Islamic Zone

Islamic Zone দাওয়াত ও তাবলীগ

12/06/2018

"আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা
উচিত যারা কল্যাণের প্রতি আহবান জানাবে,
ভালো কাজের নির্দেশ দেবে এবং মন্দ কাজ
থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই হলো
সফলকাম।"

[আল কুরআন ৩:১০৪]

18/09/2016

বর্তমান যুগের কোন একটি অতিদরিদ্র মেয়েকে যদি এ প্রস্তাব দেয়া হয় যে, তাকে একটি সচ্ছল ও ধনাঢ্য জীবন দেয়া হবে, তবে শর্ত হল আখিরাতের জীবনে সে আর কিছুই পাবে না - কি মনে হয় মেয়েটি তখন কোনটাকে বেছে নিবে? ধনাঢ্য জীবন নাকি আখিরাত?
---------------
একুশতম পারার শেষ তিন আয়াতে, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর স্ত্রীদেরকে ঠিক এই অফারটিই দেয়া হয়েছিল। দুনিয়া আখেরাতের যে কোন একটিকে বেছে নেয়ার অফার। একদিকে পুরো জীবন রানীর হালে কাটানো, অন্য দিকে দরিদ্রতার মাঝে জীবন কাটিয়ে দিয়ে আখেরাতে প্রতিফল পাবার ওয়াদা।
“হে নবী, আপনার পত্নীগণকে বলুন, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার বিলাসিতা কামনা কর, তবে আস, আমি তোমাদের তা ভোগের ব্যবস্থা করে দেই এবং উত্তম পন্থায় তোমাদের বিদায় দেই।
আর যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রসূল ও পরকাল কামনা কর, তবে তোমাদের সৎকর্মপরায়ণদের জন্য আল্লাহ মহা পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।” – সুরা আহযাব, আয়াত ২৮-২৯
আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এ অফার পাওয়ার পর রাসুলের স্ত্রীগণ কি উত্তর দিয়েছিলেন? হাদিসে এর বিস্তারিত বিবরণ এসেছে। সাহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী, এই আয়াত নাযিল হওয়ার পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীদের মধ্যে থেকে সর্বপ্রথম আয়েশা (রা) এর কাছে গেলেন। তাকে বললেন, তোমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তুমি তাড়াহুড়ো করো না। তোমার বাবা মার সাথে পরামর্শ করে ধীরে-সুস্থে সিদ্ধান্ত নাও। এরপর তিনি আয়াত দুটি পড়ে শোনালেন।
আয়াত শেষ হতে বাকি, কিন্তু আয়েশা (রা) এর উত্তর দিতে দেরি হয়নি। তিনি বলে উঠলেন, এ ব্যাপারে আমাকে বাবা মার সাথে পরামর্শ করতে হবে? এর কোন প্রয়োজন নেই। আমি তো আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলকেই বেছে নিব।
এরপর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাকি স্ত্রীদের কাছেও একই প্রস্তাব রাখলেন। সব স্ত্রীরাই আয়েশা (রা) এর মতই জবাব দিলেন। দুনিয়া ছেড়ে আখেরাতকে বেছে নিতে তাঁদের বিন্দুমাত্র সময় লাগে নি, ভুগতে হয়নি সামান্য দ্বিধা দ্বন্দ্বে।
-----------------
রক্তে মাংসে গড়া মানুষ ছিলেন তারা। আমরাও সে রক্ত মাংসেরই মানুষ। অথচ তাঁদের সাথে আমাদের কত পার্থক্য !
আমাদেরকে তাঁদের মত এত কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় না। দুনিয়া আখিরাতের যে কোন একটিকে বাছাই করতেও বলা হয় না। বরং দুনিয়া ভোগ করেও আখিরাত অর্জনের সুযোগ রয়েছে আমাদের। টাকা কামাতে, বাড়ি করতে, জমি কিনতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়নি। আমাদেরকে শুধু এতটুকু বলা হয়েছে, দুনিয়ার পেছনে পড়ে আমরা যেন আখেরাতকে ভুলে না যাই। আমরা যেন সতর্ক থাকি, আমাদের একদিন আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে।
কিন্তু তারপরও আমরা পারি না। দুনিয়ার মোহ আমাদেরকে বেখবর করে দেয়। আমরা হেরে যাই পরীক্ষায়। আর হেরে গিয়েও আমাদের কোন আফসোস হয়না, হয় না কোন দুঃখ......
মূল লেখাঃ রিযওয়ানুল কাবীর ভাই

30/07/2016

-- তারিক জামিলের বয়ান অবলম্বনে (কারগুজারী)

তিউনিসিয়া সফর শেষে আমি দুবাই আসলাম।দুবাই আসার পর এক ভাই বলল,'এখানে বীণা মালিকের বিয়ে হয়েছে।অর্ধনগ্ন পোশাকের কারনে সে অনেক সমালোচিত ও বিতর্কিত"।আমি তাকে বললাম, আমাকে বীণা মালিকের সাথে সাক্ষাৎ করাও। তারা অবাক হয়ে বলল আপনি দেখা করবেন!?আমি বললাম হ্যাঁ।বীণা মালিক আমার এখানে এসে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানাল।আমি বললাম ঠিক আছে আমি নিজে গিয়েই দেখা করব যদি তিনি অনুমতি দেন।বীণা মালিক দেখা করতে রাজি হল।

আমি তার ওখানে গিয়ে বললাম,'বেটি (মেয়ে) শুভ বিবাহে তোমাকে অভিনন্দন।আল্লাহ তোমাকে আদর্শ ও ভাল স্ত্রী হিসাবে কবুল করুক।তোমার বিবাহে আমি আনন্দিত। আমি পত্রিকায় ও মানুষের কাছে যখন তোমার ব্যাপারে নেতিবাচক কথা শুনতাম তখন আমি তোমার জন্য দোয়া করতাম আর তোমার সাথে দেখা করারও আমার ইচ্ছা ছিল। আজ দেখা হয়েছে।শুধু এই অল্প কথায় হয়েছে তার সাথে আমার।আমি তার চোখে পানি দেখলাম।তারপর আমি উঠে চলে আসলাম।চলে গেলাম দুবাই থেকে জেবুতি।

জেবুতি থেকে ফিরে আসার পর বীণা মালিক ও তার স্বামী আমার সাথে দেখা করতে এল।বীণা মালিক বলল,'মাওলানা,আপনি আমার জীবনকে বদলে দিয়েছেন।আমি বললাম, বেটি আমি তো কিছুই করিনি।কোন নসিহত,কোন জায়েজ-নাজায়েজ নিয়ে কোন কথায় তো হয়নি তোমার সাথে।অশ্রুসজল চোখে বীণা মালিক বলল 'না আপনি আমাকে মেয়ে বলে ডেকেছেন।আপনার মত আলেম আমাকে মেয়ে বলতে পারে?মা-বাবাই যেখানে মেয়ে হিসাবে গ্রহন করছে না।আপনি আমাকে মেয়ে বলে ডেকেছেন। আমার জীবন বদলে গেছে।আমি আপনাকে কথা দিলাম যে উড়না দিয়ে আজ মাথা ঢেকে রেখেছি সেই উড়না মৃত্যুর আগে কখনও মাথা থেকে নামবে না।'

বীণা মালিক কথা রেখেছেন।এরপর থেকে মাথায় উড়না ছাড়া তাকে দেখা যায়নি।তখন থেকে চলচ্চিত্রকেও বিদায় জানিয়েছেন তিনি।বিষয়টা সহজ নয়।কোটি যুবকের হার্টথ্রব ছিলেন।যশ,খ্যাতি,সম্পদ মোটকথা গ্লামার জগতের সব ছেড়ে এসেছিলেন।মিলিয়ন টাকার প্রোগ্রাম,অনেক বলিউড মুভির অফার ছেড়ে ফিরে এসেছেন নিজ ধর্ম ইসলামের পথে।বীণা মালিকের ভাষায় সেভেন স্টার হোটেলেও তার ঘুম আসত না।এত যশ,খ্যাতির পরেও তার মনে সুখ ছিলনা।ধর্ম পালনের পর সেই সুখ তিনি খোঁজে পাচ্ছেন।

আলেম-উলামারা চাইলে খ্যাতির মোহে মগ্ন গ্লামার জগতের অর্ধনগ্ন মডেলদের কাছেও দাওয়াত নিয়ে যেতে পারে।হয়ত অনেকেই ইসলামে ফিরে আসবে। পাকিস্তানের অন্যান্য আলেম যখন তাকে পতিতা হিসাবে গণ্য করে তার ব্যাপারে বিদ্বেষ পোষণ করত,নিজের মা- বাবাও যখন তাকে স্বীকার করতে চাইত না তখন তারিক জামিল সাহেবের বেটি ডাক বীণা মালিকের জীবনটাই বদলে দিল।

Courtesy : Khaled Saifullah

লিংক কমেন্টে...

বাংলাদেশের রিস্কাওয়ালা পাঁচ দেশ সফর করে এবার দাওয়াতের মেহনতে ইউরোপে যাচ্ছেন==============================রিস্কা চালানো-ই...
29/07/2016

বাংলাদেশের রিস্কাওয়ালা পাঁচ দেশ সফর করে এবার দাওয়াতের মেহনতে ইউরোপে যাচ্ছেন
==============================
রিস্কা চালানো-ই যার পেশা। আর দাওয়াতের কাজ তার নেশা। পেশা থেকে তার কাছে নেশার গুরুত্বই বেশি।

দাওয়াতের কাজকে কাজ বানিয়ে এই রিস্কার ড্রাইবার আবুল কাসেম ভাই ইতোমধ্যে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, মালশিয়া, জর্ডান, কাতারের মতো উন্নত বিশ্বে সফর করেছেন।

তার ঈমান দীপ্ত কথায় পথের দীশা পাচ্ছে কত মানুষ। দাওয়াতের কাজ নিয়ে তিনি ছুটছেন দেশ থেকে দেশান্তরে। সারা দুনিয়ায় দ্বীনের ফেরি করা তার নিয়ত। এবার তিনি ইউরোপ সফরের জন্য কাকরাইলে টাকা জমা দিয়ে 'ছোয়াদ' হয়েছেন।

এই শ্রমজিবী মানুষটি দরিদ্রতার সাথে নিত্য সংগ্রাম করলেও,অভাব তাকে কখনো কাবু করে, দ্বীনের মেহনত থেকে পিছু হটাতে পারে নি। মসজিদ আবাদির মেহনত, দৈনিক পরামর্শ, প্রতিদিন আড়াই ঘন্টা দাওয়াতের মেহনত, ঘরে ও মসজিদে তালিম, প্রতি সপ্তাহে নিজের মহল্লায় ১ম গাশত, অপর মহল্লায় ২য় গাশত, মাসে তিনদিন আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া। বৃহস্পতিবারে লক্ষিপুর মার্কাজে সবগুজারী, মঙ্গলবারে পরার্মশে শরীক হওয়া, দেশি বিদেশি জামাতের নুছরত, মাস্তুরাতের মেহনত, সব তাকাজাতে আবুল কাসেম ভাই লাব্বায়েক বলেন।

এহতেমাম ও ইস্তেকামাতের সাথে তিনি দাওয়াতের মেহনত ও মহল্লাহর ৫ কাজ করেন। বিনিময়ে তার রিস্কা চালানো জীবনে আল্লাহ তায়ালা অফুরন্ত বরকত দান করেছেন। যার মাঝে কোন প্রকার পেরেশানী নেই। ইলাহে কালেমাতুল্লাহর মেহনত ই তার জীবনের মূল মাকসাদ।
যে আল্লাহর হয়ে যায়, আল্লাহ তার হয়ে যান। লক্ষিপুরের এই পরিচিত রিস্কা চালক, দা'য়ী ভাই মোহাম্মদ আবুল কাসেম দ্বীনের মেহনত ক্বারীদের জন্য উজ্জল দৃষ্টান্ত। রিস্কা চালান এটাও দাওয়াতের নিয়তে। পেসেন্জারদেরকে তিনি ঈমান, নামাজ, ও আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার ফাজায়েল বলে দাওয়াত দেন। তিনি যখন হেজাজে সফরে গেলেন, তখন উনার এলাকার এক লোক তাকে পেয়ে জিজ্ঞাসা করল, "তুমি লক্ষিপুরে রিস্কা চালাও সেই ব্যক্তি না, তুমি আরবে এলে কি করে, এতো টাকা কোথায় পেলে"। কাসেম ভাই উত্তর দিলেন,'আমি রিস্কা চালাই আমার আল্লাহতো রিস্কা চালান না, তিনি অসিম খাজানার মালিক।

আয় আল্লাহ তুমি আমাদেরকে দ্বীনের জন্য এই ভাইয়ের মতো তোমার খাছ মদদ ও সাহায্য দ্বারা সারা দুনিয়া সফর করার তাওফিক দান কর।

কার্টেসী : হাকীম সৈয়দ আনোয়ারুল হক

28/07/2016
30/04/2016

পত্রটি সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় ইসলামি গবেষণা ও ফতোয়া অধিদপ্তর আল মামলাকাতুল আরবিয়্যাতু সাউদিয়া- ইদারাতুল বুহুসিল ইলমিয়্যাতি ওয়াস ইফতা ওদ্দাওয়াতি ওয়াল ইরশাদ (মাকতাবুর রয়িস) এ সংরক্ষিত আছে।
সৌদি আরবের সাবেক প্রধান মুফতি
আল্লামা আবদুল আজীজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বায (রহঃ)-এর পত্র
সম্মানিত ডক্টর মুহাম্মদ তকীউদ্দীন আল হেলালী-এর নিকট
নং ৮৮৯/খ, তারিখ ১০/১০/১৪০৩ হিজরি
আবদুল আজীজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বাযের পক্ষ থেকে মুহতারম ভাই ডক্টর মুহাম্মদ তকীউদ্দীন হিলালীর নিকট। আল্লাহ পাক তাকে ভালো কাজের তাওফিক দান করুন- আমিন।
হে বন্ধু! আপনার ১২/৮/১০৪৩ হিজরি লিখিত পত্র পৌঁছেছে। আল্লাহ তা'আলা আপনাকে হিদায়েতের সাথে জড়িত রাখুক। পত্রে আপনি ইঙ্গিতে বলেছেন যে, আমি ভাই আহমদ আলমুহানীর বেতন-ভাতা, সে জামাতে তাবলীগের সাথে বের হওয়ার কারণে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি-তাও বুঝেছি। এখন আমার অভিমত ব্যক্ত করতেছি, আপনি ভাই আহমদ মুহানীর বেতন-ভাতা যা আপনার মাধ্যমে আমি তাকে দিতাম, পূর্বের নিয়মে চালু রাখবেন। কারণ তাবলীগে তার বের হওয়াটা নিন্দনীয় সফরের অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ তারা আল্লাহর দ্বীনের প্রতি আহবানের জন্য শহরে শহরে ও গ্রাম গঞ্জে ঘুরে বেড়ায়। আর ছোট বড় সকল জনসাধারণের সাথে সাক্ষাৎ করে থাকে। বাংলাদেশে ও অন্যান্য দেশে তাদের যে ইজতেমা হয় তাতে ছোট বড় সব লোক শরীক হয়ে থাকে। গত বছর বাংলাদেশে ইজতেমায় শরীক হওয়ার জন্য যাদেরকে পাঠিয়েছিলাম তাদের মধ্যে বিশ্বস্ত মাশায়েখরা আমাদেরকে এই খবর দিয়েছে। সুতরাং আপনি তাদের খুরুজের নিন্দার জন্য যে দলীল দিয়েছেন যে হাফেজ ইবনে কাসীর (রহঃ) যা উল্লেখ করেছেন-যারা শুধু পৃথিবীতে ঘুরে বেড়ানোকে অথবা পাহাড়ের গুহায় ও নির্জন জঙ্গলে ইবাদত করাকে উত্তম মনে করে-তাদের অবস্থা তাবলীগের উপর প্রতীয়মান হয়-আপনার এই দলীল ঠিক নয়। কারণ তাবলীগের অবস্থা তার বিপরীত আর তাদের আমলও তার বিপরীত।
আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করি যেন তিনি সবাইকে তাঁর সন্তুষ্ট অর্জনের তাওফিক দান করেন – আমিন।
ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﻭﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺑﺮﻛﺎﺗﻪ
প্রধান পরিচালক
ইদারাতুল বুহুছিল ইলমিয়া ওয়াল ফাতাওয়া ওয়াল ইরশাদ
১০/১০/১৪০৩ হিজরি
এখানে একটা বিষয় স্পষ্ট যে বিন বায রহঃ এর যখন এই জামাতে তাবলীগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা ছিল না তখন ভাই আহমদ আলমুহানীর তাবলীগে যাওয়ার কারণে তার বেতন ভাতা বন্ধ করে দিয়েছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে এ জামাত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার পর এর প্রশংসা করলেন এবং ডক্টর মুহাম্মদ তকীউদ্দীন আল হেলালী তাবলীগের খুরুজের ব্যাপারে যে আপত্তি করেছেন তার প্রতিবাদও করেছেন। আরো বললেন – “গত বছর বাংলাদেশে ইজতেমায় শরীক হওয়ার জন্য যাদেরকে পাঠিয়েছিলাম তাদের মধ্যে বিশ্বস্ত মাশায়েখরা আমাদেরকে এই খবর দিয়েছে”। এরা মূলত মদিনা ইউনিভার্সিটির সম্মানিত দুই শায়খ। যাদের প্রতিবেদন পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
পত্রটির আরবী পাঠ নিম্নরূপ –
ﺧﻄﺎﺏ ﻣﻦ ﺳﻤﺎﺣﺔ ﺍﻟﺸﻴﺦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻌﺰﻳﺰ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺑﺎﺯ
( ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ) ﺇﻟﻰ ﻓﻀﻴﻠﺔ ﺍﻟﺪﻛﺘﻮﺭ / ﻣﺤﻤﺪ ﺗﻘﻲ ﺍﻟﺪﻳﻦ ﺍﻟﻬﻼﻟﻲ
ﺑﺮﻗﻢ 889 / ﺥ ﺍﻟﻤﺆﺭﺥ 10/10/1403 ﻫـ
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ
ﻣﻦ ﻋﺒﺪﺍﻟﻌﺰﻳﺰ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺑﺎﺯ ﺇﻟﻰ ﺣﻀﺮﺓ ﺍﻷﺥ ﺍﻟﻤﻜﺮﻡ ﻓﻀﻴﻠﺔ ﺍﻟﺪﻛﺘﻮﺭ ﻣﺤﻤﺪ ﺗﻘﻲ ﺍﻟﺪﻳﻦ ﺍﻟﻬﻼﻟﻲ , ﻭﻓﻘﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻠﺨﻴﺮ , ﺁﻣﻴﻦ .
ﺳﻼﻡ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﻭﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺑﺮﻛﺎﺗﻪ , ﻭﺑﻌﺪ :
ﻳﺎ ﻣﺤﺐّ : ﻛﺘﺎﺑﻜﻢ ﺍﻟﻜﺮﻳﻢ ﺍﻟﻤﺆﺭﺥ 12/8/1403 ﻫـ ﻭﺻﻞ , ﻭﺻﻠﻜﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻬﺪﺍﻩ، ﻭﻓﻬﻤﺖُ ﻣﺎ ﺃﺷﺮﺗﻤﺈﻟﻴﻪ ﻣﻦ ﺃﺧﺬ ﺭﺃﻳﻨﺎ ﻓﻲ ﻗﻄﻊ ﺭﺍﺗﺐ ﺍﻷﺥ ﺃﺣﻤﺪ ﺍﻟﻤﻬﺎﻧﻲ ﺑﻜﻮﻧﻪ ﻳﺨﺮﺝ ﻣﻊ ﺟﻤﺎﻋﺔ ﺍﻟﺘﺒﻠﻴﻎ، ﻭﺃﻓﻴﺪﻛﻢ ﺑﺄﻥ ﺍﻟﺬﻱ ﺃﺭﻯ ﺍﻻﺳﺘﻤﺮﺍﺭ ﻓﻲ ﺇﻋﻄﺎﺋﻪ ﺭﺍﺗﺒﻪ ﺍﻟﺬﻱ ﻧﺮﺳﻞ ﺑﻮﺍﺳﻄﺘﻜﻢ , ﻷﻥ ﺧﺮﻭﺟﻬﻤﻌﻬﻢ ﻟﻴﺲ ﻣﻦ ﺍﻟﺴﻴﺎﺣﺔ ﺍﻟﻤﺬﻣﻮﻣﺔ ﻓﻲ ﺷﻲﺀ، ﻟﻜﻮﻧﻬﻢ ﻳﻘﻮﻣﻮﻥ ﺑﺎﻟﺘﺠﻮﻝ ﻟﻠﺪﻋﻮﺓ ﺇﻟﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﺰﻭﺟﻞ ﻓﻲ ﺍﻟﻤﺪﻥ ﻭﺍﻟﻘﺮﻯ , ﻭﻳﺘﺼﻠﻮﻥ ﺑﻜﺒﺎﺭ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻭﻋﺎﻣﺘﻬﻢ، ﻭﺍﺟﺘﻤﺎﻋﺎﺗﻬﻢ ﻓﻲ ﺑﻨﻐﻼﺩﻳﺶ ﻭﻏﻴﺮﻫﺎ , ﻳﺤﻀﺮﻫﺎ ﻛﺒﺎﺭ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻭﺻﻐﺎﺭﻫﻢ ﺣﺴﺐ ﻣﺎ ﺃﻓﺎﺩﻧﺎ ﺑﻪ ﺍﻟﺜﻘﺎﺕ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﺸﺎﻳﺦ ﻣﻤﻦ ﺃﺭﺳﻠﻨﺎ ﻟﺤﻀﻮﺭﺍﺟﺘﻤﺎﻋﻬﻢ ﻓﻲ ﺑﻨﻐﻼﺩﻳﺶ ﻓﻲ ﻋﺎﻡ ﻣﻀﻰ، ﻓﺎﺳﺘﺪﻻﻝ ﻓﻀﻴﻠﺘﻜﻢ ﻋﻠﻰ ﺫﻡ ﺧﺮﻭﺟﻬﻢ ﺑﺄﻧﻪ ﻳﻨﻄﺒﻖ ﻋﻠﻴﻬﻢ ﻣﺎ ﺫﻛﺮﻩ ﺍﻟﺤﺎﻓﻆ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻋﻤّﻦ ﻳﺘﻌﺒﺪ ﺑﻤﺠﺮﺩ ﺍﻟﺴﻴﺎﺣﺔ ﻓﻲ ﺍﻷﺭﺽ ﻭﺍﻟﺘﻔﺮﺩﻓﻲ ﺷﻮﺍﻫﻖ ﺍﻟﺠﺒﺎﻝ ﻭﺍﻟﻜﻬﻮﻑ ﻭﺍﻟﺒﺮﺍﺭﻱ، ﻳﺨﺎﻟﻔﻪ ﻭﺍﻗﻌﻬﻢ ﻭﻋﻤﻠﻬﻢ، ﻭﻧﺴﺄﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻥ ﻳﻮﻓﻘﺎﻟﺠﻤﻴﻊ ﻟﻤﺎ ﻳﺮﺿﻴﻪ , ﺇﻧﻪ ﺟﻮﺍﺩ ﻛﺮﻳﻢ , ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﻭﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺑﺮﻛﺎﺗﻪ .
ﺍﻟﺮﺋﻴﺲ ﺍﻟﻌﺎﻡ
ﻹﺩﺍﺭﺍﺕ ﺍﻟﺒﺤﻮﺙ ﺍﻟﻌﻠﻤﻴﺔ ﻭﺍﻹﻓﺘﺎﺀ ﻭﺍﻟﺪﻋﻮﺓ ﻭﺍﻹﺭﺷﺎﺩ
10 /10/1403 ﻫـ

24/10/2015

"আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা
উচিত যারা কল্যাণের প্রতি আহবান জানাবে,
ভালো কাজের নির্দেশ দেবে এবং মন্দ কাজ
থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই হলো
সফলকাম।"
[আল কুরআন ৩:১০৪]

26/08/2015

একটু খেয়াল করুন==>
** দুনিয়াবী কোন স্বার্থ ছাড়াই
তবলীগের মেহনতকারী
ভাইগণ নিজের জান মাল ও সময় ব্যয়
করে বউ,বাচ্চা,মা-বা
বা,ব্যবসা-বাণিজ্য অর্থ-সম্পদের
মোহ ভালোবাসা ত্যাগ করে
একমাত্র আল্লাহর হুকুম পালন ও রাসূল
(সাঃ) এর সুন্নত তরিকা পালন
করা ও আল্লাহ ভোলা
বান্দাদেরকে জাহান্নামের পথ
থেকে
ফিরিয়ে জান্নাত মূখী করেদেয়ার
জন্য নিজের এলাকা
ছেরে বাহির এলাকায় হিজরত
করেন ।
তাবলীগের মেহনত কারনেওলা
সাথীগণ আল্লাহ তায়ালার
কথামত নিজেদের জীবনকে
পরিচালনা করার জন্য এই
মেহনত করেন ।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুর আনে
এরশাদ করেছেন,
"ঐ ব্যাক্তির কথার থেকে
ভালোকথা আর কাহার হইতে পারে
যে মানুষকে আল্লার দিকে ডাকে
নিজে নেক আমল করে
ও বলে আমি সাধারণ মুসলমানদের
মধ্যে একজন ।
আল্লাহ তায়ালা অন্য আয়াতে
বলেন,
তোমরা সর্বত্তম জাতী,
তোমাদেরকে বাহির করা
হয়েছে মানুষের কল্যাণের জন্য,
তোমরা মানুষকে সত্
কাজের আদেশ দান করবে ও অসত্
কাজে বাধা প্রদান
করবে এবং আল্লাহর উপর ঈমাণ আনবে

আল্লাহ তায়ালার পবিত্র এরশাদ
কে বাস্তবায়ন করার লক্ষে
দাওয়াতে তবলীগের এই মেহনত ।
আর যারা দুনিয়াবী কোন স্বার্থ
ছাড়াই আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) কে
ভালোবেসে এই মেহনত করতেছেন
আল্লাহ তায়ালা
তাদেরকে অনুসরণের প্রতি ইসারা
করে সূরাহ ইয়াছিন এর ২১
নং আয়াতে এরশাদ করেন, ইত্তাবীয়ু
মাল্লাইয়াছ আলুকুম
আজরও ওয়াহুম মুহতাদুন ।
আর্থঃ- তোমরা তাদেরকে অনুসরণ কর
যারা তোমাদেরকে
আল্লাহর দিকে ডাকার কারনে
আহব্বাণ করার কারনে
তোমাদের কাছ থেকে কোন প্রকার
প্রতিদান চাহেন না
এবং তাহারাই হেদায়াত প্রাপ্ত
লোক ।
দাওয়াতে তবলীগের মেহনত সম্পূর্ণ
কুরআন ও হাদীস
মুতাবেক পরিচালিত একটি হক্ব
মেহনত । যে মেহনতের
মধ্যে আল্লাহ তায়ালার গাইবী মদদ
সাহায্য আর নুসরত সর্বদা
অবতরণশীল ।
তাই আমি আপনাদের কে এই হক্ব
মেহনতের সাথে লাগার
জন্য ও ঐই মেহনতের মাধ্যমে সকল
প্রকার বাতিল কে
বর্জন করে এক আল্লাহর দিকে রুজু
হয়ার জন্য দাওয়াদত
দিতেছি ।
তিন দিন সাত দিন দশ দিন এক চিল্লা
তিন চিল্লা যে যতটুকু সময়
দিতে পারনে সুজগ পেলেই বের
হয়ে যান ।
আপনাদের কাজ নিয়াত করা দোয়া
ও চেষ্টা করা আর কবুল
করনেওলা আল্লাহ তায়ালা ।
আল্লাহ তায়ালা কবুল নাকরলে
কেহই
নেক আমল করতে পারবে না । তাই
আমাদের যতটুকু করার তা
আমরা করে যাব আর কবুল করনে
ওয়ালা আল্লাহ কবুল
করলেই কামিয়াব হয়ে যাব ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে
উনার দ্বীনের পথে চলার জন্য
কবুল করুন ।। আমিন

POST BY AHSANUR RAHIM ADAR

20/08/2015

মহান আল্লাহ্ রাব্বুল ‘আলামীন বলেন,
"যদি আল্লাহ তাঁর সকল বান্দাকে প্রচুর
রিযিক দিতেন, তবে তারা
পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। কিন্তু
তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছা সে পরিমাণ
নাযিল করেন। নিশ্চয় তিনি তাঁর
বান্দাদের খবর রাখেন ও সবকিছু
দেখেন।"

[[সূরা : আশ-শুরা ; আয়াত-২৭]]

20/08/2015

মহানবী হযরত মোহাম্মাদ (সা:)
বলেছেন কোন মহিলা যখন--

☞ তার পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে।
☞ রমাদানের সিয়াম পালন করে।
☞ নিজের ইজ্জতের হিফাজত করে।
☞ স্বামীর কথামত চলে।

তখন সে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছেমত প্রবেশ করতে পারবে।

[সুত্রঃ আহমদঃ ১৬৬১; তাবারানীর
ক্বাবীরঃ৯৯১; ইবনে হিব্বান ৪১৬৩]

19/08/2015

☞ একটি নারীর যখন জন্ম হয়, ইসলাম
বলে “যার ঘরে প্রথমে কন্যা সন্তান হয়
সেই ঘর বরকতময়”।
☞ একটি নারী যখন যুবতী হয়, ইসলাম
ঘোষনা দেয় যে “যে তার মেয়েকে সঠিকভাবে লালন পালন
করে, ভাল পাত্র দেখে বিয়ে দেয়,
তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব”।
☞ একটি নারী যখন বিবাহিত, ইসলাম
বলে “সেই পুরুষই সর্বোত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম”।
☞ একটি নরী যখন সংসারী হয়, ইসলাম
বলে “স্ত্রীর দিকে দয়ার দৃষ্টিতে
তাকানো সওয়াবের
কাজ। এমনকি স্ত্রীকে আদর করে মুখে এক লোকমা খাবার তুলে দেয়াও”।
→একটি নারী যখন গর্ভবতী, ইসলাম
বলে “গর্ভবস্থায় যে নারী মারা যায়
সে শহীদের মর্যাদা পায়:”। ☞ একটি নারী যখন মা, ইসলাম বলে
“মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত”।

18/08/2015

মনে রাখবেন......
আপনি একা জন্মেছেন,
একা মৃত্যুবরণ করবেন,
এবং
বিচার দিনে একাই আল্লাহ্ কে
হিসাব দেবেন।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic Zone:

Share