SOUL CARE

SOUL CARE destination towards the reality...

হরে কৃষ্ণশুভ ইংরেজি নববর্ষ একাদশী তালিকা ২০২৬
01/01/2026

হরে কৃষ্ণ
শুভ ইংরেজি নববর্ষ
একাদশী তালিকা ২০২৬

আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর, রোজ মঙ্গলবারসুফলা একাদশী
15/12/2025

আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর, রোজ মঙ্গলবার
সুফলা একাদশী

হরে কৃষ্ণ।আগামীকাল শ্রী শ্রী  #মোক্ষদা_একাদশী তিথি এবং  #শ্রীমদ্ভগবদগীতার_শুভ_আবির্ভাব_তিথি, গীতা জয়ন্তী মহোৎসব।এটি সেই ...
30/11/2025

হরে কৃষ্ণ।আগামীকাল শ্রী শ্রী #মোক্ষদা_একাদশী তিথি এবং #শ্রীমদ্ভগবদগীতার_শুভ_আবির্ভাব_তিথি, গীতা জয়ন্তী মহোৎসব।

এটি সেই দিন যেদিন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সমস্ত জীবকুলের জন্য ভগবদগীতার জ্ঞান প্রদান করেন।গীতা শুধু একটি ধর্মগ্রন্থ নয়।প্রত্যেক মানুষের সাথে ভগবানের কথোপকথন ও পরম সত্যকে জানার উপায়।দুর্ভাগ্যবশত গীতার স্পর্শ থেকে আমরা অনেক দূরে।

শ্রীল প্রভুপাদ গীতার বানীকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।গীতা যথাযথ গ্রন্থটি অধ্যয়নের মাধ্যমে আপনি ভগবানের প্রতিটি নির্দেশ বুঝতে পারবেন কেননা তা একজন শুদ্ধভক্তের দ্বারা সংকলিত হয়েছে।এটি পড়ে সারা বিশ্বের মানুষ শ্রীকৃষ্ণের সাথে তাদের সম্পর্ক বুঝতে পারছে ও মানব জীবনের প্রকৃত সার্থকতা নিশ্চিত করছে।

সকলে গীতা যথাযথ সংগ্রহ করুন,অন্যদের দান করুন।নিয়মিত গীতা শ্রবন ও পাট করুন।এদিন গীতা দান করার মাধ্যমে ভগবান অত্যন্ত প্রসন্ন হন ও সেই ব্যক্তি সহস্রকাল বিষ্ণুলোকে বসবাস করেন।

20/11/2025

বৈদিক শাস্ত্রমতে গর্ভবতী মা কোন কাজটি অবশ্যই করবেন?

উৎপন্না একাদশীর মাহাত্ম্য!! অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে এই একাদশী মাহাত্ম্য শ্রবণ করতে চাইলে শ্রীভগবান বললেন, সত্যযুগে 'মুর'...
15/11/2025

উৎপন্না একাদশীর মাহাত্ম্য!!

অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে এই একাদশী মাহাত্ম্য শ্রবণ করতে চাইলে শ্রীভগবান বললেন, সত্যযুগে 'মুর' নামে এক দানব ছিল। সে এতই দুরাচারী ছিল যে যুদ্ধে স্বর্গরাজ্য ইন্দ্রকে পরাজিত করে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করেছিল। দেবতারা মহাদেবের কাছে তাদের দুঃখের কথা বললে মহাদেব তাঁদের নিয়ে ক্ষীর সমুদ্রের তীরে বিষ্ণুর কাছে গেলেন। বিষ্ণু দেবতাদের কাছ থেকে জানলেন যে, প্রাচীনকালে ব্রহ্ম বংশে তালজঙ্গা নামে পরাক্রমশালী অসুর ছিল। তারই পুত্র মুর। সে স্বর্গ থেকে দেবতাদের বিতাড়িত করে তার স্বজাতি কাউকে রাজা, কাউকে অন্যান্য দিকপালরূপে প্রতিষ্ঠা করে এখন দেবলোক সম্পূর্ণ অধিকার করেছে। একথা শুনে ভগবান ক্রোধান্বিত হয়ে দেবতাদের সাথে চন্দ্রাবতী পুরীতে গেলেন। দেবতার ও অসুরদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হলো। কেবলমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে নারায়ণকে একা দেখে সে দানব গর্জন করতে থাকলো। মুর দানব একমাত্র জীবিত ছিল। দেবতাদের হিসাবে ১০০০ বছর যুদ্ধ করার পরও সে পরাজিত হল না। তখন বদ্রিকাশ্রমে ভগবান বিষ্ণু সিংহবতী নামক এক গুহায় শয়ন করলেন। সেখানে এক দানব বিষ্ণুকে নিদ্রিত দেখে মনে করলো বিষ্ণু ভয়ে শয়ন করে আছে। দানবের এই চিন্তার কারণে বিষ্ণুর দেহ থেকে এক কন্যা উৎপন্ন হলো। তার নাম উৎপন্না একাদশী। সে মুর দানবকে বধ করল। বিষ্ণু নিদ্রা থেকে উঠার পর দেখল এই কন্যা মুর দানবকে বধ করেছে।

বিষ্ণু এই একাদশীকে বর দিলেন - এই ব্রত পালনকারীর সমস্ত ইচ্ছা পূর্ণ হবে। এই একাদশী ব্রত পালন করলে বিষ্ণুরই পূজা হবে। এই ব্রত পালনকারীর শত্রু বিনাশ, পরমগতি ও সর্বসিদ্ধি লাভ হবে। একাদশীর উৎপত্তি কোথা থেকে হলো তা শ্রবণ কীর্তন করলে শ্রীহরির আশীর্বাদ লাভ করা যায়।

হরে কৃষ্ণ।আগামীকাল ১৫ নভেম্বর শনিবার শ্রী উৎপন্না একাদশী ব্রত।পারণের সময় পরদিন সকাল ৯.১১-৯.৩০ এর মধ্যে।কলিযুগে একাদশী ব্...
14/11/2025

হরে কৃষ্ণ।আগামীকাল ১৫ নভেম্বর শনিবার শ্রী উৎপন্না একাদশী ব্রত।
পারণের সময় পরদিন সকাল ৯.১১-৯.৩০ এর মধ্যে।

কলিযুগে একাদশী ব্রত সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ট।তাই একাদশী ব্রত পালন না করলে অনান্য কোন ব্রত সফল হয় না।ভগবানের অত্যন্ত প্রিয় ও সমস্ত পাপ মোচনকারী একাদশী ব্রত পালন করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অহৈতুকী কৃপা ও সুরক্ষা লাভ করুন।

হরে কৃষ্ণ।আগামী ২ নভেম্বর রবিবার শ্রী  উথ্থান  একাদশী ব্রত।পারণের সময়-পরদিন সকাল (৬.০৫-৯.৪৯) পর্যন্ত।(বাংলাদেশ সময়)পবিত্...
30/10/2025

হরে কৃষ্ণ।আগামী ২ নভেম্বর রবিবার শ্রী উথ্থান একাদশী ব্রত।
পারণের সময়-পরদিন সকাল (৬.০৫-৯.৪৯) পর্যন্ত।(বাংলাদেশ সময়)

পবিত্র কার্তিক মাস,ভক্তির মাস।ভক্তিমূলক কাজে নিয়োজিত থাকার জন্য ভগবান এই মাসে বিশেষ সুযোগ প্রদান করেছেন।এ মাসে কোনো একাদশী বাদ দিবেন না।সকলে শ্রী হরির সর্বাপেক্ষা প্রিয় একাদশী ব্রত পালন করবেন।এ দিন অন্ন,রুটি ইত্যাদি ভোজন গুরুহত্যার সমান পাপ বয়ে আনে।আর পাপের সাথে আসে দুঃখ।তাই শাস্ত্রসিদ্ধান্ত মানলে সমস্ত দুঃখের অবসান হয়।হরে কৃষ্ণ।

30/10/2025
দামোদর /কার্তিক মাসের আর বেশিদিন বাকি নেই।সকলে দামোদর ভগবানকে প্রদীপ নিবেদন করুন যাতে সর্বপ্রকার মঙ্গল সাধিত হয়।সমস্ত পা...
28/10/2025

দামোদর /কার্তিক মাসের আর বেশিদিন বাকি নেই।

সকলে দামোদর ভগবানকে প্রদীপ নিবেদন করুন যাতে সর্বপ্রকার মঙ্গল সাধিত হয়।সমস্ত পাপ দূরীভূত হয়ে শুদ্ধভক্তি লাভ হয়।

17/10/2025

রমা একাদশীর মাহাত্ম্য থেকে শিক্ষনীয় বিষয়::
#প্রাচীন কালে রাজ্যশাসক রাজা অনেক ধর্মপরায়ন ও শাস্ত্রীয় বিধি নিষেধ মেনে রাজ্য শাসন করতেন।সকলের জন্য একাদশী ব্রত বাধ্যতামূলক ছিল।এমন কি পশুপাখিরা ও অন্ন স্পর্শ করতো না।দ্বাদশী তেই ঘোষনা দেওয়া হতো যে পরদিন একাদশী ব্রত।তাই প্রজারা ও শান্তিপূর্ণ ভাবে জীবনযাপন করতেন।আর আমাদের বর্তমান সমাজ পাপে পরিপূর্ণ কারন রাজা প্রজা সবাই অনাচারে লিপ্ত।প্রকাশ্যে খুন,ধর্ষন আসুরিক কাজ হয়।

#শোভন অত্যন্ত দুর্বল ও ক্ষুধার্ত থাকা স্বত্তে ও একাদশী ব্রত ভঙ্গ করেন নি।যদি ও তারঁ কাছে সুযোগ ছিল ফিরে যাওয়ার।ফল স্বরূপ কী হল তা ব্রত মাহাত্ম্যে রয়েছে 🥰

🌿একাদশী মাহাত্ম্য নিছক কোনো গল্প নয়।স্বযং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তা বর্ননা করেছেন যুধিষ্ঠির মহারাজের কাছে।শিক্ষনীয় বিষয়গুলো ধারন ও পালন করা কর্তব্য।হরে কৃষ্ণ।

এক সময় যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন---হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি এবং তার মহিমা কি তা কৃ...
17/10/2025

এক সময় যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন---হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি এবং তার মহিমা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে রাজন! মহাপাপ বিনষ্টকারী এই একাদশী 'রমা' নামে বিখ্যাত। আমি এখন সেই মাহাত্ম্য বর্ণনা করছি, আপনি তা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করুন।
পুরাকালে মুচুকুন্দ নামে এক সুপ্রসিদ্ধ রাজা ছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র, যম, বরুন ও ধনপতি কুবেরের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠ বিভীষণের সাথেও তার অত্যন্ত সদ্ভাব ছিল। তিনি ছিলেন বিষ্ণু ভক্ত ও সত্যপ্রতিজ্ঞ। এই রূপে তিনি ধর্ম অনুযায়ী রাজ্য শাসন করতেন l চন্দ্রভাগা নামে তার একটি কন্যা ছিল। চন্দসেনের পুত্র শোভনের সাথে তার বিবাহ হয়েছিল। শোভন এক সময় তার শ্বশুর বাড়িতে এসেছিল। দৈবক্রমে সেই দিন ছিল একাদশী তিথি। স্বামীকে দেখে পতি পরায়না চন্দ্রভাগা মনে মনে চিন্তা করতে লাগল---হে ভগবান! আমার স্বামী অত্যন্ত দুর্বল। তিনি ক্ষুধা সহ্য করতে পারেন না। এখানে আমার পিতার শাসন খুবই কঠোর। দশমীর দিন তিনি নাগরা বাজিয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন যে একাদশীতে আহার নিষিদ্ধ। আমি এখন কি করি!
রাজার নিষেধাজ্ঞা শুনে শোভন তার প্রিয়তমা পত্নীকে বলল---হে প্রিয়ে, এখন আমার কি কর্তব্য তা আমাকে বলো। উত্তরে রাজকন্যা বলল---হে স্বামী! আজ এই গৃহে এমনকি রাজ্য মধ্যে কেউই আহার করবে না। মানুষের কথা তো দূরে থাকুক, পশুরা পর্যন্ত অন্ন জল মাত্র গ্রহণ করবে না। হে নাথ! যদি তুমি এ থেকে পরিত্রাণ চাও তবে নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন করো। এখানে আহার করলে তুমি সকলের নিন্দা ভাজন হবে এবং আমার পিতাও ক্রুদ্ধ হবেন। এখন বিশেষ ভাবে বিচার করে যা ভালো হয়, তুমি তা ই করো। সাধ্বী স্ত্রীর এই কথা শুনে শোভন বলল---হে প্রিয়ে! তুমি ঠিক বলেছ। কিন্তু আমি গৃহে ফিরে যাব না। এখানে থেকে একাদশী ব্রত পালন করব। ভাগ্যে যা লেখা আছে তা অবশ্যই ঘটবে।
এই ভাবে শোভন ব্রত পালনে বদ্ধপরিকর হলেন।
সমস্ত দিন অতিক্রান্ত হয়ে রাত্রি শুরু হল। বৈষ্ণব দের কাছে এই রাত্রি সত্যি ই আনন্দকর। কিন্তু শোভনের পক্ষে তা ছিল বড়ই দুঃখদায়ক। কেননা ক্ষুধা তৃষ্ণায় সে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ল। এই ভাবে রাত্রি অতিবাহিত হলে সূর্যোদয় কালে তার মৃত্যু হল। রাজা মুচুকুন্দ সাড়ম্বরে তার শবদাহ কার্য সুসম্পন্ন করলেন। চন্দ্রভাগা স্বামীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সমাপ্ত করে পিতার আদেশে পিতৃগৃহেই বাস লাগল।
কালক্রমে রমা ব্রত প্রভাবে শোভন মন্দরাচল শিখরে অনুপম সৌন্দর্যবিশিষ্ট এক রমনীয় দেবপুরী প্রাপ্ত হলেন। এক সময় মুচুকুন্দ পুরের সোমশর্ম্মা নামে এক ব্রাহ্মণ তীর্থভ্রমন করতে করতে সেখানে উপস্থিত হলেন।সেখানে রত্নমন্ডিত বিচিত্র স্ফটিক খচিত সিংহাসনে রত্নালংকারে ভূষিত রাজা শোভনকে তিনি দেখতে পেলেন। গন্ধর্ব ও অপ্সরাগণ দ্বারা নানা উপচারে সেখানে পূজিত হচ্ছিলেন। রাজা মুচুকুন্দের জামাতা রূপে ব্রাহ্মণ তাকে চিনতে পেরে তার কাছে গেলেন। শোভন সেই ব্রাহ্মণকে দেখে আসন থেকে উঠে এসে তার চরণ বন্দনা করলেন। শ্বশুর মুচুকুন্দ ও স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ নগরবাসী সকলের কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন। ব্রাহ্মণ সকলের কুশল সংবাদ জানালেন। জিজ্ঞাসা করলেন---এমন বিচিত্র মনোরম স্থান কেউ কখনও দেখেনি। আপনি কিভাবে এই স্থান প্রাপ্ত হলেন, তা সবিস্তারে আমার কাছে বর্ণনা করুন। শোভন বললেন যে, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া রমা একাদশী সর্ব ব্রতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। আমি তা শ্রদ্ধা রহিত ভাবে পালন করলেও তার আশ্চর্যজনক এই ফল লাভ করেছি। আপনি কৃপা করে চন্দ্রভাগাকে সমস্ত ঘটনা জানাবেন।
সোমশর্ম্মা মুচুকুন্দ পুরে ফিরে এসে চন্দ্রভাগার কাছে সমস্ত ঘটনার কথা জানালেন। ব্রাহ্মণের কথা শুনে অত্যন্ত আনন্দিত চন্দ্রভাগা বললেন---হে ব্রাহ্মণ! আপনার কথা আমার কাছে স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে। তখন সোমশর্ম্মা বললেন---হে পুত্রী, সেখানে তোমার স্বামীকে আমি স্বয়ং স্বচক্ষে দেখেছি। অগ্নিদেবের মতো দীপ্তিমান তার নগরও দর্শন করেছি। কিন্তু তার নগর স্থির নয়, তা যাতে স্থির হয়, সেই মতো কোনো উপায় কর। এসব কথা শুনে চন্দ্রভাগা বললেন, তাকে দেখতে আমার একান্ত ইচ্ছা হচ্ছে। আমাকে এখনি তার কাছে নিয়ে চলুন। আমি ব্রত পালনের পুণ্য প্রভাবে নগর স্থির করে দেব।
তখন সোমশর্ম্মা চন্দ্রভাগাকে নিয়ে মন্দার পর্বতে বামনদেবের আশ্রমে উপস্থিত হলেন। সেখানে ঋষির কৃপায় ও হরিবাসর ব্রত পালনের ফলে চন্দ্রভাগা দিব্য শরীর প্রাপ্ত হল। দিব্য গতি লাভ করে স্বামীর নিকট উপস্থিত হলেন। প্রিয় পত্নীকে দেখে শোভন অতীব আনন্দিত হলেন।
বহু দিন পর স্বামীর সঙ্গ লাভ করে চন্দ্রভাগা অকপটে নিজের পুণ্য কথা জানালেন। হে প্রিয়, আজ থেকে আট বছর আগে আমি যখন পিতৃগৃহে ছিলাম তখন থেকে রমা একাদশীর ব্রত নিষ্ঠা সহকারে পালন করতাম। ঐ পুণ্য প্রভাবে এই নগর স্থির হবে এবং মহাপ্রলয় পর্যন্ত থাকবে।
হে মহারাজ! মন্দরাচল পর্বতের শিখরে শোভন তার স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ দিব্যসুখ ভোগ করতে লাগলেন। পাপনাশিনী ও ভুক্তি মুক্তি প্রদায়িনী রমা একাদশীর মাহাত্ম্য আপনার কাছে বর্ণনা করলাম। যিনি এই একাদশী ব্রত শ্রবণ করবেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে পূজিত হন।

হরে কৃষ্ণ।বলুন তো  মা যশোদা গোপালের দুষ্টুমির জন্য শাস্তি দিতে  কোমরে দড়ি বাঁধছে,ভগবানের এই রূপের নাম কী?
16/10/2025

হরে কৃষ্ণ।বলুন তো মা যশোদা গোপালের দুষ্টুমির জন্য শাস্তি দিতে কোমরে দড়ি বাঁধছে,ভগবানের এই রূপের নাম কী?

Address

Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SOUL CARE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share