Tattakotha

Tattakotha About Sanaton Dharma

দেবী দুর্গাকে মহানবমী তিথিতে কুমারী রূপে পূজা করা হয়। এক হতে ষোল বৎসরের কুমারীকে ষোলরুপে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়। দেবী এ...
01/10/2025

দেবী দুর্গাকে মহানবমী তিথিতে কুমারী রূপে পূজা করা হয়। এক হতে ষোল বৎসরের কুমারীকে ষোলরুপে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়। দেবী এক বছরের কন্যায় সন্ধ্যা, দুই বছরের কন্যায় সরস্বতী, তিন বছরের কন্যায় ত্রিধামূর্তি, চার বছরের কন্যায় কালিকা, পাঁচ বছরের কন্যায় সুভগা, ছয় বছরের কন্যায় উমা, সাত বছরের কন্যায় মালিনী, আট বছরের কন্যায় কুজিকা, নয় বছরের কন্যায় কালসন্দর্ভা, দশ বছরের কন্যায় অপরাজিতা, এগার বছরের কন্যায় রুদ্রাণী, বার বছরের কন্যায় ভৈরবী, তের বছরের কন্যায় লক্ষ্মী, চৌদ্দ বছরের কন্যায় পীঠনায়িকা, পনের বছরের কন্যায় ক্ষেত্রজ্ঞা এবং ষোল বছরের কন্যায় অম্বিকা রূপে অবস্থান করেন।

"নিত্যৈব সা জগমূর্তিস্তয়া সর্বমিদং ততম্।"
(শ্রীশ্রীচণ্ডী১/৬৪)

'সেই মহামায়া নিত্যা (জন্মমৃত্যুরহিতা);আবার এই জগৎপ্রপঞ্চই তাঁহার বিরাট মূর্তি।'

"বিদ্যাঃ সমস্তাস্তব দেবি ভেদাঃ প্রিয়ঃ সমস্তাঃ সকলা জগৎসু।"
(শ্রীশ্রীচণ্ডী১১/৬)

'হে দেবি, বেদাদি অষ্টাদশ বিদ্যা আপনারই অংশ। চতুঃষষ্টি-কলাযুক্তা এবং পাতিব্রত্য, সৌন্দর্য ও তারুণ্যাদি গুণান্বিতা সকল নারীই আপনার বিগ্রহ।'

একমাত্র সনাতন তথা হিন্দুধর্মেই নারী-পুরুষ একই সাথে ঈশ্বর উপাসনা করে। সৃষ্টির ঊষালগ্ন (বৈদিক যুগ) থেকেই পুরুষের পাশাপাশি নারীর অংশগ্রহন বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে প্রমাণ মেলে। ঋগ্বেদ ২য় মণ্ডলের ১৭ নং সূক্তে উল্লেখ আছে-সে সময় একদল নারী চিরকুমারী থাকতেন এবং তাঁরা সম্পত্তির ভাগ পেতেন। স্বয়ংবর সভায় নারীরা তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী বর বেছে নেয়ার সুযোগ পেতেন। এছাড়াও বিবাহের সময় কন্যা শ্বশুর বাড়ি কর্তৃক উপঢৌকন (অর্থ বা দ্রব্য-সামগ্রী) পেতেন। শুধু তাই নয়, বৈদিক যুগে নারীরাও যজ্ঞের পৌরহিত্য করতেন।

ঋগ্বেদের ৫ম মণ্ডলের ২৮নং সূক্তের ঋষি 'বিশ্ববারা' একজন নারী ছিলেন। এছাড়াও বেদে লোপামুদ্রা, রোমশা, জুহু, পৌলোমী, কাক্ষীবতী ঘোষা, জরিতা, শ্রদ্ধা কামায়নী প্রভৃতি নারী-ঋষির পরিচয় পাওয়া যায়।

মহানবমীর শুভেচ্ছা!
ছবিটি পুলহাট বারোয়ারী দুর্গামণ্ডপ, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর।

১৪ আশ্বিন, ১৪৩২।

দুর্গাপূজা মহাপূজাবাঙালি হিন্দুর সবর্বৃহৎ পূজা বা উৎসব হল দুর্গাপূজা। কিন্তু মহাপূজা কেন বলা হয়? "মহা" শব্দটি আছে মহান ব...
27/09/2025

দুর্গাপূজা মহাপূজা

বাঙালি হিন্দুর সবর্বৃহৎ পূজা বা উৎসব হল দুর্গাপূজা। কিন্তু মহাপূজা কেন বলা হয়? "মহা" শব্দটি আছে মহান বা বৃহৎ অর্থে।
"শারদীয়া মহাপূজা চতুঃকর্মময়ী শুভা।"
অর্থাৎ শারদীয়া মহাপূজায় চারটা কাজ মূল থাকবে।
চারদিনের কাজের বর্ণনা লিঙ্গপুরাণ ও দেবীপুরাণে বলা হচ্ছে।
"চতুঃকর্মময়ীত্যনেন চতুরবয়বত্বেনাভিধানাৎ স্নপনপূজনবলিদানহোমরূপা।"
অর্থাৎ চার কাজ হল স্নান, পূজা, বলিদান ও হোম।
এবং বলা যেতে পারে যে, যে দেবতা একই সাথে ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষফল প্রদান করেন সে দেবতার পূজাকে মহাপূজা বলে।
এই যে মহাপূজার চার কাজ, সপ্তমীতে স্নানই মূল, অষ্টমীতে মহাপূজা, নবমীতে বলিদান এবং হোমই মূল কাজ হয়। দশমীতে কেবল বিসর্জনের কাজ হয়।

#মহাষ্টমী ও মহানবমী

"আশ্বিনয্য তু শুরুয্য, ভবে যা অষ্টমী তিথিঃ। মহাষ্টমীতি সা প্রোক্তা দেব্যাঃ প্রীতিকরী পরাঃ।।
ততেংনু নবমী যা স্যাৎ সা মহানবমী স্মৃতা।
সা তিথিঃ সর্বলোকানাং পূজনীয়া শিবপ্রিয়া।"
(কালিকাপুরাণ ৬০/২,৩)
'অর্থাৎ আশ্বিন মাসের যে শুক্লপক্ষীয় অষ্টমী তিথি, তাহা দেবীর অতিশয় প্রীতি-করী 'মহা অষ্টমী' নামে বিখ্যাত।
তৎপরবর্তী মহানবমী বলে, সেই তিথি শিবপ্রিয় এবং সর্বলোক-পূজনীয়।'
মহাপূজা শব্দটি মার্কণ্ডেয় পুরাণে রাজা সুরথ, মহাভাগবদে রাম ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে কৃষ্ণের দ্বারা দেবীর পূজার আদি উল্লেখ আছে। এবং ষষ্ঠীতে বোধনের পূজা করলেও তা হবে কেবল বিল্ববৃক্ষে। মৃণ্ময়ী প্রতিমায় মূল পূজা হয় সপ্তমী থেকে দশমী অবধি।
'মহা' শব্দটি প্রসঙ্গে স্মার্ত পণ্ডিত রঘুনন্দন বলেছেন
"মহাবিপত্তারকত্বাদ্ গীয়তেঽসৌ মহাষ্টমী।
মহাসম্পাদ্দায়কত্বাৎ সা মহানবমী মতা।।"
অর্থাৎ মহাশক্তি দুর্গার আবির্ভাবে মহাবিপদ কেটে গেলো বলে অষ্টমী তিথির নাম হলো মহাষ্টমী এবং মহাসম্পদ লাভ হলো বলে নবমী তিথি হলো মহানবমী।
তিনি একথাও উল্লেখ করছেন যে, কৃষ্ণানবমী, প্রতিপদ, ষষ্ঠী, সপ্তমী, মহাষ্টমী, কেবল মহাষ্টমী, মহানবমী নিয়ে দুর্গাপূজায় মোট সাতটি কল্প থাকে। তিনি এখানেও অষ্টমী কিংবা নবমী বাদে অন্যদিনগুলিকে 'মহা' বলে উল্লেখ করেন নাই।

কিন্তু আমাদের খাজনার থেকে বাজনা বেশি।
মহাপূজার নামে মহাব্যয় আর মহা গোলযোগের বিষয়টাও স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে। অনেক পূজার নিমন্ত্রণ পত্রে দেখলাম পূজার দিনগুলি শুরু হয়েছে মহাপঞ্চমী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী, বিজয়া দশমী। কিন্তু এত মহা কেন? এই মহা কোত্থেকে থেকে পেলো? মহাপূজা বলা হচ্ছে তাই? নাকি ব্যবসায়ী-বা রাজনীতিবিদরা তাদের মহাব্যয়ের হিসাব দিয়ে দিলেন?
আপনার মত ভিন্ন হলেও হতে পারে, কিন্তু সম্প্রতিকালে লক্ষ্মীদেবী যে কিছুটা বাঙ্গালীর হস্তগত হয়েছেন তা বাংলদেশ ও পশ্চিমবাংলার লক্ষ লক্ষ টাকার ব্যয়বহুল পূজার প্যান্ডেল দেখলেই বুঝা যায়। আর এই ফাঁকে জ্ঞান-প্রজ্ঞা হিসেবে সরস্বতীদেবী যে সম্পূর্ণ ত্যাগ করেছেন তা কেউ লক্ষ্যই করেন নাই।

কিন্তু মূল জিনিসটা জায়গা থেকে সড়ে গেলে কি হবে? এমন চলতে থাকলে দুর্গাপূজার জায়গায় অন্য কিছু দাঁড় হবে।

একটা রূঢ় সত্য কথা কি জানেন?
এভাবে বাহিরের চাকচিক্য দিয়ে আর কত ভুলে থাকবেন? ভিতরটা যে ফাপা হয়ে গেছে খেয়াল আছে? দুর্গার ব্যাপারে কতটা জানেন?
পুতুল খেলার মতো লাগে এখন! দিন দিন হিন্দুর সংখ্যা কমছে আর পূজামন্ডপের সংখ্যা বাড়ছেই। কিন্তু সাময়িক খুশি দিয়ে সরকারও আপনাকে ভুলিয়ে রাখছে আপনিও ভুলে থাকছেন, এভাবে আর কত? তর্করত্ন, ন্যায়রত্ন উপাধিপ্রাপ্ত পণ্ডিতের ছেলেও আজ দেব নিন্দাকারী হয়েছে খেয়াল আছে?
আপনি হিন্দু নন, হিন্দু বলে দাবি করা বঙ্গবাসী মাত্র। কেন এক্কেবারে সরাসরি হিন্দু বলছি না জানেন?

কারণ এটাই যে, হিন্দু বলতে তাদেরই বুঝায় যারা আর্য অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ, যারা উৎকৃষ্ট মানব, যারা জ্ঞানী।
এই যে হিন্দু দাবি করা করা লোকজন তাদের ক'জনের সামান্যটুকু ধর্মজ্ঞান আছে? থাকলে তাদের পূজার অবস্থা এমন হতো বলে তো আমার মনে হয় না। দুর্গাপূজায় প্রতিমার যে শ্রী হয়েছে এটা এখানে না বলাই শ্রেয়; শ্রী বলাটা ঠিক হবে না ওটা ছিরি। আর পূজার কোন তিথিতে কোন কাজ গুরুত্বপূর্ণ সেটাইবা কেন জানবে! আরতির নামে হচ্ছে অপ্সরার নৃত্য। শ্রীশ্রীচণ্ডীপাঠের বদলে হচ্ছে গীতাপাঠা।
যেখানে পূজা হয় সেখানে স্থায়ী মন্দির, স্থায়ী শাস্ত্রীয় পুস্তকের পাঠাগার, আর মহাষ্টমীতে সর্বসাধারণের ভোজন আর উচিৎ দানের ব্যবস্থায় রেকর্ড করলে হয়তো পূজার মূল নিয়মটাও রক্ষা পেতো আর নামটাও বজায় থাকতো। এই সব অতিরিক্ত দিবস বাড়িয়ে আমোদ-প্রমাদপূর্ণ উৎসব-আনন্দের জন্য বাড়তি পয়সা খরচের মধ্যে নিজের অহমিকার প্রকাশ করাটা পূজার পূণ্যের (শক্তির) স্থলে পাপবৃদ্ধি করছি এই কথা ছাড়া আর কিছু বলার রাখে না। তবে, সকলেরই ধর্মে মতি হোক এই প্রার্থণা করছি।

যাই হোক আমোদ-প্রমোদ বাঙালি হিন্দুর যথেষ্ঠ প্রবৃত্তি হয়েছে, তবে আলস্য যৎপরিমাণ হলেও গায়ে বাসা বেঁধেছে; তাতে মনে হয় না তারা তাদের মস্তিষ্ক ব্যয় করে এতদূর পড়েছেন, যদি পড়ে থাকেন তাহলে এটুকুই বলব আপনি হিন্দু, আপনি আর্য, বৈদিক, আপনি সনাতনী, আপনি জ্ঞানী, এবং জ্ঞানীর পরিচয় দিয়েছেন।

১০ আশ্বিন, ১৪৩২

 #পিতৃতর্পণঃসনাতন তথা হিন্দুশাস্ত্রে পঞ্চমহাযজ্ঞের নাম উল্লেখ আছে। তা হলঃ ব্রহ্মযজ্ঞ, পিতৃযজ্ঞ, দেবযজ্ঞ, ভূতযজ্ঞ ও নৃযজ্...
17/09/2025

#পিতৃতর্পণঃ
সনাতন তথা হিন্দুশাস্ত্রে পঞ্চমহাযজ্ঞের নাম উল্লেখ আছে। তা হলঃ ব্রহ্মযজ্ঞ, পিতৃযজ্ঞ, দেবযজ্ঞ, ভূতযজ্ঞ ও নৃযজ্ঞ। তার মধ্যে পিতৃযজ্ঞ অন্যতম।
'তৃপ' ধাতুর সাথে অনট্ শব্দটি যুক্ত হয়ে তর্পণ শব্দের উৎপত্তি। 'তৃপ' অর্থ প্রীত করা। জল ও তিলদানের মাধ্যমে পিতৃপুরুষকে তৃপ্ত করা শাস্ত্রের বিধান।

'পিতৃযজ্ঞস্তু তর্পণম্।'
(মনুস্মৃতি৩/৭০)
'অন্ন-জলাদির দ্বারা পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণের নাম পিতৃযজ্ঞ।'
মৃতদের উদ্দেশ্যে কেন পিতৃতর্পণ করবেন?
এ প্রসঙ্গে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা২/২৭ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
'জাতস্য হি ধ্রুবো মৃত্যুঃ
ধ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ।'
সুতরাং মৃত পিতৃগণের দেহে যে আত্মা ছিলেন, তিনি বর্তমানে যে শরীরেই থাকুন না কেন, শাস্ত্রমতে জলক্রিয়া ও শ্রাদ্ধাদি দ্বারা তিনি তৃপ্ত হন।
এছাড়াও, মনুসংহিতা৩/২৭৫ ভগবান মনু বলেছেন,
'যদ্‌ যদ্দদাতি বিধিবৎ সম্যক্‌ শ্রদ্ধাসমন্বিতঃ।
তত্তৎ পিতৃণাং ভবতি পরত্রানন্তমক্ষয়ম্‌।।'
'কোন ব্যক্তি শ্রদ্ধাযুক্ত হয়ে পিতৃগণকে নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি বাদে, যা কিছুই বিধিবৎ শাস্ত্রোক্তরীতিতে দান করেন সেই দ্রব্যাদি পিতৃপুরুষদের পরলোকে অনন্ত এবং অক্ষয় তৃপ্তি প্রদান করে।'
স্নানান্তে আচমন, তিলকধারণ ও শিখাবন্ধন করে গায়ত্রী জপ করে পূর্ব দিকে মুখ করে পুরুষসূক্ত দ্বারা ভক্তিভরে শ্রাদ্ধীয় রীতি অনুসারে পিতা, পিতামহ, প্রপিতামহ প্রভৃতি তিন পুরুষ এবং মাতা, মাতামহ-প্রভৃতি তিন জনকে যাঁদের নাম জানা থাকবে, তাঁদের ও গুরুগণ, বান্ধব এবং সুহৃদগণের উদ্দেশ্যে তর্পণ করতে হয়।
ভেবে দেখুন তো, কতটা মহান হৃদয়ের অধিকারী হলে বন্ধু বা শত্রু পর্যায়ভুক্ত; তাদের মৃত্যুর পরেও তাদের উদ্দেশ্যে জলদান করার বিধি শাস্ত্রে উক্ত রয়েছে। এমন মহান চেতনা কেবল সনাতন শাস্ত্রেই বিদ্যমান।

#মহালয়াঃ
পিতৃতর্পণের সাথে মহালয়ার কি সম্পর্ক?
মহালয়= মহা+আলয়।‘মহ' শব্দটির অর্থ পূজা এবং আলয় শব্দটির অর্থ আশ্রয়। অর্থাৎ মহান যে আলয় বা আশ্রয়। 'মহালয়’অর্থ ‘পিতৃলোককে’বোঝায়, যে লোকে বিদেহী পিতৃপুরুষগণ অবস্থান করছেন। তাই, মহালয়ার অমাবস্যা তিথিতে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণাদি করার শাস্ত্রীয়বিধি ইতোপূর্বেই দিয়েছি। 'মহালয়া' হল পিতৃপক্ষের অবসানের তিথি। পিতৃপক্ষের অবসানে অন্ধকার অমাবস্যা পাড়ি দিয়ে আলোকময় দেবীপক্ষের আগমন বার্তাকে বহন করে মহালয়া। স্বয়ং দেবীদুর্গাই হচ্ছেন সেই মহান আশ্রয়, মহালয়া। মূলত মহালয়ার আয়োজন করা হয় এই কারণে, যেহেতু দুর্গাপূজা একটি সুবৃহৎ পূজা তাই এ পূজা যেন নিষ্ঠা ও ভক্তির সাথে সম্পন্ন হয়। তাই দেবীপক্ষের পূর্ববর্তী পক্ষে পিতৃপুরুষদের তিল-জল সমর্পণ করে তাদের আশীর্বাদ গ্রহণ করা। এবং তারপরেই দেবীপক্ষের পূজার্চনার শুভারম্ভ। মহালয়ার প্রভাতে শ্রীশ্রীচণ্ডী (দুর্গাসপ্তশতী) পাঠের বিধি রয়েছে।

সর্বোপরি, বাঙালি হিন্দুর সবচেয়ে বড় পূজা দুর্গাপূজা বা দুর্গোৎসব। কিন্তু অধিকাংশ হিন্দুরই দেবীদুর্গা বা দেবীমাহাত্ম্য সম্বন্ধে ধারণা সীমাবদ্ধ। বাঙালি হিন্দুর ইতিহাস ও সমসাময়িক সার্বিক অবস্থা থেকে পরিত্রাণের নিমিত্তে দেবীমাহাত্ম্য তথা শ্রীশ্রীচণ্ডী (দুর্গাসপ্তশতী) পাঠের অনুরোধ এবং মায়ের কৃপা প্রার্থণা করছি।

৩১ভাদ্র, ১৪৩২

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আপনার পাড়ার মন্দিরে মায়ের মূর্তিটি ধ্যানমন্ত্র অনুয়ায়ী গড়া হচ্ছে তো? আমি প্রতিটি মন্দির কর্তৃ...
22/08/2025

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আপনার পাড়ার মন্দিরে মায়ের মূর্তিটি ধ্যানমন্ত্র অনুয়ায়ী গড়া হচ্ছে তো? আমি প্রতিটি মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি, আধুনিকতার ছোয়ায় গা না ভাসিয়ে মায়ের মূর্তি ধ্যানমন্ত্র অনুসারেই গড়বেন। এবং ইতোমধ্যেই যে মন্দিরের মূর্তি গড়া হয়ে গেছে, ধ্যানমন্ত্র অনুযায়ী মিলিয়ে নেবেন। তা নাহলে মূর্তি মূর্তিই থেকে যাবে প্রতিমাতে রুপ নেবে কি করে?

জটাজুটসমাযুক্তামর্দ্ধেন্দুকৃতশেখরাং।লোচনত্রয়সংযুক্তাং পূর্ণেন্দুসদৃশাননাং‌‌॥
অতসীপুষ্পবর্ণাভাং সুপ্রতিষ্ঠাং সুলোচনাং।
নবযৌবনাসম্পন্নাং সর্ব্বাভরণভূষিতাং॥
সুচারুদশনাং তদ্বৎ পীনোন্নতপয়োধরাং।
ত্রিভঙ্গস্থানসংস্থানাং মহীষাসুরমর্দ্দিনীং॥
মৃনালায়তসংস্পর্শ-দশবাহুসমন্বিতামং।
ত্রিশূলং দক্ষিণে ধ্যেয়ং খড়্গং চক্রং ত্রমাদধঃ॥
তীক্ষবাণং তথা শক্তিং দক্ষিণেষু বিচিন্তয়েৎ।
খেটকং পূর্ণচাপঞ্চ পাশমঙ্কুশমেব চ॥
ঘন্টাং বা পরশুং বাপি বামতঃ সন্নিবেশয়েৎ।
অধস্তান্মহিষং তদ্বদ্বিশিরস্কং প্রদর্শয়েৎ॥
শিরচ্ছেদোদ্ভবং তদ্বদ্দানবং খড়্গপাণিনং।
হৃদি শূলেন নির্ভিন্নং নির্যদন্ত্রবিভূষিতং॥
রক্তারক্তীকৃতাঙ্গঞ্চ রক্তবিষ্ফুরিতেক্ষণং।
বেষ্টিতং নাগপাশেন ভূকুটিভীষণাননং॥
সপাশবামহস্তেন ধৃতকেশঞ্চ দুর্গয়া।
বমদ্রুধিরবক্ত্রঞ্চ দেব্যাঃ সিংহং প্রদর্শয়েৎ॥
দেব্যাস্তু দক্ষিণং পাদং সমং সিংহোপরিং স্থিতং।
কিঞ্চিদূর্দ্ধং তথা বামমঙ্গুষ্ঠং মহিষোপরি॥
প্রশন্নবদনাং দেবীং সর্বকামফলপ্রদাৎ।
স্তুয়মানঞ্চ তদ্রুপমমরৈঃ সন্নিবেশয়েৎ॥
উগ্রচণ্ডা প্রচণ্ডা চ চণ্ডোগ্রা চণ্ডনায়িকা।
চণ্ডা চণ্ডবতী চৈব চণ্ডরূপাতিচণ্ডিকা॥
অষ্টাভিঃ শক্তিভিস্তাভিঃ সততং পরিবেষ্টতাং।
চিন্তয়েজ্জগতাং ধাত্রীং ধর্ম্মকামার্থমোক্ষদাম্॥

অর্থঃ দেবীদুর্গা- কেশরাশিসমাযুক্তা, অর্ধেন্দুকৃতশেখরা এবং ত্রিনয়না। তাঁর বদন পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় সুন্দর, বর্ণ অতসীপুষ্পের ন্যায় হরিদ্রাভ। তিনি ত্রিলোকে সুপ্রতিষ্ঠিতা, নবযৌবনসম্পন্না, সর্বাভরণভূষিতা, সুচারুদশনা, পীনোন্নতপয়োধরা। তাঁর বামজানু, কটি ও গ্রীবা এই স্থানত্রয় কিঞ্চিৎ ত্রিভঙ্গভাবে সংস্থাপিত। তিনি মহিষাসুরমর্দ্দিনী এবং মৃনালের ন্যায় আয়ত ও মিলিত দশবাহুসমন্বিতা। তাঁর পঞ্চ দক্ষিণকরে ঊর্ধ হতে অধঃক্রমে ত্রিশুল, খড়্গ, চক্র, তীক্ষ্ণবান ও শক্তি এবং পঞ্চ বামকরে ঊর্ধ হতে অধঃক্রমে খেটক, জ্যারোপিত ধনু, পাশ, অঙ্কুশ ঘন্টা বা পরশু শোভিত। দেবীর পদতলে ছিন্নস্কন্ধ মহিষ এবং উক্ত মহিষের স্কন্ধদেশ হতে উদ্ভুত হয়েছে খড়্গপাণি এক দানব। দেবী কর্তৃক নিক্ষিপ্ত শূল ঐ দৈত্যের হৃদয় বিদীর্ণ করেছে; ফলে দৈত্যের শিরাসমূহ বিনির্গত এবং তার অঙ্গ রক্তাক্ত অক্ষিদ্বয় রোষকষায়িত। দেবী নাগপাশযুক্ত সৌম্য করে অসুরের কেশাগ্র ধারণ করেছেন। নাগপাশ হওয়াতে তার রুধির বমন হচ্ছে এবং ভূকুটিতে তার আনন ভীষণদর্শন হয়ে উঠেছে। দেবীর সরল দক্ষিণ চরণ সিংহপৃষ্ঠে এবং বাম পদাঙ্গুষ্ঠ কিঞ্চিদূর্দ্ধে মহিষাসুরের স্কন্ধদেশে সংস্থাপিত। দেবী অষ্টশক্তি কর্তৃক পরিবেষ্টিতা। যথাক্রমে- উগ্রচণ্ডা, প্রচণ্ডা, চণ্ডোগ্রা, চণ্ডোনায়িকা, চণ্ডা, চণ্ডাবতী, চণ্ডরুপা ও অতিচণ্ডিকা। তিনি ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ এই চতুর্বগের ফলদাত্রী ও জগদ্বাত্রী।
ধ্যানে প্রাপ্ত এ মুর্ত্তির দক্ষিণে লক্ষ্মী ও গণেশ এবং বামে সরস্বতী ও কার্ত্তিক কল্পনা করলে যা হয়; বঙ্গদেশে পূজিতা শারদীয়া দুর্গাপ্রতিমার পূর্ণাঙ্গ রুপ হল তাই।

শুভ জন্মাষ্টমী-১৪৩২আজ ভগবানের আবির্ভাব তিথি, জন্মদিন নয়। ভগবানের অবতার রুপ ধারণ করার তিনটি কারণ থাকে প্রথমত দুষ্কৃতদিগের...
16/08/2025

শুভ জন্মাষ্টমী-১৪৩২

আজ ভগবানের আবির্ভাব তিথি, জন্মদিন নয়। ভগবানের অবতার রুপ ধারণ করার তিনটি কারণ থাকে প্রথমত দুষ্কৃতদিগের বিনাশ, দ্বিতীয়ত সাধুদের পরিত্রাণ এবং তৃতীয়ত ধর্ম সংস্থাপন।

এ প্রসঙ্গে গীতা, চণ্ডী ও ভাগবদ পুরাণের ব্যাখা;
ইবং বিবস্বতে যোগং প্রোক্তবানহব্যয়ম্।
বিবস্বান মনবে প্রাহ মনুরিক্ষ্বাকাবেহব্রবীৎ।।(গীতা৪/১)
শ্রীভগবান বললেন, এ অব্যয়যোগ আমি সূর্যকে বলেছিলাম, সূর্য স্বপুত্র মনুকে এবং মনু (স্বপুত্র) ইক্ষাকুকে।

অপরং ভবতো জন্ম পরং জন্ম বিবস্বতঃ।
কথমেতদ্বিজানীয়াং ত্বমাদৌ প্রোক্তবানিতি॥ (গীতা৪/৪)
অর্জুন বললেন, হে ভগবান! আপনার জন্ম পরে, বিবস্বানের জন্ম পূর্বে; সুতরাং আপনি যে পূর্বে ইহা বলেছেন তাহা কিরুপে বুঝব?

বহূনি মে ব্যতীতানি জন্মানি তব চার্জুন।
তান্যহং বেদ সর্বাণি ন ত্বং বেত্থু পরন্তপ॥
অজোহপি সন্নব্যয়াত্মা ভূতানামীশ্বরোহপি সন্।
প্রকৃতিং স্বামধিষ্ঠায় সম্ভবাম্যাত্মমায়য়া॥(গীতা৪/৫,৬)
শ্রীভগবান বললেন, হে অর্জুন! তোমার এবং আমার বহু জন্ম অতীত হয়েছে; আমি সে সকল জানি, তুমি তাহা জান না।
আমি জন্মরহিত, অবিনশ্বর, এবং সর্বভূতের ঈশ্বর হইয়াও স্বীয়প্রকৃতিরে অধিষ্ঠান করিয়া আত্মমায়ায় অর্বিভূত হই।

যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত। অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্॥
পরিত্রাণায় সাধূণাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে॥(গীতা৪/৭,৮)
হে ভারত (অর্জুন),যখনই যখনই ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ্যুত্থান হয়, আমি সেই সময়ে নিজেকে সৃষ্টি করি।(দেহ ধারণপূর্বক অবতীর্ণ হই)।
সাধুদের পরিত্রান, দুষ্টদিগের বিনাশ ও ধর্মসংস্থাপনের জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হই।

এবার চণ্ডীতেও একই কথা
বৈবস্বতেহন্তরে প্রাপ্তে অষ্টাবিংশতিমে যুগে।
শুম্ভো নিশুম্ভশ্চৈবান্যাবুৎপৎস্যেতে মহাসুরৌ॥
নন্দগোপগৃহে জাতা যশোদাগৰ্ভসম্ভবা।
ততস্তৌ নাশয়িষ্যামি বিন্ধ্যাচলনিবাসিনী॥ (শ্রীশ্রীচণ্ডী১১/৪১-৪২)
দেবী বলিলেন, সৈবস্বত মনুর অধিকার সময়ে (সপ্তম মন্বন্তরে) অষ্টবিংশতি-সংখ্যক চতুর্যুগে (কলি ও দ্বাপরের সন্ধিতে) শুম্ভ ও নিশুম্ভ নামক অন্য মহাসুরদ্বয় উৎপন্ন হবে।
নন্দগোপগৃহে যশোদার গর্ভে জন্মগ্রহণ পূর্বক বিন্ধ্যাচলে অবস্থান করে আমি সেই অসুদ্বয় নাশ করব।

ইত্থু যদা যদা বাধা দানবোত্থা ভবিষ্যতি।
তদা তদাবতীর্যাহং করিষ্যাম্যরিসংক্ষয়ম্॥(শ্রীশ্রীচণ্ডী১১/৫৫)
এই প্রকারে যখনই দানবোদ্ভূতরবিঘ্ন উপস্থিত হবে, তখনই আমি অবির্ভূতা হইয়া দেব শত্রু অসুরগণকে বিনাশ করব।

এবং ভাগবতে দেবীদুর্গা বলছেন,
কিং ময়া হতাম মন্দ জাতঃ খলু তবান্তকৃৎ।
যত্র ক্ক বা পূর্বশত্রুর্মা হিংসী কৃপনাম্ বৃথা॥
(ভাগবদ পুরাণ১০/৪/১২)
হে মূর্খ কংশ! আমাকে বধ করে তোর কি হবে? তোর চিত্রু অবশ্যই তোকে বধ করবে; আমি চাইলে তোমাকে কটাক্ষে বিনাশ করতে পারি। কিন্তু করুণা বশত তোমাকে আমি এইক্ষণে ক্ষমা করছি।
'তোমারে বধিবে যে, গোকুলে বাড়িছে সে'।

জন্মদিনে লহ প্রণাম! হে 'মহিষাসুরমর্দিনী' সুরস্রষ্টা!১৯০৫ সালের ৪ আগস্ট উত্তর কলকাতায় মাতুলালয়ে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জ...
04/08/2025

জন্মদিনে লহ প্রণাম! হে 'মহিষাসুরমর্দিনী' সুরস্রষ্টা!

১৯০৫ সালের ৪ আগস্ট উত্তর কলকাতায় মাতুলালয়ে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্ম হয়। তাঁর আদি নিবাস অবিভক্ত ভারতের খুলনা জেলার উথালী গ্রামে (বর্তমানে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা, তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের উথালী গ্রাম)। সেখানে তিনি একটি দুর্গা মন্দির পুনঃ স্থাপিত করেন। যার নাম উথালী শারদ সম্মেলনী। মন্দিরটিতে আজও দুর্গাপূজা চলমান। তাঁর ডাকনাম ছিল বুশী। পিতা ছিলেন রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ও মা ছিলেন সরলাবালা দেবী। পরবর্তীকালে ঠাকুমা যোগমায়া দেবীর কেনা, রামধন মিত্র লেনে উঠে আসেন তার পরিবারবর্গ।

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। তিনি একাধিক ধ্রুপদি কাহিনি ও বেতার নাট্যের রূপ দেন। তিনি কলকাতার বাসিন্দা ছিলেন। পঙ্কজকুমার মল্লিক ও কাজী নজরুল ইসলামের সমসাময়িক বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র ১৯৩০-এর দশক থেকে সুদীর্ঘকাল আকাশবাণী কলকাতায় বেতার সম্প্রচারকের কাজ করেছেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের সর্বাধিক পরিচিতি তার 'মহিষাসুরমর্দিনী' (১৯৩১-বর্তমান) নামক বেতার সঙ্গীতালেখ্যটির জন্য। ১৯৩১ সাল থেকে অদ্যাবধি মহালয়ার দিন ভোর চারটের সময় কলকাতার আকাশবাণী থেকে এই অনুষ্ঠানটি সম্প্রসারিত হয়। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র এই অনুষ্ঠানের ভাষ্য ও শ্লোক/মন্ত্রপাঠ করেছেন। এই সময় থেকেই দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেবী দুর্গার পৌরাণিক কাহিনি অবলম্বনে দুই ঘণ্টার সঙ্গীতালেখ্য 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। এই অনুষ্ঠানটির গ্রন্থনা করেছিলেন বাণীকুমার ভট্টাচার্য এবং সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন পঙ্কজকুমার মল্লিক। আজও দুর্গাপূজা শুরু হয় এই অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে। এবং দুর্গাপূজার সূচনায় মহালয়ার দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠানটির রেকর্ড আকাশবাণী কলকাতা থেকে সম্প্রচারিত হয়। এই অনুষ্ঠানটি এতোটাই জনপ্রিয় যে, ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের পরিবর্তে জনপ্রিয় অভিনেতা উত্তম কুমারকে দিয়ে অন্য একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করলে, তা জনমানসে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে। আকাশবাণী কর্তৃপক্ষকে সেই অনুষ্ঠানের পরিবর্তে মূল 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠানটিই সম্প্রচারিত করতে হয়।

এই ঘটনার উপর ২০১৯ সালে চিত্রপরিচালক সৌমিক সেন 'মহালয়া' নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চরিত্রে রূপদান করেন শুভাশীষ মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে উত্তম কুমারের চরিত্রে অভিনয় করেন যীশু সেনগুপ্ত।

তিনি ৩ নভেম্বর, ১৯৯১ সনে ৮৬ বছর বয়সে পরলোক গমন করেন।

10/07/2025

গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বরঃ।
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ।।(গুরুগীতা২৬)

অমাবস্যা
26/03/2025

অমাবস্যা

Address

Thakurgaon

Telephone

+8801571399675

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tattakotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Tattakotha:

Share