Society of Islamic Thought and Culture, CUET

Society of Islamic Thought and Culture, CUET A non-political student organization devoted to promoting Islamic values, fostering moral character

26/05/2026
24/05/2026

কুরবানী সম্পর্কিত প্রিয় নবী ﷺ এর চারটি বাণী:
১.
“কুরবানী দাতার কুরবানীর পশুর প্রত্যেকটি লোমের পরিবর্তে একটি করে নেকি লেখা হয়।”
— Jami' at-Tirmidhi

২.
“যে ব্যক্তি খুশি মনে সওয়াবের নিয়তে কুরবানী করে, সেই কুরবানী তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবে।”
— Al-Mu'jam al-Kabir

৩.
“হে ফাতেমা! তুমি তোমার কুরবানীর পশুর কাছে উপস্থিত থাকো। কারণ এর রক্তের প্রথম ফোঁটা পড়ার সাথে সাথে তোমার সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
— As-Sunan al-Kubra lil Bayhaqi
৪.
“যে ব্যক্তির কুরবানী করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটে না আসে।”
— Sunan Ibn Majah

Eid MubarakAhlan Sahlan Mahe Shabaan
20/03/2026

Eid Mubarak
Ahlan Sahlan Mahe Shabaan

19/03/2026

২৯ তম রমজানের দোয়া
اليوم التّاسع والعشرون : اَللّـهُمَّ غَشِّني فيهِ بِالرَّحْمَةِ، وَارْزُقْني فيهِ التَّوْفيقَ وَالْعِصْمَةَ، وَطَهِّرْ قَلْبي مِنْ غَياهِبِ التُّهْمَةِ، يا رَحيماً بِعِبادِهِ الْمُؤْمِنينَ
হে আল্লাহ ! আজ আমাকে তোমার রহমত দিয়ে ঢেকে দাও। গুনাহ থেকে মুক্তিসহ আমাকে সাফল্য দান কর। আমার অন্তরকে মুক্ত কর অভিযোগ ও সন্দেহের কালিমা থেকে । হে ঈমানদার বান্দাদের প্রতি দয়াবান

প্রিয় রমাদান
বেঁচে থাকলে আবারও দেখা হবে বিদায়ের আগে গুছিয়ে বলতে না পারা প্রতিটি দু'আ তুমি কবুল করে নাও হে মালিক

16/03/2026

*‘‘লাইলাতুল ক্বদরী খয়রুম মিন আলফি শাহ্ র্’’*

সূরা ক্বদরের এই আয়াত টা যতবারই মনে পড়ে অবসরে ভাবি ক্বদরের এই রাতে যা-ই আমল করবো, সেটা যত ক্ষুদ্র-ই হোক না কেনো তা-ই তো হবে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। মানে এক রাতের নফল নামাজের সওয়াব হবে টানা ৮৪ বছরের বেশি নামাজ পড়ার সমান! এক রাতের কুরআন তিলাওয়াত হবে ৮৪ বছরেরও বেশি দীর্ঘ, এই রাতে ইস্তেগফার/ দরূদ শরীফ পাঠ হবে ৮৪ বছর তথা হাজার মাসের চেয়ে বেশি!

হাজার মাসের চেয়ে উত্তম বলা হয়েছে যার পক্ষ থেকে স্বয়ং সে রবের কি কোনো সীমা-পরিসীমা আছে? না জানি "হাজার মাসের চেয়ে উত্তম" প্রতিশ্রুত রাতের সীমা কতখানি/ কত হাজারে গিয়ে ঠেকবে! আল্লাহু আলাম!
একে তো হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাতের প্রতিশ্রুতি তার উপর হলো রমজান মাস, যার প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ নিজে দিবেন বলেছেন! সুবহান'আল্লাহ!
অথচ আমরা নিজেরা ৮৪ বছর হায়াত পাবো কিনা তার কোনো গ্যারান্টি নাই!
আচ্ছা ধরুন আপনাকে একটা সুযোগ দেয়া হলো আপনার অধীনে যত সম্পদ আছে তা আজকে একরাতের মধ্যেই হাজার গুণ করে দেয়া হবে। আমি নিশ্চিত এই সুযোগ কেউই মিস করবেনা৷ তদুপরি, এটা তো মাত্র একটা নিছক দুনিয়াবি উদাহরণ, অথচ দুনিয়ার ব্যস্ততায় ভুলে যাই আমাকে এখানে কি জন্যে পাঠানো হয়েছে।

যদিও ২১,২৩,২৫,২৭,২৯ যেকোনো বেজোড় রাতের একটিতেই ক্বদর হয়ে যেতে পারে। তাই সব রাতকেই সমান গুরুত্ব দেয়া জরুরি তবে ২৭তম রাত্রিকেই অনেক উলামায়ে কেরামরা বেশি ফোকাস করে থাকেন। আর আজ সেই দিন!

ক্ষমা মহৎ গুণ, এমন এক গুণ যেটা আপনাকে ইনশাআল্লাহ জান্নাত পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে। এই আমলের চর্চা আজকের মহান দিনটা থেকেই করতে পারি যেই আমলের বদৌলতে সাহাবাদের নিয়ে মজলিসে পরপর ৩দিন হুজুর আক্বা (ﷺ) এক আনসারী সাহাবীকে জান্নাতি ঘোষণা করেছেন।
সেই সম্মানিত সাহাবীর ভাষ্যমতে রোজ রাতে ঘুমাতে যাবার আগে তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিতেন যারা উনাকে কষ্ট দিয়েছে, উনার প্রতি অন্যায় করেছে। তিনি তাদের প্রতি কোনো ক্ষোভ অন্তরে পুষে রেখে রাতে ঘুমাতে যেতেন না। সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েই ঘুমাতে যেতেন।

এই হাজার মাসের চাইতে শ্রেষ্ঠ রাতের উসিলায় আপনাদের যাকে যেভাবেই কষ্ট দিয়েছি, গীবত করেছি সবকিছুর জন্য ক্ষমা চাইছি। মনে ক্ষোভ থাকলেও ক্বদরের রাতের উসিলায় ক্ষমা করে দিয়েন। আমিও আপনাদের ক্ষমা করে দিলাম। চেষ্টা করবেন সাহাবাদের এই সুন্নাহ প্রতিরাতে ঘুমাতে যাবার আগে প্র‍্যাক্টিস করতে।

এইভাবে বলবেন-
ইয়া আল্লাহ, আমার উপর যারা অন্যায় করেছে, কষ্ট দিয়েছে, গীবত করেছে আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম। একইভাবে আমি যাদের উপর অন্যায় করেছি, কষ্ট দিয়েছি, গীবত করেছি তারাও যেন আমাকে ক্ষমা করে দেয়।

হয়তো এটাই হতে পারে আমাদের নাজাতের উসিলা। রমজান শেষ হয়ে যাচ্ছে, জানিনা গুনাহ মাফ হয়েছে কিনা। সবাই সবার গুনাহ মাফ ও সবার নেক দোয়া কবুল হবার জন্যে দোয়া করবেন। এই অধমের জন্যেও দোয়ার আর্জি থাকলো।

অন্যের জন্যে দোয়া করার মধ্যে বস্তুত নিজেরই কল্যাণ। হাদিসে আছে-

“কোনো মুসলিম যখন তার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করে, তখন একজন ফেরেশতা তার কাছে নিযুক্ত থাকে। সে যখনই তার ভাইয়ের জন্য কল্যাণের দোয়া করে, ফেরেশতা বলে: ‘আমীন, এবং তোমার জন্যও তেমনই হোক।’’

ক্বদরের রাত্রির উসিলায় আল্লাহ সবার নেক দোয়া কবুল করুন।

©️Rezwan Shahriyar Tasin

আলহামদুলিল্লাহ!পরম করুণাময় মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে, গতকাল (১৩ মার্চ) Society of Islamic Thought and Culture, CUET-এর উদ্...
14/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
পরম করুণাময় মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে, গতকাল (১৩ মার্চ) Society of Islamic Thought and Culture, CUET-এর উদ্যোগে আয়োজিত আমাদের ইফতার মাহফিলটি অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আমাদের এই বরকতময় আয়োজনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত ও নূরানী করে তুলেছিলেন 'দাওয়াতে ইসলামী'-এর সম্মানিত দ্বীনি ভাইয়েরা এবং আমাদের শ্রদ্ধেয় অ্যালামনাইগণ। বড় ভাইদের এবং মেহমানদের উপস্থিতি ও মূল্যবান সময় প্রদান আমাদের জন্য অনেক বড় একটি পাওয়া।
রমজানের এই পবিত্র আবহে দ্বীনি ভাইদের সাথে একত্রে ইফতার করা এবং পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের এই মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই দ্বীনি মিলনমেলাকে কবুল করে নিন। আমিন।

02/02/2026

প্রশ্ন : ১৫ শাবানের রাতে ইবাদত করা এবং দিনে রোযা রাখার বিষয়টি কি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত?

উত্তর:

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
اَلْجَوَابُ بِعَوْنِ الْمَلِکِ الْوَھَّابِ اَللّٰھُمَّ ھِدَایَۃَ الْحَقِّ وَالصَّوَابِ

জী নিশ্চয়ই, ১৫ই শাবানের রাতে ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন থাকা এবং দিনের বেলা রোযা রাখার গুরুত্ব হাদীস শরীফে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। সায়্যিদুনা আলী মুরতাযা رَضِیَ اللّٰہُ عَنْہُ হতে বর্ণিত, প্রিয় নবী صَلَّى الـلّٰـهُ عَلَيْهِ وَاٰلِهٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন:
“যখন ১৫ই শাবানের রাত উপস্থিত হয়, তখন তোমরা সে রাতে কিয়াম (ইবাদত) করো এবং দিনে রোযা পালন করো। কেননা আল্লাহ্‌ তাআলা সূর্যাস্তের সময় হতে দুনিয়ার আকাশে তাঁর শান অনুযায়ী বিশেষ রহমতের তাজাল্লী (মহিমা) বিকিরণ করেন এবং ঘোষণা করেন— ‘আছো কি কোনো ক্ষমা প্রার্থনাকারী? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। আছো কি কোনো রিযিক অন্বেষণকারী? আমি তাকে রিযিক দান করব। আছো কি কোনো বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি? আমি তাকে মুক্তি দান করব। আছো কি এমন কেউ! আছো কি এমন কেউ!’ সুবহে সাদিক হওয়া পর্যন্ত মহান আল্লাহ্‌ এভাবে আহ্বান করতে থাকেন।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, ২য় খণ্ড, ১৬০ পৃষ্ঠা, হাদীস: ১৩৮৮)

May Allah (swt) grant us a share from the honour and mercy He bestowed upon His Beloved ﷺ on this night, allow us to ben...
16/01/2026

May Allah (swt) grant us a share from the honour and mercy He bestowed upon His Beloved ﷺ on this night, allow us to benefit from what was opened through Israʾ and Miʿraj, and accept what we are able to offer according to our sincerity.

May He (swt) make our prayers a true ascent, forgive our weaknesses, and return us from this night more obedient, more humble, and nearer to Him than before.

Jumādā al-Thāni  | The birth of Sayyida Fātima al-Zahrā Sayida Fātima al-Zahrā (ra), the youngest daughter of the Prophe...
22/11/2025

Jumādā al-Thāni | The birth of Sayyida Fātima al-Zahrā

Sayida Fātima al-Zahrā (ra), the youngest daughter of the Prophet Muhammad ﷺ, was born on Friday 20th of Jumādā al-Thāni.

“By my Lord, the Lord of Taha your father, No praise that omits you could ever be sweet.
Part of the Chosen One! The part counts as the whole; Whatever pleases you must please him.
Flesh of his flesh, your feelings are as one;

Anything that hurts you must hurt him too.
If ever your face bore signs of sorrow, Its reflection showed in your father’s face.United in essence and never parted; A secret link inherited by your sons.

You resembled the Prophet in every way;
When people saw you, they saw the Prophet. You’re the Prophet’s delight, a fragrant herb;
How could its scent not bring you close to him?
When you approached he would stand up with joy, And give you to drink of the sea of his love.
Your degree of nearness is beyond all others, And your merit is from God the Sovereign Lord.”

~Abd al-Qadir al-Jilani ibn Salim ibn ‘Alawi Khirid al-Ba-‘Alawi

Source: Our Lady Fatima al-Zahra by Dr Muhammad ‘Abduh Yamani trans. Khalid Williams

Address

CUET
Raozan

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Society of Islamic Thought and Culture, CUET posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share