বৈদিক মীমাংসা - Vaidic Mimansa

বৈদিক মীমাংসা - Vaidic Mimansa সর্বদা সত্য ও ধর্মের পথে

ঋগ্বেদে পিতা-পুত্রী অশ্লীলতার মীমাংসা म॒ध्या यत्कर्त्व॒मभ॑वद॒भीके॒ कामं॑ कृण्वा॒ने पि॒तरि॑ युव॒त्याम्। म॒ना॒नग्रेतो॑ जहत...
10/06/2026

ঋগ্বেদে পিতা-পুত্রী অশ্লীলতার মীমাংসা

म॒ध्या यत्कर्त्व॒मभ॑वद॒भीके॒ कामं॑ कृण्वा॒ने पि॒तरि॑ युव॒त्याम्।
म॒ना॒नग्रेतो॑ जहतुर्वि॒यन्ता॒ सानौ॒ निषि॑क्तं सुकृ॒तस्य॒ योनौ॑॥
মধ্যা য়ৎকর্ত্বমভবদভীকে কামং কৃণ্বানে পিতরি য়ুবত্যাম্।
মনানগ্রেতো জহতুর্বিয়ন্তা সানৌ নিষিক্তং সুকৃতস্য য়োনৌ॥
[ঋগ্বেদ ১০.৬১.৬]

पि॒ता यत्स्वां दु॑हि॒तर॑मधि॒ष्कन्क्ष्म॒या रेत॑: संजग्मा॒नो नि षि॑ञ्चत्।
स्वा॒ध्यो॑ऽजनय॒न्ब्रह्म॑ दे॒वा वास्तो॒ष्पतिं॑ व्रत॒पां निर॑तक्षन्॥
পিতা য়ৎস্বাং দুহিতরমধিষ্কন্ক্ষ্ময়া রেতঃ সঞ্জগ্মানো নি ষিঞ্চৎ।
স্বাধ্যোঽজনয়ন্ব্রহ্ম দেবা বাস্তোষ্পতিং ব্রতপাং নিরতক্ষন্॥
[ঋগ্বেদ ১০.৬১.৭]

ঋগ্বেদ ১০.৬১.৬-৭ এই মন্ত্র দুটি নিয়ে অনেকের মধ্যে শঙ্কার উৎপত্তি হয় যে, এই মন্ত্রদ্বয়ে বাবা-মেয়ে/পিতা-পুত্রীর অশ্লীলতার উল্লেখ রয়েছে। এই শঙ্কা উৎপন্ন হওয়ার যথাযথ কারণও রয়েছে, কেননা তথাকথিত কিছু বিদ্বান এবং পৌরাণিক সায়ন, মহীধর, উব্বট আদি বেদভাষ্যকার এইরূপ অর্থই গ্রহণ করেছেন। দেখুন তাদের সকলের ভাষ্য এইরূপ —

“যখন পিতা যুবতী কন্যার উপর পূর্বোক্তরূপ রতিকামনা পরবশ হলেন এবং উভয়ের সঙ্গমান হলো, তখন উভয়ে পরস্পর সঙ্গমে প্রচুর রস সেক করলেন। সুকৃতের আধার স্বরূপ এক উন্নত স্থানে সেই রস সেক হলো॥ ৬॥ যখন পিতা নিজ কন্যাকে সম্ভোগ করলেন, তখন পৃথিবীর সাথে সঙ্গত হয়ে রস সেক করলেন। সুচারু ধীরশক্তি সম্পন্ন দেবতাগণ তা হতে ব্রহ্ম সৃষ্টি করলেন এবং ব্রতরক্ষাকারী বাস্তোষ্পতিকে নির্মাণ করলেন॥ ৭॥”

☞ এই অনুবাদ পড়েই যে কেউ বলবে যে পিতা-পুত্রীর সম্ভোগরূপ এতটা অশ্লীল গ্রন্থ কখনো ঈশ্বর কর্তৃক প্রেরিত হতে পারে না। বাস্তবেও তাই, পিতা-পুত্রীর সম্ভোগ কী প্রকারে সম্ভব ? এইসব পৌরাণিক বেদভাষ্য যদি কোনো অন্বেষণী সনাতনী পড়ে, আর যদি সঠিক অর্থের খোঁজ না পায় তাহলে নিশ্চিত ধর্মান্তর।
এখন এই মন্ত্রদ্বয়ের ব্যাকরণ-নিরুক্তগত যথার্থ অর্থ দেখুন। আমরা এখানে আর্য সমাজের তিনজন ভাষ্যকারের ভাষ্য উল্লেখ করবো। সেই তিনটি ভাষ্য পড়লেই যেকেউ এই মন্ত্রদ্বয়ের প্রকৃত ভাব বুঝতে সক্ষম হবেন। এবং এই মন্ত্রদ্বয়ে যে কোনো প্রকার অশ্লীলতার উল্লেখ নেই তাও প্রমাণ হয়ে যাবে। দেখুন —

✰ {স্বামী ব্রহ্মমুনি পরিব্রাজক কৃত ভাষ্য} ✰

পদার্থঃ (য়ৎ) যখন (য়ুবত্যাং কর্ত্বম্-অভবৎ) যুবতী ভার্যায় পুত্রোৎপাদন দ্বারা কর্তব্য পূর্ণ হয়ে যায় (পিতরি কামং কৃণ্বানে-অভীকে) জীবিত পিতায় বা তার আশ্রয় পুত্রের পুত্র উৎপাদনের কামনা হয়ে যাওয়ার পর তার সম্মুখ (বিয়ন্তৌ মনানক্-রেতঃ-জহতুঃ) বিশিষ্টতা দ্বারা প্রাপ্ত হয়ে পতি-পত্নী অল্প সন্তানদেরকে ত্যাগ দেবে-উৎপন্ন করবে (সুকৃতস্য য়োনৌ সানৌ নিষক্তম্) পুণ্যকর্মের অর্থাৎ পিতৃ-ঋণের প্রতীকার হয়ে যাওয়ার পর গৃহাশ্রমে বিশেষ সেবন করার যোগ্য জগতে নিষেক করা কর্তব্য হয়ে থাকে॥ ৬॥

ভাবার্থঃ যুবতী ভার্যায় [স্ত্রীতে] পুত্রোৎপাদনের জন্য বীর্য নিষেক করা কর্তব্য হয়ে থাকে। জীবিত পিতা থাকা অবস্থায় কমপক্ষে প্রজা অর্থাৎ সন্তান তো অবশ্যই উৎপন্ন করবে। এরজন্য গৃহস্থ আশ্রম পুণ্যের স্থান। বিশেষ সেবনীয় জগতে সন্তান পরম্পরার জন্য নিষেক করা আবশ্যক। ইহা গৃহস্থাশ্রমের পরম্পরা।

পদার্থঃ (ক্ষ্ময়া সঞ্জগ্মানঃ) সন্তানের ভূমিরূপ পত্নীর সহিত সঙ্গত হয়ে, তথা (রেতঃ নিষিঞ্চন্) গর্ভাধান রীতিতে বীর্যের সিঞ্চন করে (পিতা স্বাং দুহিতরম্-অধিষ্কন্) পিতা নিজ কন্যাকে প্রাপ্ত করে বা উৎপন্ন করে, পুত্র প্রাপ্ত করে না; তখন (স্বাধ্যঃ-দেবাঃ-ব্রহ্ম জনয়ন্) দূরদর্শী বিদ্বান [বেদ] জ্ঞানকে বা গৃহস্থ জ্ঞানের নিয়মকে প্রকট করে, ঘোষণা করে যে (বাস্তোষ্পতিং ব্রতপাং নির্-অতক্ষন্) সেই কন্যা গৃহপতি অর্থাৎ ঘরের স্বামী রূপে পিতৃকর্মের রক্ষিকা॥ ৭॥

ভাবার্থঃ যদি পুরুষের পত্নী সমাগম অর্থাৎ বীর্য সিঞ্চন করার পর পুত্রকে প্রাপ্ত না করে কেবল কন্যাকে প্রাপ্ত করে, তখন সেই কন্যা পিতৃকর্মের রক্ষিকা তথা পিতার ঘরের সম্পত্তির স্বামী হয়। এইরূপ বেদের পরম্পরা এবং বৈদিক বিদ্বানদের মান্যতা।
✰ {পণ্ডিত জয়দেব শর্মা কৃত ভাষ্য} ✰

[মন্ত্রের বিষয়ঃ পুত্রোৎপাদনের আবশ্যকতা]

পদার্থঃ (য়ুবত্যাম্) যুবতী, যুবাবস্থায় বর্তমান স্ত্রীর মধ্যে (কামং) অভিলাষ (কৃণ্বানং) করে (পিতরি) পিতা, সন্তানোৎপাদক এবং পালক পুরুষের আশ্রয় (মধ্যা) সেই উভয়ের মধ্যে এবং (অভীকে) সেই উভয়ের সমীপেও (য়ৎ কর্ত্বম্ অভবৎ) যে গৃহস্থ কর্ম হয় তার মধ্যে তাঁরা (বিয়ন্তা) বিশেষ রূপে একে-অপরকে প্রাপ্ত হয়ে (সানৌ) ভোগ্য দেহে (নিষিক্তম্) নিষেক করে (রেতঃ) বীর্যকে (সুকৃতস্য য়োনৌ) পুণ্যের আশ্রয়ভূত গৃহে (মনানক্) কমপক্ষে একটি তো অবশ্যই (জহতুঃ) নিজের পরবর্তী উত্তরাধিকারী রূপে ছেড়ে যাবে। কমপক্ষে তাঁদের একটি পুত্র অবশ্য হওয়া উচিত॥ ৬॥

[মন্ত্রের বিষয়ঃ পুত্র না হওয়ার স্থিতিতে কন্যাকেই পিতার ধনের উত্তরাধিকার]

পদার্থঃ (য়ৎ) যে (পিতা) পিতা (ক্ষ্ময়া সং-জগ্মানঃ) নিজ [সন্তানের জন্ম, পালন, ধারণরূপ হওয়ায়] ভূমি, স্ত্রীর সহিত সঙ্গত হয়ে (রেতঃ নিষিঞ্জিৎ) বীর্যের আধান করে এবং সে (স্বাম্ দুহিতরং) নিজ কন্যাকেই (অধি-স্কন্) পুত্রবৎ প্রাপ্ত করে। (সু-আধ্যঃ দেবাঃ) উত্তম ধ্যানী, জ্ঞানী বিদ্বান পুরুষ (ব্রহ্ম অজনয়ন্) এই বেদজ্ঞান প্রকট করেছে যে তিনি এইরূপ সময়ে (স্বাং দুহিতরম্) নিজ কন্যাকে বা তাঁর থেকেই (বাস্তোঃ পতিম্) গৃহের স্বামী এবং (ব্রত-পাম্) সকল কার্যের পালকরূপ উত্তরাধিকারী পুত্রকে (নির অতক্ষন্) প্রাপ্ত করবে। অর্থাৎ তাঁর থেকে উৎপন্ন নাতিই পিতার ধনের উত্তরাধিকার হবে॥ ৭॥

➤ উপরোক্ত আর্য সমাজের দুই ভাষ্যকারের ভাষ্যে কোনোরূপ অশ্লীলতার উল্লেখ নেই। বরং ব্যাকরণগত বিধিতে তাঁরা মন্ত্রের সঠিক অর্থকে প্রকট করেছেন। মন্ত্রদ্বয়ের সর্বোপরি ভাব হলো - পিতার জীবিত থাকা অবস্থায় কমপক্ষে একটি সন্তান উৎপন্ন করা উচিত। কেননা এটি গৃহস্থ আশ্রমের কর্তব্য। সেই সন্তান যদি পুত্র না হয়ে কন্যা হয়, তাহলে নিজ পিতার সকল পরিসম্পত্তির উত্তরাধিকার সেই কন্যা সন্তানই হবে। এটিই বেদের নির্দেশ।
স্ত্রীকে অর্থাৎ সন্তানের মাতাকে এখানে ভূমি বলা হয়েছে। এর কারণ কী ? মাতা সন্তানকে নিজ গর্ভে ধারণ করে রক্ষা করে, জন্মের পরবর্তী সময়ে পালন করে; ঠিক যেমন ভূমিতে শস্য সমূহ। তাই এখানে স্ত্রীকে অর্থাৎ সন্তানের মাতাকে এখানে ভূমিরূপ বলে কথন করা হয়েছে।
এই আর্য সমাজের আরেকজন বিদ্বান পণ্ডিত এই মন্ত্রদ্বের ভিন্ন রূপে অর্থ করেছেন। এটিও ব্যাকরণ ও নিরুক্তগত ভাষ্য। চলুন দেখে নেওয়া যাক —

✰ {পণ্ডিত হরিশরণ সিদ্ধান্তালঙ্কার কৃত ভাষ্য} ✰

[মন্ত্রের বিষয়ঃ ভঙ্গ এবং নতুন নির্বাচনের সময় শক্তি কোথায় ?]

পদার্থঃ [১] (য়ৎ) যা (কর্তং মধ্যা অভবৎ) নিজ কার্যের মধ্যেই হয়, অর্থাৎ সকল যেকোনো আইনের উপর বিচার করা হচ্ছে সেই বিচার পূর্ণ না হয় তবুও (অভীকে) [at the right time, just in time] ঠিক সময়, অর্থাৎ সভার সময়ের অবধির সমাপ্ত হওয়ার পর (পিতরি) রাষ্ট্রের পিতা [=রক্ষক] রাজার (য়ুবত্যাম্) সেই যুবতি সভায় (কামং কৃণ্বানে) নিজ সভাভঙ্গ রূপ ইচ্ছাকে করার পর, এই (বিয়ন্তা) ভঙ্গ হওয়া সভা সমূহ [সভা বা সমিতি] (রেতঃ) শক্তিকে (মনানক্) সামান্য টুকু সামান্য সময়ের জন্য (জহতুঃ) ছেড়ে দেয়।
[২] এই নির্বাচনপর কালে এই শক্তি (সানৌ) শিকরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি রাষ্ট্রপতিতে (নিষিক্তম্) সিক্ত হয়, যে রাষ্ট্রপতি (সুকৃতস্য য়োনৌ) সুকৃতের যোনি, সর্বদা উত্তম কার্যেরই সম্পাদনকারী, যাঁর থেকে এই আশা করা যায় যে তিনি মন্দকর্ম করতেই পারে না [a king can do no wrors]
[৩] সভাকে এখানে যুবতী বলা হয়েছে। বস্তুতঃ প্রতি চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ষে পুনরায় নির্বাচন হয়ে যাওয়ার কারণে সভার বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই থাকে না। এটি সদা যুবতী হয়ে থাকে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করায় তাই তিনি এই যুবতির পিতা কথিত হয়েছেন। এই যুবতীর মধ্যেই সেই পিতা শক্তির স্থাপন করে দেয়, সভাই তো রাষ্ট্রের সঞ্চালন করে। নির্বাচনের অল্পকালে এই শক্তি পুনরায় সেই পিতার নিকট, যিনি কিনা রাষ্ট্র রূপ গৃহে সর্বোচ্চ ব্যক্তি, এবং যাঁর থেকে এই আশা করা যায় যে তিনি যা কিছু করবেন তা সঠিকই করবেন, স্থাপিত হন।
[৪] এখানে এই সংকেত স্পষ্ট রয়েছে যে নির্বাচন সভা ও মন্ত্রীমণ্ডল করান না। পূর্ববর্তী সভা ও মন্ত্রীমণ্ডল ভঙ্গ হয়ে রাষ্ট্রপতিই নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন॥ ৬॥

ভাবার্থঃ নির্বাচন সঠিক সময়েই হয়ে যাওয়া আবশ্যক। সভার কোনো কার্য অসম্পূর্ণ হলেও সভাভঙ্গ হয়ে নতুন নির্বাচন হওয়া উচিত, নতুন সভা সেই কার্যকে পূর্ণ করবে। নির্বাচনের সময় সকল শক্তি রাষ্ট্রপতির মধ্যে নিহিত হওয়া আবশ্যক।
[মন্ত্রের বিষয়ঃ রাষ্ট্রপতি সভাকে নির্বাচন করায়, সভা রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করে]

পদার্থঃ [১] (য়ৎ) যখন (পিতা) রাষ্ট্রের রক্ষক রাষ্ট্রপতি (স্বাং দুহিতরম্) নিজ পূরিকা এবং নিজ কন্যার সমান এই সভাকে (অধিষ্কন্) অধিরূঢ় হয় [to ascend], অর্থাৎ সভা থেকে শক্তিকে নিয়ে সভাকে ভঙ্গ করে দেয়। তো (ক্ষ্ময়া) এই রাষ্ট্রভূমি থেকে (সঞ্জগ্মানঃ) সঙ্গত হয়ে অর্থাৎ সমগ্র রাষ্ট্রভারকে নিজের কাঁধে নিয়ে এই (রেতঃ) সমগ্র শক্তিকে (নিষিঞ্চৎ) নিজের মধ্যেই সিক্ত করে, সকল শক্তিকে নিজের মধ্যে স্থাপিত করে। এই প্রকার দেশে নির্বাচনের জন্য পরিবেশকে প্রস্তুত করে দেয়। এবং নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পর
[২] (স্বাধ্যঃ) [সুধ্যানাঃ সুকর্মাণো বা সা০] উত্তম ধ্যানকারী বা উত্তম কর্মকারী (দেবাঃ) রাষ্ট্র ব্যবহারের পরিচালনাকারী দেববৃত্তির নির্বাচিত সভ্য (ব্রহ্ম) রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিকে অজনয়ন উৎপন্ন করে। অর্থাৎ তাঁরা রাষ্ট্রপতির নির্বাচন করে। তাঁকে এই (বাস্তোষ্পতিম্) রাষ্ট্রগৃহের রক্ষক ও (ব্রতপাম্) [নিয়মঃ-ব্রতম্] নিয়মের পালনকারী (নিরতক্ষন্) নিশ্চিত রূপে তৈরি করেন। রাষ্ট্রপতির কার্য এই যে তিনি রাষ্ট্রের রক্ষা করবেন, এই রাষ্ট্রপতিই অন্তত সম্পূর্ণ সৈন্যের প্রধান হন এবং রাষ্ট্রের শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য উত্তরদায়ী হন। এই বিষয়েরও রাষ্ট্রপতির ধ্যান রাখতে হয় যে তাঁর অমাত্য কোনো প্রকারের নিয়ম বিরুদ্ধ কার্য যেন না করে॥ ৭॥

ভাবার্থঃ রাষ্ট্রপতি সভার সভাধ্যক্ষদের নির্বাচন করান। নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁরা রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করেন। রাষ্ট্রপতির প্রধান কার্য রাষ্ট্র-রক্ষণ, নিয়মের পালন করানো।

একটু পর্যালোচনাঃ
যারা সারাদিন আর্য সমাজের বিরোধিতা করেন, যারা সারাদিন অগ্নিবীরের পেছনে লেগে থাকেন ভুল ধরতে। তারা কি তাদের পৌরাণিক ভাষ্যকারদের এইসব ভুলকে চোখে দেখে না ? নাকি দেখার সত্ত্বেও পিতা-পুত্রীর এইসব অশ্লীলতাকে সঠিক মনে করে নিরব হয়ে বসে থাকে ? যদি তারা মনে করে যে সায়ন আদি ভাষ্যকারের ভাষ্য সঠিক, তাহলে কি এটা মেনে নিবে যে পিতা-পুত্রীর অশ্লীল যৌন মিলন বৈধ ? যদি মানেন তাহলে এটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। পাঠকদের নিকট একটিই নিবেদন যে, সর্বদা সত্যকে অন্বেষণ পূর্বক গ্রহণ করুন। বেদ শাস্ত্র পরমাত্মা কর্তৃক প্রদত্ত [গীতা ৩.১৫], তাই এতে কোনো প্রকার অশ্লীলতা থাকতে পারে না।

এই মন্ত্র দুটির ভিন্ন ব্যাখ্যা আমাদের ওয়েবসাইটে বহু পূর্বে আপলোড করা রয়েছে —
http://back2thevedas.blogspot.com/2016/07/blog-post_30.html?m=1

🖊️ শ্রী রজিৎ চন্দ্র বর্মন
শিক্ষা ও শাস্ত্রার্থ সমন্বয়ক
বাংলাদেশ অগ্নিবীর, রংপুর বিভাগীয় শাখা

বেদ কী ?বেদ শদ ‘বিদ্’ ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ - জ্ঞান প্রাপ্ত করা (বিদ্ জ্ঞানে – ধাতুপাঠ ২।৫৭)। পরমাত্মা সৃষ্টির আদিতে...
07/05/2026

বেদ কী ?

বেদ শদ ‘বিদ্’ ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ - জ্ঞান প্রাপ্ত করা (বিদ্ জ্ঞানে – ধাতুপাঠ ২।৫৭)। পরমাত্মা সৃষ্টির আদিতে চার ঋষিদের হৃদয়ে যে বিদ্যার প্রকাশ করেছেন এবং সেই বিদ্যা প্রাচীন, মধ্যকালীন এবং বর্তমানের বৈদিক বিদ্বানদের পুরুষার্থ দ্বারা সুরক্ষিত এবং সংরক্ষিত, এই বিদ্যা এই অনন্ত জ্ঞানের ভাণ্ডারকে বেদ বলে।

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৈদিক মীমাংসা - Vaidic Mimansa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share