Islamic Note's-نور

Islamic Note's-نور কখনো হতাশ হবেন না, আপনার রব অবশ্যই যথেষ্ট আপনার জন্য।

গুনাহ করা কঠিন কাজগুনাহর মাধ্যমে আমাদের কাজ সহজ না হয়ে বরং কঠিন হয়ে যায়। আসলে গুনাহর কাজ করাটাই কঠিন।গুনাহর জন্য মানুষ ক...
25/10/2025

গুনাহ করা কঠিন কাজ

গুনাহর মাধ্যমে আমাদের কাজ সহজ না হয়ে বরং কঠিন হয়ে যায়। আসলে গুনাহর কাজ করাটাই কঠিন।

গুনাহর জন্য মানুষ কত পরিশ্রমই না করে—

• গোপনে করে,

• স্বাস্থ্য ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে,

• লোকে জানাজানি হওয়ার ভয়ে দুশ্চিন্তা করে।

সব গুনাহই স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এবং অন্তরকে দুর্বল করে দেয়। কারণ, গুনাহ করার সময় মানুষ সবসময় জেনে যাওয়ার ভয়ে থাকে।
বই : প্রশান্ত অন্তর লাভের ১০০ উপায়
লেখক : মাওলানা ইসহাক মুলতানী
উমেদ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত

23/10/2025

জীবনসঙ্গী কিংবা জীবনসঙ্গিনী কালো, সাদা কিংবা কুৎসিত যাইহোক সে যেনো আসলে চরিত্রহীন না হয়।

21/10/2025

টানা-হ্যাঁচড়ার শেষ নেই। এক দল আরেক দলের বিরুদ্ধে নিয়মিত তোপ দাগিয়ে যাচ্ছে। আশআরী-মাতুরিদীরা বলে আল্লাহ কেবল আরশে বা আকাশেই আছেন, এমন নয়। সালাফী চিন্তাবিদরা বলেন আল্লাহ তা'আলা আরশে সমাসীন আছেন। তবে এর সঠিক রূপ কেউ জানে না।
এ নিয়ে মল্লযুদ্ধ কেতাবেই সীমাবদ্ধ নেই! রীতিমতো ফেসবুক ছাড়িয়ে বিয়ে পর্যন্তও গড়ায়। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি চোখে পড়ে,
-সহীহ আকীদার পাত্রী চাই।
কেউ কেউ নিজের ওয়ালে ঘোষণা দেয়,
-আসুন না, আমরা যারা ফেসবুকে সহীহ আকীদার আছি, একদিন সবাই মিলে চা খাওয়া যাক।
পাল্টা বিজ্ঞপ্তিও চোখে পড়ে,
-পাত্রী তাবলীগি পরিবারের হলে ভালো। অথবা 'অমুক' পীরের মুরীদ হলে প্রাধান্য পাবে।
***
দুজনে সেই ছেলেবেলা থেকে বন্ধু। পড়াশোনার পাট চুকার পর যে যার পথ ধরল। একজন সরকারি চাকরিতে, আরেক বন্ধু বউ-বাচ্চাসহ সৌদি। যৌবনের স্বপ্নমুখর দিনে, দুবন্ধু প্রতিজ্ঞা করেছিল, দুজনের সম্পর্কটাকে পোক্ত রূপ দিতে হবে। আল্লাহর কী মহিমা! দেশে থাকা বন্ধুর প্রথম সন্তান হলো ছেলে। প্রবাসী বন্ধু জীবিকার তাড়নায় সময়মতো বিয়ে করতে পারলনা, দেরি হয়ে গেল। দেশি বন্ধুর পাঁচ বছর পর বিদেশি বন্ধু বাসর করতে পারল। দু-বছরের মাথায় এল একটা ফুটফুটে কন্যা।
সপরিবারে প্রবাসে থাকার কারণে মেয়েটাও ওখানকার স্কুলেই পড়াশোনা করল। বাংলা মিডিয়াম থাকলেও বাবার ইচ্ছায় মেয়ে ইংরেজি ও আরবী মিডিয়ামে পড়াশোনা করল।
দু-বন্ধু দুই দেশে থাকলেও, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি কখনো। নিয়মিত সালাম-হ্যালো চলত। তবে বিয়ের ব্যাপারটা দুজনের বাইরে কেউ জানত না। এমনকি দুই বিবিও না। সময় গড়াতে গড়াতে এদিকে ছেলে লায়েক হয়ে উঠল। ওদিকে মেয়েও সোমত্ত হলো। বন্ধু দুজন ঠিক করল সামনের ঈদে শুভকাজ সমাধা করতে হবে। দেশি বেয়াই লায়েক ছেলেকে নিয়ে বিমানবন্দরে গেলেন। উদ্দেশ্য প্রথম থেকেই মৌমাছি আর ফুলকে কাছাকাছি করে দেয়া।
উভয় পক্ষের মুরুব্বিদের কথাবার্তা শেষ। এবার পাত্র-পাত্রীর পালা। কানভাঙানি আসতেও দেরি হলো না। একজন এসে পাত্রপক্ষের কানে কানে বলে গেল,
-পাত্রী এই বিয়েতে রাজি নয়।
-কেন? কেন?
-ছেলে বেদাতী আকীদা পোষণ করে।
ছেলের বাবা কথাটা বাড়তে দিলেন না। বন্ধু যেহেতু কিছু বলেনি, তাহলে ধরে নেয়া যায় সমস্যাটা বড় কিছু নয়। ওদিকের ঘটনাও প্রায় এক! কেউ একজন কান ভাঙানি দিল,
-ছেলে এই বিয়েতে রাজি নয়।-কেন?
-মেয়ে আহলে হাদীস।
মেয়ের বাবাও বিষয়টা নিয়ে বেশি নাড়াচাড়া করলেন না। ঠিক হলো, ঈদের পরদিন পাত্র আসবে। দুজনে একে অপরকে পছন্দ করলে সাথে সাথেই আকদ হয়ে যাবে!
যথাসময়ে ছেলে উপস্থিত! মেয়ে এল ছোটভাইকে সঙ্গে নিয়ে। ছেলে আগে কথা বলবে কি, লজ্জায় মরেই যাচ্ছিল। আবার আড়চোখে না তাকিয়েও পারছিল না। এত্ত সুন্দরও মানুষ হতে পারে? তার মুখ দিয়ে অজান্তেই বেরিয়ে গেল, সুবহানাল্লাহ!

মেয়ে সচকিত হয়ে চোখ তুলল! চারি চোখে মিলন! ছেলে চোরা চোখে তাকাতে গিয়ে ধরা পড়ে খুক করে কেশে উঠল! মেয়ের অবাক করা প্রশ্ন, -সুবহানাল্লাহ কেন বললেন?
-বলব না, না বলে উপায় আছে!

মেয়ে মনে মনে বেজায় খুশি! সে শুনেছিল ছেলেটা নিতান্ত গোবেচারা টাইপের হুজুর! এখন দেখি তা নয়। বেশ সেয়ানাই মনে হচ্ছে। কিন্তু আকীদার প্রশ্নে আপোষ করা যাবে না। যেভাবেই হোক, আমার যা জানার তা জানতেই হবে! বেদাতী আকীদার কারও সঙ্গে জীবন কাটাতে চাই না! যাক একথা-ওকথা করে করে এগুতে লাগল। ছেলে একপর্যায়ে বলল, -আমার আসলে কিছুই জানার ছিল না। আর আপনাকে অপছন্দ করার কোনো কারণ থাকতেই পারে না!

-আমার কয়েকটা প্রশ্ন ছিল!
ছেলে ভয় পেয়ে গেল মনে মনে। এই সেরেছে, ঝামেলায় ফেলবে না তো! তারপরও মনের কথা মনে চেপে বলল,

-অবশ্যই! বলুন কী জানতে চান?
-কিছু মনে করবেন না। আমি শুধু দুটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই।
-কোন বিষয়ে?
-আল্লাহ সম্পর্কে!
ছেলে সশব্দে আঁতকে উঠল। ইশশিরে! শেষ রক্ষা হলো না রে! এই হুরীকে বুঝি হারালাম। ইয়া আল্লাহ, ইয়া মাবুদ, আপনি যেখানেই থাকুন! আপনি আমার রব! আর কেউ নয়। এই গরিবের দিকে একটু রহমতের দৃষ্টি দিন!

-জি প্রশ্নটা বলুন। তবে আমার একটা শর্ত আছে।
-কী শর্ত?

-আপনি শুধু একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইবেন। বাকিটা প্রথম প্রশ্নের উত্তর থেকে অনুমান করে নেবেন!
মেয়ে কমলার কোয়ার মতো অধর কামড়ে ধরে একটু ভেবে বলল, -আচ্ছা ঠিক আছে, বলুন তো আল্লাহ তা'আলা কোথায় আছেন?

ছেলে মনে মনে বলল,
বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান এইবার তোমার আমি বধিব পরাণ।যা ভেবেছি সেটাই প্রশ্ন করল। চোখ বন্ধ করে আল্লাহর মা'রেফতে ডুবে গেল। কোথায় আছেন তিনি? কোথায় আছেন তিনি? নিজের সত্যিকার আকীদা বলতে গেলে এমন হুরেঈনকে হয়তো হারাতে হবে। আবার নিজের আকীদা পাশ কাটিয়ে অন্য কিছু বললে, ভেতরে এক বাইরে আরেক হয়ে যাবে। এমন একটা উত্তর দিতে হবে, যাতে সালাফী-মাতুরিদী-আশ'আরী সব আকীদাই বোঝা যাওয়ার অবকাশ থাকে। ভাবতে ভাবতে বিদ্যুৎ-চমকের মতো মুসলিম শরীফের একটা দরসের কথা মনের পর্দায় ভেসে উঠল! সাথে সাথে বলল,

-এসব তো জটিল বিষয়! নিজের ভাষায় বলতে গেলে ভুল হয়ে যেতে পারে! আমি হাদীস দিয়ে উত্তর দিই?
-ওম্মা, তা হলে তো কথাই নেই!
ছেলে এবার দাওরা হাদীসে ইবারত পড়ার মতো সুর করে দুলে দুলে পড়তে শুরু করল,

ওয়া বিহি কালা হাদ্দাসানা

وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا مِنْ رَجُلٍ يَدْعُو امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ فَتَأْبَ عَلَيْهِ إِلَّا كَانَ الَّذِي فِي السَّمَاءِ سَاخِطًا عَلَيْهَا حَتَّى يَرْضَى عَنْهَا

যার হাতে আমার জীবন, তার শপথ! কোনো মহিলাকে তার স্বামী বিছানায় আহ্বান করল, কিন্তু মহিলা তাতে সাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানাল, তা হলে আসমানে যিনি আছেন, তিনি মহিলার প্রতি ভীষণ ক্রুদ্ধ হবেন। স্বামী সন্তুষ্ট হওয়া পর্যন্ত তিনি তার প্রতি রাজি হবেন না।

ছেলের তখনো চোখ বন্ধ। সে অবস্থাতেই বলল, এটা সহীহ হাদীস। আলবানী রহ.-এর সার্টিফিকেটের দরকার নেই। মুসলিম শরীফে আছে। একথা বলে ভয়ে ভয়ে চোখ খুলল! দেখল সামনে বসা হুরপরীটা কীভাবে যেন আরও সুন্দর হয়ে গেছে! চেহারায় খেলা করছে আনন্দ আর রাজ্যের লজ্জা। সম্মতি! সংকোচ! অনুরাগ! আগ্রহ! কৌতূহল! বিস্ময়! আরও কত কী! চোখাচোখি হতেই পরীটা 'যাহ দুষ্ট' বলে মুখে ওড়না চাপা দিয়ে হাসতে হাসতে পালাল।

বই:- আই লাভ ইউ, পৃষ্ঠা :৫৩

--ভাইয়া, দেখো ঐখানে কি যেন লেখা আছে। --কই,কবরস্থানে নাকি ? -- হুম, পড়ে দেখো তো!--"গন্তব্য তো তোমার এটাই ছিল! শুধু জীবনটা...
04/10/2025

--ভাইয়া, দেখো ঐখানে কি যেন লেখা আছে।
--কই,কবরস্থানে নাকি ?
-- হুম, পড়ে দেখো তো!
--"গন্তব্য তো তোমার এটাই ছিল! শুধু জীবনটা কেটে গেল আসতে আসতে। কি পেলে এই স্বার্থপর দুনিয়া থেকে।"
--চলো,ভাইয়া নামাজের ওয়াক্ত হয়েছে।
--হ্যাঁ চলো।

-আব্দুল্লাহ (অভ্র)

03/10/2025

বাসে সিলেট যাচ্ছি। পাশের সিটে বসা ভাইয়াকে কি রকম মন মরা দেখলাম। তাই জিজ্ঞেস করলাম,
--আসসালামু আলাইকুম, ভাইয়ের কি কোন হয়েছে?
--ওয়ালাইকুম সালাম, না তেমন কিছু না।
--অসুবিধা না থাকলে বলতে পারেন,
--আসলে, কি করবো বুঝতে পারছি না, আমার অত দিনের রিলেশন টা ব্রেক হয়ে গেছে।
--ব্রেক মানে?
-- সে আমার সাথে ব্রেক আপ করছে। আমি তার জন্য কত কিছুই না করলাম। কত কষ্টই না পেতে হয়েছে তার জন্য। অনেক বুজিয়েছি তাও আমাকে ছেড়ে চলে গেছে

আরও অনেক কিছু বলল, তার শেষের কথায় অবাক না হয়ে পারলাম না কথাটা এই রকম, "আল্লাহ নিশ্চয়ই তাকে আমাকে ঠকানোর বিচার করবে।"
মনে মনে ভাবি, একেই বলে ডাবল স্ট্যাটাস। অর্থাৎ দুই চোরে চুরি করে একজনকে ঠকিয়েছে। তাই অন্যজন বলে,"তোর বিচার আল্লাহ করবে।"

-আবদুল্লাহ (অভ্র)

পাঁচ দশটাগ্যার্লফ্রেন্ড চালায়এমন ছেলে আসল পুরুষ নয়, আসল পুরুষ তো তারাই যারা রূপবতীদের রূপের আকর্ষণ উপেক্ষা করে চোখের হেফ...
03/10/2025

পাঁচ দশটা

গ্যার্লফ্রেন্ড চালায়

এমন ছেলে আসল পুরুষ নয়, আসল পুরুষ তো তারাই যারা রূপবতীদের রূপের আকর্ষণ উপেক্ষা করে চোখের হেফাজত করে।

বই: আকাশের উপরে আকাশ, পৃষ্ঠা: ২১৯

03/10/2025

চোখের হেফাজত, পুরুষেত গাইরত!!!

"নেককাজ করলেই কেউ আল্লাহর প্রিয় বান্দা হয়ে যায় না, বরং যে আল্লাহর হারাম কাজগুলো ছেড়ে দেয়, সে আল্লাহর প্রিয়পাত্র হয়।

কেবল মুখলেস এবং আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দারাই গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারে। বাকি নেককাজ তো নেককার ও বদকার—সবাই কম বেশি করে।"

সাহল আত-তুস্তারী (রহ.)
[সিফাতুস সাফওয়া, ২/২৭২]

-(সংগৃহীত )

03/10/2025

রিজিক শুধু ভোগে নয়, অন্যের সাথে ভাগাভাগি তেও বরকত আসে।❤️

03/10/2025

--দু'জন দু'জনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে!
---কি রকম প্রস্তুতি?
--একজন বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস ব্যবহার করে নকল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেছে তার আসল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার বদলে আর অন্য জন টাকার বস্তা অর্জনের চেষ্টা করতেছে গায়রত রক্ষার বদলে।
--পরিনাম কি আছে কোনো?
--আছে, পরিণাম আছে। একজনের টাকা শেষ হবে আর অন্যজনের নকল সৌন্দর্য শেষ হবে একইসাথে। সর্বশেষ ভালোবাসার পুঁজিতে টানাটানি পড়েে যাবে।

-- আব্দুল্লাহ (অভ্র)

--ভাইয়া, গাইরত কী?-- কেন কি হয়েছে? -- না মানে, আমি ভালো ভাবে জানি না গাইরত কি?তাই জানতে জিজ্ঞেস করলাম। --তুমি বলতে পারো...
03/10/2025

--ভাইয়া, গাইরত কী?
-- কেন কি হয়েছে?
-- না মানে, আমি ভালো ভাবে জানি না গাইরত কি?তাই জানতে জিজ্ঞেস করলাম।
--তুমি বলতে পারো গাইরত একধরনের আত্মসম্মান, ।যেমন, যখন কোনো পর নারী তোমার সামনে দিয়ে যায়, তখন তোমার দৃষ্টি সংযত করো।কিসের জন্য, তুমি জানো সে তোমার জন্য হারাম, তোমার মনে বাজে মন্তব্য আসতে পারে কেননা শয়তান সবসময় সুযোগ সন্ধনী। এবং এতে তোমার মন বা আত্মা নষ্ট বা নুর চলে যেতে পারে এবং ইচ্ছাকৃত ভাবে দেখলে গুনাহ হবে। এই ভেবে দৃষ্টি সংযত করার নামই গাইরত।
আবার তুমি হয়তো জানো,যে একজন সাহাবীর স্ত্রীকে অন্যজন দেখা তো দূরের কথা তাদের নামও জানতো না কেউ কেউ। এটা একটা গাইরত
আবার, তুমি হালাল কিছুর অপেক্ষা করলে, এটাও একটা গাইরত। যেমন, বর্তমানে হারাম রিলেশন খুবই সহজ। কিন্তু তুমি তা না করে ভাবলে, আমি হালালের জন্য অপেক্ষা করবো। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাকে উত্তম কিছু দিবেন। এটাও একটা গাইরত

আবার,একজন মুশরিক সে তার উটকে জবাই করেছিলো। কেন? তার স্ত্রী তার পিঠে চড়েছিল। অন্য কেউ যাতে তার পিঠে না চড়তে পারে। চাইলে তো সে,বিক্রি করতে পারতো, কিন্তু করেনি। এটা একটা গাইরত।

-আব্দুল্লাহ (অভ্র)

03/10/2025

“আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া'সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ” (ﷺ) ✨)

03/10/2025

“আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া'সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ” (ﷺ) ✨

Address

Lalmonirhat
Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Note's-نور posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share