07/06/2026
ফরজ সালাতের পর রাসূলুল্লাহ ﷺ যে যিকির ও দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করতেন
ফরজ সালাত আদায়ের পরপরই আল্লাহর যিকির, তাসবীহ ও দোয়ার মাধ্যমে বান্দা তার রবের আরও নৈকট্য লাভ করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ ফরজ সালাতের পরে বিভিন্ন যিকির ও দোয়া পাঠ করতেন এবং উম্মতকে সেগুলোর প্রতি উৎসাহিত করেছেন।
নিচে সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত গুরুত্বপূর্ণ যিকির ও দোয়াগুলো উল্লেখ করা হলো—
১. ইস্তিগফার :
আরবী:
أَسْتَغْفِرُ اللهَ (৩ বার)
বাংলা উচ্চারণ:
আস্তাগফিরুল্লাহ।
অর্থ:
আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯১।
২. সালামের দোয়া :
আরবী:
اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আন্তাস সালামু ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারক্তা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময়। আপনার কাছ থেকেই শান্তি আসে। আপনি কল্যাণময়, হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯১-৫৯২।
৩. তাওহীদের ঘোষণা :
আরবী:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
বাংলা উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
অর্থ:
আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৮৪৪।
৪. আল্লাহর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি :
আরবী:
اللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘ত্বায়তা, ওয়া লা মু‘তিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়া লা ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি যা দিয়েছেন তা কেউ আটকাতে পারে না, আর যা আটকিয়েছেন তা কেউ দিতে পারে না। কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার সামনে কাজে আসে না।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৮৪৪।
৫. সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস :
আমল: প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর ১ বার। ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার করে।
সূরা ইখলাস
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
উচ্চারণ: কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
সূরা ফালাক
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
উচ্চারণ: কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক। মিন শাররি মা খালাক। ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাছাতি ফিল উকাদ। ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।
সূরা নাস
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ إِلَٰهِ النَّاسِ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
উচ্চারণ: কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন নাস। মালিকিন নাস। ইলাহিন নাস। মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস। আল্লাযী ইউওয়াসওয়িসু ফী সুদূরিন নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।
রেফারেন্স: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫২৩।
৬. তাসবীহ (তাসবিহে ফাতেমী) :
আরবী:
سُبْحَانَ اللهِ (৩৩ বার), الْحَمْدُ للهِ (৩৩ বার), اللهُ أَكْبَرُ (৩৩ বার)
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার), আল্লাহু আকবার (৩৩ বার)
এরপর একবার: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
বাংলা উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
অর্থ:
আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৮৪৪; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং
ফজিলত: যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাজের পর এগুলো পড়বে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, এমনকি সমুদ্রের ফেনারাশির মতো হলেও।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ১২৪০ (৫৯৭)।
৭. আয়াতুল কুরসি
আরবি:
اَللهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যূম। লা তা'খুযুহু সিনাতুঁ ওয়া লা নাওম। লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহি। ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়া মা খালফাহুম। ওয়া লা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা। ওয়া হুওয়াল ‘আলিয়্যুল ‘আযীম।
আমল: প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর ১ বার।
রেফারেন্স: সুনানে কুবরা লিন নাসাঈ, হাদিস নং ৯৮৪৮; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হাদিস নং ৭৮৩২।
ফজিলত: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।”
৮. যিকির, শুকর ও সুন্দর ইবাদতের দোয়া:
আরবী:
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আইন্নী ‘আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবাদাতিকা।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার যিকির করতে, শুকর করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে সাহায্য করুন।
রেফারেন্স: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫২২।
৯. তাওহীদের পূর্ণাঙ্গ যিকির
আরবি:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ، لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ
বাংলা উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়া লা না‘বুদু ইল্লা ইয়্যাহু।
লাহুন্ নি‘মাতু ওয়া লাহুল ফাদলু ওয়া লাহুস সানা-উল হাসান।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদ্দীনা ওয়া লাও কারিহাল কাফিরূন।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পাপ থেকে বাঁচার এবং সৎকাজ করার কোনো শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই; আমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি। সমস্ত নিয়ামত, অনুগ্রহ ও উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আমরা একনিষ্ঠভাবে তাঁর জন্যই দ্বীনকে খাঁটি করি, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯৪।
১০. পাঁচটি অনিষ্ট থেকে আশ্রয়ের দোয়া:
আরবী:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখলি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিনাল জুবনি ওয়া আ‘ঊযুবিকা আন উরাদ্দা ইলা আরযালিল ‘উমুরি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনিয়া ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবর।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি কৃপণতা, কাপুরুষতা, অতি বৃদ্ধ বয়স, দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ২৮২২।
১১. কুফর, দারিদ্র্য ও কবরের আযাব থেকে আশ্রয়:
আরবী:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবর।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি কুফর, দারিদ্র্য ও কবরের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ২৮২২; সুনানে নাসাঈ, হাদিস নং ১৩৪৭।
১২. জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে আশ্রয়ের দোয়া:
আরবী:
اللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَافِيلَ، أَعِذْنِي مِنْ حَرِّ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা রাব্বা জিবরীলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরাফীলা, আ‘ইযনী মিন হাররিন নারি ওয়া ‘আযাবিল ক্বাবর।
অর্থ:
হে আল্লাহ! জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব! আমাকে জাহান্নামের উত্তাপ ও কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
রেফারেন্স: মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং ৬/৬১।
১৩. উপকারী জ্ঞান, উত্তম রিযিক ও কবুলযোগ্য আমলের দোয়া (শুধু ফজরের পর) :
আরবী:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান নাফি‘আ, ওয়া রিযকান ত্বইয়িবা, ওয়া ‘আমালাম মুতাকাব্বালা।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল চাই।
রেফারেন্স: সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৯২৫।
শেষ কথা
ফরজ সালাতের পর এই যিকির ও দোয়াগুলো অল্প সময়ের আমল হলেও এর ফযিলত অত্যন্ত মহান। একজন মুসলিমের উচিত সালাম ফিরিয়েই দ্রুত উঠে না গিয়ে কিছু সময় বসে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শেখানো এই যিকিরগুলো আদায় করা। এগুলো গুনাহ মাফের কারণ, জান্নাতে প্রবেশের মাধ্যম এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম উপায়।
"যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।"
— নাসাঈ (কুবরা), হাদিস: ৯৮৪৮।
:
#হাদিস