Tashkil-তাশকীল

Tashkil-তাশকীল তোমরা আহ্বান করো তোমাদের রবের পথে, হিকমাহ এবং সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে। (সুরা-নাহল:১২৫)

বিশ্বপাপের উদ্বোধন হলো গাযযার র/ক্ত দিয়ে!জাহান্নামের আগুন এরচেয়েও কোটি কোটি গুণ বেশী তীব্র, ভয়াবহ এবং কষ্টদায়ক হবে। আল্ল...
12/06/2026

বিশ্বপাপের উদ্বোধন হলো গাযযার র/ক্ত দিয়ে!

জাহান্নামের আগুন এরচেয়েও কোটি কোটি গুণ বেশী তীব্র, ভয়াবহ এবং কষ্টদায়ক হবে।

আল্লাহুম্মাগফিরলী!
আল্লাহ আমাদের সুবোধ দান করুন, আ-মীন!

11/06/2026

রাসূল ﷺ বলেন, “যে ব্যক্তি যাকে ভালোবাসে (কিয়ামত দিবসে) সে তার সাথেই অবস্থান করবে।”

[সুনান আত তিরমিজি-২৩৮৭]

রানী এলিজাবেথ বাথার বিশ্বাস করতেন,কুমারী মেয়েদের রক্ত তাকে চিরযৌবনা রাখবে। আর তাই একের পর এক কুমারীকে হত্যা করতেন তিনি। ...
03/02/2026

রানী এলিজাবেথ বাথার বিশ্বাস করতেন,
কুমারী মেয়েদের রক্ত তাকে চিরযৌবনা রাখবে।
আর তাই একের পর এক কুমারীকে হত্যা করতেন তিনি। ইতিহাসে আলোচিত এই সিরিয়াল কিলার পশ্চিমা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যার খুনী ছিলেন। যিনি ব্লাড কাউন্টেস বা কাউন্টেস ড্রাকুলা নামেও পরিচিত।

নারী নিজের রূপ-যৌবন ধরে রাখতে ৬০০ কুমারী নারীর রক্ত পান করেছিলেন।
ইতিহাসবিদরা মনে করেই এই সংখ্যা হাজারেরও বেশি।

নিজেকে সুন্দর রাখতে শুধু যে কুমারী মেয়েদের রক্ত পান করতেন তাই না, সেই রক্তে গোসল করতেন এমনকি তাদের মাংসও খেতেন তিনি। তিনি ছিলেন যেমন বদমেজাজি, তেমনি হিংস্র আর অত্যাচারী

ছোট থেকেই অত্যাচারী মনোভাবের। অন্যের মৃত্যু যন্ত্রণা দেখে তিনি তৃপ্ত হতেন। খুব অল্পতেই তার রেগে যেতেন। খিঁচুনি আর মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে তিনি এমন হয়েছেন বলে মনে করেন অনেক ইতিহাসবিদ। আবার অনেক ইতিহাসবিদ লিখেছেন, তার পরিবারের অপরাধীরকে এমন কঠিন সব শাস্তি দেওয়ার ধরন তার মনে বেশ প্রভাব ফেলেছিল।

*** এ জন্য বাচ্চাদের সামনে রুক্ষতা,নিষ্ঠুরতা প্রকাশ করতে নেই।এমন কোন একশন দৃশ্য চালানো উচিৎ নয় যা কিনা হিংস্রতা। এগুলোর ইফেক্ট আজ না হোক কাল পড়বেই।**

বিয়ের আগেই মাত্র ১৩ বছর বয়সে মা হন এলিজাবেথ। এরপর ১৫ বছর বয়সে ফেরেন্স নাডাসডি নামে এক উচ্চবংশীয় লোকের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। ফেরেন্স ছিলেন হাঙ্গেরির রাজ্যের সেনাপতি। কথিত আছে, ফেরেন্স তার স্ত্রী এলিজাবেথের মতোই অত্যাচারী ছিলেন। অটোম্যান বন্দিদের উপর নির্মম অত্যাচার চালাতেন তিনি। নিজের দাসদের দুই পায়ের গোড়ালির মাঝে কাগজ রেখে আগুন ধরিয়ে দিতেন।

এছাড়াও অটোম্যানদের যুদ্ধে তার হিংস্রতা আর অমানবিকতার কারণে তাকে ডাকা হত ব্ল্যাক হিরো অব হাঙ্গেরি। বিয়ের কিছুদিন পরই ফেরেন্স যুদ্ধে চলে যান। তবে সেখান থেকে এলিজাবেথকে তিনি অত্যাচারের নতুন নতুন পন্থার কথা জানাতেন।

তার দাস দাসিদের হাতের তালুতে গরম লোহা রেখে দিত। তাদের যন্ত্রণায় পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করত বিকারগ্রস্ত এলিজাবেথ। সাঁড়াশি দিয়ে দাসদের আঙ্গুল টেনে ছিঁড়ে ফেলত। একবার এলিজাবেথ এমন এক কাজ করেন যা ছিল সব নৃশংসতার উর্ধ্বে। এক দাসীর শরীর থেকে মাংস কেটে তাকে দিয়ে রান্না করিয়ে তাকেই খেতে বাধ্য করেছিল সে। এছাড়াও মেয়েদের শরীরে মধু লাগিয়ে সারাদিন বাইরে রেখে দিত। যাতে মৌমাছি এবং অন্যান্য পোকামাকড় তাদের খেয়ে ফেলতে পারে।

স্বামী ফেরেন্সের মৃত্যুর পর এলিজাবেথ আরও বেশি নৃশংস হয়ে ওঠে। সে মেয়েদের নখে, ঠোঁটে, গালের নিচে সুঁই ফুটিয়ে রাখত, শরীর থেকে মাংস কেটে নিত। এলিজাবেথ এভাবেই ক্ষান্ত হয়নি। অনেক পুরুষের জীবনও নিয়েছে। বিয়ের আগে এবং তার স্বামীর মৃত্যুর পর অসংখ্য পুরুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিছুদিন পর নতুন একজনকে পেলে আগের জনকে মেরে ফেলত সে। এছাড়াও এলিজাবেথের সম্পর্কে আরও একটি তথ্য জানা যায়, তিনি উভকামী ছিলেন। তবে এ ব্যাপারে তেমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

১৬০৩ সালে রাজা কাউন্ট গির্জি থুরজোকে সিসজে ক্যাসলে এলিজাবেথকে বিচারের আয়তায় আনেন। সেসময় রাজ্যের অনেক মেয়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সবাই শঙ্কায় থাকত। তবে খুব একটা পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। একজন বিখ্যাত শিল্পী এলিজাবেথের প্রাসাদে গানের অনুষ্ঠান করতে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ হয়। এতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। আর তখনই ধরা পড়ে এলিজাবেথের অপকর্ম। সেসময় তার সঙ্গে চার সহযোগীকেও বিচারের আয়তায় আনা হয়।

*********
ইতিহাসে এসব জঘন্য কাজ প্রাচীন থেকেই চলে আসছে।
আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান এমন জাহেলের মুখোমুখি আপনাকে করেন নি।
আপনাকে এখনো আল্লাহ বাচিয়ে রেখেছেন তার নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের জন্য।সেই দায়িত্ব পালন করুন।আঞ্জাম দেন।

পশ্চিমাদের যারা আইডল মনে করে তাদের কাছে প্রচার করুন এদের কুকীর্তি, আপনার সহপাঠি ক্লাসমেট দের বলুন লুসিফার কি?কে?দাজ্জালের পুরো কনসেপ্ট ব্যাক্ত করুন।
এই সম্পর্কে বিশদ জ্ঞানঅর্জন করুন।

03/02/2026

এপস্টেইন ফাইলে আপনারা যা দেখতে পাচ্ছেন এটা শুধু ট্রেইলার। খুব ভালো সম্ভাবনা আছে এটা জাস্ট ইচ্ছা করেই পাবলিক করা হয়েছে বড় কোন কিছুকে সতর্ক করার জন্য!!

শয়তানের দ্বীপ এবং ক্ষমতার অন্ধকার খেলা!জেফরি এপস্টেইন কেবল একজন অপরাধী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতির প্র...
03/02/2026

শয়তানের দ্বীপ এবং ক্ষমতার অন্ধকার খেলা!

জেফরি এপস্টেইন কেবল একজন অপরাধী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এক 'কালো গহ্বর'। সাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ব্রিটিশ রাজপরিবার কিংবা টেক জায়ান্ট—সবার সাথেই ছিল তার দহরম-মহরম। তার ব্যক্তিগত ডায়েরি বা সেই কুখ্যাত 'ব্ল্যাক বুক'-এ যাদের নাম পাওয়া গেছে, তা দেখে সাধারণ মানুষের চোখ কপালে ওঠার দশা!
অপরাধের প্রধান কারিগর:

১. জেফরি এপস্টেইন (The Architect): তিনি ছিলেন এই চক্রের মগজ। ওয়াল স্ট্রিটের অর্থদাতা হিসেবে পরিচিতি পেলেও তার মূল কাজ ছিল প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলা। তিনি 'ললিটা এক্সপ্রেস' (তার ব্যক্তিগত বিমান) এবং তার ব্যক্তিগত দ্বীপে প্রভাবশালীদের আমন্ত্রণ জানাতেন এবং সেখানে চলত জঘন্য সব কর্মকাণ্ড। অভিযোগ আছে, তিনি ব্ল্যাকমেইল করার জন্য সবার গোপন ভিডিও ধারণ করে রাখতেন।
২. ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল (The Recruiter): এপস্টেইনের ডান হাত এবং দীর্ঘদিনের সঙ্গিনী। তার প্রধান কাজ ছিল কম বয়সী মেয়েদের ফুসলিয়ে এপস্টেইনের কাছে আনা। তিনি উচ্চবিত্ত সমাজের নারীদের সাথে মিশতেন এবং খুব কৌশলে তরুণীদের 'সহজ কাজের' প্রলোভন দিয়ে এই পা*চারচক্রে ঢুকিয়ে দিতেন। বর্তমানে তিনি ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত (The Influential Links):
• প্রিন্স অ্যান্ড্রু (রাজপরিবার): এই মামলার সবচেয়ে বিতর্কিত নাম। ভুক্তভোগী ভার্জিনিয়া জুফ্রে দাবি করেন, যখন তার বয়স মাত্র ১৭ ছিল, তখন তাকে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সাথে যৌ*নকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল। এর ফলে রাজপরিবার তাকে সব ধরনের সামরিক ও দাতব্য পদ থেকে সরিয়ে দেয়।
• বিল ক্লিনটন: এপস্টেইনের বিমানে ক্লিনটনের বহুবার যাতায়াতের রেকর্ড রয়েছে। যদিও ক্লিনটন দাবি করেন তিনি অপরাধ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, তবুও নথিপত্রে তার নাম আসায় বিতর্ক থামেনি।
• ডোনাল্ড ট্রাম্প: নব্বইয়ের দশকে ট্রাম্পের সাথে এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। পরবর্তীতে ট্রাম্প দাবি করেন তাদের মাঝে তিক্ততা সৃষ্টি হয়েছিল এবং তিনি এপস্টেইনকে তার ক্লাব থেকে বহিষ্কার করেছিলেন।
• বিল গেটস: ২০২১ সালে জানা যায় যে, এপস্টেইনের সাজা হওয়ার পরেও বিল গেটস তার সাথে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। অনেকের ধারণা, গেটসের ডিভোর্সের পেছনে এই এপস্টেইন কানেকশনও একটি বড় কারণ।
অপরাধের কাঠামো: তারা ঠিক কী করত? এপস্টেইন একটি সিস্টেমেটিক ট্র্যা*ফিকিং রিং চালাতেন।
• কি*শোরী সংগ্রহ: স্কুল বা দরিদ্র এলাকা থেকে মেয়েদের 'ম্যা*সাজ থেরাপিস্ট' হিসেবে কাজ দেওয়ার কথা বলে আনা হতো।
• পিরামিড স্কিম: একজন মেয়েকে আনা হলে তাকে বলা হতো আরও বন্ধু নিয়ে আসতে, বিনিময়ে তাকে টাকা দেওয়া হতো।
• যৌ*ন দাসত্ব: মেয়েদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হতো এবং তাদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যা*তন চালিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মনোরঞ্জনে ব্যবহার করা হতো।
বিচারের শেষ কোথায়? ২০১৯ সালে এপস্টেইনের রহস্যময় মৃত্যুর পর অনেক রাঘব-বোয়াল ভেবেছিলেন তারা বেঁচে গেলেন। কিন্তু ২০২৪-এর শুরুতে উন্মোচিত হওয়া ৫০০০ পৃষ্ঠার নথি প্রমাণ করছে যে, সত্য ধামাচাপা দেওয়া অসম্ভব।
এপস্টেইন মারা গেছেন, কিন্তু তার অপরাধের ক্ষত রয়ে গেছে শত শত নারীর জীবনে। সম্প্রতি আদালত থেকে উন্মুক্ত হওয়া এই 'এপস্টেইন লিস্ট' বিশ্ববিবেকের সামনে এক ভয়ংকর সত্য তুলে ধরেছে। এটি কেবল কিছু কাগজের নথি নয়, বরং জৌলুসময় জীবনের আড়ালে মানুষের বীভৎস লাল*সার এক জীবন্ত দলিল। এই নথিগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, ক্ষমতা আর অর্থের দাপট থাকলে কীভাবে আইনকেও বছরের পর বছর বুড়ো আঙুল দেখানো যায়।
সভ্য সমাজের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ানো এই মানুষগুলো আসলে এক একজন হিংস্র হা*য়েনা। তারা দামী স্যুট-টাই পরেন, বিলাসবহুল প্রাসাদে থাকেন আর জনকল্যাণের বুলি আওড়ান; কিন্তু এর আড়ালে লিপ্ত থাকেন মানব ইতিহাসের নিকৃষ্টতম সব অপরাধে।
সমকালীন প্রকাশন
সুন্দর জীবনের জন্য

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।একদিন তাকে বলা হলো, তাকে...
02/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।

একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)।

সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে।

যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল।

সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে।

কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।

মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর।

এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?

জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত।

এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।

কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না।

'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়।

সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।

বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোস।দ এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।

আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"

কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে।

কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল।

যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।

এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।

আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?

ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।

কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন?

হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জ।হ।ন্ন।মে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।



#এপস্টিন_ফাইল #ইউনূস

02/02/2026

১৮+ অ্যালার্ট
( প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না)

আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন।

আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খাবেন।

কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে।

গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে।

এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো।

ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল।

এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল।

এপস্টেইন এবং তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে।

ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ‌‌‌‌*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ‌‌‌*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত।

তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।

সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো একটু বড় বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।

প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।

এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।

এদের মধ্যে বয়স বেশি এমন মেয়েও ছিল তবে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যেত।

এইসব জঘন্য অপকর্মের ব্যাপারে বহুবার বহুজন মুখ খুলতে চেয়েছিল কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি।

২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।

এরপর ওই মেয়েকে আর কোথাও দেখা যায়নি। তাকে স্রেফ গায়েব করে দেয়া হয়েছিল।

ব্রাউন নামের এক সাংবাদিকও এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করতে চেয়েছিল। পরে তাকে জেলে ভরা হয় এবং ২০১৯ সালে আশ্চর্যজনকভাবে জেলেই তার মৃ*ত্যু হয়। মূলত তাকেও মে*রে ফেলা হয়েছিল।

এপস্টেইন নামক লোকটা এতসব বাচ্চা মেয়েকে সাপ্লাই দিতো এবং জঘন্য কাজে সাহায্য করতো যাতে সে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনীতিবীদদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারে এবং গোয়েন্দা বাহিনীদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।

ক্ষমতা এবং স্বার্থের লোভেই তাদের বাহিনীগুলো এতবছর ধরে এ নোংরা কাজগুলো করে আসছিল।

বিল গেটস পর্যন্ত এসবের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। রাশিয়ান এক মেয়ের সাথে যৌ‌ন সম্পর্ক করে STD রোগে আক্রান্ত হয়েছিল সে। এজন্যে তার ওয়াইফকেও রেগুলার ভ্যাকসিন নিতে হতো।

শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে।

শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

এমনকি এসবের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তির সাথে ড. মোহাম্মদ ইউনূসেরও ভালো সম্পর্ক আছে সেটা এই ফাইল থেকেই জানা যায়।

ফাইলটার একটা অংশে এটা উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে-

"কিছুদিন আগে ইসাবেল এবং আমি আমাদের খুব ভালো বন্ধু কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিংকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম।

আর আগামী রবিবার (৩রা অক্টোবর), ইউনূস হতে যাচ্ছেন সিম্পসন লিজেন্ডের (The Simpsons) একটি অংশ।"

এই যে এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য।

আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে হুশিয়ারি আসতো।

অথচ ক্ষমতার মসনদে থাকা আমেরিকার বিলিয়নিয়াররা এসব করেছে বলে পুরো বিশ্ব নিশ্চুপ।

যেসব পশ্চিমা নেতাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, বিজ্ঞানীদের সম্মান করি, সেলিব্রিটিদের দেখলে আনন্দে আত্মহারা হই তাদের মানসিকতাই এমন জঘন্য, কলুষিত।

এই পশ্চিমারাই আমাদেরকে নারী অধিকার শিখায়, নারীর ক্ষমতায়ন শেখায় অথচ এরাই আবার ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে খেতে দুইবার ভাবে না!

(কমেন্টে সমস্ত নথিপত্র এবং প্রমাণগুলো দেয়া হলো)

- Ibrahim Khalil Shawon

একটি পাশবিক ঘটনা ঘটে গেছে বাংলাদেশে অথচ কেউ কথা বলছে না! ঢাকার ধামরাইয়ে এক মুসলিম দম্পতি বেড়াতে গিয়েছিলেন হি'ন্দু সহকর্ম...
20/01/2026

একটি পাশবিক ঘটনা ঘটে গেছে বাংলাদেশে অথচ কেউ কথা বলছে না!

ঢাকার ধামরাইয়ে এক মুসলিম দম্পতি বেড়াতে গিয়েছিলেন হি'ন্দু সহকর্মী কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাসের বাড়িতে। সেখান থেকে রাত ১২টায় তাদেরকে নেওয়া হয় মনিদাসের বোনের বাড়িতে।

তারপর রাতের বেলা সাতজন হি'ন্দু এসে রাতভর ধ'র্ষণ করে। সেই সঙ্গে গৃহবধূর কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের বালাসহ সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণের গহনা ছিনিয়ে নেয়। দিনের বেলা বিচার চাইলে সজিব চন্দ্রমনি দাসহ অনেকে তাদেরকে পিটিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দেয়।

এই ঘটনা শোনার পর কোনো আল্লাহর বান্দার কি স্থির থাকা সম্ভব? মুসলিম মেজরিটি একটা দেশে এই ঘটনা ঘটানোর সাহস কিভাবে পেলো? আমাদের ইসলামিক নেতৃবৃন্দ কোথায়?

আরেকটি প্যাটার্ন লক্ষ করুন। যে এলাকায় ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে সেই এলাকার

ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বারঃ মন্টু চন্দ্র মনি দাস

যে বলে, "যে বাড়িতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, আমি ওই বাড়িতে গিয়ে কাউকে খুঁজে পাইনি। এছাড়া ধর্ষকদেরও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।"

এলাকাটি ধামরাই থানার অধিন।

সেখানকার এএসআইঃ হারাধন সরকার

যে বলে, "আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। ওই ভিকটিম এবং ধর্ষণকারীদের খুঁজে পাইনি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"

মুসলিমদের দিন শেষ
সংখ্যালঘুদের বাংলাদেশ!

রজব মাস প্রায় যায় যায় করছে। শীঘ্রই আসছে শাবান মাস। তারপরেই আসবে রামাদান।রজব মাস আসলেই আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ও...
14/01/2026

রজব মাস প্রায় যায় যায় করছে। শীঘ্রই আসছে শাবান মাস। তারপরেই আসবে রামাদান।

রজব মাস আসলেই আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদানের জন্য দুয়া করা শুরু করতেন। তিনি পড়তেন—‘আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজাবা ওয়া শাবান৷ ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’

দুয়ার মধ্যে তিনি রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করে দেওয়ার দুয়া করতেন আল্লাহর কাছে। আর বলতেন—আল্লাহ যেন রামাদান পর্যন্ত পৌঁছে দেন। মানে, রামাদান পর্যন্ত যেন রাব্বুল আলামীন হায়াতের সাথে পৌঁছার তাউফিক রাখেন।

রজব আর শাবান মাসে বরকত বলতে আদতে তিনি কী চাইতেন? তিনি চাইতেন—এই দুটো মাসে তিনি যেন সর্বোচ্চ ইবাদাত, আমলের মাধ্যমে রামাদানের জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারেন। সালাত, সিয়াম, কিয়াম, যিকির, দুয়া ইত্যাদিতে নিমগ্ন থেকে যেন নিবিড়ভাবে বরণ করে নিতে পারেন রামাদানকে।

আদতে তিনি তো তাঁর উম্মতকে শিখিয়ে গেছেন।

কিন্তু বলুন তো, আমল তো দূর, এই যে গোটা একটা রজব মাস চলে গেল, আমরা ক’বার এই দুয়াটা পড়েছি?

এই রজব মাসে কয় রাত আমরা তাহাজ্জুদের জন্য জেগেছি?

কয়দিন আমরা সিয়াম রেখেছি এই রজব মাসে? তিলাওয়াত করেছি কয়পাতা কুরআন?

আমাদের সালাফগণ বলতেন—

‘রজব হলো বীজ বপনের মাস৷ শাবান ফলো পানি দেওয়ার সময়৷ আর রামাদান হলো ফসল উত্তোলনের মাস।’

বাড়তি আমলের বীজ বপন তো দূরের কথা, এই রজব মাসেই হয়তো আমাদের কতো লোকের পাঁচ ওয়াক্ত সালাতগুলোই কাযা হয়ে যাচ্ছে!

©আরিফ আজাদ

Address

Tangail
1902

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tashkil-তাশকীল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Tashkil-তাশকীল:

Share