ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন-Bhaktivedanta Gita Niketan

  • Home
  • Bangladesh
  • Santahar
  • ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন-Bhaktivedanta Gita Niketan

ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন-Bhaktivedanta Gita Niketan শিশুদের জন্য ভগবদ্গীতা ও সনাতন ধর্মীয় শিক্ষার একটি আদর্শ ধর্মীয় বিদ্যালয়।

ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে শিশুদের শৈশব থেকেই ভগবদ্গীতার শুদ্ধ জ্ঞান ও সনাতন ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করা হয়।

এই বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে
সর্বজননী রাধা মাধব মন্দির–এর তত্ত্বাবধানে।

বর্তমান সমাজব্যবস্থায় নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে আমরা বিশ্বাস করি—শৈশবকাল থেকেই যদি শিশুদের ভগবদ্গীতার শিক্ষা দেওয়া যায়, তবে তারা ভবিষ্যতে সৎ, নীতিবান, শৃঙ্খলাপরায়ণ ও মানব

িক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।

ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন সেই লক্ষ্য নিয়েই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


🎯 আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

আমাদের লক্ষ্য হলো—
🌼 ভগবদ্গীতার আলোকে শিশুদের জীবন গঠন করা
🌼 শিশুদের হৃদয়ে ধর্মীয় চেতনা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা
🌼 শুদ্ধ ভক্তি, আত্মসংযম ও সদাচরণ শেখানো
🌼 অহংকার, হিংসা ও অসৎ প্রবণতা থেকে দূরে রাখা
🌼 সমাজ ও জাতির জন্য আদর্শ মানুষ তৈরি করা

আমরা বিশ্বাস করি—
“ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া মানবজীবন পূর্ণতা লাভ করতে পারে না।”

🌸 আমাদের শিক্ষার বিষয়সমূহ

✔️ ভগবদ্গীতা পাঠ ও সহজ ব্যাখ্যা
✔️ সনাতন ধর্মীয় শিক্ষা
✔️ নৈতিকতা ও চরিত্র গঠন
✔️ প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচরণ
✔️ ভক্তি, শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলি


👶 কাদের জন্য

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

📍 ঠিকানা

📌 সর্বজননী রাধা মাধব মন্দির
📌 সান্তাহার, আদমদীঘি
📌 বগুড়া–৫৮৯১
📌 বাংলাদেশ

📩 যোগাযোগ ও ভর্তি

👉 আপনার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষায় আলোকিত করতে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন
👉 ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাদের page–এ ইনবক্স করুন

🌺 **শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালন ২০২৬** 🌺ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন, সার্বজনীন রাধামাধব মন্দির রথবাড়ি, সান্তাহার, আ...
01/05/2026

🌺 **শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালন ২০২৬** 🌺
ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন, সার্বজনীন রাধামাধব মন্দির রথবাড়ি, সান্তাহার, আদমদীঘি, বগুড়া।

🦁শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালন ২০২৬ | ভক্তিময় কীর্তন, পূজা ও মহোৎসব | Bogura Santahar

🏅শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালনের নিয়ম - 🏅 #নৃসিংহ_চতুর্দশী ব্রতের সঙ্কল্প মন্ত্র🙏শ্রীনৃসিংহ মহাভীম দয়াং কুরু মমোপ...
29/04/2026

🏅শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালনের নিয়ম - 🏅
#নৃসিংহ_চতুর্দশী ব্রতের সঙ্কল্প মন্ত্র🙏
শ্রীনৃসিংহ মহাভীম দয়াং কুরু মমোপরি । অদ্যাহং তে বিধাস্যামি ব্রতং নিৰ্ব্বিঘ্নতাং নয় ৷৷
হে শ্রীনৃসিংহ! হে মহাভীম! আমার উপর দয়া প্রকাশ করুন, অদ্য আমি আপনার ব্রত আচরণ করিব, নির্বিঘ্নে সম্পূর্ণ করুন।
#শ্রীনৃসিংহ_স্তব/প্রণাম🙏
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্ । নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং মৃত্যোমৃত্যুং নমাম্যহম্ । শ্রীনৃসিংহ জয় নৃসিংহ জয় জয় নৃসিংহ প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভূঙ্গ ।
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸
(৩০এপ্রিল ২০২৬ ) ১৬ই বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে ভক্তবৃন্দ অবশ্যই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অবতার শ্রীনৃসিংহ দেবের পবিত্র আবির্ভাব তিথিতে উপবাস ব্রত ভক্তিভরে পালন করুুন।
কেউ এই পবিত্র ব্রতদিন সম্পর্কে জেনেও যদি তা পালন না করেন, তবে চন্দ্রসূর্য যতদিন থাকবে, ততদিন তাকে নরক বাস করতে হবে, একথা স্বয়ং নৃসিংহদেব তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে বলেছেন।
তিনি ভক্ত প্রহ্লাদককে বলেছেন-
"-বর্ষে বর্ষে তু কর্তব্যং মমসন্তুষ্টি কারণম।
মহাগুহ্যম ইদম্ শ্রেষ্ঠং মানবৈর্ভবভীরুভিঃ।।
অর্থাৎ আমার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে চতুর্দশী ব্রত কর্তব্য। জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়-ভীত মানুষ এই পরম গোপনীয় ও শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে।।
গোধূলি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস থাকতে হবে।
নির্জলা থাকতে না পারলে ফল প্রসাদ পেতে পারেন।
গোধূলি লগ্নে নৃসিংহদেবকে দুধ, দই, ঘি, মধু, মিছরির জল এবং ফলের রস দিয়ে অভিষেক করাতে পারেন (নৃসিংহদেবের চিত্রপটে অভিষেক করা যাবে)। অভিষেকের পরে নৃসিংহদেবকে ফলমূল, সবজি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
একাদশীর দিন যে অনুকল্প গ্রহণ করা হয় সেটাই ব্রতের দিন গ্রহণ করা যাবে।
কিন্তু ব্রতের দিন অন্ন, রুটি, লুচি, পরোটা গ্রহণ করা যাবে না। তবে অবশ্যই নৃসিংহদেবকে "পনকম্ " নিবেদন করতে পারেন। "পনকম্" হলো শীতল জল, তাল-মিছরি, লেবুর রস এবং আদা দিয়ে তৈরি একরকম পানীয় যা নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়। ব্রতের দিন সম্ভব হলে নৃসিংহদেবের ১০৮টি নাম পড়ে নৃসিংহদেবের চরণে ১০৮টি তুলসীপাতা চন্দনে মাখিয়ে অর্পণ করতে পারেন। নৃসিংহদেবের ব্রতকথা শ্রবণ করুন।
শ্রীমদ্ভাগবতের ৭ (সপ্তম) স্কন্ধের ৮ম অধ্যায় শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব লীলা পাঠ করুন। অথবা শুদ্ধভক্তের নিকট থেকে শ্রবণ করুন। ব্রতের দিন নৃসিংহদেবের প্রণাম মন্ত্র এবং স্তব পাঠ করুন। মনে রাখবেন নৃসিংহদেব অত্যন্ত কৃপালু।তিনি ভক্তের মনোবাসনা অবশ্যই পূরণ করবেন। তিনি অত্যন্ত করুণাময়। তিনি তাঁর ভক্তকে সর্ববিপদ থেকে রক্ষা করেন, যেমন----তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেছিলেন। ব্রতের পর দিন সকালে ভগবানকে অন্ন, বিভিন্ন দ্রব্যাদি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
ভক্তদের অবগতির জন্য শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব ও প্রণাম মন্ত্র নিচে প্রদত্ত হলো---
স্তবঃ- ----
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।
উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং
জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহং ভীষণম ভদ্রং
মৃত্যুর্মৃত্যুং নমাম্যহম্।।
শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিং।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভৃঙ্গ ।।
#প্রণাম_মন্ত্রঃ
নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ দায়িনে।
হিরণ্যকশিপো র্বক্ষঃ শিখাটঙ্ক নখালয়ে।।
ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহ
যতো যতো যামি ততো নৃসিংহো।
বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে।।
তব কর কমলবরে নখমদ্ভূতশৃঙ্গম্
দলিতহিরণ্যকশিপু তনুভৃঙ্গম।
কেশব ধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে।।
#শ্রীশ্রী_নৃসিংহদেবের ১০৮ নাম♥♥♥এটি পাঠ করলে সমস্ত বিপদ থেকে ভগবান শ্রীশ্রী নৃসিংহদেব রক্ষা করবেন।সবাই প্রত্যেকদিন অন্তত একবার পাঠ করবেন।
১.ওঁ নরসিংহায় নমঃ
২. ওঁ মহাসিংহায় নমঃ
৩.ওঁ দিব্যসিংহায় নমঃ
৪. ওঁ মহাবলায় নমঃ
৫. ওঁ উগ্রসিংহায় নমঃ
৬.ওঁ মহাদেবায় নমঃ
৭. ওঁ স্তম্ভজায় নমঃ
৮. ওঁ উগ্রলোচনায় নমঃ
৯. ওঁ রৌদ্রায় নমঃ
১০.ওঁ সর্বদ্ভুতায় নমঃ
১১.ওঁ শ্রীমানায় নমঃ
১২.ওঁ যোগানন্দায় নমঃ
১৩.ওঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ
১৪.ওঁ হারিণে নমঃ
১৫.ওঁ কোলাহলায় নমঃ
১৬.ওঁ চক্রিণে নমঃ
১৭.ওঁ বিজয়ায় নমঃ
১৮.ওঁ জয়বর্ধনায় নমঃ
১৯.ওঁ পঞ্চাননায় নমঃ
২০. ওঁ পরমব্রহ্মায় নমঃ
২১. ওঁ অঘোরায় নমঃ
২২. ওঁ ঘোরবিক্রমায় নমঃ
২৩. ওঁ জ্বলন্মুখায় নমঃ
২৪.ওঁ জ্বলমালিনে নমঃ
২৫.ওঁ মহাজ্বলায় নমঃ
২৬.ওঁ মহাপ্রভুয়ায় নমঃ
২৭.ওঁ নীতিলক্ষায় নমঃ
২৮.ওঁ সহস্রাক্ষায় নমঃ
২৯ ওঁ দুর্নিরীক্ষায় নমঃ
৩০ ওঁ প্রতাপণায় নমঃ
৩১ ওঁ মহাদ্রংষ্ট্রায় নমঃ
৩২ ওঁ যুদ্ধপ্রজ্ঞায় নমঃ
৩৩ ওঁ চন্দ্রকোপিনে নমঃ
৩৪ ওঁ সদাশিবায় নমঃ
৩৫.ওঁ হিরণ্যকশিপুধ্বংসিনে নমঃ
৩৬.ওঁ দৈত্যদানবভঞ্জনায় নমঃ
৩৭.ওঁ গুণভদ্রায় নমঃ
৩৮.ওঁ মহাভদ্রায় নমঃ
৩৯.ওঁ বলভদ্রায় নমঃ
৪০.ওঁ সুভদ্রকায় নমঃ
৪১.ওঁ করালায় নমঃ
৪২.ওঁ বিকরালায় নমঃ
৪৩.ওঁ বিকর্তায় নমঃ
৪৪.ওঁ সর্বকর্তৃকায় নমঃ
৪৫.ওঁ শিশুমারায় নমঃ
৪৬.ওঁ ত্রিলোকাত্মায় নমঃ
৪৭.ওঁ ঈশায় নমঃ
৪৮.ওঁ সর্বেশ্বরায় নমঃ
৪৯. ওঁ বিভূয়ায় নমঃ
৫০.ওঁ ভৈরবডম্ভরায় নমঃ
৫১.ওঁ দিব্যায় নমঃ
৫২.ওঁ অচ্যুতায় নমঃ
৫৩.ওঁ কবিনে নমঃ
৫৪.ওঁ মাধবায় নমঃ
৫৫.ওঁ অধোক্ষজায় নমঃ
৫৬.ওঁ অক্ষরায় নমঃ
৫৭.ওঁ সর্বায় নমঃ
৫৮.ওঁ বনমালিনে নমঃ
৫৯.ওঁ বরপ্রদায় নমঃ
৬০.ওঁ বিশ্বম্ভরায় নমঃ
৬১.ওঁ অদ্ভুতায় নমঃ
৬২.ওঁ ভব্যায় নমঃ
৬৩.ওঁ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ
৬৪.ওঁ পুরুষোত্তমায় নমঃ
৬৫.ওঁ অনঘাস্ত্রায় নমঃ
৬৬.ওঁ নখাস্ত্রায় নমঃ
৬৭.ওঁ সূর্যজ্যোতিনে নমঃ
৬৮.ওঁ সুরেশ্বরায় নমঃ
৬৯.ওঁ সহস্রবাহুয়ায় নমঃ
৭০.ওঁ সর্বজ্ঞায় নমঃ
৭১.ওঁ সর্বসিদ্ধিপ্রদায়কায় নমঃ
৭২.ওঁ বজ্রদংষ্ট্রায় নমঃ
৭৩..ওঁ বজ্রনখায় নমঃ
৭৪.ওঁ মহানন্দায় নমঃ
৭৫.ওঁ পরন্তপায় নমঃ
৭৬.ওঁ সর্বমন্ত্রৈকরূপায় নমঃ
৭৭.ওঁ সর্বযন্ত্রবিদারণায় নমঃ
৭৮.ওঁ সর্বতন্ত্রাত্মকায় নমঃ
৭৯.ওঁ অব্যক্তায় নমঃ
৮০.ওঁ সুব্যক্তায় নমঃ
৮১.ওঁ ভক্তবৎসল নমঃ
৮২.ওঁ বৈশাখশুক্লদ্ভুত্যায় নমঃ
৮৩.ওঁ শরণাগত বৎসলায় নমঃ
৮৪.ওঁ উদারকীতির্নে নমঃ
৮৫.ওঁ পূণ্যাত্মায় নমঃ
৮৬.ওঁ মহাত্মায় নমঃ
৮৭.ওঁ চণ্ডবিক্রমায় নমঃ
৮৮.ওঁ বেদত্রয়ায় নমঃ
৮৯.ওঁ প্রপুজ্যায় নমঃ
৯০.ওঁ ভগবানায় নমঃ
৯১.ওঁ পরমেশ্বরায় নমঃ
৯২.ওঁ শ্রীবৎসাঙ্কায় নমঃ
৯৩.ওঁ জগদ্ব্যাপিনে নমঃ
৯৪.ওঁ জগন্মায়ায় নমঃ
৯৫.ওঁ জগৎ-পালায় নমঃ
৯৬.ওঁ জগন্নাথায় নমঃ
৯৭.ওঁ মহাখগায় নমঃ
৯৮.ওঁ দ্বিরূপভৃতয়া নমঃ
৯৯.ওঁ পরমাত্মায় নমঃ
১০০.ওঁ পরং জ্যোতিষে নমঃ
১০১.;ওঁ নির্গুণায় নমঃ
১০২.ওঁ নৃকেশরীণে নমঃ
১০৩.ওঁ পরতত্ত্বায় নমঃ
১০৪..ওঁ পরমধামায় নমঃ
১০৫.ওঁ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহায় নমঃ
১০৬.ওঁ ধীরায় নমঃ
১০৭.ওঁ লক্ষ্মীনৃসিংহায় নমঃ
১০৮.ওঁ প্রহ্লাদপালকায় নমঃ
আপনার স্বজনদের জানাতে শেয়ার করুন।🙏🙏🙏🙏

মোহিনী একাদশীর মাহাত্ম্য।বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের মোহিনী একাদশী সম্পর্কে যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞেস করলে তিনি ব...
26/04/2026

মোহিনী একাদশীর মাহাত্ম্য।

বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের মোহিনী একাদশী সম্পর্কে যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, পূর্বে রামচন্দ্র যখন সীতাদেবীর বিরহজনিত কারণে বশিষ্ঠ মুনির কাছে সর্বদুঃখনাশকারী ও সর্বপাপক্ষয়কারী ব্রত সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন, তখন তিনিও ঠিক একই কথা বলেছিলেন। এই ব্রতের প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দুঃখ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয় এবং এই কথা শ্রবণমাত্রই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়। পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে এক সুশোভনা নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন আর সেই নগরীতেই ধনপাল নামে বিষ্ণুভক্তিপরায়ণ ও শান্ত প্রকৃতির এক সমৃদ্ধশালী বৈশ্য বাস করতেন, যিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করে দিতেন। সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচজন পুত্র ছিল। পঞ্চম পুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল পরস্ত্রী সঙ্গী, বেশ্যাসক্ত, লম্পট ও দ্যুতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে অত্যন্ত আসক্ত, দেবতা, ব্রাহ্মণ ও পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধাহীন, দুষ্টস্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক, সবসময় অভক্ষ্য ভক্ষণকারী ও সুরাপানে মত্ত।
পিতা ধনপাল একদিন পথ চলার সময় হঠাৎ দেখলেন ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার গলায় হাত রেখে নিঃসঙ্কোচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার নির্লজ্জ পুত্রকে এভাবে চৌরাস্তায় ভ্রমণ করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত ও ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে গৃহ থেকে বার করে দিলেন। তার আত্মীয়-স্বজনও তাকে পরিত্যাগ করল। সে তখন নিজের অলংকারাদি বিক্রি করে জীবন অতিবাহিত করত। কিছুদিন এইভাবে চলার পর অর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যাগণও তাকে পরিত্যাগ করল।
অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়ল। অবশেষে নিজের গ্রামে সে চুরি করতে শুরু করলে একদিন রাজপ্রহরী তাকে বন্দী করেও তার পিতার সম্মানার্থে তাকে মুক্ত করে দিল। এভাবে বারকয়েক সে ধরা পড়ে ছাড়া পেয়েও সে চুরি করা বন্ধ না করলে রাজা তাকে কারাগারে আবদ্ধ করে রাখলেন। কারাভোগের পর ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করল। সেখানে সে পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দুঃখে পাপময় জীবনযাপন করতে লাগল ও দিবারাত্রি দু:খশোকে জর্জরিত হয়ে অনেকদিন অতিবাহিত করল। কোন পুণ্যফলে সহসা একদিন সে কৌণ্ডিন্য ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে প্রত্যাবর্তন করছিলেন। শোকাকুল ধৃষ্টবুদ্ধি তার সম্মুখে উপস্থিত হলে ঘটনাক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে একবিন্দু জল তার গায়ে পড়ে ও সেই জলস্পর্শে তার সমস্ত পাপ দূর হয়ে শুভবুদ্ধির উদয় হল।
ঋষির কাছে করজোড়ে সে তার দুঃখপূর্ণ অবস্থা থেকে মুক্তিলাভের উপায় জিজ্ঞেস করলে ঋষিবর তাকে বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের মোহিনী একাদশী পালন করতে বলেন, যার প্রভাবে পর্বতসম পাপরাশিও ক্ষয় হয়। কৌণ্ডিন্য ঋষির উপদেশে প্রসন্নচিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করে নিষ্পাপ হয়ে দিব্যদেহ লাভ করল ও গরুড়ে আরোহণ করে সকল প্রকার উপদ্রবহীন অবস্থায় বৈকুণ্ঠধামে গমন করল। ত্রিলোকে মোহিনী ব্রতই শ্রেষ্ঠ ব্রত। যজ্ঞ, তীর্থভ্রমণ, দান ইত্যাদি কোন পুণ্যকর্মই এই ব্রতের সমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।

 #বরুথিনী একাদশীর মাহাত্ম্যপৌরাণিক বর্ণনা অনুযায়ী, ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই একাদশীর মহিমা বর্ণনা করেছিলেন।...
12/04/2026

#বরুথিনী একাদশীর মাহাত্ম্য
পৌরাণিক বর্ণনা অনুযায়ী, ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই একাদশীর মহিমা বর্ণনা করেছিলেন।
এই ব্রত পালনের বিশেষ কিছু দিক হলো:
🍂 এই একাদশী পালন করলে মানুষ ইহলোকের সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়। এমনকি অতীতে করা গুরুতর অপরাধের ফলও এই ব্রতর প্রভাবে প্রশমিত হয়।
🍂বিশেষ করে নারীদের জন্য এই ব্রত সৌভাগ্য ও সুখ-শান্তি প্রদানকারী হিসেবে বিবেচিত।
🍂শাস্ত্র মতে, বিধিভরে বরুথিনী একাদশী পালন করলে সহস্র বছর কঠোর তপস্যা এবং রাজসূয় যজ্ঞ করার সমান পুণ্য অর্জিত হয়।
🍂 অন্নদান ও কন্যাদানকে হিন্দু ধর্মে শ্রেষ্ঠ দান বলা হয়েছে। বরুথিনী একাদশী পালন করলে এই উভয় দানের চেয়েও বেশি পুণ্য লাভ করা সম্ভব।
একাদশী ব্রত পালনের জন্য দশমী থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে হয়:
দশমী তিথিতে আমিষ বর্জন, মসুর ডাল, মধু এবং শাক পরিহার করে হবিষ্যান্ন গ্রহণ করা উত্তম।
একাদশী তিথিতে কায়মনোবাক্যে পবিত্র থাকা এবং ব্রহ্মচর্য পালন করা আবশ্যিক।
একাদশীর দিন সূর্যোদয় থেকে দ্বাদশীর সূর্যোদয় পর্যন্ত নির্জলা বা সজল উপবাস রাখা হয়। যারা শারীরিক কারণে অসমর্থ, তারা অনুকল্প (ফল, দুধ, সাবু বা নির্দিষ্ট একাদশী খাবার) গ্রহণ করতে পারেন।
এই দিনে চাল (ভাত), গম (রুটি), ডাল, সরিষার তেল, তামাক এবং ক্যাফেইন জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষেধ।
সারা দিন ভগবানের নাম জপ, গীতা পাঠ এবং শ্রীবিষ্ণুর সহস্রনাম পাঠ করা অত্যন্ত ফলপ্রদ। সম্ভব হলে রাত্রি জাগরণ করে ভগবানের লীলা স্মরণ করুন।
🔯এই দিনে শ্রীবিষ্ণুর কাছে প্রার্থনা করার সময় এই মন্ত্রটি স্মরণ করতে পারেন:
"একাদশী নিরাহারঃ স্থিতাহং পুণ্ডরীকাক্ষ। সম্যগারাধিতো দেব প্রসীদ মে গদাধর "।
অর্থ:হে পুণ্ডরীকাক্ষ! হে গদাধর! আমি আজ একাদশীতে নিরাহার থাকব। আপনি আমার প্রতি প্রসন্ন হোন।
বরুথিনী একাদশী পালনের মাধ্যমে আমরা যেন ভক্তি ও নিষ্ঠার পথে এগিয়ে যেতে পারি এবং শ্রীকৃষ্ণের চরণে শুদ্ধ ভক্তি লাভ করতে পারি।
জয় শ্রী কৃষ্ণ
゚viralシfypシ゚viralシalシ

নববিধা ভক্তিশ্রবণং কীর্তনং বিষ্ণো: স্মরণং পাদসেবনম্।অর্চনং বন্দনং দাস্যং সখ্যমাত্মনিবেদনম্।।শ্রবণ (পরীক্ষিত), কীর্তন (শু...
05/04/2026

নববিধা ভক্তি
শ্রবণং কীর্তনং বিষ্ণো: স্মরণং পাদসেবনম্।
অর্চনং বন্দনং দাস্যং সখ্যমাত্মনিবেদনম্।।
শ্রবণ (পরীক্ষিত), কীর্তন (শুকদেব), স্মরণ (প্রহ্লাদ), পাদসেবন (লক্ষ্মী), অর্চন (পৃথুরাজা), বন্দনা(অক্রুর), দাস্য (হনুমান), সখ্য (অর্জুন), আর আত্মনিবেদন (বলিমহারাজ) এরা নববিধা ভক্তি করে।
শ্রবণ: ঈশ্বরের লীলা, কথা, মহত্ব, শক্তি ইত্যাদি পরম শ্রদ্ধার সাথে অতৃপ্ত মনে নিরন্তর শ্রবণ করো। শ্রবণে শ্রেষ্ঠ পরীক্ষিত মহারাজ।
কীর্তন: ঈশ্বরের গুণ, চরিত্র, নাম, পরাক্রম আদি আনন্দ এবং উৎসাহের সাথে কীর্তন করে। কীর্তনে শ্রেষ্ঠ শুকদেব।
স্মরণ : নিরন্তর অনন্য ভাবে পরমশ্বরকে স্মরণ করে, তাঁর মহিমা আর ভক্তিকে স্মরণ করে, তাতে মুগ্ধ হওয়া। স্মরণে শ্রেষ্ঠ প্রহ্লাদ।
পাদসেবন : ঈশ্বরের চরণে আশ্রয় নিয়ে আর তাঁর চরণকে সর্বস্ব মনে করে। মা লক্ষ্মী এই পাদসেবনে শ্রেষ্ঠা।
অর্চন : মন, বচন আর কর্ম দিয়ে পবিত্র সামগ্রী দিয়ে ঈশ্বরের চরণ পুজা করে। অর্চনে শ্রেষ্ঠ হল পৃথুমহারাজ।
বন্দনা : ভগবানের মূর্তিকে বা ভগবানের অংশ রূপে ব্যাপ্ত ভক্তজন, আচার্য, ব্রাহ্মণ, গুরুজন, মা-বাবা আদিতে পরম আদর সৎকারের সাথে পবিত্র ভাবে নমস্কার করে, তার সেবা করে। বন্দনা শ্রেষ্ঠ হল অক্রুর।
দাস্য : ঈশ্বরকে স্বামী মনে করে আর নিজেকে তাঁর দাস ভেবে শ্রদ্ধার সাথে সেবা করে। দাস্যতে শ্রেষ্ঠ হলেন হনুমানজী।
সখ্য : ঈশ্বরকে নিজের পরম মিত্র মনে করে নিজের সর্বস্ব তাঁর চরণে সর্মপন করে। মনের ভাবে নিজের সকল পাপ পূণ্য নিবেদন করে। সখ্যের মধ্যে শ্রেষ্ঠ অর্জুন।
আত্মনিবেদন: নিজেকে ভগবানের চরণে সর্বদা জন্য সমর্পণ করে দেয় আর কিছুই তার আর থাকে না। সব আর নিজের থাকে না। সব যে ভগবানের হয়ে যায়। আত্মনিবেদন ভক্তি সবচেয়ে সর্বোত্তম অবস্থা। আত্মনিবেদনে শ্রেষ্ঠ হল বলিমহারাজ।

১৬ সংস্কার : জীবন চক্রএকজন সনাতন ধর্মাবলম্বী কোন সংস্কার কখন করবেন ?১। গর্ভাধান: বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী সন্তান কামনা ক...
14/03/2026

১৬ সংস্কার : জীবন চক্র

একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী কোন সংস্কার কখন করবেন ?

১। গর্ভাধান: বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী সন্তান কামনা করলে ব্রহ্মচর্য ও সংযম অবলম্বনপূর্বক গর্ভাধান সংস্কারের কর্মকাণ্ডীয় ক্রিয়া সম্পূর্ণ করে ঋতুমতী অবস্থা অতিক্রান্ত হলে, পরবর্তী দিনগুলো গর্ভাধানের সময়। ঋতুমতী হওয়ার দিন থেকে ৪দিন, ১১তম ও ১৩ তম সমাগম নিষিদ্ধ। অর্থাৎ এই ৬ দিন, অমাবস্যা ও পূর্ণিমা (কারণ এই দুইদিন দর্শপৌর্ণমাস যজ্ঞ) ইত্যাদি পর্বদিবস বাদ দিয়ে [ঋতুমতী হওয়া ১-৪ দিন বাদে - ৫ম থেকে ১০ম দিন ও ১২তম দিন, অমাবস্যা/পূর্ণিমার পর যদি ঋতুচক্র শুরু না হয় তবে ১৬তম দিন] সন্তান কামনায় স্ত্রীর সম্মতিতে গর্ভাধান ক্রিয়া করা যাবে। উল্লেখ্য, অষ্টমী বা চতুর্দশীতেও যদি পর্ব থাকে তবে সেগুলোও বাদ যাবে। মূলতঃ যজ্ঞদিবস সংযম অবলম্বন করে ধর্মাচার পালনেরই দিন।
📍বিশেষ: স্বাভাবিক সমাগম উপর্যুক্ত দিনগুলো ব্যতিরেকে করা যাবে। যারা ধর্মাচার ও শাস্ত্রীয় বিধান মেনে সন্তান প্রজননে ইচ্ছুক তাদের জন্য এই বিধান অবশ্য অনুসরণীয়। শাস্ত্র-শ্রদ্ধাহীন যথেচ্ছাচারীদের জন্য নয়।
▪️সূত্র: মনুস্মৃতি ৩।৪৫-৪৭, গোভিল গৃহ্যসূত্র ২।৫।৭-৮, সুশ্রুতসংহিতা শারীরস্থান ২-৩ অধ্যায়, চরকসংহিতা শারীরস্থান ২-৪ অধ্যায়।

২। পুংসবন: গর্ভাধানের পর গর্ভবর্তী হওয়া নিশ্চিত হলে গর্ভাধানের সময় থেকে ২য় বা ৩য় মাসে।
▪️সূত্র: পারস্কর গৃহ্যসূত্র ১।১৪।১-২, আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।১৩।৬

৩। সীমন্তোন্নয়ন: গর্ভ-মাস থেকে ৪র্থ মাস বা ৬ষ্ঠ বা ৮ম মাসে শুক্লপক্ষে পুনর্বসু, পুষ্য, অনুরাধা, মূল, শ্রবণ,অশ্বিনী, মৃগশিরাদি পুংলিঙ্গবাচক নক্ষত্রযুক্ত চান্দ্রদিনে হবে।
▪️সূত্র: আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।১৪।১-৫, পারস্কর গৃহ্যসূত্র ১।১৫।২-৩

৪। জাতকর্ম: গর্ভ থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়া অর্থাৎ প্রসব হওয়ার সময়েই। বর্তমানে যদি আধুনিক চিকিৎসালয়ে সুযোগ না থাকে তবে কর্ণে মন্ত্রপাঠ প্রভৃতি কর্ম করবে। গৃহে নিয়ে আসার পর অবশিষ্ট কর্ম ঔপচারিক রূপে সম্পূর্ণ করবে।

৫। নামকরণ: জন্মের পর ১১তম বা ১০১তম দিনে বা ২য় বছরের ১ম দিন অর্থাৎ যেদিন শিশুর জন্ম হয়েছে ১ বছর আগে সেই দিন।
▪️সূত্র: গোভিল গৃহ্যসূত্র ২।৮।৮

৬। নিষ্ক্রমণ: যে সময় পরিবেশ শুদ্ধ ও ভালো মনে হবে কিংবা অবশ্যই ৪র্থ মাসে অবশ্যই শিশুকে বাইরে প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিভ্রমণ করাতে হবে। সংস্কারপালনের সময় ২টি - (১) জন্মের পর ৩য় শুক্লপক্ষের ৩য়া তিথি (২) ৪র্থ মাসে যে তিথিতে সন্তানের জন্ম হয়েছে সেই তিথিতে।
▪️সূত্র: পারস্কর গৃহ্যসূত্র ১।১৭।৫-৬, গোভিল গৃহ্যসূত্র ২।৮।১-৫

৭। অন্নপ্রাশন: ছেলে-মেয়ে উভয়ের অর্থাৎ শিশুমাত্রেরই ৬ষ্ঠ মাসে।
▪️সূত্র: আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।১৬।১-৩, পারস্কর গৃহ্যসূত্র ১।১৯।১

৮। চূড়াকর্ম/মুণ্ডন: ছেলে-মেয়ে উভয়ের ১ম বর্ষ, ৩য় বর্ষ, উত্তরায়ণে যে কোনো শুভদিন কিংবা পরিবারে যে সময় প্রচলিত।
▪️সূত্র: গোভিল গৃহ্যসূত্র ২।৯।১, আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।১৭।১, পারস্কর গৃহ্যসূত্র ২।১।১,৪

৯। কর্ণভেদ: ৩য় বা ৫ম বর্ষে শিশুর উভয় কান।
▪️সূত্র: কাত্যায়ন গৃহ্যসূত্র ২।২।১

১০। উপনয়ন: ব্রাহ্মণত্ব আগ্রহী ও প্রাথমিক লক্ষণযুক্ত বালক-বালিকাদের ৮ম বর্ষে। একইভাবে ক্ষত্রিয় ১১ বর্ষে, বৈশ্য ১২ বর্ষে কিংবা মঙ্গলযুক্ত সময়ে সবার জন্যই। তবে ব্রাহ্মণত্ব, ক্ষত্রিয়ত্ব ও বৈশ্যত্ব লাভের জন্য বিলম্বে উপনয়ন যথাক্রমে ১৬, ২২, ২৪ এরপর আর হবে না। উল্লেখ্য, যদি কেউ দ্রুত উপনয়ন দিতে চান তবে সন্তান ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য বর্ণ লাভেচ্ছুগণ যথাক্রমে ৫, ৬, ৮ বছরেও উপনয়ন গ্রহণ করতে পারবে। প্রসঙ্গত, শূদ্রত্বেই থাকার জন্য অতিরিক্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যাদির আবশ্যকতা নেই, বৃত্তিমূলক শিক্ষাই যথেষ্ট, তাই গুণ-কর্ম-স্বভাব অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণাশ্রমে স্বাভাবিক শূদ্রত্ব হেতু উপনয়নের প্রয়োজন হয় না।
▪️সূত্র: মনুস্মৃতি ২।৩৭-৩৯, পারস্কর গৃহ্যসূত্র ২।২।১-৪, আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।১৯।১-৬, গোভিল গৃহ্যসূত্র ২।১০।১-৫

১১। বেদারম্ভ: যেদিন উপনয়ন সেদিনই বেদারম্ভ হওয়া উচিত। বিশেষ অসুবিধা হলে অন্যদিন, তবে ১ বছরের মধ্যে যেন হয়।
▪️সূত্র: সংস্কারবিধিঃ

১২। সমাবর্তন: ব্রহ্মচর্যপালন পূর্বক সার্বিক বেদাধ্যয়ন সমাপ্তির পর। বেদের বিস্তারিত পাঠ ও সংখ্যার উপর ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সমাবর্তন হতে পারে।
▪️সূত্র: আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।২২।১৬, পারস্কর গৃহ্যসূত্র ২।৬।১-৮

১৩। বিবাহ: উত্তরায়ণে শুক্লপক্ষে কল্যাণময় সময়ে। কোনো কোনো আচার্যের মতে মাঘ, ফাল্গুন, আষাঢ় বাদ দিতে প্রোৎসাহিত করা হলেও তারা পরবর্তীতে সর্বকালেই বিবাহের অনুমোদন দিয়েছেন। অর্থাৎ যেভাবে উপর্যুক্ত সময়গুলোতে বিবাহ করা যাবে তেমনি বিশেষ আবশ্যকতায় সর্বকালেই বিবাহ করা যাবে।
▪️সূত্র: আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।৪।১-২, আপস্তম্ব গৃহ্যসূত্র ১।২।১২, বোধায়ন গৃহ্যসূত্র ১।১।১৮-১৯, কৌশিক গৃহ্যসূত্র ১০।১।২-৩
📍বিশেষ: বৈদিক বিধিতে বিবাহসংস্কারকর্ম ২ ভাগে বিভক্ত। (১) পূর্ববিধি - দিনে (২) উত্তরবিধি - সূর্যাস্তের পর [ধ্রুব-অরুন্ধতী নক্ষত্র দর্শন] । সংস্কারে সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ভেদ নেই, নৈমিত্তিকে বাধ্যবাধকতা রয়েছে সায়ং অগ্নিহোত্র নক্ষত্র উদিত হওয়ার পূর্বে সমাপ্ত করার। বিশেষ কারণে যদি পূর্ববিধি দিনে করা না যায় তবে রাত্রিকালেও উভয়বিধি করানো যাবে। তখন দিবাভাগের সূর্যদর্শনের [পা০ গৃ০ ১।৮।৭ ও কাঠ০ গৃ০ ২৫।৪৩] আচারটি যজ্ঞাগ্নি দর্শনের মাধ্যমে করাতে হবে বলে লৌগাক্ষি গৃহ্যসূত্রে [২৫.৩৯] ও কাঠক গৃহ্যসূত্রে [২৫।৪৪] বলা হয়েছে।

১৪। বানপ্রস্থ: সন্তানেরও সন্তান হওয়ার পর। দম্পতি ব্রহ্মচর্যপালনপূর্বক ব্রহ্মানুধ্যানে একসঙ্গে থাকতেও পারে, নাও পারে।
▪️সূত্র: ঋ০ ১০।১৩৬।২, মনুস্মৃতি ৬।২-৩

১৫। সন্ন্যাস: সর্ব-বৈরাগ্য উৎপন্ন হলে একাকী নিত্যসত্ত্বগুণস্থিত হয়ে ব্রহ্মচিন্তনপূর্বক নিত্যপর্যটন ও লোকোপকার। ৩টি প্রকার - ক্রমসন্ন্যাস অর্থাৎ গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থের পরে; বানপ্রস্থেই তীব্র বৈরাগ্য উৎপন্ন হলে; ব্রহ্মচর্যাশ্রম পূর্ণের পর সরাসরি সন্ন্যাসাশ্রম।
▪️সূত্র: ঋ০ ১০।১৩৬।৫, মুণ্ডকোপনিষদ্ ৩।২।৬, মনুস্মৃতি অধ্যায় ৬, শত০ ব্রা০ ১৪।৬।২।২৬, তৈত্তিরীয় আরণ্যক ১০।৬৩-৬৪, জাবালোপ০ খণ্ড ৪

১৬। অন্ত্যেষ্টি: মৃত্যুর পর যত দ্রুত সম্ভব। ইতিহাসে বিশেষ কারণে দাহাধিকারী ও আত্মীয় দূরে থাকলে শব সংরক্ষণ করার বিধান রয়েছে, তারপর উপযুক্ত ব্যক্তি এলে দাহ সম্পূর্ণ করতে হবে।
▪️সূত্র: যজুর্বেদ ৪০।১৫, শব-সংরক্ষণ বাল্মীকি রামায়ণ ২।৬৬।১৪-১৬

:collect

゚viralシfypシ゚viralシalシ

11/03/2026

একজন সচেতন বাবা মায়ের উচিত তার সন্তান কে ছোট থেকেই পারমার্থিক শিক্ষায় গড়ে তোলা।
゚viralシfypシ゚viralシalシ

10/03/2026
10/03/2026

আপনি কি আপনার সন্তান কে আধ্যাত্মিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চান... ゚viralシfypシ゚viralシalシ

Address

RathBari, Adamdighi
Santahar
5891

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতন-Bhaktivedanta Gita Niketan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category