Noor Al-Bayt

Noor Al-Bayt Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Noor Al-Bayt, Religious organisation, Dattapara, Tongi.

Spreading the light, love and teaching of the Ahle Bayt (A.S) - the blessed household of the Holy Prophet Muhammad (S.A.W.W) (মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা আ ও ও)-এর পবিত্র পরিবার, আহলে বাইত (আ স)-এর আলো, ভালোবাসা ও শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের ব্রত।

কারবালা এবং ইমাম হুসাইন (আ.)-এর মহান ত্যাগ ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক...
15/06/2026

কারবালা এবং ইমাম হুসাইন (আ.)-এর মহান ত্যাগ ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ নয়, বরং জুলুম, অন্যায় এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে চিরন্তন প্রতিরোধের এক প্রতীক।

ন্যায়ের পক্ষে এক সাহসী অবস্থান

হিজরি ৬০ সনে উমাইয়া শাসক ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র এবং ইমাম আলী (আ.)-এর পুত্র ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কাছে আনুগত্যের বায়াত (শপথ) দাবি করে। ইয়াজিদের শাসনকাল ছিল অন্যায়, অত্যাচার ও ইসলামী মূল্যবোধের অবমাননায় ভরা। ইমাম হুসাইনের জন্য এমন একজন শাসকের কাছে মাথা নত করা ছিল অসম্ভব। কারণ, তাঁর আনুগত্য স্বীকার করার অর্থ হতো একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ও অত্যাচারী শাসনকে বৈধতা দেওয়া।

ইমাম হুসাইন (আ.) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন যে, তাঁর মতো কোনো ব্যক্তি ইয়াজিদের মতো কোনো ব্যক্তির কাছে আনুগত্যের মাথা নত করতে পারে না। তিনি নিজের পরিবার, নারী, শিশু এবং মাত্র কয়েকজন অনুগত সঙ্গী নিয়ে মদীনা থেকে যাত্রা শুরু করেন, যা শেষ পর্যন্ত তাঁদের ইরাকের কারবালার প্রান্তরে নিয়ে আসে।

আশুরার নির্মম ট্র্যাজেডি

মহররম মাসের ২ তারিখে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর মাত্র ৭২ জনের ছোট কাফেলাটিকে কারবালায় উমাইয়াদের এক বিশাল বাহিনী চারদিক থেকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। মহররমের ৭ তারিখে শত্রুবাহিনী ফোরাত নদীর পানি কাফেলার জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। ফলে ইমামের পরিবার এবং তাঁর ছয় মাসের শিশু পুত্র আলী আসগরসহ সবাই তীব্র তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়েন।

এই সংঘাত চরম নির্মমতায় রূপ নেয় ১০ মহররম। চরম প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ইমাম হুসাইন (আ.) এবং তাঁর সঙ্গীরা সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি। একে একে ইমামের ভাই, সন্তান, ভাতিজা এবং বিশ্বস্ত সঙ্গীরা বীরত্বের সাথে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেন। সবশেষে, ইমাম হুসাইন (আ.) নিজে সিজদারত অবস্থায় অত্যন্ত নির্মমভাবে শহীদ হন।

এই হত্যাকাণ্ডের পর ইমামের বোন হযরত জয়নাব (স.)-সহ বেঁচে থাকা নারী ও শিশুদের বন্দী করে দামেস্কে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে বন্দীদশায় থেকেও হযরত জয়নাব (স.) ইয়াজিদের দরবারে যে নির্ভীক ও শক্তিশালী বক্তব্য দিয়েছিলেন, তা কারবালার আসল সত্যকে বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচন করে দেয়। ফলে ইয়াজিদের সামরিক বিজয় শেষ পর্যন্ত এক চিরস্থায়ী নৈতিক পরাজয়ে পরিণত হয়।

কারবালার শিক্ষা

কারবালা প্রমাণ করেছে যে, আসল বিজয় সামরিক শক্তির মাধ্যমে অর্জিত হয় না, বরং তা অর্জিত হয় সত্য ও নৈতিকতার মাধ্যমে। ইমাম হুসাইন (আ.) মানুষের মর্যাদা, সত্য ও বিশ্বাসকে রক্ষা করার জন্য নিজের সবকিছু উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ যুগের পর যুগ ধরে পৃথিবীর সমস্ত مظلوم (শোষিত) মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে আসছে।

04/06/2026

সুন্নি আলেমদের বর্ণনায় গাদিরের ঘটনা

ঐতিহাসিক গাদীরে খুম ও হযরত আলী (আ.)-এর খেলাফতের প্রমাণহযরত আলী (আ.)-কে পরবর্তী নেতা ও খলিফা হিসেবে ঘোষণা করার চূড়ান্ত পদ...
01/06/2026

ঐতিহাসিক গাদীরে খুম ও হযরত আলী (আ.)-এর খেলাফতের প্রমাণ

হযরত আলী (আ.)-কে পরবর্তী নেতা ও খলিফা হিসেবে ঘোষণা করার চূড়ান্ত পদক্ষেপ কেবল 'গাদীরে খুম'-এর মাঠেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ইসলাম প্রকাশের প্রথম দিন থেকেই রাসূলুল্লাহ (সা.) বিভিন্ন সময়ে, নানা অনুষ্ঠানে আলী (আ.)-এর নেতৃত্ব ও মর্যাদার কথা মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। মদীনার সাহাবী থেকে শুরু করে তৎকালীন মুসলিম সমাজের সবাই এই সত্য সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

খেলাফত ও বেলায়াতের সমর্থনে ঐতিহাসিক দলিলসমূহ

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবদ্দশায় এমন অনেক ঘটনা ও বাণী (হাদীস) রয়েছে যা হযরত আলী (আ.)-এর বিশেষ মর্যাদাকে সবার সামনে স্পষ্ট করে তোলেঃ

- মানযিলাতের হাদীসঃ তাবুক যুদ্ধের সময় রাসূল (সা.) আলী (আ.)-কে নিজের স্থলাভিষিক্ত করে তাঁর মর্যাদা হযরত হারুন (আ.)-এর সাথে তুলনা করেন।
- রাইয়াতের (পতাকা) হাদীসঃ খন্দক ও খায়বারের যুদ্ধে আলী (আ.)-কে বিজয়ের বীর ও আল্লাহর প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- তাইর (পাখি)-এর হাদীসঃ আল্লাহর দরবারে সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে আলী (আ.)-এর পরিচয় মেলে।
- হাদীসে সাকালাইনঃ রাসূল (সা.) বিদায় হজ্জে বলেন, "আমি তোমাদের মাঝে দুটি মহামূল্যবান বস্তু রেখে যাচ্ছি: আল্লাহর কিতাব (কুরআন) এবং আমার আহলে বাইত (পরিবার)। এ দুটি কখনোই পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না।"
- কুরআনের আয়াতসমূহঃ সূরা শূরার ‘মুয়াদ্দাত’ (আয়াত-২৩), সূরা আলে ইমরানের ‘মুবাহালা’ (আয়াত-৬১) এবং সূরা মায়েদার ‘বেলায়াত’ (আয়াত-৫৫) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আয়াতসমূহ আমিরুল মু’মিনীন আলী (আ.)-এর সুউচ্চ ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের প্রমাণ দেয়।

গাদীরের হাদীসের বিশুদ্ধতা ও ঐতিহাসিক গ্রহণযোগ্যতা

গাদীরের হাদীসটি কেবল ‘সহীহ’ (বিশুদ্ধ) বা ‘মুতাওয়াতির’ (বহু সূত্রে বর্ণিত) নয়, বরং এটি বর্ণনার প্রাচুর্যের দিক থেকে সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে। বিখ্যাত শিয়া আলেম সাইয়্যেদ মরতাজা বলেছেন, গাদীরের ঘটনার সত্যতা নিয়ে সন্দেহ করা আর রাসূল (সা.)-এর প্রসিদ্ধ যুদ্ধসমূহ বা বিদায় হজ্জ নিয়ে সন্দেহ করা একই কথা।

হাদীসটি শিয়া ও সুন্নী উভয় ধারার আলেম, মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিকদের দ্বারা ব্যাপকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই হাদীসটির বর্ণনাকারীদের সংখ্যা ছিল আকাশচুম্বী:

শতাব্দীভেদে গাদীরের হাদীসের বর্ণনাকারী (রাবী)

বিখ্যাত গ্রন্থ আল-গাদীর-এ আল্লামা আমিনী শতাব্দী অনুযায়ী বর্ণনাকারীদের একটি নিখুঁত তালিকা দিয়েছেনঃ

নিচে শ্রেণী/শতাব্দী ও বর্ণনাকারীর সংখ্যাঃ
রাসূল (সা.)-এর সাহাবী -- ১১০ জন
তাবেয়ী -- ৮৪ জন
২য় হিজরী শতাব্দী -- ৫৬ জন
৩য় হিজরী শতাব্দী -- ৯২ জন
৪র্থ হিজরী শতাব্দী -- ৪৩ জন
৫ম হিজরী শতাব্দী -- ২৪ জন
৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শতাব্দী -- ৮৯ জন
১১শ থেকে ১৪শ শতাব্দী -- ৫৬ জন

বিখ্যাত সুন্নী ইমাম ও আলেমদের সংকলন

এই হাদীসটির বিশুদ্ধতা ও বিশালতা দেখে অনেক সুন্নী আলেমও এটি বিভিন্ন সূত্রে সংকলন করেছেনঃ

- ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বালঃ ৪০টি সূত্র বা সনদসহ এটি বর্ণনা করেছেন
- ইবনে জারীর তাবারীঃ ৭০টিরও বেশি সূত্রে এটি উল্লেখ করেছেন
- ইবনে উকদাঃ ১১৫টি সনদে এটি সংকলন করেছেন
- ইবনে হাজার আসকালানীঃ তাঁর ‘সাওয়ায়েক’ গ্রন্থে লিখেছেন, এই হাদীসটি কমপক্ষে ৩০ জন সাহাবী থেকে বর্ণিত এবং এর অধিকাংশ সনদই সহীহ (বিশুদ্ধ) বা হাসান (উত্তম)
- ইবনে মাগাজেলীঃ তাঁর ‘মানাকিব’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, আশারা মোবাশশারা (জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়া ১০ জন শ্রেষ্ঠ সাহাবী)-সহ প্রায় ১০০ জন সাহাবী সরাসরি এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন

মূল বক্তব্য

গাদীরে খুমের ঘটনা ও হযরত আলী (আ.)-এর বেলায়াতের সত্যতা দিবালোকের মতোই স্পষ্ট। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর হযরত আলী (আ.) নিজেও বিভিন্ন সমাবেশে সাহাবীদের আল্লাহর কসম দিয়ে গাদীরের দিনের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন এবং সাহাবীরাও তা অকপটে স্বীকার করতেন। মিশরের বিখ্যাত লেখক আব্দুল ফাত্তাহ আব্দুল মাকসুদ যথার্থই বলেছেন, "গাদীরের হাদীস নিঃসন্দেহে এমন এক বাস্তব ও বিশুদ্ধ সত্য, যা শত চেষ্টা করলেও কখনো অস্বীকার বা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব নয়।"

(তথ্যসূত্রঃ 'আহলে সুন্নাতের দৃষ্টিতে গাদীর' - মূলঃ মুহাম্মদ রেজা জাব্বারান, অনুবাদঃ মুহাদ্দিস এম. এ. রহমান)

15/05/2026

Jis Py Allah Ho Meharban
Usy Milta Hai Ali
Janum Ali Ali

Why are they silent when illegal Israel is doing war crimes against Palestine? This is the hypocrisy which is a quality ...
25/03/2026

Why are they silent when illegal Israel is doing war crimes against Palestine? This is the hypocrisy which is a quality of a Munafiq, no Muslim can be like this.

25/03/2026
"It was their pride that no one could trace or destroy their F-35, but it was hit badly, and Iran showed them how vulner...
21/03/2026

"It was their pride that no one could trace or destroy their F-35, but it was hit badly, and Iran showed them how vulnerable they really are."

"তাদের গর্ব ছিল যে কেউ তাদের F-35 খুঁজে বের করতে বা ধ্বংস করতে পারবে না, কিন্তু সেটি মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে এবং ইরান তাদের দেখিয়েছে তারা আসলে কতটা দুর্বল।"

16/03/2026

সত্যিকারের অভিভাবক হলো আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং সেই মুমিনরা যারা নামাজ কায়েম করে ও রুকু অবস্থায় দান করে।

অপপ্রচার ও মিথ্যা প্রপাগাণ্ডাبِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمالسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ🔴 অপ...
10/03/2026

অপপ্রচার ও মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْم

السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ

🔴 অপপ্রচার ও মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা — ইসলাম কী বলে?

📖 মিথ্যা অপবাদ ও যাচাই না করে কথা বলা

আল্লাহ তা'আলা বলেন—

যারা আল্লাহর আয়াতে বিশ্বাস করে না, তারাই মিথ্যা অপবাদ রচনা করে; তারাই প্রকৃত মিথ্যাবাদী। - (সূরা আন-নাহল ১৬:১০৫)

হে মুমিনগণ! কোনো ফাসিক ব্যক্তি যদি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করে নাও। - (সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:৬)

⚠️ ফিতনা সৃষ্টি করা মহাপাপ

আল্লাহ তা'আলা বলেন—

ফিতনা হত্যা থেকেও ভয়ংকর। - (সূরা আল-বাকারাহ ২:১৯১)

কোনো মাযহাব বা মুসলিম গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করা মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ ও ফিতনা সৃষ্টি করে — যা মহাপাপ।

❌ মুসলমানকে কাফের বলা নিষিদ্ধ

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

যাকে কাফের বলা হবে, সে সত্যিকারে কাফের না হলে সেই কথা বলার দিকেই ফিরে আসবে। - (বুখারী হা/৬১০৩, তিরমিযী হা/২৬৩৭)

কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার মুসলিম ভাইকে কাফের বলা — তাকে হত্যা করার সমতুল্য অপরাধ। - (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩৪১০)

✅ সঠিক পথ — জ্ঞান ও প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন

যেকোনো মাযহাব বা আকীদা সম্পর্কে জানতে চাইলে —

🔹 সেই মাযহাবের **নিজস্ব আকীদার বই** পড়ুন
🔹 সেই মাযহাবের **বিশিষ্ট আলেমে দ্বীনের** কাছ থেকে জেনে নিন
🔹 **গুজব, অপপ্রচার ও বিদ্বেষমূলক কথায়** কান দেবেন না

ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয় — সত্য যাচাই করে কথা বলতে ও সিদ্ধান্ত নিতে।

وَالسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ

✍️ মোহাম্মাদ নাজির হোসাইন -এর লেখা থেকে।

Address

Dattapara
Tongi
1712

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Noor Al-Bayt posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share