22/01/2021
#জানতে_হলে_পড়তে_হবে
মা বাবার জন্য পুণ্য সঞ্চয় করুন একাদশী ব্রত পালন করুন।
একাদশী ব্রত পালনের ফলে শুধু নিজেরই নয় জন্মদাতা মা বাবারও ও বহু জন্মের পাপ বিনাশ হয়ে থাকে,তাই সকল সন্তান অন্তত মা বাবার আত্মার মুক্তির জন্য একাদশী ব্রত পালন করুন"এটা তো সকলে মা বাবার জন্য করতেই পারেন।
★★★"যে মানুষ একাদশীর দিন শস্যদানা গ্রহণ করে সে তার পিতা, মাতা, ভাই এবং গুরু হত্যাকারী, সে যদি অন্য কোন পুণ্যতে বৈকুন্ঠ লোকেও উন্নীত হয়,তবুুুুও তার অধঃপতন হয়়।"
(সূত্রঃস্কন্ধ পুরাণ ও শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, আদিলীলা ১৫/৮-১০ ও শ্রীল জীব-গোস্বামীর ভক্তিসন্দর্ভ গ্রন্থ)
***আমরা মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করি কিন্তু নরক থেকে নয়,কষ্টের পৃথিবী তে জন্ম মৃত্যুর বন্ধন থেকে নয়,কিন্তু আমরা সামান্য চেষ্টা করলে নরক থেকে বাঁচতে পারবো কিন্তু মৃত্যু থেকে নয়,তাই আসুন
♥"পরিবারের ৮ থেকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন"হরে কৃষ্ণ"♥হরিনাম জপ করুন"গীতা পাঠ করুন সেই জ্ঞান সকলের মাঝে দান/প্রচার করুন।
★★★শ্রীশ্রীএকাদশী ব্রত পালনের ফলে শুধু নিজেরই নয় জন্মদাতা মা-বাবার ও পূর্ব পুরুষদের ও বহু জন্মের পাপ বিনষ্ট হয়ে থাকে।তাই সকল সন্তান সকল একাদশী মহাব্রত পালন করুন নিজের মা-বাবার আত্মার মুক্তি লাভে সহায়তা করুন।
♥♥♥★★★অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, একাদশী ব্রত বা কোন উপবাস মানেই কিন্তু শুধু না খেয়ে থাকা নয়,বরং শুদ্ধ/পবিত্র দেহ,মন নিয়ে ব্রত/উপবাস রেখে নিরন্তর " ভগবানের নাম জপ"হরিকথা শ্রবন,কীর্তন,গীতাপাঠ করে "ভগবান কে প্রসন্ন/খুশি করায় ব্রত/উপবাসের মূল উদ্দেশ্য"★★★♥♥♥
♥শুভ একাদশী♥
♥হরে কৃষ্ণ♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥
★★★ আগামী ২৪/০১/২০২১রবিবার (💎💎💎সফলা একাদশী ব্রত💎💎💎)পারন পর দিন সকাল ৬ঃ৪১ মিনিটি হতে ১০ঃ২১ মিনিটের মধ্যে (বাংলাদেশ)ভারতীয় সময় ৬ঃ১৭ মিনিট হতে ৯ঃ৫৮ মিনিট)
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥
★★★পরবর্তী একাদশী ০৮/০২/২০২১সোমবার ষটতিলা একাদশী ব্রত।
★★★আমরা সকলে যার যার মৃত্যুর জন্য লাইনে দাড়িয়ে দিন গুনছি,কিন্তু আমরা কেউ জানি না আমি বা আপনি লাইনের শেষে নাকি শুরুতে নাকি মাঝখানে।
সকলে পরিবার সহ প্রতিটা একাদশী ব্রত ভক্তি সহকারে ভগবানের নাম গান গেয়ে পালন করুন।
★★★আমরা সকলে জানি এই জগতে "ভগবানের কৃপা ছাড়া কিছুই সম্ভব না,আর এই কৃপা শুধু সেই পেয়ে থাকে যে ভগবানের ভজন করে,তাই যে যত তাড়াতাড়ি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভজন শুরু করবে সে তত তাড়াতাড়িই পরম করুনাময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভ করে সুখী হতে পারবে।"
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥
♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥
নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন অন্য সকলকে ব্রত পালনে উৎসাহিত করুন।
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥শুভ একাদশী♥♥
পৃথিবীর সকল জীবের মঙ্গল হোক।আর মানুষরূপী জানোয়ারের বিবেক জাগ্রত হোক অথবা বিনাশ হোক।
★★★বিঃদ্রঃ জন্ম যখন হয়েছে তখন মৃত্যু অবধারিত,তাই ধর্ম পথ অবলম্বন করেই জীবন অতিবাহিত করুন।
সকল কে জানাতে কপি পেষ্ট পোষ্ট/শেয়ার করুন।
★★★মানুষের তিনটি হাতের মধ্যে একটা অজুহাত।আর এই অজুহাতটা কেটে ফেলে দিলে ভক্তিপথে আশা সম্ভব।
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥
পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটির
নাম হচ্ছে সুখ ও শান্তি,,সুখ সব পাওয়া যায় সব ধরনের ভোগে কিন্তু তা ক্ষনস্থায়ী কিন্তু শান্তি সুখের থেকে বহুগুন ভাল এবং চিরস্থায়ী, আর শান্তি পাওয়া যায় একমাত্র ভগবানকে সেবা/ভালবাসা বা ভক্তির মাধ্যমে।
যার ক্রেতা সবাই কিন্তু বিক্রেতা
শুধু একজন ♥পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ♥
আর সেই সুখ কিনতে কোন টাকা বা সম্পদ লাগে না লাগে শুধু প্রকৃত ভক্তি।
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥
সময় গেলে সাধন হবে না দিন থাকিতে দিনের সাধন করে নিতে হবে।
♥হে কৃষ্ণ♥ সকলের মনে প্রকৃত ভক্তির সঞ্চার "করো"।
♥️জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥জয় শ্রীএকাদশী মহাব্রতের জয়♥
★★★★★★★যারা এখনও একাদশী পালন করেন না তারা অতি তাড়াতাড়ি শুরু করে দিন কারন আমরা সকলে যার যার মৃত্যুর জন্য লাইনে দাড়িয়ে দিন গুনছি,কিন্তু আমরা কেউ জানি না আমি বা আপনি লাইনের শেষে নাকি শুরুতে নাকি মাঝখানে।
সো,,,,৷
★★★★আমরা মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করি কিন্তু নরক থেকে নয়,কিন্তু আমরা সামান্য চেষ্টা করলে নরক থেকে বাঁচতে পারবো কিন্তু মৃত্যু থেকে নয়,তাই আসুন
♥"পরিবারের ৮ থেকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন"হরে কৃষ্ণ"♥
★★★একাদশী দিনে যা যা খাবেন না তা হলো
একাদশীতে পাচঁ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছেঃ—-
□ ১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – চাউল,মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েশ, খিচুড়ি, চাউলের পিঠা, খৈ ইত্যাদি
□ ২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – আটা,ময়দা, সুজি , বেকারীর রূটি , বা সকল প্রকার বিস্কুট ,হরলিকস্ জাতীয় ইত্যাদি ।
□ ৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — ছাতু , খই , রূটি ইত্যাদি ।
□ ৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — মুগ মাসকলাই , খেসারী , মসুরী, ছোলা অড়রহ , ফেলন, মটরশুটি, বরবঢী ও সিম ইত্যাদি ।
□ ৫। সরিষার তৈল , সয়াবিন তৈল, তিল তৈল ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যেকোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় ।
□ উল্লেখ্য যারা সাত্ত্বিক আহারী নন এবং চা , বিড়ি / সিগারেট পান কফি ইত্যাদি নেশা জাতীয় গ্রহণ করেন, একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এগুলি গ্রহণ না করাই ভালো ।
□ একাদশী করলে যে কেবলমাত্র নিজের জীবনের সদ্ গতি হবে তা নয় । একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা / মাতা নিজ কর্ম দোষে নরকবাসী হন , তবে সেই পুত্র ই (একাদশী ব্রত ) পিতা – মাতাকে নরক থেকে উদ্ধার করতে পারে । একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে , অন্যকে ভোজন করালেও নরকবাসী হবে । কাজেই একাদশী পালন করা আমাদের সকলেরই কর্তব্য ।
□ ১। সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার(একবার প্রসাদ/নিরামিষ আহার), একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন ।
□ ২। তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।
□ ৩। যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করতঃ ফল মূলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রহিয়াছে।
♥"হরে কৃষ্ণ" শুভ একাদশী"♥