Laws of Veda

Laws of Veda "ঋতস্য পথ্যা অনু" - ঋগ্বেদ ৩/১২/৭
> হে মানব! সত্যের পথ অনুসরণ করো।

বুয়েটের একটি সাইকোপ্যাথ নোংরা ছেলেকে নিয়ে অনেক তোলপাড় চলছে। এর কারণ বলা হচ্ছে সে নাকি রেডিট নামক একটি সামাজিক যোগাযোগ মা...
25/10/2025

বুয়েটের একটি সাইকোপ্যাথ নোংরা ছেলেকে নিয়ে অনেক তোলপাড় চলছে। এর কারণ বলা হচ্ছে সে নাকি রেডিট নামক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মু*সলিম নারীদের নিয়ে অশ্লীল কথাবার্তা বলেছে, খুবই খারাপ বিষয়।
আমরা চাই এরকম সাইকোপ্যাথদের যথাযথ শাস্তি ও সাইকোলজিকাল ট্রিটমেন্ট হোক, এদের শাস্তির সাথে সাথে সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং প্রয়োজন।

সমস্যা অন্য জায়গায়, সমস্যা অর্ধসত্য নিয়ে। কী সেই অর্ধসত্য?

দেখা গেল ছেলেটি যে পোস্টে/থ্রেডে কমেন্ট করেছিল সেই থ্রেডের নাম কী জানেন? থ্রেডটির নাম Cross Religion Attraction, এবং নাম দেখেই বুঝতে পারছেন সেই থ্রেডের বিষয়বস্তু এক রিলিজয়নের পা*র্ভার্ট ছেলেদের অন্য রিলিজিয়নের মেয়েদের প্রতি দৈহিক আকর্ষণ। যে জিনিসটা ভয়াবহ এক তথ্য স*ন্ত্রাসের মাধ্যমে আপনাদের সকলের কাছে আড়াল করা হচ্ছে তা হলো ওই থ্রেডের অধিকাংশ কমেন্টই হচ্ছে বুয়েটের ছেলেটির মতোই স্বভাবের মু*স*লিম ছেলেদের, তাদের কমেন্টের মূল বিষয়বস্তু হি*ন্দু মেয়েদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ আকর্ষণের বৃত্তান্ত। যেমন 'Unpredictable Buoy' নামক আইডির মুসলিম ছেলে লিখেছে,সে ইন্ডিয়া গেলেই "৮-১০টা হিন্দু মেয়েকে... Hindu Girls are flexible for ha*rdcore fu*ck!"

মূল পোস্টটি যে করেছে সেও মু*সলমান, সে লিখেছে
Do you guys feel cross religion attraction? i found that muslim boys are quite attracted to married hindu boudies and vice versa. can you share your thoughts in this matter?

সেখানে প্রথম কমেন্টও করেছে আরেক মুসলিম ছেলে, আইডি Emotional Outside 17 - from my perspective hindu girls have more bus*ty figure.

King Fahim নামের আরেকজন মুস/লিম যুবক লিখেছেন
Hi*ndu women gives good bj.

এরকম অসংখ্য পার্ভার্টের কুরুচিপুর্ণ মন্তব্যে ভর্তি সেই থ্রেডটি। অথচ মিডিয়া এবং দেশের ডানপন্থীরা এমনভাবে বিষয়টাকে উত্থাপন করছে যেন শুধু বুয়েটের হিন্দু ছেলেটাই মু*সলিম মেয়েদের নিয়ে কমেন্ট করেছে! সেই থ্রেডের অধিকাংশ মু/সলিম পার্ভার্ট ছেলেরাও যে হিন্দু মেয়েদের নিয়ে কমেন্ট করেছে এবং বুয়েটের হিন্দু ছেলেটা যেমন বোরকা নিয়ে অশ্লীল ইমাজিনেশন করেছে তেমনি মুস/লিম ছেলেরাও যে হিন্দু মেয়েদের শাড়ি নিয়ে কমেন্টেই অশ্লীল ইমাজিনেশন দেখিয়েছে সেটা তারা গোপন করে যাচ্ছে। আগেও বলেছি এদের সমস্যা অপরাধ ঘটেছে তা না, এদের সমস্যা অপরাধীর পরিচয়। তা নাহলে তারা দুইদিকের বিষয়টাই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে দোষীর শাস্তি চাইত নারীর প্রতি অব/মাননা হিসেবে, সেখানে তারা ঘটনাটাকে কেবল নির্দিষ্ট ধর্মের প্রতি অব/মাননা হিসেবে দেখাতনা।

আরেকটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ফেসবুকের একটি গ্রুপের স্ক্রিনশট দিয়ে বলা হচ্ছে সে ইস*লাম ধর্ম অবমাননাকর কথাবার্তা বলেছে সেখানে। কিন্তু একটি জিনিস এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে যে শ্রীশান্ত হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে, মাতৃতুল্য বৌদিদের নিয়েও সেখানে অনেক কুরুচিপুর্ণ মন্তব্য করেছে। এর মানে দাঁড়ায় সে এথিস্ট। তাহলে কেন বলা হচ্ছেনা সে সনাতন ধর্মও অবমাননা করেছে? তার মানে অবমাননা অন্য ধর্মের হয়না, কারণ অন্য ধর্মের দাম নাই এই প্রতিবাদকারীদের কাছে। অবশ্য এই প্রতিবাদকারীরাই সেই এক্সপোজ পোস্টে সনাতন ধর্ম নিয়ে প্রচুর বিশ্রী মন্তব্য করেছে। মন্তব্যকারীরা নিজেরাও বুয়েটের সেই ছেলেটির মতোই আচরণ করল।অন্যকে বলা সহজ, নিজে ভালো মানুষ হওয়া কঠিন।

পবিত্র বেদ নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান এবং নারীকে নিয়ে অবমাননা করা, অশ্লীলতার সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও পবিত্র বেদ মানবজাতিকে দিয়েছে। তাই সকল পার্ভাটদের শাস্তি হোক সে যে রিলিজিয়নেরই অনুসারী হোক না কেন।

© বাংলাদেশ অগ্নিবীর
সত্য প্রকাশে নির্ভীক সৈনিক

সম্প্রতি শুনেছি, পাশের দেশের একজন তথাকথিত রিলিজিয়ন ডিবেটর’ বাংলাদেশে আসতেছে। এই ব্যক্তি সনাতন ধর্মকে যতভাবে অবমাননা করে...
13/10/2025

সম্প্রতি শুনেছি, পাশের দেশের একজন তথাকথিত রিলিজিয়ন ডিবেটর’ বাংলাদেশে আসতেছে। এই ব্যক্তি সনাতন ধর্মকে যতভাবে অবমাননা করেছে, তাও ভারতে বসে,সেই মাত্রার অন্য রিলিজিয়ন অবমাননার কাছেও সনাতনীরা কখনো যায়নি। অথচ তাকেই বাংলাদেশে অতিথি হিসেবে আনা হচ্ছে! বিতর্কিত এই ব্যাক্তিকে দেশে আনার চেষ্টাতে বাংলাদেশ সরকার প্রমাণ করল, তারা আসলেই একটি সাম্প্রদায়িক মানসিকতার সরকার। যদিও যতগুলো অপপ্রচার করেছে সনাতন ধর্ম নিয়ে ততগুলো বাউন্ডারি ছাড়া করে জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ অগ্নিবীর।
তথাকথিত এই মানুষটি নিজেকে বড় ডিবেটর ঘোষণা করলেও তার প্রমাণ আজ পর্যন্ত কেউ দেখেনি। বরং সাজানো স্ক্রিপ্টেড কনটেন্ট বানিয়ে ভিডিও প্রচার করে মানুষকে ধোঁকা দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তারপরও এই ভণ্ডের সমস্ত অপপ্রচারের জবাব সনাতনী বিদ্বানরা যথাযথভাবে দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আসলেও দিয়ে যাবে। ডিবেটের জন্য বহুবার আহ্বান করা হলেও, প্রত্যেকবার পালিয়ে বেড়িয়েছে এই তথাকথিত রিলিজিয়ন বিশারদ ।
সনাতন ধর্ম কোনো মানুষের ইতিহাস কিংবা গালগল্পের বই নয়। সনাতন ধর্মশাস্ত্র আধ্যাত্মিক, আধিভৌতিক ও আধিদৈবিক সমগ্র বিশ্বের জন্য স্বয়ং শিক্ষা। অপৌরুষেয় শিক্ষা কী এবং কাকে বলে, তা শুধু তারাই জানেন যারা সনাতন নীতি ও পবিত্র বেদের সংস্পর্শে এসেছেন।
ধর্ম নিয়ে পৃথিবীর যত বড় বড় তার্কিক জন্মেছেন, তাদের বেশিরভাগই সনাতন ধর্মেই জন্মেছিলেন এবং তা একাডেমিকভাবে প্রমাণিত। ন্যায় দর্শন, মীমাংসা দর্শনের ভিত্তি সেই সনাতন তত্ত্ব থেকেই উদ্ভূত। আমরা উপনিষদে দেখতে পাই, রাজন্যবর্গের অনুষ্ঠানেও তর্কসভা হতো; ২০ বছর বয়সী বিদুষী গার্গী ও যাজ্ঞবল্ক্যের তর্ক তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
আমাদের ঋষিদের তর্কের গভীরতা ছিল প্রখর প্রকৃতি, আত্মা ও পরমাত্মা এই তিন তত্ত্ব নিয়ে তারা করতেন জ্ঞানের লড়াই। সেই সনাতন সাম্রাজ্য নিয়ে আজ যারা অপপ্রচার করে, তাদের ভণ্ডামি দেখে হাসি পায়। এরা জানে না “Let’s make the world noble” ছিল যাদের প্রাচীন ব্রত, সেই জাতির উত্তরসূরীরা আজও ঘুমিয়ে নেই; তারা জেগে উঠেছে।
যুগে যুগে যত ভণ্ড সনাতন ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার করেছে, ততবার এই জাতি প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছে। একসময় ভারতে বৌদ্ধরা অপপ্রচার করেছিলেন, জবাব দিয়ে তাদের পরাজিত করেছিলেন কুমারিল ভট্ট । এছাড়াও আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সনাতন প্রিন্সিপাল পবিত্র বেদপ্রিয় সনাতনীদের প্রাণ, ঋষি দয়ানন্দ সরস্বতী বৌদ্ধ ও জৈন মত সহ বিভিন্ন মতবাদের খণ্ডনের মধ্য দিয়ে অমর গ্রন্থ সত্যার্থ প্রকাশ রচনা করে বিচ্যুত সনাতনীরদের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করেন সনাতন ধর্মের সব থেকে শক্তিশালী তত্ত্ব ত্রৈতবাদ।

তেজোহসি তেজোময়ি ধেহি।
বীর্যমসি বীর্যং ময়ি ধেহি।
বলমসি বলং ময়ি ধেহি।
ওজোহস্যোজো ময়ি ধেহি।
মন্যুরসি মন্যুং ময়ি ধেহি।
সহোহসি সহো ময়ি ধেহি।।
-(যজুর্বেদ ১৯।৯)
যজুর্বেদ এর তেজময় এই মন্ত্র যতদিন আর্যসমাজ ও বাংলাদেশ অগ্নিবীর ধারন করবে এবং সত্য প্রকাশের নির্ভীক কণ্ঠ হয়ে থাকবে, ততদিন পৃথিবীর যেকোনো ভণ্ডের জন্য অগ্নিবীর থাকবে আতঙ্কের নাম। যুগে যুগে ভণ্ডেরা এসেছে, মিথ্যা বলে সনাতন আদর্শকে আঘাত করার প্রয়াস করেছে ,কিন্তু প্রতিবারই ঋষিদের সন্তানরা উত্তর দিয়েছে জ্ঞানের অগ্নিশিখা হাতে।সনাতন ধর্ম কোনো রক্ষার প্রয়োজন চায় না, সে নিজেই বিশ্বরক্ষক।তাই মনে রাখো, যেখানে অন্ধকার জন্মায়, অগ্নিবীর সেখানেই জ্বলে ওঠে।

ভূত–প্রেত–রাক্ষস–ডাইনী–অসুর – এই সবের কী অস্তিত্ব রয়েছে? এর থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব?নির্মূলন: এই সমস্ত ভয়ানক কথা যার প্...
12/10/2025

ভূত–প্রেত–রাক্ষস–ডাইনী–অসুর – এই সবের কী অস্তিত্ব রয়েছে? এর থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব?

নির্মূলন: এই সমস্ত ভয়ানক কথা যার প্রভাব দূর্বল ব্যক্তিদের উপর অজ্ঞানেরতার কারণে হয়। সংক্ষিপ্তভাবে বুঝে নিন–

ভূত – অতীত কালের ভূত বলে।

প্রেত – মৃতব্যক্তিকে প্রেত বলে।

রাক্ষস – এ কাল্পনিক শব্দ। সমস্ত পাপকর্মীদের ‘রাক্ষস’ বলা হয়।
রাক্ষস শব্দের অর্থ – যাহারা জাতিকে জানে তারা সাধু নীতিকর্ম করে, যাহারা জাতিকে জানে না তারা অজাতিক বৃদ্ধি বলে। যাহারা জাতিকে জানে না তারাই রাক্ষস।

ডাইনী – এও রাক্ষসের মতো এক কাল্পনিক শব্দই। এ শ্লীলিকাচী শব্দ। রাক্ষসের স্ত্রীলোক কেই ডাইনী বলে।

অসুর – দীর্ষ কেশধারিণী – তামাক দর্শনশারী – বহুধা দুষ্টবুদ্ধিশী – রক্ত পানকারী চার হাত বিশিষ্ট – দশ মস্তকবিশিষ্ট, নখ দিয়ে কেটে মানুষকে কাঁটা অবস্থায় ভক্ষণকারী – অন্ধকার পৃষ্ঠ থেকে আক্রমণকারী – এই সমস্ত ভয়ানক চরিত্র উপস্থ আথি যাহারা লোকের থেকে শোনা কথায় মনযোগ দিলে মনে বাসা বাঁধে। বাস্তবে এমন কিছুই হয় না।

এর থেকে মুক্ত হ‌ওয়ার – এই আতঙ্কের সহজ উপায় হলো – প্রভুর নামের স্মরণ। প্রভুর নামের অনেক শক্তি রয়েছে। নামের অর্থকে খেয়াল রেখে তাকে আচরণে প্রয়োগ করা – এই নামের শক্তি। বৈদিক সাহিত্যে স্বাক্ষ্য, এবং ধর্মীয় পুস্তক পাঠ করলে জ্ঞান প্রাপ্তি হয় অজ্ঞানতার পর্দা সরে যায়, এর দ্বারা অন্ধকার এবং অশুভাশক্তির নিবারণ হয়।

বিস্তারিত পড়ুন – ধর্ম, বিজ্ঞান ও ইতিহাসের আলোকে ভূত প্রেত ও জীন

©বাংলাদেশ অগ্নিবীর

29/09/2025

ওম্ 🕉️
জন্মগুনে নয় কর্মগুনে বর্ণ নির্ধারণ হয়। 🚩🙏

মহামন্ত্র গায়ত্রী ॐ भूर्भुवः स्वः तत्सविर्तुवेरण्यं भर्गो देवस्य धीमहि धियो यो नः प्रचोदयात्ওঁ ভূ র্ভুবঃ স্বঃ তত সবিতুর্...
24/09/2025

মহামন্ত্র গায়ত্রী
ॐ भूर्भुवः स्वः तत्सविर्तुवेरण्यं भर्गो देवस्य धीमहि धियो यो नः प्रचोदयात्

ওঁ ভূ র্ভুবঃ স্বঃ তত সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি। ধিয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াত।।

[ঋগবেদ ৩.৬২.১০, যজুর্বেদ ৩.৩৫,৩০.২, সামবেদ উত্তরাচ্চিক ৬.৩.১০]

অনুবাদ :- পরমাত্মা প্রাণস্বরুপ, দুঃখনাশক ও সুখস্বরুপ। সেই জগতসৃষ্টিকারী ও ঐশ্বর্যপ্রদাতা পরমাত্মার বরণযোগ্য পাপ-বিনাশক তেজকে আমরা ধারণ করি। তিনি আমাদের বুদ্ধিকে শুভ গুণ, কর্ম ও স্বভাবের দিকে চালনা করুক।🌼🖤

23/09/2025
23/09/2025

✅ কারা করে প্রতিমা ভাং*চুর ❓[এই কারণে প্রতি মন্দিরে CCTV লাগানো জরুরি]

📍১৫ নং ফূলহরি ইউনিয়নের হরিতলা মন্দির, শৈলকুপা, ঝিনাইদহ।👇👇

ও৩ম্কৃণ্বন্তো বিশ্বমার্যম্ ❝ আহ্বান ❞দিনে মাত্র ৩০ মিনিট করে পড়ুন, ১ সপ্তাহে জানুন-❝সনাতন ধর্মের মূলতত্ত্ব❞ #স্বাধ্যায়_প...
11/09/2025

ও৩ম্
কৃণ্বন্তো বিশ্বমার্যম্

❝ আহ্বান ❞
দিনে মাত্র ৩০ মিনিট করে পড়ুন, ১ সপ্তাহে জানুন-
❝সনাতন ধর্মের মূলতত্ত্ব❞

#স্বাধ্যায়_প্রকাশনী
(বাংলাদেশ অগ্নিবীরের নিজস্ব প্রকাশনা)

বাংলাদেশ অগ্নিবীর
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

▪️মহাভারতের সময়ে সতীপ্রথা ছিল কি ? মহাভারত অনুযায়ী [১২।৪২।১০], যুদ্ধের পরে যেসব নারীর স্বামী বা পুত্র যুদ্ধে মারা গিয়েছি...
29/08/2025

▪️মহাভারতের সময়ে সতীপ্রথা ছিল কি ?

মহাভারত অনুযায়ী [১২।৪২।১০], যুদ্ধের পরে যেসব নারীর স্বামী বা পুত্র যুদ্ধে মারা গিয়েছিল তাদের সবাইকে দয়ালু কুরুবংশীয় রাজা যুধিষ্ঠির সম্মানের সাথে লালন-পালন করতেন। এখানে বিধবাদের সতীদাহ করার কোনো দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না। কুন্তী, সত্যবতী, উত্তরা অর্থাৎ যাদের স্বামী মারা গিয়েছেন নানা সময়ে তাদেরও সতী হওয়ার কোনো দৃষ্টান্ত নেই।
প্রসঙ্গত, অনেকেই সহমরণের ঘটনা ও মাহাত্ম্য বলা হয়েছে এমন শ্লোক ও উদাহরণ আনতে পারেন। সহমরণ ও সতীদাহে মূখ্যভেদ হলো সহমরণ ঐচ্ছিক, সতীদাহ বাধ্যতামূলক। এটাও ঠিক যে সহমরণের শ্লোকসমূহকে সতীদাহ কেন ভালো তা প্রমাণে উদ্ধৃত করা হতো। কিন্তু সহমরণ আত্মহত্যা-সম, বৈষম্যভিত্তিক এবং বেদ বিরুদ্ধ। তাই সহমরণও আদরণীয় নয়।

© বাংলাদেশ অগ্নিবীর

পূর্ণিমা ও অমাবস্যা।
27/08/2025

পূর্ণিমা ও অমাবস্যা।

20/08/2025

আপনিও যুক্ত হতে পারেন বাংলাদেশ অগ্নিবীদের সাথে। 🕉️🙏

Address

Bhola
Rangpur
103

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Laws of Veda posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share