জ্ঞানের আলো

জ্ঞানের আলো Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জ্ঞানের আলো, Religious Center, Rangpur.

Jazakallah Khair for your supports we are working to share the islamic khowledge to our brothers and sisters and we hope that you all brothers and sisters help us ingshaAllah Allah (s.w.t) will give the reward to you all.

10/02/2026

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ:
سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ:
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ،
فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ،
فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ،
وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ.

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত।
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি—
“তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোনো অন্যায় দেখো, তবে সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিরোধ করে।
যদি তা না পারে, তবে মুখে (কথা দিয়ে) প্রতিরোধ করবে।
আর তাও যদি না পারে, তবে অন্তরে (ঘৃণা করবে)।
আর এটাই ঈমানের সবচেয়ে দুর্বল স্তর।”

10/02/2026

یُرِیۡدُوۡنَ لِیُطۡفِـُٔوۡا نُوۡرَ اللّٰهِ بِاَفۡوَاهِهِمۡ وَ اللّٰهُ مُتِمُّ نُوۡرِهٖ وَ لَوۡ کَرِهَ الۡکٰفِرُوۡنَ---

"তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতাদানকারী। যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে"
(সূরা আস-সাফ : ৬১/৮)

10/02/2026

আল্লাহ বলেন-
"তারা যে কোন আওয়াজকেই তাদের বিরুদ্ধে মনে করে"
(মুনাফিকুন : ৬৩/৪)

10/02/2026

নিরাপদ দেশ
ও জাতির কল্যাণের কথা ভেবে জ্ঞান বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে
যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন।

10/02/2026

আল্লাহ বলেন-

اِتَّخَذُوۡۤا اَیۡمَانَهُمۡ جُنَّۃً فَصَدُّوۡا عَنۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ ؕ اِنَّهُمۡ سَآءَ مَا کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ
"তারা নিজদের শপথকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। অতঃপর তারা আল্লাহর পথ থেকে বিরত রাখে। তারা যা করছে, নিশ্চয় তা কতইনা মন্দ!"

ذٰلِکَ بِاَنَّهُمۡ اٰمَنُوۡا ثُمَّ کَفَرُوۡا فَطُبِعَ عَلٰی قُلُوۡبِهِمۡ فَهُمۡ لَا یَفۡقَهُوۡنَ
"তা এ জন্য যে, তারা ঈমান এনেছিল তারপর কুফরী করেছিল। ফলে তাদের অন্তরসমূহে মোহর লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই তারা বুঝতে পারছে না।"
সূরা আল মুনাফিকুন : (৬৩/২-৩)

06/02/2026

ইসলামে গণতন্ত্র ও নির্বাচন:

প্রায় মাসখানিক আগে কোন এক জুমুআর খুতবায় প্রাসঙ্গিক ইসলামে গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে কিছু কথা বলেছিলাম। অনেকের নিকট সেটা বোধগোম্য হয়নি। কেননা তারা সারা জীবন শুনে আসছেন ইসলামে গণতন্ত্র হারাম। আবার দু একজন সেটাকে বিকৃত করে পোস্ট করেছেন। নবী স: যে ইরশাদ করে গেছেন যে তোমরা হুবহু তোমাদের পূর্ববর্তীদের রীতিনীতির অনুসরণ করবে মানে ইয়াহুদীদের। সেটারই প্রতিফলন ঘটেছে।এদের মনে হয় পরকালের প্রতি কোন ভয় নেই।

গণতন্ত্র মানে যদি হয় মানব রচিত আইনের বাধ্যবাধ্যকতা আর আল্লাহর বিধানের নিস্প্রয়োজনীয়তা তাহলে সেই গণতন্ত্র যে শতকরা ১০০ ভাগ হারাম এবং কুফুরী সেটার জন্য কোন গবেষণার প্রয়োজন পড়েনা।
আমি আমার বক্তব্যে সুস্পষ্ট ভাবে বলেছি যে শর্তসাপেক্ষে ও আংশিক গণতন্ত্র ইসলামে বৈধ।
উদাহরণ স্বরূপ বলেছি যে উমার রা: এর ওফাতের সময় তিনি ৬ জন বিশিষ্ট সাহাবীকে পরবর্তী খলিফা নির্বাচনের দায়িত্বভার দিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁরা সকলে আবদুর রহমান বিন আউফ রা: কে দায়িত্ব প্রদান করেন যাচাই করার জন্য যে এই ৬ জনের মধ্যে সবচেয়ে কে বেশি জনপ্রিয়।
তিনি বলেন আমি ঘরে ঘরে নারী পুরুষ শিশু বৃদ্ধ আবাল বনিতা সকলের মতামত নিয়ে জানতে পারি যে উসমান বিন আফফান রা: এই ৬ জনের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় অত:পর আলী রা :।
এটাও কিন্তু একটা গণতন্ত্রের রুপ।
এটা মোটেও শূরা ছিল না।তবে প্রথম ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি নি:সন্দেহে মাজলিসুশ শূরার পর্যায়ের ছিলেন।
এখন যদি বলেন শূরা ভিত্তিক রাষ্ট্রই কেবল ইসলামে চলবে। তাহলে বলবো নি:সন্দেহে সেটা অতি উত্তম হতো কিন্তু শূরা নাম দিয়ে তো জেনা ব্যাভিচারের উপরেও শূরা হতে পারে। দুর্নীতি ও চুরি ডাকাতির উপরও শূরা হতে পারে। তাহলে কি শূরা নাম থাকলেই সেটি বৈধ হয়ে যাবে?
এখন রাত গভীর হয়ে গেছে আল্লাহর রহমতে এক বসাতেই কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা লিখতে পারবো এবং সবগুলোই কুরআন ও সুন্নাহর আলোকেই হবে। ( বলার উদ্দেশ্য যে এটি একটি যেমন বিতর্কিত তেমনি বিশদ একটি ব্যাপার)
ইসলামে রাজনীতি আছে এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে বৈধ তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সেটির স্বরূপ কী হবে তাতে অনেক দীর্ঘ আলোচনা ও মতপার্থক্য রয়েছে।
গণতান্ত্রিক হবে না রাজতন্ত্র মোতাবেক হবে সেগুলো নিয়ে অনেক ও বিশদ আলোচনা আছে। তবে নি:সন্দেহে খেলাফত সর্বোৎকৃষ্ট তাতে কোন সন্দেহ নেই। যেভাবে ইসলামের চার খালীফা নিযুক্ত হয়েছিলেন। অত:পর রাজতন্ত্র উত্তম। অত:পর গণতন্ত্র।
গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ শর্তসাপেক্ষে ও আংশিক বৈধ তাতে কোন সন্দেহই নেই। আমি সেটিই বুঝাতে চেয়েছি মাত্র।
যারা বলে কোন অবস্থায় ভোট দেয়া যাবে না ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যাবে না তাদের আমি খারেজী বলেছি।
আমার কথা বুঝতে হবে।
বিখ্যাত আরবি ওয়েবসাইট ইসলামী ওয়েবে গণতন্ত্রে যা গ্রহণীয় ও যা বর্জনীয় শিরোনাম করা হয়েছে।
الديمقراطية بين القبول والرفص
সেখানে আরো ক্লিয়ার করে বলা হয়েছে যে
الديمقراطية لها جانبان جانب يقره الإسلام
অর্থাৎ গণতন্ত্রের দুটি দিক রয়েছে একটি ইসলাম স্বীকৃতি প্রদান করে।আরেকটি শির্ক ভিত্তিক যেটিকে ইসলাম প্রত্যাখান করে।

আমি এ প্রসঙ্গে জগদ্বিখ্যাত আলেম আল্লামা মুহাম্মদ সলেহ আল উসাইমীন রহ: এর ফতোয়া উল্লেখ করতে চাই।
তবে তার আগে আল্লামা শাইখ সলেহ আল মুনাজ্জিদ কী বলেন শুনে নিই। তিনি বলেন:
:
بل يرى بعض العلماء أن الدخول في هذه الانتخابات واجب .
অর্থাৎ কোন কোন আলেম মনে করেন ( বিশেষ পরিস্থিতিতে) নির্বাচনে অংশগ্রহণ ওয়জিব হয়ে যাবে।

এবার শুনি আল্লামা শাইখ মুহাম্মদ সলেহ আল উসাইমীন রহ: কী বলেন:
তিনি বলেন:

فقد سئل الشيخ محمد بن عثيمين رحمه الله تعالى عن حكم الانتخابات ، فأجاب : "أنا أرى أن الانتخابات واجبة ، يجب أن نعين من نرى أن فيه خيراً ، لأنه إذا تقاعس أهل الخير ، مَنْ يحل محلهم ؟ سيحل محلهم أهل الشر ، أو الناس السلبيون الذين ما عندهم خير ولا شر ، أتباع كل ناعق ، فلابد أن نختار من نراه صالحاً .
فإذا قال قائل : اخترنا واحداً لكن أغلب المجلس على خلاف ذلك .
قلنا : لا مانع ، هذا الواحد إذا جعل الله فيه البركة وألقى كلمة الحق في هذا المجلس سيكون لها تأثير ولا بد ، لكن الذي ينقصنا الصدق مع الله ، نعتمد على الأمور المادية الحسية ولا ننظر إلى كلمة الله عز وجل .... فَرَشِّحْ مَنْ ترى أنه خير ، وتوكل على الله " انتهى باختصار من "لقاءات الباب المفتوح".

সারসংক্ষেপ : আল্লামা শাইখ মুহাম্মদ বিন সলেহ আল উসাইমীন রহ: কে জিজ্ঞেস করা হয় যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের হুকুম তথা বিধাম কি?
তিনি প্রতুত্তরে বলেন: যে বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ এটা ওয়জিব। কেননা আমরা যাদের মধ্যে কল্যাণ মনে করবো তাদেরকে নিযুক্ত করা ওয়াজিব। কেননা ভাল ও সৎ লোকেরা যদি নির্বাচন হতে সরে দাঁড়ায় তাহলে তো অসৎ লোকেরা তাদের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হয়ে যাবে এবং তাদের নিকট হতে কোন কল্যাণই কামনা করা সম্ভব হবেনা।
তাঁকে আরো প্রশ্ন করা হয় যে অসংখ্য অসৎ লোকদের মাঝে দু একজন লোক কী আর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন হোক না একজন এখানেও আল্লাহ বরকত দান করতে পারেন ও একজনই এমন হক্ব কথা বলে দিবেন যে সেটা বিরাট প্রভাব বিস্তার করবে।
(লেকাআতুল বাবিল মাফতূহ)

وسئل علماء اللجنة الدائمة للإفتاء :
"هل يجوز التصويت في الانتخابات والترشيح لها ؟ مع العلم أن بلادنا تحكم بغير ما أنزل الله؟
فأجابوا :
"لا يجوز للمسلم أن يرشح نفسه رجاء أن ينتظم في سلك حكومة تحكم بغير ما أنزل الله ، وتعمل بغير شريعة الإسلام ، فلا يجوز لمسلم أن ينتخبه أو غيره ممن يعملون في هذه الحكومة إلا إذا كان من رشح نفسه من المسلمين ومن ينتخبون يرجون بالدخول في ذلك أن يصلوا بذلك إلى تحويل الحكم إلى العمل بشريعة الإسلام ، واتخذوا ذلك وسيلة إلى التغلب على نظام الحكم ، على ألا يعمل من رشح نفسه بعد تمام الدخول إلا في مناصب لا تتنافى مع الشريعة الإسلامية".
الشيخ عبد العزيز بن باز ، الشيخ عبد الرزاق عفيفي ، الشيخ عبد الله بن غديان ، الشيخ عبد الله بن قعود" .
انتهى من" فتاوى اللجنة الدائمة " ( 23 / 406 ، 407 ) .
অনুরুপ সউদী আরবের স্হায়ী ফতোয়া বোর্ড এর ফতোয় রয়েছে সেখানে বলা হয়েছে যে কোন ব্যক্তি নিজে নিজেকে এমন সরকারের অধীনে প্রার্থী ঘোষণা করবে না যে সরকার আল্লাহর বিধান মত বিচারকার্য ও রাষ্ট্র পরিচালনা করে না। তবে যদি মুসলিমদের মধ্য হতে কোন ব্যক্তি এই উদ্দেশ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন যে তিনি নির্বাচিত হলে ক্রমান্বয়ে বিচারিক কার্যক্রমকে ইসলামী করণ করার প্রয়াস চালাবেন এবং পর্যায়ক্রমে একটা সময় ইসলামী বিধানকেই বিজয়ী দান করবেন এবং ইসলামী শরীয়ত অনুমোদন করে না এমন কোন পদ পদবি গ্রহণ করবেন না এমন নিয়ত ও মানসিকতা রাখলে নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোন সমস্যা নেই। ( শাইখ বিন বায রহ: আল্লামা আবদুর রাজ্জাক আল আফীফী প্রমুখ স্বাক্ষরিত সউদী আরবের স্হায়ী ফতোয়া বোর্ড এর ফতোয়া)।
আমি শুধু এতটুকু বুঝাতে চেয়েছি।
অনেকে আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড জানতে চেয়েছেন। এক কাযযাব কে দেখলাম উল্লেখ করেছে যে জামায়াতে ইসলামী। আমি সেই কাযযাব কে বলতে চাই সমগ্র জীবনে আমি এক সেকেন্ড এর জন্য হলেও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে আমার কোন সম্পর্ক ছিল না।
বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদিস একটি দাওয়াতী ও অরাজনৈতিক এবং তাওহীদ ভিত্তিক সংস্কারবাদী সংগঠন। এটি আশাকরি এমনই থাকবে।
তবে আহলে হাদীসগণ যে কক্ষনো রাজনীতিতে আসবেন না এমনটা বলা যাবে না। তবে সেটা হতে হবে পরামর্শ ও ঐক্যে মতের ভিত্তিতে।
একক ভাবে কারো মতের কোন মূল্য নেই যেমন তার কোন কার্যকারিতাও নেই।
আলেম ওলামাদের বিশেষ করে পড়াশোনার ও গভীর স্টাডি করার আহবান জানাবো। উস্তাদ একটা কথা বলে দিয়েছেন সেটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে সারা জীবন কূপমণ্ডূক হিসেবেই থাকতে হবে। তিনি কোন প্রেক্ষিতে বলেছেন আর কোন দেশের পরিবেশ পরিস্থিতি
তে বলেছেন সেটাও জানার চেষ্টা করুন।।বড় বড় কিবারুল উলামাদেরও যে ফতোয় রয়েছে সেগুলো খোঁজ খবর রাখুন।
মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে তাঁর দ্বীনে হক্ব এর উপর অটুট ও অবিচল রাখুন, আমীন।

ড. আব্দুল্লাহ ফারুক

28/01/2026

কত জনে কত কথাই বলে, রাখে/রাখবে কতখানি 🤔

আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদাররা, তোমরা কেন এমন কথা বলো! যা কাজে পরিণত করো না, এটা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত জঘন্য ও ঘৃণিত কাজ যে তোমরা বলবে এমন কথা যা করবে না।’-(সুরা : সফ, আয়াত : ২-৩)

আবূ সাঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرْفَعُ لَهُ بِقَدْرِ غَدْرِهِ، أَلَا وَلَا غَادِرَ أَعْظَمُ غَدْرًا مِنْ أَمِيْرِ عَامَّةٍ.
'‘কিয়ামতের দিন প্রত্যেক চুক্তি ভঙ্গকারীর একটি করে ঝান্ডা হবে যা তার চুক্তি ভঙ্গের পরিমাণ অনুযায়ী উত্তোলন করা হবে। জেনে রাখো, সে ব্যক্তি অপেক্ষা বড় চুক্তি ভঙ্গকারী আর কেউ হতে পারে না যে সাধারণ জনগণের দায়িত্বভার হাতে নিয়ে তাদের সঙ্গেই চুক্তি ভঙ্গ করে’’। (মুসলিম ১৭৩৮)

24/01/2026

إِنَّ لِلْمُنَافِقِينَ عَلَامَاتٍ يُعْرَفُونَ بِهَا
تَحِيَّتُهُمْ لَعْنَةٌ، وَطَعَامُهُمْ نُهْبَةٌ، وَغَنِيمَتُهُمْ غُلُولٌ،
وَلَا يَقْرَبُونَ الْمَسَاجِدَ إِلَّا هُجْرًا، وَلَا يَأْتُونَ الصَّلَاةَ إِلَّا دُبُرًا،
مُسْتَكْبِرِينَ لَا يَأْلَفُونَ وَلَا يُؤْلَفُونَ،
خُشُبٌ بِاللَّيْلِ، صُخُبٌ بِالنَّهَارِ

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, মুনাফিকদের অনেকগুলো আলামত আছে, সেগুলো দেখে তাদেরকে চেনা যায়।
১. তাদের সম্ভাষণ হল অভিশাপ।
২. তাদের খাদ্য লুটের মাল।
৩. তাদের গনিমত চুরির মাল।
৪. তারা অনিচ্ছা ও বিরক্তি ছাড়া মসজিদের কাছে আসে না।
৫. নামাযের সময় শেষ হলে তারা নামাযে আসে।
৬. তারা অহংকার করে, কারও সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করে না এবং তাদের সাথেও কেউ বন্ধুত্ব স্থাপন করে না।
৭. তারা পরিত্যক্ত কাঠের মত রাতে ঘুমিয়ে থাকে এবং
৮. দিনের বেলা তারা ঝগড়া বিবাদ করে বেড়ায়।

05/01/2026

আসসালামু আলাইকুম

নিমন্ত্রণেঃ জহুরুল ইসলাম (সহকারী শিক্ষক, আসমাউল হুসনা দারুল উলুম মাদরাসা, রংপুর)স্থানঃ পাগলাপীরের বিখ্যাত "বিসমিল্লাহ হো...
17/06/2025

নিমন্ত্রণেঃ জহুরুল ইসলাম (সহকারী শিক্ষক, আসমাউল হুসনা দারুল উলুম মাদরাসা, রংপুর)
স্থানঃ পাগলাপীরের বিখ্যাত "বিসমিল্লাহ হোটেল"
উপলক্ষঃ ঈদুল আযহা
আসমাউল হুসনা দারুল উলুম মাদরাসার সকল শিক্ষক তাঁর নিমন্ত্রণে উপস্থিত হতে পেরে আমরা খুবেই আনন্দিত এবং হাঁসের মাংস ভুনা চমৎকার হওয়ায় খাওয়া খুবেই ভালো হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

নিমন্ত্রণেঃ মুসাব্বির হোসেন (সহকারী শিক্ষক, আসমাউল হুসনা দারুল উলুম মাদরাসা, রংপুর)স্থানঃ বৈরাগীগঞ্জের বিখ্যাত কালা ভুনা...
16/06/2025

নিমন্ত্রণেঃ মুসাব্বির হোসেন (সহকারী শিক্ষক, আসমাউল হুসনা দারুল উলুম মাদরাসা, রংপুর)
স্থানঃ বৈরাগীগঞ্জের বিখ্যাত কালা ভুনা "আম্মাজান হোটেল"
উপলক্ষঃ ঈদুল আযহা

আসমাউল হুসনা দারুল উলুম মাদরাসার সকল শিক্ষক তাঁর নিমন্ত্রণে উপস্থিত হতে পেরে আমরা খুবেই আনন্দিত এবং খাওয়া গুনগত মানসম্পন্ন হওয়ায় আমরা মুগ্ধ, আলহামদুলিল্লাহ।

"রক্ত দানে আল্লাহ চাহে তো জীবন বাঁচে""মুসলিম ওরিজিন ব্লাড গ্রুপ রংপুর"- এরসুপ্রিয় সকল সদস্যবৃন্দ ❤️  বিপদের সময় আমরা একে...
16/06/2025

"রক্ত দানে আল্লাহ চাহে তো জীবন বাঁচে"
"মুসলিম ওরিজিন ব্লাড গ্রুপ রংপুর"- এর
সুপ্রিয় সকল সদস্যবৃন্দ ❤️ বিপদের সময় আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়াব তাহলে নিজের বিপদে অন্যকে পাশে পাব ইনশাআল্লাহ।

বিনীত অনুরোধ
আপনাদের পরিচিত যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন তাদেরকে গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করুন।
আল্লাহ সহজ করুন।

Group link: https://www.facebook.com/groups/2037319429827030/?ref=share&mibextid=NSMWBT

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্ঞানের আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share