শ্রী শ্রী গীতা জ্ঞাননিকেতন

শ্রী শ্রী গীতা জ্ঞাননিকেতন নিজের ধর্ম সম্পর্কে জানুন এবং অন্যকে?

22/03/2023

আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা সকল বর্ণের সনাতনী দাদা দিদিকে গ্রুপে ইনভাইট করুন।
কারণ দিনশেষে আমরা সবাই সনাতনী।

★ দরিদ্র ব্রাহ্মণের জীবসেবা ★কুরুক্ষেত্র এ উপমহাদেশের একটি পবিত্র স্থান। কুরুক্ষেত্রকে ধর্মক্ষেত্রও বলা হয়। সেই কুরুক্ষ...
23/01/2021

★ দরিদ্র ব্রাহ্মণের জীবসেবা ★

কুরুক্ষেত্র এ উপমহাদেশের একটি পবিত্র স্থান। কুরুক্ষেত্রকে ধর্মক্ষেত্রও বলা হয়। সেই কুরুক্ষেত্রে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ ছিলেন। স্ত্রী, এক ছেলে ও ছেলের বউকে নিয়ে তাঁর ছােট সংসার। কিন্তু সংসার ছােট হলে কি হবে! কোনােদিন তাদের খাওয়া জুটত, কোনােদিন আধপেটা থাকতে হতাে। কোনােদিন একেবারেই না খেয়ে থাকতে হতাে। কারণ ব্রাহ্মণ ধর্মসাধনা ও বিদ্যাচর্চায় সময় কাটাতেন। উঞ্ছবৃত্তি করে খাবার সংগ্রহ করতেন। উঞ্ছবৃত্তি হচ্ছে জমির ধান কেটে নেওয়ার পর জমিতে যা দুই-এক ছড়া পড়ে থাকে, তা কুড়িয়ে নিয়ে তা দিয়ে খিদে মেটানাে।

একদিনের কথা

ব্রাহ্মণ কোনাে খাবার জোটাতে পারছেন না। খুবই খিদে পেয়েছে। স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের বউও না খেয়ে আছে। পরে অতিকষ্টে কিছু যব সগ্রহ করতে পেরেছিলেন। ব্রাহ্মণপত্নী সেই যব দিয়ে ছাতু বানালেন। তারপর সেই ছাতু চারভাগে ভাগ করলেন। চারজনে খাবেন। ব্রাহ্মণ খেতে বসবেন। এমন সময় সেখানে এলেন আরেক দরিদ্র ব্রাহ্মণ। তিনি জানালেন, আমরা দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়েছি। অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছি। এখন আমি খুবই ক্ষুধার্ত।

ব্রাহ্মণ অতিথি ব্রাহ্মণকে হাতমুখ ধােয়ার জল দিলেন। বসার আসন দিলেন। পানীয় জল দিলেন। ক্লান্তি দূর হলাে অতিথির। তারপর ব্রাহ্মণ নিজের ভাগের ছাতু অতিথিকে পরিবেশন করলেন। অত অল্পতে পেট ভরে ! ব্রাহ্মণপত্নী তাঁর নিজের ভাগের ছাতুও দিয়ে দিলেন। এভাবে অতিথি ব্রাহ্মণের খিদে মেটাতে ব্রাহ্মণের পুত্রও তার ভাগের ছাতু দিয়ে দিলেন।

তবু খিদে মিটল না অতিথি ব্রাহ্মণের। আর আছে?- জিজ্ঞেস করলেন তিনি। তখন ব্রাহ্মণের পুত্রবধূর ভাগের ছাতু অতিথির পাতে পরিবেশন করা হলাে। এভাবে ব্রাহ্মণ, তার স্ত্রী, পুত্র আর পুত্রবধূ নিজেরা ক্ষুধার্ত হয়েও জীবসেবার জন্য নিজেদের সামান্য খাদ্যও দান করলেন। অতিথি ব্রাহ্মণ খুশি হয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তােমাদের সেবায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি।'- বললেন অতিথি ব্রাহ্মণ। সবাই তাকালেন তাঁর দিকে। কোথায় ব্রাহ্মণ! এ যে স্বয়ং ধর্মদেব। তােমাদের পরীক্ষা করতে এসেছিলাম।'- বললেন ধর্মদেব।

জীবসেবার এই আদর্শ আমরাও যেন মনে-প্রাণে ধারণ করি।

23/01/2021

#জানতে_হলে_পড়তে_হবে

🌺🙏হিন্দু শব্দের অর্থ🙏🌺

অনেকেই আপনাদের কাছে "হিন্দু" শব্দের অর্থ কি তা জানতে চায় । আপনি সঠিক অর্থ জানেন না বলে বলতে পারেন না বা ভুল অর্থ জানেন ।
ভারতীয় মনিষীদের দ্বারা এটা প্রমানিত যে 'হিন্দু' শব্দটি চার হাজার বছরের পুরনো।

(Y) আনুমানিক ২য় শতাব্দিতে রচিত শব্দ 'কল্পদ্রুম', তাতে মন্ত্র আছে
হীন্ দুষ্যতি ইতি হিন্দু জাতি বিশেষ
অর্থাৎ হীন কাজকে যে ত্যাগ করে, তাকেই 'হিন্দু' বলা হয়।

(Y) অন্যদিকে 'অদ্ভুত কোষে' মন্ত্র পাওয়া যায়
হিদূঁ: হিন্দুশ্চ প্রসিদ্ধ দুশতানাম চ বিঘর্ষণে
অর্থাৎ হিদূঁ আর হিন্দু দুটো শব্দই তাদের জন্য ব্যবহার হয় যারা দুষ্টকে নাশ করে।

(Y) ষষ্ঠ শতাব্দির 'বুদ্ধ স্মৃতিতে' মন্ত্র আছে
হিংসা দূয়তে য়শ্চ সদাচরণ তৎপরঃ।
বেদ্ ........ হিদূঁ মুখ শব্দ ভাক্।'
অর্থাৎ যে সদাচারি বৈদিক ধর্মের পথে চলে, হিংসাকে দুঃখ বলে মনে করে, সে-ই হিন্দু।

(Y) বৃহস্পতি আগমে শ্লোকে আছে
হিমালয় সমারভ্য য়বাদ ইঁদূ সরোবঁ।
তঁ দেব নির্বিতঁ দেশম হিন্দুস্থানম প্রচ্ক্ষেত।
অর্থাৎ হিমালয় পর্বত থেকে হিন্দ মহাসাগর পর্যন্ত দেব পুরুষ দ্বারা নির্মিত ক্ষেত্রকে হিন্দুস্থান বলা হয়।

(Y) পার্সী সমাজের একটি অতন্ত প্রাচীন গ্রন্থে লেখা
অক্নুম বিরহমনে ব্যাস নাম আজ হিন্দ আমদ বস দানা কি কাল চুনা নস্ত ।
অর্থাৎ হিন্দ থেকে আসা ব্যাস নামক এক ব্রাহ্মনের সমকক্ষ বুদ্ধিমান কেউ ছিল না।

(Y) খ্রিস্টের জন্মের ১০০০বছরের আগে লবি বিন অখতাব তুর্ফা নামে আরবের এক কবির গ্রন্থে লেখা আছে
অয়া মুবার্কেল অরজ য়ু শোয়ে নোহা হিন্দে।
ব অরাদাকল্লাহ মন্য়োঁজ্জেল জিকর্তুঁ।।
অর্থাৎ হে হিন্দ পুণ্য ভুমি তুমি ধন্য, ঈশ্বর জ্ঞানের জন্য তোমায় বেছে নিয়েছেন।
তথ্যসূত্র হিন্দু একতা শক্তি.

🍁🍁 হিন্দুত্ববাদের জয় হোক🍁🍁

 #জানতে_হলে_পড়তে_হবেমা বাবার জন্য পুণ্য সঞ্চয় করুন একাদশী ব্রত পালন করুন।একাদশী ব্রত পালনের ফলে শুধু নিজেরই নয় জন্মদাতা ...
22/01/2021

#জানতে_হলে_পড়তে_হবে

মা বাবার জন্য পুণ্য সঞ্চয় করুন একাদশী ব্রত পালন করুন।
একাদশী ব্রত পালনের ফলে শুধু নিজেরই নয় জন্মদাতা মা বাবারও ও বহু জন্মের পাপ বিনাশ হয়ে থাকে,তাই সকল সন্তান অন্তত মা বাবার আত্মার মুক্তির জন্য একাদশী ব্রত পালন করুন"এটা তো সকলে মা বাবার জন্য করতেই পারেন।

★★★"যে মানুষ একাদশীর দিন শস্যদানা গ্রহণ করে সে তার পিতা, মাতা, ভাই এবং গুরু হত্যাকারী, সে যদি অন্য কোন পুণ্যতে বৈকুন্ঠ লোকেও উন্নীত হয়,তবুুুুও তার অধঃপতন হয়়।"
(সূত্রঃস্কন্ধ পুরাণ ও শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, আদিলীলা ১৫/৮-১০ ও শ্রীল জীব-গোস্বামীর ভক্তিসন্দর্ভ গ্রন্থ)

***আমরা মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করি কিন্তু নরক থেকে নয়,কষ্টের পৃথিবী তে জন্ম মৃত্যুর বন্ধন থেকে নয়,কিন্তু আমরা সামান্য চেষ্টা করলে নরক থেকে বাঁচতে পারবো কিন্তু মৃত্যু থেকে নয়,তাই আসুন
♥"পরিবারের ৮ থেকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন"হরে কৃষ্ণ"♥হরিনাম জপ করুন"গীতা পাঠ করুন সেই জ্ঞান সকলের মাঝে দান/প্রচার করুন।

★★★শ্রীশ্রীএকাদশী ব্রত পালনের ফলে শুধু নিজেরই নয় জন্মদাতা মা-বাবার ও পূর্ব পুরুষদের ও বহু জন্মের পাপ বিনষ্ট হয়ে থাকে।তাই সকল সন্তান সকল একাদশী মহাব্রত পালন করুন নিজের মা-বাবার আত্মার মুক্তি লাভে সহায়তা করুন।
♥♥♥★★★অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, একাদশী ব্রত বা কোন উপবাস মানেই কিন্তু শুধু না খেয়ে থাকা নয়,বরং শুদ্ধ/পবিত্র দেহ,মন নিয়ে ব্রত/উপবাস রেখে নিরন্তর " ভগবানের নাম জপ"হরিকথা শ্রবন,কীর্তন,গীতাপাঠ করে "ভগবান কে প্রসন্ন/খুশি করায় ব্রত/উপবাসের মূল উদ্দেশ্য"★★★♥♥♥

♥শুভ একাদশী♥
♥হরে কৃষ্ণ♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥
★★★ আগামী ২৪/০১/২০২১রবিবার (💎💎💎সফলা একাদশী ব্রত💎💎💎)পারন পর দিন সকাল ৬ঃ৪১ মিনিটি হতে ১০ঃ২১ মিনিটের মধ্যে (বাংলাদেশ)ভারতীয় সময় ৬ঃ১৭ মিনিট হতে ৯ঃ৫৮ মিনিট)
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥
★★★পরবর্তী একাদশী ০৮/০২/২০২১সোমবার ষটতিলা একাদশী ব্রত।

★★★আমরা সকলে যার যার মৃত্যুর জন্য লাইনে দাড়িয়ে দিন গুনছি,কিন্তু আমরা কেউ জানি না আমি বা আপনি লাইনের শেষে নাকি শুরুতে নাকি মাঝখানে।

সকলে পরিবার সহ প্রতিটা একাদশী ব্রত ভক্তি সহকারে ভগবানের নাম গান গেয়ে পালন করুন।

★★★আমরা সকলে জানি এই জগতে "ভগবানের কৃপা ছাড়া কিছুই সম্ভব না,আর এই কৃপা শুধু সেই পেয়ে থাকে যে ভগবানের ভজন করে,তাই যে যত তাড়াতাড়ি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভজন শুরু করবে সে তত তাড়াতাড়িই পরম করুনাময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভ করে সুখী হতে পারবে।"
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥
♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥

নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন অন্য সকলকে ব্রত পালনে উৎসাহিত করুন।
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥শুভ একাদশী♥♥

পৃথিবীর সকল জীবের মঙ্গল হোক।আর মানুষরূপী জানোয়ারের বিবেক জাগ্রত হোক অথবা বিনাশ হোক।

★★★বিঃদ্রঃ জন্ম যখন হয়েছে তখন মৃত্যু অবধারিত,তাই ধর্ম পথ অবলম্বন করেই জীবন অতিবাহিত করুন।

সকল কে জানাতে কপি পেষ্ট পোষ্ট/শেয়ার করুন।

★★★মানুষের তিনটি হাতের মধ্যে একটা অজুহাত।আর এই অজুহাতটা কেটে ফেলে দিলে ভক্তিপথে আশা সম্ভব।

♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥
পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটির
নাম হচ্ছে সুখ ও শান্তি,,সুখ সব পাওয়া যায় সব ধরনের ভোগে কিন্তু তা ক্ষনস্থায়ী কিন্তু শান্তি সুখের থেকে বহুগুন ভাল এবং চিরস্থায়ী, আর শান্তি পাওয়া যায় একমাত্র ভগবানকে সেবা/ভালবাসা বা ভক্তির মাধ্যমে।
যার ক্রেতা সবাই কিন্তু বিক্রেতা
শুধু একজন ♥পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ♥
আর সেই সুখ কিনতে কোন টাকা বা সম্পদ লাগে না লাগে শুধু প্রকৃত ভক্তি।
♥♥হরে কৃষ্ণ♥♥জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥♥

সময় গেলে সাধন হবে না দিন থাকিতে দিনের সাধন করে নিতে হবে।
♥হে কৃষ্ণ♥ সকলের মনে প্রকৃত ভক্তির সঞ্চার "করো"।
♥️জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়♥জয় শ্রীএকাদশী মহাব্রতের জয়♥

★★★★★★★যারা এখনও একাদশী পালন করেন না তারা অতি তাড়াতাড়ি শুরু করে দিন কারন আমরা সকলে যার যার মৃত্যুর জন্য লাইনে দাড়িয়ে দিন গুনছি,কিন্তু আমরা কেউ জানি না আমি বা আপনি লাইনের শেষে নাকি শুরুতে নাকি মাঝখানে।
সো,,,,৷
★★★★আমরা মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করি কিন্তু নরক থেকে নয়,কিন্তু আমরা সামান্য চেষ্টা করলে নরক থেকে বাঁচতে পারবো কিন্তু মৃত্যু থেকে নয়,তাই আসুন
♥"পরিবারের ৮ থেকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন"হরে কৃষ্ণ"♥
★★★একাদশী দিনে যা যা খাবেন না তা হলো
একাদশীতে পাচঁ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছেঃ—-

□ ১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – চাউল,মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েশ, খিচুড়ি, চাউলের পিঠা, খৈ ইত্যাদি

□ ২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – আটা,ময়দা, সুজি , বেকারীর রূটি , বা সকল প্রকার বিস্কুট ,হরলিকস্ জাতীয় ইত্যাদি ।

□ ৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — ছাতু , খই , রূটি ইত্যাদি ।

□ ৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — মুগ মাসকলাই , খেসারী , মসুরী, ছোলা অড়রহ , ফেলন, মটরশুটি, বরবঢী ও সিম ইত্যাদি ।

□ ৫। সরিষার তৈল , সয়াবিন তৈল, তিল তৈল ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যেকোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় ।

□ উল্লেখ্য যারা সাত্ত্বিক আহারী নন এবং চা , বিড়ি / সিগারেট পান কফি ইত্যাদি নেশা জাতীয় গ্রহণ করেন, একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এগুলি গ্রহণ না করাই ভালো ।

□ একাদশী করলে যে কেবলমাত্র নিজের জীবনের সদ্ গতি হবে তা নয় । একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা / মাতা নিজ কর্ম দোষে নরকবাসী হন , তবে সেই পুত্র ই (একাদশী ব্রত ) পিতা – মাতাকে নরক থেকে উদ্ধার করতে পারে । একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে , অন্যকে ভোজন করালেও নরকবাসী হবে । কাজেই একাদশী পালন করা আমাদের সকলেরই কর্তব্য ।

□ ১। সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার(একবার প্রসাদ/নিরামিষ আহার), একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন ।

□ ২। তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।

□ ৩। যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করতঃ ফল মূলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রহিয়াছে।
♥"হরে কৃষ্ণ" শুভ একাদশী"♥

এক গ্রামে বাস করতো এক বিধবা মা আর তার একমাত্র শিশুপুত্র। পুত্রের নাম গোপাল। গোপালের পাঁচ বছর হলে মা তাকে পন্ডিতের পাঠশাল...
21/01/2021

এক গ্রামে বাস করতো এক বিধবা মা আর তার একমাত্র শিশুপুত্র। পুত্রের নাম গোপাল। গোপালের পাঁচ বছর হলে মা তাকে পন্ডিতের পাঠশালায় ভর্তি করলো। পাঠশালা কুটির থেকে বেশ দুরে এবং মাঝে জঙ্গলময় পথ। মা গোপালকে দৈনিক পাঠশালায় আনানেয়া করে। এর ফলে তার সংসারের কাজে খুবই বিঘ্ন হতে লাগলো। মা ভাবলো কি করা যায়। ভেবে গোপালকে বললো," দেখ বাবা, আমার তোর সাথে পাঠশালায় যেতে আসতে সমস্যা হচ্ছে। তোর খাবার ঠিকমতো তৈরী করতেও পারছিনা। এখন থেকে তুই একা একা যাওয়া আসা করবি। যদি ভয় লাগে তাহলে তোর এক দাদা আছে জঙ্গলে। ওর নাম মধুসূদন, ওকে ডাকবি। দেখবি তোকে সাহায্য করবে।" গোপাল সরলমনে মায়ের কথা বিশ্বাস করলো।

পরদিন গোপাল একা একা পাঠশালায় গেলো। জঙ্গলের মাঝপথে এসে গোপালের ভয় করতে লাগলো। সে তার মধুসূদন দাদাকে ডাকতে লাগলো। কিন্ত দাদার দেখা নেই। গোপালের ভয় আরো বাড়তে লাগলো। তার বিশ্বাস মা তাকে মিথ্যা কথা বলতেই পারেনা। এদিকে ভয়ে গলা শুকিয়ে আসতে লাগলো। কান্না এসে গেলো। কাঁদতে কাঁদতে এবার যতটা জোরে সম্ভব মধুসূদন দাদাকে ডাকতে লাগলো। অবুঝ গোপাল তো জানেনা, মা কোন মধুসুদনের কথা বলেছে। ওর করুণ ডাকে ভক্তাধীন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আর স্থির থাকতে পারলেন না। গোপালে দাদা হয়ে গোপালের সামনে হাজির হলেন। গোপালকে সান্ত্বনা দিয়ে ওকে পাঠশালায় পৌঁছে দিলেন, আবার ফিরিয়েও আনলেন।

এভাবেই চলতে থাকলো দিন। শ্রীগোবিন্দ গোপালকে এমন কিছু শিক্ষা দিলেন যাতে পন্ডিত মশায়ও চমৎকৃত হতে লাগলো। গোপালও বাড়ি এসে মাকে দাদার গল্প করতো। মা ভাবতো হয়তো কেউ ওকে সত্যিই সাহায্য করছে। পাঠশালায় সকল শিশুদের যখন দাদার গল্প করতো, বলতো যে ওর দাদা সব জানে, পারে। কেউ বিশ্বাস করত না। এভাবেই দিন যেতে লাগলো। একদিন পাঠশালার এক পর্বানুষ্ঠানে পন্ডিত মশায় সবাইকে কিছু না কিছু খাবার আনার দ্বায়িত্ব দিলো বাড়ি থেকে। গোপালের দ্বায়িত্বে পড়লো দই। বাড়ি এসে মাকে সব বললো গোপাল। মা খুবই চিন্তায় পড়লো। কোথায় পাবে সে এতো দই?

শেষে অনেক ভেবে বললো, "তোর মধুসুদন দাদাকে বললেই তো পারিস।" গোপাল তার দাদাকে সব বললো। দাদা ওকে ছোট্ট একটা দইয়ের ভান্ড দিলো। গোপাল সেই ভান্ড নিয়ে পাঠশালায় এলো। দইয়ের পরিমাণ দেখে সবাই হাসি ঠাট্টা করলো। গোপালের দাদার কথামতো সে নিজেই সবাইকে দই পরিবেশন করলো। সবাই পরমতৃপ্তি সহকারে পেট ভরে খেলো। এমন স্বাদ জীবনেও কেউ পায়নি। সবার খাওয়া শেষেও ভান্ডের দই শেষ হলোনা। পন্ডিত মশায় অবাক তো হলোই, ভাবলো নিশ্চয়ই গোপাল কোনো চুরি বা ছলচাতুরী করেছে। সে গোপালের মায়ের নিকট নালিশ দিলো গোপালকে বাড়িতে এনে। মা একদিকে খুশি হলো। আবার গোপালের উপর ক্ষিপ্তও হলো। সে গোপালকে তিরস্কার করতে
লাগলো। গোপাল যতোই বলে দই তার মধুসুদন দাদা দিয়েছে কেউ তা বিশ্বাস করেনা। শেষে মা বললো, "ঠিক আছে, ডাক তোর দাদাকে। তাকে আমি দেখতে চাই।" গোপাল তার দাদাকে ডেকে আনলো। মা আর পন্ডিত মশায়কে বললো, "এই যে আমার দাদা, তোমরা শুনে দেখো।" কিন্ত মা বা পন্ডিত মশায় কেউই দেখতে পেলোনা। এবার তিরস্কারের মাত্রা বেড়ে গেলো। গোপালের দাদা ওকে বললেন, "তুই তোর মা আর পন্ডিত মশায়কে ছুঁয়ে থাক। ওরা আমায় দেখতে পাবে।" গোপাল তাই করলো। সাথে সাথে মা আর পন্ডিত মশায় দেখলো, ত্রিভঙ্গবাকা, বংশীধারী, প্রাণগোবিন্দ, শ্রীমধুসুদন সম্মুখে দাঁড়িয়ে আছেন। দিব্যরুপ দর্শনে ওরা মুর্ছা গেলো।

"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে"

20/01/2021

🙏আমি গর্বিত হিন্দু🙏

আমার ধর্ম রক্ষার দায়িত্ব আমার।
কে কি করবে তার ভরসার বসে থাকার সময় নেই।

একটা কথা মনে রাখবেন, আপনি ধর্ম রক্ষা করলে ধর্ম আপনাকে রক্ষা করবে বাকিটা ভগবান ভরসা।

“যখন সংসারে দেখার মতো কিছু থাকে না তখন মানুষ ঈশ্বরের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে।”শ্রীকৃষ্ণমানুষ জীবনের চারটি অধ্যায়। এই চার...
20/01/2021

“যখন সংসারে দেখার মতো কিছু থাকে না তখন মানুষ ঈশ্বরের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে।”

শ্রীকৃষ্ণ
মানুষ জীবনের চারটি অধ্যায়। এই চারটি অধ্যায়ের তিনটিতে মানুষ তার জীবনের যত দায়-দায়িত্ব পালন করে থাকে। শেষের দিকে যখন তার সব দাবি, দায়, দায়িত্ব, ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, কামনা, বাসনা শেষ হয়ে যায় তখন সে নিজে থেকেই নিজেকে পরিচালনা করে ঈশ্বরের নিকট। এই জগত সংসার তার জানা হয়ে যায় তাই আধ্যাত্মিক পথে নিজেকে পরিচালনার মাধ্যমে নিজের জীবনের শান্তি খুঁজে পায়।

Address

Sirajganj

Telephone

+8801777376658

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী গীতা জ্ঞাননিকেতন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share