বাংলাদেশ আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • বাংলাদেশ আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা

বাংলাদেশ আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা Welcome to the Official page of ''Bangladesh Ahlehadeeth Women Association''

//আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা গঠনের পিছনে অধ্যাপক আসাদুল্লাহ আল গালিবের মধ্য একটি পূর্ব অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ কারন হিসেবে কাজ কর...
26/08/2025

//আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা গঠনের পিছনে অধ্যাপক আসাদুল্লাহ আল গালিবের মধ্য একটি পূর্ব অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ কারন হিসেবে কাজ করছিল। সেটি হল - ১৯৭৭ সালে তিনি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগে মাস্টার্স-এর ছাত্র তখন ১০ই ডিসেম্বর-৭৭ দৈনিক ইত্তেফোক -এর রবিবাসরীয় সংখ্যায় 'বিশ্ব নারীবর্ষ' উপলক্ষ্যে 'বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সমিতি'র সভানেত্রী ডক্টর নীলিমা ইব্রাহীমের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। প্রবন্ধটি ইতিপূর্বে ঢাকায় উক্ত মহিলা সমিতি আয়ােজিত সেমিনারে পঠিত হয়। যেখানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি কে, এম, সোবহান, অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খাঁ, বেগম সুফিয়া কামাল প্রমুখ বুদ্ধিজীবীগণ। তিনদিন ব্যাপি উক্ত সেমিনারে প্রায় অর্ধ ডজন ইসলামবিরোধী প্রস্তাব সরকারের নিকটে পেশ করার জন্য গৃহীত হয়। উক্ত প্রবন্ধে হিন্দু মুসলিম আন্ত-সাম্প্রদায়িক বিবাহ, পিতৃ সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়ের একই অংশ নির্ধারণ, এক পুরুষ এক নারী, একাধিক স্ত্রী মােটেই নয়, এ সবের পক্ষে জোরালাে যুক্তি দেখিয়ে সরকারকে এগুলো মেনে
নেওয়ার আহবান জানানে হয় ।

//উক্ত প্রবন্ধ পাঠ করে জনাব আসাদুল্লাহ আল গালিব ভীষণভাবে মর্মপীড়া অনুভব করেন। ভাবতে থাকেন বাংলাদেশে ৬৬টির মত মহিলসংস্থা আছে। এর মধ্যে একটি যদি অহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা থাকে তারাই এর প্রতিবাদ করলে অধিক কার্যকরী হ'ত। যাই হােক তিনি এর কড়া প্রতিবাদ লিখে তার ভাগিনেয়ী তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ১ম বর্ষ সম্মনের ছাত্রী রােজেদা আখতারের নামে 'স্বাধিকার প্রতিষ্ঠায় নারী'
শিরােনামে ইত্তেফাকে পাঠিয়ে দেন। যা ১৫ই জানুয়ারী -৭৮ এর রবিবাসরীয় ইত্তেফাকে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সাপ্তাহিক আরাফাতে তার স্বনামে ১৬-০১-১৯৭৮ তারিখে ২০/১৬ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।

//বলাবাহুল্য অন্যানা মাহিলা সংস্থার পাশাপাশি অহলেহাদীছ মহিলাদের সতন্ত্র অস্তিত্ব ও ঐতিহ্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এবং কুরআন ও ছইীহ হাদীছ অনুযায়ী
নিজেদের ও অন্যান্য মহিলাদের গৃহ ও পরিবার গড়ে তােলর মহান উদ্দেশ্য নিয়েই অধ্যাপক মাওলানা আসাদুল্লাহ আল-গালিব ১৯৮১ সালের ৭ই জুন তারিখে বাংলাদেশ আহলেহাদীছ মহিলা-সংস্থার গােড়াপত্তন করেন যা এখন কর্মচঞ্চল সংগঠন হিসেবে কাজ করেছে। ফালিল্লাহিল হামদ।

// উল্লেখ্য ১৯৮১ সালের ৭ই জুন তারিখে সর্ব প্রথম সাতক্ষীরা শহরে বাংলাদেশ 'আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা বা জমঈয়তে খাওয়াতীনে আহলেহাদীছ ' প্রভিষ্ঠা
লাভ করে। উক্ত সংগঠনের প্রথম সম্পাদিকা ছিলেন হালিমা খাতুন এবং সভানেত্রী ছিলেন স্নিগ্ধা হক এম, এ। এই সময় অধ্যাপক গালিবকে সহযােগিতা করেছিল সাতক্ষীরার অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ গযনফর ও মৌলবী
আবছুস ছামাদ ছাহেবান। বলা বাহুল্য আহলেহাদীছ যুবসংঘের কর্মপদ্ধতি অনুযায়ী এর সকল সংগঠনিক ও তাবলীগী কর্মসূচী পরিচালিত হয় যার রিপােট ঐসময় জমঈয়ত মুখপত্র সাপ্তহিক আরাফাতে প্রকাশিত হয়।

সম্পাদনায়ঃ-
শেখ মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম
এস, এম মাসউদ বিন ইসহাক
স্মরণিকা-৯১।

10/08/2025

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

আশাকরি সকলে ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ দীর্ঘদিন পর পেইজটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। আশাকরি আপনারা সকলেই সাথে থাকবেন এবং দ্বীনী বোনদের যুক্ত করে কুরআন ও ছহীহ হাদীছের দাওয়াত ছড়িয়ে দেবেন। ওয়াস-সালাম।

- এ্যাডমিন

13/05/2017

অফিসার জানতে চাইলেন- আপনার পেশা কি?
মহিলা বললেন, আমি একজন মা।
অফিসার বললেন, আসলে শুধু মা তো কোনো পেশা হয়না। যাক, আমি লিখে দিচ্ছি আপনি একজন গৃহিণি। মহিলা খুব খুশী হলেন। পাসপোর্টের কাজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হলো। মহিলা সন্তানের চিকিৎসা নিতে বিদেশ গেলেন।
অনেকদিন পরে, মহিলা দেখলেন পাসপোর্টটি নবায়ন করা দরকার। কখন আবার কোন কাজে লেগে যায়। তিনি পাসপোর্ট অফিসে আসলেন। কিন্তু আগের সেই অফিসারটি আর নেই। দেখলেন খুব ভারিক্ষি, দাম্ভিক, রুক্ষ মেজাজের একজন লোক বসে আছেন।
যথারীতি তিনি ফরম পূরণ করার কাজে মনোনিবেশ করলেন। এবার এই অফিসারও জানতে চাইলেন-
আপনার পেশা কি?
মহিলা মা বলতে গিয়েও একটু থেমে গিয়ে বললেন-
আমি একজন গবেষক। নানারকম চ্যালেন্জিং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করি। শিশুর মানসিক এবং শারিরীক বিকাশ সাধন পর্যবেক্ষণ করে সে অনুযায়ী পরিকল্পণা প্রণয়ন করি। বয়স্কদের নিবিড় পরিচর্যার দিকে খেয়াল রাখি। সুস্থ পরিবার ও সমাজ বিনির্মানে নিরলস শ্রম দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভীত মজবুত করি। প্রতিটি মুহুর্তেই আমাকে নানারকমের চ্যালেন্জের ভিতর দিয়ে যেতে হয় এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা মোকাবিলা করতে হয়। কারণ, আমার সামান্য ভুলের জন্য যে বিশাল ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
মহিলার কথা শুনে অফিসার একটু নড়ে চড়ে বসলেন। মহিলার দিকে এবার যেন একটু শ্রদ্ধা আর বিশেষ নজরে তাকালেন । এবার অফিসার জানতে চাইলেন-
আসলে আপনার মূল পেশাটি কি? যদি আরেকটু বিশদভাবে বলতেন । লোকটির আগ্রহ এবার বেড়ে গেলো।
মহিলা বলতে শুরু করলেন-
আসলে পৃথিবীর গুণীজনেরা বলেন - আমার প্রকল্পের কাজ এতো বেশি দূরহ আর কষ্টসাধ্য যে, দিনের পর দিন আঙুলের নখ দিয়ে সুবিশাল একটি দিঘী খনন করা নাকি তার চেয়ে অনেক সহজ।
আমার রিসার্চ প্রজেক্টতো আসলে অনেকদিন ধরেই চলছে। সার্বক্ষণিক আমাকে ল্যাবরেটরি এবং ল্যাবরেটরীর বাইরেও কাজ করতে হয়। আহার, নিদ্রার জন্যও আমার ঠিক সময় নেই। সব সময় আমাকে কাজের প্রতি সজাগ ওএলার্ট থাকতে হয়।
আমার নিরলস কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ আমি তিনবার স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছি। (মহিলার তিনটি কন্যা সন্তান ছিল।) এখন আমি সমাজবিজ্ঞান, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান আর পারিবারিক বিজ্ঞান এ তিনটি ক্ষেত্রেই একসাথে কাজ করছি, যা পৃথিবীর সবচেয়ে জটিলতম প্রকল্পের বিষয় বলা যায়। প্রকল্পের চ্যালেন্জ হিসাবে একটি অটিস্টিক শিশুর পরিচর্যা করে মানুষ হিসাবে গড়ে তুলছি।
‘উষর মরুর ধূসর বুকে, ছোট্ট যদি শহর গড়ো,
একটি শিশু মানুষ করা তার চেয়েও অনেক বড়।‘
অফিসার মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে মহিলার কথা শুনলেন। এ যেন এক বিস্ময়কর মহিলা। অথচ প্রথমে দেখেতো একেবারে পাত্তাই দিতে মন চায়নি।
প্রতিদিন আমাকে ১৪ থেকে ১৬ ঘন্টা, আবার কোনো কোনো দিন আমাকে ২৪ ঘন্টাই আমার ল্যাবে কাজ করতে হয়। কাজে এতো বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় যে, কবে যে শেষবার ভালো করে ঘুমিয়ে ছিলাম, কোনো রাতে, তাও আমার মনে নেই! অনেক সময় নিজের আহারের কথা ভুলে যাই।আবার অনেক সময় মনে থাকলেও সবার মুখে অন্ন তুলে না দিয়ে খাওয়ার ফুরসত হয়না। অথবা সবাইকে না খাইয়ে নিজে খেলে পরিতৃপ্তি পাই না। পৃথিবীর সব পেশাতেই কাজের পর ছুটি বলে যে কথাটি আছে আমার পেশাতে সেটা একেবারেই নেই। ২৪ ঘন্টাই আমার অন কল ডিউটি।
এরপর আমার আরো দুটি প্রকল্প আছে। একটা হলো বয়স্ক শিশুদের ক্লিনিক। যা আমাকে নিবিড়ভাবে পরিচর্যা করতে হয়।সেখানেও প্রতিমুহুর্তে শ্রম দিতে হয়। আমার নিরলস কাজের আর গবেষণার কোনো শেষ নেই ।
আপনার হয়তোবা এবার জানতে ইচ্ছে করছে, এ চ্যালেন্জিং প্রকল্প পরিচালনায় আমার বেতন কেমন হতে পারে?
আমার বেতন ভাতা হলো- পরিবারের সবার মুখে হাসি আর পারিবারিক প্রশান্তি। এর চেয়ে বড় অর্জন আর বড় প্রাপ্তি যে কিছুই নেই।
এবার আমি বলি অফিসার, আমার পেশা কি?
আমি একজন মা। এই পৃথিবীর অতিসাধারণ এক মা।
মহিলার কথা শুনে অফিসারের চোখ জলে ভরে আসে। অফিসার ধীরে ধীরে চেয়ার ছেড়ে ওঠেন। নিজের মায়ের মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তিনি খুব সুন্দর করে ফরমের সব কাজ শেষ করে মহিলাকে সালাম দিয়ে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন। তারপর নিজের অফিস রুমে এসে একটি ধূসর হয়ে যাওয়া ছবি বের করে ছবিটির দিকে অপলক নেত্রে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকেন। একসময় নিজের অজান্তেই চোখের জল টপ টপ করে ছবিটির ওপর টপটপ করে পড়তে থাকে।
আসলে সত্যিই মা এর মাঝে যেমন নেই কোনো বড় উপাধির চমক। নেই কোন বড় পেশাদারিত্বেরও ভাব। কিন্তু কত সহজেই প্বথিবীর সব মা নিঃস্বার্থ ভাবে প্রতিটি পরিবারে প্রতিনিয়ত নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। মাতৃত্বের গবেষানাগারে প্রতিনিয়ত তিলেতিলে গড়ে তুলছেন একেকটি মানবিক নক্ষত্র।
সেই মা সবচেয়ে খুশি হন কখন জানেন?
যখন তার সেই সাধনালব্ধ সন্তানটি প্রকৃত মানবিক ও আদর্শিক মূল্যবোধ আর নির্মল চরিত্রের খাটি মানুষ হয়, শুধু ধনসম্পদ আর ঐশ্বর্যের প্রাচুর্যতায় নয়, উত্তম চরিত্র আর সততায় একজন খাঁটি মানুষ হয়।
(সংগৃহীত, যাকারিয়্যা মাহমূদ এর ওয়াল থেক)

03/05/2017

দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ যে নারী
-প্রফেসর আমীনা মাসআদ আল-হারবী, সহকারী প্রফেসর, কিং আবদুল আযীয বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব এবং দাম্পত্য, পরিবার ও সমাজ বিষয়ক পরামর্শদাতা

এককথায় একগুঁয়ে ও জেদী নারীরাই দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ এবং এমনকি আত্মীয়দের সাথেও সুসস্পর্ক গড়তে ব্যর্থ। যে নারী সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে আবেগ-ভালোবাসা আর নমনীয়তার বিচক্ষণতা হারিয়েছে আর নিজের মতামত ও জিদকে প্রাধান্য দিয়েছে, সে-ই দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু কেন?

১. কেননা তখন সে স্বামীর সাথে টানাটানি ও ঠেলাঠেলিতে প্রবেশ করবে। বিজয়ের জন্য নিজের আমিত্বকে জাহির করতে চাইবে। আর তখনই সে স্বামীর জিদের সামনে পরাজিত হবে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নিকটস্থ ব্যক্তিরাও জেদী হয়ে উঠবে। কেননা পুরুষরা জেদী স্ত্রী বা একগুঁয়ে বোনের সামনে আরো বেশী কঠোর ও জেদপ্রবণ হয়ে উঠে। কিন্তু নমনীয় নারীর সামনে তারা হয় কোমল।
২. জেদী নারী ধারণা করে, সে যদি নিজের মতামতের উপর দৃঢ় থাকে এবং দ্বন্দ্বের ঝড়ে অটল থাকতে পারে, তবে সে বিজয়ী হবে। কিন্তু একথা ভুলে যায় যে, নিজের মতের ক্ষেত্রে জিদ করে যদি একটা বিজয় পেয়েও যায় কিন্তু বিপরীত দিকে সে এমন একটি হৃদয় হারাবে যে তাকে ভালোবাসতো।
৩. অধিকাংশ ঘটনায় পণ্ডিতগণ সহজ-সরল নম্র ও আবেগপ্রবণ স্বামীভক্ত নারীদের প্রশংসা করেছেন। যে নারী নম্রতার সাথে স্বামীকে সঙ্গ দেয় ও তার ভালোবাসা আদায় করার কৌশল বুঝে, তাকেই স্বামী অধিক ভালোবাসে ও তাকে আঁকড়ে রাখে।
৪. ঝড় উঠলে তা চলে যাওয়ার জন্য যে নারী মাথা নামিয়ে নুয়ে পড়ে, সে-ই বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী, তার পক্ষেই সংসারকে চিরকাল আঁকড়ে রাখা সম্ভব। কিন্তু যে নারী শুকনো গাছের মত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, সে মচকে যায় বা এমনভাবে ভেঙ্গে যায়- যা আর জোড়া লাগে না।
৫. নিজের মতের উপর অটল জেদী নারীর বিশ্বাস হচ্ছে, আমিই বিজয়ী হব, তুমি পরাজিত হবে। এ নারী মূলতঃ অন্যকে ধ্বংস করার পূর্বে নিজেকেই ধ্বংস করে। সর্বদা আফসোসের জীবন অতিবাহিত করে। যার তিক্ততা সে ভোগ করে দুনিয়া ও আখেরাতে।
৬. পারিবারিক কনসালটেন্সি বিভাগে কাজ করে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে:
একগুঁয়ে ও জেদী নারীদের পরিণাম শেষ হয় তালাকের মাধ্যমে। ফলে তারা পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে হয় ব্যর্থ।
৭. এক বেদুঈন নারী তার কন্যার বিদায়ের দিন যে উপদেশ দিয়েছিল তা অত্যন্ত চমৎকার প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা এবং পরীক্ষিত সত্য। সফল স্ত্রীরা এর বাস্তবতাকে প্রমাণ করেছেন। উপদেশটি হচ্ছে, 'তুমি স্বামীর সামনে নিজেকে একজন দাসীতে পরিণত কর। দেখতে পাবে অচিরেই সে তোমার দাসে পরিণত হয়ে যাবে'। ভালো পুরুষরা ধৈর্যশীল ও উদার হয়ে থাকে, কিন্তু নির্বোধ ও একগুঁয়ে-জেদী নারীরা তাদেরকে শত্রুতে পরিণত করে।

27/04/2017

‘আর যদি পিতা-মাতা তোমাকে চাপ দেয় আমার সাথে কাউকে শরীক করার জন্য, যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তাহ’লে তুমি তাদের কথা মানবে না। তবে পার্থিব জীবনে তাদের সাথে সদ্ভাব রেখে চলবে’ (লোকমান ৩১/১৫)।

24/04/2017

রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হ’ল,أَىُّ النِّسَاءِ خَيْرٌ قَالَ الَّتِى تَسُرُّهُ إِذَا نَظَرَ وَتُطِيْعُهُ إِذَا أَمَرَ وَلاَ تُخَالِفُهُ فِى نَفْسِهَا وَمَالِهَا بِمَا يَكْرَهُ.
কোন নারী উত্তম? তিনি উত্তরে বললেন, 'যে স্বামীকে আনন্দিত করে যখন সে (স্বামী) তার দিকে তাকায়; যখন সে নির্দেশ দেয়, তা মান্য করে। তার নিজের ও স্বামীর সম্পদের ব্যাপারে স্বামীর অপসন্দনীয় কাজের বিরোধিতা করে না’ (নাসাঈ হা/৩২৩১; মিশকাত হা/৩২২৭; ছহীহাহ হা/১৮৩৮)।

অন্যত্র রাসূল (ছাঃ)বলেন,أَلاَ أُخْبِرُكَ بِخَيْرِ مَا يَكْنِزُ الْمَرْءُ الْمَرْأَةُ الصَّالِحَةُ إِذَا نَظَرَ إِلَيْهَا سَرَّتْهُ وَإِذَا أَمَرَهَا أَطَاعَتْهُ وَإِذَا غَابَ عَنْهَا حَفِظَتْهُ
'আমি কি তোমাকে মানুষের সর্বোত্তম সম্পদ সম্পর্কে অবহিত করব না?
তা হ’ল, নেককার স্ত্রী। সে (স্বামী) তার (স্ত্রীর) দিকে তাকালে স্ত্রী তাকে আনন্দ দেয়, তাকে কোন নির্দেশ দিলে সে তা মেনে নেয় এবং সে যখন তার থেকে অনুপস্থিত থাকে, তখন সে তার সতীত্ব ও তার সম্পদের হেফাযত করে’ (আবুদাউদ হা/১৬৬৪; মিশকাত হা/১৭৮১; ছহীহুল জামে‘ হা/১৬৪৩)।

23/04/2017

প্রশ্ন (১১/২৫১) : আমার স্ত্রী দ্বীনী ব্যাপারে দারূণ অবহেলা করে। আমি তাকে তালাক দিতে চাই। কিন্তু আমার দেড় বছরের ১টি শিশু সন্তান রয়েছে। এক্ষণে তালাক দেওয়া ঠিক হবে কি?

-নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা।

উত্তর : উক্ত অবস্থায় স্ত্রীকে বেশী বেশী উপদেশ দিতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা নারীদেরকে উত্তম নছীহত কর। কেননা নারী জাতিকে পুরুষের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়গুলোর মধ্যে উপরের হাড়টি বেশী বাঁকা। তুমি যদি তা সোজা করতে যাও, তাহ’লে তা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি ছেড়ে দাও, তাহ’লে তা সব সময় বাঁকাই থাকবে। অতএব নারীদের নছীহত করতে থাক’ (বুখারী হা/৩৩৩১; মুসলিম হা/১৪৬৮; মিশকাত হা/৩২৩৮)।

তালাক থেকে সম্ভবপর দূরে থাকাই উত্তম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর নিকট ঘৃণিত হালাল হ’ল তালাক প্রদান করা’ (আবুদাউদ হা/২১৭১; মিশকাত হা/৩২৮০; যঈফুল জামে‘ হা/৪৪)। হাদীছটির সনদ মুরসাল হ’লেও মর্মগতভাবে সঠিক (উছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ ৩/৫৫)। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর অস্থির সম্পর্ক সন্তানদের মানসে দারূণ প্রভাব ফেলে। তাই সন্তানদের দিকে তাকিয়ে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। তবে দ্বীনের মৌলিক ভিত্তিসমূহের ব্যাপারে নিয়মিত অবহেলা দেখা গেলে এবং উপদেশে কোন কাজ না হ’লে অবশেষে তালাক দেওয়া সিদ্ধ।

22/04/2017

অনেকদিন যাবত আমরা পেজে নিয়মিত হ'তে পারিনি। পুনরায় আমরা নিয়মিত পোস্ট এবং আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সবাই আমন্ত্রিত  ।বোনরা অবশ্যই মাহরাম সহ আসবেন।ইন শা আল্লাহ।
04/02/2017

সবাই আমন্ত্রিত ।
বোনরা অবশ্যই মাহরাম সহ আসবেন।
ইন শা আল্লাহ।

31/01/2017

নামায বা কুরআন তেলাওয়াতের সময় কিভাবে অন্তর নরম করা যায়?

বিনয়-নম্রতা নামাযের অন্তঃসার ও আসল প্রাণ। এর অর্থ হচ্ছে, অন্তরের উপস্থিতি। ডানে-বামে অন্তরকে নিয়ে ঘুরাফেরা না করা। বিনয়-নম্রতা বিরোধী কোন কিছু যদি মানুষের অন্তরে আসে তবে সে পাঠ করবে ‘আঊযুবিল্লাহি মিনাশ্‌ শায়তানির রাজীম।’ যেমনটি নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করেছিলেন। সন্দেহ নেই শয়তান মানুষের সমস্ত ইবাদত বিশেষ করে সর্বোত্তম ইবাদত ছালাত বিনষ্ট করার জন্য সর্বাধিক আগ্রহী। নামাযরত ব্যক্তির কাছে শয়তান আগমণ করে বলে, উমুক কথা স্মরণ কর, উমুক কথা স্মরণ কর। তাকে এমন কিছুর খেয়ালে নিয়ে যায় যাতে কোন উপকার নেই। আবার নামায শেষ হলে এসমস্ত খেয়াল শেষ হয়ে যায়।

অতএব মানুষের জন্য আবশ্যক হচ্ছে, নামাযের মত গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রেষ্ঠ ইবাদত আদায় করার জন্য সবচেয়ে বেশী মনযোগী ও বিনয়ী হওয়া। কেননা সে তো মহান আল্লাহ্‌র সামনে দন্ডায়মান। তাঁর সাথে গোপনে কথা বলছে। মনে করবে সে যেন মহান আল্লাহকে দেখছে বা এতটুকু মনে করবে যে, আল্লাহ্‌ তাকে দেখছেন। আর যখনই শয়তানের কুমন্ত্রনা ও বদখেয়াল মনের দুয়ারে উঁকি দিতে চাইবে তখনই আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাইবে। পাঠ করবেঃ ‘আঊযুবিল্লাহি মিনাশ্‌ শায়তানির রাজীম।’
-শাইখ সালেহ আল উছায়মীন রহঃ

28/01/2017

যে সব বিষয় নামাযকে বাতিল করে দেয় :

১. ইচ্ছাকৃত কথা বলা
২. সম্পূর্ণ শরীর ক্বিবলার দিক থেকে সরে যাওয়া।
৩. পেশাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কিছু বের হওয়া।
৪. বিনা প্রয়োজনে অধিক নড়াচড়া করা।
৫. অট্টহাসি দেয়া।
৬. ইচ্ছাকৃত রুকু সিজদা বেশী করা।৭. ইচ্ছা করে ইমামের আগে যাওয়া।

21/01/2017

মহান আল্লাহ্ বলেন,
“পৃথিবীকে যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত করা হবে, এবং পৃথিবী যখন তার অভ্যন্তরের ভারসমূহ বের করে দিবে, এবং মানুষ বলবেঃ এর কি হলো? সেদিন পৃথিবী তার সবতত্ত্ব বর্ণনা করে দিবে। কারণ, তোমার প্রতিপালক তাকে আদেশ করবেন। সেদিন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলে বের হবে, তাদের কৃতকর্ম দেখানোর জন্য। অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তাও দেখবে, এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখবে।”
[সূরা যিলযাল, আয়াতঃ ১-৮]

Address

আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী (বালিকা শাখা), নওদাপাড়া, সপুরা, রাজশাহী
Rajshahi
6203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to বাংলাদেশ আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা:

Share