Labbayk Hajj & Umrah Kafela

Labbayk Hajj & Umrah Kafela Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Labbayk Hajj & Umrah Kafela, Religious organisation, Kurigram Sadar, Rangpur.

🕋 Labbayk Hajj & Umrah Kafela
বিশ্বস্ত হজ ও উমরাহ সার্ভিস 🤲
সহজ, নিরাপদ ও আরামদায়ক সফরের নিশ্চয়তা ✈️
📍 Location: Kurigram Sadar
📞 WhatsApp: 01757810176
📞 Call: 01712567036

🕋 ২০২৭ সালের পবিত্র হজ্জের অগ্রিম বুকিং চলছে! 🤲আল্লাহর ঘরের মেহমান হওয়ার পবিত্র স্বপ্ন পূরণে  লাব্বাইক হজ ও ওমরা কাফেলা ...
12/05/2026

🕋 ২০২৭ সালের পবিত্র হজ্জের অগ্রিম বুকিং চলছে! 🤲

আল্লাহর ঘরের মেহমান হওয়ার পবিত্র স্বপ্ন পূরণে লাব্বাইক হজ ও ওমরা কাফেলা থাকছে আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে। ২০২৭ সালে হজ্জ পালনের জন্য এখনই আপনার প্রাক-নিবন্ধন নিশ্চিত করুন।

✨ আমাদের হজ্জ প্যাকেজে আপনি যা যা পাবেন:

✅ নিশ্চিত প্রাক-নিবন্ধন: সরকারি সিরিয়াল অনুযায়ী দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সুবিধা।

✅ আরামদায়ক আবাসন: মক্কা ও মদিনায় হারামের একদম কাছে উন্নতমানের হোটেল।

✅ সার্বক্ষণিক গাইড: অভিজ্ঞ আলেম ও মোয়াল্লিম দ্বারা হজ্জের প্রতিটি ধাপের সঠিক নির্দেশনা।

✅ বিমান টিকিট: কনফার্ম রিটার্ন এয়ার টিকিট।

✅ খাবার: তিন বেলা পুষ্টিকর ও সুস্বাদু দেশি খাবারের সুব্যবস্থা।

✅ ঐতিহাসিক জিয়ারত: মক্কা ও মদিনার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানসমূহ পরিদর্শন।

আল্লাহর মেহমানদের সেবায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সঠিক সময়ে হজ্জ নিশ্চিত করতে এবং আপনার সিরিয়াল আগে পেতে আজই যোগাযোগ করুন। ✈️🏨

📞 যোগাযোগঃ
☎️ 01757810176

📍 অফিস ঠিকানা:
রেনু মনি বিজনেস পয়েন্ট বাজার রোড কুড়িগ্রাম

লাব্বাইক হজ ও ওমরা কাফেলা – আপনার পবিত্র সফরের বিশ্বস্ত সাথী। 🕋✨

#

03/05/2026
হাজী সাহেবদের কমন সমস্যা !হজের সফরে এসে প্যাকেজে জেতা-ঠকা নিয়ে আলোচনা করবেন না।আমাদের বাংলাদেশি হাজীদের মধ্যে একটি খুব স...
02/05/2026

হাজী সাহেবদের কমন সমস্যা !

হজের সফরে এসে প্যাকেজে জেতা-ঠকা নিয়ে আলোচনা করবেন না।

আমাদের বাংলাদেশি হাজীদের মধ্যে একটি খুব সাধারণ অভ্যাস হলো—হোটেলে উঠার পর নিজ এজেন্সি বা একই হোটেলে থাকা অন্য এজেন্সির হাজীদের সঙ্গে পরিচয়ের পর “কেমন আছেন” বলার পরই প্রশ্ন করা হয়, “কত দিয়ে আসলেন?” তারপর চেষ্টা করা হয় কে ঠকেছে আর কে জিতেছে তা বোঝার। বেশি শুনলে স্বস্তি লাগে যে জিতেছি, আর কম শুনলে আফসোস হয় এবং মুয়াল্লেম, গাইড বা যে পাঠিয়েছে তাকে দোষারোপ করা হয়। আস্তাগফিরুল্লাহ! হজে এসে এমন করা উচিত নয়।

কারণ বিষয়টি এমন হতে পারে যে, হজ সিজন প্রায় শুরু হয়ে গেলেও কোনো কারণে একটি হোটেলের সব সিট ভাড়া হয়নি। শুরুতে হয়তো সেই হোটেলের সিট ১৫০০ রিয়ালে ভাড়া ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে খালি থাকায় ৪০০–৫০০ রিয়াল পেলেও দিয়ে দেওয়া হয়। ফলে যারা শেষ মুহূর্তে বুকিং করে তাদের খরচ কম হয়, আর যারা আগে বুক করেছে তাদের খরচ বেশি হয়। এখন একই হোটেলে থেকেও যদি সবাই একই দামের সঙ্গে তুলনা করে, তা কি যৌক্তিক?

অনেকে ভাবতে পারেন, তাহলে শেষে কিনলেই তো লাভ। কিন্তু ভালো এজেন্সিগুলো কখনোই শেষ মুহূর্তের জন্য বসে থাকে না। তারা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে প্যাকেজ তৈরি করে এবং কমিটমেন্ট অনুযায়ী হাজীদের জন্য হোটেল নিশ্চিত করে। আর যারা শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করে, তারা অনেক সময় বাজেট অনুযায়ী হোটেল পায় না এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেবা দিতে পারে না। এজন্যই দেখা যায় আগে ৭০০ মিটারের মধ্যে রাখার কথা বললেও পরে ১ কিলোমিটার দূরে দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া প্যাকেজের খরচ শুধু হোটেলের উপর নির্ভর করে না। এর মধ্যে খাবার, বড় টিম দিয়ে ব্যবস্থাপনা, শরীয়াহ গাইডেন্সের জন্য আলেম রাখা, দেশে প্রশিক্ষণসহ নানা খাতে খরচ থাকে। একটি হোটেলে ৬৬ জন হাজীর জন্য ৩ জন গাইড ও একজন লোকাল স্টাফ আছি। এখন এই খরচ কি সবার জন্য এক হবে?

তাই অযথা এসব তুলনা করে নিজের হজকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। হজ নষ্ট না হলেও এসব চিন্তা ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এবং মনে বারবার আসে—আমি লস করে ফেললাম।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হজ্জে মাবরুর নসীব করুন।

— in ‎Makkah Al-Mukarramah : مَـكَّـة الْـمُـكَـرَّمَـة‎.

🕋 লাব্বাইক হজ ও ওমরা কাফেলা ২০২৭আল মক্কা ট্রাভেলসের তত্ত্বাবধানেহজ নিবন্ধন শুরু হয়েছে!হজ ও ওমরা করতে ইচ্ছুক?অতি দ্রুত ন...
01/05/2026

🕋 লাব্বাইক হজ ও ওমরা কাফেলা ২০২৭

আল মক্কা ট্রাভেলসের তত্ত্বাবধানে
হজ নিবন্ধন শুরু হয়েছে!

হজ ও ওমরা করতে ইচ্ছুক?
অতি দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।

📍 ঠিকানা: রেনু মনি বিজনেস পয়েন্ট, বাজার রোড কুড়িগ্রাম ২য় তলা, কুড়িগ্রাম সদর
📞 মোবাইল: 01757810176

🤲 লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক

হজ্জের মূল কার্যক্রম ৮ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত ৫ দিন ধরে চলে,যা মিনা,আরাফাত ও মুযদালিফায় সম্পন্ন হয়। ইহরামের মাধ্যমে শুর...
23/04/2026

হজ্জের মূল কার্যক্রম ৮ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত ৫ দিন ধরে চলে,যা মিনা,আরাফাত ও মুযদালিফায় সম্পন্ন হয়। ইহরামের মাধ্যমে শুরু হয়ে আরাফাতে অবস্থান (৯ জিলহজ) এবং ১০ জিলহজ কঙ্কর নিক্ষেপ,কোরবানি, চুল ছাঁটা ও তাওয়াফে ইফাদার মাধ্যমে হজ্জের মূল রোকনগুলো আদায় করা হয়। এরপর ১১-১২ জিলহজ মিনা-তে অবস্থান ও শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপের মাধ্যমে হজ্জ সমাপ্ত হয় [১, ২, ৮]।

゚2026

হজ্জের ধারাবাহিক কার্যপদ্ধতি :

৮ই জিলহজ (মিনায় অবস্থান): মক্কায় অবস্থানকারী হাজীগণ ইহরাম বেঁধে জোহরের সালাতের পূর্বেই মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। সেখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং ৯ জিলহজ ফজরসহ মোট ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা সুন্নাত [১, ৪]।

৯ই জিলহজ (আরাফাতের ময়দান) :

সকালে মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। এখানে জোহর ও আসর সালাত একসাথে আদায় করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন এবং আল্লাহর কাছে দুআ করবেন। এটি হজ্জের অন্যতম প্রধান ফরজ [১, ২, ১৪]।

৯ই জিলহজ দিবাগত রাত (মুযদালিফা) :

সূর্যাস্তের পর মাগরিব না পড়ে মুযদালিফার উদ্দেশ্যে রওনা করবেন। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশা একসাথে আদায় করবেন। এখানে রাত্রি যাপন করা এবং ১০ তারিখ সকালে ফজরের পর সূর্যোদয়ের আগে পর্যন্ত অবস্থান করা সুন্নাত [১, ৪]।

১০ই জিলহজ (কোরবানির দিন) :

কঙ্কর নিক্ষেপ: মুযদালিফা থেকে ফিরে মিনায় শুধু বড় জামারায় (জমারাতুল আকাবা) ৭টি কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন [১, ৯]।

কোরবানি : কঙ্কর নিক্ষেপের পর হজ্জে তামাত্তু ও কিরান পালনকারীরা কোরবানি করবেন [২]।

চুল ছাঁটা : কোরবানি শেষে চুল মুণ্ডন বা ছোট করে ইহরাম ভঙ্গ করবেন [১, ১০]।

তাওয়াফে ইফাদা ও সায়ী : মক্কায় গিয়ে কাবা শরীফ তাওয়াফ (তাওয়াফে ইফাদা) করবেন এবং সাফা-মারওয়ায় সায়ী করবেন। এটি হজ্জের ফরজ [১, ৪]।

১১-১২ জিলহজ (মিনায় রাত্রি যাপন ও কঙ্কর নিক্ষেপ): মিনায় অবস্থান করে প্রতিদিন দুপুরের পর তিনটি জামারায় (ছোট, মধ্যম ও বড়) ৭টি করে কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন [১, ৫]।

১২ই জিলহজ (মক্কা প্রত্যাবর্তন) : ১২ জিলহজ কঙ্কর নিক্ষেপ শেষে সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করবেন। যদি ১২ জিলহজ মিনা ত্যাগ না করেন, তবে ১৩ জিলহজও পাথর নিক্ষেপ করতে হবে [১, ৯]।

বিদায়ী তাওয়াফ : বাংলাদেশসহ বাইরের দেশের হাজীদের মক্কা ত্যাগের আগে সর্বশেষ কাজ হলো বিদায়ী তাওয়াফ করা [১০]। ।

হজ্জের মূল কার্যক্রম ৮ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত ৫ দিন ধরে চলে,যা মিনা,আরাফাত ও মুযদালিফায় সম্পন্ন হয়। ইহরামের মাধ্যমে শুরু হয়ে আরাফাতে অবস্থান (৯ জিলহজ) এবং ১০ জিলহজ কঙ্কর নিক্ষেপ,কোরবানি, চুল ছাঁটা ও তাওয়াফে ইফাদার মাধ্যমে হজ্জের মূল রোকনগুলো আদায় করা হয়। এরপর ১১-১২ জিলহজ মিনা-তে অবস্থান ও শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপের মাধ্যমে হজ্জ সমাপ্ত হয় [১, ২, ৮]।

হজের ফ্লাইট শুরুর দিকে হলে যে সব সুবিধা!১- একেবারে কম সময়ে তাওয়াফ করা যায় ,কাবা শরিফ তাওয়াফ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ইবাদ...
19/04/2026

হজের ফ্লাইট শুরুর দিকে হলে যে সব সুবিধা!

১- একেবারে কম সময়ে তাওয়াফ করা যায় ,
কাবা শরিফ তাওয়াফ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ইবাদত, যা আল্লাহর নৈকট্য, গুনাহ মাফ এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি অর্জনের সেরা মাধ্যম, প্রতিবার তাওয়াফের পদক্ষেপে ১০টি নেকি লেখা হয়, ১০টি গুনাহ মাফ হয় এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি পায় ,এটি দাস মুক্ত করার সমতুল্য সওয়াব এবং এর মাধ্যমে ঈমান পূর্ণতা পায়।
সুবহানাল্লাহ

২- হাজরে আসওয়াদ চুমু দেওয়া একেবারে সহজ হয় ,
হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা অত্যন্ত বরকতময় ও সুন্নাত একটি কাজ ,এটি জান্নাতি পাথর ,হাদিস রয়েছে কিয়ামতের দিন এই পাথর মানুষের গুনাহর সাক্ষ্য দেবে এবং যারা ইমান ও ভালোবাসা আন্তরিকতার সাথে একে চুম্বন করেছে, তাদের জন্য সুপারিশ করবে।
সুবহানাল্লাহ

বাইতুল্লাহর বর্তমান চিত্র
১৮/০৪/২৬

17/04/2026

🕋 আজ মধ্যরাতে Dhaka থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট যাত্রা শুরু করবে।
আল্লাহ তাআলা সকল হাজিদের হজ-যাত্রা নিরাপদ, সহজ ও কবুল করুন।
তাদের হজকে মাবরুর হজ হিসেবে কবুল করুন।
আমাদেরকেও তাঁর পবিত্র ঘর জিয়ারতের তাওফিক দিন এবং কবুল করুন।
আমিন يا رب العالمين। 🤲🏻

হজ: ৫ টি স্থানে ৫ দিনে (৬ দিনে) ৯ টি কাজ সম্পন্ন করা💠 ৫ টি স্থানে ৫ দিনে (৬ দিনে) ৯ টি কাজ সম্পন্ন করাকে হজ বলে।  🔷 ৫ টি...
17/04/2026

হজ: ৫ টি স্থানে ৫ দিনে (৬ দিনে) ৯ টি কাজ সম্পন্ন করা

💠 ৫ টি স্থানে ৫ দিনে (৬ দিনে) ৯ টি কাজ সম্পন্ন করাকে হজ বলে।

🔷 ৫ টি স্থান হলো : ১. বায়তুল্লাহ, ২. মিনা, ৩. আরাফাহ, ৪. মুযদালিফা, ৫. জামারাহ

♦️ ৫ দিন হলো : ৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ । কেউ যদি ১২ জিলহজ সূর্য ডোবার আগে মিনা ত্যাগ না করে তাহলে ১৩ জিলহজ পাথর নিক্ষেপ করতে হবে । সে হিসেবে ৬ দিন হয় ।

🌟 ৯ টি কাজের তিনটি হলো ফরজ । আর ৬ টি হলো ওয়াজিব ।

🌙 ফরজ তিনটি হলো : ইহরাম বাধা, আরাফার ময়দানে অবস্থান করা, তাওয়াফে জিয়ারাহ করা ।

🌙 ওয়াজিব ছয়টি হলো : মুযদালিফায় অবস্থান করা, জামারায় পাথর মারা, মাথা মুন্ডানো, কুরবানী করা, সাঈ করা ও বিদায়ী তাওয়াফ করা ।

🌐 হজের মানচিত্র — এক নজরে সম্পূর্ণ গাইড

পবিত্র হজের সফরে বিভিন্ন স্থানগুলোর মধ্যে দূরত্ব ও ক্রম জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এই মানচিত্রে মসজিদুল হারাম থেকে মিনা, আরাফাত, মুযদালিফা এবং জামারাত পর্যন্ত পথ সহজভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ।

সঠিক তথ্যের মাধ্যমে আপনি আপনার হজকে আরও সহজ ও শান্তিপূর্ণ করতে পারেন।

আল্লাহ তাআলা আপনার এই বরকতময় সফরকে সহজ করুন এবং আপনাকে হজে মাবরুর দান করুন।

হজের বিধান, ফজিলত ও না করার পরিণাম!!হজ ইসলামি শরিয়তের অন্যতম স্তম্ভ ও রুকন। আর্থিক ও দৈহিকভাবে সামর্থ্যবান নারী-পুরুষের ...
17/04/2026

হজের বিধান, ফজিলত ও না করার পরিণাম!!
হজ ইসলামি শরিয়তের অন্যতম স্তম্ভ ও রুকন। আর্থিক ও দৈহিকভাবে সামর্থ্যবান নারী-পুরুষের ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। মহান আল্লাহর নৈকট্যলাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল হজ। হাদিসে হজের অসংখ্য সওয়াব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। নিচে হজ কী, কার ওপর ফরজ, ফজিলত ও না করলে পরিণাম কী—বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

🔸হজ কী—
হজ আরবি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ হলো সংকল্প করা, সফর করা। পরিভাষায়- নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট কার্যাবলির মাধ্যমে বায়তুল্লাহ শরিফ জেয়ারত করাকে হজ বলা হয়।

▫️হজের নির্দিষ্ট সময় হলো- আশহুরে হুরুম তথা শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজের প্রথম ১০ দিন; বিশেষত জিলহজের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ দিন। এ পাঁচ দিনই মূলত হজ পালন করা হয়। হজের নির্ধারিত স্থান হলো পবিত্র কাবা, সাফা-মারওয়া, মিনা, আরাফা ও মুজদালিফা। দূরবর্তী হাজিদের জন্য মদিনা মুনাওয়ারায় রাসুল (স.)-এর রওজা জেয়ারত করা ওয়াজিব। (আসান ফিকাহ, খণ্ড: ০২, পৃষ্ঠা-২৫১)

হজের কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে ইহরাম, তালবিয়া, তাওয়াফ ও সাঈ, অকুফে আরাফাহ, অকুফে মুজদালিফা, অকুফে মিনা, কংকর নিক্ষেপ, দম ও কোরবানি, হলক ও কছর এবং জিয়ারতে মদিনা-রওজাতুল রাসুল ইত্যাদি।

🔸হজের বিধান—
হজ আল্লাহর ফরজ বিধান। ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ’ (সুরা আলে ইমরান: ৯৭)। রাসুল (স.) বলেন, ‘লোকসকল! আল্লাহ তাআলা তোমাদের ওপর হজ ফরজ করেছেন।’ আকরা ইবনে হাবিস (রা.) দাঁড়িয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এটা কি প্রত্যেক বছর ফরজ?’ উত্তরে রাসুল (স.) বললেন—

‘আমি যদি হ্যাঁ বলতাম, তবে ফরজ হয়ে যেত। আর প্রতি বছর হজ ফরজ হলে তা তোমরা সম্পাদন করতে সক্ষম হতে না? হজ জীবনে একবারই ফরজ। কেউ যদি একাধিকবার করে, তবে তা হবে নফল হজ।’(বুখারি: ৭২৮৮)

যাদের ওপর হজ ফরজ, যত দ্রুত সম্ভব হজ আদায় করা উত্তম। যেখানে মানুষের জীবন-মরণের এক সেকেন্ডের নিশ্চয়তা নেই, সেখানে এক বছর অনেক দীর্ঘ সময়। তাই রাসুল (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হজ করার ইচ্ছে করেছে, সে যেন তাড়াতাড়ি তা করে নেয়।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১৭৩২)

🔸কার ওপর হজ ফরজ?
পাঁচটি শর্তসাপেক্ষে হজ ফরজ। ১) মুসলিম হওয়া ২) আকল থাকা বা বিবেকবান হওয়া অর্থাৎ পাগল না হওয়া ৩) বালেগ বা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া ৪) আজাদ বা স্বাধীন হওয়া অর্থাৎ কারো গোলাম না হওয়া এবং ৫) দৈহিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান হওয়া। তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে আরেকটি শর্ত যুক্ত হবে, সেটি হলো- সঙ্গে ‘মাহরাম’ (যেসব পুরুষের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত জায়েজ) থাকা।

স্মরণ রাখতে হবে, জাকাত ফরজ না হয়েও কারো ওপর হজ ফরজ হতে পারে। কেননা হজ ও জাকাতের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য রয়েছে। যেমন, জাকাতের সম্পর্ক নির্ধারিত নিসাবের সঙ্গে। হজের সম্পর্ক মক্কায় আসা-যাওয়ার খরচের সঙ্গে।

সুতরাং স্থাবর সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রি করে কেউ যদি হজ আদায় করতে সক্ষম হয় এবং হজ থেকে ফিরে এসে বাকি সম্পত্তি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে, তাহলে তার ওপর হজ ফরজ। (ইমদাদুল আহকাম: ২/১৫২; আহসানুল ফতোয়া: ৪/৫১৬)

একইভাবে ব্যবসায়ীর দোকানে যে পরিমাণ পণ্য আছে, তার কিছু অংশ বিক্রি করলে যদি হজ করা সম্ভব হয় এবং ফিরে এসে যদি বাকি পণ্য দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা যায়, তাহলে তার ওপরও হজ ফরজ। (ইমদাদুল আহকাম: ২/১৫৩)

মুসলিম সমাজে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে, সেটি হলো- আগে মাতা-পিতার হজ করাবে, পরে নিজের কথা চিন্তা করবে; এটি সঠিক নয়, বরং সামর্থ্য থাকলে তাঁদের নিয়ে একসঙ্গে হজ করবে। অন্যথায় আগে নিজের ফরজ আদায় করবে। (রহিমিয়া: ৮/২৮২)

আবার অনেকে মনে করেন, সন্তানের বিয়ে দেওয়ার পর হজ আদায় করতে হয়। অথচ এ কথা ইসলাম সমর্থিত নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে সন্তানের বিয়ে জরুরি ঠিক আছে, তাই বলে সন্তানের বিয়ের জন্য হজে বিলম্ব করা যাবে না। (রহিমিয়া: ৮/২৭৬)

🔸ইসলামে হজ সর্বোত্তম আমল—
যে কাজে কষ্ট বেশি, তার সওয়াব ও ফজিলত তত বেশি। তাই রাসুল (স.)-এর প্রতি ঈমান আনার পর জিহাদ ও হজকে সর্বোত্তম আমল বলা হয়েছে। একবার রাসুল (স.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘সর্বোত্তম আমল কোনটি?’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনা।’ প্রশ্ন করা হলো, ‘তারপর কোনটি?’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।’ আবার প্রশ্ন করা হলো, ‘এরপর কোনটি?’ তিনি বললেন, ‘হজে মাবরুর তথা মকবুল হজ।’ (বুখারি: ১৫১৯)।

🔸হজ নিষ্পাপ হওয়ার মাধ্যম—
রাসুল (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে হজ করল এবং এসময় অশ্লীল ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকল, সে নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসবে।’ (বুখারি: ১৫২১)।

🔸ওমরা ও হজ দারিদ্র ধ্বংস করে—
রাসুল (স.) বলেন, ‘তোমরা হজ-ওমরা সঙ্গে সঙ্গে করো। কেননা, এ দুটি দারিদ্র্য ও গোনাহ এভাবে দূর করে, যেভাবে হাঁপর লোহা ও সোনা-রুপার ময়লা দূর করে। আর মকবুল হজের বিনিময় জান্নাত’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৮৮৭)

🔸হজের বিনিময় জান্নাত—
আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন—

العمرة إلى العمرة كفارة لما بينهما، والحج المبرور ليس له جزاء إلا الجنة এক উমরা আরেক উমরা পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহর ক্ষতিপূরণ হয়ে যায়। আর হজে মাবরূরের প্রতিদান তো জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়। (সহিহ বুখারি:: ১৭৭৩; সহিহ মুসলিম: ১৩৪৯; মুসনাদে আহমদ: ৭৩৫৪; সহিহ ইবনে হিববান: ৩৬৯৫)

🔸হজ না করার পরিণাম—
সামর্থ থাকার পরও হজ না করার পরিণাম ভয়াবহ। ফরজ হজ ত্যাগ করলে ইহুদি-নাসারার মতো মৃত্যু হবে বলে হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন-

من أطاق الحج فلم يحج فسواء عليه مات يهوديا أو نصرانيا

যে ব্যক্তি হজ করার সামর্থ্য রাখে, তবুও হজ করে না, সে ইহুদি হয়ে মৃত্যুবরণ করল কি খ্রিস্টান হয়ে, তার কোনো পরোয়া আল্লাহর নেই। (ইবনে কাসির: ১/৫৭৮)

আর কেউ যদি হজ অস্বীকার করে বা কোনো ধরনের অবহেলা প্রদর্শন করে তবে সে আল্লাহর জিম্মার বাইরে বলে বিবেচিত হবে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন-

ولله على الناس حج البيت من استطاع اليه سبيلا، ومن كفر فان الله غنى عن العلمين

মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (বায়তুল্লাহ) পৌঁছার সামর্থ্য রাখে তাদের ওপর আল্লাহর উদ্দেশ্যে এ গৃহের হজ করা ফরজ। আর কেউ যদি অস্বীকার করে, তাহলে জেনে রাখা উচিত যে, আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিজগতের প্রতি মুখাপেক্ষী নন। (সুরা আলে ইমরান: ৯৭)

এছাড়াও হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ তায়ালা হজ না করার পরিণতি সম্পর্কে বলেছেন, ‘যে বান্দাকে আমি দৈহিক সুস্থতা দিয়েছি এবং আর্থিক প্রাচুর্য দান করেছি, অতঃপর (গড়িমসি করে) তার পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়ে যায় অথচ আমার দিকে (হজব্রত পালন করতে) আগমন করে না, সে অবশ্যই বঞ্চিত।’ (ইবনে হিব্বান: ৩৭০৩)

✨আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সামর্থ্যবানদের হজের গুরুত্ব সম্পর্কে সঠিক উপলব্ধি দান করুন। আর্থিকভাবে অক্ষম হজপ্রত্যাশীদের সক্ষমতা দান করুন এবং মকবুল হজ নসিব করুন। আমিন।

Address

Kurigram Sadar
Rangpur
5600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Labbayk Hajj & Umrah Kafela posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share