Islam the Deen

Islam the Deen Try to spread the Deen Islam

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
03/07/2024

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ

|| তাকবিরে তাশরিক ||৯ই জিলহজ ফজরের নামাজ হতে ১৩ ই জিলহজ আসর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর পুরুষদের ওপর উচ্চঃস্...
15/06/2024

|| তাকবিরে তাশরিক ||

৯ই জিলহজ ফজরের নামাজ হতে ১৩ ই জিলহজ আসর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর পুরুষদের ওপর উচ্চঃস্বরে একবার তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব। আর নারীরা নিচু স্বরে পড়বে, যাতে নিজে শোনে।
[ফতোয়ায়ে শামী ২/১৭৮ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে আলমগীরী ১/৩৭০ পৃষ্ঠা]

ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়া হোক বা একাকী, ওয়াক্তের মধ্যে পড়া হোক বা কাজা, নামাজি ব্যক্তি মুকিম হোক বা মুসাফির, শহরের বাসিন্দা হোক বা গ্রামের—সবার ওপর ফরজ নামাজের পর একবার তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব।
[দুররে মুখতার : ২/১৮০]

ফরজ নামাজের পর তাকবির বলতে ভুলে গেলে, স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকবির পড়ে নেবে। তবে হ্যাঁ, নামাজের বিপরীত কোনো কাজে লিপ্ত হয়ে গেলে, যেমন—কথা বলা, নামাজের স্থান থেকে উঠে পড়া ইত্যাদি হলে তাকবির বলতে হবে না, বরং ওয়াজিব ছুটে যাওয়ার কারণে আল্লাহর কাছে তওবা করবে।
[শামি : ৬/১৭৯]

তাকবিরে তাশরিকের আমল যেভাবে চালু হয়েছে:-
প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ ও বুখারি শরিফের ব্যাখ্যাকার আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি (রহ) বলেন—
যখন হজরত ইবরাহিম (আ) স্বীয় পুত্র ইসমাঈল (আ)-কে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে গলায় ছুরি রাখলেন, এদিকে আল্লাহর নির্দেশে হজরত জিবরাঈল (আ) আসমান থেকে একটি দুম্বা নিয়ে দুনিয়ায় আগমন করছিলেন। কিন্তু জিবরাঈল (আ) এর আশঙ্কা ছিল, তিনি দুনিয়াতে পৌঁছার আগেই ইবরাহিম (আ) জবাইপর্ব সমাপ্ত করে বসবেন। ফলে তিনি আসমান থেকে উঁচু আওয়াজে বলে উঠলেন: 'আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার।'
ইবরাহিম (আ) আওয়াজ শুনে আসমানের দিকে নজর ফেরাতেই দেখতে পেলেন জিবরাঈল (আ) একটি দুম্বা নিয়ে আগমন করছেন। ফলে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে উঠলেন: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর।' পিতার কণ্ঠে এই কালিমা শুনতেই ইসমাঈল (আ) উচ্চারণ করলেন : আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।'
একজন ফেরেশতা আর দুজন প্রিয় নবীর এ বাক্যমালা আল্লাহর খুব পছন্দ হয়। তাই কিয়ামত পর্যন্ত এই বাক্যমালা আইয়ামে তাশরিকে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পড়াকে ওয়াজিব করে দিয়েছেন।
[ফাতাওয়ায়ে শামি : ২/১৭৮, ইনায়া শরহুল হিদায়া : ১/৪৬৪]

সামুদ জাতির গল্প মনে আছে? পাহাড় কেটে অনিন্দ্য সুন্দর প্রাসাদোপম সব স্থাপনা তৈরি করতো সামুদ। এখনো জর্ডানের পেত্রায় প্রায় ...
15/06/2024

সামুদ জাতির গল্প মনে আছে? পাহাড় কেটে অনিন্দ্য সুন্দর প্রাসাদোপম সব স্থাপনা তৈরি করতো সামুদ। এখনো জর্ডানের পেত্রায় প্রায় অতিপ্রাকৃতিক গাথুনির কারুকাজে ভরা, অতিকায়, অদ্ভুত সুন্দর সব নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়।
সামুদ জাতির নবী ছিলেন সালিহ আলাইহিস সালাম। ওরা যখন নুবুওয়্যাতের প্রমান চাইলো, সালিহ আলাইহিস সালামের দু’আর জবাবে আল্লাহ 'আযযা ওয়া জাল প্রমান হিসেবে পাঠালেন একটি উটনী।
আমি তাদেরকে বোঝাবার জন্যে সামুদকে উষ্ট্রী দিয়েছিলাম। অতঃপর তারা তার প্রতি যুলুম করেছিল। আমি ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশেই নিদর্শন প্রেরণ করি। [সূরা ইসরা, ৫৯]
সামুদ জাতির মধ্যে কিছু লোক - অনেক মুফাসসিরিনের মতে ৯ জন - এ উটনীকে হত্যা করলো।। “অতঃপর পাকড়াও করল তাদেরকে ভূমিকম্প। ফলে সকাল বেলায় নিজ নিজ গৃহে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।“
যখন আল্লাহর আযাব আসলো, সেটা পুরো জাতির সবাইকেই গ্রাস করলো। যদিও এ জাতির সবাই সরাসরি উটনী হত্যায় জড়িত ছিল না। অধিকাংশই ছিল নিষ্ক্রিয় জনতা। নিরব দর্শক। অধিকাংশেরই এসব নিয়ে মাথা ব্যাথা ছিল না। তারা মেতে ছিল তাদের নিজ নিজ জীবন নিয়ে। টুকরো টুকরো আনন্দ-বেদনা-ভোগ-বিলাস নিয়ে। শান্তিতে, নির্ঝঞ্ঝাটে নিজেদের জীবন কাটিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কিছু নিয়ে তাদের তেমন একটা মাথাব্যাথা ছিল না। এসব ঝামেলায় তারা জড়াতে চায় নি। নিষ্ক্রিয় জনতা আদর্শ, ধর্ম কিংবা রাজনীতি নিয়ে আগ্রহী ছিল না - যেভাবে চলছে সবকিছু সেভাবেই চলতে থাক – এই ছিল তাদের চাওয়া।
"আমরা তো আমাদের ঘর-বাড়িতে নিরাপদেই আছি, আমাদের কিছুই আক্রান্ত করবে না", নিষ্ক্রিয় জনতা ভেবেছিল।
কিন্তু আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জালের আযাব পাকড়াও তাদের সবাইকেই পাকড়াও করলো। যখন মহবিশ্বের, সমগ্র সৃষ্টির একচ্ছত্র অধিপতির পক্ষ থেকে শাস্তি আসলো তখন গ্রাস করলো সম্পুর্ণ জনপদকে। অধিকাংশের নিস্ক্রিয়তা, তাদের নিরবতা, তাদের গা বাচিয়ে চলার মানসিকতা, তাদের দেখেও না দেখা, শুনেও না শোনা আল্লাহর শাস্তি থেকে তাদের রক্ষা করতো পারলো না।
কেন?
কারন সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্বে, হক্ব ও বাতিলের লড়াইয়ে, ঈমান ও কুফরের সংঘাতে নিরপেক্ষ অবস্থান বলে কিছু নেই। দুই নৌকায় পা রাখার কোন সুযোগ নেই। রাব্বুল আলামীন সেই অধিকার আমাদের দেন নি। হয় ইমানের তাবুতে অবস্থান নিতে হবে, নইলে আমার জায়গা হবে কুফরের তাবুতে। এ চিরন্তন সঙ্ঘাতে নিষ্ক্রিয়তার, নিরপেক্ষতার, গা বাঁচানোর কোন সুযোগ নেই।
ইমান ও কুফরের মাঝামাঝি কিছু নেই। তাওহিদ ও শিরকের মাঝে তৃতীয় কিছু নেই। সু্যোগ নেই দায়িত্ব এড়ানোর। প্রশ্নটা যখন ইমান ও কুফরের তখন মধ্যমপন্থা অবলম্বনের কোন সুযোগ নেই।

লেখা: Asif Adnan

আরাফাতের দিনের সিয়াম এবং দোআ
14/06/2024

আরাফাতের দিনের সিয়াম এবং দোআ

10/06/2024

10/06/2024

প্রায় দু-তিন বছর আগে কোকাকোলা একটা ক্যাম্পেইন করেছিল-- ওয়েবসাইট থেকে আপনি কাস্টমাইজড বোতল অর্ডার করতে পারবেন। নিজের নাম, বউয়ের নাম, শ্বশুরের নাম, দলের নাম, কুত্তার নাম, যা খুশি তাই দিতে পারবেন। শুধু দিতে পারবেন না ফিল_স_তিন এর নাম। ইসস-রাই ল দিয়ে কিন্তু আবার কাস্টমাইজড বোতল অর্ডার করতে পারবেন ঠিকই। দুনিয়াজুড়ে ব্যপক সমালোচনা হয়েছিল সেসময়।

বাংলাদেশে প্রচারিত তাদের নতুন কমার্শিয়ালটা দেখলাম। বেশ ইন্ট্রেস্টিংলি তারা ফিল_স_তিন এর নাম উচ্চার‍ণ করল কিন্তু ইসπরাইল এর নামটা এড়িয়ে গেল। একেই বলে ঠেলার নাম বাবাজি। এত প্যারা খাচ্ছে যে স্বামীর নাম উচ্চারণ করে পাপ জমাতেও এখন রাজী না। আহাম্মকের মত আবার আমাদের এইটাও তারা জানিয়ে দিল ফিল_ স তিনে তাদের ফ্যাকটরি আছে।

জ্বী আছে ফ্যাক্টরি, ফিলস৩ই মানুষের দখলকৃত জমিতে। আর এতে করে এদের অপরাধ, এদের হাতে লেগে থাকা র*ক্তের দাগ মুছে যায় না। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দুইশ বছর আমাদের বুকের উপর দাঁড়িয়ে আমাদেরকে রাজা থেকে দাস বানিয়ে ছেড়েছে। যে দাসত্বের বোঝা আমরা আজও বয়ে বেড়াই। তাদের কোম্পানি বা ফ্যাকটরি আমাদের দেশে ছিল এর মানে এই না তারা আমাদের ভাই-ব্রাদার ছিল।

একটা প্রতিষ্ঠান কোথায় অবস্থিত তাতে কিসসু ছেঁড়া যায় না। তারা মার্কেটিং ক্যাম্পেইন করে কাদের দিনের পর দিন সমর্থন যোগাচ্ছে। এর লভ্যাংশ কাদের পকেটে যাচ্ছে আর তারা এটা দিয়ে কি করে। এর শেয়ার হোল্ডার কারা এগুলোই আমাদের কাছে মূল ব্যাপার। এবার আসেন কোকের কিছু পুরাতন আমলনামা দেখে আসি-

১. ওয়ারেন বাফেট হচ্ছেন কোকা-কোলার সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার। এই লোক তার আর্থিক প্রভাব ব্যবহার করে ইসর-ইলকে উল্লেখযোগ্যভাবে সমর্থন করেন। তার কোম্পানি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ২০০৬ সালে ইস*রায়েলি কোম্পানি ইসকার-এর ৮০% শেয়ার ৪ বিলিয়নে এবং ২০১৩ সালে বাকি ২০% শেয়ার ২ বিলিয়নে কিনে নেয়। বাফেট ইস*রায়েল বন্ডসকে ব্যপকভাবে প্রমোট করেন। তেভা ফার্মাসিউটিক্যালস-এর মতো ইস♪রাই লি কোম্পানিতেও তার ব্যপক বিনিয়োগ রয়েছে।

এছাড়া এই লোক বেন-গুরিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ডোনেশন দিয়েছেন কিছুদিন আগেই। তার ভাষ্যমতে-"আমি ই*হুদি নই, তবে ইস*রায়েল আমাকে আমে*রিকার জন্মের পরের সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। এখানকার মানুষের দৃঢ়সংকল্প, মোটিভেশন, বুদ্ধিমত্তা এবং উদ্যোগ অসাধারণ ও অসাধারণ। আমি ইস-র-ইল এর অর্থনীতির প্রতি ভরসা রাখি।"

(কোক কাদের এটা তাই বুঝতে কোকাকোলা কোন দেশি সেটা সার্চ না দিয়ে, এর সবচেয়ে বেশি শেয়ার কার, এবং তার ই-স রাইল নিয়ে স্ট্যান্স কি সার্চ করুন)

২. ঈ_ স রাইলের সমর্থক: ১৯৬৬ সাল থেকে কোকা-কোলা ই-স্রা ইল_রের দৃঢ় সমর্থক।

৩. ই-স #রাইল কর্তৃক সম্মাননা: ১৯৯৭ সালে ই-স্রাইল সরকার এর ইকোনমিক মিশন কোকা-কোলাকে প্রায় ৩০ বছর ধরে তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে সমর্থনের জন্য সম্মাননা প্রদান করে।

৪. আমে*রিকান-ইস_রাইল চেম্বার অফ কমার্স অ্যাওয়ার্ড: কোকা-কোলা এই পুরস্কারগুলোকে স্পনসর করে, যা ইস-রাইলি অর্থনীতিতে অবদান রাখা কোম্পানিগুলিকে সম্মাননা প্রদান করে।

৫. AIPAC-এর সমর্থন: ২০০৯ সালে, কোকা-কোলা একটি পুরস্কার স্পনসর করে যা AIPAC-এর লবিংয়ের জন্য দেওয়া হয়, যেটা জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে এবং গা*জায় সামরিক হা*মলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দেয়।

৬. খু*নীকে সম্মানিত করা:
২০০৯ সালে, কোকা-কোলা বেন-এলিয়েজারকে তাদের সদর দপ্তরে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করে। বেন-এলিয়েজার হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে ছয় দিনের যু-দ্ধের সময় তার ইউনিটের মাধ্যমে ৩০০ এর বেশি মিশরীয় বন্দীর মৃ ত্যু_দন্ড কার্যকর করার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন।কোকা-কোলার এই সংবর্ধনা সেসময় ব্যপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল।

৭. ফিল-স্তি নের জমি দখল করে সেখানে কোকা কোলার ফ্যাক্টরি স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৬৭-৯১ পর্যন্ত তাই আরবলীগ আনুষ্ঠানিক ভাবে কোকাকোলা বয়কট করে রেখেছিল।

লেখা: Arman ibn solaiman

লুত (আ) এর স্ত্রী কিন্তু সমকামী ছিলেন না। তারপরেও আল্লাহর গজব তাকে পাকড়াও করেছিল।
07/06/2024

লুত (আ) এর স্ত্রী কিন্তু সমকামী ছিলেন না। তারপরেও আল্লাহর গজব তাকে পাকড়াও করেছিল।

জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনগুলোতে যেসব আমল করা মুস্তাহাব - ১. তাওবা করা।২. ফরয ও নফল সালাতগুলো গুরুত্বের সাথে আদায় করা।৩. সিয়...
07/06/2024

জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনগুলোতে যেসব আমল করা মুস্তাহাব -

১. তাওবা করা।

২. ফরয ও নফল সালাতগুলো গুরুত্বের সাথে আদায় করা।

৩. সিয়াম পালন / রোজা রাখা -
হাফসা রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো চারটি আমল পরিত্যাগ করেননি। সেগুলো হল: আশুরার সওম, যিল হজের দশ দিনের সওম, প্রত্যেক মাসে তিন দিনের সওম, ও ফযরের পূর্বের দুই রাকাত সালাত।
(আহমদ: ৬/২৮৭, আবু দাউদ: ২১০৬, নাসায়ী: ২২৩৬)

৪. হজ ও ওমরা করা।

৫. আল্লাহর যিকির করা।
"যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু হতে যা রিজিক হিসেবে দান করেছেন তার উপর নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।" (সূরা আল-হজ, আয়াত: ২৮)

অধিকাংশ আলেম বলেছেন: এ আয়াতে নির্দিষ্ট দিন বলতে যিলহজের প্রথম দশ দিনকে নির্দেশ করা হয়েছে।

৬. তাকবীর, তাহলীল,তাসবীহ
রাসূল সা. বলেন: এ দশ দিনে [নেক] আমল করার চেয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে অধিক প্রিয় ও মহান আর কোনো আমল নেই। তোমরা এ সময়ে তাহলীল [লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ] তাকবীর [আল্লাহু আকবার] তাহমীদ [আল-হামদুলিল্লাহ] বেশি করে আদায় কর। (আহমদ, হাদিস: ১৩২)

৭. আরাফার দিন রোজা রাখা-
রাসূল সা. বলেন, আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী, ইহা পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছররে গুনাহর কাফফারা হবে। (মুসলিম: ১১৬৩)

৮. কুরবানির দিন তথা দশ তারিখের আমল-
রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহর নিকট দিবসসমূহের মাঝে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন হল কুরবানির দিন, তারপর পরবর্তী তিনদিন। (আবু দাউদ: ১৭৬৫)

এ দিনগুলোর ব্যাপারে অনেক মুসলিমই গাফেল, অথচ অনেক আলেমের মতে নিঃর্শতভাবে এ দিনগুলো উত্তম, এমনকি আরাফার দিন থেকেও।

৯. কুরবানি করা -
তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর ও (পশু) নাহর (কুরবানি) কর। (সূরা কাউছার, আয়াত: ২)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের আমলের চেয়ে অন্য কোন দিনের আমলই উত্তম নয়। তাঁরা ...
04/06/2024

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের আমলের চেয়ে অন্য কোন দিনের আমলই উত্তম নয়। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, জিহাদও কি (উত্তম) নয়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জিহাদও নয়। তবে সে ব্যক্তির কথা ছাড়া যে নিজের জান ও মালের ঝুঁকি নিয়েও জিহাদে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসে না।

সহীহ বুখারী: ৯৬৯

অর্থাৎ, তুমি (মুসা আলাইহিস সালাম) ফিরআউনকে যা কিছু বলবে ও তার প্রত্যুত্তরে সে তোমাদেরকে যা কিছু বলবে, আমি তা শুনব ও তার ...
02/06/2024

অর্থাৎ, তুমি (মুসা আলাইহিস সালাম) ফিরআউনকে যা কিছু বলবে ও তার প্রত্যুত্তরে সে তোমাদেরকে যা কিছু বলবে, আমি তা শুনব ও তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করব। আর সেই অনুযায়ী আমি তোমাদেরকে সাহায্য করব এবং তার সকল চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিব। সুতরাং তোমরা তার নিকট যাও এবং দ্বিধা ও ভয় করো না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।সূরা মূলক: আয়াত ১২
27/05/2024

নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

সূরা মূলক: আয়াত ১২

ছবির স্থানটা অনেক সুন্দর আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে না আপনাদের কাছে? ইরানি শিয়াদের মতে সে একজন জাতীয় হিরো। তার কবর গুরুত্বের সা...
20/05/2024

ছবির স্থানটা অনেক সুন্দর আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে না আপনাদের কাছে?
ইরানি শিয়াদের মতে সে একজন জাতীয় হিরো। তার কবর গুরুত্বের সাথে সংরক্ষণ করা হয় এবং সাফাভিদের সময় থেকে ঘটা করে তার মাজারে পুজা দেয়া হয়।
--
আপনি কি জানেন এটা কার মাজার?
পারসিক গোলাম অগ্নিউপাসক আবু লুলু ফিরোজ এর। যে ওমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহুকে খুন করেছিল।
জ্বি, ইরানিরা তার মাজার বানিয়েই পুজা করছে।

Collected from: Abdullah Almahmud

Address

Gaibandha
Rangpur
5700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam the Deen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islam the Deen:

Share