Khoshbazar Darbar Sharif-Bangladesh

Khoshbazar Darbar Sharif-Bangladesh Purpose of Khoshbazar Darbar Sharif is to progress the religious & spritual life of human.

25/01/2023

দাদী পীর আম্মাজানের ইন্তিকাল
হদুয়ার পীর শাহ মুহাম্মাদ মুয়াযযম হুসাইন (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) এঁর সুযোগ্য নাতি খোশবাজার দরবার শরীফের পীর শাহ মুহাম্মাদ মাছউদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) এঁর সহধর্মিণী, ছারছীনার পীর আবু জা'ফর মুহাম্মাদ সালেহ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) এঁর শ্যালিকা """আলহাজ্জা হুসনে আরা বিন্তে তইয়ব চৌধুরানী (রহমাতুল্লাহি আলাইহা) """ আজ রাত ৮ টার সময় আমাদের ছেড়ে মহান রব আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়েছেন।

إنا لله وإنا إليه راجعون
اللهم اغفر لها وارحمها، وعافها واعف عنها، وأكرم نزلها، ووسع مدخلها، واغسلها بالماء والثلج والبرد، ونقها من الخطايا كما نقيت الثوب الأبيض من الدنس، وأبدلها دارا خيرا من دارها، وأهلا خيرا من أهلها، وزوجا خيرا من زوجها، وأدخلها الجنة ونجها من النار وأعذها من عذاب القبر "

25/01/2023

শায়খ আলি ইবন আব্দুল্লাহ জন্ম নিয়েছিলেন মরক্কোতে। একসময় তিনি মনস্থ করলেন, যুগের কুতবের কাছে তরিকতের দীক্ষা নেবেন। যেই ভাবা, সেই কাজ। দেশ ছেড়ে বেরিয়ে পড়লেন। ঘুরতে ঘুরতে পৌঁছলেন ইরাকে। সেখানে অনেক বড় বড় শায়খের সাথে সাহচর্যের পর শায়খ আবুল ফাতহ বললেন, কুতব খুঁজতে এখানে এসেছো, তোমার দেশেই তো তিনি আছেন। ওখানে যাও, পেয়ে যাবে।
যাই হোক, আলি ইবন আব্দুল্লাহ ফের মরক্কোতে ফেরত আসলেন।
অবশেষে তিনি প্রখ্যাত শায়খ আব্দুস সালাম ইবন মাশিশের খোঁজ পেলেন। ইবন মাশিশ থাকেন পাহাড়ের উপরে- নিজের খানকায়।
আলি ইবন আব্দুল্লাহ পাহাড়ের পাদদেশে একটা ঝর্ণায় গোসল করলেন। দীনহীন ফকীর বেশে ইবন মাশিশের কাছে হাজির হলেন। ইবন মাশিশ তাঁকে দেখে বললেন, ‘স্বাগতম হে আলি ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল জাব্বার.....। ইবন মাশিশ আলি ইবন আব্দুল্লাহর বংশতালিকা রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত বলে দিলেন। এরপর বললেন, ‘আলি। তুমি নিজের ইলম আর আমল থেকে ফকিরি অবস্থায় আমাদের কাছে এসেছো, তাই আমাদের কাছ থেকে তুমি দুনিয়া-আখিরাতের ধনাঢ্যতা অর্জন করবে।
শায়খ আলি তখন থেকে ইবন মাশিশের কাছে থাকতে লাগলেন। একদিন তিনি তাঁর সামনেই বসে আছেন। তাঁর ঘরের ভেতর ছোট্ট এক বালক বসেছিল। সম্ভবত তাঁরই ছেলে। হঠাৎ আলীর মনে হলো, ইসমে আজম সম্পর্কে ইবন মাশিশের কাছে জিজ্ঞেস করবেন। ছেলেটি তখন উঠে এসে তাঁর কলারে চাপড় দিয়ে বলল, ‘আবুল হাসান! শায়খকে ইসমে আজম জিজ্ঞেস করতে চান? এটা তো বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো আপনার নিজের ইসমে আজমে পরিণত হওয়াতে!’ অর্থাৎ আপনার অন্তরে আল্লাহর রহস্যাবলি সম্পর্কে জ্ঞান থাকবে।
ইবন মাশিশ বালকের কথা শুনে হেসে ফেললেন। বললেন, ও-ই তো আমাদের পক্ষ থেকে জবাব দিয়ে দিল।
এরপর তিনি বললেন, ‘আলি। আফ্রিকায় যাও। সেখানে শাযিলা নামের একটা শহর আছে। সেখানে থাকো। আল্লাহ নিজেই তোমার নাম দিয়েছেন শাযেলি....।
বি.দ্র. এতক্ষণ যাঁর কথা লিখলাম, সেই আলি হলেন ইমাম আবুল হাসান আলি আশ শাযেলি রাহিমাহুল্লাহ। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাঁর ওয়াযিফা হিযবুল বাহর বহুল পঠিত।

03/07/2022

মাওলানা আবদুস সাত্তার ইবন আবদুল হাই ফারায়েজী (দামা নাফউহু) বলেন, আমাকে মাওলানা আবদুল মান্নান আবু মাহফুজ কুতুবনগরী (দামা নাফউহু) বলেন,
চিলাহাটিতে আমি খোশবাজারের পীর হযরত মাওলানা শায়খ শাহ মাছউদ (রাহিমাহুল্লাহ) এর সফরসঙ্গী ছিলাম। শায়খ তখন প্রচণ্ড জ্বরাক্রান্ত ছিলেন। তিনি যিকর, তা"লিম,ওয়াজ, নাসীহা, দুয়া,মুলাকাত কিছুই করতে পারেন নি। বিছানায় শুয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। কিন্ত গভীর রাতে ওযুর কেতলির খট খট আওয়াজে আমার ঘুম ভেঙে যায়। মনে করলাম এত রাতে কেতলির আওয়াজ কেন? পীর সাহেব হুজুর তো অসুস্থ। চোখে মেলে দেখি ঘরে আলো জ্বলছে। হুজুর ওযু করছেন। তাহাজ্জুদের সময় হয়েছে। আল্লাহর ওলী আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে প্রস্তুত। আহ, এর নামই কারামাত! এই হচ্ছে আল্লাহর প্রিয়বান্দার পরিচয়! প্রচন্ড জ্বর তাহাজ্জুদ ছুটাতে পারে নি যাঁর।
রাহিমাহুল্লাহু তায়া'লা।

মাওলানা হাফিজ ইয়াসিন ইবন হারুন তালুকদার রাহিমাহুল্লাহ। খোশবাজারের পীর শাহ মাসউদ রাহিমাহুল্লাহ এর সুহবাতপ্রাপ্ত একজন নক্ষ...
10/07/2021

মাওলানা হাফিজ ইয়াসিন ইবন হারুন তালুকদার রাহিমাহুল্লাহ। খোশবাজারের পীর শাহ মাসউদ রাহিমাহুল্লাহ এর সুহবাতপ্রাপ্ত একজন নক্ষত্রতুল্য আলিম। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে শিক্ষকতা, দায়ির দায়িত্বপালন সহ বিভিন্ন কর্মে জড়িত ছিলেন। ছাত্রজীবনে উপমহাদেশের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা শায়খ নিয়াজ মাখদুম খোত্তানী রাহিমাহুল্লাহ এর স্নেহধন্য প্রথমসারির একজন ছাত্র ও শাগরিদ ছিলেন। তাঁর কাছে সাহিহ আল বুখারী, সাহিহ মুসলিম সহ বিভিন্ন কিতাবের দরস নিয়েছেন।
তিনি দাদাজান হুজুর রাহিমাহুল্লাহ এর প্রতিষ্ঠিত খোশবাজার ছালেহিয়া দারুস সুন্নাত মাদরাসার প্রথমদিকের একজন মুদাররিস ছিলেন। তাঁর সাথে একবার দেখা হয়েছিল মাত্র। সেদিন আব্বাজানের সাথে তাঁর বাসায় গিয়েছিলাম। বেশ হাস্যোজ্জ্বল প্রাণবন্ত একজন আলিম। তিনি করোনাক্রান্ত হয়ে গত দু'দিন আগে আল্লাহর কাছে চলে গেছেন। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুক। আমিন।

04/08/2020

বিদআত কি তিনযুগের সাথেই সম্পৃক্ত?
"বিদআত" ইসলামের অন্যতম একটি ভয়ংকর বিষয়। "বিদআত" যুক্ত আমল প্রত্যাখ্যাত। তা কখনওই শারিয়াহ সম্মত হতে পারে না। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুব কঠোরভাবে উম্মাহকে সতর্ক করে গেছেন। তিনি বলেন,

عن أم المؤمنين أم عبدالله عائشة رضي الله عنها، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "مَنْ أَحْدَثَ فِيْ أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ". [رواه البخاري:2697، ومسلم:1718 ]. وفي رواية لمسلم: " من عمل عملاً ليس عليه أمرنا فهو رد ".

উম্মুল মুমিনিন উম্মু আব্দিল্লাহ আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"যে আমাদের এ বিষয়ে (তথা ইসলামে) নতুন কিছু করলো যা ছিল না তা প্রত্যাখ্যাত "।
(সাহিহ লিল ইমাম আল বুখারি, হাদিস -২৬৯৭, সাহিহ লিল ইমাম মুসলিম, হাদিস -১৭১৮)
সাহিহ লিল ইমাম মুসলিমের অপর বর্ণনায় এসেছে, " যে এমন আমল করলো যার উপর আমাদের আমল ছিল না তা প্রত্যাখ্যাত"।

সুতরাং "নব উদ্ভাবিত বিদআত কিংবা ইহদাস সে আমলকেই বলা হবে যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে ছিল না অর্থাৎ ইসলামি শারিয়ার সাথে সাংঘর্ষিক বিষয় বা আমল। আমল বলতে আমরা অনেকে কেবল ইবাদত তথা সালাত, সাওম, হাজ্জ, তাসবিহ, তাহলিলকে বুঝি কিন্ত আমাদের কর্তব্য হচ্ছে এ সম্পর্কে সাহাবিদের দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রাখা। বিশেষকরে বিদআতের পরিচয় দিতে যেয়ে অনেকই আরেকটি হাদিসকে সামনে নিয়ে আসেন। তা হচ্ছে,

عن عبدالله بن مسعود رضي الله عنه، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: (خَيْرُ الناس قَرْني، ثمَّ الذين يَلُونَهُم، ثمَّ يجيءُ أقوامٌ تَسْبِقُ شَهَادةُ أَحَدِهم يَمينَه، وَيَمينُه شَهَادتَه)

البخاري (2652) في الشهادات، ومسلم (2533) في فضائل الصحابة
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন,
" আমার যুগের মানুষেরাই উত্তম। এরপরে তাদের যারা সাক্ষাৎ পাবে তথা তাবিয়িন। এরপরে তাদের যারা সাক্ষাৎ পাবে তথা তাবিয়ুত তাবিয়িন। এরপরে এমন সব জাতি আসবে যাদের একেকজনের সাক্ষ্য তাদের শপথের অগ্রগামী হবে। আর শপথ সাক্ষ্যের অগ্রগামী হবে অর্থাৎ মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ এক যুগ আসবে।
(সাহিহ লিল ইমাম বুখারি - বাব শাহাদাত - ২৬৫২, সাহিহ লিল ইমাম মুসলিম - বাব ফাদাইলুস সাহাবা, ২৫৩৩)।

কিন্ত আশ্চর্যের বিষয় হলো এ হাদিসে "বিদআত" সম্পর্কে বলা হয়নি। বরং উত্তম মানুষদের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এ তিন যুগকে "বিদআত" মুক্ত মনে করার যৌক্তিকতা দেখা যাচ্ছে না বরং উত্তম যুগ হওয়া সত্ত্বেও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তিকালের পরেই রিদ্দার বিদআত, খারিজিদের বিদআত, বিদ্রোহের বিদআত সহ বিভিন্ন ধরনের বিদআত শুরু হয়। তাছাড়া "হাদাস বা বিদআতের হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবিয়্যাহ আইশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু আনহার ভাষায় "বিদআতের পরিচয় " সুস্পষ্ট হয়ে যায়। তাঁর ভাষায়,

قال الامام الحاكم : - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْن يَعْقُوبَ، ثنا أَبُو الْبَخْتَرِيِّ عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ الْعَبْدِيِّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا وَكَانَتْ تُحَدِّثُ نَفْسَهَا أَنْ تُدْفَنَ فِي بَيْتِهَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ، فَقَالَتْ: «إِنِّي أَحْدَثْتُ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَثًا ادْفُنُونِي مَعَ أَزْوَاجِهِ» فَدُفِنَتْ بِالْبَقِيعِ «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ الشَّيْخَيْنِ وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ»
[التعليق - من تلخيص الذهبي]
6717 - على شرط البخاري ومسلم " .
ইমাম হাকিম বলেন,... আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে তাঁর ঘরেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পাশে দাফন করতে ওয়াসিয়াত করতেন। কিন্ত পরবর্তীতে তিনি বলেছেন, " নিশ্চয়ই আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরে "হাদাস " বা " বিদআত করেছি। তাই আমাকে তাঁর অন্যান্য স্ত্রীদের কবরের পাশে দাফন দিবে"। ফলে তাঁকে আল বাকি' তে দাফন করা হয়।
ইমাম হাকিম বলেন, এ হাদিস বুখারি ও মুসলিমের শর্তে সাহিহ। কিন্ত তাঁরা বর্ণনা করেন নি।
আল মুস্তাদরাক - ইমাম হাকিম - হাদিস নং -৬৭১৭।

এখানে হাদাস বা বিদআত দ্বারা জঙ্গে জামাল উদ্দেশ্য। ফলে আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর দ্বারা বিদআত বা হাদাস হওয়ার ফলে লজ্জিত হয়ে দাফন সংক্রান্ত ওয়াসিয়াত পরিবর্তন করেছেন। তো তিনিই যেহেতু "বিদআতের হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন সুতরাং "বিদআতের পরিচয় " তিনিই উত্তমভাবে জেনে থাকবেন।

তাছাড়াও সাইয়িদুনা আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও সাহাবিদের যুগে "হাদাস বা বিদআত " সংঘটিত হওয়ার বর্ণনা রয়েছে।

قال الامام احمد : " 926 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ الْوَاسِطِيُّ، أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الْمُسَيَّبِ بْنِ عَبْدِ خَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَامَ عَلِيٌّ فَقَالَ: " خَيْرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، وَإِنَّا قَدْ أَحْدَثْنَا بَعْدَهُمْ أَحْدَاثًا يَقْضِي اللهُ تَعَالَى فِيهَا مَا شَاءَ "
إسناده صحيح. حصين: هو ابن عبد الرحمن.

ইমাম আহমাদ তাঁর মুসনাদে বর্ণনা করেন সাইয়িদুনা আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে বললেন, নাবির পরে এ উম্মাতের উত্তম ব্যক্তি হলেন আবু বাকর ও উমার। আর তাঁদের পরে আমরা আহদাস তথা অনেক বিদআত করে ফেলেছি। আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন তাই ফয়সালা করেন।
হাদিসটির সনদ সাহিহ। মুসনাদ -৯২৬।

সুতরাং আমরা বলতে পারি "বিদআত " কোনও যুগে সীমাবদ্ধ নয়। বরং শারিয়ার নামে বা সুন্নাত সম্মত মনে করে শারিয়া লঙ্ঘিত হয় এমন কাজ করা "বিদআত"।

والله أعلم بالصواب وإن أخطأت فهو مني ومن الشيطان ۔استغفر الله العظيم من جميع الذنوب والبدعة والعصيان ۔
লিখেছেন ছাহেবজাদা মুহাম্মাদ ছফিউল্লাহ ইবন হাসান আল মাছউদী।

18/06/2020

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী খোশবাজার দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব কেবলা আলহাজ্জ হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী মুহাম্মাদ মাছউদ আলম (রহমাতুল্রাহি আলাইহি) এঁর একটি সংক্ষিপ্ত ভাষণ।

08/04/2020

খুবই আশ্চর্যের বিষয়!
আমরা কোনো একটি দিন বা রাত মাহফিলের তারিখ নির্ধারণ করে আলোকসজ্জা করি, বিভিন্ন পদ্ধতিতে আল কুরআনের তিলাওয়াত করি, হাদিসের আলোকে আলোচনা করি ও শুনি, সিরাতুন নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে নির্ধারিত অংশের উপর বক্তব্যের আয়োজন করি, বিভিন্ন মাসয়ালা নিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করি, বিশেষকরে সমকালীন বিষয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা করি, সে দিন বা মাসের কোনো ফাদাইল থাকলে সেটা সাধারণ মুসলিমদের জানানোর ব্যবস্থা করি, বিভিন্ন কণ্ঠশিল্পী বা শিল্পীগোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামি সংগীতের আয়োজন করি, খুবই মনোমুগ্ধকর ছন্দের তালে তালে সুরের মূর্ছনায় বিভোর হয়ে সবাই মিলে আবৃত্তি করি, মাহফিল উপলক্ষে অনেকের দেখা হয় ফলে তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার সুমিষ্টখাদ্য দিয়ে আপ্যায়ন করি।
এসব কিছুই আমরা স্বাভাবিকভাবেই করে থাকি। ভুলেও আমরা এসব কাজ বিদআত হবে বলে ভাবনায়ও আনি না কিংবা ভাবনাতে আসেও না । নির্ধারিত দিন বা রাতের বিষয়ে কোনো ফাদাইল না থাকলেও আমরা সে দিন বা রাত নিজেরাই নির্ধারণ করি। এরপর এসব কাজ করে থাকি।
অথচ আমাদের কিছু ভাই তারা শারিয়া নির্ধারিত ফাদাইলের রাত বা দিনে এসব কাজ করলেই বিদআতের ফাতওয়া দিয়ে সাধারণ মুসলিম জনতাকে "বেদাতী" সাব্যস্ত করেন। এটা খুবই অবিবেচনাপ্রসূত বলেই মনে হচ্ছে। অথচ বড়ই আফসোসের বিষয় যে সাধারণ মানুষেরা তো দূরের কথা আমাদের সমাজে তথা বাংলাদেশের জনসমাজে বক্তা, ইসলামি নেতা, পীর, শাইখ, আলিম, আমির হিসেবে স্বীকৃত অনেকই আল কুরআন ও সুন্নাতের আলোকে এসব দিন বা রাতের প্রকৃত গুরুত্ব, তাৎপর্য, মহত্ব, আমাল সম্পর্কে ওয়াকিফহাল নন। তাদেরসহ সাধারণ মুসলিমের অবশ্যই সেসব ফাদাইল জানা বুঝার প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য উক্ত দিন বা রাতে মাহফিল আয়োজন করাকে বিদআত আখ্যা দেয়া একপ্রকার বাড়াবাড়ি বৈ কিছু নয়।
এ মুহুর্তে আমরা লাইলাতুন নিসফি মিন শা'বান তথা আমাদের দেশে শবে বরাত নামে প্রসিদ্ধ একটি ফাদাইলপূর্ণ রাত অতিক্রম করছি। শবে বরাত নামে প্রসিদ্ধ হলেও এ নামটি বর্জন করে হাদিসে বর্ণিত নামই বলা উচিত। এরাতে আল্লাহ মুশরিক তথা তাঁর ওয়াহদানিয়্যাতের সাথে অংশীদারিত্ব স্থাপনকারী ও মুশাহিন তথা হিংসুক ব্যতীত সব তাওবাকারী মুসলিমকে ক্ষমা করে দেন। সুতরাং এরাতে আমাদের বেশি বেশি তাওবা -ইস্তিগফার করাই উত্তম আমাল। এরাতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুসারে কবর বা মাযার তথা যিয়ারতের স্থানে যেয়ে যিয়ারত করা যেতে পারে। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরাতে কবর যিয়ারত করলেও কোনো সাহাবি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তা করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে বর্ণনা আমরা পাচ্ছি না। সালাতুন নাওয়াফিল ও সালাতুত তাহাজ্জুদ প্রতি রাতেই আমরা আমাল করতে পারি। বেশি বেশি তাহলিল, তাসবিহ, তাকবির, ইস্তিগফার, দুয়া, আস সালাত ওয়াস সালাম আলান নাবি আমরা পড়তে পারি। আমাদের দেশে কিছু সনদবিহীন হাদিসের আলোকে এরাত উপলক্ষে বারো রাকায়াত বিশেষ সালাত প্রচলিত রয়েছে। তো আমরা এ নির্দিষ্ট বারো রাকায়াতের পরিবর্তে ইচ্ছেমতো নাওয়াফিল সালাত পড়বো ইন শা আল্লাহ। আর প্রচলিত বলেই কোনো আমালকে এরাতের জন্য নির্দিষ্ট বলে ধারণা করা থেকে দূরে থাকা উচিত। সুন্নাতের আলোকে ইবাদত করতে আমরা সচেষ্ট থাকবো।
আমাদের দেশে তো বটেই বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশে প্রচলিত হালুয়া-রুটি নিয়ে একধরণের পক্ষপাতদুষ্ট চিন্তাধারা আমাদের মধ্যে রয়েছে। যেহেতু একজন ইমাম এরাত উপলক্ষে এসব আয়োজনকে বিদআত বলেছেন! কিন্ত আমরা হাদিস থেকে জানতে পেরেছি হালুয়া ও রুটি সুন্নাহসম্মত হালাল খাবার। বিশেষকরে হালুয়া তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় খাবার। আর রুটি আবহমানকাল ধরেই প্রচলিত। তো এসব খাবার দিয়ে জনসাধারণকে আপ্যায়ন করা ইসলামের অন্যতম একটি উত্তম কাজ হবে বলেই আমরা হাদিস থেকে শিক্ষা পাই। কিন্ত এরাত উপলক্ষে এরকম করতেই হবে বলে জরুরি মনে করাটা ঠিক নয়। আবার কেউ করলেই আমরা বিদআতের ফাতওয়া দিবো না। কোনো ইমাম বলেছেন বলেই সেটা গ্রহণযোগ্য মত হয় না। যেহেতু আমরা হাদিসে এর বিপরীত পেয়েছি। বিশেষকরে এখন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে আমরা সবাই লকডাউনে। এমুহুর্তে আমরা একান্ত প্রয়জোন না হলে আপ্যায়নের আমাল করবো না ইন শা আল্লাহ।
এরাত উপলক্ষে মসজিদে যাওয়ার কোনো নির্দেশনা আমরা সুন্নাহতে পাই না। যদিও তাবিয়িদের কেউ কেউ খালিদ ইবন মা'দান সহ অন্যান্যরা মসজিদে গিয়েছেন কিন্ত অসংখ্য তাবিয়ি, সাহাবি কেউই এরাত উপলক্ষে মসজিদে যান নি। তাই বলে অন্যরা তাঁদেরকে "বেদাতী " আখ্যাও দেন নি। তাই প্রচলিত মাহফিল উপলক্ষে আমালগুলো মুবাহ হবে। যেমন তিলাওয়াতের প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান করা মুবাহ। কিন্ত প্রত্যেক তিলাওয়াতকারী, শ্রবণকারী যার যার তিলাওয়াত ও সামা' অনুযায়ী ছাওয়াব পাবেন। ঠিক তেমনিভাবে এরাত উপলক্ষে মাহফিলে আলোচিত বক্তব্য ও অন্যান্য কার্যক্রম অনুসারে বক্তা ও শ্রোতা সবাই ছাওয়াব পাবেন। আমাদের কেউ যদি এসব মাহফিল কিছুই না করে কেবল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত অনুযায়ী কিছু আমাল করে কিংবা তিনি নির্দেশ দেন নি ভেবে কবর যিয়ারত না করে কেবল ইস্তিগফার করে তাহলে আমরা তাকে এরাত অস্বীকারকারী বলবো না। সে আমাদের ভাই। আর কেউ মাহফিল করছে বলেই আমরা বিদআত ফাতওয়া দিয়ে গুলু তথা বাড়াবাড়ি করবো না।
এরাতের কিয়াম ও পরদিনের সিয়াম নিয়ে আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে দয়িফ হাদিস রয়েছে। কিন্ত এক্ষেত্রে আইয়ামে বীযের তিন দিন সাওম পালন করাটাই অধিক সুন্নাহসম্মত আমল। তাছাড়া রামাদানের পরে এ মাসে অধিক সাওম পালন করাই সুন্নাহ। শাওয়ালের ছয়দিনের সাওম থেকে এমাসে অধিক পরিমাণ সাওম পালন করা প্রয়োজন।

আমরা সমস্ত পাপাচার, মদপান সহ কাবিরাগুনাহ থেকে তাওবা করবো, দূরে থাকবো। কাউকেই হিংসা করবো না। আল্লাহর সাথে ভুলেও শিরক করবো না। সন্ধ্যায় গোসল করা থেকে বিরত থাকবো। কেননা এসম্পর্কে হাদিস নেই, আছে জাল হাদিস। এটা বিদআত। তবে জানাবাত, ক্লান্তি, উষ্ণতা কিংবা একাগ্রচিত্তে ইবাদতের জন্য সন্ধ্যায় গোসল করতে বাঁধা নেই। একান্ত প্রয়োজন না হলে বিদআতের বিরোধীতায় গোসল বর্জন কারাই কর্তব্য। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইতিসাম বি হাবলিল্লাহ এর উপরে আমাল করার তাওফিক দিন। সবাইকেই সাহিহ ফিকহ দান করুক। আমিন।
আলহামদুলিল্লাহ ওয়াস সালাতু ওয়াস সাল্লামু আলা রাসুলিল্লাহ।
লিখেছেন - দরবার শরিফের সাহেবজাদা শাহ মুহাম্মাদ ছফিউল্লাহ ইবন হাসান আল মাছউদী।

18/03/2020

صلوا في بيوتکم

صلوا في رحالکم

Please, Perform your prayer at your home.

যদিও বাংলাদেশের সব অঞ্চলে আযানে বাড়িতে সালাত আদায়ের বিধান এমুহুর্তে চালুর বিষয়ে বিজ্ঞ উলামার কোনো মতামত দেখি নি বা এখনও সময় আসেনি কিন্ত ঢাকাসহ বড় বড় সিটিতে এবিষয়ে দৃষ্টি দেয়া খুবই প্রয়োজন।

في الصحيحين عن ابن عباس: أنه قال لمؤذنه في يوم مطير: إذا قلت أشهد أن محمداً رسول الله فلا تقل حي على الصلاة، قل: صلوا في بيوتكم، قال: فكأن الناس استنكروا ذلك، فقال: أتعجبون من ذا؟ فقد فعل ذا من هو خير مني -يعني رسول الله صلى الله عليه وسلم-.

হঠাৎ করে আযানের শব্দবদলে কৌতূহল সৃষ্টি হলেও হতে পারে। যেমনটা এ হাদিসে দেখা যাচ্ছে। সাহাবিদের যুগেও এরকম হয়েছিল। কিন্ত তাই বলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি সুন্নাতকে আমলে পরিণত করার সুবর্ণসুযোগকে কেন হেলায় ছেড়ে দিবেন? আর কেনইবা জাতিকে বিপদের দিকে ঠেলে দিবেন?
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, রিসোর্ট, পার্ক কিংবা অফিস বন্ধ করা না করার সাথে মাসজিদের জামাত বন্ধের তুলনা দেয়া অযৌক্তিক। সেগুলোর দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। আর মাসজিদ সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব আলিমদের কাঁধে। আলিমদের দায়িত্ব আলিমরা পালন করলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা থেকে তাঁরা বেঁচে যাবেন। বাকি সবাইকেই সতর্ক করতে হবে।
কেউ বলবেন মাসজিদে যাওয়ার জন্য মানুষকে কিছুই বলেন নি এখন সুন্নাত একটি পেয়েছেন যাওয়া লাগবে না আর ওমনি সুন্নাত সুন্নাত শুরু করলেন? আরে ভাই আবেগ থামান। আবেগকে বিবেকের চেয়ে প্রাধান্য দিবেন না। সারা বছর এত এত ওয়াজ, মাহফিল, জুমার লাইভ থেকে কি কম ডাক দেয়া হয়েছে? মানুষকে মাসজিদে আনতে কতো মেহনত বিভিন্ন সংগঠন করছে। কিন্ত আমাদের তো বাস্তবতা বুঝতে হবে। স্থান, কাল, পাত্র ভেদে সুন্নাত বুঝতে হবে।
আসুন, আমরা ঈমানি পরীক্ষা দেই।আমরা যারা বাসায় সালাত আদায় করবো আমাদের যেন কাযা না হয় কিংবা সালাত ছুটে না যায়।
আল্লাহু খাইরুন হাফিযা।

06/12/2019

খোশবাজার দরবার শরীফের পীর হযরত শাহ সুফি শায়খ মাছউদ রাহিমাল্লাহু এর দীর্ঘজীবনের সফরসঙ্গী ফরায়েজী রাহিমাহুল্লাহ এর প্রিয়তমা স্ত্রী আজ রাত ৩টায় ইন্তেকাল করেন। আল্লাহ তাঁকে মাফ করে দিক।জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান করে নিক। তাঁর পরিবারের সবাইকে সবরে জামিল দান করুক।
اللهم اغفر لها وارحمها، وعافها ،واعف عنها ،وأكرم نُزُلها ، ووسع مُدخلهُا، واغسلها بالماء والثلج والبرد ، ونقها من الخطايا كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس ، وأبدلها داراً خيراً من دارها ، وأهلاً خيراً من أهلها وزوجاً خيراً من زوجها وأدخلها الجنة ،وأعذها من عذاب القبر

05/12/2019

আগামীকাল থেকে ইসালে ছাওয়াব মাহফিল শুরু হবে ইন শা আল্লাহ। সবাই আমন্ত্রিত।

খোশবাজার ছালেহীয়া দারুস সুন্নাত কামিল মাদরাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ মাওলানা শায়খ মুহাম্মাদ খায়রুজ্জামান মাদ্দাল্লাহু যিল্লাহ...
02/12/2019

খোশবাজার ছালেহীয়া দারুস সুন্নাত কামিল মাদরাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ মাওলানা শায়খ মুহাম্মাদ খায়রুজ্জামান মাদ্দাল্লাহু যিল্লাহুল আলি খুবই গুরুতর অসুস্থ। হযরত রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।গতকাল খোশবাজার দরবার শরীফের হযরত মেজ পীর সাহেব কিবলা শায়খ মাওলানা শাহ আবুল হাসানাত মুহাম্মাদ আয়াতুল্লাহ হাসান আল মাছউদী মাদ্দাল্লাহু যিল্লাহুল আলি তাঁর সফরসঙ্গীসহ তাঁকে একনজর দেখতে যান। এসময় উপস্তিত ছিলেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম, হাজী শফিউর রহমান, হাফেজ আমিনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রুহুল আমীন সহ আরও অনেকে। আল্লাহ হযরতকে সিহহাতে কামেলা নসীব করুক। আমীন।

10/11/2019

আলহামদুলিল্লাহ, খোশবাজারের পীর শায়খ আল্লামাহ আবুল হাসানাত শাহ মুহাম্মাদ আয়াতুল্লাহ হাসান ইবন মাছউদ মাদ্দাল্লাহু যিল্লাহুল আলি পবিত্র ঈদে মিলাদিন্নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে জামালপুর জেলার মাহফিলে আখিরি মুনাজাত করেছেন। হুযুর এখন দরবার শরিফে ফিরছেন।

Address

Thakurgaon
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khoshbazar Darbar Sharif-Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share