The Concept Of Islam

The Concept Of Islam আমরা কি ভাবছি ও করছি এবং সেই সব বিষয়ে ইসলাম কি বলে ?

21/07/2023

যুবকদের প্রতি নসীহত

১. ঈমানের সাথে আল্লাহর নিকট প্রতিদান পাওয়ার আশায় রমযানের রোযা পালন করবে। এর মাধ্যমে তোমার পূর্বাপর যাবতীয় পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

২. শরীয়ত সম্মত কোন ওজর ব্যতীত রমযান মাসের কোন একটি রোযাও পরিত্যাগ করবে না। অন্যথা গুনাহগার হয়ে যাবে।

৩. রমযানের রাতগুলোতে কিয়াম করবে বিশেষ করে লায়লাতুল ক্বাদরে-ঈমান ও প্রতিদানের আশায় কিয়াম করবে। যাতে করে তোমার পূর্বকৃত পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

৪. যদি সামর্থবান হয়ে থাক তবে দ্রুত হজ্ব-ওমরার উদ্দেশ্যে বায়তুল্লাহর দিকে সফর কর। দেরী করা থেকে সাবধান হও।

৫. পবিত্র কুরআন অর্থসহ পড়ার চেষ্টা কর। কুরআনের আদেশ পালন কর, নিষেধ থেকে দূরে থাক। যাতে করে প্রভুর দরবারে কুরআন তোমার পক্ষে দলীল হয় এবং কিয়ামত ময়দানে তোমার জন্য সুপারিশ করে।

04/01/2023

আধুনিক যুগে যুবসমাজের কিছু কথা
২১ তম পর্ব:

আবুদাউদে বর্ণিত অন্য একটি হাদীছে এসেছে,
- ‏ ‏فَقُولُوا اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ ثُمَّ لِيَتْفُلْ عَنْ يَسَارِهِ ثَلَاثًا وَلْيَسْتَعِذْ مِنْ الشَّيْطَانِ -
'রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা বল, তিনি আল্লাহ
এক, আল্লাহ মুখাপেক্ষীহীন, তিনি (কাউকে) জন্ম দেননি এবং তিনি (কারও)
জন্মিত নন, তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। তারপর যেন বামদিকে তিনবার থুথু
ফেলে এবং (আল্লাহ্র কাছে) শয়তানের (কুমন্ত্রণা) থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
করে (আবুদাউদ হা/৪৭২২; মিশকাত হা/৭৫।)

এই হাদীছগুলিতে ছাহাবীগণ নবী (ছাঃ)-কে তাদের ব্যাধির কথা বলেছেন ।
আর তিনি তাদেরকে চারটি বিষয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন-

প্রথম : এ সকল কুমন্ত্রণা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত ও বিমুখ থাকা এবং
এগুলিকে এমনভাবে ভুলে যাওয়া যে তার কোন অস্তিত্বই ছিল না। এগুলি
থেকে মুখ ফিরিয়ে সঠিক চিন্তায় ব্যস্ত থাকা।

দ্বিতীয় : বিতাড়িত শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহ্র কাছে আশ্রয়
প্রার্থনা করা ।

তৃতীয় : - آمنتُ باللهِ ورسولِه - 'আল্লাহ ও তার রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি বলা ।

চতুর্থত : - أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ -
বলা সে তার বামপার্শ্বে তিনবার থু থু ফেলবে এবং বলবে, - أعوذ بالله من الشيطان الرجيم -
'আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্র কাছে পানাহ
চাচ্ছি।

চলবে.....

02/11/2022

যুবকদের প্রতি নসীহত

১. জামাতের সাথে মসজিদে গিয়ে প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করতে সচেষ্ট থাকবে। বিশেষ করে এশা ও ফযর নামায।

২. দুর্গন্ধযুক্ত খাদ্য পরিত্যাগ করবে। যেমন- কাঁচা পিয়াজ, কাঁচা রসূন। এবং ধুমপান করে নিজেকে এবং মুসলমানদেরকে কষ্ট দিবে না।

৩. জামায়াতের বিশেষ ফজিলত হাসিলের লক্ষ্যে সর্বদা জামায়াতে নামায আদায় করবে।

৪. ফরয যাকাত আদায় করবে। যাকাত দেয়ার ক্ষেত্রে হক্বদারেদের ব্যাপারে কৃপণতা করবে না।

৫. আগে ভাগে জুমআর নামাযে যাওয়ার চেষ্টা করবে। দ্বিতীয় আযানের পর মসজিদে আসার অভ্যাস পরিত্যাগ করবে।

09/10/2022

আধুনিক যুগে যুবসমাজের কিছু কথা
২০ তম পর্ব:

- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: جَاءَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلُوهُ: إِنَّا نَجِدُ فِي أَنْفُسِنَا مَا يَتَعَاظَمُ أَحَدُنَا أَنْ يَتَكَلَّمَ بِهِ. قَالَ: "وَقَدْ وَجَدْتُمُوهُ؟" قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: "ذَاكَ صَرِيحُ الإِيمَانِ" -
‘রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে কতিপয় ছাহাবী এসে জিজ্ঞাসা করলেন, হে
আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের অন্তরে ভয়ংকর সব কথা আসে, যা বলতে
সংকোচ হয়। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে এরূপ সংকোচ আসে কি?
তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, এটাই হ'ল ঈমানের স্পষ্ট নিদর্শন'।
(মুসলিম হা/১৩২; মিশকাত হা/৬৪ ।)

ঈমানের স্পষ্ট নিদর্শন অর্থ হ'ল, মনের মধ্যে উদিত এই কুমন্ত্রণাকে
তোমাদের অস্বীকার করা ও সেটাকে বড় মনে করা তোমাদের ঈমানের
কোনই ক্ষতি করতে পারে না। বরং এটি এর প্রমাণ যে, তোমাদের ঈমান
খাঁটি । ত্রুটি-বিচ্যুতি একে কলুষিত করে না।
- عَن أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "يَأْتِي الشَّيْطَانُ أَحَدَكُمْ فَيَقُولُ: مَنْ خَلَقَ كَذَا، مَنْ خَلَقَ كَذَا، حَتَّى يَقُولَ: مَنْ خَلَقَ رَبَّكَ؟ فَإِذَا بَلَغَهُ فَلْيَسْتَعِذْ بِاللَّهِ وَلْيَنْتَهِ" -

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, 'তোমাদের কারো নিকটে
শয়তান এসে বলে, এটা কে সৃষ্টি করেছে? ওটা কে সৃষ্টি করেছে? এমনকি
শেষ পর্যন্ত সে বলে বসে, তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে? যখন ব্যাপারটি
এ স্তরে পৌঁছে যাবে তখন সে যেন আল্লাহ্র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং বিরত হয়ে যায়'।” (বুখারী হা/৩২৭৬; মুসলিম, হা/২১৩।)

অন্য হাদীছে এসেছে, - فَلْيَقُلْ آمنتُ باللهِ ورسولِه
- ‘সে যেন বলে, 'আমি আল্লাহ ও তার রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি'।” (মুসলিম, মিশকাত হা/৬৬।)

চলবে.....

21/09/2022

যুবকদের প্রতি নসীহত

১.আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাকুল, কিতাবসমূহ, নবী-রসূলগণের প্রতি এবং শেষ দিবস ও তকদীরের ভাল-মন্দের প্রতি দৃঢ়ভাবে ঈমান পোষণ করবে।

২.বিনা দলীলে কারো তাক্বলীদ বা অন্ধ অনুকরণ করবে না।

৩.ভাল কাজে প্রতিযোগিতা করবে।

৪.(রিয়াযুস্‌ সালেহীন) কিতাবটি সংগ্রহ করবে। নিজে পড়বে পরিবারের অন্যদেরকেও পড়ে শোনাবে। ইমাম ইবনুল কাইয়েমের (যাদুল মাআদ) গ্রন্থটিও সংগ্রহ করার চেষ্টা করবে। (কিতাব দুটি বাংলায় পাওয়া যায়।)

৫.প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল নাপাকি থেকে সর্বদা পবিত্র থাকবে।

30/08/2022

যুবকদের প্রতি নসীহত

১. আল্লাহ তায়ালার জন্য নিয়তকে পরিশুদ্ধ করবে। কথায় ও কাজে মানুষের প্রশংসা পাওয়া কিংবা দুনিয়ার কোন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য রিয়া পরিত্যাগ করবে।

২. যাবতীয় কথা, কাজ ও আচার-আচরণে মুহাম্মদ মাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদর্শ অনুসরণ করবে।

৩. আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করবে। যাবতীয় নির্দেশ পালন এবং নিষেধ থেকে দূরে থাকতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হবে।

৪. আল্লাহর নিকট খাঁটি ভাবে তওবা করবে। বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করবে।

৫. তোমার কথা ও কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর সূক্ষ্ম দৃষ্টির কথা স্মরণ রাখবে। জেনে রাখ আল্লাহ্‌ তোমাকে দেখেন এবং তোমার হৃদয়ের গোপন খবরও তিনি জানেন।

09/08/2022

আধুনিক যুগে যুবসমাজের কিছু কথা
১৯ তম পর্ব:

যুবকদের মনে সৃষ্ট কিছু প্রশ্ন

মৃত অন্তরে ধর্মবিরোধী চিন্তা-ভাবনা ও কুমন্ত্রণা আসে না। কেননা মৃত অন্তর ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অন্তর যে অবস্থায় রয়েছে তার চেয়ে তার কাছ থেকে
শয়তান বেশী কিছু কামনা করে না। আর এজন্যই ইবনু মাসউদ ও ইবনু
আব্বাস (রাঃ)-কে বলা হয়েছিল, ইহুদীরা বলে যে, ছালাতের মাঝে
তাদেরকে কোন কুমন্ত্রণা দেয়া হয় না। তখন তিনি বললেন, তারা সত্য
বলেছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত অন্তর নিয়ে শয়তান কি করবে।

আর কোন অন্তর যখন জীবিত এবং তাতে কিছুটা ঈমান থাকে, তখন
শয়তান তাকে তীব্রভাবে আক্রমণ করে। অতঃপর শয়তান তার অন্তরে
ধর্মবিরোধী কুমন্ত্রণাসমূহ নিক্ষেপ করে। যদি বান্দা তার অনুগত হয়ে যায়
তবে তা ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমনকি শয়তান তাকে তার রবের, তার দ্বীনের ও আক্বীদার ব্যাপারে সন্দিগ্ধ করে তুলতে চেষ্টা করে।

যদি শয়তান অন্তরে দুর্বলতা ও পরাজয়ভাব লক্ষ্য করে তাহ'লে তার উপর প্রভাব বিস্তার করে। এমনকি শেষ পর্যন্ত তাকে দ্বীন থেকে বের করে দেয়। আর যদি শয়তান হৃদয়ে দৃঢ়তা ও প্রতিরোধ লক্ষ্য করে তাহ'লে পরাজিত হয় এবং লাঞ্ছিত ও অপদস্থ অবস্থায় পিছু হটে।

কোন ব্যক্তি যদি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রদত্ত প্রতিকার গ্রহণ করে তাহলে
মানুষের অন্তরে শয়তান কর্তৃক নিক্ষিপ্ত এসব কুমন্ত্রণা কোনই ক্ষতি করতেপারবে না।
وعن ابن عباس رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم جاءه رجل فقال : إني أحدث نفسي بالشيء لأن أكون حممة أحب إلي من أن أتكلم به, فقال النبي صلى الله عليه وسلم : الحمد لله الذي رد أمره إلى الوسوسة - ( رواه أبو داود )

বনু আব্বাস (রাঃ) হ'তে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি নবী (ছাঃ)-
এর নিকটে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের কারো মনের মধ্যে
এমন কিছু উদয় হয় যা মুখে প্রকাশ করার চেয়ে সে জ্বলে-পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়াকে শ্রেয় মনে করে।
তিনি বললেন, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ্র জন্য সমস্ত প্রশংসা, যিনি শয়তানের এ ধোঁকাকে কল্পনা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রেখেছেন'।
(আহমাদ হা/৩১৬১; আবুদাউদ হা/৫১১২)।

চলবে.....

27/07/2022

ইবাদাত কবূলের শর্ত ৪টি, যথাঃ

(১) ঈমান থাকাঃ অর্থাৎ কাফির ও মুশরিক থাকা অবস'ায় কোন ইবাদাত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এমনকি মুসলমানদের মধ্যে যারা ঈমানের প্রতি সন্দেহ পোষণ করবে তাদেরও কোন ভাল কাজ ইবাদাত হিসেবে গৃহীত হবে না।

(২) ইখলাসঃ অর্থাৎ মুমিন ব্যক্তির প্রতিটি ভাল কাজ শুধুমাত্র আল্লাহ তা‘আলাকে খুশী করার জন্য করতে হবে। অন্য কোন স্বার্থে তা করলে ইবাদাতের কাজটিও ইবাদাত হিসেবে গণ্য হবে না। এমনকি কেউ যদি নিয়ত করে, আল্লাহও খুশী হবেন সাথে সাথে দুনিয়াবী একটি স্বার্থও হাসিল হবে, এ দুই নিয়ত একত্র করলে এটা ইবাদাত হিসেবে কবূল হবে না। সকল প্রকার ইবাদাত ও ভাল কাজ একমাত্র আল্লাহ তা‘আলাকে খুশী করার নিয়তে করতে হবে। এটাকেই বলা হয় ইখলাস।

৩। সুন্নাত তরীকাঃ জীবনের সকল কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নত তরীকায় করতে হবে। তবেই এটা ইবাদাত বলে গণ্য হবে, নতুবা নয়। বিশুদ্ধ দলীল ছাড়া বা মনগড়া কিছুই করা যাবে না। পূর্ব থেকে চলে আসছে, রেওয়াজ আছে অথচ এর পক্ষে সহীহ শুদ্ধ দলীল নেই এমন কিছুই করা যাবে না। করলে তা ইবাদাত হিসেবে গণ্য হবে না। সাওয়াবতো হবেই না। টয়লেট ব্যবহার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন- আপনি যে কাজটাই নবীজির সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত তরীকায় করবেন সেটাই ইবাদাত হয়ে যাবে এবং পরকালে এর সাওয়াব পাবেন।

৪। শির্কমুক্ত থাকাঃ সর্বাবস্থায় আপনাকে শির্কমুক্ত থাকতে হবে। কারণ শির্ক করলে ইবাদাত বাতিল হয়ে যায়। (সূরা যুমার- ৬৫) যে মুসলমান শির্ক করবে বেহেশত চিরকালের তরে তার জন্য হারাম হয়ে যায়। (সূরা মায়েদা- ৭২, সূরা হজ্জ- ৩১, সূরা নিসা- ৪৮, সূরা ইউসুফ- ১০৬।
যেসব কাজ করলে বড় শির্ক হয় এর কিছু দৃষ্টান্ত নীচে দেয়া হল।
কবরে মৃত ব্যক্তির কাছে সাহায্য চাওয়া, বিপদ মুক্তি কামনা বা সন্তান চাওয়া। মাযারে বা কোন মানুষকে সেজদা করা। আল্লাহর নির্দেশের বিপরীতে মানুষের নির্দেশ মান্য করা। পীরের উপর ভরসা করা, গণকের কথায় বিশ্বাস করা। আলিমুল গায়েব হলেন একমাত্র আল্লাহ, কোন পীর গায়েব জানে বলে বিশ্বাস করা, যাদু করা, তাবীজ পরা ইত্যাদি। এগুলো ছাড়া আরো অনেক বড় শির্ক আছে। আর ছোট শির্কতো আছেই। এগুলো সম্পূর্ণ পরিহার করতে হবে। তাওবাহ করে পাকসাফ হতে হবে।
উপরে বর্ণিত ৪টি শর্তের একটি শর্তও যদি বাদ পড়ে যায় তাহলে বান্দার ইবাদাত বাতিল হয়ে যাবে। যত লক্ষ টাকাই হজ্জে খরচ করা হোক না কেন এর কোন সাওয়াব পাওয়া যাবে না। এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মানুষের কাছে পৌছিয়ে দেয়া আমাদের সকলের উপর অবশ্য কর্তব্য।

16/06/2022

আধুনিক যুগে যুবসমাজের কিছু কথা
১৮ তম পর্ব:

শরী'আতসম্মত উপায়ে বিবাহের মাধ্যমে মহিলাদেরকে সম্ভোগ করাকে ইসলাম হালাল করেছে। আল্লাহ বলেছেন, - فَٱنكِحُوا۟ مَا طَابَ لَكُم مِّنَ ٱلنِّسَآءِ مَثْنَىٰ وَثُلَٰثَ وَرُبَٰعَ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا۟ فَوَٰحِدَةً -
‘মেয়েদের মধ্য থেকে যাদের তোমরা ভাল মনে কর দুই, তিন বা চারটি পর্যন্ত বিয়ে করতে পার। কিন্তু যদি তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করতে পারবে না বলে ভয় কর, তাহ'লে মাত্র একটি বিয়ে কর' (নিসা ৪/৩)।

আয়-উপার্জনের ক্ষেত্রেও ইসলাম তার অনুসারীদের শক্তি-সামর্থ্যকে ধ্বংস করেনি। বরং তাদের জন্য ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের সম্মতিতে অনুষ্ঠিত সকল প্রকার ন্যায়-নীতিপূর্ণ উপার্জনকে হালাল বলেছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, - وَأَحَلَّ ٱللَّهُ ٱلْبَيْعَ وَحَرَّمَ ٱلرِّبَوٰا۟ - 'আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন ও সূদকে হারাম করেছেন' (বাক্বারাহ ২/২৭৫)।

তিনি আরও বলেছেন, - هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ ذَلُولًا فَٱمْشُوا۟ فِى مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا۟ مِن رِّزْقِهِۦ وَإِلَيْهِ ٱلنُّشُورُ - ‘তিনিই তো পৃথিবীকে তোমাদের জন্য অনুগত করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেওয়া রিযিক থেকে ভক্ষণ করে থাক। আর তাঁর দিকেই হবে তোমাদের পুনরুত্থান' (মুলক ৬৭/১৫)।

এছাড়াও তিনি বলেন,
- فَإِذَا قُضِيَتِ ٱلصَّلَوٰةُ فَٱنتَشِرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَٱبْتَغُوا۟ مِن فَضْلِ ٱللَّ -
‘যখন ছালাত শেষ হবে তখন তোমরা যমীনে ছড়িয়ে পড়বে।
আর আল্লাহ্র অনুগ্রহ হ'তে অনুসন্ধান করবে' (জুমু'আ ৬২/১০)।

এরপরেও কতিপয় ব্যক্তি কিভাবে এ ধারণা করতে পারে এবং একথা বলতে পারে যে, ইসলাম শক্তিকে ধ্বংস করেছে?

চলবে......

04/06/2022

আধুনিক যুগে যুবসমাজের কিছু কথা
১৭ তম পর্ব:

ইসলাম সকল উত্তম এবং পবিত্র খাদ্য ও পানীয়কে হালাল করেছে। আল্লাহ বলেন, - يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُلُوا۟ مِن طَيِّبَٰتِ مَا رَزَقْنَٰكُمْ وَٱشْكُرُوا۟ لِلَّهِ -

হে বিশ্বাসীগণ! আমরা তোমাদের যে রূযী দান করেছি, সেখান থেকে পবিত্র বস্তু সমূহ ভক্ষণ কর। আর আল্লাহ্ প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর’ (বাকারাহ ২/১৭২)।

আল্লাহ আরো বলেন, - وَكُلُوا۟ وَٱشْرَبُوا۟ وَلَا تُسْرِفُوٓا۟ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلْمُسْرِفِينَ - ‘হে আদম সন্তান! তোমরা প্রত্যেক ছালাতের সময় সুন্দর পোষাক পরিধান কর। তোমরা খাও ও পান কর। কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালবাসেন না' (আ'রাফ ৭/৩১)।

প্রজ্ঞা ও রীতি-নীতির দাবী অনুযায়ী ইসলাম সবধরনের পোষাক-পরিচ্ছদকে হালাল করেছে। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, - يَٰبَنِىٓ ءَادَمَ قَدْ أَنزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا يُوَٰرِى سَوْءَٰتِكُمْ وَرِيشًا وَلِبَاسُ ٱلتَّقْوَىٰ ذَٰلِكَ خَيْرٌ -

'হে আদম সন্তান! আমরা তোমাদের উপর পোষাক অবতীর্ণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং অবতীর্ণ করেছি বেশভূষার উপকরণ সমূহ। তবে আল্লাহভীতির পোষাকই সর্বোত্তম' (আ'রাফ ৭/২৬)।

আল্লাহ অন্যত্র বলেছেন, - قُلْ مَنْ حَرَّمَ زِينَةَ ٱللَّهِ ٱلَّتِىٓ أَخْرَجَ لِعِبَادِهِۦ وَٱلطَّيِّبَٰتِ مِنَ ٱلرِّزْقِ قُلْ هِىَ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا خَالِصَةً يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ

- 'বলে দাও, আল্লাহ্র সাজ- সজ্জা, যা তিনি বান্দাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন এবং পবিত্র খাদ্য সমূহকে কে হারাম করেছে? বলে দাও, এসব নে'মত তো খালেছভাবে কেবল মুমিনদের জন্যই পার্থিব জীবনে এবং ক্বিয়ামতের দিনে' (আ'রাফ ৭/৩২)।

চলবে......

29/05/2022

আধুনিক যুগে যুবসমাজের কিছু কথা
১৬ তম পর্ব:

ইসলাম শুধু চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করার প্রতি আহবান জানিয়েই ক্ষান্ত হয় না। বরং যারা অনুধাবন করে না এবং গবেষণা ও চিন্তা-ভাবনা করে না তাদের সমালোচনা করে।

আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
- أَوَلَمْ يَنظُرُوا۟ فِى مَلَكُوتِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا خَلَقَ ٱللَّهُ مِن شَىْءٍ -
'তারা কি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের রাজত্বে এবং যা কিছু আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন তার মধ্যে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে না?’ (আ'রাফ ৭/১৮৫)।

আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেছেন,
- أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا۟ فِىٓ أَنفُسِهِم مَّا خَلَقَ ٱللَّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَآ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَأَجَلٍ مُّسَمًّى -
তারা কি তাদের অন্তরে ভেবে দেখে না যে, আল্লাহ নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু সৃষ্টি করেছেন সত্য সহকারে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য?’ (রূম ৩০/৮)।

তিনি আরো বলেন, - وَمَن نُّعَمِّرْهُ نُنَكِّسْهُ فِى ٱلْخَلْقِ أَفَلَا يَعْقِلُونَ -
'আর যাকে আমরা দীর্ঘ বয়স দান করি, তার সৃষ্টিতে পরিবর্তন ঘটাই। এরপরেও কি তারা বুঝে না?’ (ইয়াসীন ৩৬/৬৮)।

বুদ্ধিবৃত্তিক ও চিন্তাশক্তির দ্বারকে উন্মোচন করার জন্যই গবেষণা ও চিন্তা ভাবনা করার আদেশ প্রদান করা হয়েছে। এরপরও কিভাবে কতিপয় যুবক বলে যে, ইসলাম (শারীরিক ও মানসিক) শক্তিকে ধ্বংস করে দেয়?

আল্লাহ বলেছেন, - كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَٰهِهِمْ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا -
‘কতবড় মারাত্মক কথাই না তাদের মুখ থেকে বের হয়। তারা তো কেবল মিথ্যাই বলে (কাহফ ১৮/৫)।

ইসলাম মুসলমানদের জন্য তাদের শরীর, ধর্ম বা বুদ্ধিমত্তার জন্য ক্ষতিকর নয় এমন সকল ভোগ্যবস্তুকে বৈধ ঘোষণা করেছে।

চলবে......

Address

Tarapur, Sahapara
Shibganj

Telephone

+8801740197705

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Concept Of Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to The Concept Of Islam:

Share