19/07/2026
"দেখছি বলে" ৬ মাস ঘুরানোর চেয়ে, সাথে সাথে ১টা ফোন করাটাই আসল নেতৃত্ব।
আমাদের দেশে অভিযোগ নিয়ে কোনো জনপ্রতিনিধি বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে গেলে অনেকেই পরিচিত দুটি উত্তর শুনে থাকেন
"দেখছি।"
"পরে আসেন।"
এরপর শুরু হয় দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘোরাঘুরি। এক অফিস থেকে আরেক অফিস, এক টেবিল থেকে আরেক টেবিল। কিন্তু সমাধান আর মেলে না।
কিন্তু হাসনাত আব্দুল্লাহর কাজটা আলাদা৷
একজন নারী অভিযোগ নিয়ে যান এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে। তাঁর অভিযোগ ছিল, "বাবার বাড়ির সম্পত্তিতে ন্যায্য অধিকার থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও তিনি কোনো সমাধান পাননি।
আরও একটি বিষয় ছিল তিনি দেবীদ্বারের বাসিন্দা নন, তিনি কসবা থানার মানুষ।
অনেকেই হয়তো এখানেই দায়িত্ব এড়িয়ে যেতেন। কিন্তু হাসনাত আব্দুল্লাহ তা করেননি।
তিনি সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট (UNO)-কে ফোন করেন এবং বলেন,
"একজন নারী আপনার অফিসে আসবেন। তিনি সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।"
এরপর ওই নারীকে বলেন,
"আগামী সোমবার ইউএনও অফিসে যান। আমি কথা বলে দিয়েছি। তারপরও যদি সমাধান না হয়, আমাকে আবার জানাবেন।"
ব্যস, একটি ফোনকল। কিন্তু সেই ফোনকলে একজন অসহায় মানুষের মনে জন্ম নিল নতুন আশার আলো।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই নারী বলেন,
"এই জমির জন্য আমি কত জায়গায় গিয়েছি। অনেকেই আমার কথা শোনেনি, দরজাও খুলে দেয়নি। আমি কসবার মানুষ হয়েও আত্মবিশ্বাস নিয়ে হাসনাত ভাইয়ের কাছে এসেছি। জানতাম, উনি আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না। আল্লাহ উনাকে অনেক বড় করুন। উনি শুধু দেবীদ্বারের নন, উনি পুরো বাংলাদেশের।" 🖤
আমাদের সমাজে অনেক সময় গরিব মানুষের অভিযোগ গুরুত্ব পায় না। কোথাও দালাল লাগে, কোথাও টাকা লাগে, কোথাও বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়।
সেই জায়গায় যদি কোনো জনপ্রতিনিধি অভিযোগ শোনার সঙ্গে সঙ্গেই দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার উদ্যোগ নেন, তাহলে সেটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।
কারণ, নেতৃত্ব শুধু বক্তৃতা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নেতৃত্ব হলো মানুষের সমস্যার সময় পাশে দাঁড়ানো, তাদের কথা শোনা এবং নিজের সামর্থ্যের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।
আল্লাহ হাসনাত আব্দুল্লাহকে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আরও তাওফিক দান করুন এবং তাঁর কাজে বরকত দিন। আমিন।
#কালেক্টেড #হাসনাত