Vedic Education and Research Centre, HSTU

Vedic Education and Research Centre, HSTU "মনুর্ভব জনয়া দৈব্যং জনম্"
-ঋগ্বেদঃ ১০/৫৩/৬
অর্থাৎ মানুষ হও এবং অন্যকেও মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো।

A new way to support and encourage our mission begins today!🌺You can now send us ⭐️ Stars as gifts and become a part of ...
25/05/2026

A new way to support and encourage our mission begins today!🌺

You can now send us ⭐️ Stars as gifts and become a part of spreading Vedic knowledge even further.🍃

Every Star is a blessing of love, support, and inspiration for our journey. 🙏
Thank you for being with Vedic Education and Research Centre. 🌿

Namaste Everyone🙏🌸

হাত বিহীন সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের বিনামূল্যে বায়োনিক হাত প্রদান করবেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রীতম পাল ও তার সংগ...
24/05/2026

হাত বিহীন সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের বিনামূল্যে বায়োনিক হাত প্রদান করবেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রীতম পাল ও তার সংগঠন।
প্রযুক্তিকে মানবসেবার কাজে লাগিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী প্রীতম পাল। দুর্ঘটনায় হাত হারানো কিংবা জন্মগতভাবে হাতবিহীন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কৃত্রিম বায়োনিক হাত (Robotic/Bionic Hand) প্রদান করার উদ্যোগ নিয়েছে তাঁর সহ-প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান 'বঙ্গ রোবটিক্স'।
প্রীতম পাল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী এবং প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'বঙ্গ রোবটিক্স'-এর কো-ফাউন্ডার। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগের আওতায় প্রাথমিকভাবে ১০ জন অসচ্ছল ব্যক্তিকে বায়োনিক হাত প্রদান করা হবে।
জানা গেছে, এই বায়োনিক হাত ব্যবহার করে উপকারভোগীরা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ সহজভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন। ফলে তাঁদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব ব্যক্তি দুর্ঘটনা বা জন্মগত কারণে কনুইয়ের নিচের অংশ হারিয়েছেন এবং আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কৃত্রিম হাত সংগ্রহ করতে পারছেন না, তাঁরা এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিচিত কোনো হাতবিহীন অসচ্ছল ব্যক্তির কাছে তথ্যটি পৌঁছে দিতে সবাইকে পোস্টটি শেয়ার করার অনুরোধ করা হয়েছে।
উদ্যোক্তাদের ভাষায়, "আপনার একটি শেয়ারই হয়তো বদলে দিতে পারে একজন মানুষের জীবন।”

24/05/2026

প্রাণী মাত্রের নিকটেই আমাকে প্রিয় কর।
—যজুর্বেদ ৩৩.১২

প্রশ্ন ১৩৯: কর্ম করে সেই কর্মের ফল এড়ানোর কোনো উপায় আছে কি?উত্তর: যতই তপস্যা, জপ, ধ্যান, দান বা যজ্ঞ করা হোক না কেন, কোন...
24/05/2026

প্রশ্ন ১৩৯: কর্ম করে সেই কর্মের ফল এড়ানোর কোনো উপায় আছে কি?
উত্তর: যতই তপস্যা, জপ, ধ্যান, দান বা যজ্ঞ করা হোক না কেন, কোনো মানুষই তার কর্মের ফল এড়াতে পারে না। প্রত্যেককেই তার কর্মের ফল ভোগ করতেই হয়।

চলে এলো-সনাতন ধর্ম শিক্ষা ব্যাচ-০২বৈদিক শিক্ষা ও গবেষনা কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে 🌻 সনাতন ধর্মীয় কোর্স◾বিষয় সংখ্যা:১০টি◾ক্ল...
23/05/2026

চলে এলো-
সনাতন ধর্ম শিক্ষা ব্যাচ-০২
বৈদিক শিক্ষা ও গবেষনা কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে
🌻 সনাতন ধর্মীয় কোর্স
◾বিষয় সংখ্যা:১০টি
◾ক্লাস সংখ্যা:১০টি
📍ক্লাসের সময়: শুক্রবার ও শনিবার ২দিন
ক্লাস শুরু:০৫/০৬/২০২৬
ভারতীয় সময় রাত ৯ টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টা ৩০ মিনিট।

যুক্ত হতে যোগাযোগ করুন:
অনির্বান সরকার: https://www.facebook.com/profile.php?id=61584562314461

স্বাক্ষর সেন: https://www.facebook.com/sakshar.sen

বাংলাদেশ , ভারত ও বিশ্বের যেকোনো বাংলা ভাষাভাষী জনগণ এর জন্য এই কোর্স টা প্রযোজ্য।

যেহেতু বাংলা ভাষাভাষী সনাতনী মূলত বাংলাদেশ ও ভারতেই বেশি তাই বাংলাদেশী হলে NID, স্টুডেন্ট আইডি কার্ড , জন্ম নিবন্ধন তিনটার যেকোনো একটা এবং ভারতীয় হলে আধার কার্ড, স্টুডেন্ট আইডি অথবা জন্ম নিবন্ধন তিনটির যেকোনো একটি দিয়ে যুক্ত হতে পারবেন।

প্রশ্ন ১৩৮: কর্মের ফল কেমন? কখন, কোথায়, কীভাবে তা পাওয়া যায়? আমরা কি এ সম্পর্কে জানতে পারি?উত্তর: কর্মের ফল কখন, কোথায়, ...
23/05/2026

প্রশ্ন ১৩৮: কর্মের ফল কেমন? কখন, কোথায়, কীভাবে তা পাওয়া যায়? আমরা কি এ সম্পর্কে জানতে পারি?
উত্তর: কর্মের ফল কখন, কোথায়, কীভাবে পাওয়া যাবে-এ বিষয়ে মানুষ সম্পূর্ণভাবে জানতে পারে না। এই বিষয়টি ঈশ্বরের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত। তবে, শাস্ত্রের মাধ্যমে কিছু কিছু তথ্য মানুষ জানতে পারে।

🍃প্রকৃতিঃপ্রকৃতি নিত্য, এই নিত্য প্রকৃতির অভিব্যক্তিই জগৎ। কারণ-প্রকৃতিতে জগৎ অব্যক্ত থাকে বলে প্রকৃতিকে অব্যক্ত বলা হয়।...
23/05/2026

🍃প্রকৃতিঃ

প্রকৃতি নিত্য, এই নিত্য প্রকৃতির অভিব্যক্তিই জগৎ। কারণ-প্রকৃতিতে জগৎ অব্যক্ত থাকে বলে প্রকৃতিকে অব্যক্ত বলা হয়। প্রকৃতি হল নির্বিশেষ ও নিরবয়ব। এজন্য প্রকৃতি প্রত্যক্ষগোচর নয়। প্রকৃতি হলো এক সর্বব্যাপী, অতিসূক্ষ্ম, অসীম ও জগতের আদিকারণরূপ জড়শক্তি। প্রকৃতিতে জগতের স্থিতি এবং প্রকৃতিতেই জগতের লয়। কারণরূপ প্রকৃতি অব্যক্ত ও প্রধান, এবং কার্যরূপ প্রকৃতি সৎরূপে প্রকাশিত। অব্যক্ত প্রধান বা প্রকৃতি ত্রিগুণরূপে সমবেত হয়ে কার্যাকারে পরিণত হয়। একই জল যেমন ভিন্ন ভিন্ন আধারে নানা পরিণাম প্রাপ্ত হয়, সেরূপ এক একটি গুণের প্রাধান্য অনুযায়ী ও সহকারীভেদে একই প্রকৃতি নানা পরিণাম প্রাপ্ত হয়।
প্রকৃতির পরিণামের ফলে জগতের সৃষ্টি, আবার প্রকৃতির পরিণামের ফলে জগতের লয়। সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ গুণ যখন সাম্যাবস্থায় থাকে, তখন তাদের মধ্যে পৃথক পৃথক ভাবে পরিণাম ঘটে। অর্থাৎ সত্ত্ব সত্ত্বরূপে, রজঃ রজোরূপে এবং তমঃ তমোরূপে পরিণত হয়। এরূপ পরিণামকে বলা হয় প্রকৃতির স্বরূপ পরিণাম বা সদৃশ পরিণাম। এই পরিণাম গুণত্রয়ের সাম্যাবস্থায় ঘটে। এই সাম্যাবস্থা যখন বিনষ্ট হয়, তখন প্রকৃতিতে অপর একপ্রকার পরিণাম দেখা যায়। এই পরিণামে সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ-এর পারস্পরিক শক্তির অন্তর্দ্বন্দ্ব ঘটে। এর ফলে কখনও সত্ত্ব, কখনও রজঃ আবার কখনও তমঃ গুণের প্রাধান্য ঘটে। প্রকৃতির এরূপ পরিণামকে বিরূপ পরিণাম বা বিসদৃশ পরিণাম বলে। বিরূপ পরিণামের ফলে জগতের সৃষ্টি এবং স্বরূপ পরিণামের ফলে জগতের লয় সূচিত হয়। প্রলয়কালে সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ গুণের সদৃশ পরিণাম হয়। গুণগুলোর স্বভাব পরিণাম, পরিণত না হয়ে এরা ক্ষণকালও থাকতে পারে না। তাই সত্ত্ব সত্ত্বরূপে, রজঃ রজোরূপে ও তমঃ তমোরূপে প্রলয়কালেও পরিণাম প্রাপ্ত হয়।

🍃প্রকৃতির স্বরূপঃ

এই জগতের ত্রিবিধ অনাদি সত্তার মধ্যে প্রকৃতি একটি। প্রকৃতি শব্দের উৎপত্তি 'কৃ' ধাতু থেকে (প্র-কৃ+তি)। 'কৃ' ধাতুর অর্থ হলো করা। সুতরাং প্রকৃতি শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থে সেই প্রকৃতি, এই বিশ্ব যার কৃতি। বিশ্ব এবং তার যাবতীয় জড়বস্তু এবং প্রাণীর, মানুষের বুদ্ধি, মন, চিত্ত, অহং এবং ইন্দ্রিয়াদির তথা আত্মা ভিন্ন মানুষের সমস্ত অবশিষ্ট সত্তার, বিশ্বের যাবতীয় পরিবর্তন এবং বিবর্তনের মূল অনিঃশেষ কারণ প্রকৃতি।

বেদ বলছে-“এই নিত্য প্রকৃতি সর্বদাই পরিণামযুক্তা, পুরাতন, নব নব রূপধারিনী এবং সর্ব কাজে করণ রূপে বিরাজমানা। প্রত্যেক গতিশীল জীবের সঙ্গেই এই প্রকৃতি নিজের স্বরূপ ও সত্ত্বা প্রকাশ করিতেছে। "[87]
প্রকৃতি এই জগতের মূল উপাদান কারণ, কিন্তু তার মূল নেই। বিশ্বের যাবতীয় কার্য এবং সংঘাতের মূল কারণ এই প্রকৃতি। প্রকৃতি জগতের সব বস্তুরই মূল উপাদান কারণ, কিন্তু তার কোন উপাদান কারণ নেই। কিন্তু নেই কেন? উত্তরে মহর্ষি কপিল বলছেন-
"মূল কারণের কোন কারণ থাকিতে পারে না। কারণ রহিত না হইলে তাকে মূল কারণ বলা যায় না। মূল কারণ অকারণ অর্থাৎ কারণ রহিত হইয়া থাকে এবং তাহা অনাদি। [৪৪]
"এইরূপ ভাবে পরম্পরা হিসাবে কারণ মানিতে মানিতে অন্তে একস্থানে পৌঁছিতেই হইবে। যে কারণ অন্তে স্থিত হইবে তাহাকে প্রকৃতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়।"[89]

প্রকৃতি জড়াত্মক, জড়শক্তির আধার, অচেতন এবং ত্রিগুণাত্মিকা। সত্ত্ব, রজঃ এবং তমঃ, এই ত্রিবিধ গুণের সমষ্টি এবং শক্তির মূল সাম্যাবস্থার নাম প্রকৃতি। সৃষ্টির অনন্ত সম্ভাবনার অবিকৃত এবং পূর্ণ সাম্য-প্রকৃতিই প্রকৃতি।
সাধারণত গুণ বলতে আমরা 'ধর্ম'কে বুঝি। দর্শনে (সাংখ্য) গুণ বলতে উপাদানকে বুঝায়। সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ, এই তিনটি প্রকৃতির উপাদান। একটি রজ্জু যেমন তিনটি তারের সমষ্টি হতে পারে তেমনি প্রকৃতিও সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ এই তিন গুণের সমষ্টি। এগুলোকে গুণ বলার কারণ এই যে, এরা পুরুষ বা আত্মার উদ্দেশ্য চরিতার্থ করে এবং পুরুষ বা আত্মাকে জগতের সঙ্গে বেঁধে রাখে।

প্রকৃতির গুণগুলো খুবই সুক্ষ্ম বলে এদের প্রত্যক্ষ করা যায় না। তবে গুণগুলোর কার্য থেকে গুণগুলোর অস্তিত্বকে অনুমান করা যায়। এদের অস্তিত্বকে অনুমান করার পদ্ধতি হলো এই,-
সংকার্যবাদ অনুসারে কার্য এবং কারণ সমভাবাপন্ন। জগতের প্রত্যেকটি বস্তুর মধ্যে তিনটি জিনিস দেখা যায়। যথা-সুখ, দুঃখ ও ঔদাসীন্য। যেমন, 'প্রভাতে পাখির গান' সঙ্গীতপ্রিয় রসিককে দেয় সুখ, রুগ্ন ব্যক্তিকে দেয় দুঃখ, আর অরসিক জন থাকে ঐ গানের প্রতি উদাসীন। জগতের প্রতিটি বস্তুই যখন কার্য এবং কার্যের মধ্যে যখন সুখ, দুঃখ ও উদাসীন্য এই তিনটি জিনিস দেখা যায়, তখন জগতের সকল বস্তুর মূল উপাদান যে প্রকৃতি তার মধ্যে নিশ্চয়ই এই তিনটির কারণ থাকবে। তাদের কারণ হল যথাক্রমে সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ।

মহর্ষি কপিল বলছেন-"প্রকৃতি পুরুষের চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ না হইলেও অনুমানের দ্বারা তাহাদের জ্ঞান হইয়া থাকে। যেমন দূরে পর্বত মধ্যস্থ অগ্নির জ্ঞান ধূম ও প্রকাশাদির প্রত্যক্ষের দ্বারা হইয়া থাকে সেইরূপ পৃথিব্যাদি কার্য, ভোগাদি চিহ্ন ও রচনাদি কৌশল প্রত্যক্ষ করিয়া সৃষ্টির উপাদান কারণ জড় সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ স্বরূপ প্রকৃতি, ভোক্তা জীবাত্মা ও অনন্ত জ্ঞানস্বরূপ পরমাত্মার জ্ঞান অনুমানের দ্বারা হইয়া থাকে।"[90]

🌺টিকাঃ
[87] এষা সনত্নী সনমেব জাতৈষা পুরাণী পরি সর্ব্বং বস্তুব।
মহী দেব্যু ষসো বিভাতি সৈকেনৈকেন মিষতা বিচষ্টে ৷৷
- অথর্ববেদ ১০। ৮।৩০
[৪৪] মূলেমূলাভাবাদমূলং মূলম্।
-সাংখ্য দর্শন ১।৬৭
[89] পরাম্পর্য্যেহপ্যেকত্রপরিনিষ্ঠেতি সংজ্ঞামাত্রম্।
-সাংখ্য দর্শন ১।৬৮
[90] অচাক্ষুষাণামনুমানেনবোধোধূমাদিভিরিববহ্নে।
-সাংখ্য দর্শন ১।৬০

প্রশ্ন ১১: পৃথিবী কি প্রকৃতির দ্বারা নিজেই সৃষ্টি করা যায়?উত্তর: না, সৃষ্টিকর্তার শক্তি ও সাহায্য ছাড়া প্রকৃতির দ্বারা স...
22/05/2026

প্রশ্ন ১১: পৃথিবী কি প্রকৃতির দ্বারা নিজেই সৃষ্টি করা যায়?
উত্তর: না, সৃষ্টিকর্তার শক্তি ও সাহায্য ছাড়া প্রকৃতির দ্বারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পৃথিবী সৃষ্টি করা যায় না।

প্রশ্ন ২: আত্মার কর্ম সম্পাদনের কয়টি উপায় আছে এবং সেগুলো কী কী?উত্তর: আত্মার কর্ম সম্পাদনের দুই প্রকার উপায় রয়েছে-ক. অভ্...
21/05/2026

প্রশ্ন ২: আত্মার কর্ম সম্পাদনের কয়টি উপায় আছে এবং সেগুলো কী কী?
উত্তর: আত্মার কর্ম সম্পাদনের দুই প্রকার উপায় রয়েছে-
ক. অভ্যন্তরীণ উপায়: যেমন- মন, বুদ্ধি, অহংকার ইত্যাদি।
খ. বাহ্যিক উপায়: যেমন- হাত, পা, নাক, কান, মুখ ইত্যাদি।

প্রশ্ন ১: মানবদেহ অর্জনের উদ্দেশ্য কী?উত্তর: মানবদেহ লাভের মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের কর্মের ফল ভোগ করা এবং মোক্ষলাভ করা, অর...
20/05/2026

প্রশ্ন ১: মানবদেহ অর্জনের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: মানবদেহ লাভের মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের কর্মের ফল ভোগ করা এবং মোক্ষলাভ করা, অর্থাৎ দুঃখ থেকে মুক্তি লাভ করা।

🌿🪷জ্ঞানেন তু তদজ্ঞানং যেষাং নাশিতমাত্মনঃ।তেষামাদিত্যবজ্জ্ঞানং প্রকাশয়তি তৎপরম্ ॥- শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ০৫. ১৬সরলার্থঃ যাঁদের...
20/05/2026

🌿🪷জ্ঞানেন তু তদজ্ঞানং যেষাং নাশিতমাত্মনঃ।
তেষামাদিত্যবজ্জ্ঞানং প্রকাশয়তি তৎপরম্ ॥
- শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ০৫. ১৬
সরলার্থঃ যাঁদের আত্মজ্ঞান দ্বারা সেই অজ্ঞানতা নষ্ট হয়েছে, তাঁদের সেই জ্ঞান সূর্যের ন্যায় পরমাত্মাকে প্রকাশ করায়।🌸

Address

Dinajpur
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vedic Education and Research Centre, HSTU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share