Dawah Center Fenchuganj - দাওয়াহ্ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • Dawah Center Fenchuganj - দাওয়াহ্ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ

Dawah Center Fenchuganj - দাওয়াহ্ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ তাওহীদের সাথে - মানবতার পথে

শাইখ মুহাম্মদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন (رَحِمَهُ اللَّهُ) এই হাদীসের ওপর “বুলূগুল মারাম”-এর ব্যাখ্যায় একটি স্বতন্ত্র দরস দ...
02/08/2026

শাইখ মুহাম্মদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন (رَحِمَهُ اللَّهُ) এই হাদীসের ওপর “বুলূগুল মারাম”-এর ব্যাখ্যায় একটি স্বতন্ত্র দরস দিয়েছেন। তাঁর ব্যাখ্যাটি “ফাতহু যিল-জালালি ওয়াল-ইকরাম” গ্রন্থেও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

তাঁর ব্যাখ্যার মূল বক্তব্য হলো—মানুষ ভুল-ত্রুটি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত নয়। তাই বান্দার মর্যাদা এই নয় যে সে কখনো ভুল করবে না; বরং সে ভুল করার পর আল্লাহর কাছে ফিরে আসবে এবং তাওবা করবে।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি গুনাহ করে ফেললে তার জন্য সঠিক পথ হলো গুনাহের ওপর অবিচল না থেকে দ্রুত আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। এই কারণে হাদীসে “التوابون” (আত-তাওয়াবূন) বলা হয়েছে—অর্থাৎ যারা বারবার তাওবা করে।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: তাওবা মানে শুধু মুখে “আস্তাগফিরুল্লাহ” বলা নয়; বরং গুনাহ থেকে ফিরে আসা এবং আল্লাহর আনুগত্যের দিকে প্রত্যাবর্তন করা।

কিতাব: ফাতহু যিল-জালালি ওয়াল-ইকরাম শরহু বুলূগুল মারাম।
খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৩৪৬–৩৪৮

শাইখ আবদুল আজীয ইবনু বায (رَحِمَهُ اللَّهُ)-কে এই হাদীস সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন:

نعم، كل بني آدم خطَّاء، من صفاته الخطأ، لكن إذا تاب تاب الله عليه.

বাংলা অর্থ: “হ্যাঁ, আদম সন্তানের প্রত্যেকেই ভুলকারী। ভুল করা মানুষের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সে যখন তাওবা করে, তখন আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন।”

তিনি বলেন, তাওবার শর্ত হলো—
- গুনাহের জন্য অনুতপ্ত হওয়া।
- ⁠গুনাহ পরিত্যাগ করা।
- ⁠পুনরায় তাতে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করা।
- ⁠আর যদি গুনাহের সঙ্গে মানুষের অধিকার জড়িত থাকে, তাহলে সেই অধিকার আদায় করতে হবে অথবা অধিকারীর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
-
— মাজমূ‘ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাতুশ শাইখ ইবনু বায, ২৮/৪২৩, ২৮/৪৩২।

যে দু'আ বান্দাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে তুলে!اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَ...
29/07/2026

যে দু'আ বান্দাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে তুলে!

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِيْنِ وَأَنْ تَغْفِرَ لِي وَتَرْحَمَنِي وَإِذَا أَرَدْتَ فِتْنَةَ قَوْمٍ فَتَوَفَّنِيْ غَيْرَ مَفْتُوْنٍ وَأَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ وَحُبَّ عَمَلٍ يُقَرِّبُ إِلَى حُبِّكَ

অর্থ : হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই (যেন) যাবতীয় ভালো কাজ করতে পারি সকল খারাপ কাজ ছাড়তে পারি। এবং নিঃস্ব লোকদের ভালোবাসতে পারি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও, আমার উপর দয়া করো। কোনও জনগোষ্ঠীকে পরীক্ষায় ফেলতে চাইলে, পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়ার আগেই আমাকে নিয়ে যেয়ো। আমি তোমার কাছে চাই তোমার ভালোবাসা, যারা তোমাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসা। এবং এমন কাজের প্রতি ভালোবাসা, যা তোমার ভালোবাসার কাছে নিয়ে যায়।

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন ভোরবেলা ফজরের সালাতের সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের কাছে আসতে দেরি করেন। একপর্যায়ে আমাদের মনে হতে থাকে, এক্ষুনি সূর্য ওঠবে! এমন সময় নবী (ﷺ) দ্রুত বেরিয়ে আসেন। এরপর সালাতের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) স্বাভাবিকের চেয়ে একটু দ্রুত গতিতে সালাত শেষ করেন। সালাম ফিরিয়ে তিনি উচ্চ আওয়াজে আমাদের বলেন, “তোমরা নিজ নিজ সারিতে যেভাবে আছো, সেভাবেই থাকো।” এরপর তিনি আমাদের দিকে ঘুরে বলেন, আজ ভোরে তোমাদের কাছে আসতে আমার কেন দেরি হয়েছিল, তা এখনই বলছি:

আমি রাতে উঠে ওযূ করে আমার-জন্য-নির্ধারিত সালাত আদায় করি। সালাতের মধ্যে আমি প্রচণ্ড তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ি। আচমকা দেখি, আমি আমার মহান রবের পাশে! সর্বোত্তম আকৃতিতে! তিনি বলেন, মুহাম্মাদ!' আমি বলি, ‘রব আমার! আমি হাজির! তিনি বলেন, ‘উচ্চতর দলটি কী নিয়ে তর্ক করে?' আমি বলি, আমার জানা নেই।' তিনি, তিনবার এটি জিজ্ঞাসা করেন। এরপর দেখি-তিনি তাঁর হাতের তালু আমার দু' কাঁধের মাঝখানে রাখেন; আমি তাঁর আঙুলসমূহের শীতলতা বক্ষে অনুভব করি! এরপর আমার সামনে সবকিছু উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং আমি (বিষয়টি) বুঝতে পারি।

তখন আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন, ‘মুহাম্মাদ! আমি বলি, ‘রব আমার! আমি হাজির! তিনি বলেন, ‘(ফেরেশতাদের) উচ্চতর দলটি কী নিয়ে তর্ক করে?' আমি বলি, ‘কাফফারা বা প্রায়শ্চিত্তের ব্যাপারে৷ তিনি বলেন, “কী সেগুলো?' আমি বলি, পায়ে হেঁটে জামাআতের দিকে যাওয়া, সালাতের পর মসজিদে বসা এবং কষ্টের মধ্যেও সঠিকভাবে ওযূ করা।' তিনি বলেন, এরপর কী?' আমি বলি, ‘খাবার খাওয়ানো, কোমলভাবে কথা বলা এবং রাতের বেলা মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সালাত আদায় করা। আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন, (আমার কাছে) চাও! বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, এটি নিশ্চিত সত্য; সুতরাং এটি তোমরা শেখো, তারপর (লোকদের) শেখাও।”

সুনানে তিরমিযী: হাদিস নং ৩২৩৫
মুসনাদে আহমাদ: হাদিস নং ২২১৬২।
সহিহ আল-জামি’ (আলবানী): হাদিস নং ৫৯৩৫।

Mofiz khan masjid and Islamic centre  আয়োজিত "সীরাত ও সুন্নাহ সম্মেলন" -এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দাওয়াহ্ সে...
29/06/2026

Mofiz khan masjid and Islamic centre আয়োজিত "সীরাত ও সুন্নাহ সম্মেলন" -এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দাওয়াহ্ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ (ডি.সি.এফ) এর সম্মানিত চেয়ারম্যান

▣ শাইখ ড. মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন (حفظه الله)
- সহযোগী অধ্যাপক (আরবী বিভাগ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর ঢাকা।
- চেয়ারম্যান: দাওয়াহ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ, ডি.সি.এফ।

▣ এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন দেশ বরেণ্য স্কলারগণ।

🗓️ তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার।
🕓 সময় : বাদ আছর (বিকাল ৫ টা)
📍 স্থান : মফিজ খাঁন মাসজিদ এন্ড ইসলামিক সেন্টার, কচুয়াবহর (পালবাড়ি), ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।

আশেপাশের সকল দীনি ভাইদের উপস্থিতি কামনা করছি, ইনশাআল্লাহ।

24/06/2026

"হে মুমিনগণ!
​মহররম মাসের দশম তারিখ—অর্থাৎ আশুরার দিন—অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ এবং এর পবিত্রতার ইতিহাস বহু প্রাচীন। এই দিনের মর্যাদার কারণে বিগত নবীগণের মাঝেও এই দিনে সিয়াম রাখার প্রচলন ছিল।

​আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে আশুরার দিনের মতো অন্য কোনো দিনের সিয়ামের ফজিলত পাওয়ার জন্য এতটা ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়নি!
​রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন মদিনায় আগমন করলেন, তখন দেখলেন ইহুদিরা এই দিনে (আশুরার দিনে) সিয়াম রাখছে। কারণ, এই দিনে আল্লাহ তাআলা মুসা (আলাইহিস সালাম) ও তাঁর কওমকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং ফেরাউন ও তার দলকে ডুবিয়ে ধ্বংস করেছিলেন; যার শুকরিয়া স্বরূপ মুসা (আলাইহিস সালাম) এই সিয়াম রাখতেন। সব শুনে নবীজী ﷺ বললেন: ‘আমরা তো তোমাদের থেকে মূসা (আলাইহিস সালাম) এর অধিক নিকটবর্তী এবং হাক্বদার।' অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সিয়াম পালন করলেন এবং সিয়াম পালন করার জন্য সকলকে নির্দেশ দিলেন। {মুসলিম: ১১৩০}

​এক ব্যক্তি যখন নবীজী ﷺ-কে এই সিয়ামের ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি বললেন: ‘আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফফারাহ হয়ে যাবে।' {মুসলিম: ১১৬২}

​রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেছেন: ‘আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, তবে (দশ তারিখের সাথে) অবশ্যই নয় তারিখেও সিয়াম রাখব’—অর্থাৎ, ইহুদিদের নিয়মের ব্যতিক্রম করার জন্য। {মুসলিম: ১১৩৪}

​তাই, কেউ যদি আশুরার আগের দিন বা পরের দিন মিলিয়ে সিয়াম রাখেন, কিংবা তিন দিনই (৯, ১০ ও ১১ তারিখ) সিয়াম রাখেন, অথবা কেউ যদি দুই দিন রাখতে অপারগ হয়ে শুধু আশুরার (১০ তারিখ) একদিনই সিয়াম রাখেন—তার জন্য এর সবটুকুই জায়েজ, সুন্দর এবং প্রশস্ত।"

🎙️শাইখ ড. আহমাদ বিন তালিব হামীদ (হাফিযাহুল্লাহ)
ইমাম ও খতিব, আল-মাসজিদ আন-নাবাওয়ী

Video : Abjar Institute

#সিয়াম #আশুরা

08/06/2026

মু’মিনগণ যেন মু’মিনগণ ছাড়া কাফিরদের সঙ্গে বন্ধুত্ব না করে, মূলতঃ যে এমন করবে আল্লাহর সাথে তার কোন কিছুরই সম্পর্ক নেই...

[সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং : ২৮]

দাওয়াহ্ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ (ডি.সি.এফ.) কর্তৃক পরিচালিত মাসজিদগুলোর আগামী জুমু‘আর খুৎবার সিডিউল ⬇️তারিখ : ১২ জুন ২০২৬ ইংখ...
04/06/2026

দাওয়াহ্ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ (ডি.সি.এফ.) কর্তৃক পরিচালিত মাসজিদগুলোর আগামী জুমু‘আর খুৎবার সিডিউল ⬇️

তারিখ : ১২ জুন ২০২৬ ইং
খুৎবা শুরু : দুপুর ১২:৪৫ ঘটিকায়

📍 Masjid Al-Furqan
📍 Mofiz khan masjid and Islamic centre

বিঃদ্রঃ আমাদের মাসজিদ গুলোতে আরবীর পাশাপাশি মাতৃভাষায় জুমু‘আর খুৎবা দেওয়া হয়, আলহামদুলিল্লাহ।

দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল মুসলিম ভাই-বোনদেরকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا ...
28/05/2026

দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল মুসলিম ভাই-বোনদেরকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।

تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
(তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)
“আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের (নেক আমল) কবুল করুন।”

শুভেচ্ছান্তে : দাওয়াহ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ - ডি সি এফ

07/04/2026

‎রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সহিহ্ হাদীসে বলেছেন- তোমাদের মধ্যে কেউ কেবল নিজের আমল বা কাজ দ্বারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, 'হে আল্লাহর রাসূল! আপনিও কি নন? তিনি বললেন, না, আমিও নই; যতক্ষণ না আল্লাহ আমাকে তাঁর রহমত ও অনুগ্রহ দিয়ে ঢেকে নেন।
[সহীহ বুখারী - ৫৬৭৩] (তাওহীদ পাবলিকেশন)
(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৮)

এর মানে এই নয় যে আমরা আমল করা ছেড়ে দেব। কারণ আল্লাহ তাআলা আমলকারীদেরই তাঁর রহমতের যোগ্য হিসেবে গণ্য করেন। অর্থাৎ, আমল হলো আল্লাহর রহমত পাওয়ার একটি মাধ্যম মাত্র।

“সহীহ সুন্নাহ মোতাবেক ১২ তাকবীরে ঈদুল ফিতরের সালাত”🕗 জামায়াত শুরু সকাল ৮ : ০০ টায়📍 স্থান : মাসজিদ আল ফুরক্বান, ইসলামবাজা...
19/03/2026

“সহীহ সুন্নাহ মোতাবেক ১২ তাকবীরে ঈদুল ফিতরের সালাত”

🕗 জামায়াত শুরু সকাল ৮ : ০০ টায়
📍 স্থান : মাসজিদ আল ফুরক্বান, ইসলামবাজার, মল্লিকপুর, ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।

🎙️ শাইখ মুনির উদ্দিন আহমেদ (حفظه الله)

সকল দ্বীনি ভাইদের উপস্থিতি কামনা করছি ইনশাআল্লাহ।

18/02/2026

পরিবর্তনের মাস রামাদ্বান!
জীবন পাল্টে দেয়ার মাস রামাদ্বান...

🎙️ শাইখ মানসুর আস-সালিমী (حفظه الله)

Address

Fenchuganj
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dawah Center Fenchuganj - দাওয়াহ্ সেন্টার ফেঞ্চুগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share