12/11/2025
প্রিয় অভিভাবক, বর্তমান সময়ে আমরা দেখতে পাই শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এক ধরনের মানুষ চাটুকারিতার মাধ্যমে বিলাসিতার ব্যবসায় নেমে পড়েছে। আসুন, সন্তানের লেখা-পড়া নিয়ে লোক দেখানো বিলাসিতা বাদ দেই। সন্তানকে মাদ্রাসায় ভর্তি করানোর সময় অনেক বাবা-মা ভাবনায় পড়েন- কোন মাদ্রাসায় ভর্তি করালে বাচ্চার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে! চিন্তা একদমই ভূল নয়, কিন্তু সমস্যা হয় যখন কম্পেয়ার চলে আসে। অমুক আত্নীয় নামকরা ওমুক প্রতিষ্ঠানে দিয়েছে। ওমুক আত্নীয় ওমুক মাদ্রাসায় দিয়েছে, আমার বাচ্চাও সেখানে পড়ুক। প্রশ্ন হচ্ছে- আপনার আয়ের রেন্জ যদি তাদের মত না হয়,তাহলে আপনি কিভাবে সেই জীবনধারা মেইন্টেইন করবেন? আই,এস,ডি অথবা এ,আই,এস,ডি বা স্কলাষ্টিকার মত মাদ্রাসা গুলোতে শুধু ভর্তি ফি নয়,মাসিক খরচই এমন যে, কোটিপতি নাহলে সেখানে টিকে থাকাই কঠিন। আর সেখানে ভর্তি করিয়ে যদি আপনার সন্তান দেখে যে-সহপাঠীরা টিফিনে কন্টিনেন্টাল ফুড আনে,কোটি টাকার গাড়িতে বাড়ি ফেরে, গ্রীষ্মের ছুটিতে কক্সবাজার, রাংগামাটি, শিলিগুড়ি ঘুরে আসে, তখন তাঁর মনে হীনমন্যতা তৈরি হবেনা?
মনে রাখতে হবে, পড়াশোনা বিলাসিতা নয়,এটি একটি বেসিক নিড। সন্তানকে ভাল শিক্ষা দিন কিন্তু নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে। আপনার সন্তান যদি শেখার আগ্রহ রাখে,তাহলে ওর মাদ্রাসা বা স্কুলের নাম অথবা টিউশন ফি নয়, ওর অধ্যবসায়ই একদিন ওকে বড় করবে ইনশাআল্লাহ। বুয়েট,মেডিকেল বা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকিয়ে দেখুন-বেশির ভাগই কিন্তু গ্রাম-মফস্বল থেকে উঠে আসা পরিশ্রমী সন্তান। তাই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখুন,কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য ভিটে মাটি বিক্রি করে ফেলবেননা,কারণ পড়াশোনা প্রতিযোগিতা নয়,এটা একটি যাত্রা। আর সেই যাত্রায় বাবা-মায়ের সামর্থ্য ও সন্তানের মানষিক স্বাচ্ছন্দ দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
স্বল্প খরচে মানসম্মত শিক্ষা যাচাই করতে আমাদের প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে নেক পরামর্শ দেয়ার আমন্ত্রণ রইল।