গেছুদারাজ হযরত আসগর আলী শাহ পাগলা রহ মাজার শরীফ, টংগী গাজীপুর

  • Home
  • Bangladesh
  • Tongi
  • গেছুদারাজ হযরত আসগর আলী শাহ পাগলা রহ মাজার শরীফ, টংগী গাজীপুর

গেছুদারাজ হযরত আসগর আলী শাহ পাগলা রহ মাজার শরীফ, টংগী গাজীপুর অত্র মাজার শরীফ ওহাবী দখলকৃত হযরত হাজ?

বাতিলদের দখলকৃত দুনিয়ার একমাত্র অবহেলিত ও নিপীড়িত টংগীর কথিত বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সংলগ্ন ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হযরত হাজী সৈয়দ...
30/11/2023

বাতিলদের দখলকৃত দুনিয়ার একমাত্র অবহেলিত ও নিপীড়িত টংগীর কথিত বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সংলগ্ন ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হযরত হাজী সৈয়দ শাহ বাগদাদী (রহ:)'র আশেকান ও
শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ হযরত শাহপীর কল্লাহ শহীদ (রহ:)'র দরবার শরীফের খাদেম

পাগল হযরত আজগর আলী শাহ (রহ:)'র বার্ষিক ৩১ তম ওরস শরীফ পালিত হবে আগামীকাল ১লা ডিসেম্বর ২০২৩ ইং ১৬ ই অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বাং রোজ শুক্রবার।।। উক্ত ওরস শরীফ সফলভাবে উৎযাপন করতে ঢাকা ও গাজীপুরের আশেপাশের তরিকত পন্থী ভাই/বোনদের উপস্থিতি কামনা করছি।।।

 #একটি_ঘোষণা! আসসালামু আলাইকুম, জয় আহলে বায়াত (আঃ)। আজগেছুদারাজ হযরত শাহ পীর কেল্লা শহীদ (রহঃ) দরবার শরীফের বড় খাদেম ও ব...
30/11/2020

#একটি_ঘোষণা!

আসসালামু আলাইকুম, জয় আহলে বায়াত (আঃ)।

আজ

গেছুদারাজ হযরত শাহ পীর কেল্লা শহীদ (রহঃ) দরবার শরীফের বড় খাদেম ও বাতিলদের দখলকৃত কথিত বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সংলগ্ন, পৃথিবীর একমাত্র অবহেলিত ও নির্যাতিত ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম
হযরত সৈয়দ শাহ বাগদাদী (হাজী বাবা) রহঃ'র আশেকান পাগলা,
👉গেছুদারাজ হযরত আসগর আলী শাহ (রহঃ)'র লোকান্তর দিবস উপলক্ষে ২৮তম বার্ষিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে #ইনশাআল্লাহ। 👈

উক্ত ওরশ শরীফ অনুষ্ঠানে সকল আশেকানে আউলিয়া,সূফীবাদী,ভাববাদী,মর্মবাদী,আধ্যাত্মবাদী,আস্তিক,নাস্তিক,মুক্তমনা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সম্পন্ন নারী পুরুষ তৃতীয় লিঙ্গ, ধনী গরীব, দেশী বিদেশী সকল ধর্ম বর্ণের মানুষদের আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো যাচ্ছে।

সেই সাথে এই অনুষ্ঠানে প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মান্ধ,ধর্মমাতাল,কট্টর গোড়াপন্থীদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। তারপরও যদি কেউ কোনো কিছু শেখা, জানা, বুঝার জন্য তৃষ্ণার্ত মন নিয়ে আসেন তাহলে আপনাকেও স্বাগতম।

💥 তারিখঃ- ১৬ ই অগ্রহায়ণ বাংলা, ১লা ডিসেম্বর ২০২০ইংরেজি রোজ মংগলবার।
স্থানঃ তুরাগ পাড় বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সংলগ্ন, হাজী সাহেবের দরগাহ মাঠ প্রাংগন, টংগী গাজীপুর।।।

#আয়োজনেঃ- পরিবেশ অনুকূলে থাকলে দিনব্যাপী উরস শরীফের নিয়মিত কার্যক্রম। এশার সময় গিলাফ চরানো, সন্ধ্যা বাতি প্রজলন, বাদ এশা মিলাদ কিয়াম সহ দূরুদ শরীফ পাঠ, জিকির, দরবার শরীফ উন্নয়ন ও রক্ষায় আলোচনা, তবারক বিতরন ইত্যাদি এবং রাত ৯টা হতে ফজরের আজানের পূর্ব পর্যন্ত সুফিবাদী ছামা ও বাউলগান পরিবেশন করা হবে, আখেরি মোনাজাত শেষে পুনরায় তবারক বিতরন করা হবে।।। 💥

🙏ধন্যবাদান্তেঃ- আশেকান+খাদেম-
গুরু আতর আলী শাহ জাহাঙ্গীর পাগলা (খলিফায়ে গাউসে মাইজভান্ডারী) 👏

বিশ্ব ইজতেমা'১৭ইং টংগী উপলক্ষে হযরত হাজী সৈয়দ শাহ্‌ বাগদাদী (রহ:)'র দরবার শরীফ, তার খাদেম হযরত হিলন খাঁ (খেতা শাহ্‌)'র ম...
15/01/2017

বিশ্ব ইজতেমা'১৭ইং টংগী উপলক্ষে হযরত হাজী সৈয়দ শাহ্‌ বাগদাদী (রহ:)'র দরবার শরীফ, তার খাদেম হযরত হিলন খাঁ (খেতা শাহ্‌)'র মাজার শরীফ এবং গেছু দারাজ হযরত আসগর আলী শাহ্‌ পাগলা (রহ:)'র মাজার শরীফের ভারপ্রাপ্ত মোতওয়াল্লী সৈয়দ সিকদার টিপু আল মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে এবং রাফিউল করীম সুরেস্বরী ও সাবের আহমেদ ভাইয়ের সহযোগীতায় ১৪ দিন ব্যাপী কর্মসূচীর কাজের এক ফাকে ভলেনটিয়ারদের বেস্ত সময়।।।।

মায়াজালে বন্দি হয়ে আর কতকাল থাকিবমনে ভাবি সব ছাড়িয়া তোমারে খুঁজে নেব,আশা রাখি আলো পাব, ডুবে যাই অন্ধকারেকেমনে চিনিব ...
28/12/2016

মায়াজালে বন্দি হয়ে আর কতকাল থাকিব
মনে ভাবি সব ছাড়িয়া তোমারে খুঁজে নেব,
আশা রাখি আলো পাব, ডুবে যাই অন্ধকারে
কেমনে চিনিব তোমারে? মুর্শিদ ধন হে।।।

কেমনে চিনিব তোমারে?

- শাহ্‌ আব্দুল করিম -

♥♥♥♥♥ হযরত মুসলিম ইবনে আকিল (আ.)এর সন্তানদ্বয়ের হত্যাকারির শেষ পরিণাম। ♥♥♥♥♥হযরত মুসলিম (আ.) এর ‍দুই সন্তান  #মুহাম্মাদ ...
22/12/2016

♥♥♥♥♥ হযরত মুসলিম ইবনে আকিল (আ.)এর সন্তানদ্বয়ের হত্যাকারির শেষ পরিণাম। ♥♥♥♥♥

হযরত মুসলিম (আ.) এর ‍দুই সন্তান #মুহাম্মাদ ও #ইব্রাহিমের কবর কারবালা থেকে প্রায় ২৫ কি:মি: দূরে মুসাইয়েব নামক শহরে অবস্থিত। মরহুম সাদুক (রহ.) তিনি বর্ণনা করেছেন একটি মত অনুযায়ি আশুরার ঘটনার পরে হযরত মুসলিম বিন আকিল (আ.)এর দুই সন্তানকে কুফায় সৈন্যরা তাদেরকে বন্দি করে ইবনে যিয়াদের কাছে নিয়ে আসে। তখন ইবনে যিয়াদ তাদেরকে কারাগারে কষ্টের মধ্যে রাখার নির্দেশ দেয়। কারাগারে সারা দিন রাতে তাদের কে শুধুমাত্র দুই টুকরা যবের রুটি দেয়া হতো। একদিন তারা পরামর্শ করে যে কারা রক্ষিকে তাদের পরিচয় দিবে যেন তাদের খাবারের মাত্রাটা কিছুটা হলেও বাড়িয়ে দেয়। যখন কারারক্ষি তাদের কাছে খাবার দেয়ার জন্য আসে তখন তারা বলে: হে কারারক্ষি তুমি কি মুহাম্মাদ মোস্তাফা (দূরুদ) কে চিন? জাফর বিন আবি তালিবকে চিন?।

তখন কারারক্ষিরা তাঁদের প্রসংশা করে এবং যখন বাচ্চারা বলে যে আমরা হচ্ছি হযরত মুসলিমের সন্তান। তখন সে তাদের কে আদর করে এবং তাদের কে বলে আমি তোমাদের জন্য কারাগারের দরজা খুলে রাখছি তোমরা রাত হলে উক্ত পথ দিয়ে বাহির হয়ে যাবে রাতে পথ চলবে এবং দিনে নিজেদের কে লুকিয়ে রাখবে। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে এক রাতে তারা এক ‍বৃদ্ধার ঘরে আশ্রয় নেয় এবং তাকে নিজেদের পরিচয় দেয়। তখন উক্ত বৃদ্ধা তাদেরকে বলে: তোমরা এখান থেকে চলে যাও কেননা আমার জামাই হচ্ছে একজন অসৎ লোক সে কারবালাতে এজিদের পক্ষ নিয়ে ইমাম হুসাইন (আ.) এর বিরূদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। তারা উক্ত বৃদ্ধাকে বলে: আমরা ঘরে এক কোণায় নিজেদেরকে লুকিয়ে রাখব। অপর দিকে যখন ইবনে যিয়াদ হযরত মুসলিমের দুই সন্তানের পলায়ণের খবর শুনতে পায় তখন সে উক্ত কারারক্ষি কে হত্যা করে এবং হযরত মুসলিমের দুই সন্তানকে আটক করার জন্য দুই হাজার দিরহাম ঘোষণা দেয়। উক্ত ঘোষণাটি শোনার পরে বৃদ্ধার জামাই হারেস বিন উরওয়া বাচ্চা দুটিকে আটক করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। যখন সে ক্লান্ত হয়ে বাড়িতে ফিরে আসে। তখন বৃদ্ধা তাদেরকে অন্ধকারে লুকিয়ে রাখে। কিন্তু যখন বাচ্চা দুটি ঘুমিয়ে পড়ে তাদের ঘুমের শব্দের কারণে হারেস বুঝতে পারে যে তাদের বাড়িতে আরো কেউ আছে যা সে জানে না। অবশেষে সে তাদেরকে খুঁজে বাহির করে এবং তাদের হাত পাকে বেধে রাখে। সকাল হলে সে তার দাস কে নির্দেশ দেয় সে যেন উক্ত সন্তান দুটিকে ফোরাতের কিনারায় নিয়ে যায় এবং তাদেরকে হত্যা করে। হারেসের দাস তাদেরকে চিনতে পারে সে ফোরাত নদিতে ঝাপ দেয় এবং পালিয়ে যায়। তখন হারেস নিজেই তরবারি দ্বারা মুসলিমের বড় সন্তানকে হত্যা করতে উদ্যত হয়। তখন তাঁরা হারেসকে মিনতি করে বলে আমাদেরকে হত্যা করো না। বরং আমাদের কে দাস রূপে বিক্রয় করে দাও অথবা ইবনে যিয়াদের কাছে পাঠিয়ে দাও হয়তো সে আমাদের প্রতি দয়ার দৃষ্টিতে দেখবে। যখন হারেস তাদের কথা কে মেনে নেয় তখন তারা হারেস কে বলে আমাদেরকে অনুমতি দাও যেন আমরা দুই রাকাত নামাজ আদায় করতে পারি। নামাজান্তে হারেস মুসলিমের বড় সন্তান মোহাম্মাদ কে তরবারির এক কোপে শহীদ করে তখন ইব্রাহিম ভাইয়ের রক্তে নিজেকে লুটিয়ে দেয় এবং বলে আমি চাই রক্ত মাখা অবস্থায় রাসুলে খোদা (দূরুদ) এর কাছে উপস্থিত হতে। হারেস তাকে বলে তুমি চিন্তা করো না আমি তোমাকে সেখানেই পাঠাবো যেখানে তুমি যেতে চাও। অতঃপর তরবারির আরেক কোপে সে ইব্রাহিমকেও শহিদ করে দেয় এবং তাদের কাটা মাথাকে ঘোড়ার পিঠে রাখা বস্তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয় এবং তাদের দেহকে ফোরাতের নদিতে ফেলে দেয়। সে পুরষ্কার পাওয়ার লোভে উক্ত মাথা দুটিকে নিয়ে ইবনে যিয়াদের দরবারে উপস্থিত হয়। ইবনে যিয়াদ হারেসের কাছে ঘটনাটি শোনার পরে বুঝতে পারে যে সে চাইলে ঐ বাচ্চাদের কে ইবনে যিয়াদের কাছে উপস্থিত করতে পারতো। তখন ইবনে যিয়াদ তার সেনাদের কে নির্দেশ দেয় তারা যেন হারেস কে উক্ত স্থানে নিয়ে যেয়ে যেখানে সে মুসলিমের দুই সন্তানকে হত্যা করেছিল এবং তাকে হত্যা করে। হারেস কে হত্যা করার পরে তার কাটা মাথাকে ইবনে যিয়াদের সামনে উপস্থিত করে। ইবনে যিয়াদ হারেসের মাথাকে কিছুক্ষণ অবলোকন করে অতঃপর কুফার বাচ্চাদের কাছে দিয়ে দেয় তারা হারেসের মাথাকে উদ্দেশ্যে করে পাথর নিক্ষেপ করে এবং বলতে থাকে হারেস রাসুলে পাক মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বংশধরকে হত্যা করেছে।

অন্য এক মত অনুযায়ি হযরত মুসলিম (আ.)এর বাচ্চারা কারবালাতে বন্দী হয় অথবা তার পিতার সাথে কুফাতে আসে। উক্ত বিষয়টি নিয়ে এতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

তবে যদি তারা কুফাতে বন্দী রূপে থাকতো তাহলে অবশ্যই ইবনে যিয়াদ তাদেরকে কারবালার বন্দীদের সাথে শামে প্রেরণ করতো। যেহেতু তারা তাদের পিতার সাথে কুফায় এসেছিল সেহেতু ইতিহাসের কোথাও এজিদের দরবারে অথবা শামের কারাগারে হযরত মুসলিম বিন আকিল (আ.)এর দুই সন্তানের কথা উল্লেখিত হয়নি। সুতরাং এটাই প্রমাণিত হয় যে হযরত মুসলিম (আ.) এর দুই সন্তান তার সাথেই ছিল এবং কুফাতেই তাদেরকে শহীদ করা হয়।

#সূত্র: আমালি শেইখ সাদুক (রহ.)-

♥♥♥ নূরে খোদা আহম্মদ মুজতবা মুহাম্মদ মোস্তাফা সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিভ্রমন ♥♥♥হযরত জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত...
18/12/2016

♥♥♥ নূরে খোদা আহম্মদ মুজতবা মুহাম্মদ মোস্তাফা সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিভ্রমন ♥♥♥

হযরত জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত; হুজুর পাক মুহাম্মদ (দূরুদ) বলেন, "আমার নূর আল্লাহর কুদরতে আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী অনেক মাকাম পরিভ্রমণ করেছে ।" #সুবহানআল্লাহ।

প্রথম মাকামঃ-♥ শাজারাতুল ইয়াকিন (দীর্ঘ সময়)
দ্বিতীয় মাকামঃ-♥ তাউস বা ময়ূর সূরত (দীর্ঘ সময়)
তৃতীয় মাকামঃ-♦ কাউকাব বা তারকা সূরত (দীর্ঘ সময়)।

♣♣♣ এরপর ১২ টি নূরের পর্দা অতিক্রম করেন।

১. হিযাবুল ইরাদাত - ১২ হাজার বছর
২. হিযাবুল মাশিয়্যাত - ১১ হাজার বছর
৩. হিযাবুর রহমত - ১০ হাজার বছর
৪. হিযাবুল কারামাত - ৯ হাজার বছর
৫. হিযাবুছ ছাআদাত - ৮ হাজার বছর
৬. হিযাবুল ফাদল - ৭ হাজার বছর
৭. হিযাবুল মিন্নাত - ৬ হাজার বছর
৮. হিযাবুল হিদায়াত - ৫ হাজার বছর
৯. হিযাবুল লুৎফ - ৪ হাজার বছর
১০. হিযাবুল করম - ৩ হাজার বছর
১১. হিযাবুল ইনায়াত - ২ হাজার বছর
১২. হিযাবুল কিফায়াত - ১ হাজার বছর। ♣♣♣

♦ এরপর ৪০ টি নূরের বাহার বা দরিয়া অতিক্রম করেন।♦

♦♦♦♦♦ এগুলো হচ্ছেঃ- আযমত, কুদরত, ইজ্জত, জালাল, জামাল, কামাল, রাফাত, জুদ, যাইন, সিদক, সাফা, রিযা, রাজা, ওয়াফা, সাখা, খুসু, লুযু, তাওয়াজ্জু, মারিফাত, ইবারত, হিকমত, মুহাব্বত, ইছামত, ছাকিনা, ইলম, আকল, রিফক, সরব, খাওফ, ইয়াকিন, করম, লুৎফ, সারফ, ঈমান, ফাতানাত, ফিকরাত, শোকর, রহমত, নূর ও আরবাইন। ♦♦♦♦♦

♥♥♥ অতঃপর নূরে মুহাম্মদী মোস্তাফা (দূরুদ) ৫১ টি পবিত্র ললাট অতিক্রম করেন।
এগুলো হচ্ছেঃ-

১. বাবা হযরত আদম (আঃ)
২. হযরত শীষ (আঃ)
৩. আনুস,
৪. কায়নান
৫. মাহলাইল
৬.ইয়ারিদ
৭.আখমুখ
৮.মাতলিশাখ
৯.লামিক
১০.হযরত নূহ (আঃ)
১১. হযরত সাম (আ:)
১২. আরফাখযাসা
১৩. আরগু
১৪.আবির
১৫.শালিম
১৬. হযরত ঈশা (আ:)
১৭.নাখুর
১৮. তারাহ
১৯. তারুখ
২০.হযরত ইব্রাহিম (আঃ)
২১. হযরত ইসমাঈল (আঃ)
২২.কাইজার
২৩.হামল
২৪.নাবত
২৫.ইয়াশ
২৬.ইয়ারিব
২৭.উদাদ
২৮.উদ্দ
২৯. আদনান
৩০. মাআদ
৩১. নেজার
৩২. মুদার
৩৩. হযরত ইলিয়াস (আ:)
৩৪.হামারছা
৩৫. তারেখা
৩৬. মুদরেকা
৩৭. খোজায়মা
৩৮. কেনানাহ
৩৯. নজরকুরাইশ
৪০. মালিক
৪১. ফিহির
৪২. গালিব
৪৩. লুয়াআই
৪৪. কার
৪৫.মুররা
৪৬. কিলাব
৪৭.কুশাঈ
৪৮.আবদে মুনাফ
৪৯. হযরত আবুল হাশিম (সা:)
৫০. হযরত আবদুল মুত্তালিব (সা:)
৫১. পিতা হযরত আবদুল্লাহ (সা:আঃ)।

অতঃপর মা আমেনা (সা:) হতে নূর মুহাম্মদ মোস্তাফা সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ♥♥♥

---> :- Sikder Tipu id

Address

সোনাভান বিবির বাড়ি, হাজী সাহেবের মাজার
Tongi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গেছুদারাজ হযরত আসগর আলী শাহ পাগলা রহ মাজার শরীফ, টংগী গাজীপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share