12/05/2025
॥ যজুর্বেদ ১/১॥
ओ३म् इ॒षे त्वो॒र्जे त्वा॑ वा॒यव॑ स्थ दे॒वो वः॑ सवि॒ता प्रार्प॑यतु॒ श्रेष्ठ॑तमाय॒ कर्म॑ण॒ऽआप्या॑यध्वम् अघ्न्या॒ऽइन्द्रा॑य भा॒गं प्र॒जाव॑तीरनमी॒वाऽअ॑य॒क्ष्मा मा व॑ स्ते॒नऽई॑शत॒ माघशंसो ध्रु॒वाऽअ॒स्मिन् गोप॑तौ स्यात ब॒ह्वीर्यज॑मानस्य प॒शून् पा॑हि॥ १॥
ও৩ম্ ই॒ষে ত্বো॒র্জে ত্বা॑ বা॒য়ব॑ স্থ দে॒বো বঃ॑ সবি॒তা প্রার্প॑য়তু॒ শ্রেষ্ঠ॑তমায়॒ কর্ম॑ণ॒ঽআপ্যা॑য়ধ্বম্ অঘ্ন্যা॒ঽইন্দ্রা॑য় ভা॒গং প্র॒জাব॑তীরনমী॒বাঽঅ॑য়॒ক্ষ্মা মা ব॑ স্তে॒নঽঈ॑শত॒ মাঘশং॑সো ধ্রু॒বাঽঅ॒স্মিন্ গোপ॑তৌ স্যাত ব॒হ্বীর্য়জ॑মানস্য প॒শূন্ পা॑হি ॥ ১ ॥
পদার্থঃ (ইষে) অন্নবিজ্ঞানয়োঃ প্রাপ্তয়ে। ইষমিত্যন্ননামসু পঠিতম্ (নিঘং০ ৩।৭) ইষতীতি গতিকর্মসু পঠিতম্ (নিঘং০ ২।১৪) অস্মাদ্ধাতোঃ ক্বিপি কৃতে পদং সিধ্যতি (ত্বা) বিজ্ঞানস্বরূপং পরমেশ্বরম্ (ঊর্জে) পরাক্রমোত্তমরসলাভায়। ‘উর্গ্রসঃ’ (শত০ ৫।১।২।৮) (ত্বা) অনন্তপরাক্রমানন্দরসঘনম্ (বায়বঃ) সর্বক্রিয়া প্রাপ্তিহেতবঃ স্পর্শগুণা ভৌতিকাঃ প্রাণাদয়ঃ। বায়ুরিতি পদনামসু পঠিতম্ (নিঘং০ ৫।৪) অনেন প্রাপ্তিসাধকা বায়বো গৃহ্যন্তে। বা গতিগন্ধনয়োরিত্যস্মাৎ (কৃবাপা০ উণা০ ১।১) অনেনাপ্যুক্তার্থো গৃহ্যতে (স্থ) সন্তি। অত্র পুরুষব্যত্যয়েন প্রথমপুরুষস্য স্থানে মধ্যমপুরুষঃ (দেবঃ) সর্বেষাং সুখানাং দাতা সর্ববিদ্যাদ্যোতকঃ। দেবো দানাদ্বা দীপনাদ্বা দ্যোতনাদ্বা দ্যুস্থানো ভবতীতি বা য়ো দেবঃ সা দেবতা (নিরু০ ৭।১৫) (বঃ) য়ুষ্মাকং (সবিতা) সর্বজগদুৎপাদকঃ সকলৈশ্বর্য়্যবান্ জগদীশ্বরঃ (প্রার্পয়তু) প্রকৃষ্টতয়া সংয়োজয়তু (শ্রেষ্ঠতমায়) অতিশয়েন প্রশস্তঃ সোঽতিশয়িতস্তস্মৈ য়জ্ঞায় (কর্মণে) কর্তুং য়োগ্যত্বেন সর্বোপকারার্থায় (আপ্যায়ধ্বম্) আপ্যায়ামহে বা। অত্র পক্ষে ব্যত্যয়ঃ (অঘ্ন্যাঃ) বর্ধয়িতুমর্হা গাব ইন্দ্রিয়াণি পৃথিব্যাদয়ঃ পশাবশ্চ। ‘অঘ্ন্যা ইতি গোনামসু পঠিতম্’ (নিঘং০ ২।১১) (ইন্দ্রায়) পরমৈশ্বর্য়্যয়োগায় (ভাগম্) সেবনীয়ং ভাগানাং ধনানাং জ্ঞানানাং বা ভাজনম্ (প্রজাবতীঃ) ভূয়স্যঃ প্রজা বর্ত্তন্তে য়াসু তাঃ। অত্র ভূম্ন্যর্থে মতুপ্ (অনমীবাঃ) অমীবো ব্যাধির্ন বিদ্যতে য়াসু তাঃ। ‘অম রোগে’ ইত্যস্মাদ্ বাহুলকাদৌণাদিক ‘ঈবন্’ প্রত্যয়ঃ (অয়ক্ষ্মাঃ) ন বিদ্যতে য়ক্ষ্মা রোগরাজো য়াসু তাঃ। য়ক্ষ ইত্যস্মাৎ। অর্ত্তিস্তু০ (উণা০ ১।১৩৮) অনেন ‘মন্’ প্রত্যয়ঃ (মা) নিষেধার্থে (বঃ) তাঃ। অত্র পুরুষব্যত্যয়ঃ (স্তেনঃ) চোরঃ (ঈশাত) ঈষ্টাং সমর্থো ভবতু। অত্র লোডর্থে লঙ্। বহুলং ছন্দসি [অষ্টা০ ২।৪।৭৩] ইতি শপো লুগভাবঃ (মা) নিষেধার্থে (অঘশংসঃ) য়োঽঘং পাপং শংসতি সঃ (ধ্রুবাঃ) নিশ্চলসুখহেতবঃ (অস্মিন্) বর্ত্তমানে প্রত্যক্ষে (গোপতৌ) য়ো গবাং পতিঃ স্বামী তস্মিন্ (স্যাত) ভবেয়ুঃ (বহ্বীঃ) বহ্বয়ঃ অত্র। বা ছন্দসি (অষ্টা০ ৬।১।১০৬) অনেন পূর্বসবর্ণদীর্থাদেশঃ (য়জমানস্য) য়ঃ পরমেশ্বরং সর্বোপকারং ধর্মং চ য়জতিতস্য বিদুষঃ (পশূন্) গোঽশ্বহস্ত্যাদীন্ শ্রিয়ঃ প্রজা বা। শ্রীর্হি পশবঃ (শত০ ১।৬।৩।৩৬) প্রজা বৈ পশবঃ (শত০ ১।৪।৬।১৭) (পাহি) রক্ষ॥ অয়ং মন্ত্র (শত০ ১।৫।৪।১-৮) ব্যাখ্যাতঃ ॥ ১ ॥
প্রমাণার্থঃ (ইষে) ‘ইষম্’ শব্দ নিঘং০ (২।৭) মধ্যে অন্ন নামে পঠিত রয়েছে। ‘ইষতি’ পদ নিঘং০ (২।১৪) মধ্যে গত্যর্থক ধাতুসমূহে পঠিত রয়েছে। এই ধাতু সহিত ক্বিপ্ প্রত্যয় করার পর ‘ইষ্’ শব্দ সিদ্ধ হয়। (ঊর্জে) শতপথ ব্রাহ্মণ (৫।১।২।৮) মধ্যে ‘ঊর্ক্’ এর অর্থ ‘রস’ করেছে। (বায়বঃ) ‘বায়ু’ শব্দ নিঘং০ (৫।৪) মধ্যে পদ নামে পঠিত রয়েছে। এর দ্বারা প্রাপ্তি সাধক বায়ু গৃহীত হয়। ‘বা গতিগন্ধনয়োঃ’ এই ধাতু থেকে ‘কৃবাপা০’ (১।১) উণাদি সূত্রে বায়ু শব্দ সিদ্ধ হওয়ায় উক্তার্থের গ্রহণ হয়। (স্থ) সন্তি। পুরুষ ব্যত্যয় থেকে প্রথম পুরুষের স্থানে মধ্যম পুরুষ রয়েছে। (দেবঃ) নিরুক্ত (৭।১৫) এর অনুসারে দান প্রদানে, দীপ্তিমান হওয়ায়, দ্যোতিত হওয়ায় অথবা দ্যুস্থানীয় হওয়ায় ‘দেব’ বলা হয়। দেবকেই দেবতা বলা হয়। (আপ্যায়ধ্বম্) আপ্যায়ামহে। এখানে পক্ষে পুরুষ ব্যত্যয় রয়েছে। (অঘ্ন্যাঃ) এই শব্দ নিঘং০ (২।১১) মধ্যে গো নামে পঠিত রয়েছে। (প্রজাবতীঃ) এখানে আধিক্য অর্থে মতুপ্ প্রত্যয় রয়েছে। (অনমীবাঃ) ‘অগ রোগে’ এই ধাতু থেকে বহুল করে ঔণাদিক ‘ঈবন্’ প্রত্যয় রয়েছে। (অয়ক্ষ্মাঃ) য়ক্ষ ধাতু থেকে অত্তিস্তু০ (১।১৩৮) উণাদিসূত্র সহিত মন্ প্রত্যয় রয়েছে। (বঃ) তাঃ। এখানে পুরুষ ব্যত্যয় রয়েছে। (ঈশত) এখানে লোট্ অর্থে লঙ্ লকার রয়েছে তথা ‘বহুলং ছন্দাসি’ সহিত শপ্ এর লুক্ হয়নি। (বহ্বীঃ) বহ্ব্যঃ। এখানে ‘বা ছন্দাসি’ (অ০ ৬।১।১০৬) থেকে পূর্বসবর্ণ দীর্ঘ আদেশ রয়েছে। (পশূন্) শতপথ ব্রাহ্মণ (কাণ্ড ১, প্রপাঠক ৬, ব্রাহ্মণ ৩, খণ্ড ৩৬) মধ্যে পশুর অর্থ শ্রী রয়েছে। শত০ (খণ্ড ১, প্রপাঠক ৪, ব্রাহ্মণ ৬, খণ্ড ১৭) মধ্যে করা হয়েছে॥
পদার্থঃ হে মনুষ্য! এই (সবিতা) সমস্ত জগতের উৎপাদক, সকল ঐশ্বর্যসম্পন্ন জগদীশ্বর, (দেবঃ) সকল সুখের দাতা, সকল বিদ্যাসমূহের প্রকাশক ভগবান, (বায়বঃ স্থ) যা সমস্ত আমাদের (বঃ) এবং তোমাদের প্রাণ, অন্তঃকরণ এবং ইন্দ্রিয় রয়েছে এবং সকল ক্রিয়ার প্রাপ্তির হেতু স্পর্শ গুণযুক্ত ভৌতিক প্রাণাদি রয়েছে, সেগুলো (শ্রেষ্ঠতমায়) অত্যন্ত শ্রেষ্ঠ যজ্ঞ (কর্মণে) যা সকলের উপকারের জন্য কর্তব্য কর্ম রয়েছে সেগুলোর সহিত (প্রার্পয়তু) উত্তম প্রকারে সংযুক্ত করবে।
আমরা (ইষে) অন্ন, উত্তম ইচ্ছা তথা বিজ্ঞানের প্রাপ্তির জন্য সবিতা দেবরূপ (ত্বা) বিজ্ঞান স্বরূপ আপনাকে অর্থাৎ পরমেশ্বরকে তথা (ঊর্জে) পরাক্রম এবং উত্তম রসের প্রাপ্তির জন্য (ভাগম্) সেবনীয়, ধন এবং জ্ঞানের পাত্র (ত্বা) অনন্ত পরাক্রম তথা আনন্দ রসে পরিপূর্ণ সর্বদা আপনার শরণ প্রার্থনা করি। হে মনুষ্য! এইরূপ হয়ে তোমরা (আপ্যায়ধ্বম্) উন্নতিকে প্রাপ্ত করো এবং আমরা উন্নতিকে প্রাপ্ত করছি।
হে পরমেশ্বর ! আপনি কৃপা করে আমাদের (ইন্দ্রায়) পরম ঐশ্বর্যের প্রাপ্তির জন্য এবং (শ্রেষ্ঠতমায়) অত্যন্ত শ্রেষ্ঠ যজ্ঞ (কর্মণে) কর্ম করার জন্য এই (প্রজাবতীঃ) বহ প্রজাযুক্ত (অনমীবাঃ) ব্যাধিরহিত (অয়ক্ষ্মাঃ) যক্ষ্মা রাজ রোগ থেকে রহিত (অঘ্ন্যাঃ) বৃদ্ধিযোগ্য, অহিংসনীয় গো, ইন্দ্রিয়, পৃথিবী আদি এবং যে পশু রয়েছে, সেগুলোর সহিত সর্বদা (প্রার্য়য়তু) সংযুক্ত করুন।
হে পরমাত্মন! আপনার কৃপায় আমাদের মধ্যে কোনো (অঘশংসঃ) পাপের প্রশংসক, পাপী এবং (স্তেনঃ) চোর (মা+ঈশৎ) কখনো উৎপন্ন না হোক অথবা উৎপন্ন হতে সমর্থ না হোক। এবং –
আপনি এই (য়জমানস্য) জীবের পরমেশ্বর তথা সর্বোপকারক ধর্মের উপদেশক বিদ্বান (পশূন্) গো, ঘোড়া, হাতি আদি লক্ষ্মী বা প্রজার (পাহি) সর্বদা রক্ষা করুন, যাহাতে –
(বঃ) সেই গোসমূহ এবং এই পশুসমূহকে (অঘ শংসঃ) পাপী (স্তেনঃ) চোর (মা+ঈশত) হনন করতে সমর্থ না হয়। যাহাতে (অস্মিন্) এই (গোপতৌ) পৃথিবী আদির রক্ষার ইচ্ছুক ধার্মিক মনুষ্য এবং গো-স্বামীর কাছে (বহ্বীঃ) বহু গাভি (ধ্রুবাঃ) স্থির সুখকারক (স্যাত) হয় ॥ ১॥
ভাবার্থঃ মনুষ্য সর্বদা ধর্মযুক্ত পুরুষার্থের আশ্রয়ে, ঋগ্বেদের অধ্যয়নে গুণ এই গুণীকে জ্ঞাত হয়ে সকল পদার্থের প্রয়োগে পুরুষার্থ সিদ্ধির জন্য অত্যুত্তম ক্রিয়াসমূহ সহিত সংযুক্ত থাকবে। যাহাতে ঈশ্বরের কৃপায় সকলের সুখ এবং ঐশ্বর্যের বৃদ্ধি হবে, এবং শুভ কর্ম দ্বারা প্রজার রক্ষা এবং শিক্ষা সর্বদা করবে। যাহাতে কোনো রোগরূপ বিঘ্ন এবং চোর প্রবল হতে বা পারে। এবং প্রজা সকল সুখকে প্রাপ্ত হয়। যিনি এই বিচিত্র সৃষ্টি রচনা করেছে, সেই জগদীশ্বরের তোমরা সর্বদা ধন্যবাদ করো। এরূপ করার পর পরম দয়ালু ঈশ্বর কৃপা করে সর্বদা রক্ষা করবে, এরূপ জানবে।
অন্যত্র ব্যাখ্যানঃ মহর্ষি ‘ইষে ত্বোর্জে’ মন্ত্রটি সংস্কার বিধির স্বস্তিবাচনে উল্লেখ করেছেন। মহর্ষি ‘গোকরুণানিধি’ তে এই মন্ত্রের একটি অংশের ব্যাখ্যা এই প্রকার করেছেন –
“যজুর্বেদের প্রথম মন্ত্রেই পরমাত্মার আজ্ঞা রয়েছে যে, ‘অঘ্ন্যা য়জমানস্য পশূন্ পাহি’ হে মনুষ্য! তুমি এই পশুদের কখনো হত্যা করো না এবং যজমান অর্থাৎ সকলের সুখ প্রদানকারী সম্বন্ধী পশুদের রক্ষা করো, যাহাতে তোমারও সম্পূর্ণ রক্ষা হবে এবং এইজন্য ব্রহ্মা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আর্যগণ পশুদের হিংসায় পাপ এবং অধর্ম মান্য করতো এবং এখনো মান্য করে এবং এদের রক্ষায় অন্নও মূল্যবান হয় না কেননা দুধ আদির অধিক ভোজনে দরিদ্রের খাদ্য-পানীয় এর প্রাপ্ত হওয়ার পর অল্পই অন্ন খাওয়া যায় এবং অন্নের কম খাওয়ায় মলও কম হয়, মলের কম হওয়ায় দুর্গন্ধও কম হয়, দুর্গন্ধ কম হওয়ায় বায়ু এবং বৃষ্টি জলের শুদ্ধিও বিশেষরূপে হয়। উহাতে রোগের কম হওয়ায় সকলের সুখ বৃদ্ধি পায়। এতে এটি ঠিক যে গো আদি পশু সমূহের নাশ হওয়ায় রাজা এবং প্রজারও নাশ হয়ে যায়। কেননা যখন পশু কম হয় তখন দুধ আদি পদার্থ এবং কৃষি আদি কার্যেও ঘাটতি হয়।”
ভাষ্যসারঃ ১. ঈশ্বরের স্বরূপ – এই মন্ত্রে সমস্ত জগতের উৎপাদক, সকল ঐশ্বর্যযুক্ত হওয়ায় ঈশ্বরকে ‘সবিতা’ তথা সুখের দাতা এবং সকল বিদ্যা সমূহের প্রকাশক হওয়ায় ‘দেব’ বলা হয়েছে।
২. ঈশ্বরের প্রার্থনা – হে সবিতা দেব ! আপনি আমাদের প্রাণ, অন্তঃকরণ এবং ইন্দ্রিয়কে সব থেকে শ্রেষ্ঠ যজ্ঞকর্মে যুক্ত করুন। আমরা অন্ন এবং বিজ্ঞানের প্রাপ্তির জন্য, বল-পরাক্রমের সিদ্ধির জন্য আপনাকে ত্যাগ করে কার আশ্রয় নিবে, কেননা আপনিই সকল প্রকারের ঐশ্বর্যের প্রদাতা। হে পরমেশ্বর ! আপনার কৃপায় আমাদের গৌ আদি পশু, ইন্দ্রিয় তথা পৃথিবী আদির সকল পদার্থ রোগ রহিত হোক। আপনার অনুগ্রহে আমাদের মধ্যে কোনো পাপী, চোর কখনো উৎপন্ন না হোক, বা সমর্থ হতে পারে না। আপনি পরমেশ্বরের পূজক, সর্বোপকারী ধর্মাত্মা বিদ্বানের হাতি-ঘোড়া আদি পশুসমূহ তথা লক্ষ্মী এবং প্রজার সর্বদা রক্ষা করুন। আপনার কৃপায় পৃথিবী আদির রক্ষক ধার্মিক মনুষ্যের কাছে স্থির সুখকারক গৌ আদি পদার্থ সর্বদা থাকুক।
৩. উত্তম কর্ম – সর্বোপকারক, অত্যন্ত প্রশংসনীয় যজ্ঞ ॥ ১॥
_______________________________
The Sword Of VEDA