07/10/2026

“‘আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। আমি তাঁরই ওপর নির্ভর করি এবং তিনি মহাআরশের অধিপতি।’”

— সূরা আত-তাওবা, ৯:১২৯

আয়াতটির ৪টি ঘোষণা

১. حَسْبِيَ اللَّهُ — হাসবিয়াল্লাহ
“আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।”
মানুষের গ্রহণ-বর্জন আমার চূড়ান্ত আশ্রয় নির্ধারণ করে না। আল্লাহই যথেষ্ট।

২. لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ — লা ইলাহা ইল্লা হুয়া
“তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই।”
এটি তাওহীদের ঘোষণা।

৩. عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ — আলাইহি তাওয়াক্কালতু
“আমি তাঁরই ওপর নির্ভর করেছি।”
চেষ্টা আমার দায়িত্ব; ফলাফল আল্লাহর হাতে।

৪. وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ — ওয়া হুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আজীম
“তিনি মহাআরশের অধিপতি।”
অর্থাৎ সর্বময় কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহ।

❤️ অন্তরের ঘোষণা

মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিলেও—আল্লাহ যথেষ্ট।
মানুষ সাহায্য না করলেও—আল্লাহ যথেষ্ট।
পরিস্থিতি কঠিন হলেও—আল্লাহ যথেষ্ট।
কারণ আমার ইলাহ একমাত্র আল্লাহ, এবং আমি তাঁরই ওপর তাওয়াক্কুল করেছি।

এক কথায়:
“আমি একা নই। আমার রব আছেন, তিনিই যথেষ্ট, এবং আমি তাঁর ওপরই ভরসা করি।”



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন --وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ“আর অবশ্যই আমি কুরআনকে উপদে...
07/10/2026

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন --

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ

“আর অবশ্যই আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব, উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?”

— সূরা আল-কামার, ৫৪:১৭

এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো, সূরা আল-কামারে এই আয়াতটি চারবার এসেছে: ৫৪:১৭, ৫৪:২২, ৫৪:৩২ এবং ৫৪:৪০।

গভীর শিক্ষা

এই আয়াতের মধ্যে একটি শক্তিশালী আহ্বান আছে। আল্লাহ বলেননি যে কুরআন শুধু বিশেষজ্ঞদের জন্য; বরং উপদেশ গ্রহণ ও স্মরণ করার জন্য তিনি কুরআনকে সহজ করেছেন।

এখানে لِلذِّكْرِ (লিয্‌যিকর) অর্থ স্মরণ, উপদেশ গ্রহণ ও শিক্ষা গ্রহণের জন্য। আর مُدَّكِرٍ (মুদ্দাকির) অর্থ এমন ব্যক্তি, যে শুনে শিক্ষা নেয়, মনে রাখে এবং নিজের জীবনে তা কাজে লাগায়।

আয়াতের শেষ প্রশ্নটি অত্যন্ত গভীর:

فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ
“অতএব, উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?”

এখানে প্রশ্নটি কেবল “কুরআন পড়বে কে?” নয়; বরং “কুরআন থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে সংশোধন করবে কে?”

তিলাওয়াত → বোঝা → চিন্তা করা → শিক্ষা গ্রহণ → আমল করা

অর্থাৎ কুরআন আমাদের সামনে আছে—প্রশ্ন হলো, আমি কি এর থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত?

মূল শিক্ষা:
কুরআন শুধু তিলাওয়াত করার কিতাব নয়; কুরআন বুঝে উপদেশ গ্রহণ করে জীবন পরিবর্তনের কিতাব।

আল্লাহ যেন আমাদের শুধু কুরআন পাঠকারী নয়, কুরআন থেকে শিক্ষা গ্রহণকারী বানান। আমিন।



fans Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ

Address

Uttarati
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alhamdulillah- আলহামদুলিল্লাহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share