বাংলাদেশ অগ্নিবীর, রংপুর শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • বাংলাদেশ অগ্নিবীর, রংপুর শাখা

বাংলাদেশ অগ্নিবীর, রংপুর শাখা সত্য সনাতন প্রচারে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ
(263)

অগ্নিবীর- মূলনীতি ,লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

মূলনীতি

অগ্নিবীর বৈশ্বিক মানবতা ও ভ্রাতৃত্ববোধে বিশ্বাসী এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভিত্তিতে যেকোন ধরনের বৈষম্যকে প্রত্যাখ্যান করে।অগ্নিবীর বসুধৈব কুটুম্বকম সভ্যতার গর্বিত উত্তরসূরি,আমরা এক জাতি, এক পরিবার ও এক মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী এবং সেটি হল এক ও অদ্বিতীয় বৈদিক ধর্ম যা সকল মানুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখে যার অনুপ্রেরণা এক ও অদ্বিতীয় নিরাকার সর্বব্যাপক পরমেশ্বর।

১. অগ্নিবীর বৈদিক মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী যা পবিত্র বেদে বর্ণিত হয়েছে এবং যা শান্তি, সহিষ্ণুতা, একতা, সত্যবাদীতা ও সততাকে সমর্থন দেয়। কেউ যদি এর সাথে দ্বিমত হয় তবে তার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা ঐকমত্যে আসতে বিশ্বাসী; অর্বাচীন বাক্যালাপ কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনে নয়। যদিও আজ পর্যন্ত বৈদিক মানবতাবাদের ত্রুটি কেউ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি।

২. অগ্নিবীর পবিত্র বেদে বিশ্বাসী যা মানবজাতির প্রথম ও একমাত্র গ্রন্থ যা ঈশ্বরের প্রেরণায় প্রাপ্ত। অগ্নিবীর অন্য কোন গ্রন্থকেই ঐশ্বরিক বলে বিশ্বাস করেনা এবং এর পেছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে বলেই তা করে না।

৩. তবে অগ্নিবীর কাউকে অন্ধভাবে বেদ গ্রহণ করতে বাধ্য করেনা কেননা এটি বেদের মৌলিক নীতির বিরুদ্ধে। বেদকে ঐশ্বরিক গ্রন্থ হিসেবে মানা সিদ্ধান্ত হবে, পূর্বনির্ধারিত অন্ধ বিশ্বাস নয়; এটাই বেদের নীতি। তাই বেদকে ঐশ্বরিক হিসেবে বিশ্বাস করেনা এমন লোকদেরও আমরা সমানভাবে মহৎ ও পুণ্যবান মনে করি যদি তারা সৎ ও চরিত্রবান হয় এবং "শুধু সত্যকে স্বীকার আর মিথ্যাকে প্রত্যাখ্যান" এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়।

৪. অগ্নিবীর ঈশ্বর উপাসনা ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য যোগের অষ্টনিয়মে বিশ্বাসী।
যম- অসহিংসতা, সত্যবাদিতা, চুরি না করা, মজুদ না করা ,আত্মসংযম।
নিয়ম - চিন্তা এবং মনের বিশুদ্ধতা, আত্মতৃপ্তি , 'আমি এই অহংকারকে' দ্রবীভূত করে ঈশ্বরে সবকিছু উৎসর্গ করা , পরিশ্রম , অন্তর্দর্শন এবং স্বশিক্ষা।
আসন - দীর্ঘায়িত সময়ের জন্য ধীরভাবে মনঃসংযোগ ক্ষমতা।
প্রাণায়াম- শ্বাস প্রক্রিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ আনা।
প্রত্যাহার - বহিরাগত ব্যাঘাতের থেকে মনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা।
ধারনা – ঈশ্বর ধারণায় মনোনিবেশ।
ধ্যান- ধারাবাহিকভাবে নির্দিষ্ট কিছুতে মনোযোগী হওয়া।
সমাধি – এমন বিশ্বাস অর্জন যে ঈশ্বর আমাদের মধ্যেই।

৫. অগ্নিবীর জ্ঞানভিত্তিক বিবর্তন পদ্ধতিতে বিশ্বাস করে এবং জোরপূর্বক বিশ্বাস ও অন্ধবিশ্বাস এর পরিণতি সর্বদা বিপরীত ও অনাকাঙ্ক্ষিতই হয় বলে মনে করে। সেহেতু অগ্নিবীর এর পদ্ধতি হল সবচেয়ে সৎ এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে জ্ঞান এবং মানসিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়া।

৬. অগ্নিবীর বিশ্বাস করে যে "নারীরা পুরুষদের চেয়ে তুলনামূলক অযোগ্য এবং নারীদের পুরুষদের তুলনায় স্বল্প অধিকার প্রাপ্য" এরূপ যারা বিবেচনা করে তারা বেদ বিরুদ্ধ মানসিকতা লালন করে এবং মানবতার সর্ববৃহৎ শত্রু।

৭. অগ্নিবীর সম্পূর্ণরূপে সেইসব বিকৃতমস্তিস্কদের বিরুদ্ধে যারা জন্মভিত্তিক বর্ণপ্রথা এবং যোগ্যতাবিহীন বংশপরম্পরার ভিত্তিতে নির্ধারিত গুরুবাদে বিশ্বাস করে এবং এর মাধ্যমে বৈষম্যের সৃষ্টি করে। অগ্নিবীর পবিত্র বেদ বর্ণিত কর্ম ও গুণভিত্তিক শ্রমবিভাজন তথা বর্ণাশ্রম ধর্মে বিশ্বাসী। মানবসৃষ্ট ভ্রান্ত অমানবিক জন্মভিত্তিক বর্ণপ্রথায় নয়।

৮.অগ্নিবীর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে 'মাতৃবৎ পরদারেসু' অর্থাৎ শুধুমাত্র নিজ স্ত্রী(একজন) ছাড়া সকল নারী মাতৃস্বরুপ। যে সকল প্রতিষ্ঠান বা অনুষ্ঠান নারীদের ভোগপণ্য হিসেবে উপস্থাপন করে আমরা তাদের দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করি।

৯. আমরা দুরভিসন্ধিযুক্ত অপপ্রচারকারীদের করা বেদের অশুদ্ধ অনুবাদকে অগ্রহণযোগ্য মনে করি এবং মহর্ষিগণ কর্তৃক অনুবাদিত এবং ভাষ্যকৃত বেদাঙ্গ,নিরুক্তসহ বৈদিক প্রমাণ আশ্রিত বেদ অনুবাদ অনুসরণ করি।

১০. অগ্নিবীর বদ্ধ মানসিকতায় বিশ্বাসী নয় এবং নিজেদের মতকেই চূড়ান্ত মত বলে দাবী করেনা। আমরা যৌক্তিক আলোচনায় বিশ্বাসী এবং যেকোন প্রমাণিত সত্যকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত। সনাতন সম্প্রদায়ের সকল মার্গকেই অগ্নিবীর নিজের ভ্রাতৃসুলভ মনে করে এবং সমগ্র মানবজাতিকে অমৃতের সন্তান হিসেবে শ্রদ্ধা করে।

১১. সমালোচনা অর্থই ঘৃণা নয়। আমরা এমনকি আমাদের পিতা-মতার সাথেও কোন বিষয়ে বিতর্ক করতে পারি কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা তাঁদের ঘৃণা করি। তাই প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আমাদের বেদের আদর্শভিত্তিক বক্তব্যসমূহকে নিন্দা বা ঘৃণার চোখে না দেখে যৌক্তিকতার চোখে দেখার আহ্বান জানাই। বৈদিক সত্যের শুভ্র সৈনিক অগ্নিবীরেরা কোনপ্রকারেই কারো সাথে অশালীন তর্ক,অযৌক্তিক বাক্যালাপ,কারো মতকে কুৎসিতভাবে আঘাত করতে পারেনা; বরং শান্তিপূর্ণ সুন্দর আলোচনা করতে পারে মাত্র।

১২. সর্বশেষে অগ্নিবীর কোন বদ্ধ সংগঠন নয় বরং এটি একটি উন্মুক্ত ধারণা। আপনি যদি বৈদিক যৌক্তিকতার মতে বিশ্বাসী হন ও বাংলাদেশ অগ্নিবীর এর মূলনীতির অনুসারী হন তবে আপনিও একজন অগ্নিবীর! আমরা সকলে অহিংস হই, আমরা একে অপরের শত্রুভাবাপন্ন না হই, আমরা সকলের কল্যাণ কামনা করি, আমরা সকলকে নিজ পরিবারের সদস্য মনে করি। শান্তি,সহিষ্ণুতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা হোক আমাদের অস্ত্র।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

১. সনাতন ধর্ম বেদমূলক । "বেদ অখিলো ধর্মমূলম্" - তাই সকল শাস্ত্র বৈদিক সিদ্ধান্তের অনুকুল ভাবেই মান্য করা বিহিত । বর্তমানে বৈদিক সিদ্ধান্তের নামে এবং আড়ালে অনেক সংস্কার ও বিচারধারা প্রবর্তিত হয়েছে যা কুসংস্কার ও সম্প্রদায়গত মতভেদের জন্ম দিয়েছে । তাই বেদের সর্ব প্রামাণ্যতা কথায় নয় বরং কাজে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের সর্বপ্রথম লক্ষ্য ।

২.
পূর্বেষামপি গুরুঃ কালেনানবচ্ছেদাৎ।
যোগ দর্শন ১.২৬
=>> সেই ঈশ্বরই সকল গুরুরও গুরু, কেননা কালের দ্বারা তার অবচ্ছেদ নেই।
বর্তমানে অন্ধবিশ্বাসী গুরুবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা । যোগী,তপস্বী,বেদজ্ঞ গুরুদেব বা আচার্য শিষ্যকে পরমাত্মা প্রাপ্তির পথ দেখাতে পারেন, ভগবদ্ভক্ত করার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারেন,বেদানুকূলভাবে পঞ্চমহাযজ্ঞ সম্বলিত জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে পরামর্শ দিতে পারেন কিন্তু তাঁর বক্তব্যই শেষ কথা নয় সাথে যুক্তি ও শাস্ত্রীয় প্রামাণ্যতাও আবশ্যক ।
বর্তমানে অনেক নিজস্ব মতবাদপুষ্ট,বেদবিরোধী­ গুরুবাদ ও তাঁকেই ঈশ্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে বৈদিক সনাতন সিদ্ধান্তে অনৈক্যের সৃষ্টি হয়েছে যা দূর করা অত্যাবশ্যক ও দূরীকরণ ।

৩. বলি প্রথার বিলোপ এবং বেদানুকূল সাত্ত্বিক খাদ্য গ্রহণে উৎসাহীকরণ । খাদ্য বিচার নিয়ে সম্প্রদায়গত মতভেদ নির্মূলীকরণ ।

৪. "জন্ম নয় বরং কর্ম ও গুণে ই বর্ণ" - এই মূলনীতিকে সামনে রেখে কর্ম ও গুণের ক্রমবিকাশের ওপর ভিত্তি করে উপনয়ন,বিবাহ সংস্কারাদি পরিচালনা করা এবং পর্যায়ক্রমে সকল সনাতনীকে ষোড়শ সংস্কারের আওতায় আনা।

৫.সর্বস্তরে বেদ ও তদানুকূল শাস্ত্রের প্রচার -প্রসার এবং সংস্কৃত শিক্ষা প্রদান , তার জন্য প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও কর্মসূত্রানুযায়ী পাঠদান । বর্তমান শাস্ত্রবিমুখদের মধ্যে শাস্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি করা । পারিবারিকভাবে সন্তানদের শাস্ত্রশিক্ষার জন্য উদ্বুদ্ধ করা ।

৬.সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক ও কর্মক্ষেত্রীয় মৌলিক অধিকার প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করা ।

৭. নারী পুরুষের সমান মৌলিক অধিকার -যজ্ঞ,পেশা,সংস্কার থেকে শুরু করে সম্পত্তির উত্তরাধিকারীকরণ পর্যন্ত নিশ্চিত করা । বিশেষতঃ সম্পত্তির উত্তরাধিকার সনাতন ধর্মালম্বনকারী সন্তানই হবে, ব্যতিক্রমীরা নয় তা নিশ্চিতকরণ ।

৮. বাল্যবিবাহ বিলোপ,সমাজ শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিজ সুরক্ষায় নিজেদেরই সমর্থ করা এবং সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকরণ

৯. ভিন্ন উগ্রবাদী মতবাদ কর্তৃক প্রচারিত অপপ্রচার ও চেতনা পরিবর্তনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকরণ [পড়ুন মতবাদের অনুসারীকরণ ; কারণ মানবধর্ম একমাত্র বৈদিক সনাতন ধর্ম,অন্য সকল "ধর্ম" মতবাদ মাত্র] রোধ ও সত্য প্রতিষ্ঠা ।

১০. সদ গ্রন্থ পাঠ ও বিবেকীপুরুষের মাধ্যমে অতীতে "ধর্মান্তরিত" বা নতুন শুভাগতদের শুদ্ধি যজ্ঞের মাধ্যামে আইনি ব্যবস্থা ও ধর্মীয়ভাবে মানসিক পরিশুদ্ধিকরণ বাস্তবায়ন করে সামাজিক ভাবে গ্রহণ ।

১১. পরমেশ্বর ও বেদমাতার বাক্য শিরোধার্য করে "এক মত, এক চিত্ত,এক আহার,এক লক্ষ্য ও এক মিলন ভূমি " প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সনাতনের ঐক্য সাধন৷

১২. পরমেশ্বরের শ্রেষ্ঠ নাম - ওম
এক মহামন্ত্র - গায়েত্রী
এই লক্ষ্যদ্বয় বাস্তবায়ন করে ঐক্য সাধন।

19/08/2026

feel it 🎧

হঠাৎ ঘরে ঢুকে হিন্দু মহিলাকে পিটিয়ে হত্যা করল দু*র্বৃ*ত্ত*রা
18/08/2026

হঠাৎ ঘরে ঢুকে হিন্দু মহিলাকে পিটিয়ে হত্যা করল দু*র্বৃ*ত্ত*রা

এই জগতে মন মরা হয়ে বা বিমর্ষ চেহারায় বসে থেকো না।
18/08/2026

এই জগতে মন মরা হয়ে বা বিমর্ষ চেহারায় বসে থেকো না।

ও৩ম্ কৃণ্বন্তো বিশ্বমার্যম্🙏আসুন আমরা সত্য সনাতনকে জানি।সনাতন ধর্মের বিধানে জীবন পরিচালনা করি। বাংলাদেশ অগ্নিবীর রংপুর ব...
16/08/2026

ও৩ম্ কৃণ্বন্তো বিশ্বমার্যম্🙏
আসুন আমরা সত্য সনাতনকে জানি।
সনাতন ধর্মের বিধানে জীবন পরিচালনা করি।
বাংলাদেশ অগ্নিবীর রংপুর বিভাগীয় শাখা আয়োজিত অনলাইন স্বধ্যায়
তারিখ : ১৬ আগস্ট আজ রবিবার
সময়: রাত ০৮.৩০ ঘটিকা।
স্থান: অনলাইন গুগল মিট

আলোচনার বিষয় সমূহ: আমাদের পৃথিবীতে কতবার জন্ম নিতে হয়?

আসুন সবাই আজকের অনলাইন স্বাধ্যায়ে অংশগ্রহণ করি। সনাতন ধর্মতত্ত্বকে জানি। উক্ত স্বাধ্যায়ে আপনারা স্ব-বান্ধব আমন্ত্রিত।

অভিনন্দন ❤️
16/08/2026

অভিনন্দন ❤️

ধামরাইয়ে চুরির অপবাদে ডেকে নিয়ে শংকর মন্ডলকে পি*টি*য়ে হ*ত্যা
16/08/2026

ধামরাইয়ে চুরির অপবাদে ডেকে নিয়ে শংকর মন্ডলকে পি*টি*য়ে হ*ত্যা

চলে এসছে ধর্মীয় কুইজ ১৯৩ সঠিক উত্তরটি কমেন্ট করুন।
15/08/2026

চলে এসছে
ধর্মীয় কুইজ ১৯৩
সঠিক উত্তরটি কমেন্ট করুন।

চলছে বাংলাদেশ অগ্নিবীর, রংপুর শাখা পরিচালিত ❝বেদ ও গীতা শিক্ষা কার্যক্রম ❞আপনার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করুন।নিয়...
15/08/2026

চলছে বাংলাদেশ অগ্নিবীর, রংপুর শাখা পরিচালিত ❝বেদ ও গীতা শিক্ষা কার্যক্রম ❞

আপনার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করুন।
নিয়মিত গীতা স্কুলে পাঠান।

বাহ্হ্, খুবই বীরত্ব ফলিয়েছে... 👏এমন বিশ্বাসঘাতকতা, মিথ্যা ও জঘন্য ষড়যন্ত্রের শেষ নেই.. চলছে, হয়তো চলতে থাকবে ৷ তাই প্...
14/08/2026

বাহ্হ্, খুবই বীরত্ব ফলিয়েছে... 👏
এমন বিশ্বাসঘাতকতা, মিথ্যা ও জঘন্য ষড়যন্ত্রের শেষ নেই..
চলছে, হয়তো চলতে থাকবে ৷ তাই প্রত্যেকটা মুহুর্ত্বে

যারা এমন ষডযন্ত্রের শিকার তাদের এখন করণীয় কী?
— (পিন কমেন্ট দ্রষ্টব্য)

ইলা ঘোষ: এক অদম্য নারী প্রকৌশলীর গল্প১৯৪৭-এর বাংলায় নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষাই যখন ছিল কঠিন বাস্তবতা, তখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া...
14/08/2026

ইলা ঘোষ: এক অদম্য নারী প্রকৌশলীর গল্প

১৯৪৭-এর বাংলায় নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষাই যখন ছিল কঠিন বাস্তবতা, তখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া ছিল যেন আকাশকুসুম কল্পনা। সেই সময় মাত্র ১৬ বছর বয়সে জিপ চালিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেওয়া মাদারীপুরের মেয়ে ইলা ঘোষ প্রবল জেদ ও সাহসকে সঙ্গী করে বেছে নেন প্রকৌশল শিক্ষাকে।

তাঁরই উদ্যোগ ও নেতৃত্বে ১৯৬৫ সালে মাত্র ১২ জন শিক্ষক, ৭০ জন ছাত্রী ও ২টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করে ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট—নারী কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান।
দেশের প্রথম নারী ইঞ্জিনিয়ার, প্রথম বিদেশফেরত নারী ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষানবিশ এবং নারী কারিগরি শিক্ষার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ইলা ঘোষ ছিলেন সত্যিই এক অদম্য ও সাহসী নারী।
#ইলা_ঘোষ #নারী_ইঞ্জিনিয়ার #প্রথম_নারী_ইঞ্জিনিয়ার #নারী_শিক্ষা #কারিগরি_শিক্ষা

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ অগ্নিবীর, রংপুর শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share