Islamic jibon kotha

Islamic jibon kotha ISLAMIC JIBON GORTE AMADED SATHE THAKUN আধা দূর করতে কোরআন পড়তে হবে

17/03/2024

১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।
২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।
৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।
৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।
৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।
৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।
৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।
৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।
৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।
১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।
১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।
১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।
১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।
১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।
১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।
২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেক।

14/03/2024
25/09/2022

#মৃত্যুর_পর_মানুষের_৯_টি_আফসোস:

১. হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।
(সুরা: নাবা, আয়াত: ৪০)

২. ‘হায়! আমার এ জীবনের (পরকালের) জন্য আমি যদি কিছু অগ্রিম পাঠাতাম!’
(সুরা ফাজর, আয়াত: ২৪)

৩. ‘হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো!’
(সুরা আল-হাক্কাহ, আয়াত: ২৫)

৪. হায় দুর্ভোগ আমার,আমি যদি অমুককে বন্ধু রূপে গ্রহণ না করতাম।
(সূরা ফুরক্বান, আয়াত: ২৮)

৫. ‘হায়! আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রাসূলের আনুগত্য করতাম!’
(সূরা আহযাব, আয়াত: ৬৬)

৬. ‘হায়! আমি যদি রসূলের সাথে সৎপথ অবলম্বন করতাম।’
(সুরা ফুরক্বান, আয়াত: ২৭)

৭. ‘হায়! যদি আমি তাদের সাথে থাকতাম, তাহলে আমিও বিরাট সাফল্য লাভ করতাম।’
(সুরা আন-নিসা, আয়াত: ৭৩)

৮. হায়! আমি যদি আমার রবের সাথে কাউকে শরীক না করতাম।
(সুরা: কাহাফ, আয়াত: ৪২)

৯. ‘হায়! যদি আমাদেরকে ফেরত পাঠানো হত। আর আমরা আমাদের রবের আয়াতসমূহ অস্বীকার না করতাম এবং আমরা মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হতাম!’
(সুরা আল-আন’আম, আয়াত: ২৭)

28/03/2022

✅ আসুন আকিদা বিষয়ে একটা কোর্স করি।

১. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি❓
উত্তরঃ আল্লাহ্‌।
২. প্রশ্নঃ আল্লাহর কতগুলো নাম রয়েছে❓
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলার নাম অসংখ্য-অগণিত।
৩. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌ কোথায় আছেন❓
উত্তরঃ সপ্তাকাশের উপর আরশে আযীমে। (সূরা ত্বহাঃ ৫)
৪. প্রশ্নঃ আল্লাহর আরশ কোথায় আছে❓
উত্তরঃ সাত আসমানের উপর।
৫. প্রশ্নঃ আল্লাহ কি সর্বস্থানে বিরাজমান❓
উত্তরঃ না। আল্লাহ্‌ সবজায়গায় বিরাজমান নন। তিনি সপ্তকাশের উপর সুমহান আরশে সমুন্নত। (সূরা ত্বাহাঃ ৫) তবে তিনি তার সৃস্টির সব কিছুর খবর জানেন।
৬. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাজ কি❓
উত্তরঃ সৃষ্টি করা, রিযিক প্রদান, বৃষ্টি বর্ষণ, লালন-পালন করা, সাহায্য করা, জীবন-মৃত্যু প্রদান, পরিচালনা করা, সবকিছুর উপর কর্তৃত্ব করা, তত্বাবধান করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
৭. প্রশ্নঃ তাওহীদ কাকে বলে❓
উত্তরঃ তাওহীদ অর্থ একত্ববাদ। পরিভাষায়ঃ ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহকে একক নির্দিষ্ট করার নাম তাওহীদ।
৮. প্রশ্নঃ তাওহীদ কত প্রকার?
উত্তরঃ তাওহীদ ৩ প্রকার।
৯. প্রশ্নঃ তিন প্রকার তাওহীদ কি কি?
উত্তরঃ (১) তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌ বা কর্ম ও পরিচালনার একত্ববাদ (২) তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌ বা দাসত্বের একত্ববাদ (৩) তাওহীদে আসমা ওয়া ছিফাত বা নাম ও গুণাবলীর একত্ববাদ।
১০. প্রশ্নঃ তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌ কাকে বলে❓
উত্তরঃ আল্লাহ্‌ তাঁর কর্ম সমূহে একক- তাঁর কোন শরীক নেই, একথা মেনে নেয়ার নাম তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌
১১. প্রশ্নঃ তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌ কাকে বলে❓
উত্তরঃ বান্দার ইবাদত-বন্দেগী ও দাসত্ব এককভাবে আল্লাহর জন্যে নির্দিষ্ট করার নাম তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌।
১২. প্রশ্নঃ তাওহীদে আসমা ওয়াস্‌ সিফাত কাকে বলে?
উত্তরঃ কুরআন ও হাদীছে আল্লাহর অনেক সুন্দর সুন্দর নাম ও গুণাবলী উল্লেখ রয়েছে, যা তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও পরিপূর্ণতার প্রমাণ বহন করে, সেগুলোকে কোন প্রকার ধরণ-গঠন নির্ধারণ না করে বা অস্বীকার না করে সেভাবেই মেনে নেয়ার নাম তাওহীদে আসমা ওয়াস্‌ সিফাত।
১৩. প্রশ্নঃ তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌র উদাহরণ কি❓
উত্তরঃ সৃষ্টি করা, রিযিক দেয়া, বৃষ্টি দেয়া, লালন-পালন করা, সবকিছুর উপর কর্তৃত্ব করা, তত্বাবধান করা ইত্যাদি।
১৪. প্রশ্নঃ তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌র উদাহরণ কি❓
উত্তরঃ ঈমান, ভয়-ভীতি, আশা-আকাঙ্খা, ভালবাসা, দু’আ-প্রার্থনা, সাহায্য কামনা, উদ্ধার কামনা, রুকূ-সিজদা ইত্যাদি।
১৫. প্রশ্নঃ তাওহীদে আসমা ওয়া ছিফাতের উদাহরণ কি❓
উত্তরঃ الرحمن আর্‌ রাহমান, السميع আস্‌ সামী’ (শ্রবণকারী) البصير আল বাছীর (মহাদ্রষ্টা), العلو আল ঊলু (সুউচ্চ) ইত্যাদি।
১৬. প্রশ্নঃ আল্লাহর ৯৯টি নাম মুখস্থ- করার ফযীলত কি❓
উত্তরঃ মু্খস্থ- করে আমল করলে বিনিময় জান্নাত।
১৭. প্রশ্নঃ ‘মুমিনের কলব আল্লাহর আরশ’ এটা কার কথা?
উত্তরঃ এটা মানুষের বানানো কথা। আল্লাহ বা রাসূলের কথা নয়। (জাল হাদীছ)
১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহ কি নিরাকার❓
উত্তরঃ না। কেননা তাঁর অসি-ত্ব ও সত্তা আছে। যার সত্তা ও অসি-ত্ব থাকে তাকে নিরাকার বলা যায় না।
২০. প্রশ্নঃ আল্লাহ যদি নিরাকার না হন, তবে তাঁকে কি দেখা সম্ভব❓
উত্তরঃ হ্যাঁ, তাঁকে দেখা সম্ভব। তবে এ দুনিয়ায় চর্ম চোখে সম্ভব নয়। আখেরাতে জান্নাতীগণ আল্লাহকে দেখবেন। (সূরা ক্বিয়ামাহ্‌ঃ ২২-২৩, বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ)
২১. প্রশ্নঃ ঈমান কাকে বলে❓
উত্তরঃ ঈমান মানে বিশ্বাস। পরিভাষায়ঃ অন-রে বিশ্বাস, মুখে স্বীকার ও কর্মে বাস-বায়নকে ঈমান বলে।
২২. প্রশ্নঃ ঈমান কি কমে ও বাড়ে❓
উত্তরঃ হ্যাঁ, ঈমান কমে ও বাড়ে।
২৩. প্রশ্নঃ কিভাবে ঈমান কমে বাড়ে❓
উত্তরঃ সৎকাজের মাধ্যমে ঈমান বাড়ে, আর অসৎ কাজ করলে ঈমান কমে।
২৪. প্রশ্নঃ ঈমানের শাখা কতটি❓
উত্তরঃ সত্তরের অধিক।
২৫. প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বোচ্চ স্তর কি❓
উত্তরঃ কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পাঠ করা।
২৬. প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বনিম্ন শাখা কি❓
উত্তরঃ রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা।
২৭. প্রশ্নঃ ঈমানের স্তম্ভ কয়টি❓ কি কি❓
উত্তরঃ ঈমানের স্তম্ভ ৬টি। সেগুলো হচ্ছেঃ (১) আল্লাহ (২) ফেরেশতাকুল (৩) আসমানী কিতাব (৪) নবী-রাসূল (৫) শেষ দিবস ও (৬) তক্বদীরের ভাল-মন্দের প্রতি ঈমান
২৮. প্রশ্নঃ ইসলাম কাকে বলে❓
উত্তরঃ ইসলাম অর্থ, আত্মসমর্পন। পরিভাষায়ঃ তাওহীদ ও আনুগত্যের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পন করা এবং শির্ক ও মুশরিকদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা।
২৯. প্রশ্নঃ ইসলামের স্তম্ভ কয়টি ও কি কি❓
উত্তরঃ ইসলামের স্তম্ভ ৫টি। সেগুলো হচ্ছেঃ (১) কালেমায়ে শাহাদাত উচ্চারণ করা, (২) নামায প্রতিষ্ঠা করা, (৩) যাকাত প্রদান করা (৪) রামাযান মাসে রোযা রাখা (৫) সামর্থ থাকলে আল্লাহর ঘরের হজ্জ আদায় করা।
৩০. প্রশ্নঃ আল্লাহর ফেরেশতাগণ কিসের তৈরী❓
উত্তরঃ তাঁরা নূরের তৈরী❓
৩১. প্রশ্নঃ ফেরেশতাদের সংখ্যা কত❓
উত্তরঃ তাঁদের সংখ্যা কত তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
৩২. প্রশ্নঃ প্রধান চার ফেরেশতার নাম কি❓
উত্তরঃ জিবরাঈল, ইসরাফীল, মীকাঈল ও মালাকুল মওত (আঃ)।
৩৩. প্রশ্নঃ ওহী নাযিল করার দায়িত্ব কোন ফেরেশতার ছিল❓
উত্তরঃ জিবরাঈল (আঃ) এর।
৩৪. প্রশ্নঃ কোন ফেরেশতাকে সকল ফেরেশতার সরদার বলা হয়❓
উত্তরঃ জিবরাঈল (আঃ) কে।
৩৫. প্রশ্নঃ ইসরাফীল (আঃ) এর দায়িত্ব কি❓
উত্তরঃ আল্লাহর নির্দেশ ক্রমে শিংগায় ফুৎকার দেয়া।
৩৬. প্রশ্নঃ মীকাঈল ফেরেশতার কাজ কি❓
উত্তরঃ তিনি বৃষ্টি বর্ষণ, উদ্ভিদ উৎপাদন প্রভৃতি কাজে নিয়োজিত।
৩৭. প্রশ্নঃ প্রাণীকুলের জান কবজের কাজে নিয়োজিত ফেরেশতার নাম কি❓
উত্তরঃ মালাকুল মওত। (আজরাঈল নাম বিশুদ্ধ নয়)
৩৮. প্রশ্নঃ কোন ফেরেশতা কি মানুষের কল্যাণ-অকল্যাণ করতে পারে❓
উত্তরঃ না, আল্লাহ্‌ ছাড়া কেউ কারো কোন কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক নয়- ফেরেশতা, জিন, মানুষ- নবী, ওলী কেউ না।
৩৯. প্রশ্নঃ প্রসিদ্ধ আসমানী কিতাব কতখানা❓
উত্তরঃ ৪ খানা। ১. তাওরাত , ২. যাবূর , ৩. ইঞ্জিল , ৪. কুরআন ।
৪০. প্রশ্নঃ কোন কিতাব কোন্‌ নবীর উপর নাযিল হয়েছে❓
উত্তরঃ কুরআন – মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর উপর, তাওরাত- মূসা (আঃ)এর উপর, ইঞ্জিল- ঈসা (আঃ) এর উপর এবং যাবূর- দাউদ (আঃ)এর উপর।
৪১. প্রশ্নঃ সর্বশেষ আসমানী কিতাবের নাম কি❓
উত্তরঃ কুরআনুল কারীম।
৪২. প্রশ্নঃ কালেমা “লাইলাহা ইল্লাল্লাহু’ এর অর্থ কি❓
উত্তরঃ আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই।
৪৩. প্রশ্নঃ আল্লাহ্‌ আমাদের কেন সৃষ্টি করেছেন❓
উত্তরঃ শুধু তাঁর ইবাদত করার জন্য। (সূরা যারিয়াত- ৫৬)
৪৪. প্রশ্নঃ মানুষ মৃত্যু বরণ করলে, কবরে তাকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে। সেগুলো কি কি❓
উত্তরঃ প্রশ্ন করা হবে- তোমার রব কে❓ তোমার নবী কে❓ তোমার দ্বীন কি❓
৪৫. প্রশ্নঃ ইবাদত কাকে বলে❓
উত্তরঃ আল্লাহ পছন্দ করেন এমন প্রত্যেক গোপন ও প্রকাশ্য কথা ও কাজকে ইবাদত বলা হয়।
৪৬. প্রশ্নঃ ইবাদত কবূল হওয়ার শর্ত কয়টি ও কি কি❓
উত্তরঃ ইবাদত কবূল হওয়ার শর্ত দু’টিঃ (১) ইবাদত একনিষ্টভাবে আল্লাহর জন্য করা (২) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সুন্নাত মোতাবেক করা।
৪৭. প্রশ্নঃ সঠিক ইবাদতের মূল ভিত্তি কয়টি ও কি কি❓
উত্তরঃ যে কোন ইবাদত সঠিক হওয়ার জন্য তিনটি মূল ভিত্তি রয়েছে। (১) আল্লাহর প্রতি ভালবাসা, (২) তাঁকে ভয় করা ও (৩) তাঁর কাছে আশা-আকাংখা করা
৪৮. প্রশ্নঃ শিরক কাকে বলে?
উত্তরঃ ইবাদতের কোন একটি বিষয় আল্লাহ ছাড়া অন্যের উদ্দেশ্যে সম্পাদন করা।
৪৯. প্রশ্নঃ শির্ক কত প্রকার ও কি কি❓
উত্তরঃ শির্ক দু’প্রকারঃ বড় শির্ক ও ছোট শির্ক।
৫০. প্রশ্নঃ বড় শির্ক কাকে বলে❓
উত্তরঃ আল্লাহর ইবাদতে অন্য কাউকে অংশী করাকে বড় শির্ক বলে।
৫১. প্রশ্নঃ বড় শির্কের উদাহরণ কি❓
উত্তরঃ এর অনেক উদাহরণ রয়েছেঃ যেমনঃ আল্লাহ ছাড়া কাউকে সিজদা করা, আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ডাকা, সাহায্য প্রার্থনা, সন-ান কামনা করা, বিপদাপদে উদ্ধার কামনা করা, গাইরুল্লাহর উদ্দশ্যে কুরবানী করা, কবর-মাজারে নযর-মান্নত করা ইত্যাদি।
৫২. প্রশ্নঃ বড় শির্কের পরিণাম কি❓
উত্তরঃ ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে এবং তওবা না করে মৃত্যু বরণ করলে, চিরকাল জাহান্নামের অধিবাসী হবে। (সূরা মায়েদাঃ ৭২)
৫৩. প্রশ্নঃ কোন্‌ পাপ নিয়ে তওবা ছাড়া মৃত্যু বরণ করলে চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে?
উত্তরঃ শির্ক।
৫৪. প্রশ্নঃ নবী-ওলীকে উসীলা করে দু’আ করার বিধান কি❓
উত্তরঃ নবী, ওলী, ফেরেশতা বা যে কোন মানুষকে উসীলা করে দু’আ করা বড় শির্ক।
৫৫. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণ কি মোটেও আল্লাহকে বিশ্বাস করত না❓
উত্তরঃ তারা তাওহীদে রুবুবিয়্যার প্রতি বিশ্বাস রাখত।
৫৬. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণ তাওহীদে রুবুবিয়্যার প্রতি বিশ্বাস রাখত, একথার প্রমাণ কি❓
উত্তরঃ আল্লাহ্‌ বলেন, “তাদের যদি জিজ্ঞেস কর যে, কে আসমান যমীন সৃষ্টি করেছে, তবে তারা জবাবে অবশ্যই বলবে, আল্লাহ্‌।” (সূরা লোকমান- ৩১)
৫৭. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণ কি কোনই ইবাদত করত না❓
উত্তরঃ তারা বিভিন্নভাবে আল্লাহর ইবাদত করত। যেমন, তারা কা’বা ঘরের তওয়াফ করত। হজ্জ পালন করত ইত্যাদি।
৫৮. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণকে মুশরিক বলার কারণ কি❓
উত্তরঃ কেননা তারা মুর্তি পুজা করত।
৫৯. প্রশ্নঃ তাদের মুর্তি পুজার ধরণ কিরূপ ছিল❓
উত্তরঃ তারা মুর্তিগুলোকে আল্লাহর কাছে পৌঁছার মাধ্যম বা উসীলা মনে করত।
৬০. প্রশ্নঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে কাফেরদের অবস্থা কেমন হত❓
উত্তরঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে তারা শির্ক করত না। তখন তারা একনিষ্টভাবে আল্লাহকে ডাকত।
৬১. প্রশ্নঃ বর্তমান যুগে অনেক লোক বিপদ-মুসীবতে পড়লে কী করে থাকে❓
উত্তরঃ এ অবস্থায় অনেক মানুষ শির্কে লিপ্ত হয়। মাজারে দরবারে ধর্ণা দেয়। পীরের দরগায় নযর-মান্নত করে থাকে। তাবীজ-কবচ ব্যবহার কও ইেত্যাদি।
৬২. প্রশ্নঃ নবী-রাসূলগণের দা’ওয়াতের মূল বক্তব্য কী ছিল❓
উত্তরঃ “হে আমার সমপ্রদায়ের লোকেরা, তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের সত্য কোন মা’বূদ নেই।” (সূরা আ’রাফঃ ৫৯)
৬৩. প্রশ্নঃ ছোট শির্ক কাকে বলে❓
উত্তরঃ যে সমস্ত কাজকে শরীয়তে শির্ক নামে আখ্যা দেয়া হয়েছে, কিন্তু উহা বড় শির্কের পর্যায়ভুক্ত নয়।
৬৪. প্রশ্নঃ ছোট শির্কের উদাহরণ কি❓
উত্তরঃ মানুষকে দেখানো কিংবা প্রশংসা কুড়ানো কিংবা দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে ইবাদত করা, তাবিজ-কবচ ব্যবহার করা, আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে শপথ করা, গণক-জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া ইত্যাদি।
৬৫. প্রশ্নঃ তাবিজ-কবচ ব্যবহার সম্পর্কে ইসলামের হুকুম কি❓
উত্তরঃ এ কাজ ছোট শির্কের অন-র্ভূক্ত। তবে এটাকেই ত্রাণকর্তা ও আরোগ্য দাতা বিশ্বাস করলে বড় শির্ক।
৬৬. প্রশ্নঃ ছোট শির্কে লিপ্ত হলে তার পরিণতি কি❓
উত্তরঃ সে ইসলাম থেকে বের হবে না। তবে তার এই কাজ কাবীরা গুনাহের চাইতে বড় গুনাহ।
৬৭. প্রশ্নঃ পিতা-মাতা, সন্তান, মসজিদ, কা’বা প্রভৃতির নামে শপথ করার হুকুম কি❓
উত্তরঃ এরূপ শপথ বা কসম করা ছোট শির্কের অন-র্ভূক্ত।
৬৮. প্রশ্নঃ আব্দুর রাসূল (রাসূলের বান্দা), আবদুন্‌ নবী, গোলাম মোস্তফা, আব্দুল মুত্তালেব (মুত্তালেবের বান্দা) প্রভৃতি নাম রাখা কি❓
উত্তরঃ এরূপ নাম রাখা ছোট শির্কের অন-র্ভূক্ত।
৬৯. প্রশ্নঃ ইবাদতে ‘রিয়া’ বলতে কী বুঝায়❓
উত্তরঃ মানুষকে দেখানো বা তাদের প্রশংসা ও ভালবাসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন ইবাদত সম্পাদন করা।
৭০. প্রশ্নঃ গণক বা জ্যোতীষীদের কাছে যাওয়ার ক্ষতি কি❓
উত্তরঃ তাদের কাছে গিয়ে কোন কিছু জিজ্ঞেস করলে ৪০দিনের নামায কবূল হবে না। (মুসলিম)
৭১. প্রশ্নঃ গণক বা জ্যোতীষীদের কথা বিশ্বাস করার পরিণাম কি❓
উত্তরঃ তাদের কথা বিশ্বাস করলে নবী (সাঃ)এর নিকট প্রেরীত কুরআনের সাথে কুফরী করা হবে। (মুসলিম)
৭২. প্রশ্নঃ কোন মানুষ ভুলবশতঃ কুফরী কাজ করে ফেললে বা কথা বলে ফেললে তার কি হবে❓
উত্তরঃ তার কোন গুনাহ হবে না। তবে তার ভুল শুধরে দিতে হবে।
৭৩. প্রশ্নঃ অসুখ-বিসুখ হলে ঝাড়-ফুঁক করার হুকুম কি❓
উত্তরঃ কুরআনের আয়াত ও হাদীছের দু’আ পড়ে ঝাড়-ফুঁক করা জায়েয।
৭৪. প্রশ্নঃ কুরআনের আয়াত লিখে তাবিজ ব্যবহারের হুকুম কি❓
উত্তরঃ নাজায়েয। কেননা এটা জায়েয হওয়ার পক্ষে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) বা সাহাবা-তাবেঈনের কারো থেকে কোন দলীল নেই। তাছাড়া কুরআনকে এভাবে ব্যবহার করলে, কুরআনের অবমাননা হয়।
৭৫. প্রশ্নঃ বিদআত কাকে বলে❓
উত্তরঃ ছোয়াবের নিয়ত করে যে ইবাদত করা হয়; অথচ তার পক্ষে শরীয়তে দলীল পাওয়া যায় না, তাকেই বিদআত বলে।
৭৬. প্রশ্নঃ বর্তমানে প্রচলিত কিছু বিদআতের উদাহরণ কি❓
উত্তরঃ নামাযে মুখে নিয়ত পাঠ, মীলাদুন্নবী উদযাপন, দলবদ্ধভাবে যিকির, কুলখানি, চল্লিশা, খতমে জালালী, খতমে ইউনুস, ফাতেহাখানি, জন্মবার্ষীকি, মৃত্যুবার্ষীকি ইত্যাদি।
৭৭. প্রশ্নঃ বিদআত দু’প্রকারঃ ভাল বিদআত ও মন্দ বিদআত। এ সম্পর্কে আপনার মত কি❓
উত্তরঃ এরূপ ভাগ করার কোন দলীল নেই। কেননা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।” (মুসলিম)
৭৮. প্রশ্নঃ সাইকেল, বাস, ট্রেন, প্লেনে চড়া, বিদ্যুৎ, মাইক ব্যবহার ইত্যাদি কি বিদআত নয়?্❓
উত্তরঃ না, কেননা একাজগুলো ইবাদত মনে করে ছোয়াবের উদ্দেশ্যে করা হয় না। এগুলো দুনিয়াবী কাজ।
৭৯. প্রশ্নঃ জিন জাতি কিসের তৈরী ❓
উত্তরঃ আগুনের তৈরী।
৮০. প্রশ্নঃ জিনদেরকে আল্লাহ্‌ কেন তৈরী করেছেন❓
উত্তরঃ তাঁর ইবাদত করার জন্য। (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬)
৮১. প্রশ্নঃ জ্বীনেরা কি মানুষের ভাল-মন্দ করতে পারে❓
উত্তরঃ না, আল্লাহ্‌ ছাড়া কেউ কারো ভাল-মন্দ করতে পারে না।
৮২. প্রশ্নঃ জ্বীনদের নিকট থেকে সাহায্য নেয়া জায়েয আছে কি❓
উত্তরঃ না, তাদের থেকে কোন সাহায্য নেয়া জায়েয নেই।
৮৩. প্রশ্নঃ জ্বীন তাবে করার হুকুম কি❓
উত্তরঃ জিন তাবে করা জায়েয নেই।
৮৪. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম আল্লাহ্‌ তা’আলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) এর নূর সৃষ্টি করেন, একথাটি কি ঠিক❓
উত্তরঃ না, কেননা এ সম্পর্কে সহীহ্‌ কোন হাদীছ নেই। জাল (বানোয়াট) হাদীছের ভিত্তিতে অনেকে একথাটি বলে থাকে।
৮৫. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি নূর থেকে সৃষ্টি❓
উত্তরঃ না, আদম সন্তান যে উপাদানে সৃষ্টি, তিনিও সেই উপাদানে সৃষ্টি। (সূরা কাহাফঃ ১১০)
৮৬. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি গায়েব জানতেন?
উত্তরঃ না, তিনি কোন গায়েব জানতেন না। (সূরা আনআমঃ ৫০)
৮৭. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি জীবিত?
উত্তরঃ না, তিনি মৃত্যু বরণ করেছেন। (সূরা যুমারঃ৩০)
৮৮ প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি হাযের-নাযের (অর্থাৎ সবখানে তিনি উপসি’ত হতে পারেন, এরূপ বিশ্বাস করা কি)❓
উত্তরঃ না, তিনি হাযের-নাযের নন। এরূপ বিশ্বাস করা কুফরী।
৮৯. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি কারো উপকার-অপকারের ক্ষমতা রাখেন?
উত্তরঃ না। (সূরা জিনঃ ২১)
৯০. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্ম দিবস উপলক্ষে ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন করার হুকুম কি❓
উত্তরঃ নাজায়েয, বিদআত।
৯১. প্রশ্নঃ কোন মুসলমানকে কাফের বলার পরিণতি কি❓
উত্তরঃ ঐ ব্যক্তি কাফের না হলে, কথাটি যে বলেছে তার উপর পতিত হবে।
৯২. প্রশ্নঃ ফাসেক ব্যক্তির ইমামতিতে নামায পড়া জায়েয কি❓
উত্তরঃ ফাসেককে ইমাম নিযুক্ত করা জায়েয নয়; তবে সে ইমাম হয়ে গেলে তার পিছনে নামায পড়া জায়েয।
৯৩. প্রশ্নঃ মুসলামনদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন কাফেরকে হত্যা করার হুকুম কি❓
উত্তরঃ হারাম। এরকম কাফেরকে যে ব্যক্তি হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুঘ্রাণ পাবে না।
৯৪. প্রশ্নঃ কাফেরকে কেউ যদি কাফের না বলে, তাতে কোন ক্ষতি আছে কি❓
উত্তরঃ তাদেরকে যে ব্যক্তি কাফের বিশ্বাস করবে না বা তাদেরকে কাফের বলতে দ্বিধা করবে, সে কাফের হয়ে যাবে।
৯৫. প্রশ্নঃ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কারা?
উত্তরঃ যারা আকীদা ও আমলের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরে থাকে এবং তার উপর ঐক্যবদ্ধ থাকে। আর সাহাবায়ে কেরাম তথা সালাফে সালেহীনের রীতি-নীতিকে অনুসরণ করে।
৯৬. প্রশ্নঃ ইসলাম বা তার কোন বিষয় নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করলে, পরিণতি কি❓
উত্তরঃ যে এরূপ করবে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
৯৭. প্রশ্নঃ বৈধ অসীলা কত প্রকার ও কি কি❓
উত্তরঃ তিন প্রকারঃ (১) আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর অসীলা (২) নেক আমলের অসীলা (৩) সৎ ব্যক্তির দু’আর অসীলা।
৯৮. প্রশ্নঃ অবৈধ অসীলার উদাহরণ কি❓
উত্তরঃ যেমনঃ নবী-রাসূল, ফেরেশতা, ওলী-আউলিয়া ইত্যাদির অসীলা করা। মৃত ব্যক্তির কাছে দু’আ চাওয়াও নিষিদ্ধ অসীলার অন-র্ভূক্ত।
৯৯. প্রশ্নঃ কবরে বা মাজারে বা কোন পীরের উদ্দেশ্যে মানত করার হুকুম কি❓
উত্তরঃ শির্ক।‼️

28/03/2022

ঘরের বউদের ঠিক রাখতে হলে যা করা উচিত আমার মতেঃ-
১. বউকে স্মার্ট মোবাইল দেয়া যাবে না।
২. বউকে বাজারে পাঠানো যাবে না।
৩. বউর বাপের বাড়ি একা পাঠানো যাবে না।
৪. বাসায় কোনো পরপুরুষকে আসতে দেয়া যাবে না। সেই যেইহোক যেমন খালাতো মামাতো ফুফাতো চাচাতো পাড়াতো মোট কথা কোনো ভাই না।
৫. বিয়ের পর পড়ালেখা বন্ধ
৬. বিয়ের অনুষ্ঠানে বা গায়ে হলুদে পাঠানো যাবে না।
৭. নিজের ঘরের বাহিরে কারো ঘরে পাঠানো যাবে না।
৮. বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে আনা নেয়ার জন্য যতটুকু সম্ভব বউকে না পাঠানো। নিজে না পারলে বাবা অথবা ভাইকে দিয়ে পাঠানো
৯. ঘরে টিভি রাখা যাবে না।
১০. বউকে সময় দিবেন আর ভালবাসবেন।।।।।
বউকে বেশি টাকা দেখাবেন না। আর সব সময় ভালবাসা দিবেন
১১. বউকে সবসময় পর্দার ভেতরে রাখবেন এবং বউয়ের সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।
১২. বউয়ের শরীয়ত সম্মত সকল হক যথাযথভাবে আদায় করবেন।
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌻🌻🌻🌻🌻 হয়তো আমরা পারিনি , পারবো সামনে আর এটাই উত্তম পন্থা,,,, আমি ঠিকতো সে ঠিক - সে ঠিকতো আমি ঠিক,,,

22/03/2022

যেটা উত্তম কাজ সেটা তাড়া তাড়ি করাই ভালো!!♦হঠাৎ তাকে ছেড়ে দিলে কেন?
আল্লাহর ভয়ে।কারণ,বিয়ের আগে কোনো পুরুষ এবং নারীর মাঝে সম্পর্ক রাখা বা অবৈধ প্রেম থাকা হারাম।
আরে সম্পর্ক হবে কেন? তোমরা তো জাস্ট কথায় বলতে।জাস্ট শুধু চ্যাট করতে।কোথাও তো একসাথে ঘুরতে যেতে না।
হুম।কিন্তু হাদিসে এসেছে -কোনো পরপুরুষ আর পরনারী একান্তে মিলিত হয় তখন সেখানে তৃতীয় জন হিসেবে শয়তান থাকে।আর তাছাড়া কুরআনে সূরা বনি ইসরাইলের ৩২ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেন-
যিনার কাছেও যেও না, ওটা অত্যন্ত খারাপ কাজ এবং খুবই জঘন্য পথ।
যতদূর জানি সে তো দ্বীনদার আর তুমিও।জানামতে সে কখনো তোমাকে খারাপ কাজে উৎসাহ দিত না।
বরং তোমাকে আরো খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকতে বলতো।
হুম....! কিন্তু হারামে জড়িয়ে থাকলে কেউ দ্বীনদার থাকে না।এটা ঠিক যে, সে কখনোই আমাকে খারাপ পরামর্শ দেয় নি।সবসময় ভালো উপদেশই দিয়েছে।
আচ্ছা তোমার কষ্ট হয় না? এইভাবে তাকে ছেড়ে দিলে?
হুম...! কিন্তু কষ্ট হয় এইজন্য যে,কেন আমি হারাম সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম।আল্লাহর কাছে তওবা করেছি।এখনো করছি।
কিন্তু কাউকে কাঁদিয়ে কেউ ভালো থাকে না। তার চোখের পানি যদি তোমার জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় তখন?তাকে এইভাবে কষ্ট দেওয়া কী ঠিক হলো?
আল্লাহর অবাধ্য হয়ে মানুষকে খুশি রাখার মধ্যে কখনো কল্যাণ থাকতে পারে না।আর যতটুকু জানি সে কখনোই এরকমটা করবে না।আমাকে ভুল বুঝবে না।
কিন্তু মাঝেমাঝে তো একটু খোঁজ নিতে পারো কেমন আছে, কী খবর।
খোঁজ নেওয়াটাও শয়তানের এক ধরনের ওয়াসওয়াসা।আর মাঝেমাঝে খোঁজ নেওয়া মানে নিজেকে দুর্বল করে ফেলা, হারামে আবার জড়িয়ে ফেলা।
আচ্ছা এইভাবে আর কতদিন চলবে?
যতক্ষণ না আল্লাহ কিছু ফায়সালা করেন।
সূরা ইউনুসের ১০৯ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেন,

হে নবী! তোমার কাছে অহীর মাধ্যমে যে হেদায়াত পাঠানো হচ্ছে তুমি তার অনুসরণ করো। আর আল্লাহ‌ ফায়সালা দান করা পর্যন্ত সবর করো এবং তিনিই সবচেয়ে ভালো ফায়সালাকারী।
অর্থাৎ আমি সবর করবো যতক্ষণ না আল্লাহ কিছু ফায়সালা করছেন।
কিন্তু এইভাবে কোনোরকম যোগাযোগ না রেখে যদি সে তোমাকে ভুলে যায়?
যদি ভুলে যায় যাক। কারণ,এখানে তার থেকে আল্লাহর ভালোবাসা আমার কাছে অধিক প্রিয়।
কোনোরকম যোগাযোগ নেই।এইভাবে চলতে থাকলে যদি তাকে চিরদিনের জন্য হারিয়ে ফেল?
আল্লাহ ভাগ্যে রাখলে বিয়ে হবে।আর যোগাযোগ রাখলেই যে বিয়ে হবে তার কী নিশ্চয়তা আছে?
আস্তাগফিরুল্লাহ.....হারাম সম্পর্ক গুলো এভাবেই...শেষ হয়ে যাবে....আহহ আফসোস... যারা এখনো এই সম্পর্কে জড়িয়ে আছে.....!
কি হবে..সেদিন এই প্রিয়জন টা কি থাকবে পাশে আল্লাহর সামনে.?
না অসম্ভব হারাম কখনোই জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে পারবে না...যতক্ষণ না সে তওবা করে ফিরে আসে..!
ফিরে এসো
আপন রবের কাছে।
প্রেম নয়, বিয়ে করুন...!
আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করুন 🌼🥀

১.ভাবী! আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয় মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!২. ম্য...
21/03/2022

১.ভাবী! আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয় মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!
২. ম্যাডাম, একটা কথা বলবো? অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে!
৩. মন খারাপ কেন ভাবী? ঝগড়া টগড়া করলো নাকি? আপনার মতো এ রকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না!
৪. একটা কথা বলি আপু! কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তার স্টাইলও এরকম। টানা ২৪ ঘন্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না!
৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেওয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? না, আর না!
৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়ীতে আপনাকে দারুণ মানিয়েছে! না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে!
৭. জন্মদিনে এবার কি কি করলেন আপনারা?
আপনার ভাই অফিসের কাজে ব্যস্ত!!!!
কি যে বলেন! আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম! হাসবেন না, সিরিয়াসলি!

-----------------------------------------------

বিঃ দ্রঃ - অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, কিছু কিছু মানুষ আছে, নিজের অফিসের কলিগ,পাশের বাসার ভাবী, কিংবা বন্ধুর বউ,পরিচিত আপু ম্যাডামদের সাথে এভাবেই কথা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো "জাস্ট প্রশংসাবাক্য"। এর গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য, আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে, খেয়াল না করলে বুঝার উপায় নেই। যারা এগুলো করে, এরা কিন্তু ফাঁদে ফেলবার জন্যেই করে! এদের স্বভাবই হলো ফ্লার্ট করে নিজের বশে আনা!
খুব স্মার্ট সুদর্শন পুরুষ দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলারাও এরকম ফ্লার্ট করে। সে সংখ্যাটাও কম না!! যে মহিলা জীবনে কোনোদিন স্বামীর বিকল্প স্বপ্নেও কল্পনাও করেন নি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়, কিন্তুু স্বামীকে অনেক ভালোবাসেন। পর পুরুষের মুখে নিজের এত্ত সুন্দর প্রশংসা শুনে, "আমি হলে পায়ের কাছে পড়ে থাকতাম" কথাটা শুনে সেই মহিলাও ভাবেন, এই স্বামী আমাকে বঞ্চিত করছে, নিশ্চয়ই আমি আরও ভালো কিছু আশা করি!
যে মহিলা একটা সুখের সংসারে আছেন, বাচ্চা নিয়ে স্বামী স্ত্রী ব্যাস্ততার মাঝে কোনো কিছুর অভাবই বোধ করেন না, সে মহিলাও যখন বাইরের কারো কাছে নিজের কপালের তিলের এত্ত প্রশংসা শুনেন তখন তার মনে হতে পারে, "ওর সাথে এত্তদিন সংসার করলাম, ও তো একটা দিনের জন্যেও এভাবে আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করলো না!" নিজের বয়সের ব্যাপারে বাইরের পুরুষের প্রশংসা শুনে মহিলা, বারবার আয়নার সামনে নিজের চেহারা দেখেন। ভাবতে থাকেন, হ্যাঁ, আমি তো সুন্দরই। আর ওই পুরুষটাই আমার এ সৌন্দর্যের মূল্যায়ন করলো!
হ্যা, এভাবেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ যা পৃথিবীর নিকৃষ্টতম সম্পর্ক বা পরকীয়া বা ঘর ভাংগার মত ক্ষতির কাজ। তথা কথিত একটা "ইনোসেন্ট প্রশংসা"ই ধ্বংস করে দিতে পারে একটা মানুষকে, একটা পরিবারকে! এটা ভাবার কোনো কারণ নাই যে, যারা "ভাবী" টার প্রশংসা করছে, এরা "ফ্রি মাইন্ড" এ ইনোসেন্ট মন নিয়ে করছে! নাহ, এরা অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কুমতলব নিয়েই প্রশংসা করে!! যদি জীবনে সুখী হতে চান, কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না। বরং এদের এড়িয়ে চলুন। প্রশংসা শুনতে সবারই ভাল লাগে। এভোয়েড না করলে, ধীরে ধীরে এদের ফাঁদে একদিন পড়বেনই। তাই কুকুর হইতে সাবধান

20/03/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু🌿
আমাদের বর্তমান যমানার অধিকাংশ মানুষ শুধু যানে গীবত একটি ভয়ানক ও কঠোর গুনাহ কিন্তু এর প্রকারভেদ গুলো  অনেকেই পরিপূর্ণ ভাবে যানে না
এর কারণে অনেক সময় মানুষ একসাথে দুইটি জিনিস এর গীবত করে ফেলে নিজের অজান্তেই
তাই আজ গীবত এর বিশেষ কয়েকটি প্রকারভেদ  নিয়ে আলোচনা শুরু করবো  আপনাদের নিকট আমার একান্ত অনুরোধ রইলো অবশ্যই আপনারা কিছু সময় ব্যয় করে শেষ  পযর্ন্ত মন  দিয়ে পড়ুন  অনেক বেশি ফায়দা হাসিল হবে (ইনশাআল্লাহ)
💮ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ💮

🍂খাবারের গীবত :
নিকৃষ্টতম গীবত হল খাবারের গীবত করা
একজন মানুষ কষ্ট করে রান্না করে,
আর সবাই মিলে রান্নার বদনাম করতে থাকে খাবারের গীবত বেশি হয় বিয়ে বাড়িতে
যেমন বলা
🍁 খাবারটা মজা হয় নাই
লবণ কম হইছে,
🍁এত লবণ দিয়েছে যে তিতা লাগছে ইত্যাদি

অথচ নবী(স:) কখনই খাবারের দোষ ধরতেন না,
 ভালো না লাগলে এক পাশে সরিয়ে রাখতেন,
 কখনই বলতেন না,
 কী খাবার রান্না করেছে মুখেই দেয়া যাচ্ছে না

🍂 দৈহিক কাঠামোর গীবত :
কারো কাছে কোন ব্যক্তির দৈহিক ত্রুটি উল্লেখ করাও গীবত যেমন বলা
অমুক ব্যক্তি খুব মোটা
🍁তার নাক বোঁচা
🍁চোখ খুবি ছোট
🍁চোখে দেখে না
🍁 মাথায় তো চুল নাই
 🍁পেটে ভূড়ি আছে
🍁সে তো খুবি খাট ইত্যাদি
তো কোন ব্যক্তির আড়ালে অন্য কারো সাথে যদি আপনি ঐ ব্যক্তির দৈহিক কাঠামো নিয়ে এরকম আলোচনা করেন তাহলে তা গীবত হয়ে যাবে

একবার আয়েশা(রা:) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আপনি কী সাফিয়ার বেঁটে হওয়াটা অপছন্দ করেন না ?
রাসূল(স:) বললেন, হে আয়েশা ! তুমি এমন একটি কথা বললে যা নদীর পানির সাথে মিশিয়ে দিলে তার উপর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে  (আবু দাউদ )

🍂 পোশাকের গীবত :
এভাবে বলা
 🍁অমুকের পোশাক খাটো
🍁কেমন কালারের জামা
🍁কাপড় পরে দেখতে বিশ্রি লাগে
🍁ঐ মেয়ে এত ফিটিং ওয়ালা পোশাক পরে
🍁অমুক তো পাতলা ড্রেস পরে ইত্যাদি

একবার আয়েশা(রা:) বলেন, অমুক স্ত্রীলোকের আচল খুব লম্বা  রাসূল(স:) একথা শুনে বললেন হে আয়েশা ! তোমার থুথু ফেলা কর্তব্য আয়েশা(রা:) বলেন আমি থুথু ফেললে মুখ থেকে গোশতের একটি টুকরা বের হয়ে আসে  (আত তারগীব ওয়াত তারহীব)

🍂বংশের গীবত :
তুচ্ছ করার জন্য কাউকে বলা
 🍁অমুকের বংশ নিচু
🍁অমুকের পূর্ব পুরুষেরা ছিল কূলি মজুর বা চোর ডাকাত ইত্যাদি
 🍁অমুকের তো কোন বংশই নেই ইত্যাদি বলা ।

নবী(স:) বলেন, দীনদ্বার ও সৎকর্ম ব্যতীত কোন ব্যক্তির অপর কোন ব্যক্তির উপর শ্রেষ্ঠত্ব্য নেই
(আব্দুর রহমান আশ-শারানী)

🍂অভ্যাস বা আচার-আচারণের গীবত :
কোন ব্যক্তির আচার ব্যবহার নিয়ে সমালোচনা করা  যেমন 🍁সে মানুষকে কষ্ট দিয়ে কথা বলে
ব্যবহার খারাপ
🍁অভদ্র
🍁পেটুক
অলস
🍁সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘুমায় ইত্যাদি

একবার সালমান ফারসী(রা:) আহার করে শুয়ে পড়লেন  দুই ব্যক্তি তার খাওয়া ও শোয়ার ধরণ নিয়ে সমালোচনা করলে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয়
তোমরা পরস্পরের গীবত কর না (সুরা হুজরাত : ১১)
(ইবনে জুরাইহ এর সূত্রে দুররুল মানছুরে)

🍂ইবাদতের গীবত :
ইবাদতের ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা করা  যেমন 🍁কাউকে গিয়ে বলা অমুকতো ঠিকমত নামায পরতে পারে না
🍁মাকরুহ ওয়াক্তে নামায পরে
🍁রমযানের রোজা রাখে না
🍁এত বড় হইছে কিন্তু এখনো নামায পড়ে না
🍁এত বড় মেয়ে কুরআন পড়তে জানে না ইত্যাদি
তাহাজ্জুদের ওয়াক্তে যখন অধিকাংশ লোকেই  ঘুমিয়ে থাকতো শেখ সাদী(রহ:) তাদের সমালোচনা করেন এবং বলেন এই লোকগুলো যদি তাহাজ্জুদ পড়তো তবে কতই না ভালো হতো
 সাদীর পিতা একথা শুনে বলেন, কতই না ভালো হতো যদি তুমি তাহাজ্জুদ না পড়ে এদের মত ঘুমিয়ে থাকতে  তাহলে এদের গীবত করার পাপ তোমার ঘাড়ে চাপত না
(ইহয়া উলূমিদ-দীন)

🍂গুনাহের গীবত :
যেমন বলা অমুক যেনা করেছে
🍁অমুক মানুষের নামে বদনাম করে
🍁বাবা-মা কে কষ্ট দেয়
🍁মিথ্যা কথা বলে
🍁হিংসুক
🍁অমুকের মেয়ে প্রেম করে ছেলে নিয়ে রাস্তা দিয়ে ঘুড়ে বেড়ায় ইত্যাদি

🍂অভিনয়/ইশারা-ইংগিতের মাধ্যমে গীবত :
কোন ব্যক্তির অসহায় অবস্থা অভিনয়ের বা ইশারা-ইংগিতের মাধ্যমে দেখানো যেমন
 🍁অন্ধ
🍁বোবা
🍁খুরা
🍁ইত্যাদি সেজে দেখানো
🍁এমনকি সমালোচনার জন্য কারো চালচলন
 নিয়ে কথা
🍁পোশাক ইত্যাদি নকল করে অভিনয় করাটাও গীবত সরাসরি নাম উল্লেখ না করে এমন কিছু ইংগিতবহ উপমা ব্যবহার করে দোষ বর্ণনা করা যে লোকেরা উপমা শুনেই বুঝে ফেলে কার কথা বলা হচ্ছে
 অর্থাৎ গীবত করার সময় নাম না নিলেও এমন ভাবে কোন ব্যাক্তির দোষ-ত্রুটি বলা যে মানুষের আর বুঝতে বাকি থাকে না কার কথা বলা হচ্ছে,
এটাও গীবত পর্যায়ে পড়বে

রাসূল(স:) বলেন, আমি পরানুকরণ পছন্দ করি না, এত এত সম্পদের বিনিময়েও না  (তিরমিযি)

🍂 কানের গীবত :
নিজে না বললেও কারো গীবত শোনা এবং শোনার সময় কোনরুপ বাধা না দেয়া কানের গীবত । গীবত দুই ভাবে হয় -
🍁মুখে বলে
🍁কানে শোনে
গীবত বলা ও শোনা সমান পাপ
"রাসূল(স:) বলেছেন গীবত শ্রবণকারীও গীবতকারীদের একজন  (তাবরানী)

🍂অঙ্গ-প্রত্

গোনাহ_থেকে_বাঁচুন, এক বার হলেও পড়ুন 🙏🙏👉👉লজ্জা নয়❌❌ জানতে হবে✅✅ বিয়ের আগে না জানার কারণে, ছেলে ও মেয়ে এক বদ অভ্যাসে জড়িয়ে...
15/12/2021

গোনাহ_থেকে_বাঁচুন, এক বার হলেও পড়ুন 🙏🙏

👉👉লজ্জা নয়❌❌ জানতে হবে✅✅

বিয়ের আগে না জানার কারণে, ছেলে ও মেয়ে এক বদ অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে। আমাদের স্কুল/ কলেজগুলোতে
সব বিষয়ে বলা হলেও এই বিষয়ে বলা হয় না বললেই চলে😢
তাই এই বিষয়ে না জানার কারণে অধিকাংশ ছেলে ও মেয়ে নিজের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে 😭
জরীপ করে দেখা গেছে বর্তমানে অবিবাহিত ছেলেদের মধ্য হতে ৮৫% আর মেয়েদের মধ্য হতে ৬৫%
এই বদ অভ্যাসে জড়িত😥😥

যেটাকে আরবীতে বলা হয় 👉আননিকাহু বিল ইয়াদী
অর্থাৎ (হাতের সাথে বিবাহ করা) ইংরেজীতে বলা হয় Ma********on আর শুদ্ধ বাংলায় বলা হয় হস্তমৈথুন।

যেটাকে নবীজি (সাঃ) হারাম বলেছেন। আর এই কাজের শাস্তি অত্যন্ত ভয়ানক এটা করার কারণে, কিয়ামতের দিন আঙ্গুলের পেটগুলো থেকে বাচ্চা অর্ধেক বের হয়ে থাকবে। বাকিটা ফেরেশতারা টেনে বের করবেন😭😭

অন্য আরেক জাগায় বলা হয়, এটা করার কারণে যে
semen বাহির হয়, কোন কোন ডাক্তার বলে থাকেন, একবারের semen এ ২০ লক্ষ শুক্রাণু থাকে। সেই শুক্রাণুগুলো থেকে একটি ডিম্বাশয়ে গিয়ে বাচ্চার জন্ম হয়। তো এই অপচয়ের কারণে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন বলবেন, এই শুক্রাণুগুলোর জীবন দাও!
যখন দিতে পারবে না। তখন তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে😥😥😥

এটা তো গেল মৃত্যুর পরের কথা। কিন্তু যদি কেউ এটা ছাড়তে না পারে, তবে তাকে দুনিয়াতে অনেক পস্তাতে হবে😢😢

🎆এটা করার কারণে ছেলেরা যেই সমস্যার সম্মুখীন হবে 🎇

👉বিয়ে করতে পারবে না।
👉বিয়ে করলেও স্ত্রীর হক আদায় করতে পারবে না।
👉 semen এ যে শুক্রাণু রয়েছে তা শেষ হয়ে যাবে। যার ফলে সন্তানের বাবা হতে পারবে না।
👉p***s অস্বাভাবিক মোটা/চিকন হয়ে যাবে।
👉semen একেবারে পাতলা হয়ে যাবে। যার ফলে প্রস্রাব করতে গেলে আগে/পরে semen বেরিয়ে আসবে।
👉 p***s লুজ হয়ে যাবে, যার ফলে দৌড় দিলেও প্রস্রাব বেরিয়ে আসবে।

🎆মেয়েরা যেই সমস্যার সম্মুখীন হবে🎆

👉বিয়ের পর স্বামী সন্দেহ করবে যে, বিয়ের আগে কোন পুরুষের সাথে রাত কাটিয়েছে। কেননা এর দ্বারা সতীচ্ছদ নষ্ট হয়ে যায়।
👉period অস্বাভাবিক হয়ে যাবে।
👉বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
👉vagina পথ লুজ হয়ে যাবে। যা স্বামীর অসন্তুষ্টের কারণ হবে।

🎇আর ছেলে ও মেয়ে উভয়ের যেই সমস্যাগুলা হবে

👉হাঁটু, হাত, পায়ের গিড়ায় গিড়ায় ব্যথা করবে।
👉মাথা, কমড়ে ব্যথা করবে।
👉অল্প বয়সে যৌবন শেষ হয়ে যাবে।
👉হাঁটুতে ভর করে দাঁড়াতে কষ্ট হবে।
👉চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে।
👉রক্ত উৎপাদনের যেই মেশিন রয়েছে তা দূর্বল হয়ে যাবে। ফলে রক্ত উৎপাদন কমে যাবে।
👉কিডনি দূর্বল হয়ে যাবে, ফলে প্রস্রাবে সমস্যা হবে।
👉মোট কথা শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ দূর্বল হয়ে যাবে।
👉Absence of s*x power (যৌন দূর্বলতা) এই রোগে ভুগতে হবে।

🎇এই গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়🎇

👉কোন পর্ণগ্রাফি/ব্লুফিল্ম না দেখা।
👉সবসময় নিজেকে কোন কাজে ব্যস্ত রাখা।
👉একা এক রুমে না থাকা।
👉কোন খারাপ চিন্তা মনে আসতে না দেওয়া।
👉সবসময় অজু অবস্থায় থাকা।
👉খারাপ কোন চিন্তা আসলে সাথে সাথে ইস্তেগফার পড়া।
👉টয়লেটে বেশীক্ষণ না থাকা।
👉যখন বেশী উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, দু'রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করা।🤲
👉সর্বাপেক্ষা বড় সমাধান হলো বিয়ে করা।

সবার জন্য দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা যেন সবাইকে এই গুনাহ থেকে হেফাজত করেন।

🌺🌺---------আমিন-----🌼🌼

আল্লাহ পাক মেয়েদেরকে আদর ও স্নেহে থাকার জন্য দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। একটি মেয়ের লালনপালনের দায়িত্ব তার বাবা, ভাই, স্বামী বা ...
01/12/2021

আল্লাহ পাক মেয়েদেরকে আদর ও স্নেহে থাকার জন্য দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। একটি মেয়ের লালনপালনের দায়িত্ব তার বাবা, ভাই, স্বামী বা ছেলের উপর থাকে। দুনিয়া সকলের জন্য পরীক্ষাকেন্দ্র। বিয়ের আগের সময়টুকু মেয়েদের জন্য অনেক সহজ হলেও, বিয়ের পর থেকে তার জন্য প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয়। স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে মেয়েদের জীবন এক বড় পরীক্ষা। এখানে কয়েকটি হাদিস বর্ণনা করে মেয়েদের জন্য করণীয় বিষয়গুলো শেষে উল্লেখ করবো, ইনশাআল্লাহ।

একবার আলী রদিয়াল্লহু আনহু ও ফাতিমা রদিয়াল্লহু আনহা নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে দেখা করতে আসেন এবং এসে দেখেন যে নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাকী বসে কাঁদছেন। আলী রদিয়াল্লহু আনহু বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আপনি কাদছেন কেনো? নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন জানালেন যে, মিরাজের রাত্রিতে আমি আমার উম্মতের নারীদেরকে জাহান্নামের ভয়ানক আজাবে গ্রেফতার দেখতে পেয়েছি। তারপর নবীজী নারীদের শাস্তির বর্ণনা করলেন, লম্বা হাদিস। ফাতিমা রদিয়াল্লহু আনহা তাদের গোনাহ সম্পর্কে জানতে চাইলে নবীজী বলেন, তারা হলো ১) ঐ নারী যে মাথার চুল খুলে বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বের হয়, ২) ঐ নারী যে তার স্বামীকে কটুকথার মাধ্যমে কষ্ট দেয় এবং স্বামীকে সম্মান করেনা, ৩) ঐ নারী যে বিবাহিত হয়েও পর পুরুষের সাথে সম্পর্ক রাখে, ৪) ঐ নারী যে অপবিত্র হওয়ার পর পবিত্রতা অর্জনে অলসতা করে এবং নামাজ কাজা করে ফেলে (জাহান্নামে এদের চেহারা শুকরের মতো ও শরীর গাধার মতো হবে), ৫) ঐ নারী যে মিথ্যা কথা বলে এবং গীবত করে(জাহান্নামে এদের মুখ দিয়ে আগুন প্রবেশ করিয়ে পায়খানার রাস্তা দিয়ে বের করা হবে এবং একজন ফেরেশতা তাকে প্রহার করতে থাকবে) এবং ৬) ঐ নারী যে অন্যের সুখ দেখে হিংসা করে এবং উপকার করে খোঁটা দেয়। (এদের চেহারা কুকুরের মতো হবে)

অন্য এক হাদিসে নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমান, আমি জান্নাতের দিকে তাকালাম, সেখানে অধিকাংশ গরীব লোকদের দেখতে পেলাম। আমি জাহান্নামের দিকে তাকালাম, সেখানে অধিকাংশ মেয়েদের দেখতে পেলাম।

অন্য এক হাদিসে নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমান, আমাকে জাহান্নাম দেখানো হয়েছে, এর থেকে ভয়ানক কিছু আমি কখনো দেখিনি এবং সেখানে অধিকাংশ মানুষ মেয়েরা ছিলো। সাহাবীগণ এর কারণ জানতে চাইলে নবীজী এরশাদ ফরমান, কারণ তারা অকৃতজ্ঞ। সাহাবীদের মধ্য থেকে একজন জিজ্ঞাসা করলেন, তারা কি আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ? নবীজী এরশাদ ফরমান, তারা তাদের স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ। তুমি তার সাথে সারা জীবন ভালো ব্যবহার করে চলেছো, তারপর একদিন যদি তার মতের বিরুদ্ধে কিছু করো, তাহলে সে বলবে, আমি কোনোদিন তোমার কাছ থেকে ভালো কিছু পাইনি।

কেউ কেউ মনে করতে পারে অবিবাহিত মেয়েদের নিয়ে লিখতে গিয়ে বিবাহিত মেয়েদের নিয়ে লিখছি। আসলে যে কোনো ক্লাস তার পরবর্তী ক্লাসের জন্য তৈয়ারির সময়। অবিবাহিত মেয়েদের নিজেকে এমনভাবে তৈরি করা উচিত যেন সে তার বিবাহিত জীবনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে।

১) সর্বপ্রথম নিজেকে পর্দায় আবদ্ধ করতে হবে। নিজের সৌন্দর্যকে ঢেকে রাখতে হবে। পুরুষরা মেয়েদের কাঙ্গাল। একটি মেয়ে বেপর্দা হলে রাস্তার সকল পুরুষ তার দিকে তাকাবে এবং কেউ কেউ মেয়েটিকে নিয়ে খারাপ চিন্তাও করে বসবে। এতে এই পুরুষগুলো যেমন গোনাহগার হয়, মেয়েটিও গোনাহগার হয়। পর্দা মানে হলো তাকে সম্পূর্ণ কালো বোরকা, কোনোরূপ নক্সাবিহীন, চোখসহ সমস্ত মুখমণ্ডল ঢাকা, হাতমুজা ও পামুজা সহ এবং মেয়েরা অবশ্যই একাকী ঘর থেকে বের হবে না।
পর্দা কোন মেয়েকে বঞ্চিত করে রাখা নয়, মেয়েরা মূল্যবান বলেই পর্দা করতে হবে।

এই ব্যাপারে বিখ্যাত বক্সার মুহাম্মাদ আলী তার মেয়েকে কিছু কথা বলেছিল যা তার মেয়ে উল্লেখ করে এভাবেঃ
My father took a good look at us. Then he sat me down on his lap and said something that I will never forget. He looked me straight in the eyes and said, “Hana, everything that God made valuable in the world is covered and hard to get to. Where do you find diamonds? Deep down in the ground, covered and protected. Where do you find pearls? Deep down at the bottom of the ocean, covered up and protected in a beautiful shell. ”

He looked at me with serious eyes. “Your body is sacred. You’re far more precious than diamonds and pearls, and you should be covered too.”

অর্থঃ (উল্লেখ্য যে এই কথোপকথনের সময় মেয়ে তার বান্ধবীর সাথে পাশ্চাত্য পোশাক পরিহিত ছিল) আমার বাবা আমাদের দিকে খুব ভালোভাবে তাকালেন। তারপর আমাকে তার কোলে বসিয়ে এমন কিছু কথা বললেন যা আমি কখনো ভুলবো না। তিনি আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে বললেন, হেনা, আল্লাহ পাক যাকিছু দুনিয়াতে মূল্যবান বানিয়েছেন তা সবকিছুই ঢাকা থাকে এবং সহজে তা অর্জন করা সম্ভব নয়। বলতো হিরা কোথায় পাওয়া যায়? মাটির গভীরে, ঢাকা এবং সুরক্ষিত থাকে। বলতো মুক্তা কোথায় পাওয়া যায়? সাগরের গভীরে ঝিনুক অভ্যন্তরে ঢাকা ও সুরক্ষিত থাকে।
তারপর তিনি আমার দিকে খুব মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে বললেন, তোমার শরীরটা খুব পবিত্র, যা হিরা বা মুক্তা থেকেও অনেক বেশি মূল্যবান। তাই নিজেকে ঢেকে রাখো।

২) স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করে মেয়েরা দ্বীনহারা হয়ে বড় হয়। বেপর্দা হয়। নারী স্বাধীনতার নামে মেয়েদেরকে স্বামীদ্রোহী বানানো হয়। ঘরের পবিত্র জীবনের পরিবর্তে বাইরের পণ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এক স্বামীর আদরে থাকার পরিবর্তে বাইরে হাজার পুরুষের জন্য মজা দেয়ার বস্তুতে পরিণত হয়। কখনো বাসের কন্ডাক্টর হাত ধরে বাসে তুলে মজা পায়, বাসের ভিড়ে পুরুষ যাত্রীরা ইচ্ছা করে ধাক্কা দিয়ে মজা পায়, কিংবা বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রেম করার নামে পাশ্চাত্য সভ্যতা বা হিন্দি সিনেমার অনুকরণ করে জিনা করতে শুরু করেছে। আর এইসব প্রেম যেহেতু স্থায়ী সম্পর্ক নয়, তাই অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েরা নিজেদের স্বতিত্ব হারিয়ে বসে এবং পরবর্তীতে স্বামীকে ধোকা দেয়। আমার এক জুনিয়র ভাই সম্ভ্রান্ত ঘরের এক মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে তুলে নেয়। মাস খানেক না যেতেই অন্য এক ছেলের সাথে তার স্ত্রীর সহবাসের ভিডিও নাকি ইউটিউবে দেখতে পায় এবং সাথে সাথে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। এই ঘটনা নিশ্চয়ই বাংলাদেশে এই একটি নয়। স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটির পড়াশুনার নামে ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশা ছেলেমেয়েদের জীবনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই অন্তত ইউনিভার্সিটি লাইফ শুরু হওয়ার আগেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়া উচিৎ। এইসব ফালতু সার্টিফিকেট আখিরাতে কোনো কাজে আসবে না। দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্রীরা যদি কলেজ ইউনিভার্সিটির পড়াশুনা ত্যাগ করে ঘরে বসে যেতো এবং বিয়ে করে সংসার শুরু করে দিতো, তাহলে সমাজে জিনা, ব্যভিচার ও ধর্ষণের গোনাহ প্রায় বন্ধই হয়ে যেতো। আমি আমার বুয়েট ও বিদেশী সার্টিফিকেটের মোহ ত্যাগ করেও যথেষ্ট সম্মানের সহিত বেচে আছি, আলহামদুলিল্লাহ।

৩) গোনাহ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার খুব চেষ্টা করা চাই। কে আছে যে আজ এখন থেকে নিয়ত করবে যে, এই মূহুর্ত থেকে আমি আর কোনোদিন গান শুনবো না? আল্লাহ পাক জান্নাতে নিজের পর্দা সরিয়ে তাকে সূরা আর-রহমান তিলাওয়াত করে শুনাবেন। নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করে শুনাবেন। এর থেকে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে? আর গানের তাল বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি করে। তাই সকলে, বিশেষ করে আমার ছাত্রীরা নিয়ত করো, আজকের পর থেকে আর কোনোদিন গান শুনবে না।

৪) টিভি দেখা বন্ধ করো। আজকে থেকেই নাটক সিনেমা থেকে তাওবা করে ফেলো। অনেকে বলতে পারে, তাহলে সময় কাটাবো কি করে? আমি টিভি দেখি না, গান শুনি না, আড্ডা দেই না। কিন্তু এতো বেশি ব্যস্ত থাকি পড়াশুনা নিয়ে যে অনেকেই আমাকে ফেইসবুকে ম্যাসেজ পাঠিয়ে অভিযোগ করতে থাকে আমি কেনো রিপ্লাই দিচ্ছি না। তাই ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা শুরু করো, এতে সময় কেটে যাবে, এলেম হাসিল হবে এবং দ্বীন শিখা হবে। তবে কে কি পড়বে, তা অবশ্যই একজন উস্তাদের সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে।

৫) ফেইসবুক, হোয়াটস আপ, ইমো বা এধরণের সাইটগুলো পরিহার করা চাই। অনেক সময় বিদেশে থাকলে বা আত্মীয়স্বজনরা বিদেশে থাকলে নিতান্ত প্রয়োজনে এগুলো ব্যবহার করতে হলেও সেখানে নিজের কোনো ছবি রাখবে না। কোনো ছেলে বন্ধু রাখবে না বা ছেলেদের সাথে চ্যাট করবে না। ছেলেদের সাথে ভিডিও কল করবে না। সেলফি তুলবে না। বান্ধবীদের সাথেও ছবি তুলবে না। হতে পারে বান্ধবীরা ফেইসবুকে সেয়ার করে দিবে। ফেইসবুক একেবারে বর্জন করতে পারলে সবচেয়ে উত্তম। আমি নিজেও চাইছি ফেইসবুক ছেড়ে দিতে। ফেইসবুক থেকে ৫ জন আমার মাদ্রাসায় প্রতি মাসে কিছু হাদিয়া পাঠায়, আবার আমার বইগুলোর একটু প্রচার হচ্ছে। যাইহোক, মক্কা মদিনা থেকে ফিরে এসে ফেইসবুক থেকে আত্মগোপন করার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

৬) ছেলে বন্ধু এবং চাচাতো ফুফাতো মামাতো খালাতো সকল ভাইদের সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন রাখো। ছেলেদের স্পর্শ থেকে বেচে থাকো। যে সকল মেয়েরা ছেলেদের স্পর্শ থেকে বেচে থাকে না, এরা ছেলেদের চোখে মূল্যহীন হয়ে যায়। আমার এক ভাগিনা দোকানদারী করে। হ্যান্ডসাম ছেলে। ওর দোকানে একটি সুন্দরী মেয়ে প্রায়ই আসে, আড্ডা দেয়, মাঝেমাঝে ভাগিনার সাথে হাতাহাতি হাসাহাসি করতে দেখেছি। আমি ভাগিনারে জিজ্ঞাসা করলাম, কিরে, তুই কি এই মাইয়াটারে বিয়ে করবি? ছেম্রা আমারে জবাব দিলো, মামা, এইগুলা আড্ডা দেওয়ার লাইগা, বিয়া করার লাইগা না।

৭) মেয়েদের হায়েজ থেকে মুক্ত হওয়ার পর পাক-পবিত্র হওয়ার দিকে খুব খেয়াল রাখা চাই। গোসলের মাধ্যমে শরীর পাক হয়। এই গোসলের সময় এমনভাবে কুলি করতে হবে যেন গলার হলক পর্যন্ত পানি পৌছে। নাকে পানি দিয়ে এমনভাবে পরিষ্কার করতে হবে যেন নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌছে। চুলের গোড়ায় ও শরিরের সমস্ত অংশে পানি পৌছা জরুরী। তাছাড়া মেয়েরা প্রশ্রাব করার পর পানি দিয়ে নিজেকে ধুয়ে নিবে এবং টয়লেট প্যাপার বা কাপড় ব্যবহার করে নিজেকে শুকিয়ে নিবে। প্রতি মাসে শরীরের অবাঞ্চিত লোম উপড়ে ফেলতে হবে, কোনোভাবেই চল্লিশ দিন অতিবাহিত করা যাবে না।

৮) গিবত ও মিথ্যা থেকে তাওবা করে নেও। মেয়েরা-মেয়েরা একসাথে হলে অনেক বেহায়াপনা মূলক কথাবার্তা বলে, বিবাহিত মেয়েরা নিজের স্বামীর দোষত্রুটি অন্য মেয়েদের সাথে আলোচনা করে, এগুলো থেকে তাওবা করা চাই।

৯) অধিকাংশ মেয়েরা দান-সদকার ব্যাপারে খুব বেশী সংকীর্ণমণা হয়ে থাকে। রোহিঙ্গাদের জন্য একবার ফেইসবুকে সবাইকে সাহায্যের জন্য আহবান জানিয়েছিলাম। অনেকের হয়ত মনে আছে। প্রায় তিন লক্ষ টাকার মতো সংগ্রহ হয়েছিলো। মাশাআল্লাহ কয়েকদিন প্রায় ফোন অপারেটর মনে হয়েছিল নিজেকে, অসংখ্য ফোন সারাদেশ থেকে এবং বিদেশ থেকেও। কিন্তু মাত্র একজন বোন ১০০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন ও আমার এক বোন ডাক্তারি পড়ে, সে তার বান্ধবীদের মিলে কিছি টাকা পাঠিয়েছিলো। মেয়েরা মাল জমা করতে পছন্দ করে। আর যারা মাল জমা করে তাদের স্থান জাহান্নামের দ্বিতীয় তলা হুতামাহতে হবে। তাই মাল সদকা করার অভ্যাস করা চাই, যা জাহান্নামের আগুনের জন্য প্রতিবন্ধক হবে।

১০) ইসরাইলী রেওয়াতের মদ্ধ্যে যেগুলো শরিয়তের সাথে সাংঘর্ষিক নয় সেগুলো সম্পর্কে হুকুম হলো এগুলো আমরা সত্য বা মিথ্যা কিছুই বলবো না। এরকম একটি রেওয়ায়েত যা কুরআন বা হাদিসে নেই, কিন্তু আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। জুলাইখার স্বামী মারা যাওয়ার পর মিশরের বাদশা জুলাইখার সাথে ইউসুফ আলাইহিস সালাম-এর বিয়ে প্রদান করেন এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে খুব ভালোবাসার সম্পর্ক হয়। তখন জুলাইখাকে ইউসুফ আলাইহিস সালাম পুরোনো দিনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন যখন জুলাইখা তার সাথে অবৈধ শারিরিক সম্পর্ক করতে চেয়েছিল এবং বলেন, এটা কি তার থেকে উত্তম নয় যা তুমি চেয়েছিলে? জুলাইখা তখন নিজের ভুল স্বীকার করে ও ক্ষমা প্রার্থনা করে। তাই বিয়ের আগের কোনো সম্পর্কই উত্তম নয়, যা শুধু গোনাহই গোনাহ এবং অবশ্যই বর্জনীয়।

১১) আল্লাহ পাক কালামে পাকে খারাপ পুরুষের সাথে খারাপ মেয়ে, নেক পুরুষের সাথে নেক মেয়ের কথা বলেছেন। তাই নিজের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পেতে হলে অবশ্যই নিজেকে বিয়ের আগেই সংশোধন করতে হবে। যে নিজে পবিত্রা হবে আল্লাহ পাক তাকে পবিত্র স্বামী দিবেন। ইউসুফ আলাইহিস সালাম পবিত্র ছিলেন, জুলাইখাকে পবিত্রা বানিয়ে আল্লাহ পাক তার সাথে বিয়ে দিয়েছেন। তখন জুলাইখা এতো বেশী ইবাদতগুজার বনে যান যে, ইউসুফ আলাইহিস সালাম একবার আভিমান করে বলেন যে, এর কি কারণ যে তুমি আমাকে আগের মতো ভালোবাসো না?

১২) এক সাহাবিয়া মহিলা নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি অভিযোগ করেন যে, পুরুষরা জিহাদ করে, জানাজা নামাজ আদায় করে, সকল নেক কাজে পুরুষরা এগিয়ে আছে। তাহলে আমাদের কি হবে? তখন আল্লাহ পাক নাযিল করেন, নিশ্চয়ই মুসলমান পুরুষ ও মহিলা, ইমানদার পুরুষ ও মহিলা, ইবাদতগুজার পুরুষ ও মহিলা, সত্যবাদী পুরুষ ও মহিলা, সবরকারী পুরুষ ও মহিলা, আল্লাহর ভয়ে বিনয়ী পুরুষ ও মহিলা, দানশীল পুরুষ ও মহিলা, সংযমী পুরুষ ও মহিলা, নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজতকারী পুরুষ ও মহিলা, আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণকারী পুরুষ ও মহিলা-দের জন্য আল্লাহ পাকের ওয়াদা হলো যে, আল্লাহ পাক তাদের ক্ষমা করে দিবেন এবং অনেক বড় প্রতিদান দিবেন।
এই দশ জিনিসের উপর নিজেকে উঠানোর চেষ্টা করি, ইনশাআল্লাহ।

Address

Russia

Telephone

+8801764846827

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic jibon kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic jibon kotha:

Share