সনাতন সংবাদ

সনাতন সংবাদ কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে।
প্রণত ক্লেশনাশায় গোবিন্দায় নমো নমঃ🙏

"বঙ্গাব্দের ১২ মাসের নামের উৎপত্তি"▪️নক্ষত্রের নামেই যখন মাসের পরিচয়, তখন এর স্রষ্টাকে খুঁজে পেতে আর গণিত লাগে না। বিশাখ...
19/04/2026

"বঙ্গাব্দের ১২ মাসের নামের উৎপত্তি"

▪️নক্ষত্রের নামেই যখন মাসের পরিচয়, তখন এর স্রষ্টাকে খুঁজে পেতে আর গণিত লাগে না। বিশাখা থেকে বৈশাখ আর চিত্রা থেকে চৈত্র বঙ্গাব্দের এই প্রাচীন নাক্ষত্রিক কাঠামোই রাজা শশাঙ্কের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ।

▪️বঙ্গাব্দের প্রতিটি মাসের নাম নির্ধারিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট মাসের পূর্ণিমার রাতে চন্দ্র যে নক্ষত্রের সানিধ্যে থাকে, সেই নক্ষত্রের নামানুসারে। যেমন— চিত্রা নক্ষত্র থেকে চৈত্র, বিশাখা থেকে বৈশাখ, জ্যেষ্ঠা থেকে জ্যৈষ্ঠ এবং আষাঢ়া থেকে আষাঢ় মাসের উৎপত্তি। একইভাবে শ্রবণা নক্ষত্র থেকে শ্রাবণ, ভাদ্রপদ থেকে ভাদ্র, অশ্বিনী থেকে আশ্বিন এবং কৃত্তিকা থেকে কার্তিক নামগুলো এসেছে। বছরের বাকি মাসগুলোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে; যেমন মৃগশিরা থেকে অগ্রহায়ণ (মার্গশীর্ষ), পুষ্যা থেকে পৌষ, মঘা থেকে মাঘ এবং উত্তর-ফাল্গুনী নক্ষত্র থেকে ফাল্গুন মাসের নামকরণ করা হয়েছে। মূলত প্রাচীন হিন্দু জ্যোতিষ শাস্ত্রের এই সৌর ও নাক্ষত্রিক হিসাবই বঙ্গাব্দের বারোটি মাসের নামের ভিত্তি হিসেবে আজও টিকে আছে।

স্বামীজী বলতেন-ভয় পেও না... কতবার ব্যর্থ হচ্ছো, তা নিয়ে চিন্তা করো না।সময় অসীম- এগিয়ে চলো নির্ভয়ে।বারবার নিজের শক্তিকে প...
16/04/2026

স্বামীজী বলতেন-
ভয় পেও না... কতবার ব্যর্থ হচ্ছো, তা নিয়ে চিন্তা করো না।
সময় অসীম- এগিয়ে চলো নির্ভয়ে।
বারবার নিজের শক্তিকে প্রকাশ করো... তবেই একদিন আলোর আবির্ভাব হবেই।🙏🙏





🙏 🙏

জয় শ্রীহরি! 🙏 #পনাতীর্থ (পণতীর্থ) – সুনামগঞ্জের  এই পবিত্র তীর্থস্থান শুধু একটা স্নানের জায়গা নয়, এটা সনাতন ধর্মের এক অম...
12/03/2026

জয় শ্রীহরি! 🙏
#পনাতীর্থ (পণতীর্থ) – সুনামগঞ্জের এই পবিত্র তীর্থস্থান শুধু একটা স্নানের জায়গা নয়, এটা সনাতন ধর্মের এক অমূল্য ঐতিহ্য।
১৫১৬ খ্রিস্টাব্দে শ্রী অদ্বৈত আচার্য মহাপ্রভু নিজে এখানে সপ্ততীর্থের আবাহন করে গঙ্গাস্নানের সূচনা করেন। তাঁর মায়ের ইচ্ছাপূরণার্থে এই তীর্থের জন্ম।
কিংবদন্তি অনুসারে, সকল তীর্থ একবার করে এখানে এসে পুণ্য সঞ্চয় করেন বলে এর নাম “পণতীর্থ” (পণ করা তীর্থ)। তাই বলা হয় –
“সব তীর্থ বারবার, পণতীর্থ একবার”।
চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে (বারুণী যোগে) এখানে জাদুকাটা নদীতে মহা বারুণী স্নান হয়। লক্ষ লক্ষ ভক্ত স্নান, তর্পণ, কীর্তন আর দর্শনে মিলিত হন। এই একদিনের স্নানে সকল তীর্থের ফল লাভ হয় বলে বিশ্বাস।

স্নানের তিথি: ১৬ মার্চ ২০২৬ (সোমবার) – চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী

পূর্ণ তিথির সময়: সকাল ৭:৫৯ থেকে পরের দিন (১৭ মার্চ) সকাল ৮:০৯ পর্যন্ত (শুভ স্নানের সেরা সময় রাত্রি থেকে ভোর)

নক্ষত্র: শতভিষা যোগে বারুণী স্নান অত্যন্ত ফলপ্রদ
এবারের স্নান সাধারণ বারুণী (মহা বারুণী নয়, কারণ দিনটা সোমবার), তবুও লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হবে। সারারাত কীর্তন, ভক্তির পরিবেশ আর পবিত্র স্নানের আনন্দ অপূর্ব!
যারা যাবেন, সাবধানে যাতায়াত করুন, ভক্তিভরে স্নান করুন।

জয় অদ্বৈত আচার্য! ‼️
জয় শ্রীহরি! 🚩🌸

#সনাতন #তিলক ゚viralシfypシ゚viralシalシfollowers




























কেন অচেতন হয়ে পড়লেন  #মহাপ্রভু?এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়…মহাপ্রভুর সেই হৃদয়বিদারক প্রেমাবেশ লীলাসন্ন্যাস গ্রহণের পর এক...
11/03/2026

কেন অচেতন হয়ে পড়লেন #মহাপ্রভু?

এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়…

মহাপ্রভুর সেই হৃদয়বিদারক প্রেমাবেশ লীলা

সন্ন্যাস গ্রহণের পর একদিন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু পুরীতে পৌঁছালেন। বহুদিন ধরে তাঁর হৃদয়ে এক গভীর আকাঙ্ক্ষা জ্বলছিল—
“কবে আমি আমার প্রাণপ্রিয় শ্রীজগন্নাথদেবকে দর্শন করব!”

সেদিন অবশেষে সেই মুহূর্ত এল। মহাপ্রভু ধীরে ধীরে জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করলেন। মন্দিরের ভিতরে তখন দীপের আলো জ্বলছে, ভক্তদের মৃদু কীর্তনের ধ্বনি শোনা যাচ্ছে, আর সিংহাসনে বিরাজমান শ্রীজগন্নাথদেব, বলভদ্র ও সুভদ্রা।

যেই মুহূর্তে মহাপ্রভুর দৃষ্টি শ্রীজগন্নাথদেবের উপর পড়ল, সেই মুহূর্তেই তাঁর হৃদয়ে যেন প্রেমের মহাসমুদ্র উথলে উঠল।
তিনি আর নিজের শরীরকে ধরে রাখতে পারলেন না।

মহাপ্রভুর মনে তখন শ্রীকৃষ্ণের প্রতি এমন বিরহ ও প্রেম জেগে উঠল, যেন বৃন্দাবনের শ্রীরাধারাণীর সেই গভীর প্রেম তাঁর হৃদয়ে প্রকাশ পাচ্ছে।

তিনি আকুল হয়ে দুই হাত প্রসারিত করে জগন্নাথদেবের দিকে দৌড়ে গেলেন—
“হে আমার প্রভু! হে আমার প্রাণনাথ!”

কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রেমের অতল সাগরে ডুবে গিয়ে তাঁর শরীর শক্তিহীন হয়ে গেল।
মহাপ্রভু মন্দিরের পাথরের মেঝেতে অচেতন হয়ে পড়ে গেলেন।

তাঁর শরীর নিস্তব্ধ হয়ে গেল, নিঃশ্বাস যেন খুব সূক্ষ্ম হয়ে এল, দেহে নানা অলৌকিক ভাব প্রকাশ পেল।
কখনো শরীর কাঁপছে, কখনো অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে।

মন্দিরের সেবকরা প্রথমে কিছুই বুঝতে পারলেন না।
তারা ভাবলেন—
“এ কে অজানা সন্ন্যাসী, যিনি হঠাৎ মন্দিরের মধ্যে অচেতন হয়ে পড়লেন?”

কেউ কেউ তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবছিলেন।

ঠিক সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মহান পণ্ডিত।
সার্বভৌম ভট্টাচার্য

তিনি মহাপ্রভুর শরীরের লক্ষণগুলো গভীরভাবে লক্ষ্য করলেন।
তিনি দেখলেন—এই অচেতনতা সাধারণ অজ্ঞানতা নয়, এটি হল পরম ঈশ্বরীয় প্রেমের মহাভাব।

তিনি সঙ্গে সঙ্গে বুঝলেন—
“এই সন্ন্যাসী সাধারণ কেউ নন। তাঁর হৃদয়ে যে কৃষ্ণপ্রেম প্রকাশ পাচ্ছে, তা জগতে অত্যন্ত বিরল।”

তখন তিনি ভক্তদের সাহায্যে মহাপ্রভুকে সযত্নে নিজের গৃহে নিয়ে গেলেন।

অনেকক্ষণ পরে ধীরে ধীরে মহাপ্রভুর জ্ঞান ফিরে এল।
জ্ঞান ফিরে পেয়ে তিনি কাঁদতে কাঁদতে বললেন—

“আমি কোথায়? আমি কি আবার আমার প্রভু জগন্নাথকে দেখতে পাব?”

তাঁর সেই আকুল কান্না শুনে চারপাশের সবাই স্তব্ধ হয়ে গেল।

সেই দিন থেকেই পুরীর মানুষ বুঝতে পারল—
এই সন্ন্যাসী সাধারণ মানুষ নন। তিনি হলেন সেই দয়াময় অবতার, যিনি কলিযুগে সকলকে কৃষ্ণপ্রেম দান করতে এসেছেন।
তিনি হলেন স্বয়ং Sri Chaitanya Mahaprabhu, যিনি রাধারাণীর প্রেমভাব ও শ্রীকৃষ্ণের করুণা নিয়ে এই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছেন, যাতে কলিযুগের ক্লান্ত ও পথভ্রষ্ট জীবেরা আবার ভগবানের নাম স্মরণ করে মুক্তির পথ খুঁজে পায়।

তাঁর আগমন ছিল করুণার বন্যা নিয়ে। তিনি কোনো ভেদাভেদ করেননি—ধনী বা দরিদ্র, পণ্ডিত বা অজ্ঞ, ব্রাহ্মণ বা সাধারণ মানুষ—সবার জন্য তিনি একটিই পথ দেখিয়েছিলেন, আর তা হল ভগবানের পবিত্র নামসংকীর্তন।

মহাপ্রভু নিজেই কাঁদতে কাঁদতে বলতেন—
“কৃষ্ণনাম গ্রহণ করো, তাহলেই হৃদয় শুদ্ধ হবে, জীবনের সমস্ত দুঃখ দূর হয়ে যাবে।”

তাঁর সেই অশ্রুভরা কীর্তন, তাঁর সেই উন্মত্ত প্রেম, তাঁর সেই করুণাময় দৃষ্টি—সবই ছিল একটিই উদ্দেশ্যে, যাতে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে কৃষ্ণের প্রতি প্রেম জাগ্রত হয়।

যে হৃদয় একবার মহাপ্রভুর এই প্রেমময় লীলার স্পর্শ পায়, সেই হৃদয় আর আগের মতো থাকে না। সেখানে ধীরে ধীরে জন্ম নেয় ভক্তি, অশ্রু আর নামসংকীর্তনের আনন্দ।

এইভাবেই কলিযুগের অন্ধকারে তিনি হয়ে উঠলেন এক উজ্জ্বল আলোকশিখা—যার আলো আজও অসংখ্য ভক্তের হৃদয়কে পথ দেখায়, আর স্মরণ করিয়ে দেয় যে সত্যিকারের সম্পদ হল ভগবানের প্রতি নিখাদ প্রেম। 🙏🥹

মহাপ্রভুর এই লীলা আমাদের শেখায়—
ভগবানের প্রতি সত্যিকারের প্রেম হলে হৃদয় আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না।
ভক্তি তখন শুধু শব্দ নয়, তা হয়ে ওঠে জীবনের শ্বাস, জীবনের অশ্রু, জীবনের প্রেম।

যারা মহাপ্রভুকে ভালোবাসেন, ভক্তিভরে একবার কমেন্টে লিখুন — #হরিবোল 🌼🙏

JaiMaaDurga #সনাতন #তিলক ゚viralシfypシ゚viralシalシfollowers




























🌸  #দোল_পূর্ণিমা 🌸🌿 দোল পূর্ণিমার সময়সূচি হোলিকা দহন (ন্যারাপোড়া)২ মার্চ, ২০২৬ (সোমবার) পূর্নিমা তিথি শুরু হওয়ার পর স...
26/02/2026

🌸 #দোল_পূর্ণিমা 🌸

🌿 দোল পূর্ণিমার সময়সূচি

হোলিকা দহন (ন্যারাপোড়া)
২ মার্চ, ২০২৬ (সোমবার) পূর্নিমা তিথি শুরু হওয়ার পর সন্ধ্যায় ।

শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণের দোলযাত্রা
৩ মার্চ, ২০২৬ (মঙ্গলবার) সূর্যোদয়কালীন পূর্ণিমা তিথিতে দোল পালিত হয় ।

হোলি উৎসব (রঙ খেলা)
৩ মার্চ, ২০২৬ (মঙ্গলবার) আবার ভারতের কোথাও কোথাও ৪ মার্চ, ২০২৬ হোলি উৎসব পালিত হবে ।

ব্রহ্মমুহূর্ত (পূজার শুভ সময়)
ভোর ৪:৫৬ মিনিট থেকে ভোর ৫:৪৪ মিনিট পর্যন্ত ।

#জাগ্রতচেতনা —
#সনাতন #তিলক ゚viralシfypシ゚viralシalシfollowers




























৮  #চিরঞ্জিবি নাম.                #সনাতন      #তিলক    ゚viralシfypシ゚viralシalシfollowers                                   ...
25/02/2026

৮ #চিরঞ্জিবি নাম.

#সনাতন #তিলক ゚viralシfypシ゚viralシalシfollowers




























🙏🌺শ্রী  #দুর্গা_চালীসা ও মাহাত্ম্য 🌺🙏নমো নমো দুর্গে সুখ করনী ।নমো নমো অংবে দুঃখ হরনী ॥ 1 ॥নিরংকার হৈ জ্য়োতি তুম্হারী ।ত...
24/02/2026

🙏🌺শ্রী #দুর্গা_চালীসা ও মাহাত্ম্য 🌺🙏

নমো নমো দুর্গে সুখ করনী ।
নমো নমো অংবে দুঃখ হরনী ॥ 1 ॥

নিরংকার হৈ জ্য়োতি তুম্হারী ।
তিহূ লোক ফৈলী উজিয়ারী ॥ 2 ॥

শশি ললাট মুখ মহাবিশালা ।
নেত্র লাল ভৃকুটি বিকরালা ॥ 3 ॥

রূপ মাতু কো অধিক সুহাবে ।
দরশ করত জন অতি সুখ পাবে ॥ 4 ॥

তুম সংসার শক্তি লয় কীনা ।
পালন হেতু অন্ন ধন দীনা ॥ 5 ॥

অন্নপূর্ণা হুয়ি জগ পালা ।
তুম হী আদি সুংদরী বালা ॥ 6 ॥

প্রলযকাল সব নাশন হারী ।
তুম গৌরী শিব শংকর প্য়ারী ॥ 7 ॥

শিব যোগী তুম্হরে গুণ গাবেম্ ।
ব্রহ্মা বিষ্ণু তুম্হেং নিত ধ্য়াবেম্ ॥ 8 ॥

রূপ সরস্বতী কা তুম ধারা ।
দে সুবুদ্ধি ঋষি মুনিন উবারা ॥ 9 ॥

ধরা রূপ নরসিংহ কো অংবা ।
পরগট ভয়ি ফাড কে খংবা ॥ 10 ॥

রক্ষা কর প্রহ্লাদ বচায়ো ।
হিরণ্য়াক্ষ কো স্বর্গ পঠায়ো ॥ 11 ॥

লক্ষ্মী রূপ ধরো জগ মাহীম্ ।
শ্রী নারাযণ অংগ সমাহীম্ ॥ 12 ॥

ক্ষীরসিংধু মেং করত বিলাসা ।
দয়াসিংধু দীজৈ মন আসা ॥ 13 ॥

হিংগলাজ মেং তুম্হীং ভবানী ।
মহিমা অমিত ন জাত বখানী ॥ 14 ॥

মাতংগী ধূমাবতি মাতা ।
ভুবনেশ্বরী বগলা সুখদাতা ॥ 15 ॥

শ্রী ভৈরব তারা জগ তারিণী ।
ছিন্ন ভাল ভব দুঃখ নিবারিণী ॥ 16 ॥

কেহরি বাহন সোহ ভবানী ।
লাংগুর বীর চলত অগবানী ॥ 17 ॥

কর মেং খপ্পর খডগ বিরাজে ।
জাকো দেখ কাল ডর ভাজে ॥ 18 ॥

তোহে কর মেং অস্ত্র ত্রিশূলা ।
জাতে উঠত শত্রু হিয় শূলা ॥ 19 ॥

নগরকোটি মেং তুম্হীং বিরাজত ।
তিহুঁ লোক মেং ডংকা বাজত ॥ 20 ॥

শুংভ নিশুংভ দানব তুম মারে ।
রক্তবীজ শংখন সংহারে ॥ 21 ॥

মহিষাসুর নৃপ অতি অভিমানী ।
জেহি অঘ ভার মহী অকুলানী ॥ 22 ॥

রূপ করাল কালিকা ধারা ।
সেন সহিত তুম তিহি সংহারা ॥ 23 ॥

পডী ভীঢ সংতন পর জব জব ।
ভয়ি সহায় মাতু তুম তব তব ॥ 24 ॥

অমরপুরী অরু বাসব লোকা ।
তব মহিমা সব কহেং অশোকা ॥ 25 ॥

জ্বালা মেং হৈ জ্য়োতি তুম্হারী ।
তুম্হেং সদা পূজেং নর নারী ॥ 26 ॥

প্রেম ভক্তি সে জো যশ গাবেম্ ।
দুঃখ দারিদ্র নিকট নহিং আবেম্ ॥ 27 ॥

ধ্য়াবে তুম্হেং জো নর মন লায়ি ।
জন্ম মরণ তে সৌং ছুট জায়ি ॥ 28 ॥

জোগী সুর মুনি কহত পুকারী ।
যোগ ন হোয়ি বিন শক্তি তুম্হারী ॥ 29 ॥

শংকর আচারজ তপ কীনো ।
কাম অরু ক্রোধ জীত সব লীনো ॥ 30 ॥

নিশিদিন ধ্য়ান ধরো শংকর কো ।
কাহু কাল নহিং সুমিরো তুমকো ॥ 31 ॥

শক্তি রূপ কো মরম ন পায়ো ।
শক্তি গয়ী তব মন পছতায়ো ॥ 32 ॥

শরণাগত হুয়ি কীর্তি বখানী ।
জয় জয় জয় জগদংব ভবানী ॥ 33 ॥

ভয়ি প্রসন্ন আদি জগদংবা ।
দয়ি শক্তি নহিং কীন বিলংবা ॥ 34 ॥

মোকো মাতু কষ্ট অতি ঘেরো ।
তুম বিন কৌন হরৈ দুঃখ মেরো ॥ 35 ॥

আশা তৃষ্ণা নিপট সতাবেম্ ।
রিপু মূরখ মোহি অতি দর পাবৈম্ ॥ 36 ॥

শত্রু নাশ কীজৈ মহারানী ।
সুমিরৌং ইকচিত তুম্হেং ভবানী ॥ 37 ॥

করো কৃপা হে মাতু দয়ালা ।
ঋদ্ধি-সিদ্ধি দে করহু নিহালা । 38 ॥

জব লগি জিয়ূ দয়া ফল পাবূ ।
তুম্হরো যশ মৈং সদা সুনাবূ ॥ 39 ॥

দুর্গা চালীসা জো গাবৈ ।
সব সুখ ভোগ পরমপদ পাবৈ ॥ 40 ॥

দেবীদাস শরণ নিজ জানী ।
করহু কৃপা জগদংব ভবানী।।

🌺🙏 শ্রী দুর্গা চালীসা মাহাত্ম্য 🙏🌺

নিয়ম মেনে প্রতিদিন অথবা বিশেষ দিনে দুর্গা চালীসা পাঠ করলে মা দুর্গা প্রসন্ন হন। ভক্তের সমস্ত বিপদ, দুঃখ ও মানসিক কষ্ট দূর করেন।

✨ এটি ঘর থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর করে
✨ সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি নিয়ে আসে
✨ আত্মবিশ্বাস ও সাহস বৃদ্ধি করে
✨ মনের ইচ্ছা পূরণে সহায়তা করে

🌼 দুর্গা চালীসা পাঠের প্রধান উপকারিতা:

🔱 বিপদ মুক্তি:
মা দুর্গার কৃপায় যাবতীয় বাধা ও বিপদ দূর হয়।

🕊 মানসিক শান্তি ও সাহস:
মনের ভয় দূর করে অভ্যন্তরীণ শক্তি ও প্রশান্তি প্রদান করে।

🌸 মনস্কামনা পূরণ:
গভীর ভক্তি ও নিয়ম মেনে পাঠ করলে ইচ্ছা পূরণ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।

🏡 পারিবারিক সুখ ও সমৃদ্ধি:
পরিবারে শান্তি, সুখ ও ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়।

🪔 পাপক্ষয় ও আত্মশুদ্ধি:
নিয়মিত পাঠে মন ও শরীর পবিত্র হয়।

📿 পাঠের নিয়ম:
🪔 সকাল বা সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালিয়ে ভক্তিভরে পাঠ করা শ্রেয়।
🧘 মন স্থির রেখে ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে পাঠ করা উত্তম।

🌺 “জয় জয় জয় জগদম্বা ভবানী” 🌺

মা দুর্গার কৃপা সবার উপর বর্ষিত হোক 🙏✨
#সনাতন #তিলক ゚viralシfypシ゚viralシalシfollowers




























Address

Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতন সংবাদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share