তাজদীদ - Tajdid

তাজদীদ - Tajdid know about Allah,know about Deen,know about ISLAM

আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই ফাসিক।
23/12/2025

আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই ফাসিক।

আল্লাহ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই যালিম।
22/12/2025

আল্লাহ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই যালিম।

আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই কাফির।
21/12/2025

আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই কাফির।

আপনি যতই  সংঘাত থেকে বাচতে চাইবেন,,,! কিন্তু সংঘাত অনিবার্য পরিণতি হিসেবেই আছে! এখন চিন্তা করুন  লড়াই অনিবার্য পরিণতি চি...
04/04/2025

আপনি যতই সংঘাত থেকে বাচতে চাইবেন,,,! কিন্তু সংঘাত অনিবার্য পরিণতি হিসেবেই আছে! এখন চিন্তা করুন লড়াই অনিবার্য পরিণতি চিন্তা করে কি লড়াইয়ে ঝাপিয়ে পড়ে শাহাদাতের মৃত্যু বরণ করবেন! না লড়াই অনিবার্য পরিণতি জেনে ও এর থেকে মুক্তির চিন্তা করে জিল্লতির মৃত্যু বরণ করবেন,,!?

11/09/2024

এই নেন।। শুভ নবম-একাদশ


সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য

১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমে বিমানের ইঞ্জিন উৎপাদন করে। কোম্পানী 1920 এর দশকে মোটর সাইকেল উৎপাদনে রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে 1930 এর দশকে অটোমোবাইলে পরিণত হয়।

২। আইকনিক লোগো: বিএমডব্লিউ লোগো, যাকে প্রায়শই "রাউন্ডেল" বলা হয়, একটি কালো আংটি নিয়ে গঠিত যা নীল এবং সাদা চার চতুর্থাংশ দিয়ে ছেদ করে। এটি বিমানের কোম্পানির উত্সকে প্রতিনিধিত্ব করে, নীল এবং সাদা একটি স্পষ্ট নীল আকাশের বিরুদ্ধে একটি ঘূর্ণন প্রপেলার প্রতীক।

৩। প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন: বিএমডব্লিউ অটোমোটিভ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত। এটি ২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, বিএমডব্লিউ আই৩ চালু করে, এবং উন্নত ড্রাইভিং সহায়তা সিস্টেম (এডিএএস) এবং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন উন্নয়নে একজন নেতা হয়েছে।

৪. কর্মক্ষমতা এবং মোটরস্পোর্ট হেরিটেজ: মোটরস্পোর্টে বিএমডব্লিউ এর একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য আছে, বিশেষ করে ভ্রমণের গাড়ি এবং ফর্মুলা 1 রেসিং এ। ব্র্যান্ড এর এম বিভাগ তাদের নিয়মিত মডেলগুলির উচ্চ-পারফরম্যান্স সংস্করণ তৈরি করে, যা তাদের নির্ভুলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উত্তেজনাপূর্ণ ড্রাইভিং গতিশীলতার জন্য পরিচিত।

৫। বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি: বিএমডব্লিউ একটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ কোম্পানি

৬. বিলাসিতা এবং নকশা: বিএমডব্লিউ বিলাসিতা এবং স্বতন্ত্র নকশার সমার্থক, কারুশিল্প যা আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের সাথে কমনীয়তা মিশ্রিত করে।

৭. টেকসই অনুশীলন: বিএমডব্লিউ স্থায়িত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার যানবাহনের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ আই৪ এবং আইএক্স এর মত মডেলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তির অগ্রগতি।

৮. গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং: বিএমডব্লিউ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য প্রোডাকশন সুবিধা পরিচালনা করে, যার মধ্যে আছে জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য দেশ আছে, যাতে একটি বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর এবং স্থানীয় উত্পাদনের নিশ্চিত হয়।

22/04/2024

অতি জরুরী সতর্ক বার্তা ।

আপনি গভীর ঘুমে ডুবে আছেন, ওদিকে আপনি নিজেকে পরিবারকে সেইফ ভাবছেন।
কিন্তু আপনি মুটেও নিরাপদ নন।
আপনার বাড়ির পাশে,অফিসে,স্কুলে যে সনাতনী হি&ন্দু লোকটা আপনার সাথে হাসি মুখে কথা বলছে সে আসলে আপনার বন্ধু নয়।
সে আপনার র&ক্ত পান করার পরিকল্পনা করছে।
আপনি জেনে অবাক হবেন যে বাংলাদেশের সব সনাতনী Hiন্দু বাংলাদেশের অখন্ডতার শত্রু, এরা বাংলাদেশে অবস্থান করে ভারতের শাসন কল্পনা করে৷ আপনার বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে যে আপনার বাড়ির পাশের সনাতনী লোকটা ফেইজবুকে বিজেপির গান গায়।

এরা প্রতিনিয়ত এদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
আমাদের ব্যর্থতা হল আমরা বাংলার ঘরে ঘরে ইসলামি হুকুমত কায়েমের দাওয়াত দিতে পারিনি কিন্তু Isকন প্রতিটি হিndu বাড়িতে গিয়ে নিজেদের দাওয়াতের কাজ করেছে।
হ্যা এটাই সত্য, isকন নামক বিষফোঁড়া দল শান্ত স্বাভাবিক সনাতনী hiন্দুদের মাথা বিগড়ে দিয়েছে।
এই জন্য দেখা যায় ওরা মুসলিম মেয়েদের সতিত্ব নিয়ে চক্রান্ত করে,মুসলিম মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে ভারতে পাচার করে দিচ্ছে।
আজকে ওরা ধর্মীয় উৎসবের আড়ালে অস্রের শোড়াউন দিচ্ছে, ওরা আমাদের দাঁত দেখাচ্ছে।

প্রতিটা মন্দির একেকটা অস্রের গোড়াউন, প্রতিটা মন্দির সামরিক ক্যাম্প বানিয়েছে।
আফসোসের বিষয় হচ্ছে যাদেরকে আমরা আমাদের ট্যাক্সের টাকায় লালিতপালিত করছি সেই বাহিনী গোয়েন্দাদের নাকের ডগায় বসে এসব করছে,তারা কিছুই বলে না।
মিডিয়া নিরব। ডিবিসি নামক এক টিভি চেনেল জনগনকে আশ্বস্ত করে বলেছে, ভয়ের কারন নেই , এটা একটা ধর্মীয় উৎসব, তাদের অস্রের মহড়াকে তারা ধর্মীয় উৎসব বলে প্রচার করেছে।
এমন উৎসব দেখা গিয়েছিল বাবরী মসজিদ শহীদ করার আগে।
এখনও বিজেপি,আর এস এস মুসলিমদের সামনে এমন মহড়া করে৷
এখন সোনার বাংলায় এসব শুরু হয়েছে।

আমাদের করণীয়ঃ

আমাদের তিন লক্ষ সেনা আছে, নৌ, বিমান বাহিনী, পুলিশ মিলে পাঁচ লাখ।
৬০ লাখ আনসার, কিন্তু আপনি যদি এই বাহিনীর উপর ভরসা করে বসে থাকেন তাহলে আপনার ধ্বংস অনিবার্য ।
মনে রাখবেন, একজন মুসলিম ঘোড়ার উপর সওয়ার হয়ে মিছিলে এসেছিল, কিন্তু এই বাহিনী ঐ মুসলিমকে বন্দী করেছিল, তাকে নির্মম নির্যাতন করেছে, আমাদের টাকায় চলা বাহিনীর সদস্যরা।

আমরা যা যা করব।

১। প্রত্যেকের ঘরের সদস্যদের মাথার হিসাব অনুযায়ী একেকটা দেশীয় অস্র বানিয়ে রাখা। ঘরে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন হলে পাঁচটা।
২। মা বোনদের সতর্ক করা, তাদের সব থেকে বড় আমানত ইজ্জত সম্ভমকে হেফাজতের উপর গুরুত্বারোপ করা।

৩। নিজের কন্যাকে অস্র প্রশিক্ষন দেওয়া।

৪। নিজের ছেলেকে দিয়ে মুর্গি জবাই করানো, পারলে গরু ছাগল জবাই করার ট্রেনিং দেওয়া৷ বাজারে গিয়ে নিজের মুর্গি আপনার ছেলেকে দিয়ে জবাই করুন। এতে তার জড়তা কাটবে,সাহস বাড়বে।

৫। সামনে কুরবানির ঈদ, ঈদকে সামনে রেখে এখনই হাতিয়ার বানানো শুরু করুন, বড় ছুরি, ছোট ছুরি।

৬। শুধু ছুরি বানালেই হবে না, রাম দা,বল্লম, আরো দুরবর্তী আঘাতের হাতিয়ার বাননো,এক্ষেত্রে বিবাড়িয়ার মানুষ উদাহারন।

৭। ভাইয়েরা যার যার মত নিজ এলাকায় Hiন্দুরের গোপন চ্যাটিং সাধারণ মুসলিমদের দেখান,তাদের অস্র মহড়া আগে ছিল না, এখন কেন দিচ্ছে দেখান।
ফরিদপুরের ঘটনা সবাই প্রচার করুর।

৮। সামনে কুরবানির ঈদে আমরা একটা জিনিস সেলিব্রেট করব৷ তা হল কুরবানির হাতিয়ার ছবি তুলে পোস্ট করব ফেজবুকে, ক্যাপসন দিব আল্লাহু আকবার। এটা ছবি দিবেন রক্ত মাখা ছাড়া, তাহলে আইডির সমস্যা হবে না আশা করি।
মনে রাখবেন ওরা কিন্তু জয় শ্রীরাম বলে মহড়ার পিক প্রচার করছে।

৯। আপনার সন্তানকে শত্রুকে তা নিশ্চিত করে দিন, বন্ধু কারা সেটাও বুঝান।

১০। ঈমান আক্বিদা পরিশুদ্ধ করুন, সীরাত ভালোভাবে পড়ুন, সাহাবাদের জীবনী পড়ুন।
কুরআন সহীহ শুদ্ধভাবে পড়কে শিখুন।
নিজের ঈমানকে মজবুত করুন,ইস্তেকামাতের দোয়া করুন।
হালাল রুজি ভক্ষণ করুন।

১১। প্রতিজ্ঞা করুন নিজে মরার আগে একজন মুশরিক নিজ হাতে বিদায় করে তারপর মরবেন।

১২। প্রতিজ্ঞা করুন, নিজে কখনো কোন দন্দে জড়াবেন না,মাসলাকের চোরা বালিতে ডুবে যাবেন না,আলিমদের সম্মান করবেন, তারা তারা আক্বিদা নিয়ে মারামারি করুক, আমি নিজেকে বাচায় এই পণ করুন।
পণ করুন আলিমদের ইখতেলাফে নিজেকে জড়াব না। এক আলিমের পক্ষ নিয়ে আরেক আলিমের শানে বাজে মন্তব্য করব না।

আল্লাহ আমাদের বুঝার ও প্রস্তুতি নেওয়ার তাওফিক দান করুন৷

21/04/2024

আমি আপনাদের কে বলছি.. বাংলাদেশে এখন হেন্দুরা যা শুরু করছে তা হচ্ছে মহড়া। অবাক হওয়ার কিছু নেই। ভ[র]তেও আরেছেছ শুরুটা এভাবেই করেছিলো।

তারা প্রথমে তাদের বিভিন্ন উৎসবে ধারালো অ*[স্ত্র]-স[স্ত্র] নিয়ে মহড়া দিতো। এভাবেই এক পর্যায়ে তারা মসজিদ, মাদ্রাসার সামনে গিয়ে উন্মাদনা করতো। ইচ্ছে করে আজান, নামাজের সময়েও তারা উশৃংখলা করতো। তখন কেউ প্রতিবাদ কর‍তে আসলেই তাকে ধরে পে[টা]তো।

এখন ভাবতেছেন এই দেশে তা হবে না, কিন্তু এই দেশে হেন্দুরা ভিক্টিম কার্ড ইউজ করে আপনাকে বাঁশ দিবে। গতকাল ফরিদপুরের ঘটনা তার ছোট্ট একটু উদাহরণ। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় দিনে দুপুরে পি[টি]য়ে এবং সারা রাতভর প|শবিক নির্য|তন করে দুইজন কে তারা Meরে ফেললো। এটা ধামা চাপা দেওয়ার জন্য তারা কথিত মন্দির পু[ড়া]নোর অযুহাত দিলো৷ কই তাদের কি এতে কিছু হয়েছে!? চারিদিকে কোনো আওয়াজ আছে এ নিয়ে।

আপনি আপনার ধর্মীয় উৎসব কুরবানীতে, গরু কুরবানির Roক্তমাখা ছু[রি]র ছবি নিয়া কয়েকজন মিলে এলাকায় ঘুরে সেটার ভিডিও পাব্লিক কইরেন তো। জাস্ট কইরেন, তাহলেই আপনি বুঝবেন আপনি নতুন এক অঙ্গরাজ্যে বসবাস করছেন।

- সুমন আহমাদ

হি|ন্দুদের প্রতি সাম্প্রদায়িকতা নয় এবং ক্রমবর্ধমান উগ্র হি|ন্দুত্বকে কোনো ছাড় দেওয়া নয়; নীতি এমনটাই হওয়া উচিত। 'প্রবল' আক্রমণকারীকে ছাড় দিলে বিপদ এড়াতে পারবেন না, কেউ।

সংখ্যায় সংখ্যালঘু হলেও এদেশে আক্রমণাত্মক মারমুখী সংখ্যালঘুর অভাব নেই। সংখ্যালঘু সহানুভূতি ও কার্ড স্থগিত করুন, বাস্তবতা উপলব্ধি করুন ও পদক্ষেপ নিন। জুলুম করার প্রয়োজন নেই, সহজাত বুঝবুদ্ধি ও ইনসাফ প্রয়োগ করুন।

টিপকাণ্ডের কথা তো আপনাদের মনেই আছে! পুরোটাই ছিল মিথ্যাচার এবং ষড়যন্ত্র। কিন্তু পুলিশের এক কর্মীকে নাজেহাল করে দেশজুড়ে মাতমের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এগুলো প্রত্যেকটি ছোট-বড় একেকটি পদক্ষেপ। ক্রমাগ্রসরমান হি|ন্দু|ত্ববাদ!

বেহায়া মিডিয়া ও আত্মভোলা রাজনীতি নাজুক এই পরিস্থিতিকে আরো নাজুক করে তুলছে। সংশ্লিষ্ট সবার সচেতন, সতর্ক এবং ভবিষ্যৎ-মুখি হওয়া দরকার।

#প্রসঙ্গঃ_মধুখালীর_হিন্দুপাড়ায়_দুই_মুসলিম_শ্রমিককে_হত্যা

© Sharif Muhammad হাফিঃ

20/04/2024
 #খতমে_কুরআন_মাহফিল #পারা_৩০সূরা ফাতিহাসূরা ফাতিহায় বান্দা আল্লাহর প্রশংসা ও গুণাগুণ বর্ণনা করে। সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা ...
09/04/2024

#খতমে_কুরআন_মাহফিল
#পারা_৩০
সূরা ফাতিহা
সূরা ফাতিহায় বান্দা আল্লাহর প্রশংসা ও গুণাগুণ বর্ণনা করে। সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আল্লাহর প্রাপ্য। তিনি মানুষের জানা-অজানা সকল কিছুরই প্রতিপালক। তিনি সাধারণভাবে সকলের প্রতি দয়াবান (রহমান), তাঁর দেওয়া সূর্যের আলো, নদীর পানি সকলেই পায়। কিন্তু বিশেষভাবে শুধু মুমিনদের প্রতি দয়ালু (রহীম), জান্নাত শুধু মুমিনরাই পাবে। তিনি বিচার দিবসের মালিক। তারপর একমাত্র আল্লাহরই ইবাদাত করা ও তাঁর নিকট সাহায্য চাওয়ার কথা স্বীকার করা হয়। এই শিষ্টাচারের পর আল্লাহর কাছে সরল পথ চাওয়া হয়। এই পথে আল্লাহর নিয়ামাতপ্রাপ্ত বান্দারা চলেছেন। এঁরা হলেন নবীগণ, সিদ্দীক্বগণ, শহীদগণ ও সলিহগণ। তাদের পথ থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাওয়া হয়, যাদের উপর আল্লাহর গযব (ইয়াহুদী) এবং যারা পথভ্রষ্ট (খ্রিষ্টান)।
সূরা নাবা
কাফিররা আখিরাতের যৌক্তিকতা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও হাসিঠাট্টা করতো। সূরা নাবা'য় আল্লাহর বিভিন্ন সৃষ্টিরাজি ভূমি, পাহাড়, জোড়া জোড়া সৃষ্টি, রাত, দিন, আকাশ, সূর্য, মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদির উপকারিতা বর্ণিত হয়। আল্লাহ এসব সৃষ্টি করেছেন, কিয়ামাতের পর সকলকে পুনরুত্থিত করাও তাঁর জন্য সহজ। কিয়ামাতের দিন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে, আসমানের দরজাগুলো খুলে যাবে, পাহাড়গুলো মরীচিকার মতো উড়ে যাবে। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ শাফায়াত করতে পারবে না, আর শাফায়াতকারীরা শুধু সঠিক কথাই বলবে। জাহান্নাম ওঁত পেতে আছে কাফিরদের জন্য যেখানে অনন্তকাল ধরে তারা কেবল তপ্ত পানি ও রক্ত-পুঁজ পান করবে। আর মুত্তাকীদের জন্য থাকবে জান্নাতি উদ্যান, সঙ্গী, খাদ্য ও পানীয়। কোনো মিথ্যা ও অসার কথা তাদের বিনোদনের অংশ হবে না।
সূরা নাযিআত
সূরা নাযিআতে কিয়ামাতের আকস্মিকতা ও কাফিরদের অপ্রস্তুত অবস্থায় পুনরুত্থানের বর্ণনা দেওয়া হয়। ফিরআউনের ঔদ্ধত্যের করুণ পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে বলা হয়েছে। আল্লাহ সুউচ্চ আসমান, রাত, দিন, পৃথিবী, তৃণ, পাহাড়ের মতো বিশাল বিশাল জিনিস বানিয়েছেন যাতে মানুষ ও পশু তা থেকে উপকার পায়। তিনি তাহলে কেন আখিরাতে পুনঃসৃষ্টি করতে অক্ষম হবেন? দুনিয়াকে প্রাধান্যদাতাদের ঠিকানা জাহান্নাম। আর আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোকে যারা ভয় করে চলেছে, তাদের ঠিকানা জান্নাত। কিয়ামাতের নির্দিষ্ট সময় জানানো রাসূল (সাঃ) এর দায়িত্ব নয়। পুনরুত্থানের পর মনে হবে দুনিয়ার জীবন এক সকাল বা এক বিকালের সমান ছিলো।
সূরা আবাসা
রাসূল (সাঃ) এক বড় কুরাইশ নেতাকে ইসলামের দাওয়াহ দিচ্ছিলেন এই আশায় যে মুসলিম হলে ইসলামের বড় খেদমত করবে। এমনসময় এক অন্ধ সাহাবি (রাঃ) রাসূলের (সাঃ) কাছে এসে কিছু একটা জানতে চান। কথায় ছেদ পড়ায় রাসূল (সাঃ) এর একটু বিরক্ত হন। সূরা আবাসা নাযিল করে আল্লাহ জানিয়ে দেন যে ইসলাম ওইসকল অহংকারী নেতার মুখাপেক্ষী নয়। পাকপবিত্র মুসলিমের দুনিয়াবি প্রতিপত্তি কম হলেও আল্লাহর নিকট তার গুরুত্বই বেশি। আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন মানুষকে কত তুচ্ছ বস্তু থেকে সৃষ্টি করে ক্রমান্বয়ে মৃত্যু ও পুনরুত্থানের দিকে নেওয়া হয়। কত বিস্ময়করভাবে ভূমি থেকে খাদ্য দেওয়া হয়। তারপরও কী করে অহংকার করে! কিয়ামাতের দিন মানুষ নিজের ভাই, বাপ, মা, জীবনসঙ্গী ও সন্তান থেকে পালানোর চেষ্টা করবে। কেউ জান্নাত পেয়ে খুশি হবে। কাফির-পাপাচারীরা জাহান্নাম পেয়ে হতাশ হবে।
সূরা তাকভীর
সূরা তাকভীরে কিয়ামাতের সময়ে দুনিয়ার ভয়াবহ অবস্থা বর্ণনা করা হয়। মানুষ তার দামী দামী সম্পদের কথা ভুলে যাবে। যেসব কন্যাসন্তান জীবিত প্রোথিত করা হয়েছিলো, পুনরুত্থানের পর তাদেরকে অভিযোগ দায়ের করার সুযোগ দেওয়া হবে। তারপর রাসূলের (সাঃ) নবুওয়তের সত্যতার সাক্ষ্য দেওয়া হয়। জ্যোতিষীরা শয়তানদের দ্বারা খবরাখবর আনিয়ে টাকার বিনিময়ে মানুষকে জানায়। অন্যদিকে রাসূলের (সাঃ) কাছে পবিত্র ফেরেশতা ওয়াহী নিয়ে আসেন এবং তিনি তা বিনা পারিশ্রমিকে প্রচার করেন।
সূরা ইনফিতার
সূরা ইনফিতারের শুরুতেও কিয়ামাতের বর্ণনা দেওয়া হয়। মানুষকে সুচারুভাবে সৃষ্টিকারী আল্লাহ কিয়ামাত ঘটাতে অক্ষম হবেন, এমনটা ভাবা নিতান্তই বোকামি। কিরামান কাতিবীন আমাদের আমলনামা লেখছেন। আখিরাতে সবাই তার কাজের খতিয়ান বুঝে পাবে। সেদিন রাজত্ব হবে শুধুই আল্লাহর, কেউ কারো কোনো উপকার করতে পারবে না।
সূরা মুতাফফিফীন
নিজ হক কড়ায়গণ্ডায় বুঝে নেওয়া এবং অন্যের হক আদায়ের সময় ঠকানোর স্বভাবকে নিন্দা করা হয়েছে সূরা মুতাফফিফীনের (আরেক নাম 'তাতফীফ') শুরুতে। বদ আমলকারীর আমলনামা রাখা হবে সিজ্জীন নামক কারাগারে, আর নেক আমলকারীর আমলনামা থাকবে ইল্লিয়্যীন নামক স্থানে। আখিরাতে তারা কস্তুরীর আবরণে ঢাকা সুপেয় পানীয়, তাসনীম ঝর্ণা, হেলান দিয়ে বসার জায়গা পাবে। দুনিয়াতে যে কাফিররা তাদের নিয়ে হাসিঠাট্টা করতো, তাদের পরিণতি দেখে জান্নাতিরা সেদিন উল্টো তাদেরকেই ঠাট্টা করবে।
সূরা ইনশিক্বাক্ব
সূরা ইনশিক্বাক্ব ক্বিয়ামাতের বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়। যাদের আমলনামা সেদিন ডানহাতে দেওয়া হবে, তারা সন্তুষ্টচিত্তে জান্নাতে তাদের নেককার পরিবার পরিজন নিয়ে থাকবে। আর যাদের আমলনামা পেছন দিক থেকে দেওয়া হবে, তারা মৃত্যু কামনা করবে। দুনিয়ায় তারা পরিবার নিয়ে খুব সুখেশান্তিতে ছিলো, এখন জাহান্নামের উত্তাপে থাকবে।
সূরা বুরুজ
যারা মুমিনদেরকে তাদের ইসলামের কারণে অত্যাচার করে, অতঃপর তাওবাহ না করে মারা যায়, তাদের দুর্ভোগের কথা বলা হয়েছে সূরা বুরুজে। অন্যদিকে মুমিনদের দুনিয়াবি দৃষ্টিতে পরাজিত মনে হলেও তাদের জান্নাতপ্রাপ্তিই বড় বিজয়। এ প্রসঙ্গে একটি কাহিনীর দিকে ইঙ্গিত করা হয়। জনৈক কাফির রাজার এক জাদুকর ছিলো। জাদুকরটি মৃত্যুর আগে এক বালককে তার বিদ্যা শিখিয়ে দেয়। বালকটি একই সময়ে এক মুসলিম দরবেশেরও সন্ধান পায় এবং তার ধর্মের সত্যতা বুঝতে পারে। রাজা বালকটিকে নানাভাবে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। বালকটি প্রস্তাব দেয় রাজা যেন এক উন্মুক্ত ময়দানে জনসমক্ষে "এই বালকের রবের নামে" বলে তীর মেরে বালককে হত্যা করে। এতে সত্যিই বালকটি মারা যায় এবং তা দেখে সমবেত দর্শকেরা মুসলিম হয়ে যায়। রাজা ক্রোধান্ধ হয়ে সকলকে আগুনে ফেলে হত্যা করে। অনুরূপভাবে ফিরআউন ও সামুদ বাহিনীর কথাও বলা হয়।
সূরা ত্বরিক্ব
সূরা ত্বরিক্বে উজ্জ্বল নক্ষত্রের শপথ করে মানুষের সৃষ্টির উপমা দিয়ে আখিরাতের পুনঃসৃষ্টির বাস্তবতা দেখানো হয়। কাফিরদের ষড়যন্ত্র ও তার বিপরীতে আল্লাহর কৌশলের কথা বলা হয়। ষড়যন্ত্রকারী কাফিরদের কিছু কালের জন্য তাদের অবস্থার উপর ছেড়ে দিতে বলা হয়।
সূরা আ'লা
সূরা আ'লা-তে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করতে বলা হয়। তিনি সবকিছু সৃষ্টি করে পরিমিতি দান করেছেন। দুনিয়াবি জিনিসের জৌলুস অস্থায়ী। কুরআনের উপদেশ গ্রহণ না করলে আখিরাতের স্থায়ী শাস্তিতে জীবন্মৃত অবস্থায় থাকতে হবে। পবিত্রতা অর্জনকারী, যিকিরকারী ও সালাত আদায়কারীরা সফল। তাই দুনিয়ার উপরে আখিরাতকে প্রাধান্য দিতে হবে।
সূরা গাশিয়াহ
সূরা গাশিয়ার শুরুতে আখিরাতে কাফিরদের বিপর্যস্ত চেহারা, তাদের প্রাপ্য তপ্ত পানীয় ও কাঁটাদার খাদ্যের কথা বলা হয়। নেককারদের সজীব চেহারা, প্রাপ্য জান্নাত, প্রস্রবণ, আসন, কার্পেটের বর্ণনা দেওয়া হয়। জীবজন্তু, আকাশ, পাহাড়, ভূমি নিয়ে গবেষণা করে আখিরাতের বাস্তবতা ভাবতে বলা হয়। কাউকে জবরদস্তি ঈমান আনানো তো রাসূলের (সাঃ) দায়িত্ব নয়।
সূরা ফাজর
সূরা ফাজর-এ আদ, সামুদ ও ফিরআউনের মতো শক্তিশালী জাতিসমূহের পরিণতির কথা বলা হয়। আল্লাহ মানুষকে প্রাচুর্য ও সংকট দিয়ে পরীক্ষা করেন। ইয়াতীম, মিসকীন ও হকদারকে সঠিকভাবে প্রাপ্য দিতে বলা হয়। এ ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে। সেদিন আফসোস কোনো কাজে আসবে না। আল্লাহ সেদিন এমন শাস্তিতে পাকড়াও করবেন, যা কেউ কোনোদিন করেনি। আল্লাহর নেককার বান্দারা প্রশান্ত আত্মা নিয়ে জান্নাতে যাবে।
সূরা বালাদ
সূরা বালাদ -এ সেসব মানুষকে তিরস্কার করা হয়েছে যারা নিজ শক্তি সম্পদ ইচ্ছামতো খরচ করে, আল্লাহকে ভয় করে না। মানুষকে আল্লাহ ভালো-খারাপ দুটি পথই দেখিয়েছেন। দাসমুক্তি, দানসদকা, ইয়াতীম, আত্মীয়, মিসকীনের হক আদায়, ঈমান আনা, সবর করার কঠিন পথটি বেছে নিলে ডানদিকের দল (জান্নাতি) হওয়া যাবে। আর কাফিররা হলো বামদিকের দল (জাহান্নামি)।
সূরা শামস
সূরা শামস-এ বিভিন্ন বস্তুর কসম করে আল্লাহ বলেন যে তিনি মানুষকে ভালো-মন্দের জ্ঞান দিয়েছেন। যে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে, সে সফলকাম। যে একে গুনাহের দ্বারা ধ্বংস করে, সে ব্যর্থ। সামুদ জাতির অবাধ্যতা ও পরিণতির কথা জানানো হয়। মানুষ কোনো জায়গা জয় করলে পাল্টা আক্রমণের ভয় থাকে, আল্লাহর এমন কোনো ভয় নেই।
সূরা লাইল
সূরা লাইল-এ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দানশীলতা দেখাতে বলা হয়েছে, কৃপণতা করতে নিষেধ করা হয়েছে। যে দান করে, আল্লাহকে ভয় করে, ইসলাম মেনে চলে, সে জান্নাতি। যে কৃপণতা করে, বেপরোয়া ভাব দেখায়, ইসলাম মানে না, জাহান্নামে দগ্ধ হওয়ার সময় তার সম্পদ কোনো কাজে আসবে না।
সূরা দুহা
রাসূল (সাঃ)-কে বিশ্রাম দিয়ে বেশ কিছুদিন ওয়াহী আসা বন্ধ থাকায় আবু লাহাবের স্ত্রী কটাক্ষ করে যে, আল্লাহ রাসূলকে (সাঃ) ত্যাগ করেছেন। সূরা দুহায় আল্লাহ জানান যে তিনি রাসূলকে (সাঃ) ত্যাগ করেননি। ইয়াতীম, পথ সম্পর্কে অনবহিত ও নিঃস্ব মুহাম্মাদকে (সাঃ) তো আল্লাহ এমনিতেও আশ্রয়, ইসলামের জ্ঞান ও সচ্ছলতা দিয়েছেন। ইয়াতীম ও সাহায্যপ্রার্থীকে ফিরিয়ে না দেওয়ার হুকুম করা হয়, আল্লাহর নিয়ামাতের কথা প্রচার করতে বলা হয়।
সূরা ইনশিরাহ
সূরা ইনশিরাহ-তে বলা হয়, রাসূলের (সাঃ) কাছে নবুওয়তের দায়িত্ব প্রথমে কঠিন মনে হলেও পরে আল্লাহ তা সহজ করে দিয়েছেন, তাঁর মর্যাদা সমুচ্চ করেছেন। কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে। দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকে অবসর হলেই নফল ইবাদাতে মনোযোগী হতে বলা হয়।
সূরা তীন
সূরা তীনে বলা হয়, মানুষ সর্বোত্তম আকৃতিতে সৃষ্টি হওয়ার পর বার্ধক্যে বা পাপাচারের মাধ্যমে শারিরীক ও আত্মিকভাবে নীচু হয়ে যায়। কিন্তু ঈমানদার ও নেক আমলকারীরা যেমন জানে দুনিয়ার বার্ধক্য ক্ষণস্থায়ী, তেমনি আখিরাতে তাদের জন্য প্রতিদানও ভালো।
সূরা আলাক্ব
সূরা আলাক্ব এর প্রথম ৫ আয়াত হলো প্রথম নাযিলকৃত ওয়াহী। এতে মানুষের স্রষ্টা ও তাকে অজানা জিনিস শিক্ষাদাতা আল্লাহর নামে পড়তে বলা হয়। পরের আয়াতগুলোতে আবু জাহল সম্পর্কে বলা হয়, যে মক্কায় তার প্রভাবশালীত্ব ও সম্পদের কারণে ঠাটবাট দেখিয়ে হুমকি দিতো রাসূলকে (সাঃ) কাবার প্রাঙ্গনে সেজদা দিতে দেখলে ঘাড়ে পাড়া দিয়ে দেবে। আল্লাহ জানিয়ে দেন তিনি সবই দেখছেন। সে তার লোকলস্কর ডাকলে আল্লাহও জাহান্নামের ফেরেশতাদের ডেকে আবু জাহলকে হেঁচড়ে নিয়ে যাবেন। রাসূল (সাঃ) যেন তার কথাকে গুরুত্ব না দিয়ে বরং সেজদার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে থাকেন।
সূরা ক্বদর
সূরা ক্বদরে লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে বলা হয় যাতে কুরআন নাযিল হয় এবং এর মর্যাদা হাজার মাস থেকে বেশি। এ রাতে ফেরেশতাগণ অবতীর্ণ হন এবং ফজর পর্যন্ত শান্তি বিরাজ করে।
সূরা বাইয়্যিনাহ
সূরা বাইয়্যিনাহ-তে বলা হয়, সুস্পষ্ট প্রমাণ আসমানী কিতাব নিয়ে রাসূল (সাঃ) আগমন করে এক আল্লাহর ইবাদাত, সালাত কায়েম ও যাকাত প্রদানের হুকুম দিচ্ছেন। আহলে কিতাব ও মুশরিকরা কুফরি করতে থাকলে তারা হবে নিকৃষ্ট সৃষ্টি। ঈমানদার ও নেক আমলকারীরা সৃষ্টির সেরা, তারা অনন্তকাল জান্নাতে থাকবে।
সূরা যিলযাল
সূরা যিলযালে বলা হয়, কিয়ামাতের দিন পৃথিবী প্রবলভাবে কম্পিত হয়ে ভেতরের বোঝা বের করে দিয়ে তার উপর সংঘটিত ভালো খারাপ কাজগুলোর ব্যাপারে আল্লাহর আদেশে সাক্ষ্য দিতে শুরু করবে। অণু পরিমাণ সৎ-অসৎ কর্মেরও বিচার হবে।
সূরা আদিয়াত
মালিকের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও আরবে সুপরিচিত যুদ্ধ ঘোড়ার শপথ করে সূরা আদিয়াতে মানুষের রব্বের প্রতি তার অকৃতজ্ঞতার কথা বলা হয়। কারণ সে বিচারদিবসের ব্যাপারে গাফেল হয়ে ধনসম্পদ-প্রতিপত্তির প্রতি চরম আসক্ত।
সূরা ক্বারিয়াহ
সূরা ক্বারিয়াহ-তে বলা হয়, কিয়ামাতের দিন পাহাড়গুলো ধুনিত পশমের মতো উড়ে যাবে। শেষবিচারে নেক আমলের পাল্লা ভারি হলে সন্তোষজনক জীবনলাভ হবে। আর পাল্লা হালকা হলে হাওয়িয়া জাহান্নাম হবে আশ্রয়।
সূরা তাকাসুর
মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত একে অন্যের সাথে সম্পদ ইত্যাদির আধিক্যের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকাকে সূরা তাকাসুরে তিরস্কার করা হয়। বিচারদিনে জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করলে তাদের এই প্রতিযোগিতার অসারতা উপলব্ধি হবে।
সূরা আসর
সূরা আসরে ক্রমহ্রাসমান সময়ের শপথ করে বলা হয়, ঈমানদার নেক আমলকারী সত্য ও ধৈর্যের দাওয়াহ দানকারী ব্যতীত সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
সূরা হুমাযাহ
কোনো ব্যক্তির জ্ঞাতসারে ও অজ্ঞাতসারে তার অপ্রয়োজনীয় নিন্দা-সমালোচনা করা এবং অযথা সম্পদ জমা করাকে নিন্দা করা হয়েছে সূরা হুমাযাহ-তে। এমন কাজের প্রতিদান হলো হুতামা জাহান্নামের আগুন যা স্তম্ভের মতো বিশাল।
সূরা ফীল
সূরা ফীলের প্রেক্ষাপট হলো, ইয়ামানের বাদশাহ আবরাহা এক আলিশান গীর্জা বানিয়ে মক্কার বদলে সেখানে হাজ্জ করতে বলে। মূর্তিপূজক হলেও কাবার ব্যাপারে আত্মমর্যাদাশালী আরবরা সেই গীর্জার কিছু ক্ষতিসাধন করে আসে। ক্রোধান্বিত আবরাহা বিরাট সেনাবাহিনী নিয়ে কাবা ধ্বংস করতে অগ্রসর হয়, যেখানে সে হাতির পিঠে সওয়ার ছিলো। আরবদের তখন বলার মতো কোনো সামরিক শক্তি ছিলো না। তারা কাবার ভেতরকার দেবদেবীর মূর্তিগুলোকে ভুলে গিয়ে দিনরাত আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানায়। প্রস্তরবাহী পাখি পাঠিয়ে আবরাহার বাহিনীকে আল্লাহ ধ্বংস করেন। সে সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুশরিকদেরকে এক আল্লাহর ইবাদাত করতে বলা হয়।
সূরা ক্বুরাইশ
সূরা ক্বুরাইশেও এই বংশটির প্রতি এক আল্লাহর নিয়ামাত স্মরণ করানো হয়। আল্লাহর ঘরের খাদেম হওয়ার কারণেই ডাকাতসংকুল আরবে তারা নিরাপদে ব্যবসা কাফেলা নিয়ে চলাফেরা করতো, ইয়ামান ও শামে আসাযাওয়া করতো। অতএব তারা যেন এ ঘরের রব্বের ইবাদাত করে।
সূরা মা'উন
সূরা মা'উনে মুনাফিক্বদের (কোনো মুফাসসিরের মতে কাফিরদের) আচরণ সম্পর্কে বলা হয়। তারা ইয়াতীমদের গলাধাক্কা দেয়, মিসকীনদের খাবার দিতে উৎসাহ দেয় না, সালাতে অমনোযোগী, লোক দেখাতে সালাত পড়ে, প্রতিবেশীরা যেসব ছোটখাটো জিনিস একে অন্যের থেকে প্রয়োজনে নিয়েই থাকে (থালাবাসন, দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র), তাও দিতে চায় না।
সূরা কাউসার
রাসূল (সাঃ) এর সকল পুত্রসন্তান মারা যাওয়ার পর কাফিররা তাঁকে শিকড়কাটা (আবতার) বলে উপহাস করতে থাকে। ভাবে যে রাসূলের মৃত্যুর পর তাঁর দাওয়াতের প্রভাব শেষ হয়ে যাবে। আল্লাহ সূরা কাউসারে জানিয়ে দেন তাঁর শত্রুরাই শেকড়কাটা। এছাড়া রাসূলকে (সাঃ) হাউজে কাউসারের মতো বিরাট নিয়ামাত দেওয়ার কথাও বলা হয়, যেখান থেকে আখিরাতে তিনি উম্মতদের পানি পান করাবেন।
সূরা কাফিরূন
মক্কার কাফিররা একটি ধর্মনিরপেক্ষ প্রস্তাব নিয়ে আসে যে, বছরের একটা সময়ে মুসলিমরা দেবদেবীর উপাসনা করুক আর আরেকটা সময়ে মুশরিকরা এক আল্লাহর উপাসনা করুক। সূরা কাফিরূনে তাদের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার হুকুম নাযিল হয়।
সূরা নাসর
আরব উপদ্বীপের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ মুসলিমদের মক্কা আক্রমণের পরিণতি দেখার অপেক্ষায় ছিলো। আল্লাহর সাহায্যে মক্কা বিজয় হওয়ার পর দলে দলে সকলে ইসলাম গ্রহণ করে। দুনিয়ায় রাসূল (সাঃ) এর মিশন সফল হয়ে মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসে। সূরা নাসর-এ তাঁকে বলা হয় আল্লাহর তাসবীহ পাঠ, তাঁর প্রশংসা ও ইস্তিগফারে লিপ্ত থাকতে। নেক আমল করার পর তাই মুসলিমদের দায়িত্ব হলো আল্লাহ তাওফিক দিয়েছেন বলে তাঁর প্রশংসা করা এবং নিজ কাজের ভুলত্রুটির জন্য ইস্তিগফার করা।
সূরা লাহাব
রাসূল (সাঃ) মক্কার লোকদের জরুরি ভিত্তিতে ডেকে এনে তাওহীদের দাওয়াহ দেন। তাঁর চাচা আবু লাহাব রেগে গিয়ে তাঁর ধ্বংসের বদদোয়া দেয় (আগুনের মতো উজ্জ্বল গায়ের রঙ হওয়ায় তাকে আবু লাহাব ডাকা হতো)। আল্লাহ সূরা লাহাব (অপর নাম সূরা মাসাদ)-এ আবু লাহাব ও তার কৃতকর্মের ধ্বংসের কথা বলেন। বদর যুদ্ধের কিছুদিন পর সে কোনো এক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তাকে দূর থেকে লাঠি দিয়ে ঠেলে কবরে ফেলা হয়। তার সম্পদ ও সন্তান কোনো কাজে আসলো না। সে ও তার স্ত্রী দুজনই আগুনে (লাহাব) পুড়বে। কারণ তার স্ত্রীও রাসূল (সাঃ)-কে কষ্ট দিতে নানা কূটচাল করতো। তার গয়না পরা গলা জাহান্নামে মোটা রশির বেড়িতে বাঁধা থাকবে।
সূরা ইখলাস
কিছু কাফির জিজ্ঞেস করতো আল্লাহর বংশ পরিচয় কী, তিনি দেখতে কেমন ইত্যাদি। সূরা ইখলাসে জানিয়ে দেওয়া হয় আল্লাহ এক ও অমুখাপেক্ষী (আহাদ ও সামাদ শব্দ দুটি বিশাল ব্যাখ্যাপূর্ণ, এক শব্দে অনুবাদ হয় না)। তিনি জন্ম দেন না ও জন্ম নেননি। কোনো কিছুই তাঁর সমকক্ষ বা সদৃশ নয়। মানুষ যতরকম কল্পনা করতে পারে, আল্লাহ তার কোনোটির মতোই নন।
সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস
রাসূল (সাঃ) এর উপর ইয়াহুদীরা একবার শক্তিশালী জাদু করে। ওয়াহীতে তার প্রভাব না পড়লেও রাসূলের (সাঃ) মানবীয় জীবনে তার কিছু প্রভাব দেখা যায়। তাঁর মনে হতো কোনো একটা কাজ তিনি করেছেন, কিন্তু আসলে তা করা বাকি আছে। একবার তিনি ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় দুজন ফেরেশতা স্বপ্নে তাঁর মাথা ও পায়ের কাছে বসে কথোপকথনের ভঙ্গিতে জাদুকর, কী দিয়ে জাদু করা হয়েছে, জাদুর বস্তু কোথায় লুকানো আছে, কীভাবে তা নষ্ট করতে হবে- তা বলে দেন। এরপর সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস নাযিল হয়। এ সূরা দুটি বিশেষ করে জাদুটোনার বিরুদ্ধে ঝাড়ফুঁকে ব্যবহৃত হয়। আল্লাহর যে কোনো সৃষ্টি দ্বারা ক্ষতি, জাদুকরের জাদু, হিংসুকের হিংসা, কুমন্ত্রণাদাতা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাওয়া হয়।
⬛ Hujur Hoye পেজ থেকে সংগৃহীত।

⬛ #খতমে_কুরআন_মাহফিল
⬛ #তাজদীদ
⬛ তাজদীদ - Tajdid

Address

Sirajganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাজদীদ - Tajdid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share