শঙ্খচিল

শঙ্খচিল খোঁজবে তুমিও, হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া
পুরনো সেই মানুষটিকে 🤍

বি দ্র:[এই পেইজের প্রায় পোষ্ট গুলো কালেক্ট করা ]

সারা বাংলাদেশে নাসীর উদ্দীন পাটোয়ারী একজনই। আজ তিনি যে ইউনিক স্টাইলে প্রতিবাদ করলেন, যাকে বলা যায় শব্দহীন প্রতিবাদ।কয়েকদ...
03/08/2026

সারা বাংলাদেশে নাসীর উদ্দীন পাটোয়ারী একজনই। আজ তিনি যে ইউনিক স্টাইলে প্রতিবাদ করলেন, যাকে বলা যায় শব্দহীন প্রতিবাদ।

কয়েকদিন আগে বিএনপি নেতাদের হামলায় অল্পবয়সী ছেলে আলিফ একটি চোখ হারায়। সেই আলিফের প্রতি সংহতি ও সহমর্মিতা জানাতেই আজ নাসীর উদ্দীন পাটোয়ারী চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে মঞ্চে উপস্থিত হন।

কোনো স্লোগান নয়, কোনো দীর্ঘ বক্তব্য নয়৷ এক টুকরো ব্যান্ডেজই আজ অনেক কথা বলে দিল।

বিএনপির হামলায় চোখ হারানো আলিফকে সহমর্মিতা জানিয়ে চোখে ব্যান্ডেজ পড়ে মঞ্চে আসলেন নাসির পাটওয়ারী৷
03/08/2026

বিএনপির হামলায় চোখ হারানো আলিফকে সহমর্মিতা জানিয়ে চোখে ব্যান্ডেজ পড়ে মঞ্চে আসলেন নাসির পাটওয়ারী৷

১৩ বছর বয়সী মা আদালতে আসছে তার ৭ মাসের সন্তানকে ফিরে পেতে 😰এই কিশোরী মায়ের নাম জুঁই। বয়স মাত্র ১৩ বছর। অথচ তার কোলে য...
30/07/2026

১৩ বছর বয়সী মা আদালতে আসছে তার ৭ মাসের সন্তানকে ফিরে পেতে 😰

এই কিশোরী মায়ের নাম জুঁই। বয়স মাত্র ১৩ বছর। অথচ তার কোলে যে ফুটফুটে শিশুটিকে দেখা যাচ্ছে, সে-ই তার সাত মাসের সন্তান।

মাত্র ১১ বছর বয়সে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২২ বছর বয়সী সাকিব মিয়াকে বিয়ে করে জুঁই। এক বছরের মাথায় তাদের সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু সন্তান জন্মের পরপরই স্বামী ও শাশুড়ি শিশুটিকে রেখে জুঁইকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

নিজের সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য এই কিশোরী মা আদালতের দ্বারস্থ হন। শেষ পর্যন্ত আইনের সহায়তায় তিনি তার সাত মাসের সন্তানকে ফিরে পান।

মাত্র ১১ বছর বয়সে বিয়ে, অল্প বয়সে মাতৃত্ব, সংসার থেকে বিতাড়িত হওয়া সব মিলিয়ে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে এই ছোট্ট মেয়েটিকে। যে বয়সে তার স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই বয়সেই তাকে লড়তে হয়েছে সংসার, মাতৃত্ব আর আদালতের লড়াই।

তবে সবকিছুর মাঝেও একটি বিষয় হৃদয় ছুঁয়ে যায় সেটা হলো মায়ের ভালোবাসার কোনো বয়স হয় না। মা কিশোরী হোন কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক, সন্তানের প্রতি তার ভালোবাসা, মায়া আর টান সবসময়ই সমান গভীর।

© Tulon

একজন বাবার পোস্ট দেখলাম৷ তিনি লিখলেন...মেয়েটা সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছে আমি তখন টেবিলে নাস্তা করতেছি৷ দেখলাম...
29/07/2026

একজন বাবার পোস্ট দেখলাম৷ তিনি লিখলেন...

মেয়েটা সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছে আমি তখন টেবিলে নাস্তা করতেছি৷ দেখলাম সে বের হয়ে গেল একটু পরে আবার সে ফিরে আসলো ভাবলাম কিছু রেখে গেছে৷ কিন্তু না সে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে আদর করলো আর বলল বাবা আমি তো তোমাকে আদর করে যাইনি৷ সত্যিই মায়ের পরে যদি পুরুষ মানুষের কষ্ট কেউ বোঝে মন থেকে ভালবাসে সে তার কন্যা সন্তান।

আসলেই সত্য! একজন বাবার নীরব ভালোবাসা, তার ত্যাগ আর পরিশ্রম এসব সবচেয়ে গভীরভাবে অনুভব করতে পারে তার কন্যা সন্তান। বাবারা হয়তো সব সময় ভালোবাসা মুখে প্রকাশ করতে পারেন না, কিন্তু মেয়ের একটি আলিঙ্গন, একটি "ভালোবাসি বাবা" তাদের পুরো পৃথিবীটাই বদলে দিতে পারে।

মেয়েরা শুধু বাবার রাজকন্যাই নয়, তারা বাবার সবচেয়ে বড় মানসিক শক্তি। পৃথিবীর হাজারো দুশ্চিন্তা আর কষ্টের মাঝেও একটি কন্যা সন্তানের হাসি একজন বাবাকে আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখায়।

আল্লাহ পৃথিবীর প্রতিটি বাবা-মেয়ে সম্পর্ককে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর সুখে ভরে রাখুন ❤

Follow: Men's Heaven by Tulon

সামনের যে ছেলেটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বসিত, ওর নাম তাহসিন।মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় তাহসিন হ...
28/07/2026

সামনের যে ছেলেটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বসিত, ওর নাম তাহসিন।

মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় তাহসিন হারিয়েছে তার বড় বোন তাসনিয়াকে।

তাহসিনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল একটি হিলিং সেশনে। সেদিন কাঁদতে কাঁদতে ও বলেছিল সেই দিনের কথা। তাহসিন তখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত, তাসনিয়া ছিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তারা ছিল স্কুলের দুটি ভিন্ন ভবনে, দুটি আলাদা শ্রেণিকক্ষে।
যুদ্ধবিমানটি আছড়ে পড়ে তাসনিয়ার ভবনে। বিস্ফোরণের পর তাহসিন প্রাণপণে খেলার মাঠ পেরিয়ে বোনকে খুঁজতে ছুটে যায়। অপরিচিত ব্যক্তির কাছে শুনে ছোট্ট হাতে স্যালাইন আর পানি জোগাড় করে দাঁড়িয়ে থাকে এই বিশ্বাসে সে হয়তো বোনকে বাঁচাতে পারবে।

হিলিং প্রোগ্রামের এক আর্ট থেরাপি সেশনে সবাইকে তাদের প্রিয় মানুষকে চিঠি লিখতে বলা হলে তাহসিন বাংলিশে লিখেছিল—

"Amar kosto onek. Ami amar priyo bonke hariye felechi. She mara geche. Oke ami onek onek miss kori. O amar best friend. Oke ami hariye felechi..."

সেই চিঠি দেখে তাহসিনের সাথে সাথে সেদিন আমরা সবাই কেঁদেছি। এরপর চিঠিটি কাগজের নৌকা বানিয়ে পানিতে ভাসিয়ে দেয় তাহসিন। (চিঠির ফোনে তোলা একটি ছবি কমেন্ট বক্সে)

কয়েক দিন আগেও মাইলস্টোনে তাহসিনের সঙ্গে আমার দেখা। বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রথমেই আমি ওকে খুঁজেছিলাম।
শান্ত তাহসিন। শান্ত দুটি চোখ।
হয়তো ও হাসে, বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে, বাসায় কোনো মজার কার্টুন দেখে, কিংবা বাবা-মায়ের সঙ্গে খাবার টেবিলে। কিন্তু আমি কখনও সেই হাসিটা দেখিনি। আমার মনে পড়ে শুধু সেই ছোট্ট হাত দুটো, আর মনে পড়ে বোনকে লেখা সেই চিঠির কথা।

আজ তাহসিনকে হাসতে দেখে হঠাৎ করেই আমার পৃথিবীটা হেসে উঠলো।
পৃথিবীর সকল শিশু হাসুক, বাঁচুক নিরাপদে!♥️

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই বিদেশি নাগরিকের আর্তনাদ কি আপনার কানে পৌঁছাবে না?আমেরিকান নাগরিক...
28/07/2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই বিদেশি নাগরিকের আর্তনাদ কি আপনার কানে পৌঁছাবে না?

আমেরিকান নাগরিক গ্যারিসন লুটেল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ঘুরছেন শুধু একটি আশায়৷ নিজের সন্তানকে একবার বুকে জড়িয়ে ধরবেন।

২০১৮ সালে তিনি ফারহানা করিমকে বিয়ে করেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রে সংসার করতেন এবং তাদের একটি ছেলে সন্তান হয়। ২০২৩ সালে ফারহানা আবার অন্তঃসত্ত্বা হলে পরিবারের সঙ্গে থাকার কথা বলে বাংলাদেশে আসেন। কিন্তু বাংলাদেশে আসার পর ধীরে ধীরে গ্যারিসনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে গ্যারিসন নিয়মিত অর্থ পাঠিয়ে গেলেও তিনি কোনো খোঁজখবর পাচ্ছিলেন না।

বারবার যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশে আসেন। কিন্তু এখানেও অভিযোগ অনুযায়ী, স্ত্রী তার সঙ্গে দেখা করতে রাজি হননি, এমনকি সন্তানদেরও দেখতে দেননি।

পরবর্তীতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় তিনি ফারহানার বাসায় গেলে জানতে পারেন, তিনি অন্য একজন কানাডিয়ান নাগরিকের সঙ্গে বসবাস করছেন এবং তাকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করছেন। এদিকে এরই মধ্যে আরেকটি সন্তানও জন্ম নিয়েছে।

এরপর থেকে গ্যারিসন বাংলাদেশের আদালত ও বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে নিজের সন্তানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ চেয়ে আসছেন। কিন্তু তার দাবি অনুযায়ী, এখনো কোনো কার্যকর সমাধান পাননি। শেষ পর্যন্ত তিনি গলায় ব্যানার ঝুলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।

একজন বাবা তার সন্তানের জন্য কতটা অসহায় হলে এভাবে রাস্তায় নেমে সাহায্য চাইতে বাধ্য হন?

যদি এই ঘটনায় আইনগতভাবে তার পক্ষে অধিকার থেকে থাকে, তাহলে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত তদন্তের মাধ্যমে সন্তানের সঙ্গে দেখা করার এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।

একজন বাবার এই আকুতি যেন আর অবহেলায় হারিয়ে না যায়। ❤️

#তারেকরহমান #গ্যারিসনলুটেল

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে এরকম রেকর্ড আর কারো আছে ?আমার জানা নেই । তবে ২০০০ সালের পর এরকমটা আর হয় নি । আর্জেন্টিনা...
20/07/2026

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে এরকম রেকর্ড আর কারো আছে ?

আমার জানা নেই ।

তবে ২০০০ সালের পর এরকমটা আর হয় নি ।

আর্জেন্টিনাই বোধহয় বিশ্বকাপের একমাত্র ফাইনালিস্ট যারা ৯০ মিনিটের ভেতর প্রতিপক্ষের জালে—

একটা অন টার্গেট শট রাখতে পারে নাই ।
একটা অফ টার্গেট শট রাখতে পারে নাই ।
পুরো নব্বই মিনিটে বিপক্ষ দলের ডিবক্সে টাচ মাত্র ২ টা ।

ম্যাচের ১১০ মিনিট অবধিও এই একই চিত্র দেখলাম।

কোনো চান্স ক্রিয়েট নাই। গোলের কোনো সম্ভাবনা নেই । পুরো ম্যাচেই স্পেনের গোলকিপার সিমোনেকে একটা সিঙ্গেল সেভ দিতে হয় নাই ।

এটা অবিশ্বাস্য ভাই! জাস্ট অবিশ্বাস্য ।

অথচ এমিকে সেভ দিতে হয়েছে ১০ টারও বেশি ।

ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচ জেতার পর আমি যখন আর্জেন্টিনারে এপ্রিশিয়েট করে লিখলাম ,

"এই টিমটার গতো বিশ্বকাপের মতো পারফরম্যান্স নাই ।

জাস্ট মেসির ইনক্রেডিবল পারফরম্যান্সে আর তাদের লড়াকু মানসিকতা ও এফোর্ট দিয়ে এতটুকু এসেছে...

একজন গালি দিয়া বললো, পারফর্ম না থাকলে ফাইনালে উঠে ? '

গতবারের ফাইনাল আর্জেন্টিনা যে ডমিনেটিংটা করছে এবার তার ছিঁটেফোঁটা নাই ।

আজকে হ্যাপহ্যাজার্ডলি যা পাস খেলছে , তারচেয়ে বেশি অকারণে ফাউল করছে ।

২০১০ থেকে বিশ্বকাপ দেখি , এত একপেশে বিশ্বকাপ ফাইনাল আর কখনোই দেখি নাই ।

এই টিমকে দেখে মনে হচ্ছেই না এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে দুর্দান্ত কামব্যাকগুলো দেওয়া দলটা এই খেলা খেলছে....

Just frustrating.

Yet I can still remember the last World Cup and feel that thrill...

"দেখছি বলে" ৬ মাস ঘুরানোর চেয়ে, সাথে সাথে ১টা ফোন করাটাই আসল নেতৃত্ব।আমাদের দেশে অভিযোগ নিয়ে কোনো জনপ্রতিনিধি বা দায়িত্ব...
19/07/2026

"দেখছি বলে" ৬ মাস ঘুরানোর চেয়ে, সাথে সাথে ১টা ফোন করাটাই আসল নেতৃত্ব।

আমাদের দেশে অভিযোগ নিয়ে কোনো জনপ্রতিনিধি বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে গেলে অনেকেই পরিচিত দুটি উত্তর শুনে থাকেন
"দেখছি।"
"পরে আসেন।"

এরপর শুরু হয় দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘোরাঘুরি। এক অফিস থেকে আরেক অফিস, এক টেবিল থেকে আরেক টেবিল। কিন্তু সমাধান আর মেলে না।

কিন্তু হাসনাত আব্দুল্লাহর কাজটা আলাদা৷

একজন নারী অভিযোগ নিয়ে যান এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে। তাঁর অভিযোগ ছিল, "বাবার বাড়ির সম্পত্তিতে ন্যায্য অধিকার থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও তিনি কোনো সমাধান পাননি।

আরও একটি বিষয় ছিল তিনি দেবীদ্বারের বাসিন্দা নন, তিনি কসবা থানার মানুষ।

অনেকেই হয়তো এখানেই দায়িত্ব এড়িয়ে যেতেন। কিন্তু হাসনাত আব্দুল্লাহ তা করেননি।

তিনি সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট (UNO)-কে ফোন করেন এবং বলেন,

"একজন নারী আপনার অফিসে আসবেন। তিনি সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।"

এরপর ওই নারীকে বলেন,

"আগামী সোমবার ইউএনও অফিসে যান। আমি কথা বলে দিয়েছি। তারপরও যদি সমাধান না হয়, আমাকে আবার জানাবেন।"

ব্যস, একটি ফোনকল। কিন্তু সেই ফোনকলে একজন অসহায় মানুষের মনে জন্ম নিল নতুন আশার আলো।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই নারী বলেন,

"এই জমির জন্য আমি কত জায়গায় গিয়েছি। অনেকেই আমার কথা শোনেনি, দরজাও খুলে দেয়নি। আমি কসবার মানুষ হয়েও আত্মবিশ্বাস নিয়ে হাসনাত ভাইয়ের কাছে এসেছি। জানতাম, উনি আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না। আল্লাহ উনাকে অনেক বড় করুন। উনি শুধু দেবীদ্বারের নন, উনি পুরো বাংলাদেশের।" 🖤

আমাদের সমাজে অনেক সময় গরিব মানুষের অভিযোগ গুরুত্ব পায় না। কোথাও দালাল লাগে, কোথাও টাকা লাগে, কোথাও বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়।

সেই জায়গায় যদি কোনো জনপ্রতিনিধি অভিযোগ শোনার সঙ্গে সঙ্গেই দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার উদ্যোগ নেন, তাহলে সেটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।

কারণ, নেতৃত্ব শুধু বক্তৃতা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নেতৃত্ব হলো মানুষের সমস্যার সময় পাশে দাঁড়ানো, তাদের কথা শোনা এবং নিজের সামর্থ্যের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

আল্লাহ হাসনাত আব্দুল্লাহকে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আরও তাওফিক দান করুন এবং তাঁর কাজে বরকত দিন। আমিন।

#কালেক্টেড #হাসনাত

মানুষ কি তার মৃ-ত্যু-র খবর আগ থেকেই টের পায়?মিমু নামে একজন বোন চার দিন আগে লিখেছিলেন, "কারো কোন গীবত করলে বা কারো কোন ক্...
18/07/2026

মানুষ কি তার মৃ-ত্যু-র খবর আগ থেকেই টের পায়?

মিমু নামে একজন বোন চার দিন আগে লিখেছিলেন, "কারো কোন গীবত করলে বা কারো কোন ক্ষতি করলে বা কষ্ট দিলে সবাই মাফ করে দিয়েন। আমার জন্য দোয়া করিয়েন। আল্লাহ ভালো রাখুন সবাইকে। আমার হাতে হয়ত আর সময় নাই। মৃ-ত্যু কষ্ট ভীষণ কষ্ট, কিন্তু আল্লাহ পরকাল সব, ইমানের সাথে মৃ-ত্যু সব।"

তার ঠিক কদিন পরেই তিনি আল্লাহর জিম্মায় চলে যান৷ তিনি ৪৫তম বিসিএস লাইভস্টক ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এর ডিভিএম অনুষদের প্রাক্তন ছাত্রী Dr.Ayesha Saliha Mimu

আপু দীর্ঘদিন মারণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে আজ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন, তাঁর সকল গুনাহ মাফ করে দিন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময় ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন।দ

ছেলেটির নাম মাহিম। তার সাথে থাকা একটি ব্যাগে নগদ ৬৪ হাজার টাকা এবং বেশকিছু খেলনা পাওয়া গেছে। ছেলেটির ভাষ্যমতে তার বাবা, ...
17/07/2026

ছেলেটির নাম মাহিম। তার সাথে থাকা একটি ব্যাগে নগদ ৬৪ হাজার টাকা এবং বেশকিছু খেলনা পাওয়া গেছে। ছেলেটির ভাষ্যমতে তার বাবা, মায়ের সাথে ঝ*গড়া করে বাসা থেকে বের হয়ে এসেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ছেলেটিকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে আউট ডোরে বসে থাকতে দেখে হাসপাতালের কয়েকজন আনসারের সন্দেহ হয়। পরে তার সাথে থাকা ব্যাগটি তল্লাসি করলে টাকা ও খেলনাগুলো পাওয়া যায়। বর্তমানে ছেলেটি মাদারীপুর সদর হাসপাতালে দ্বায়িত্বরত আনসার সদস্যদের কাছে রয়েছে। ছবি দেখে তাকে কেউ চিনলে সদর হাসপাতালে যোগাযোগ করতে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা ছেলেটির বাড়ি শিবচর!🙂

Address

Tangail

Telephone

+971553121477

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শঙ্খচিল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to শঙ্খচিল:

Shortcuts

Share