খোদা পাবি পাক পাঞ্জাতনে

খোদা পাবি পাক পাঞ্জাতনে Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from খোদা পাবি পাক পাঞ্জাতনে, Tongi.

 #কাবা শরীফে আক্রমণের ইতিহাস, উমাইয়া শাসন এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রচারণা #ভূমিকাঃসাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্য...
26/03/2026

#কাবা শরীফে আক্রমণের ইতিহাস, উমাইয়া শাসন এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রচারণা

#ভূমিকাঃ
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে একটি অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে যে, ইরান বা শিয়া মুসলমানরা নাকি ভবিষ্যতে সৌদি আরব দখল করে কাবা শরীফ ধ্বংস করবে। এই ধরনের বক্তব্য আবেগপ্রবণ ও রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হলেও ইতিহাসের দলিলসমূহ ভিন্ন বাস্তবতা তুলে ধরে।
ইসলামের ইতিহাসে কাবা শরীফে আক্রমণ ও ক্ষতিসাধনের ঘটনা ঘটেছে, এবং তা সংঘটিত হয়েছিল উমাইয়া ইসলামের শাসনামলে। এই ঘটনাগুলো অসংখ্য প্রাচীন সুন্নি ইতিহাসগ্রন্থে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ আছে।
এই প্রবন্ধে ঐতিহাসিক সূত্রের ভিত্তিতে কাবা শরীফে আক্রমণের ঘটনাগুলো আলোচনা করা হবে এবং সমসাময়িক প্রচারণার সাথে তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হবে।

১. কাবা শরীফের মর্যাদা ইসলামে
কাবা মুসলমানদের কিবলা এবং ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থান।
আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয়ই মানুষের জন্য প্রথম যে ঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা মক্কায় — বরকতময় এবং বিশ্ববাসীর জন্য হেদায়েত।”
— (সূরা আলে ইমরান ৩:৯৬)
এই ঘরের দিকে মুখ করে মুসলমানরা নামাজ পড়ে, হজ করে, এবং এটিকে আল্লাহর ঘর হিসেবে সম্মান করে।

২. প্রথম আক্রমণ — ইয়াজিদ ইবনে মুআবিয়ার শাসনামলে কাবা অবরোধ (৬৪ হিজরি)
এই ঘটনা ঘটে
Yazid ibn Muawiya এর শাসনামলে, যখন Abdullah ibn al-Zubayr মক্কায় অবস্থান করছিলেন এবং উমাইয়া শাসনের বিরোধিতা করছিলেন।
ইয়াজিদের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনী পাঠানো হয় এবং মক্কা অবরোধ করা হয়। অবরোধের সময় মঞ্জানিক ব্যবহার করা হয় এবং কাবা শরীফে আগুন ধরে যায়।

ঐতিহাসিক দলিলঃ

সুত্রঃ Tarikh al-Tabari, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৪৭৭
فَرُمِيَتِ الكعبةُ بالمجانيق فاحترقت
“কাবার দিকে মঞ্জানিক নিক্ষেপ করা হয় এবং তা দগ্ধ হয়।”

সুত্রঃ Al-Bidaya wa al-Nihaya — Ibn Kathir
খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ২৪৩
وأصاب الكعبة الحريق بسبب رميهم بالمجانيق
“মঞ্জানিক নিক্ষেপের কারণে কাবায় আগুন লাগে।”

সুত্রঃ Ansab al-Ashraf — Al-Baladhuri
খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৩৩৮
ضربوا الكعبة بالمنجنيق حتى احترقت
“তারা মঞ্জানিক দিয়ে কাবায় আঘাত করে, ফলে তা পুড়ে যায়।”

৩. দ্বিতীয় আক্রমণ — হাজ্জাজের অবরোধ (৭৩ হিজরি)
দ্বিতীয়বার কাবা আক্রমণ হয়
Abd al-Malik ibn Marwan এর সময়, যখন
Al-Hajjaj ibn Yusuf মক্কা অবরোধ করেন।

ঐতিহাসিক দলিলঃ
সুত্রঃ Tarikh al-Tabari খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ১৮৫
نصب الحجاج المجانيق على مكة ورمى الكعبة
“হাজ্জাজ মক্কার দিকে মঞ্জানিক স্থাপন করে এবং কাবার দিকে নিক্ষেপ করে।”

সুত্রঃ Al-Kamil fi al-Tarikh — Ibn al-Athir
খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫৪
رمى الكعبة بالمجانيق حتى تهدم بعضُها
“কাবার দিকে মঞ্জানিক নিক্ষেপ করা হয়, ফলে এর অংশ ভেঙে যায়।”

সুত্রঃ Al-Bidaya wa al-Nihaya খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা ৬৭।
حاصر الحجاج مكة وضرب الكعبة بالمنجنيق
“হাজ্জাজ মক্কা অবরোধ করে এবং কাবায় মঞ্জানিক নিক্ষেপ করে।”

৪. ঐতিহাসিক বিশ্লেষণঃ
ঐতিহাসিক সূত্রগুলো থেকে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট:
কাবা শরীফে আক্রমণ শিয়া শাসনামলে সময় হয়নি বরং ঘটনাগুলো ঘটেছে উমাইয়াদের শাসনামলে ।
ধর্মীয় বিধানকে পদতলে পিষ্ট করে ক্ষমতার লড়াই পবিত্র স্থানও তাদের হাতে রক্ষা পারেনি।
আর ঐতিহাসিক উমাইয়া ইসলাম যা মহানবীর সাঃ আনীত বিশুদ্ধ ইসলামের বিরুদ্ধে কারবালায় দাঁড়িয়ে ছিল আজও সেই ইয়াজিদ ইসলাম বিশ্বের বড়ো শয়তান আমেরিকার পতাকা তলে দাঁড়িয়েছে।
অতএব তারা তাদের মিথ্যা প্রোপাগান্ডায় নিজেরাই জর্জরিত।
ঘটনাগুলো সুন্নি ইতিহাসবিদরাই লিখেছেন

৫. সমসাময়িক প্রচারণা ও বাস্তবতাঃ
আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলা হচ্ছে —
* ইরান কাবা ধ্বংস করবে
* শিয়ারা মক্কা দখল করবে
* কাবা নিরাপদ নয়

কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করে—
* কাবা আক্রমণ করেছিল আমেরিকান তাঁবেদার শাসকরাই
* রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য পবিত্র স্থানও রক্ষা পায়নি
* ইয়াজিদী ইসলামের কুকর্ম গুলো আজ অন্যের উপর চাপানো হচ্ছে
* অতএব ইতিহাসের ইয়াজিদী ইসলাম আর বর্তমান যুগের আমেরিকান ইসলাম অভিন্ন ও একই ধারা।

৬. উপসংহারঃ
কাবা শরীফে আক্রমণের ঘটনা ইতিহাসে প্রমাণিত, এবং তা ঘটেছে উমাইয়া যুগের ইয়াজিদি ইসলামের শাসনামলে।

এ ঘটনা বহু প্রাচীন গ্রন্থে উল্লেখ আছে, যেমন:
* Tarikh al-Tabari
* Al-Bidaya wa al-Nihaya
* Ansab al-Ashraf
* Al-Kamil fi al-Tarikh

অতএব সমসাময়িক প্রচারণা বিশ্লেষণ করার সময় ইতিহাসের দলিলকে সামনে রাখা জরুরি।

ইতিহাস জানলে বিভ্রান্তি কমে, আর সত্য স্পষ্ট হয়।

হযরত মাওলা  #আলী আলাইহিসসালামের গুণ কীর্তন করতে গিয়ে হযরত শামস তাবারীজ (রহ:)  বলেছিলেন -"আদম (আ:) বা সাফা তুহ,ইউসুফ (আ:...
16/03/2026

হযরত মাওলা #আলী আলাইহিসসালামের গুণ কীর্তন করতে গিয়ে হযরত শামস তাবারীজ (রহ:) বলেছিলেন -

"আদম (আ:) বা সাফা তুহ,
ইউসুফ (আ:) মাহ লাকা তুহ,
খিজীর (আ:)এ রাহে খোদা তুহ,
দাম হামা দাম আলী (আ:) আলী আলাইহিসালাম। "
#অর্থাৎ
"আদম (আ:) এর বিশুদ্ধতা আপনি হতে,
ইউসুফ (আ:) এর সৌন্দর্যও আপনি হতে।
হযরত খিজীর (আ:) এর পথ প্রদর্শক আপনি, পরমানন্দে আমার সত্তা কেঁদে উঠে বলে আলী (আঃ) আলী আলাইহিসালাম। "

- শামস তাব্রীজ (রহ:)।

আল্লাহুম্মা লা'আন কাতালাতাল আমিরুল মুমিনীন  #আলী ইবনে আবি তালিব আলাইহিসালাম।
10/03/2026

আল্লাহুম্মা লা'আন কাতালাতাল আমিরুল মুমিনীন #আলী ইবনে আবি তালিব আলাইহিসালাম।

"-ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন-"আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী হোসেইনী খামেনেয়ী রহঃ (১৯৩৯-২০২৬) শাহাদাত বরণ করেছেন।আপ...
01/03/2026

"-ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন-"

আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী হোসেইনী খামেনেয়ী রহঃ (১৯৩৯-২০২৬) শাহাদাত বরণ করেছেন।

আপনার প্রতি সালাম হে, রাসূলের (সা:) সন্তান!

আপনার প্রতি সালাম হে, আলীর (আঃ)সন্তান!

আপনার প্রতি সালাম হে বেলায়াতের সন্তান!

আপনার প্রতি সালাম হে, ইমামতের সন্তান!

আপনার প্রতি সালাম, হে কারবালার সন্তান!

আপনার প্রতি সালাম হে, তৃষ্ণার্ত মজলুমদের সন্তান!

আপনার প্রতি সালাম হে, অসহায় বন্ধিদের সন্তান।

আপনার প্রতি সালাম হে, আযাদারে হুসাইন (আঃ)!

হে প্রিয়তম, তোমার বিচ্ছেদের দহন আমার অন্তরে অবিরাম জ্বলছে। এ যেন এমন এক আগুন, যা নিভে না, শুধু ছড়িয়ে পড়ে শিরা-উপশিরায়। চারদিকে মানুষ আছে, শব্দ আছে, আলো আছে; তবু আমার ভেতরটা শুধু শূন্য, শুধু তোমার অনুপস্থিতির দীর্ঘ ছায়া।কীভাবে সহ্য করি এই বিরহ!
হে সুগন্ধি ফুল, প্রশান্ত হৃদয়ে ফিরে যান আপনার রবের সান্নিধ্যে;যিনি আপনাকে বেছে নিয়েছেন ভালোবাসার মর্যাদায়, শাহাদাতের সৌরভে।

 #খায়বার বিজয় হযরত  #আলী আলাইহিসালাম এর অনন্য বীরত্বের ভাস্বরসপ্তম হিজরির ২৪ রজব ইসলামের ইতিহাসের প্রবাদ-পুরুষ ও মহাসমরন...
28/02/2026

#খায়বার বিজয় হযরত #আলী আলাইহিসালাম এর অনন্য বীরত্বের ভাস্বর

সপ্তম হিজরির ২৪ রজব ইসলামের ইতিহাসের প্রবাদ-পুরুষ ও মহাসমরনায়ক আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (আঃ) জয় করেছিলেন ইহুদি অধ্যুষিত খায়বার অঞ্চল। খায়বারের অবস্থান ছিল মদীনা থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে দামেস্কগামী সড়কের কাছে। শেরে খোদা বা আল্লাহর সিংহ নামে খ্যাত হযরত আলী (আঃ) একাই জয় করেন এই খায়বার।

ভয়ঙ্কর যোদ্ধা হিসেবে খ্যাত ইহুদি সেনাপতি মারহাব ও আন্তারকে মল্লযুদ্ধে হারিয়ে এই বিজয়ের সূচনা করেছিলেন মহাবীর ইমাম আলী (আঃ)। আল্লাহর সিংহ একাই নিজ হাতে খায়বার দূর্গের বিশাল দরজাটিকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলেছিলেন। অথচ পরে ৮ জন শক্তিশালী মুসলিম যোদ্ধা একইসঙ্গে শক্তি খাটিয়ে তা ওঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এই দরজা বা তোরণ খোলা ও বন্ধের কাজে দরকার হতো বেশ কয়েক জন শক্তিশালী প্রহরীর শক্তিমত্তা। ঐতিহাসিক ইয়াকুবী বলেছেন, খাইবারের দরজা পাথরের তৈরি ছিল, যার দৈর্ঘ্য চার মিটারের একটু বেশি এবং প্রস্থ দু’মিটারের বেশি ছিল।

ইহুদিদের ষড়যন্ত্র ও বিদ্রোহের কথা জানতে পেরে নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। ইসলামের বিরুদ্ধে সার্বক্ষণিক ষড়যন্ত্রে নিয়োজিত ইহুদিরা মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে মূর্তি পূজারি আরবদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লেলিয়ে দেয়ার জন্য উস্কানি দিয়ে আসছিল। তারা মদীনায় হামলার জন্য মূর্তি পূজারিদেরকে অর্থ দিচ্ছিল।

নবী (সাঃ)’র নির্দেশে দশ হাজার সশস্ত্র ইহুদিকে মোকাবেলার জন্য ১৫০০ মুসলিম মুজাহিদ আকস্মিকভাবে খায়বার অঞ্চলে হাজির হয়। কয়েকটি ইহুদি গোত্রের নেতৃবৃন্দ বশ্যতা স্বীকার করে। অবশ্য ইহুদিদের কোনো কোনো দূর্গ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফলে ইসলামী সেনারা ওই দূর্গগুলো অবরোধ করে। কয়েক সপ্তাহ’র অবরোধের ফলে প্রায় সবগুলো দূর্গের ইহুদিরা আত্মসমর্পণ করে। কিন্তু ইহুদিদের প্রধান দূর্গ কামুস প্রতিরোধ অব্যাহত রাখে। এমনকি এই দূর্গের ইহুদিরা রাসূল (সাঃ)’র সাহাবিদের অভিযানগুলোকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় মুসলিম বাহিনী।

অবশেষে নবী (সাঃ) মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্বের ভার অর্পণ করেন মহাবীর আলী (আঃ)’র হাতে। এ সম্পর্কে তিনি আগের দিন বলেছিলেন: আগামীকাল আমি এমন একজনের হাতে (মুসলিম বাহিনীর) সেনাপতিত্ব অর্পণ করব যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলও তাঁকে ভালোবাসেন, সে এমন এক নির্ভীক হামলাকারী যে কখনও পিছু হটে না। পরের দিন ভোরে রাসূল (সাঃ) “নাদ-ই আলীইয়ান মাজহার আল আজাইব” শীর্ষক প্রার্থনা করেন। এ দোয়ায় আলী (আঃ)-কে ‘বিস্ময়রাজির প্রকাশ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

হযরত আলী (আঃ) চোখের অসুস্থতার কারণে এই অভিযানে তখনও যোগ দিতে পারেননি। নবী (সাঃ) তাঁর মুবারক জিহ্বার পানি বা লালা প্রিয় চাচাতো ভাই ও জামাতার চোখে লাগিয়ে দিলে সুস্থ হয়ে যায় সেই দুই মুবারকময় চোখ। এর পরের অলৌকিক বীরত্বপূর্ণ ঘটনা ইতিহাস হয়ে আছে। নবী (সাঃ) আত্মসমর্পণকারী ইহুদিদের শান্তিতে বসবাসের অনুমতি দেন।

এই অভিযানের আগে নবী (সাঃ) ব্যক্তিগত উপহার হিসেবে লাভ করেছিলেন ‘ফাদাক’ নামক বাগান। এই ফাদাক অর্জনের জন্য মুসলমানদেরকে কোনো যুদ্ধ করতে হয়নি। তিনি আল্লাহর নির্দেশে ফাদাক দান করেন হযরত ফাতিমা (আঃ)-কে। নবী-নন্দিনী এই বাগানের আয় দিয়ে দরিদ্র ও অভাবগ্রস্তদের সহায়তা করতেন। কিন্তু রাসূল (সাঃ)’র ইন্তেকালের পর এই ফাদাকের বাগান কেড়ে নেয়া হয়েছিল তাঁর কাছ থেকে। অবশ্য দ্বিতীয় ওমরের শাসনামলে ফাদাক ফিরিয়ে দেয়া হয় নবী (সাঃ)’র পবিত্র আহলে বাইত বা নবী বংশের পবিত্র সদস্যদের কাছে, এরপর আবারও ফাদাক কেঁড়ে নেয়া হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমিরুল মু'মিনিন হযরত আলী (আঃ)’র ঐতিহাসিক খায়বার বিজয়কে স্মরণ করে বিশ্বের মুসলমানদের জাগিয়ে তোলার জন্য তার এক অমর ইসলামী গানে লিখেছিলেন:

খয়বর-জয়ী আলী হায়দর, জাগো জাগো আরবার!
দাও দুশমন-দুর্গ-বিদারী দ্বিধারী জুলফিকার।।
এস শেরে-খোদা ফিরিয়া আরবে
ডাকে মুসলিম 'ইয়া আলী' 'ইয়া আলী' রবে;
হায়দরি-হাঁকে তন্দ্রা-মগনে করো করো হুঁশিয়ার।।
আল্ বোর্জের চূড়া গুঁড়া-করা গোর্জ আবার হানো;
বেহেশতি সাকি, মৃত এ জাতিরে আবে-কওসর দানো।
আজি বিশ্ব-বিজয়ী জাতি যে বেঁহুশ,
দাও তারে নব কুয়ত ও জোশ্;
এস নিরাশার মরু-ধূলি উড়ায়ে দুল্দুল্-আস্ওয়ার।

উমাইয়া শাসক ওমর ইবনে আবদুল আজিজ বা দ্বিতীয় ওমর ১০১ হিজরির ২৪ রজব নিহত হয়েছিলেন। তার খাবারের মধ্যে বিষ মিশিয়ে দেয়া হয়েছিল।
তিন বছরের শাসনামলে দ্বিতীয় ওমর তার পূর্বসূরিদের বেশ কিছু জুলুম ও কুপ্রথার অবসান ঘটান। যেমন, খলিফা হয়েই ওমর জুমার নামাজে হযরত আলী (আঃ) এবং তাঁর পবিত্র বংশধরদের বিরুদ্ধে তথা নবী (সাঃ)’র পবিত্র আহলে বাইত বা নবী-বংশের বিরুদ্ধে গালি ও অভিশাপ দেয়ার কুপ্রথাটি তুলে দেয়ার নির্দেশ দেন।

এই জঘন্য কুপ্রথা চালু করেছিল মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান। এই কুপ্রথার মাধ্যমে মুয়াবিয়া নবী (সাঃ)’র পবিত্র আহলে বাইতের মর্যাদা ও তাঁদের নেতৃত্বের অধিকার সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান নও-মুসলিমদেরকে অজ্ঞতার আঁধারে নিমজ্জিত রাখতে চেয়েছিল।

এ ছাড়াও দ্বিতীয় ওমর ফাদাক ফিরিয়ে দেন নবী (সাঃ)’র পবিত্র আহলে বাইত বা নবী বংশের নিষ্পাপ সদস্যদের কাছে। এ সময় ফাদাকের আয় বেড়ে ৪০ হাজার দিনারে উন্নীত হয়েছিল। এ ছাড়াও দ্বিতীয় ওমর নিষিদ্ধ করেন মদপান, প্রকাশ্য নগ্নতা ও গোসলখানায় নারী-পুরুষের সম্মিলিত গোসলের প্রথা। ইসলামে এইসব তৎপরতা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো চালু করেছিল খোদাদ্রোহী উমাইয়া শাসকরা।

আরেক খোদাদ্রোহী উমাইয়া শাসক ইয়াজিদ ইবনে আবদুল মালিক দ্বিতীয় ওমরকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করেছিল। সে আবারও উমাইয়াদের প্রবর্তিত কুপ্রথাগুলো চালু করে এবং দখল করে ফাদাক।
পাক্ষিক ফজর।

প্রথম খলিফা আবু বকর যখন খেলাফতে অধিষ্ঠিত হলেন তখন আবু সুফিয়ান মাওলা  #আলী আলাইহিসালাম কে বললেন কি ব্যপার, কুরাইশ এর এক ব...
26/02/2026

প্রথম খলিফা আবু বকর যখন খেলাফতে অধিষ্ঠিত হলেন তখন আবু সুফিয়ান মাওলা #আলী আলাইহিসালাম কে বললেন কি ব্যপার, কুরাইশ এর এক ব্যক্তি আপনার উপর জয়ী হয়ে গেল? হাত বাড়িয়ে দিন, আপনার বায়াত নিই, খোদার কসম, আপনি রাজী হলে মদিনার জমিন ঘোড় সাওয়ার ও পদাতিক বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলি। মওলা আলী (আঃ) আবু সুফিয়ানের উস্কানি বুঝতে পেরে বললেন- হে আবু সুফিয়ান তোমার ফেতনা ফাসাদ এর অভ্যাসটা বুঝি এখনও গেল না? খবরদার এখান থেকে চলে যাও আর কোন দিন এই রকম প্রস্তাব নিয়ে আসবে না। (ইবনে আসীর, রাউফল হেজাব)

হযরত আলী (আঃ) খলিফা হবার পর একমাত্র মুয়াবিয়ার শাসনাধীন শ্যাম প্রদেশ ব্যতিত সকলেই মওলা আলী (আঃ)-কে খলিফা হিসেবে মেনে নেন।

মওলা আলীর হাতে বাইয়াত করা তো দুরের কথা পুনঃ পুনঃ দূত পাঠিয়েও মুয়াবিয়াকে সৎ পথে আনতে ব্যর্থ হয়ে মওলা আলী মুয়াবিয়ার পরিবর্তে সালাহ ইবনে হানিফ কে গভর্নর করে পাঠালেন । কিন্তু মুয়াবিয়া তাকে দামেস্কে ঢুকতে দেন নি। দীর্ঘ দিন পর ৩৬ হিজরি তে সফর মাসে মুয়াবিয়া দূতের মাধ্যমে মওলা আলীর কাছে একটা খাম পাঠালেন। খলিফা খাম টা খুলে দেখলেন তাতে কিছুই নেই। এই রকম বেয়াদবি ও ঠাট্টা করার মানে কি জিজ্ঞেস করা হলে দূত বলেন ষাট হাজার সৈন্য আপনার ঘাড়ের রগ হতে ওসমান রাঃ হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত। (আল বিদায়া ওয়ান নেহায়া ৭ম খণ্ড। ইবনুল আসীর ৩য় খণ্ড)

পঁচিশজন সাহাবীর সূত্রে প্রায় সকল হাদিস গ্রন্থে বর্নিত হয়েছে, রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন- হায় ! হায় ! সত্যত্যাগী একদল বিদ্রোহী আম্মারকে হত্যা করবে । আম্মার তাদেরকে জান্নাতের দিকে আহবান করবে তারা আম্মারকে জাহান্নামের দিকে ডাকবে। তার হত্যাকারী এবং যারা তার অস্ত্র ও পরিচ্ছেদ খুলে ফেলবে তারা জাহান্নামের অধিবাসী। (১. বুখারী, ৮খন্ড, পৃষ্ঠা-১৮৫-১৮৬ । ২. তিরমিজি, ৫ খন্ড, পৃ. ৬৬৯ । ৩. মুসনাদে হাম্বল, ২খন্ড, পৃ. ১৬১,১৬৪,২৬৪; ৩খন্ড, পৃ. ৫,২২,২৮; ৪খন্ড, পৃ. ১৯৭,১৯৯; ৫খন্ড, পৃ. ২১৫,৩০৬; ৬খন্ড, পৃ. ২৮৯,৩০০) ।

এই হাদিসটির সততা ও সঠিকতা সম্পর্কে প্রায় সকল হাদিসবেত্তা ও ঐতিহাসিকগণ একমত পোষণ করেন। আসকালানী, ইবনে হাজর, আল্লামা সূয়্যূতি লিখেছেন যে, এই হাদিসটির বর্ননা অত্যন্ত মুতাওয়াছির (অর্থাত হাদিসটি এত বেশি লোক দ্বারা বর্ণিত যে, এতে কোন প্রকার সন্দেহ থাকার অবকাশ নাই) সিফফিনের যুদ্ধে মুয়াবিয়ার নেতৃত্বাধিন বাহিনী হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ)-কে শহীদ করে দেন ।

নবী পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম হযরত  #আলী আলাইহিসালাম কে বলেন,يا عليّ أنت سيّد في الدّنيا و سيّد في ال...
23/02/2026

নবী পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম হযরত #আলী আলাইহিসালাম কে বলেন,

يا عليّ أنت سيّد في الدّنيا و سيّد في الآخرة,حبيبك حبِيبِي و حبيبِي حبيب الله و عدوّك عدوّي و عدوّي عدوّ الله و الويل لمن أبغضك بعدي

“হে আলী! তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে নেতা, তোমার বন্ধু আমার বন্ধু এবং আমার বন্ধু আল্লাহর বন্ধু। তোমার শত্রু আমার শত্রু এবং আমার শত্রু আল্লাহর শত্রু। ধ্বংস সেই ব্যক্তির জন্য যে আমার পর তোমার সঙ্গে শত্রুতা করবে।”

হাকিম তাঁর ‘মুসতাদরাক’ গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ১২৮ পৃষ্ঠায় হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুসারে হাদীসটি সহীহ বলেছেন।

 #জ্ঞানী_লোকের_চিহ্নপৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষ নিজেকে অন্যের চাইতে বেশী বুদ্ধিমান মনে করে। এমনকি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার...
31/01/2026

#জ্ঞানী_লোকের_চিহ্ন

পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষ নিজেকে অন্যের চাইতে বেশী বুদ্ধিমান মনে করে। এমনকি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসারত কোন মানসিক প্রতিবন্ধীও নিজের সম্পর্কে ‘বেআক্কেল’ শব্দটি শুনতে প্রস্তত নয় এবং নিজেকে জ্ঞানী প্রমাণের জন্য নিত্য নতুন কর্মকান্ডে লিপ্ত হয় এবং জ্ঞানের প্রকাশ ঘটাতে থাকে।

কিন্তু মানুষের জ্ঞানবুদ্ধি পরিমাপের প্রকৃত মাপকাঠি কি? আসলে জ্ঞান পরিমাপ করা খুবই কঠিন। কোন ব্যক্তি ধনসম্পদ ও নিজের প্রত্যেক কাজকে তার উন্নততর জ্ঞানের ফসল বলে মনে করে আবার কেউ আত্মঅহমিকা এবং অন্যের উপর জুলুম অত্যাচার করাকে জ্ঞান ও বিচক্ষণতার দলিল ভাবেন। কারো নিকট বাকপটুতা জ্ঞান ও বুদ্ধির পরিচায়ক আবার কেউ নিজের পছন্দনীয় কাজকেই জ্ঞানের মানদন্ড ভাবেন।

ইসলাম ধর্ম মানুষের জ্ঞানের বিভিন্ন মাপকাঠি উল্লেখ করেছে এবং এর উপরই জ্ঞানকে যাচাই বাছাই করার নির্দেশ দিয়েছে। এমনই একটি মাপকাঠি হলো কথোপকথন যার কষ্টিপাথরে খুব সহজেই জ্ঞান নিরূপণ করা যায়। এ পন্থায় কোন প্রকার ঝুট ঝামেলা নেই আর না-ই কোন জটিলতা। খুব সহজেই যেমন জ্ঞান ও প্রজ্ঞা সম্পর্কে আন্দাজ করা যায় তেমনি বুঝা যায় অজ্ঞতা ও নির্বুদ্ধিতা সম্পর্কেও।
আমীরুল মুমিনীন (আঃ) এরশাদ করেন, “কথাবার্তা হলো অজ্ঞতা এবং জ্ঞান পরিমাপের মানদন্ড। যদি কেউ অসংলগ্ন ও আজেবাজে কথা বলে সেটা হবে তার অজ্ঞতার আলামত আর যদি কেউ মার্জিত ও মূল্যবান কথা বলে তা হবে বুদ্ধিমানের পরিচায়ক।
এ ক্ষেত্রেও যদি কথার দৃঢ়তা বা বাকপটুতাকেই জ্ঞানের মাপকাঠি হিসেবে নির্ধারণ করা হত তাহলে কোন ব্যক্তিই তার কথাকে অসৃজনশীল মানতে প্রস'ত হতো না বরং অত্যন্ত জঘন্য কথাবার্তাকেও অপব্যাখ্যা করে এবং তার গুরুত্বের কথা বলে সেটাকেই ভাষার সৃজনশীলতা ও গাম্ভীর্য হিসেবে আখ্যায়িত করতে সদা প্রস্তত থাকতো। বিশেষ করে বর্তমান যুগে তো নোংরা ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, হাসি ঠাট্টা এবং নোংরা কৌতুকই ভাষার সৃজনশীলতা ও মর্যাদার মানদন্ড।
অপরদিকে নীরব নিশ্চুপ থাকা সবচেয়ে বড় নির্বুদ্ধিতা ও অজ্ঞতার আলামত। কিন্তু পবিত্র ইসলামের দৃষ্টিতে জ্ঞানের মানদন্ড এর সম্পূর্ণ বিপরীত।
রাসুল (সাঃ) এরশাদ করেন, “জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য জরুরী হলো সে তার যুগের অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে ওয়াকিবহাল থাকবে এবং নিজের কাজের সাথে সম্পর্ক রাখবে এবং নিজের মুখের হেফাজত করবে।”

উল্লিখিত হাদীসে জ্ঞানী ব্যক্তির তিনটি দায়িত্ব উল্লেখ করা হয়েছে। নিজ যুগের অবস্থা সম্পর্কে অবহিত থাকা, নিজের কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান হওয়া এবং মুখের বা কথার হেফাজত করা। অর্থাৎ, ইসলাম ধর্মে চাটুকারিতা, বাজে কথাবার্তা, কৌতুক করা এবং অনবরত কথা বলা জ্ঞানের আলামত নয় বরং মুখের কথা হেফাজত করা এবং নিয়ন্ত্রণে রাখাই হচ্ছে জ্ঞানের পরিচয় এবং এর জন্য স্থান কালের কোন সীমাবদ্ধতা নেই। কখনো কখনো নীরবতা বড় বড় বক্তৃতার চেয়ে উত্তম প্রতীয়মান হয় এবং প্রত্যেক মানুষ একেই প্রজ্ঞা বলে বিবেচিত করে। বিশেষ করে শত্রুদের মাঝে অথবা নীচ ব্যক্তিদের মাঝে মুখ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং এর হেফাজত করাই হলো উত্তম অস্ত্র এবং তাদের জন্য উত্তম জবাব হয়ে থাকে।

সুতরাং মুখ বা জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ করার পর জ্ঞানী ব্যক্তি যখন মুখ খোলে, তখন সে আজে বাজে ও বেহুদা কথাবার্তা থেকে বিরত থাকে এবং চিন্তা ভাবনা করে কথা বলে।
হযরত আলী (আঃ) এরশাদ করেন, “নির্বোধের মন তার জিহ্বায় বা মুখে থাকে।”
অর্থাৎ, তাদের জিহ্বাই হলো সব কিছু এবং চিন্তা ভাবনা না করেই তা চলতে থাকে। কিন্তু জ্ঞানী ব্যক্তির জিহ্বা থাকে তার মনে অর্থাৎ, জ্ঞানী ব্যক্তির প্রতিটি বাক্য মন বা হৃদয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং তা হয় চিন্তা ভাবনা প্রসূত। হযরত ইমাম মোহাম্মাদ বাকের (আঃ) এরশাদ করেন, “মানুষের জ্ঞান অথবা তার সংক্ষিপ্ত সার হলো তার জিহ্বা এবং তার পরিপূর্ণ অস্ত্বিত্বের পরিমাপ করা যায় এই জিহ্বার দ্বারা।
এ কারণে হযরত আলী (আঃ) এরশাদ করেন, “মানুষ তার জিহ্বার নীচে লুক্কায়িত। যতক্ষণ সে নীরব থাকে সকল গোপন কথা গোপন থাকে। জিহ্বা যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তখন তার গোপনীয়তা ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে থাকে এবং তার স্বরূপ উন্মোচিত হয়ে যায়।
রাসুল (সাঃ) জিহ্বার হেফাজতের প্রতি মনযোগ আকর্ষণ করে এরশাদ করেন যে, “যে ব্যক্তি নিজের জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে এবং জিহ্বা তার আয়ত্তে থাকবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনও ঐ ব্যক্তির দোষত্রুটি গোপন রাখবেন আর জিহ্বা যদি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়, তাহলে আল্লাহও ঐ ব্যক্তির দোষ ত্রুটির উপর থেকে পর্দা সরিয়ে দেবেন।”

সুতরাং প্রত্যেক মানুষকে তার কথাবার্তা নিয়ন্ত্রণে রাখা একান্ত জরুরী এবং এ সত্যতা মনের মধ্যে গেঁথে নেয়া উচিত যে, নিজের জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখাই হলো জ্ঞান ও প্রজ্ঞার পরিচায়ক। আর এটাই ইহকাল ও পরকালের শান্তির মাধ্যম।

কেননা, হযরত ইমাম জাওয়াদ (আঃ) এরশাদ করেন, “অজ্ঞ ও নির্বোধ ব্যক্তি তার জিহ্বায় বন্দী থাকে এবং এরই ফাঁদে জড়িয়ে থাকে এবং এর থেকে বেরিয়ে আসা খুবই কঠিন।”
অজ্ঞতা যত বাড়তে থাকবে বন্দীত্বের বৃত্ত ততই সংকুচিত হতে থাকবে। যদি কেউ উচ্চ শিক্ষিত হোক না কেন সে যদি জিহ্বার বন্দীত্বে আবদ্ধ থাকে তাহলে উক্ত হাদীসের আলোকে সে অজ্ঞ ও মুর্খ। এবং এই বন্দীদশা থেকে বেরিয়ে আসার একটি মাত্র উপায় হলো যে, মানুষ ঐ জ্ঞান অর্জন করবে যে জ্ঞান তাকে জিহ্বার বন্দীত্ব থেকে মুক্ত করে এবং জিহ্বা তার নিয়ন্ত্রণে এবং আয়ত্বে এসে যায়।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে জিহ্বার বন্দীশালা থেকে মুক্ত করে তার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার তৌফিক দেন। আমিন।

মূল : সৈয়দ কোমাইল আসগর জায়দী
অনুবাদ : মোঃ ইকবাল

হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম  #রজব মাসের শুরু থেকেই নিম্নোক্ত দোয়া বেশি বে...
01/01/2026

হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম #রজব মাসের শুরু থেকেই নিম্নোক্ত দোয়া বেশি বেশি করতেনঃ

اَللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ

#উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শা’বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।’

#অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান মাস পর্যন্ত (হায়াত দিন) পৌঁছে দিন।’
(তাবারানি: ৩৯৩৯)

রজব ও শাবান মাস পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তাস্বরূপ। অত্যধিক ফজিলত ও মর্যাদার কারণে রজব ও শাবান মাসজুড়ে প্রিয় নবি সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া বেশি বেশি পড়তেন।

রাসুল পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক নবীরই একজন উত্তরসুরী থাকে, আর আমার উত্তরসুরী হচ্ছে, ...
26/12/2025

রাসুল পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক নবীরই একজন উত্তরসুরী থাকে, আর আমার উত্তরসুরী হচ্ছে, #আলী ইবনে আবু তালিব। 🥰

#সুত্রঃ আরজাহুল মাতালেব, পৃঃ-৪৬, তারিখে বাগদাদ, খঃ-১১, পৃঃ-১৭৩, মুয়াদ্দাতুল কুরবা, পৃঃ-৫০, কানজুল উম্মাল, খঃ-৬, পৃঃ-১৫৮, ইয়ানাবীউল মুয়াদ্দাত, পৃঃ-১৩৩, তারিখে ইবনে আশাকীর শাফায়ী, খঃ-৩, পৃঃ-৫, শাওয়াহেদুত তানজিল, খঃ-২, পৃঃ-২২৩।

হযরত আবু হুরাইরা, হযরত সালমান ফারসী থেকে বর্ণনা করেছেন, হযরত সালমান ফারসী বলেন, "ইয়া রাসুল পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ্‌ যে নবীকেই প্রেরন করেছেন, তাঁকেই বলে দিয়েছেন যে, কে তাঁর উত্তরসুরী হবে। তবে কি আল্লাহ্‌ আপনাকেও বলেছেন যে, কে আপনার উত্তরসুরী হবে ?

নবী করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম বললেন, 'আমার উত্তরসুরী, #আলী ইবন আবু তালিব হবে।' 💞

#সুত্রঃ শারহে বোখারী ইবনে হাজার আসকালানী, খঃ ১৮, পৃঃ-১০৫।

নবী পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হে  #আম্মার, যদি দেখতে পাও যে  #আলী এক পথে চলছে আর লোকেরা  #অন...
23/12/2025

নবী পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হে #আম্মার, যদি দেখতে পাও যে #আলী এক পথে চলছে আর লোকেরা #অন্যপথে, তাহলে তুমি #আলীর পথে চলবে এবং লোকদের ত্যাগ করবে। কারণ আলী কখনো তোমাকে বক্রপথে পরিচালিত করবে না এবং #হেদায়েতের পথ থেকে বাহিরে নিয়ে যাবে না।”

তারীখে বাগদাদ, খণ্ড-১৩, পৃ-১৮৭ ; কানযুল উম্মাল, খণ্ড-১১, পৃ-৬১৩।

 #শীতকাল হচ্ছে মুমিনের জন্য  #ইবাদতের_বসন্তকাল!শীতকাল হচ্ছে মুমিনের জন্য ইবাদতের বসন্তকাল! কেননা এ সময়ে দিনগুলো তুলনামূল...
21/12/2025

#শীতকাল হচ্ছে মুমিনের জন্য #ইবাদতের_বসন্তকাল!

শীতকাল হচ্ছে মুমিনের জন্য ইবাদতের বসন্তকাল! কেননা এ সময়ে দিনগুলো তুলনামূলক ছোট থাকায় সে রোজা রাখতে পারে এবং রাতগুলো দীর্ঘ হওয়ায় পর্যাপ্ত ঘুমিয়েও অর্ধ-রজনীতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে পারে।

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেন,

الشِّتاءُ رَبِيعُ المُؤمِنِ، يَطُولُ فيهِ لَيلُهُ فَيَستَعِينُ بهِ على قِيامِهِ، ويَقصُرُ فيهِ نَهارُهُ فَيَستَعِينُ بهِ على صِيامِهِ.

শীতকাল মুমিনের বসন্ত; (কেননা) এ সময়ের রাত দীর্ঘ হয় এবং সে (মুমিন) মধ্যরাতের ইবাদতের জন্য তা (দীর্ঘ রাত) থেকে সাহায্য নেয় এবং তার দিনগুলো ছোট হয় এবং সে (মুমিন) রোজা রাখার জন্য এটি থেকে সাহায্য চায় (অর্থাৎ ছোট দিনগুলোকে রোজা রাখার বেছে নেয়)।

[মা’য়ানিল আখবার, খন্ড- ১, পৃষ্ঠা- ২২৮]

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের মু'মিন মুসলমানদের দলে অন্তর্ভুক্ত করুক এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া আলীহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর পবিত্র আহলে বায়াতের (আ.) নির্দেশিত পথে অবিচল রাখুক।

Address

Tongi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খোদা পাবি পাক পাঞ্জাতনে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to খোদা পাবি পাক পাঞ্জাতনে:

Share