ছারছীনা মিডিয়া ফোরাম

ছারছীনা মিডিয়া ফোরাম ছারছীনা দরবার শরীফ থেকে পরিচালিত।

পবিত্র জিলহজ মাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো 'তাকবীরে তাশরীক'। আগামী ৯ই জিলহজ (ফজর নামাযের পর থেকে) শুরু করে ১৩ই ...
26/05/2026

পবিত্র জিলহজ মাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো 'তাকবীরে তাশরীক'। আগামী ৯ই জিলহজ (ফজর নামাযের পর থেকে) শুরু করে ১৩ই জিলহজ (আসর নামায পর্যন্ত) প্রত্যেক ফরয নামাযের পর এই তাকবীর পাঠ করা ওয়াজিব।

ইংরেজি তারিখ অনুযায়ী ২৭ মে আগামীকাল (ফজর নামাযের পর থেকে) ৩১ মে (আসর নামায পর্যন্ত) মোট ওয়াক্ত: ২৩ ওয়াক্ত।

​তাকবীরে তাশরীক:
​اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
(আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ)

ফরয নামায শেষ হওয়ার পরপরই অবহেলা প্রত্যেকে এই ওয়াজিব আমলটি আদায় করুন এবং অন্যদেরও স্মরণ করিয়ে দিন।

ছারছীনা মিডিয়া ফোরাম'র ভিজ্যুয়াল ইউনিট।

বাংলাদেশে আরাফাহ’র রোজা কবে রাখবেন?‎‎ জিলহজ মাস এলেই আমাদের মাঝে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসে—‎‎"আমরা আরাফাহ’র রোজা ক...
25/05/2026

বাংলাদেশে আরাফাহ’র রোজা কবে রাখবেন?

‎ জিলহজ মাস এলেই আমাদের মাঝে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসে—

‎"আমরা আরাফাহ’র রোজা কবে রাখবো? সৌদির হজ্জের দিন নাকি বাংলাদেশের ৯ জিলহজে?"

‎অনেকেই না বুঝে বিভ্রান্তিতে পড়েন। আসুন, কুরআন, হাদিস এবং বিশ্বখ্যাত আলেম ও ফতোয়া বোর্ডের সিদ্ধান্তের আলোকে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জেনে নিই।

‎১. ‘ইয়াওমে আরাফাহ’ আসলে কী? একটি স্থান নাকি একটি নির্দিষ্ট তারিখ? ইসলামি পরিভাষায় জিলহজ মাসের প্রতিটি দিনের আলাদা নাম আছে। যেমন—

‎৮ জিলহজকে বলা হয়! ‘ইয়াওমুত তারবিয়াহ’,
‎৯ জিলহজকে বলা হয় ‘ইয়াওমে আরাফাহ’,
‎১০ জিলহজকে বলা হয় ‘ইয়াওমুন নাহার’ (কোরবানির দিন)

‎হাদিসের পরিভাষায় ‘ইয়াওমে আরাফাহ’ বলতে নির্দিষ্ট কোনো স্থানকে নয়, বরং জিলহজ মাসের ৯ তারিখকেই বোঝানো হয়েছে। যেভাবে আমরা নিজ নিজ দেশের চাঁদের তারিখ অনুযায়ী ১০ জিলহজে কোরবানি ও ঈদ পালন করি, ঠিক একইভাবে তার আগের দিন অর্থাৎ ৯ জিলহজে আরাফাহ’র রোজা রাখা আমাদের দায়িত্ব।

‎২. হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশনা ও দলিল! চাঁদ দেখার ওপর আমল:

‎রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

‎"তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ভঙ্গ (ঈদ) করো।"

‎(সহিহ বুখারী ও মুসলিম)

‎এই নিয়মটি রমজানের মতো জিলহজ মাসের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।


‎উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত:
‎"রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চারটি আমল কখনো ছাড়তেন না:

‎🔹 আশুরার রোজা,
‎🔹জিলহজের প্রথম ৯ দিনের রোজা,
‎🔹 প্রত্যেক মাসের তিনটি রোজা,
‎🔹 এবং ফজরের আগের দুই রাকাত সুন্নত।"

‎সুনানে নাসায়ী, হাদিস: ২৪১৬; মুসনাদে আহমাদ

‎এই হাদিসটি প্রমাণ করে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) জিলহজের ৯ তারিখ হিসেবেই রোজা রাখতেন, কারণ মক্কার বাইরে থাকা সাহাবিদের কাছে সেই যুগে তাৎক্ষণিকভাবে মক্কায় কবে হজ্জ হচ্ছে সেই খবর পৌঁছানোর কোনো প্রযুক্তিগত মাধ্যম ছিল না।

‎- আরাফাহ’র রোজার ফজিলত:
‎ আবু কাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে আরাফাহ’র দিনের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন:

‎"আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি, এটি তার পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা (ক্ষমা) হিসেবে গণ্য হবে।"‎-সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬২

‎৩. যুক্তির আলোকে বিষয়টি বুঝুন (সময় ও ভৌগোলিক ব্যবধান)

‎হাজী সাহেবদের আরাফাহ’র ময়দানে অবস্থান (ওকুফে আরাফাহ) শুরু হয় ৯ জিলহজ জোহরের ওয়াক্ত থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আপনি যদি সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে বাংলাদেশে রোজা রাখেন (যা বাংলাদেশের ৮ জিলহজ), তবে বাংলাদেশে যখন ইফতারের সময় হবে, সৌদিতে তখন কেবল হাজিদের আরাফাহর মাঠে অবস্থান শুরু হচ্ছে! অর্থাৎ সময়ের ব্যবধানের কারণে সৌদির হজ্জের আমলের সাথে মিলিয়ে পৃথিবীর অন্য প্রান্ত থেকে রোজা রাখা ভৌগোলিক ও সামাজিকভাবে অসম্ভব ও যুক্তিহীন।

‎৪. বিশ্বখ্যাত আলেম ও ফতোয়া বোর্ডের মতামত
‎বিশ্বের বড় বড় স্কলার এবং ফতোয়া বোর্ড একমত যে, রোজা নিজ দেশের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।

‎সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ ইবনে উসাইমীন (রহ.)-এর ফতোয়া:

‎তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, চাঁদের উদয়স্থলের ভিন্নতার কারণে যদি অন্য দেশে আরাফাহ’র দিন সৌদির সাথে না মেলে, তবে তারা কবে রোজা রাখবে? তিনি স্পষ্ট জবাব দেন:

‎"সবচেয়ে সঠিক মত হলো, চাঁদের উদয়স্থল ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন হতে পারে। ...অতএব, আপনারা যে দেশে বসবাস করছেন, সেই দেশের চাঁদের হিসাব অনুযায়ী যখন ৯ জিলহজ হবে, তখনই আরাফাহ’র রোজা রাখবেন।"‎_ মাজমুউল ফাতাওয়া, খণ্ড: ১৯

‎ইসলামিক ফিকহ একাডেমি (OIC):
‎১৯৮৬ সালে জর্ডানে অনুষ্ঠিত ওআইসি-এর ইসলামি ফিকহ একাডেমির বার্ষিক অধিবেশনে বিশ্বের শতাধিক শীর্ষ আলেম ও গবেষক সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেন যে, ঈদ ও রোজা উভয় ক্ষেত্রেই আন্তর্জাতিক বা গ্লোবাল সাইটিং নয়, বরং প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব বা আঞ্চলিক চাঁদ দেখাকেই মানদণ্ড ধরতে হবে।

‎- বাংলাদেশের আলেমদের অবস্থান:
‎জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতি ও আলেমদের (দারুল উলুম দেওবন্দ ও দেশীয় ফতোয়া বোর্ডসমূহের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী) স্পষ্ট ফতোয়া হলো—বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশের চাঁদের হিসাব অনুযায়ী ৯ জিলহজ তারিখে আরাফাহ’র রোজা রাখা সুন্নাহসম্মত ও বাধ্যতামূলক।

‎রেফারেন্স: আল-বাহরুর রায়েক: ২/২৬৬; ফতোয়ায়ে উসমানি: ২/১৬৭

‎সুতরাং, কোনো রকম সংশয় বা দ্বিধাদ্বন্দ্বে না ভুগে, আমাদের বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে ঘোষিত জিলহজ মাসের ৯ তারিখে (ঈদুল আজহার আগের দিন) আরাফাহ’র নিয়তে রোজা রাখুন।

তাই আমরা বাংলাদেশে ইংরেজি ২৭ তারিখ, রোজ বুধবার আরাফার রোজা রাখবো; ইনশাআল্লাহ।

‎ইসলামে বিশৃঙ্খলা বা বিভ্রান্তির কোনো স্থান নেই। নিজের দেশের নিয়ম মেনে ইবাদত করাই শরিয়তের প্রকৃত সৌন্দর্য।

‎আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কুরআন - সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন

https://youtu.be/BReKn6rAxW8?si=u7ZZ4mqqcjO_exqe
24/05/2026

https://youtu.be/BReKn6rAxW8?si=u7ZZ4mqqcjO_exqe

হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ) এর প্রথম ইন্তেকাল বার্ষিক উপলক্ষে আয়োজিত ঈসালে সওয়াব মাহফ....

জুমআর দিনে একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে—যে মুহূর্তে একজন মুসলিম আল্লাহ তাআলার কাছে যা প্রার্থনা করেন, আল্লাহ তাআলা তা কবুল ...
22/05/2026

জুমআর দিনে একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে—
যে মুহূর্তে একজন মুসলিম আল্লাহ তাআলার কাছে যা প্রার্থনা করেন, আল্লাহ তাআলা তা কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—

> «فِيهِ سَاعَةٌ لَا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ شَيْئًا إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ»

“জুমআর দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি সে সময়ে নামাযরত অবস্থায় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাআলা তাকে তা দান করেন।”
— (সহীহ বুখারী: ৯৩৫ | সহীহ মুসলিম: ৮৫২)

উলামায়ে কেরামের একটি প্রসিদ্ধ মত অনুযায়ী,
সেই বরকতময় সময়টি হলো — আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়।

তাই এই সময়টুকু বেশি বেশি দোয়া, ইস্তিগফার, দরূদ শরীফ ও জিকিরে অতিবাহিত করা উচিত।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের দোয়া কবুল করুন। আমীন।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন- যে কেউ শুক্রবারে সূরা আল...
22/05/2026

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন- যে কেউ শুক্রবারে সূরা আল-কাহাফ পড়বে পরবর্তী জুম'আ পর্যন্ত সে নূর দ্বারা আলোকিত থাকবে। [মুস্তাদরাকে হাকিমঃ ২/৩৬৮, সুনান দারমী ২/৪৫৪]

অপর হাদীসে এসেছে, ‘যেভাবে সূরা আল-কাহাফ নাযিল হয়েছে সেভাবে কেউ তা পড়লে সেটা তার জন্য কিয়ামতের দিন নূর বা আলোকবর্তিকা হবে। [মুস্তাদরাকে হাকিমঃ ১/৫৬৪]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “যে ব্যক্তি সূরা আল-কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফেৎনা থেকে নিরাপদ থাকবে।” [আবু দাউদঃ ৪৩২৩, আহমাদঃ ৬/৪৪৯]

অন্য এক হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “যে ব্যক্তি সূরা কাহফের শেষ দশটি আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফেৎনা থেকে মুক্ত থাকবে। [মুসলিমঃ ৮০৯]

অন্য এক হাদীসে বারা ইবনে আযিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, এক লোক সূরা আল-কাহাফ পড়ছিল তার ঘরে ছিল একটি বাহন। বাহনটি বারবার পালাচ্ছিল। সে তাকিয়ে দেখল যে, মেঘের মত কিছু যেন তাকে ঢেকে আছে। সে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সেটা বর্ণনা করার পর রাসূল বললেনঃ হে অমুক! তুমি পড়। এটাতো কেবল ‘সাকীনাহ’ বা প্রশান্তি যা কুরআন পাঠের সময় নাযিল হয়৷ [বুখারীঃ ৩৬১৪, মুসলিমঃ ৭৯৫]।

খানকায়ে ছালেহীয়া বনানীতে আজ এক প্রাণবন্ত তালীমী জলসা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উক্ত জলসায় সভাপতিত্ব ও পর্দার অধিষ্ঠান করেন ছারছীনার...
19/05/2026

খানকায়ে ছালেহীয়া বনানীতে আজ এক প্রাণবন্ত তালীমী জলসা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত জলসায় সভাপতিত্ব ও পর্দার অধিষ্ঠান করেন ছারছীনার হযরত পীর সাহেব হুজুর কেবলা (মাঃজিঃআঃ)

তিনি তাঁর মূল্যবান বয়ানে উপস্থিত মুসল্লী ও সাধারণ জনগণকে সহীহ আকীদার উপর দৃঢ় ও অটল থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নসীহত প্রদান করেন। পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে সর্বত্র দ্বীনিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ ও তাকীদ করেন।

হুজুর কেবলারের দিকনির্দেশনামূলক বয়ান উপস্থিত সকলের অন্তরে দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা ও ঈমানী চেতনা আরও দৃঢ় করে তোলে।
আল্লাহ তাআলা এ ধরনের দ্বীনি মাহফিল ও তালীমী জলসাকে উম্মাহর জন্য কল্যাণ ও হেদায়াতের মাধ্যম হিসেবে কবুল করুন। আমীন।

🔹তারিখ:-১৯ | মে মাস | ২০২৬ ইং
🔹রোজঃ মঙ্গলবার।

মাজারে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ছারছীনার পীর সাহেব। রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত হযরত শাহ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজারে হামলা ও...
19/05/2026

মাজারে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ছারছীনার পীর সাহেব।

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত হযরত শাহ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ছারছীনা দরবার শরীফের পীর সাহেব কেবলা। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৯ মে) এক বিবৃতিতে শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন, যিনি বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ আমির ও ছারছীনা দরবার শরীফের পীর সাহেব হিসেবে পরিচিত, এ প্রতিক্রিয়া জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে একদল দুর্বৃত্ত রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অবস্থিত হযরত শাহ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজারে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক আখ্যা দিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পীর সাহেব কেবলা বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও বিস্তারে ওলি-আউলিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের মাজার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় চর্চার অংশ হিসেবে পরিচিত। কোনো মাজারকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, কুসংস্কার বা শরিয়তবিরোধী কর্মকাণ্ড ঘটলে তার দায় মাজারে শায়িত ব্যক্তিদের নয়; বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত তা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।

তিনি আরও বলেন, কবর জিয়ারত ইসলামে একটি সুন্নতসম্মত আমল এবং আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুপ্রেরণা ও আত্মিক উপকার লাভের বিশ্বাস মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত। তবে মাজারগুলোতে শরিয়তসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি।

বিবৃতিতে তিনি ঢালাওভাবে মাজারকে কেন্দ্র করে নেতিবাচক প্রচারণা না চালানোর আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শাহ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজারে হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

ছারছীনা দরবার শরীফে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের সময়। সকাল ৮ টার সময়।
19/05/2026

ছারছীনা দরবার শরীফে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের সময়।
সকাল ৮ টার সময়।

আলহামদুলিল্লাহ আজ ঐতিহ্যবাহী রামারবাগ শাহী জামে মসজিদ শুভ উদ্বোধন করেন হুজুর কেবলা।রামারবাগ, ফতুল্লার দ্বীনি অঙ্গনে এটি ...
19/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ

আজ ঐতিহ্যবাহী রামারবাগ শাহী জামে মসজিদ শুভ উদ্বোধন করেন হুজুর কেবলা।
রামারবাগ, ফতুল্লার দ্বীনি অঙ্গনে এটি এক স্মরণীয় ও বরকতময় মুহূর্ত।

উদ্বোধন উপলক্ষে হুজুর কেবলা মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান নসিহত পেশ করেন এবং দেশ, জাতি ও উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন।

আল্লাহ তাআলা এই মসজিদকে কিয়ামত পর্যন্ত দ্বীনের খেদমত, ইবাদত-বন্দেগী ও ঈমানী আলো ছড়ানোর কেন্দ্র হিসেবে কবুল করুন। আমীন 🤲

🔹তারিখ:-১৯ | মে মাস | ২০২৬ ইং
🔹রোজঃ মঙ্গলবার।

হযরত পীর সাহেব হুজুর কেবলা (মা.জি.আ.) ছারছীনা শরীফ থেকে পবিত্র হজ্জে বায়তুল্লাহর উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছেন।
17/05/2026

হযরত পীর সাহেব হুজুর কেবলা (মা.জি.আ.) ছারছীনা শরীফ থেকে পবিত্র হজ্জে বায়তুল্লাহর উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছেন।

বিদায়ের প্রাক্কালে ছারছীনা দরবার শরীফে  বিশেষ মুনাজাত… আমীরে হিযবুল্লাহ্ হযরত পীর ছাহেব হুজুর কেবলা (মাঃজিঃআঃ) এর পবিত্র...
16/05/2026

বিদায়ের প্রাক্কালে ছারছীনা দরবার শরীফে বিশেষ মুনাজাত…

আমীরে হিযবুল্লাহ্ হযরত পীর ছাহেব হুজুর কেবলা (মাঃজিঃআঃ) এর পবিত্র হজ্জ গমনের প্রাক্কালে আজ ছারছীনা দরবার শরীফ জামে মসজিদে এক হৃদয়স্পর্শী দু'আ ও নসিহত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আগামী ২০ তারিখে হুজুর কেবলা পবিত্র হজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। এ উপলক্ষে আজ তালিম শেষে তিনি ছাত্র, ভক্ত ও উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান নসিহত পেশ করেন। দ্বীন, তাকওয়া, ইখলাস, আকিদা ও আমলের গুরুত্ব তুলে ধরে সকলের নিকট আন্তরিক দু'আ কামনা করেন।

এ সময় হুজুর কেবলা বিশেষভাবে দাওরায়ে হাদীস প্রথম বর্ষ, তাফসীর ও ইফতা জামাতের ছাত্রদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও ছবক প্রদান করেন। তাঁর নসিহতমূলক বয়ানে ছাত্রদের মাঝে এক আবেগঘন ও দ্বীনি পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠান শেষে হুজুর কেবলার সুস্থতা, নিরাপদ সফর ও হজ্জে মাবরুরের জন্য বিশেষ মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত সকলে অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় হুজুরের জন্য খাস দিলে দু'আ করেন।

আল্লাহ তাআলা হুজুর কেবলারের এই পবিত্র সফরকে কবুল করুন, হজ্জকে মকবুল হজ্জ হিসেবে গ্রহণ করুন এবং সুস্থ ও নিরাপদে পুনরায় ছারছীনা দরবার শরীফে ফিরিয়ে আনুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন। 🤲

🔹তারিখ:-১৬ | মে মাস | ২০২৬ ইং
🔹রোজঃ শনিবার।

Address

Sarsina Darbar Sharif
Swarupkati
8521

Telephone

+8801768871301

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছারছীনা মিডিয়া ফোরাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ছারছীনা মিডিয়া ফোরাম:

Share