Tahlil- তাহলীল

Tahlil- তাহলীল All the credit belongs to Allah.💚🌸 আর তার চেয়ে কার কথা উত্তম যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়,সৎকর্ম করে এবং বলে অবশ্যই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত?
[ হা-মীম সাজদাহ:৩৩]

16/03/2026

[আল-বাকারাহ - আয়াত নং ২৮৫]

ءَامَنَ الرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِۦ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِاللَّهِ وَمَلٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِۦ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ

অর্থঃ রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
[আল-বাকারাহ - আয়াত নং ২৮৬]

لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَآ إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَآ إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُۥ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِۦ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَآ ۚ أَنتَ مَوْلٰىنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكٰفِرِينَ

অর্থঃ আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্য কর।

12/03/2026

❝ যদি লাইলাতুল কদরের তালাশকৃত বিজোড় রাতটি জুম’আর রাতের মাঝে পরে যায়,তাহলে অন্যান্য বিজোড় রাতের তুলনায় এই রাতে লাইলাতুল কদর সংঘটিত হওয়ার বেশি আশা করা যায়। ❞

- ইমাম ইবনু রজব আল হাম্বলী রহিমাহুল্লাহ
[লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব পৃ.২০৩]

[সংগৃহীত]

28/02/2026

দরুদের ফজিলত অনেক যেমন বেশি বেশি দরুদ পাঠকারী নবীজির সাফায়াত লাভ করবেন, দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাবেন ইত্যাদি। এর মধ্যে কিছু দরুদের গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত দেয়া হলো। যেহেতু আজ জুমার দিন তাই আসুন আজকে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করি।

❑ একজন সাহাবি রাসূলকে বলেছিলেন, তিনি তাঁর উপর সর্বদা দরুদ পাঠ করবেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেন, ‘‘যদি তুমি তাই করো, তবে তোমার সকল চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করা হবে (প্রয়োজন পূরণ হবে) এবং তোমার পাপসমূহ ক্ষমা করা হবে।’’

[তিরমিযি: ২৪৫৭, হাকিম: ২/৪৫৭]
❑ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন।”

[সহিহ মুসলিম: ৪০৮]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যত্র বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ্ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০ টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০ টি স্তর উন্নীত করবেন।’

[নাসায়ি: ১২৯৭, মুসতাদরাক হাকিম: ১/৫৫০, সহিহ ইবনু হিব্বান: ৯০৪]
অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে, একবার দরুদ পাঠ করলে আল্লাহ্ ৭০ বার তার প্রতি রহমত পাঠাবেন এবং ফেরেশতাগণ ৭০ বার রহমতের দু‘আ করবেন।

[মুসনাদ আহমাদ: ২/১৭২, আত তারগিব: ৬৮০]
❑ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমার উপর দরুদ পড়ো। কেননা এটা তোমাদের জন্য যাকাতস্বরূপ।’’ [মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৬৫, ইবনু আবি শাইবাহ: ৮৭৯৬]
❑ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সব লোকের চাইতে আমার বেশি নিকটবর্তী হবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমার উপর দরুদ পড়বে।”

[সুনানে তিরমিযি: ৪৮৪, সহিহ আত তারগিব: ২/১৩৬]
❑ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে জুমুআর দিন। সুতরাং এই দিনে তোমরা আমার উপর বেশি করে দরুদ পড়ো। কেননা, তোমাদের দরুদ আমার কাছে উপস্থাপন করা হয়।”

[আবু দাউদ: ১০৪৭, নাসায়ি: ১৩৭৪]
❑ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দরুদ পাঠ করবে, সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফা‘আত (সুপারিশ) লাভ করবে।’’

[মাজমাউয যাওয়াইদ: ১৭০২২, সহিহ আত তারগিব: ১/২৭৩, জামি‘উস সগির: ৬/১৬৯]
❑ একবার ইবনু মাস‘উদ (রা.) সালাতের বৈঠকে বসে প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করেন, অতঃপর রাসূলের উপর দরুদ পাঠ করেন, তারপর নিজের জন্য দু‘আ করেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘এখন চাও, তোমার (প্রার্থিত বস্তু) তোমাকে দেওয়া হবে; এখন চাও, তোমার (প্রার্থিত বস্তু) তোমাকে দেওয়া হবে।’’ [তিরমিযি: ২/৪৮৮]
❑ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা আমার উপর দরুদ পড়ো। কেননা, আমার উপর দরুদ পড়া তোমাদের জন্য কাফফারা (প্রায়শ্চিত্য)।’’ [ইবনু আবি আসিম, আস সলাতু ‘আলান নাবিয়্যি: ৭৮, ইবনু হাজারের মতে, সনদের রাবিগণ সহিহ হাদিসের রাবি]

-সংগৃহিত

11/02/2026

তোমরা যারা জান্নাতের স্বপ্ন দেখো, তোমরা কি জানো না মাত্র একটি গুনাহের কারণে তোমাদের আদি পিতা জান্নাত থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন? অথচ তোমরা গুনাহের পর গুনাহ করে জান্নাতের স্বপ্ন দেখছো, তাওবাও করছো না!

— ইমাম ইবনুল জাওযী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আত তাবসিরাহ, পৃ. ৩৭২]

10/02/2026

কষ্টের সবচেয়ে বড় নিয়ামাহ হচ্ছে উপলব্ধি করা।
আমরা জানি আমাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া আপন আর কেউ নাই। কিন্তু যখন কোনো পরীক্ষায় পতিত হই ঠিক তখনই আমরা এই জানা কথাটিই মারাত্মকভাবে উপলব্ধি করি!

আল্লাহ ছাড়া আমার আর আপন কেউই নাই। আমি আল্লাহর আল্লাহ আমার!
কী সুকুন ভরা একটা উপলব্ধি!

লিখাঃ উস্তাযাহ যাইনাব আল গাজী

28/01/2026

গুনাহ করে গুনাহ নিয়ে অনুতপ্ত হলে, গুনাহ ছেড়ে দেয়ার নিয়ত রাখলে আপনার ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে ইনশাআল্লাহ।

কিন্তু গুনাহকে গুনাহ হিসেবে অ্যাড্রেস করতে না পারলে, গুনাহ নিয়ে অ্যারোগেন্স দেখালে, গুনাহের পক্ষে সাফাই গাইলে আপনার থেকে হেদায়েত এত দূরে চলে যাবে, যেখান থেকে চাইলেও ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।

তাই সাবধান!

-মেরাজ হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ

জান্নাতে নারী কোন স্বামীর সঙ্গে থাকবে?প্রশ্ন:যদি কোনো বিধবা নারী দ্বিতীয়বার বিবাহ বসে, তবে জান্নাতে সে কোন স্বামীকে পাবে...
27/01/2026

জান্নাতে নারী কোন স্বামীর সঙ্গে থাকবে?
প্রশ্ন:
যদি কোনো বিধবা নারী দ্বিতীয়বার বিবাহ বসে, তবে জান্নাতে সে কোন স্বামীকে পাবে? প্রথম স্বামীকে, না দ্বিতীয় স্বামীকে?
উত্তর:
কোনো নেক নারী যদি বিবাহিত অবস্থায় দুনিয়া থেকে ইন্তেকাল করে, তবে জান্নাতে সে তার জান্নাতি স্বামীর সঙ্গেই থাকবে। আর সে স্বামীর জন্য নির্ধারিত হুরদের নেত্রী হবে। আল্লাহ তাআলা ওই নারীকে সবার চেয়ে অধিক সুন্দর ও মনোরম করে দেবেন, এবং জান্নাতে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসায় আবদ্ধ থাকবে।
আর যদি কোনো নারী দুনিয়াতে একাধিক স্বামী গ্রহণ করে থাকে—অর্থাৎ প্রথম স্বামীর ইন্তেকালের পর সে দ্বিতীয় বা একাধিকবার বিবাহ করে থাকে—তাহলে জান্নাতে সে কোন স্বামীর সঙ্গে থাকবে—এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে একাধিক মত পাওয়া যায়:
(১)
ঐ নারীকে ইচ্ছাধিকার দেয়া হবে। যার সঙ্গে তার স্বভাব ও মানসিক মিল বেশি ছিল, তাকেই সে বেছে নেবে।
(২)
সে তার শেষ স্বামীর সঙ্গেই জান্নাতে থাকবে।
হযরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নারীকে তার শেষ স্বামীই দেওয়া হবে।
(৩)
ওই নারী সেই স্বামীর সঙ্গে থাকবে, যিনি দুনিয়াতে তার সঙ্গে উত্তম চরিত্র ও সুন্দর আচরণ করেছিলেন।
আর যে স্বামী তার ওপর জুলুম করেছে বা তাকে কষ্ট দিয়েছে, সে এই নারী থেকে বঞ্চিত থাকবে।
হযরত উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করেছিলেন:
যদি কোনো নারীর দুইজন স্বামী থাকে, তবে জান্নাতে সে কার সঙ্গে থাকবে?
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন:
তাকে পছন্দ করার সুযোগ দেওয়া হবে। সে সেই স্বামীকেই বেছে নেবে, যে দুনিয়াতে তার সঙ্গে উত্তম আচরণ করেছিল। আর সেই স্বামীই জান্নাতে তার স্বামী হবে। হে উম্মে সালামা! উত্তম চরিত্রের অধিকারীরাই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করে।
(৪)
কিছু আলেম এভাবে সমন্বয় করেছেন—
যদি সব স্বামীই উত্তম চরিত্রে সমান হন, তবে নারী শেষ স্বামীকে পাবে।
আর যদি তাদের মধ্যে চরিত্রগত পার্থক্য থাকে, তবে তাকে পছন্দ করার অধিকার দেওয়া হবে।

''المعجم الأوسط للطبراني'' میں ہے:

'' قال: خطب معاوية بن أبي سفيان أم الدرداء بعد وفاة أبي الدرداء، فقالت أم الدرداء: إني سمعت أبا الدرداء يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «أيما امرأة توفي عنها زوجها، فتزوجت بعده فهي لآخر أزواجها». وما كنت لأختارك على أبي الدرداء''.

(3/ 275، من اسمہ بکر، برقم:3130، ط:دارالحرمین، القاہرہ)

فقط واللہ اعلم

Mahfuzur Rahman
27-01-26

[হানাফি ফিকহ গ্রুপ থেকে]

এরচেয়ে উত্তম সঙ্গী আর কি হতে পারে!!! বই: নারীর ফরজ ইলম
21/01/2026

এরচেয়ে উত্তম সঙ্গী আর কি হতে পারে!!!

বই: নারীর ফরজ ইলম

21/01/2026

দুনিয়া ওলট-পালট হয়ে গেলেও আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত থাকলে সব ঠিক,
কিন্তু দুনিয়ার পরীক্ষার দোহাই দিয়ে আল্লাহকেই ভুলে গেলে সব ধূলিসাৎ!

আমাদের ব্যর্থতাটা মূলত আল্লাহকে ভুলে যাওয়ার মাঝেই...

-শবনম

10/01/2026

(১)
সেদিন মারইয়াম (আ.) ছিলেন একা! সম্পুর্ন একা! কোথাও কেউ নেই! নেই শক্ত দুটি হাত, নেই অভয় ভরা কন্ঠ! কিচ্ছু নেই!

একাকিত্ব সেদিনও ছিল!

(২)
ধু ধু মরুভূমির প্রান্তর। খাবার নেই, পানি নেই। জনমানবহীন সেই পরিবেশে, সম্পুর্ন একা অন্ধকার রজনীতে দিন কাটিয়েছেন এক মহীয়সী নারী—হাজেরা (আ.)। সামনের দিন গুলোতে কী হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র আইডিয়া নেই যার, তিনি ছুটছেন তো ছুটছেন!
একটু পানির আশায়!

একাকিত্ব সেদিনও ছিল!

(৩)
বিশাল বড় রাজত্ব তার স্বামীর! অথচ, একটুখানি সিজদাহর জন্য তাকে কিনা জায়গা খুঁজে বের করা লাগে৷

একটা মেয়ের সবচেয়ে বড় সাপোর্টার যিনি। তিনিই কিনা, তার জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা!

যাকে এতদিন ভালোবেসে এসেছে, ভরসা করে এসেছে। আজ সেই স্বামীকেই কিনা অকপটে বলতে পারছেনা, কোথায় আসল সুখ!
বুকের ভেতরের ছটফটানি কেউ দেখছে না! কেউনা!

একাকিত্ব সেদিনও ছিল।
.
আর এই একাকিত্ব তাদেরকে এই উম্মাহর কাছে চিরস্মরণীয় করে তুলেছেন।

আজ পুরো বিশ্বের মুসলিমরা মারইয়াম (আ.) এর সেই একাকিত্বের জার্নি রেগুলার পড়ে! আল্লাহর বাণী হিসেবে।

একাকিত্বের সেই কঠিন সময়ে, সাফা-মারওয়ায় হাজেরা (আ.) এর সেই ছোটাছুটি আল্লাহর কাছে এতটাই পছন্দ হলো যে আজ অব্দি প্রতিটি মুসলিম হাজ্জের সময়ে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে এই কাজটি করে যান।

রবের কাছেই একটি ঘর! কি সুন্দর! একাকিত্বের বেড়াজাল ভেঙে আছিয়া (আ.) আল্লাহর জান্নাত দেখে, আল্লাহর কাছেই ফিরে গেলেন।

কি অসাধারণ সেই একাকিত্ব!

ভাবুন তো? আপনিও কি একা? প্রতিনিয়ত এই একাকিত্বের কারণে কি আপনি ফোকাস হারিয়ে ফেলছেন?

তাহলে কল্পনা করুন,
ইয়াওমাল কিয়ামাহর দিন, এই একাকিত্বই আপনাকে সবার থেকে আলাদা বানিয়েছে।

আছিয়া (আ.) , মারইয়াম (আ.), হাজেরা (আ.) হয়েছেন আপনার জান্নাতের প্রতিবেশি?

ফিক করে হেসে দিয়ে, বলবেন না? ভাগ্যিস একাকিত্ব আমারও ছিল!

-ফাতেমা আক্তার

06/01/2026

"Love is Blind" –কথাটি কেবলমাত্র আল্লাহ ও তার রাসুল ﷺ এর প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রেই খাটে।

দুনিয়ার কোনো সম্পর্কই অন্ধভাবে ভালোবাসার যোগ্য নয়। দুনিয়ার অন্য সম্পর্কগুলোর কথা বাদই দিলাম, মানুষ তো কখনো নিজ পিতা-মাতার থেকেও কষ্ট পায়, কখনো কষ্ট পায় সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির থেকে, কখনো হয়তো জীবনসঙ্গীর থেকে, কিংবা কখনো নিজের গর্ভে ধারণ করা প্রাণের সন্তানটির থেকে। অন্ধভাবে ভালোবাসা দিলেও এই সম্পর্কগুলো কখনো কোনোভাবে কোনো একদিন আঘাত দিতে পারে, মুল্যায়ন না দিতে পারে, মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে– এটা দুনিয়ার বাস্তবতা।

একমাত্র আল্লাহকে এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে কেউ অন্ধভাবে ভালোবেসে ঠকে গেছে বা হেরে গেছে, অথবা প্রতিদান পায়নি– এমন নজির নাই, এমন নজির কখনোই ঘটবে না। ওয়াল্লাহি...

-শবনম

27/12/2025

: আল্লাহকে আর কিভাবে খুঁজে পেলে?
: মানুষের মাধ্যমে!
: সেটা কিভাবে?!
: কারণ মানুষ যখন দূরে ঠেলে দিয়েছে, তখন আল্লাহকেই নিকটবর্তী পেয়েছি....

-শবনম

Address

Sunamganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tahlil- তাহলীল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Tahlil- তাহলীল:

Share